Author: জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়

  • Kuntal Ghosh: কুন্তল ঘোষকে আরও ১৪ দিনের জেল, হেফাজতে নিতে পারে সিবিআই!

    Kuntal Ghosh: কুন্তল ঘোষকে আরও ১৪ দিনের জেল, হেফাজতে নিতে পারে সিবিআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজও জামিন পেলেন না কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূলের হুগলির যুবনেতাকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল নগর দায়রা আদালত। ফলে আপাতত ৩ মার্চ পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি জেলেই থাকতে হবে কুন্তলকে। 

    এদিকে এদিনই আদালত চত্বরে আত্মহত্যার হুমকি দিলেন কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। হুগলির যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, “দোষী সাব্যস্ত হলেই আত্মহত্যা করব।” সম্প্রতি কুন্তলকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট৷ তাঁর কাছে ১০০ কোটি টাকা ও মূল্যবান গাড়ি থাকার অভিযোগ উঠেছে৷ শুক্রবার কুন্তলকে আদালতে পেশ করে ইডি৷ সেই সময় তিনি দাবি করেন, “তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন। এগুলো যদি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে আত্মহত্যা করব।” নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে ইডি হেফাজতে ছিলেন কুন্তল৷ এখন তিনি রয়েছে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে৷ এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি৷ বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দারা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে কুন্তল ঘোষকে জেরা করে তদন্তকারী আধিকারিকরা রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। কুন্তল ঘোষ ইডিকে জানান, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির লভ্যাংশের টাকা পেতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালীরা।

    আরও পড়ুন: খরচে লাগাম টানতে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করল ট্যুইটার, কাজ হবে বাড়ি থেকেই

    শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল নগর দায়রা আদালতে। আদালত কক্ষে ইডি এবং তাঁর আইনজীবী নিজেদের কথা জানানোর পরেই হঠাৎ কুন্তল জানান, তিনিও কিছু বলতে চান। বিচারক তাঁকে কথা বলার অনুমতি দেন। কুন্তল (Kuntal Ghosh) বলেন, “সব কিছুর মধ্যে একটা পর্দা রয়েছে…।” কুন্তলের বাড়িতে থেকে একটি ধূসর রঙের ডায়েরি উদ্ধার করেছেন গোয়েন্দারা। সেই ডায়েরির পাতায় সাঙ্কেতিক লেখার পাশাপাশি গানের কলিও খুঁজে পায় ইডি। শুক্রবার কোর্ট রুমে এই ডায়েরি নিয়ে কিছু বলতে শুরু  করেছিলেন কুন্তল। কিন্তু ‘ডায়েরি’ শব্দটি শোনামাত্রই বিচারক কুন্তলকে থামিয়ে প্রশ্ন করেন, “আপনি কি নতুন কিছু বলতে চান?” কুন্তল থমকে গিয়ে আবার বলতে শুরু করেন। বিচারকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “হ্যাঁ। বলতে চাই। গোপাল দলপতির আন্ডারে…”। কিন্তু এ বারও বাক্য সম্পূর্ণ করতে পারেননি কুন্তল। বিচারক আবার তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আপনার যদি কিছু নতুন বলার থাকে আইনজীবীর মারফত বলুন।” এরপরেই চুপ করে যান কুন্তল। প্রায় আর কোনও কথাই বলতে পারেননি শুনানি চলাকালীন পুরো সময়ে। পরে কুন্তলের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর আইনজীবী বিচারককে জানান, তাঁদের নতুন কিছু বলার নেই।

    এবার সিবিআই হেফাজতে কুন্তল? 

    এদিকে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এবার কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) জেরার জন্যে হেফাজতে নিতে পারে সিবিআই। কুন্তলকে হেফাজতে নিতে চেয়ে আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালত থেকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টও জারি করা হয়েছে। আগামী সোমবার আদালতে পেশ করা হবে কুন্তল ঘোষকে। সিবিআই আধিকারিকরা চাইছেন বিষয়টির গভীরে যেতে। নিয়োগ দুর্নীতিতে কীভাবে কুন্তলের নাম জড়াল তা জানতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Twitter: খরচে লাগাম টানতে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করল ট্যুইটার, কাজ হবে বাড়ি থেকেই

    Twitter: খরচে লাগাম টানতে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করল ট্যুইটার, কাজ হবে বাড়ি থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বস্ত ট্যুইটারের (Twitter) আর্থিক পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় খরচ কমাতে ভারতের অধিকাংশ অফিস বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্যুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দিল্লি ও মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বসেই কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কর্মীদের। ভারতে শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই এখনও ট্যুইটারের অফিস রয়েছে। ট্যুইটারের ভরাডুবির মধ্যেই এই মাইক্রো ব্লগিং সাইট সংস্থা কেনেন পৃথিবীর ধনীতম ব্যক্তি তথা টেসলা কর্ণধার ইলন মাস্ক। কেনার পর থেকেই খরচ কমাতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি বহু কর্মীও ছাঁটাই করা হয়েছে সংস্থাটি থেকে। এবার দফতর বন্ধ করার পথে হাঁটলেন এই ধনকুবের। 

    জানা গিয়েছে, ট্যুইটারের (Twitter) তিনটি অফিস ছিল ভারতে। সেখানে অন্তত ২০০ জন কর্মী কাজ করতেন। কিন্তু গত বছর ট্যুইটারের মালিকানা বদলের পরেই ছেঁটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মীকে। খরচ কমাতে বিশ্বজুড়েই অসংখ্য টুইটার কর্মীকে ছেঁটে ফেলেছেন মাস্ক। ভারতেও তার প্রভাব পড়েছে। মাত্র কয়েকজন কর্মীকে দিয়েই ভারতে কাজ সারছে এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটটি।   

    এই পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার হঠাতই অফিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ট্যুইটার (Twitter) কর্তৃপক্ষ। তিনটি দফতরের মধ্যে দু’টিই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি ও মুম্বাইয়ের অফিসের কর্মীদের বলা হয়েছে, আপাতত বাড়িতে বসেই কাজ চালাতে হবে। তবে কতদিন এভাবে কাজ করতে হবে সেই বিষয়ে সংস্থা কিছু জানায়নি কর্মীদের। 

    ইলন মাস্কের বক্তব্য, ভারতে সেভাবে ব্যবসা করতে পারছে না ট্যুইটার (Twitter)। যদিও একাধিক সমীক্ষার দাবি, আগামী দিনে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে বহু উন্নতির সুযোগ রয়েছে ভারতে। তবে মাস্কের দাবি, ভারত ট্যুইটারকে ব্যবসায়িক লাভ দিতে ব্যর্থ। তাই খরচ কমাতে ভারতের অফিস বন্ধ করা হয়েছে। যদিও বেঙ্গালুরুতে এখনও ট্যুইটারের অফিস চলছে। সেখানে মূলত ইঞ্জিনিয়াররাই কাজ করেন। সেই অফিসও যেকোনও মুহূর্তে বন্ধ হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: বদলির নির্দেশ না মানলে বন্ধ হবে শিক্ষকদের বেতন, কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    পলিসিগত বদলের কারণে ইতিমধ্যেই বহু বিজ্ঞাপনদাতাকে হারিয়েছে ট্যুইটার (Twitter)। সংস্থার খরচ টানতে নিলামে তুলতে হয়েছে সানফ্রান্সিসকো হেড কোয়ার্টারের একাধিক আসবাব, কফি মেশিনও। বেচে দিতে হয়েছে সংস্থার লোগো স্থাপত্যটি। তাতেও মেটানো যাচ্ছে না সংস্থার হেডকোয়ার্টারের ভাড়া। এখানেই শেষ নয়, খরচ টানতে ট্যুইটারে ইউজারদের হ্যান্ডেল নেমগুলিও নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলন। তবে তাতেও সংস্থার অর্থনীতির হাল ফেরাতে পারছেন না ইলন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Calcutta High Court: বদলির নির্দেশ না মানলে বন্ধ হবে শিক্ষকদের বেতন, কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বদলির নির্দেশ না মানলে বন্ধ হবে শিক্ষকদের বেতন, কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলিতে শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতা আটকাতে কড়া দাওয়াই দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাইকোর্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে, বদলি পছন্দ না হলে পরে মামলা করুন। তবে নির্দেশ মতো স্কুলে না গেলে পরের মাস থেকে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এদিন এমনই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। স্কুল শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যের যেসব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা অত্যন্ত কম, তার অনুমোদন প্রত্যাহার করুন। আইনে না থাকলেও এদিন হাওড়ার রসপুর স্কুলে নিরাপত্তা কর্মী দিতে নির্দেশ দিল আদালত। বিচারপতি বলেন, ছাত্রীদের নিরাপত্তা সবার আগে। হাওড়ার কমিশনারকে আদালত নির্দেশ দিয়ে বলে, সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে ওই স্কুলের নিরাপত্তা দিতে। হাওড়ার রসপুর স্কুলের একটি মামলা হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি বিদ্যালয়ে ১৩ জন পড়ুয়ার জন্য ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

    কী বলেন বিচারপতি? 

    উল্টোদিকে অন্য একটি স্কুলে প্রায় ৫৫০ জন পড়ুয়া আছে। কিন্তু বাংলার শিক্ষক নেই সেই স্কুলে (Calcutta High Court)। ২০১৬ সাল থেকে অঙ্কের শিক্ষকও নেই। তারপরই ওই স্কুলের অনুমোদন প্রত্যাহারের জন্য শিক্ষা দফতরকে পরামর্শ দেন বিচারপতি বসু। উত্তরে শিক্ষা দফতরের তরফের আইনজীবী জানান, অনুমোদন প্রত্যাহার করতে একটু সমস্যা আছে। স্থানীয়রা সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। রাজনৈতিক চাপও আসতে পারে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘পড়ুয়া অত্যন্ত কম থাকলে স্কুলের অনুমোদন প্রত্যাহার করে নিন। অযথা শিক্ষক পুষে লাভ নেই। যেখানে ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে, সেখানে শিক্ষকদের পাঠান। রাজনৈতিক চাপের কথা ভুলে যান।’’

    বিচারপতি এ-ও বলেন, ‘‘শিক্ষক বদলির নতুন নিয়ম ঠিক ভাবে পালন করুন। বদলির নিয়ম না মানলে পরের মাস থেকে বেতন বন্ধ করে দেব (Calcutta High Court)।’’ বিচারপতির কথায়, “শিক্ষকের পরিবর্তে পড়ুয়াদের কথা ভাবতে হবে। এই অচলায়তন ভাঙতে গেলে সময় লাগবে। কিন্তু আমরা করে ছাড়ব।” এর পরেই বিচারপতি বসু নির্দেশ দেন যে,  রাসপুর গার্লস হাই স্কুলে এক জন সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা যায় কি না, হাওড়ার পুলিশ সুপারকে তা বিবেচনা করতে হবে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    স্কুলের শিক্ষক বদলি নিয়ে এর আগেও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। সম্প্রতি এই বদলি সংক্রান্ত গাইডলাইনও আনে রাজ্য সরকার (Calcutta High Court)। সেখানে বলা হয়, স্কুলে প্রতিটি বিষয়ে কতজন শিক্ষক রয়েছেন তা প্রথমে দেখা হবে। এরপরই শিক্ষক ও ছাত্রের সংখ্যার অনুপাত দেখে শিক্ষক বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিক্ষকদের পছন্দের জেলাতে বদলির ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু প্রয়োজনে তাতে বদলও আসতে পারে। জেলার মধ্যে কোনও স্কুলে অতিরিক্ত শিক্ষক থাকলে, প্রাথমিকভাবে তাঁদের পাঠানো হবে সেই জেলারই অন্য কোনও স্কুলে। কিন্তু যাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বা বাড়িতে ছোট সন্তান রয়েছে, যাঁদের অবসরের মাত্র ২ বছর বা তার কম সময় বাকি, তাঁদের যাতে বদলি না করা হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DMK Leader: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের

    DMK Leader: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ভারতীয় সেনার খুনের অভিযোগে তামিলনাড়ুতে গ্রেফতার হয়েছেন সে রাজ্যের শাসক দল ডিএমকে কাউন্সিলর (DMK Leader)। কাপড় কাচাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিবাদ খুনে পৌঁছয়। মৃত্যু হয় প্রভু নামের ওই জওয়ানের। এবার তামিলনাড়ুর এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হলেন মৃত ওই জওয়ানের ভাই প্রভাকরণ। তিনিও ভারতীয় সেনায় কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, যতদিন পর্যন্ত না তাঁর দাদার খুনের সুবিচার মিলবে, ততদিন কাজে যোগ দেবেন না তিনি।  

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রভু নামে ২৯ বছরের ওই সেনা জওয়ান এবং তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পুকুরে কাপড় কাচা নিয়ে ওই কাউন্সিলর (DMK Leader) এবং তাঁর সঙ্গীদের বচসা হয়। প্রাথমিক ভাবে বিবাদ মিটে গেলেও সেই রাতে চিন্নাস্বামী এবং তাঁর আট সঙ্গী মিলে প্রভু আর তাঁর ভাইকে প্রচণ্ড মারধর করেন। এর পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই দুজন। অচৈতন্য অবস্থায় প্রভুকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেই অবস্থায় ওই দুই ভাইকে হাসপাতালে ভর্তি করান পরিবারের লোকজন। 

    মঙ্গলবার গভীর রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ভারতীয় সেনার ওই জওয়ানের (DMK Leader)। প্রভুর ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার চিন্নাস্বামী এবং তাঁর ছেলে-সহ ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই।

    আরও পড়ুন: সেনা জওয়ানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ডিএমকে কাউন্সিলর-সহ ৮ 

    কিন্তু এই দাবি মানতে নারাজ প্রভাকরণ (DMK Leader)। তিনি বলেন, “যতদিন না দোষীরা শাস্তি পায়, আমি ততদিন সেনায় ফিরব না। আমরা কোনও ভুল করিনি। ১৩ বছর ধরে সেনায় কাজ করছি। একমাসের জন্য বাড়িতে ফিরে এরকম ঘটনা দেখতে হল। শাসক দলের কাউন্সিলর হুমকি দিলেন, ভারতীয় জওয়ান হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারব না আমরা।”

    একই ঘটনা বার বার 

    তামিলনাড়ুর এই উত্তপ্ত অবস্থার মধ্যে প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটার দাবি (DMK Leader) করলেন ভারতীয় সেনার আরও এক জওয়ান। হাবিলদার রঘু বহু বছর ধরে মাদ্রাস রেজিমেন্টে রয়েছেন। তিনি দাবি করেন, গত জানুয়ারিতে কৃষ্ণগিরিতে, তাঁর বৌ-বাচ্চাকে এক দুষ্কৃতির হাত থেকে বাঁচাতে, ওই দুষ্কৃতির গায়ে হাত তুলতে হয়েছিল। প্রসঙ্গত, এই কৃষ্ণগিরিতেই খুন হয়েছেন প্রভু। রঘু দাবি করেন সাধারণ এক বচসাতেই, রাস্তা আটকে লোহার রড নিয়ে তাড়া করে ওই দুষ্কৃতি। রঘুর দাবি, পালিয়ে বেঁচে কৃষ্ণগিরি থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও, পুলিশ অভিযোগ নেয় নি। এরপর তিনি পুরো বিষয়টি এসপিকে জানান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Delhi Murder: দিল্লি হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়, প্রেমিকের কাছ থেকে উদ্ধার প্রেমিকার ফোন

    Delhi Murder: দিল্লি হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়, প্রেমিকের কাছ থেকে উদ্ধার প্রেমিকার ফোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিক্কি যাদব খুনের এবার বড় প্রমাণ এল তদন্তকারী আধিকারিকদের হাতে। অভিযুক্ত প্রেমিক সাহিল গেহলটের কাছ থেকে নিক্কির ফোন উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Murder)। দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “নিক্কির ফোনের পাসওয়ার্ডও জানে সাহিল। আশা করা হচ্ছে, ফোনের ভিতরে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে, যা আমাদের তদন্তে কাজে লাগবে।”

    তবে পুলিশ আশঙ্কা করছে, প্রেমিকাকে খুন করার পর তাঁর ফোন থেকে অনেক তথ্য মুছে দিয়েছেন সাহিল। সাহিলের ফোন আগেই বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। আপাতত ওই দু’টি ফোনই ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। দুটি ফোনেরই তথ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

    কী জানা গিয়েছে?   

    দিল্লিতে শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যাকাণ্ডের পর আরও এক খুনের (Delhi Murder) ভয়ঙ্কতায় শিউড়ে উঠেছে গোটা দেশ। লিভ-ইন সঙ্গিনীকে খুন করে দেহ টুকরো-টুকরো করে ধাবার ফ্রিজের মধ্যে রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ধাবার মালিক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এবারও ঘটনাস্থল সেই দিল্লি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ভালোবাসার দিন, ১৪ ফেব্রুয়ারিতেই। নিষ্ঠুরতা এখানেই শেষ নয়। লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ টুকরো-টুকরো করে ফ্রিজে রেখে অন্য এক মহিলাকে বিয়েও করেন যুবক। এত কিছু করেও শেষ রক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার ওই প্রেমিককে গ্রেফতার  করে দিল্লি পুলিশ।

    তদন্তকারী অফিসারদের ধারণা, যেহেতু সেদিনই বিয়ে ছিল সাহিলের এবং গোটা ঘটনাটিই (Delhi Murder) ঘটেছে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, তাই বেশ তাড়াহুড়ো করে পরিকল্পনা ছাড়া খুন করে সাহিল। জানা গিয়েছে, নিজের বিয়ের দিন কিছু দরকারি কাজ রয়েছে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। তারপরে লিভ-ইন সঙ্গী নিক্কি যাদবকে ডেকে, গাড়ি করে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে ফোনের চার্জারের কেবল গলায় পেঁচিয়ে খুন করে। ২২ বছরের নিকিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে, তাঁর দেহ টুকরো-টুকরো করে এক ধাবার ফ্রিজে সংরক্ষিত করে রাখেন ওই যুবক। ধাবাটি দিল্লি সীমান্তের বাইরে মিত্রাও গ্রামে। 

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সাহিল এবং হরিয়ানার ঝর্জ্ঝরের বাসিন্দা (Delhi Murder) নিক্কির মধ্যে বহুদিনের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে উত্তমনগর এলাকায় একটি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় থেকেই তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন। গ্রেটার নয়ডায় একই কলেজে পড়াশোনা করতেন তাঁরা। কলেজের পাশেই একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে লিভইন করতেন তাঁরা। করোনার লকডাউনে তাঁরা নিজেদের বাড়ি ফিরে গেলেও লকডাউন উঠে গেলে ফের একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। তখন দ্বারকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    সাহিল কখনও বাড়িতে নিক্কির কথা জানাননি। ফলে সাহিলের পরিবার তাঁর অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ছিল বিয়ে। সাহিলের বিয়ের ঠিক আগের দিন গত ৯ ফেব্রুয়ারি জানতে পারেন নিক্কি। মেনে নিতে পারেননি তিনি। ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে সাহিলের সঙ্গে এই বিষয়ে তাঁর ঝামেলা হয়। সেই রাতে কাশ্মীরি গেটের কাছে একটি বাড়িতে ছিলেন তাঁরা।

    নিক্কিকে খুন করার পর ঘটনাটি (Delhi Murder) গোপন করতে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে ওই ধাবার ফ্রিজে রেখে দেয় সাহিল। তারপর ঠাণ্ডা মাথায় পরিবারের পছন্দ করা মেয়েকে বিয়েও করেন। মঙ্গলবার ভ্যালেন্টাইন ডে-তেই তার কুকীর্তি প্রকাশ্যে আসে এবং সাহিলকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Air India: আরও বড় হতে পারে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি, মোট ৮৪০টি বিমান কেনার সুযোগ থাকছে টাটাদের

    Air India: আরও বড় হতে পারে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি, মোট ৮৪০টি বিমান কেনার সুযোগ থাকছে টাটাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বড় আকার নিতে পারে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) ঐতিহাসিক চুক্তি। এই অবধি ৪৭০ টি বিমান কেনার চুক্তি করা হলেও, সুযোগ থাকছে তার সঙ্গে আরও অতিরিক্ত ৩৭০ বিমান কেনার। এমনটাই জানিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়ার এক আধিকারিক নিপুন আগরওয়াল। 

    গত মঙ্গলবারই এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছিল যে তারা এয়ার বাসের কাছ থেকে ২৫০ টি এবং বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২২০ টি বিমান কিনতে চলেছে। এই চুক্তিকে রীতিমতো ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছিল টাটা গোষ্ঠীর এই বিমান সংস্থা। 

    কী জানাল এয়ার ইন্ডিয়া 

    নিপুন আগরওয়াল জানান, আরও ৩৭০টি বিমান কেনা যাবে। ফলে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) কাছে মোট ৮৪০ টি বিমান কেনার সুযোগ থাকছে। আগামী ১০ বছরের সময় সীমায় এই বিমানগুলি কিনতে পারবে এয়ার ইন্ডিয়া।

    এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা বোয়িংয়ের কাছ থেকে কেনা হবে ১৯০ টি B737Max, ২০ টি B787s এবং ১০ টি B777s। এছাড়াও ইঞ্জিন মেরামতির জন্যে দীর্ঘ মেয়াদী একটি চুক্তি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। চুক্তি করা হয়েছে সিএফএম ইন্টারন্যাশানালের সঙ্গে। রোলস রয়েস এবং জি এয়ারস্পেসের সঙ্গেও এয়ার ইন্ডিয়া একটি চুক্তি করেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কবে থেকে এই বিমানগুলি ভারতে আসা শুরু করবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    এদিকে এয়ারবাসের (Air India) A350 বিমানও ২০২৩ সালের শেষের দিকে দেশে আসা শুরু করবে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে মনে করা হচ্ছে, A321 বিমানগুলি পেতে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে। নিপুন আগরওয়াল এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছেন, বছর দুয়েক আগেই বেসরকারি করণের প্রক্রিয়া শুরু হয় এয়ার ইন্ডিয়ার। আর এরপর থেকেই ৮৪০টি বিমান কেনার পরিকল্পনা। টাটা গ্রুপ এয়ার ইন্ডিয়াকে বিশ্বমানের সংস্থা হিসাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। আর এটা তাঁরই পদক্ষেপ। এমনটাই জানান, ওই আধিকারিক। নিপুন জানান, ভারতের সঙ্গে যাতে বিশ্বের যে কোনও দেশের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে সেই উদ্যোগই নেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

          

         

  • SSC Scam: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    SSC Scam: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের গ্রুপ ডি কর্মীদের বেতন ফেরানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট (SSC Scam)। তবে চাকরি বাতিলের নির্দেশে কোনও নড়চড় হয়নি। এর আগেই ওএমআর শিট কারচুপিতে অভিযুক্ত ১৯১১ জন গ্রুপ ডি কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সিঙ্গল বেঞ্চ। পাশাপাশি ওই অবৈধ চাকরিপ্রার্থীদের বেতন ফেরানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। বেতন ফেরানোর নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। তবে সিঙ্গল বেঞ্চের সম্পূর্ণ রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হয়নি। অর্থাৎ, চাকরি বাতিলের নির্দেশ এখনও রয়েছে।

    কেন এই স্থগিতাদেশ?

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম মজুমদারের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গ্রুপ ডি কর্মীরা (SSC Scam)। তাঁদের দাবি ছিল, শ্রম যখন দিয়েছেন, তখন বেতন কেন ফেরাবেন? বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায়ে দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, বেতন ফেরত নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করা হচ্ছে। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত জারি থাকবে এই স্থগিতাদেশ। ৩ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।    

    ইতিমধ্যেই গ্রুপ ডি নিয়োগে কারচুপির কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC Scam)। ২৮২৩ জনের ওএমআর শিট বিকৃত করে চাকরি পাইয়ে র অভিযোগে শিলমোহর পড়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে জানানো হয়, এই ২৮২৩ জনের মধ্যে ১৯১১ জনকে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে নিয়োগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সেনা জওয়ানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ডিএমকে কাউন্সিলর-সহ ৮

    এর পরই গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওই ১৯১১ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেন (SSC Scam)। পাশাপাশি এতদিন যে বেতন পেয়েছেন তাঁরা, তাও ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। বিচারপতি বলেছিলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস, বেআইনি ভাবে দুর্নীতি করে এই সব প্রার্থীদের সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল।’’ পাশাপাশি বিচারপতি এ-ও জানিয়ে দেন, যে প্রার্থীদের সুপারিশপত্র বাতিল করা হবে, তাঁরা অন্য কোনও চাকরির পরীক্ষায় আর কখনও বসতে পারবেন না। সেই নির্দেশ মেনে ওই দিনই ওই প্রার্থীদের চাকরি বাতিলের ঘোষণা করে এসএসসি। 

    সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া গ্রুপ ডি কর্মীরা (SSC Scam)। বুধবার ওই মামলায় বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশকেও চ্যালেঞ্জ করে নতুন আবেদন করা হয়। এদিন সেই মামলারই শুনানি ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Weather Forecast: চড়ল তাপমাত্রার পারদ, শিবরাত্রির আগেই বিদায় শীত

    Weather Forecast: চড়ল তাপমাত্রার পারদ, শিবরাত্রির আগেই বিদায় শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল আরও নেমেছিল তাপমাত্রার পারদ (Weather Forecast)। মঙ্গলবারের চেয়ে বুধবার আরও কমেছে উষ্ণতা। আপাতত আরও দুদিন থাকছে ঠাণ্ডা। বুধবার সকালে কলকাতা-সহ বিভিন্ন জায়গায় ন্যূনতম তাপমাত্রা মঙ্গলবারের থেকে কিছুটা কম থেকেছে। বিদায় বেলায় শেষ কামড়। তবে আর মাত্র দুদিনই। এ দফায় এখানেই দাড়ি টানছে শীত। বৃহস্পতিবার থেকেই হুহু করে বাড়তে থাকবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়ালস, স্বাভাবিকের ২ ডিগ্রি কম। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার এই তাপমাত্রা ছিল ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোরের দিকে তাপমাত্রা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। শনিবার থেকে তা হু হু করে বাড়তে শুরু করবে বলেই জানা যাচ্ছে।

    শীতের বিদায় বেলায় পরিষ্কার থাকবে আকাশ। বৃহস্পতি এবং শুক্রবারই কার্যত শেষবারের মতো হালকা শীতের (Weather Forecast) আমেজ থাকবে শহরে। শনিবার থেকে শীতের আমেজ উধাও হবে। এরপরই বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বুধবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ থাকবে ২৮ থেকে ৯৩ শতাংশ। শনিবার নাগাদ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বুধবারের তুলনায় অন্তত পাঁচ ডিগ্রি বেড়ে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছে যাবে বলেই পূর্বাভাস।

    উত্তরবঙ্গে থাকবে কুয়াশা 
     
    উত্তরবঙ্গে কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন (Weather Forecast)। পাহাড়ি এলাকাতেই মূলত এই কুয়াশার দাপট থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশা হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশেও। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার থেকে হু হু করে বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই ঊর্ধ্বমুখী হবে পারদ। দিন ও রাতের দুটো তাপমাত্রাই বাড়তে শুরু করবে।

    আরও পড়ুন: ‘অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি’! নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল  

    কলকাতা থেকে শীত হাওয়া হলেও, পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি বা পশ্চিমের জেলাগুলিতে সকালের দিকে ঠাণ্ডার আমেজ (Weather Forecast) পাওয়া যাবে। উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় আরও বেশ কিছুদিন শীত শীত ভাব থাকবে। বরাবরই দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গ থেকে শীত দেরিতে বিদায় নেয়। এবারও তার অন্যথা হবে না। মাঝ ফেব্রুয়ারিতে এসেও উত্তরবঙ্গের বহু জায়গায় এখনো তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কাছাকাছি রয়েছে। এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুধু বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু কিছু জেলায় ভোরের দিকে কুয়াশা দেখা যাবে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিলোত্তমার আকাশ পরিষ্কার (Weather Forecast) থাকবে। সকালে শীতের আমেজও ধীরে ধীরে আর থাকবে না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে উষ্ণতা। শনিবারের পর কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির ওপরে থাকবে। নতুন করে তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা আর নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • IAS Nandini Chakraborty: ‘অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি’!  নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল

    IAS Nandini Chakraborty: ‘অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি’! নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আমলা নন্দিনী চক্রবর্তীকাণ্ডে (IAS Nandini Chakraborty) এল নতুন মোড়। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এবার নন্দিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রাজ্য ও রাজ্যপালের অফিসের মধ্যে অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। আর এই কারণেই এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে ডেকে নন্দিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিথ্যে তথ্য দিয়ে সার্ভিস রুল ভাঙার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আর তার জেরেই এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি রাজ্যপালের অফিস সম্পর্কে, সেখানকার লেখালেখি সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছিলেন। এর জেরে রাজ্য ও রাজ্যপালের মধ্যে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। আর এতেই তদন্তের নির্দেশ।  

    আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তায় ভোট শুরু ত্রিপুরায়! ২৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

    কী জানা গেল? 

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের প্রধান সচিব পদে ছিলেন নন্দিনী চক্রবর্তী (IAS Nandini Chakraborty)। তবে সম্প্রতি তাঁকে নিয়ে উত্তাল হয় রাজভবন। ইতিমধ্যেই তাঁকে রাজভবন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। রবিবারই চিঠি দিয়ে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। শনিবার তাঁর সারাদিন রাজভবনে থাকা নিয়ে অসন্তষ্ট হয়েছিলেন রাজ্যপাল। তখনই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন রাজ্যপাল এমন খবর সামনে এসেছিল। আর এর পরেই সামনে এল তদন্তের এই খবর।  

    এই মুহূর্তে রাজ্যের পর্যটন দফতরের প্রধান সচিবের পদে রয়েছেন নন্দিনী চক্রবর্তী (IAS Nandini Chakraborty)। তবে এর আগেও এই দফতর সামলেছেন নন্দিনী। আবারও তিনি সেই একই দায়িত্বে। বুধবার এক  সরকারি নির্দেশিকায় তাঁকে পর্যটন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   
     
    রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকেও তলব করেছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়, সেখানে নন্দিনী চক্রবর্তীকে (IAS Nandini Chakraborty) নিয়েও আলোচনা হয় বলে খবর সূত্রের। তারপরই বুধবার তাঁকে সরানোর কথা জানানো হয় রাজভবনের তরফে। 

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার নন্দিনী চক্রবর্তী (IAS Nandini Chakraborty)। রাজ্যের একাধিক দফতরের সচিব পদ সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে নন্দিনীর। লা গণেশন যখন বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন, তখনই রাজভবনের সচিব পদের দায়িত্ব গিয়েছিল তাঁর কাঁধে। এবার যাচ্ছেন পর্যটন দফতরের দায়িত্ব সামলাতে। বর্তমানের ওই দফতরের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে নতুন তথ্য কমিশনারের নিয়োগ অবৈধ দাবি করে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক বয়কট শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে নতুন তথ্য কমিশনারের নিয়োগ অবৈধ দাবি করে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক বয়কট শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নতুন তথ্য কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডিজিপি বীরেন্দ্র। কিন্তু এই নিয়োগ অবৈধ। এমনটাই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ,  একেবারে অবৈধভাবে এবং একপেশে নির্বাচন করা হয়েছে।

    রাজ্য বাজেট পেশ করার আগে বিধানসভার বৈঠকে তথ্য কমিশনার নিয়োগের ঘোষণাটি করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর এই বৈঠকে সব বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিশেষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বৈঠক বয়কট করেন। এক প্রকার বিরোধীহীন বৈঠকেই রাজ্যে নতুন তথ্য কমিশনার নিয়োগ করা হয় ডিজিপি বীরেন্দ্রকে।

    আরও পড়ুন: স্থায়ী আমানতে সুদের হার বাড়াল এসবিআই, ৪০০ দিনে হার ৭.১ শতাংশ

    বৈঠক বয়কটের পর তৃণমূল সরকারকে ট্যুইটারে একহাত নেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেন, এই নিয়োগ দুর্নীতি পূর্ণ। কী নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে তার নথি তাঁকে দেওয়া হয়নি। তথ্য কমিশনার নিয়োগের কোনও বিজ্ঞাপনও সংবাদ পত্রে দেওয়া হয়নি। কী করে এই নিয়োগ হল, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ শাসক দল নিজের পছন্দ মত লোককে এই পদে বসিয়ে ক্ষমকার অপব্যবহার করেছে। 

    বৈঠক শুরু হওয়ার আগে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ট্যুইট করে জানান, তিনি বৈঠকে যোগ দেবেন না। আজ, বুধবার বিধানসভায় অধ্যক্ষ্যের ঘরে, বেলা ১২টা এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বিরোধী দলনেতা বৈঠক বয়কট করায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরেই হয় এই বৈঠক।

    রাজ্যপালকে চিঠি 

    এদিন বৈঠকে না যাওয়ার কারণ জানিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি লেখেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। চিঠিতে শুভেন্দু জানান, মুখ্য তথ্য কমিশনার নির্বাচন ও নিয়োগের জন্য আবেদন চেয়ে সরকারের তরফে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নিয়ম মানা হয়নি। সেই কারণেই, তাঁর আশঙ্কা, কোনও পূর্ব নির্ধারিত প্রার্থীকেই ওই পদে বসাতে চলেছে রাজ্য। তাই, এদিনের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না তিনি।

    প্রসঙ্গত, ৬ মাস ধরে খালি পড়েছিল রাজ্যের তথ্য কমিশনারের পদ। মোট ১৫ জন আবেদন করেছিলেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বয়স না থাকায় ৫ জনকে আগেই বাদ দেওয়া হয়। তারপরে ১০ জনের মধ্যে শেষ বাছাইপর্ব হয়। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দলনেতা এবং পরিষদীয় মন্ত্রীদের নিয়ে এই পদের প্রার্থী বাছাই করেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) না থাকায় একক ভাবে মুখ্যমন্ত্রী কমিশনার বীরেন্দ্রকে এই পদে এদিন মনোনিত করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share