Author: জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়

  • Pakistan: পাকিস্তানে ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার নামে হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত দুই মুসলিম যুবক

    Pakistan: পাকিস্তানে ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার নামে হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত দুই মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বন্যার কবলে পাকিস্তান (Pakistan)। বিশেষ করে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে সব থেকে বেশি মানুষ বন্যা কবলিত (Flood)। আর এরই মাঝে এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হল সেই দেশ। দুই মুসলিম (Muslim) যুবক বন্যা ত্রান সামগ্রী দেওয়ার নাম করে এক হিন্দু মেয়েকে (Hindu Girl) ধর্ষণ (Rape) করল। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সংঘর জেলার শাহাদাদপুরে। দুই অভিযুক্তের নাম খালিদ (Khalid) এবং দিলসার (Dilsher)। এর মধ্যে খালিদ অটো চালক।

    আরও পড়ুন: ফের চালু হতে চলেছে ভারত-পাক বাণিজ্য? 

    অভিযোগ এই দুই মুসলিম যুবক ওই হিন্দু যুবতীকে প্রথমে নেশা জাতীয় দ্রব্য খেতে বাধ্য করে এবং পরে তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিওতে জানিয়েছেন নির্যাতিতা। এই মুহূর্তে সেই ভিডিও ভাইরাল। নির্যাতিতা জানান, তাঁকে ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে যায় ওই অটো চালক। তারপর ওই নির্যাতিতার অজান্তেই নেশার দ্রব্য দেওয়া হয় তাঁকে এবং ধর্ষণ করা হয়। তারপর তাঁকে ফেলে চলে যায় তারা। 

    পাকিস্তানে এভাবেই বার বার হিংসার শিকার হতে হয় সংখ্যালঘুদের। বন্যার সময় সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা আরও বেড়েছে। কিছুদিন আগেই আরও এক সংখ্যালঘু ভিডিওতে অভিযোগ করেছিলেন, যে মুসলিম গুণ্ডারা তাঁর বাড়ির মহিলাদের ওপর চড়া হয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। 

    এছাড়াও বৃহস্পতিবার ৮ বছরের নাবালিকার গণধর্ষণের খবরও সামনে এসেছে। ওই নাবালিকার পুরো মুখ চেঁচে দেওয়া এবং চোখ উপড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে যেই হিন্দুরা থাকেন তাঁরা সমাজের দরীদ্রতম সম্প্রদায়। কোনও কাজের সুযোগ নেই তাঁদের। অনেককে তো আবার মুসলিম মালিকের অধীনে ক্রীতদাস হিসেবেও কাজ করতে হয়। কিন্তু কোনও প্রতিবাদ করার অধিকার নেই তাঁদের। 

    সাম্প্রতিক বন্যায় প্রায় ১১০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সিন্ধু নদের জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। বন্যা কবলিত সিন্ধু প্রদেশের বহু মানুষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

     
     

     

  • Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর সংস্কার করতে গিয়ে ইতিহাসের সন্ধান মিলল পাটনায়। একটি পুকুরের সংস্কার করার সময় ইটের দেওয়ালের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পাটনা (ASI Patna) শাখা। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দাবি দেওয়ালটি ২০০০ বছরের পুরোনো। সময়ের হিসেব করলে দেওয়ালটি কুষান যুগের (Kushan Age) নিদর্শন হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা। 

    পাটনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৬ কিলোমিটার পূর্বে, এর আগে যেখানে মৌর্য সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে কুমরাহারে খনন কাজ চালানোর সময় দেওয়ালের অবশিষ্টাংশটি আবিষ্কার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এএসআই পাটনা সার্কেলের গৌতমী ভট্টাচার্য জানান, “দেওয়ালের ইটগুলি ২০০০ বছরের পুরোনো। সেই হিসেবে এই স্থাপত্য কুষান যুগের হওয়া উচিৎ।  

    আরও পড়ুন: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অংশ হিসাবে এএসআই সুরক্ষিত পুকুরটিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেউ পাটনা প্রশাসন। তখনই খুনন কার্য চালানোর সময় দেওয়ালটি উদ্ধার হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, পুকুরের গভীরে ইটের দেওয়াল একটি বিরল আবিষ্কার। এএসআই বিশেষজ্ঞদের একটি দল দেওয়ালের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করার কাজে লেগে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের প্রাথমিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই ইটগুলি কুষান যুগের নিদর্শন। কুষানরা উত্তর ভারত, বর্তমান আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার কিছু অংশে আনুমানিক ৩০ সাল থেকে ৩৭৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিল। তবে এখনই নিশ্চিত হতে পারছেন না প্রত্নতত্ত্ববিদরা।  

    দিল্লিতে এএসআই সদর দফতরে এই আবিষ্কার সম্পর্কে জানানো হয়েছে বলে জানান গৌতমী ভট্টাচার্য। গৌতমী এএসআই-পাটনা কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অন্তর্গত বিহারের ১১ টি সুরক্ষিত জলাশয় সংস্কারের কাজের অংশ ছিলেন। গৌতমী ভট্টাচার্য (Goutami Bhattacharya) জানান, “আমরা দিল্লিতে আমাদের সিনিয়রদের পুরো বিষয়টা জানিয়েছি। আরও পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষা শেষ হলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে।” 

     

  • Analytics Wing: প্রতারণা রুখতে বিশেষ অ্যানালেটিক উইং রাখার পথে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলি

    Analytics Wing: প্রতারণা রুখতে বিশেষ অ্যানালেটিক উইং রাখার পথে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতারণা (Fraud) এবং ঋণখেলাপি (stressed borrowers) রুখতে পৃথক ডেটা অ্যানালেটিক উইং (Analytics Wing) রাখতে পারে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলি। এর আগে ব্যাংকগুলিকে প্রতারণা এবং ঋণখেলাপি রোখার বিষয়ে সতর্ক করেছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। এবার নড়েচড়ে বসল ব্যাংকগুলি।    

    বিশেষজ্ঞদের একটি দল ডেটা অ্যানালেটিক উইং হিসেবে কাজ করবে। এই দলের মূল কাজ হবে ব্যাংকের যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা। ব্যাংকের আয় থেকে ঋণ কাদের দেওয়া হচ্ছে, কবে টাকা ফেরত আসছে সহ গ্রাহক পরিষেবা সবটাই পর্যালোচনা করে রিপোর্ট দেবে ব্যাংকের এই বিশেষ উইং। সেইমতো পদক্ষেপ নেবে ব্যাংকগুলি। ঋণগ্রহীতাদের ওপর কড়া নজর রাখা এবং ঠিক সময়ে ঋণের টাকা ব্যাংক-এর ভাঁড়ারে আসছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখবে ডেটা অ্যানালেটিক উইং।  

    আরও পড়ুন: এবার ব্যাঙ্কনোটে দেখা যাবে রবীন্দ্রনাথ, কালামের ‘ওয়াটার মার্ক’?

    এক আধিকারিকের মতে, “এই ব্যবস্থায় ব্যপক উপকৃত হবেন সাধারণ মানুষ। এতে ব্যাংকগুলির আয় বাড়বে, এক নতুন মার্কেট পেতে পারে ব্যাংকগুলি। এমনকি প্রতিযোগীতার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এই বিশেষ উইংযুক্ত ব্যাংকগুলি।”

    আরও পড়ুন: দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?

    আধিকারিক আরও জানান, “এই দল ব্যাংকের আয়, গ্রাহক পরিষেবা, কস্ট-রিস্ক এবং ম্যানেজমেন্ট, ঋণ নীতি, প্রতারণা রোধ সবদিকেই নজর রাখবে। এতে গ্রাহক পরিষেবায় এক নতুন মাত্রা আসবে। এমনকি ব্যাংক-এর ঋণ দেওয়া, বীমা, বিনিয়গের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতেও সাহায্য করবে এই দল।”

    প্রতিযোগীতার বাজারে ব্যাংকগুলিকে আরও উপযুক্ত করতে এবং ব্যবসাক্ষেত্রে আরও জোয়ার আনতে মূলত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    এই বিশেষ উইং বড় বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টগুলিকে পর্যালোচনা করবে এবং ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করবে। ফলে ব্যাংকের আয় বাড়বে এবং সমগ্র ব্যাংকিং প্রক্রিয়া অনেক বেশি সহজ হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    নীরব মোদি-মেহুল চোক্সী প্রতারণা-কাণ্ডে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংককে (পিএনবি) ১৩,০০০ কোটি টাকার ক্ষতির মুখ দেখতে হয়েছিল। তার আগে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির প্রায় ৯,০০০ কোটি টাকা পাওনা বাকি রেখে গোপনে দেশ ছেড়েছিলেন বিজয় মাল্য। একের পর এক প্রতারণার ঘটনা থেকে এবার সাবধান হয়েছে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলি।   

      

     

  • Covid 19 Vaccine: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ঠিক কতটা জরুরি বুস্টার ডোজ? 

    Covid 19 Vaccine: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ঠিক কতটা জরুরি বুস্টার ডোজ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশজুড়ে ফের ফণা তুলছে করোনা (Covid 19)। সংক্রমণে লাগাম টানতে টিকাকরণে (Vaccination) গতি এনেছে কেন্দ্র। জোড় দেওয়া হচ্ছে বুস্টার ডোজে (Booster Jab)। কোভিড টিকার তৃতীয় ডোজকে বুস্টার ডোজ বলা হয়। ভারতে একে পূর্ব সতর্কতা ডোজও বলা হয়ে থাকে। দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার ৯ মাসের মাথায় দেওয়া হয় এই বুস্টার শট। 

    চলতি বছর ১০ এপ্রিল থেকে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে কেন্দ্র সরকার। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের সময় যে টিকা দেওয়া হয়েছে, সেই টিকারই বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়ে থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি কোভিশিল্ডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেন, তাহলে তিনি সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার টিকাই বুস্টার ডোজ হিসেবে পাবেন। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই নিতে পারবেন এই বুস্টার ডোজ। 

    এপ্রিল মাসে প্রতি সপ্তাহে ১০-১৫ লক্ষ করে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। তারপর চাহিদা খানিকটা কমলেও, মে-র দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করলে আবার বুস্টার ডোজের ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে ২১.০৮ লক্ষ বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ঊর্ধ্বমুখী করোনারগ্রাফ, দেশজুড়ে ১৯৫ কোটি টিকাকরণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিডের দ্বিতীয় টিকার কারণে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সাথে অনেকটাই লড়তে সক্ষম হয়েছে দেশ। কিন্তু এখন আবার সেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে শুরু করেছে। তাই চতুর্থ ঢেউকে প্রতিহত করতে বুস্টার ডোজ নেওয়া পরামর্শ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। যদিও এনিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে।   

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ?

    কোনও কোনও বিজ্ঞানীর মতে এই মুহূর্তে করোনার যে ভ্যারিয়েন্টটি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তার শক্তি খুব বেশি নয়। বুস্টার ডোজ এই দুর্বল ভ্যারিয়েন্টে নিজের ক্ষমতা দেখাতে খুব বেশি সক্ষম নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে শরীর নিজে থেকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে নিতে পারে। অ্যান্টিবডি হ্রাস পাচ্ছে মানেই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠবে না এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।  
    রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠার নেপথ্যে থাকে টি-সেল এবং বি-সেল। টি-সেল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতারই একটি অংশ। কোনও ভাইরাসে আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে এই টি-সেল। কেউ কেউ বলেছেন করোনার এই ভ্যারিয়েন্টের জন্যে বুস্টার ডোজের কোনও প্রয়োজন নেই। একমাত্র নতুন কোনও ভ্যারিয়েন্ট এলেই বুস্টার ডোজের কথা ভাবা যেতে পারে।   

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বুস্টার ডোজ এই মুহূর্তে তাঁদেরই প্রয়োজন যারা এখন অবধি করোনায় একবারও আক্রান্ত হননি। তাঁদের সেই রোগের কোনও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে ওঠেনি। তাঁরা বুস্টার ডোজ নিতে পারেন। অল্প বয়স্কদের এখনই প্রয়োজন নেই বুস্টার ডোজ। বয়স্করা নিতে পারেন।  

    বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ আবার সমস্ত প্রাপ্ত বয়স্কদের বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বুস্টার ডোজ নেওয়ায় কোনও ভয় নেই। বরং নেওয়া থাকলে অনেকটা নিশ্চিন্ত থাকা যায়। বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো খারাপ পরিস্থিতিতে যেতে পারে না এই মারণ ভাইরাস। জানাচ্ছেন, ৬০% রোগী ভর্তি আছে হাসপাতালে। তাঁদের মাত্র ৬% বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। এক বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের প্রশ্ন, কিছু দিনের মধ্যেই করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট হাজির হবে। তখন কেন হাসপাতালে বুস্টার ডোজ নিতে দৌড়ব? আগে থেকে নিয়ে কেন প্রস্তুত থাকব না? বুস্টার ডোজ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে বাড়তি সুরক্ষা দিয়ে থাকে। বিশেষ করে যারা কোমর্বিলিটির রোগী, অর্থাৎ যাদের হৃদরোগ, ডায়েবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা আছে তাদের বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা। 

    ভেলোরের খ্রীষ্টান মেডিক্যাল কলেজের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বুস্টার ডোজ হিসেবে কোভিশিল্ডই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। যদিও ভারতে এই মুহূর্তে সেই ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ আপনাকে প্রথম দুই ডোজে যে টিকা দেওয়া হয়েছে, সেই টিকাই দেওয়া হবে বুস্টার ডোজ হিসেবে। 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই মুহূর্তে যে টিকাগুলি দেওয়া হচ্ছে তা করোনার প্রথম ভ্যারিয়েন্টের জন্যে বানানো হয়েছিল। ভাইরাস এখন মিউটেশনের মাধ্যমে প্রকৃতি বদলেছে। তাই এই ভ্যারিয়েন্টে খুব বেশি কার্যকর হবে না এই টিকা বলে মত তাঁদের।
    তাই যাদের বিপদের আশঙ্কা সব থেকে বেশি একমাত্র তাঁদেরকেই বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন এই বিশেষজ্ঞরা। 

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

     

  • Job Notification: ১৩০ শূন্যপদে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের, কীভাবে আবেদন করবেন? 

    Job Notification: ১৩০ শূন্যপদে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের, কীভাবে আবেদন করবেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩০ শূন্যপদে  চ্যুক্তিভিত্তিক চাকরির (Contractual Job) বিজ্ঞপ্তি জারি করল কেন্দ্রীয় শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রক (Ministry of Labour and Employment)। শুরুতে ২ বছরের চ্যুক্তিতে চাকরিতে নিয়োগ করা হবে, পরবর্তীতে ৫ বছর অবধি চাকরির সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।   

    যোগ্য প্রার্থীরা শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া লিঙ্কে www.ncs.gov.in ক্লিক করে আবেদন করতে পারেন। গুগল থেকেই এই লিঙ্কে গিয়ে আবেদন করতে হবে, এমনটাই বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।  

    আবেদন জমা করার শেষ দিন ২২ জুন, ২০২২। 

    শূন্য পদের সংখ্যা: ১৩০ 

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: আবেদনকারীকে স্নাতক পাশ হতে হবে এবং চার বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (বিএ, বিই, বিটেক, বিএড)। অথবা স্নাতকোত্তর পাশ (এমবিএ, বা ইকোনমিক্স, সাইকোলজি, সোসিওলজি, অপারেশন রিসার্চ, স্ট্যাটিস্টিক্স, সোশ্যাল ওয়ার্ক, ম্যানেজমেন্ট, ফিন্যান্স, কমার্স, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন স্নাতকোত্তর পাশ হতে হবে)  এবং ২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে আইন মেনে হচ্ছে না ১০০ দিনের কাজ 

    বয়সসীমা: এই শূন্যপদগুলিতে আবেদন করার জন্যে ০৮/০৬/২০২২- এর মধ্যে সর্বনিম্ন বয়স ২৪ এবং সর্বোচ্চ বয়স ৪০ হতে হবে। কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী বয়সে ছাড় থাকবে। 

    বেতন: প্রতি মাসে বেতন সমস্ত কর যোগ করে ৫০,০০০ টাকা।

    পোস্টিং: গোটা দেশে যেকোনও জায়গাতেই হতে পারে পোস্টিং। এছাড়া প্রার্থীর পছন্দের জায়গাকেও গুরুত্ব দেবে এনআইসিএস, ডিজিই। 

    দেশে বছর বছর কর্মসংস্থানের হার ৪০% করে বেড়েছে। এমনটাই জানা গেছে কর্মসংস্থান সাইট নকরি ডটকমের ইনডেক্সে। করোনার কারণে ২০২১-এ কর্মসংস্থান যেভাবে হ্রাস পেয়েছিল, সেই অবস্থা অনেকটাই উন্নীত হয়েছে ২০২২ সালে। বিশেষ করে পর্যটন, হোটেল, রিটেল, রিয়েল এস্টেটের ব্যবসায় বেকারত্বের হার অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। 

    পর্যটনে কর্মসংস্থান ৩৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। রিটেল এবং রিয়েল এস্টেটে যথাক্রমে ১৭৫ এবং ১৪১ শতাংশ। বিমা সংস্থাগুলিতেও ১২৬ শতাংশ কর্মসংস্থান বেড়েছে। ব্যাঙ্কে ১০৪ শতাংশ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ৮৬ শতাংশ বেড়েছে কর্মসংস্থানের (Employment) হার।  

     

     

     

  • Future CJ Pardiwala: মান্না দের ভক্ত, ক্রিকেট অনুরাগী, রায়ে মানবিক স্পর্শ, জানুন দেশের ভাবী প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য 

    Future CJ Pardiwala: মান্না দের ভক্ত, ক্রিকেট অনুরাগী, রায়ে মানবিক স্পর্শ, জানুন দেশের ভাবী প্রধান বিচারপতি সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি পদে শপথ নিলেন জামশেদ বুরজোর পারদিওয়ালা। ২০২৮ সালের মে মাসে তিনি হবেন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি (Chief Justice)। তাঁর কার্যকালের মেয়াদ হবে দু’বছর তিন মাস। মান্না দের ভক্ত, ক্রিকেট অনুরাগী এই বিচারক কোনও দম্পতির মধ্যে অশান্তি মেটাতে নিজের বাইরে গিয়েও চেষ্টা করেন। তাঁর প্রতিটি রায়ে দেন ‘মানবিকতার স্পর্শ’।  

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করলেন বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা (J B Pardiwala) ও বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা এই দুই বিচারপতিকে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন। 

    এর আগে গুয়াহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া ও গুজরাত হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বিচারক জামশেদ বুরজোর পারদিওয়ালা। নতুন দুই বিচারপতি শপথ নেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের মোট বিচারপতির সংখ্যা বেড়ে হল ৩৪। তবে, তা ১০ মে পর্যন্ত। ১০ মে অবসর নেওয়ার কথা বিচারপতি বিনীত সরনের। বিচারপতি ধুলিয়া, উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট থেকে পদোন্নতি হওয়া দ্বিতীয় বিচারপতি। অপরদিকে, বিচারপতি পারদিওয়ালা চতুর্থ পার্সি যিনি সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চে উন্নীত হলেন।   

    ১১ বছর আগে বিচারক হন পারদিওয়ালা। কয়েকজন প্রবীণ বিচারপতি ও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে প্রতিযোগীতায় হারিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের এই পদে আসীন হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টে দীর্ঘ ৩০ মাস ৩৪ জন বিচারপতির পদ শূন্য ছিল। সম্প্রতি ওই পদগুলি পূরণ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম নতুন বিচারপতিদের নাম সুপারিশ করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার মন্ত্রক তা অনুমোদন করে। 

    গত ১১ বছর উচ্চ আদালতে বিচারপতি থাকাকালীন পারদিওয়ালার বিভিন্ন রায় সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়েছে। কোভিড অতিমহামারীর সময় একাধিকবার তিনি সরকারকে তিরস্কার করেছেন। ওই সময় তিনি পুরীতে জগন্নাথদেবের রথযাত্রার অনুমতি দেননি। একটি রায়ে সংরক্ষণের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছিলেন। সেজন্য তাঁকে ইমপিচ করার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছিল।   

    বিচারপতি পারদিওয়ালার ডাক নাম জাপু। গুজরাতের দক্ষিণে এক পার্সি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর দাদু কাওয়াসজি নভরোজ পারদিওয়ালা, ১৯২৯ সালে ওকালতি শুরু করেন। তিনি ১৯৫৮ সাল অবধি আইনের পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জামশেদ পারদিওয়ালার বাবা  বুরজোর কাওয়াসজি পারদিওয়ালা ওকালতির পাশাপাশি রাজনীতিও করেছেন। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত গুজরাত বিধানসভার স্পিকার ছিলেন।

    জামশেদ পারদিওয়ালা ১৯৮৮ সাল থেকে প্র্যাকটিস শুরু করেন। ২০১১ সালে তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হন। ২০১৩ সালে তাঁকে ওই পদে স্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়। তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু জাল উনওয়ালা জানিয়েছেন, একসময় ভাল টেনিস খেলতেন পারদিওয়ালা। তিনি ঈশ্বরে বিশ্বাসী। অদৃষ্টও মেনে চলেন। 

    পারদিওয়ালা তরুণ আইনজীবীদের কাছে একজন অত্যন্ত পছন্দের বিচারপতি। তাঁরা বলেন, পারদিওয়ালার ভাষার ওপরে তাঁর যথেষ্ট দখল আছে। সর্বোপরি তিনি প্রতিটি রায়ে মানবিক স্পর্শ দেন। এক প্রবীণ অ্যাডভোকেট বলেন, বিচারপতি পারদিওয়ালা যদি দেখেন এমন কোনও দম্পতি বিবাহ বিচ্ছেদ চাইছে যাঁদের সন্তান আছে, তাঁদের তিনি নিজের চেম্বারে ডেকে পাঠান। দু’জনের কাছে আবেদন করেন, সন্তানের কথা ভেবে আপনারা বিচ্ছিন্ন হবেন না। এমনকি বৈবাহিক ধর্ষনেরও বিরোধীতা করেন এই ‘মানবিক’ বিচারপতি। 

     

  • Har Ghar Tiranga: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’, কী ভাবে পোস্ট অফিস থেকে অনলাইনে অর্ডার করবেন দেশের পতাকা? 

    Har Ghar Tiranga: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’, কী ভাবে পোস্ট অফিস থেকে অনলাইনে অর্ডার করবেন দেশের পতাকা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day) পালন করবে গোটা দেশ। দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিবস পালনের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তার আগেই এক নতুন চমক দিল ভারতীয় ভারতীয় ডাক বিভাগ (India Post)। ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) প্রচারের অংশ হিসাবে দেশজুড়ে পোস্ট অফিসগুলি ভারতের জাতীয় পতাকা (National Flag) বিক্রি শুরু করছে। জাতীয় পতাকা পাওয়া যাবে অনলাইনেও। পোস্ট অফিসের ইপোর্টালে। সম্প্রতি ভারতীয় পোস্ট বিভাগ http://www.epostoffice.gov.in – এই ইপোর্টালটির মাধ্যমে জাতীয় পতাকার অনলাইন বিক্রির ঘোষণা করেছে। গত ১ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে ভারতীয় পতাকা বিক্রি।  

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন      

    এ বছর দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিবসের দিন সোশ্যাল মিডিয়া ডিপি বদলে ভারতের জাতীয় পতাকার ছবি লাগানোর অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া বদল এসেছে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নিয়মেও। আগে সুর্যদয়ের পর উত্তোলন এবং সূর্যাস্তের আগে পতাকা নামিয়ে নিতে হত। কিন্তু এবছর ২৪ ঘণ্টাই রাখা যাবে পতাকা। মানুষ তাঁদের বাড়িতে আগামী ১৩-১৫ অগাস্ট পতাকা উত্তোলন করতে পারবেন। 

    যে পতাকাগুলি পোস্ট অফিসে বিক্রি করা হচ্ছে, তার মাপ ২০ ইঞ্চি x ৩০ ইঞ্চি। প্রতিটি পতাকা ২৫ টাকা মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। জাতীয় পতাকায় কোনও জিএসটি ধার্য করা হয়নি। 

    আরও পড়ুন: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে ভূস্বর্গে তিরঙ্গা মিছিল, জাতীয় সঙ্গীতও গাইল পড়ুয়ারা

    কিভাবে পোস্ট অফিস থেকে ভারতীয় পতাকা কিনবেন? 

    • www.epostoffice.gov.in -এ যান।
    • ePostoffice পোর্টালের হোম পেজে ভারতীয় জাতীয় পতাকার ছবিতে ক্লিক করুন।
    • ছবির নীচে “পতাকা কেনার জন্য ছবিতে ক্লিক করুন” লেখা আছে, সেখানে ক্লিক করুন। 
    • ডেলিভারির ঠিকানা, পতাকার পরিমাণ (গ্রাহক প্রতি প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৫টি পতাকা) এবং আপনার মোবাইল নম্বর দিন। 
    • অর্ডারটি সম্পূর্ণ করতে পেমেন্ট সারুন ৷
    • একবার অর্ডার দেওয়া হলে অর্ডার বাতিল করা যাবে না। 
    • পতাকাটি নিকটতম পোস্ট অফিস থেকে নিতে পারবেন। 
  • Kuwait: বিক্ষোভকারীদের ভিসা বাতিলের পথে কুয়েত, ভারতের পাশে থাকার বার্তা? 

    Kuwait: বিক্ষোভকারীদের ভিসা বাতিলের পথে কুয়েত, ভারতের পাশে থাকার বার্তা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়গম্বর বিতর্কে (Prophet Controversy) উত্তাল ইসলামিক দেশগুলি। প্রাক্তন বিজেপিনেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গোটা বিশ্বের সামনে অস্বস্থিতে পড়তে হয়েছে ভারতকে। ইসলামিক দেশগুলি ক্ষমা চাইতে বলেছিল ভারতকে। মুসলিম দেশগুলি ভারতীয় পণ্যও বয়কট করেছিল। এই প্রতিবাদে সামিল হওয়া অন্যতম দেশ ছিল কুয়েত (Kuwait)। সমস্ত সুপারমার্কেটের তাক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সমস্ত ভারতীয় পণ্য। কুয়েতজুড়ে বিক্ষোভও হয়েছিল বিস্তর। 

    অবশেষে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসছে কুয়েত। ভারত নয়, কুয়েত এবার ব্যবস্থা নিচ্ছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেই। প্রবাসী বিক্ষোভকারীদের ভিসা বাতিল করার পথে কুয়েত সরকার। এরমধ্যে রয়েছে ভারতীয়, পাকিস্তানিও। এমনকি চিরতরে ওই বিক্ষোভকারীদের ব্ল্যাকলিস্টও করতে পারে কুয়েত সরকার।   

    আরও পড়ুন: নূপুর শর্মা বিতর্কে অশান্তি, ঝাড়খণ্ডে মৃত ২, তপ্ত বাংলা, ভূস্বর্গে জারি কার্ফু

    গত ১০ই জুন কুয়েতে নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ৪০-৫০ জন মুসলিম প্রবাসী একটি বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেয়। এই বিক্ষোভ চলাকালীন প্রাক্তন বিজেপি নেত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি পয়গম্বর মহম্মদের সমর্থনে স্লোগান পর্যন্ত দেয় তারা। এরপর তাদের সকলকে গ্রেফতার করা হয়।   

    কুয়েত সরকারের আইন অনুযায়ী দেশের মধ্যে প্রবাসীদের বিক্ষোভ কিংবা আন্দোলন করাকে অপরাধ হিসেবে দেখা হয় এবং সেই কারণেই  বিক্ষোভকারীদের সকলকে গ্রেফতার করা হয়। গত শুক্রবার ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমরা পয়গম্বর ইস্যুতে নূপুর শর্মার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানোর জন্য কুয়েতের পাহাহিল এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে। সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি না থাকায় শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয় আন্দোলকারীদের।   

    আরও পড়ুন: “সন্ত্রাসবাদীদের কাছে মাথা নত নয়, নূপুরের পাশে দাঁড়ান”, পরামর্শ ডাচ নেতার

    সূত্রের খবর, বর্তমানে বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করার পাশাপাশি তাদের ভিসাও বাতিল করতে চলেছে সরকার এবং তাদের নির্বাসন কেন্দ্রে পর্যন্ত পাঠানো হতে চলেছে। এমনকি, বিক্ষোভকারীদের আজীবন নির্বাসিত করতে পারে কুয়েত।     

    কুয়েতের সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে ভারত। বিশেষত কুয়েতের রাজ পরিবারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। গত বছর  বিজেপি সরকারের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর কুয়েতে গিয়ে সেখানকার নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করেন, নরেন্দ্র মোদির বার্তা দেন এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও কী করে ভালো করা যায় সে বিষয়ে কথা বলেন। কোভিডের সময়ও ভারতকে প্রচুর অক্সিজেনের যোগান দিয়েছে কুয়েত। অনেক ভারতীয় কুয়েতে পরিচারকের কাজ নিয়ে যান। তাদের আইনি সুরক্ষা প্রদানের জন্যে একটি মৌ সাক্ষর করে কুয়েত সরকার।  

    তাই সাময়িকভাবে নিন্দা করলেও ভারতের বিরুদ্ধাচরণ যে করবে না কুয়েতের সরকার বিক্ষোভকারীদের ভিসা বাতিল করায় তা আরও একবার স্পষ্ট হল। 

     

  • KK Last Rites: চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে 

    KK Last Rites: চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের জলে কেকে-কে (KK) বিদায় জানালেন পরিবার-পরিজন-ভক্তরা। মুম্বাইয়ে ভারসোভা (Varsova) শ্মশানে গায়কের শেষকৃত্য (Last Rites) সম্পন্ন হল। মুখাগ্নি করলেন ছেলে নকুল কুন্নাথ। শেষ যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী জ্যোতি ও মেয়ে তামারা কুন্নাথ।   

    প্রিয় বন্ধুকে শেষবারের জন্যে দেখতে এদিন গায়কের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, হরিহরণ, অভিজিৎ ভট্টাচার্য, আকৃতি কক্কর, সেলিম মার্চেন্ট, রাঘব সাচার, সুদেশ ভোঁসলে, অলকা ইয়াগনিক, জাভেদ আলি, জাভেদ আখতার, শঙ্কর মহাদেবন-এর মত সঙ্গীত জগতের ব্য়ক্তিত্বরা। শ্মশানের বাইরে প্রিয় গায়ককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শ্মশানের বাইরে উপস্থিত ছিলেন অসংখ্য গুনমুগ্ধ ভক্ত। চোখের জলে শেষ বিদায়। পঞ্চভূতে বিলীন হলেন কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ। দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। চিতার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে কেকে-র অটোপসি রিপোর্ট, কী আছে রিপোর্টে?

    মঙ্গলবার কলকাতায় নজরুল মঞ্চে এক কলেজের অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার পরে হোটেলে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন কেকে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে গায়কের। বুধবার সকালে তাঁর পরিবার মুম্বাই থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছয়। 

    আরও পড়ুন: শিল্পী বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টিতে! কে কে-এর কালজয়ী ১০টি গান

    বুধবার কলকাতায় গানস্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানোর পর রাতে মুম্বই পৌঁছয় কেকে’র নশ্বর দেহ ৷ বিকেলেই কলকাতা থেকে মুম্বই রওনা দিয়েছিল শিল্পীর পরিবার ৷ তারা রাত সওয়া আটটা নাগাদ পৌঁছে যায় মুম্বইয়ে৷ ভারসোভা এলাকার পার্ক প্লাজা কমপ্লেক্সে থাকতেন কেকে ৷ সেখানকারই হলেই আজ সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তাঁর দেহ শায়িত ছিল ৷ শিল্পীকে সেখানেই শেষশ্রদ্ধা জানান পরিজন, বন্ধুবান্ধব ও ভক্তরা ৷ এরপর শ্মশানের উদ্দেশ্যে শিল্পীকে নিয়ে রওনা হয় তাঁর পরিবার। 

    কেকে-র মৃত্যু নিয়ে নানা মহলে নানা জল্পনা থাকলেও, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনেই মৃত্যু হয়েছে গায়কের। 

     

     

     

     

  • Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে (3rd Uttar Pradesh Investors Summit) যোগ দেন তিনি। শিলান্যাস করলেন একাধিক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ১,৪০৬ টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মোদি। যাতে বরাদ্দ প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা।
     
    প্রকল্পগুলি মূলত কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, উৎপাদন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি, ওষুধ, পর্যটন, প্রতিরক্ষা, বিমান পরিবহণ, তাঁত এবং বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলন প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৮ সালের ২১-২২ ফেব্রুয়ারি। ওই বছরই ২৯ জুলাই ৬১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন হয় ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই। সেবছর ৬৭,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯০টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। এবছর এক লাফে বিনিয়োগ বেড়ে ৮০,০০০ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    এদিন সকালে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ একটি ট্যুইটে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর অভিভাবকত্বে নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে নতুন রূপে উত্তরপ্রদেশ। দেশে বিনিয়োগের সবচেয়ে ভালো ঠিকানা উত্তরপ্রদেশ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের উন্মাদনা তারই প্রমাণ। নতুন উত্তরপ্রদেশকে এক নতুন উড়ান দেবে এই অনুষ্ঠান।” 

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের তাবড় তাবড় শিল্পপতিরা। তালিকায় রয়েছে গৌতম আদানি, কুমার মঙ্গলম বিড়লা, সজ্জন জিন্দাল, মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানির মতো বড় বড় নাম।  উত্তরপ্রদেশে ৭০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার ঘোষণা করেছে আদানি গ্রুপ। 

    আরও পড়ুন: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে মোদি এদিন বলেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে শক্তিশালী করতে চাই। এক দেশ- এক কর, এক দেশ- এক বিদ্যুৎ শক্তি, এক দেশ- এক মোবিলিটি কার্ড, এক দেশ- এক রেশন কার্ড। এই সব কিছুই আমাদের স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন।” 

    নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, “রাজ্যের দ্রুত উন্নতির জন্যে যৌথভাবে কাজ করছে ‘ডবল-ইঞ্জিন সরকার’। এই বছরের বাজেটে এই রাজ্যে ৭.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। গ্লোবাল রিটেল ইনডেক্সের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।” 

    [tw]


    [/tw]

    ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ১.৪৫ নাগাদ প্রধানমন্ত্রী কানপুরের পারাউঙ্খ গ্রামে যান। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind) এবং প্রধানমন্ত্রী সেখানে একসঙ্গে পাথরি মাতা মন্দির দর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টোয় ডঃ বি আর আম্বেদকর ভবন যান। সেখান থেকে ২.১৫ মিনিট নাগাদ যান মিলন কেন্দ্রে। মিলন কেন্দ্র হল, জনসাধারণের জন্য দান করা রাষ্ট্রপতির পূর্বপুরুষের একটি বাড়ি। এখন সেই বাড়িকে একটি সামাজিক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এরপর ২.৩০ নাগাদ তাঁরা পারাউঙ্খ গ্রামে একটি জনসভায় যোগ দেন। 

        

LinkedIn
Share