Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • 3D-Printed Post Office: ভারতে প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের নির্মাণ, ‘দেশবাসী গর্বিত’, বললেন মোদি

    3D-Printed Post Office: ভারতে প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের নির্মাণ, ‘দেশবাসী গর্বিত’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্বোধন হল দেশের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের (3D-Priented Post Office)। বেঙ্গালুরুর কেমব্রিজ লেআউটে অবস্থিত এই পোস্ট অফিসটির ছবি নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে রেল এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই পোস্ট অফিসটিকে দেশের আপামর মানুষের কাছে উৎসর্গ করেছেন। অশ্বিনী বৈষ্ণব শুক্রবার এই পোস্ট অফিসের (3D-Printed Post Office) উদ্ধোধন করেন।

    পোস্ট অফিসের খুঁটিনাটি

    জানা গিয়েছে, মাত্র ৪৩ দিনেই মাথায় তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিস (3D-Printed Post Office)। নির্মাণকারী সংস্থা হল লার্সেন এন্ড টুবরো। নির্মাণ কাজে সম্পূর্ণভাবে সহায়তা করেছে আইআইটি মাদ্রাজ। জানা গিয়েছে, মাদ্রাজ আইআইটির অধ্যাপক মনু সন্থানম এই নির্মাণের অন্যতম স্থপতি। ১,০২১ বর্গফুট এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই পোস্ট অফিসটিতে থ্রিডি কংক্রিট প্রযুক্তি (3D-Printed Post Office) ব্যবহার করা হয়েছে এবং অটোমেটেড নির্মাণ প্রযুক্তিতে রোবটিক্স প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এই রোবটিক্স প্রযুক্তির জেরেই গোটা নির্মাণ পর্ব তিনদিনে সম্পন্ন হয়েছে। 

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে এই পোস্ট অফিসের ছবি পোস্ট করেন এবং তিনি লেখেন, ‘‘প্রত্যেক ভারতবাসী এই থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের জন্য গর্বিত। যা অবস্থান করছে বেঙ্গালুরুর কেমব্রিজ আউটলেটে।  এই পোস্ট অফিস আমাদের দেশের সৃজনশীলতা এবং অগ্রগতিকে বহন করছে। এই পোস্ট অফিসের (3D-Printed Post Office) কাজ সম্পন্ন করতে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন তাঁদের অভিনন্দন।’’

    তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের ট্যুইট

    তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই পোস্ট অফিসের একটি ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, এটা হল আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যম। পোস্ট অফিস উদ্বোধন করার সময় তিনি বলেন, আমাদের দেশের প্রযুক্তি এবং অগ্রগতির প্রতীক হল এই পোস্ট অফিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: নকশালপন্থী সংগঠনকে নিষিদ্ধ না করলে যাদবপুরে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি এবিভিপির

    Jadavpur University: নকশালপন্থী সংগঠনকে নিষিদ্ধ না করলে যাদবপুরে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাদবপুরে (Jadavpur University) নকশালপন্থী, মাওপন্থী যেসব ছাত্র সংগঠন রয়েছে, তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করতে হবে।” শুক্রবার এমনই দাবি তুললেন এবিভিপির (দক্ষিণবঙ্গ) রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “যে ছাত্র সংগঠনগুলির সদস্যদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ উঠছে, তাদের নেতৃত্ব সেই অভিযুক্ত সদস্যদের নিয়ে কোনও মন্তব্য করছেন না কেন?”

    এবিভিপির হুমকি

    ইউজিসিকে আরও কড়া পদক্ষেপের জন্য আবেদন জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে মাওবাদী, নকশালপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিকে ২১ অগাস্টের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা না করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে এবিভিপি। ২৫ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাঁচাও অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা। এদিকে, এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) তিন নম্বর গেটের সামনে থেকে খুলে ফেলা হয়েছে বিজেপি যুব মোর্চার মঞ্চ। বৃহস্পতিবার এই অবস্থান মঞ্চেই ভাষণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পরই সংঘর্ষ বাঁধে এবিভিপির সঙ্গে আরএসএফের কর্মী-সমর্থকদের। পরে আরএসএফের বিরুদ্ধে যাদবপুর থানায় এফআইআরও দায়ের করেন শুভেন্দু।

    পুলিশের হুঁশিয়ারি ডেকরেটার্সকে 

    শুক্রবারও ওই মঞ্চেই কর্মসূচি ছিল বিজেপির যুব মোর্চার। মোর্চার অভিযোগ, পুলিশ তাদের কর্মসূচি বাতিল করে মঞ্চ খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে। এরই প্রতিবাদে ধর্না মঞ্চের সামনেই অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়েন যুব মোর্চার কর্মীরা। তাঁদের দাবি, শনিবার পর্যন্ত কর্মসূচির কথা জানিয়ে মঞ্চ বাঁধার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার হঠাৎই পুলিশের তরফে আধ ঘণ্টার মধ্যে মঞ্চ খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। সময়ের (Jadavpur University) মধ্যে মঞ্চ খোলা না হলে সব কিছু বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় ডেকরেটার্সদের। বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, আমাদের মঞ্চ ঘিরে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ছিল। তৃণমূলও মঞ্চ বেঁধেছিল। কিন্তু সেখানে ভিড় ছিল না। ভয় পেয়েই রাজ্য সরকার পুলিশকে মঞ্চ খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে যাদবপুরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে অতি বামপন্থীরা! তোপ সুকান্তর

    মঞ্চ খোলা শুরু হতেই মঞ্চের সামনে বসে বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। পরে যাদবপুর থানার সামনে গিয়েও বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ইন্দ্রনীল বলেন, “পুলিশ আমাদের কোনও কর্মসূচিতেই অনুমতি দেয় না। ওরা তৃণমূলের কথায় চলে। আমরা কর্মসূচি পালন করতে পুলিশের অনুমতির অপেক্ষা করব না। হস্টেলে যখন ছাত্রের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল, তখন পুলিশ কোথায় ছিল?” বৃহস্পতিবার শুভেন্দু দাবি করেছিলেন, বাম এবং অতি-বামেরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) থেকে উপড়ে ফেলার হুমকিও দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ragging in College: ব়্যাগিংয়ের শিকার! অন্ধ্রপ্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার ছাত্র সৌরদীপের রহস্যমৃত্যু

    Ragging in College: ব়্যাগিংয়ের শিকার! অন্ধ্রপ্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার ছাত্র সৌরদীপের রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) বাংলা বিভাগের ছাত্রের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই ফের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার কথা জানা গেল। এবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশ্ববিদ্য়ালয়ে (AP University) রহস্যমৃত্যু হল এ রাজ্যের এক পড়ুয়ার। বিশ্ববিদ্য়ালয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে, এগারো তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা (suicide) করেছেন ওই ছাত্র। 

    র‍্যাগিং-এর অভিযোগ

    যাদবপুরের পড়ুয়ার মতোই সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার কে এল ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গিয়েছিলেন সৌরদীপ চৌধুরী। স্বপ্নপূরণ তো হয়-ই-নি। মা-বাবা হস্টেলে রেখে আসার ৪ দিনের মাথায় বাড়িতে এসেছে ছেলের মৃত্যুসংবাদ। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, ১৭ জুলাই, কম্পিউটার সায়েন্সে বিটেক করতে মেদিনীপুরের বাড়ি থেকে ছেলেকে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার কে এল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করেন। ২০ জুলাই ফিরে আসেন তাঁরা। ছেলের সঙ্গে একাধিকবার কথা হওয়ার সময়, সে ভালই আছে বলে জানিয়েছিল। সূত্রের খবর, ২৪ জুলাই সৌরদীপের বাবা সুদীপ চৌধুরীর কাছে আসে ফোন। জানানো হয় ছেলের মৃত্যুর খবর। বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে থাকা হস্টেলের ১১ তলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে সৌরদীপের। খবর পাওয়া মাত্রই অন্ধ্রপ্রদেশের উদ্দেশে পাড়ি দেয় তাঁর পরিবারের লোকজন। বাংলায় নিয়ে আসা হয় দেহ। ছেলের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নামে পরিবারে।

    আরও পড়ুন: ‘‘মমতা নয়, স্বপ্নদীপের মৃত্যুর তদন্ত হোক কোর্টের নির্দেশে’’, মৃত পড়ুয়ার বাড়িতে দাবি শুভেন্দুর

    শাস্তির দাবি পরিবারের

    ছেলের মৃত্যুর কারণ র‍্যাগিং-বলেই মনে করছে সৌরদীপের পরিবার। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা জানার জন্য সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মৃতের বাবা। মৃত সৌরদীপের বাবার দাবি, ২৪ জুলাই অর্থাৎ ঘটনার দিন, সকাল ৬টা ও দুপুর দেড়টা নাগাদ ছেলের সঙ্গে কথা হয়। এরপর, দুপুর ৩টে ২৭-এ ছেলের মোবাইল থেকে আসা এসএমএস-এ লেখা ছিল ‘টাটা’। পরের এসএমএস ঢোকে ৩টে ৪১ মিনিটে। যেখানে লেখা ছিল- ভাল থাকবে তোমরা। তখন মেসেজটি দেখেননি তিনি। ৭ মিনিটের মাথায় অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে- ১১ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে সুইসাইড করেছে আপনাদের ছেলে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে সৌরদীপ। পেয়েছিল ৭৫ শতাংশ নম্বর। তারপরই অন্ধপ্রদেশের কে এল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয় বাংলার ছেলে। তারপরই এই ঘটনা। ছেলের মৃত্যুর বিচার পেতে শনিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন সৌরদীপের বাবা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burj Khalifa: ফুটে উঠল ভারতের জাতীয় পতাকা! স্বাধীনতা দিবসে বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    Burj Khalifa: ফুটে উঠল ভারতের জাতীয় পতাকা! স্বাধীনতা দিবসে বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Indian Independence Day) উপলক্ষ্যে বিশ্বের উচ্চতম এই বিল্ডিং সাজল তেরঙায়। ১৫ অগাস্ট মধ্যরাতে (স্থানীয় সময়) দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা (Burj Khalifa) জুড়ে জ্বলে উঠল দেশের তেরঙা পতাকা। সেই সঙ্গেই বাজল ‘জনগণমন’, ছুটল ফোয়ারা। গায়ে কাঁটা দেওয়া মুহূর্তের সাক্ষী হলেন হাজার হাজার ভারতীয়।

    বুর্জ খলিফায় জ্বলল তেরঙা

    উল্লেখ্য, ১৪ অগাস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে এমনটা হয়নি। তাই নিয়ে ক্ষুব্ধ পাকিস্তানিরা। পাক স্বাধীনতা দিবস (Pakistan Independence Day) উপলক্ষে প্রতি বছরই বুর্জ খলিফা (Burj Khalifa) জ্বলজ্বল করে ওঠে পাকিস্তানের পতাকার রঙে। হাজার আলোয় সেজে ওঠে সবুজের উপর সাদা চাঁদ-তারার ছবি। এবছরও সেই ছবি দেখার আশায় বুর্জ খলিফার সামনে জমা হয়েছিলেন কয়েকশো পাকিস্তানি। কিন্তু এ বছর বুর্জ খলিফায় জ্বলেনি পাকিস্তানের পতাকা। সারা রাত অপেক্ষা করেও দেখা গেল না কোনও বদল। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পাকিস্তানিরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় উগরে দেন রাগ। বলেন, এটা চূড়ান্ত অপমান!

    আরও পড়ুুন: “আমি ভারতীয়, এই দেশ আমারও”, তিরঙ্গা উড়িয়ে বললেন জঙ্গির দাদা বশির

    ক্ষুব্ধ পাক নাগরিকেরা

    ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশই একসঙ্গে ব্রিটিশ শাসনমুক্ত হয়। পরপর দু’দিন দুই দেশের স্বাধীনতা সূচিত হয় তখন থেকেই। উদযাপনও হয় সেভাবেই। তবে এবছর দুবাইয়ের এই ঘটনায় বেশ চটেছে ইসলামাবাদ। কিন্তু কেন এমন হল, তা এখনও জানা যায়নি। বুর্জ খলিফার তরফেও কিছু বলা হয়নি। ভারতের পতাকা অবশ্য প্রতি বছরই ১৫ অগাস্ট ঠিকমতোই জ্বলে ওঠে বুর্জ খলিফা জুড়ে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই দেখে খুশি ভারতীয়রা। সোশ্যাল মিডিয়া X (অতীতে নাম ছিল টুইটার) ব্যবহারকারী এক নেটিজেন বলেন, “বুর্জ খলিফাতে জাতীয় পতাকার সঙ্গে জাতীয় সংগীত, গায়ে কাঁটা দিচ্ছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Breast Cancer Risks: স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কতটা, বলে দেবে গণনা যন্ত্র, আবিষ্কার ইজরায়েলের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    Breast Cancer Risks: স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কতটা, বলে দেবে গণনা যন্ত্র, আবিষ্কার ইজরায়েলের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আগেভাগেই জানা যাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি (Breast Cancer Risks) ঠিক কতটা। এমনই একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ইজরায়েলের তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। সম্প্রতি তাঁরা দাবি করেছেন, এই গণনা যন্ত্র প্রতিটি নারীর বংশলতিকা বিশ্লেষণ করে জানিয়ে দেবে তাঁর স্তন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা কতটা। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এক প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, এই পদ্ধতির কাজে লাগালে প্রাণ বাঁচবে মহিলাদের, যাঁরা উত্তরাধিকার সূত্রে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বয়ে নিয়ে চলেছেন। প্রথম পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করা গেলে সুস্থও করে তোলা যাবে রোগীকে।

    সমীক্ষার ফল

    জার্নাল অফ মেডিক্যাল জেনেটিক্সে প্রথম এ ব্যাপারে রিভিউটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় এক মিলিয়ন মহিলা যাঁদের স্তন ক্যান্সার রয়েছে কিংবা হয়নি, তাঁদের ওপর সমীক্ষা করা হয়েছিল। সেই সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল ওই জার্নালে (Breast Cancer Risks)। সমীক্ষায় যে তথ্য উঠেছিল, তা প্রয়োগ করা হয়েছিল প্রায় দু হাজার ইজরায়েলি মহিলার ওপর। টিএইউ স্কুল অফ মেডিসিনের হিউম্যান মলিকিউলার জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক রানি এলকন বলেন, “আমাদের পদ্ধতিটা হল প্রাথমিক নির্ণয় নীতি। যাঁদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার প্রচুর ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের পরীক্ষা করা হবে একেবারে কম বয়স থেকে। পরীক্ষা করা হবে বারংবার।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এতেই ঠেকানো যাবে মারণ ব্যাধিকে।

    ব্রেস্ট ক্যান্সারে মৃত্যুর হার 

    প্রসঙ্গত, বিশ্বে ক্যান্সারে যত মহিলার মৃত্যু হয়, তার একটা বড় অংশেরই মৃত্যুর কারণ স্তন ক্যান্সার। লাং ক্যান্সারের পরেই মহিলাদের মৃত্যুর হার বেশি স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে। তবে গত কয়েক দশকে এই হার কমছে। বর্তমানে ক্যান্সার আক্রান্ত প্রতি ৩৯ জন মহিলার মধ্যে একজন মারা যান স্তন ক্যান্সারে। শতাংশের হিসেবে ২.৫। একেই শূন্যে নামিয়ে আনতে চান গবেষকরা। সেই কারণেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে স্তন ক্যান্সার নিয়ে চলছে গবেষণা। সিংহভাগ (Breast Cancer Risks) ক্ষেত্রেই লজ্জায় রোগের কথা বলতে সঙ্কোচ বোধ করেন মহিলারা। স্তন হারানোর ভয়েও রোগ লুকিয়ে রাখেন অনেকে। তাই স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, এটা জানা গেলে, এড়ানো যাবে মারণ রোগের থাবা।

    আরও পড়ুুন: “আমি ভারতীয়, এই দেশ আমারও”, তিরঙ্গা উড়িয়ে বললেন জঙ্গির দাদা বশির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৬, লালবাজারে তলব বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্তাকে

    Jadavpur University: যাদবপুরে ছাত্র মৃত্যুকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৬, লালবাজারে তলব বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্তাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) প্রথম বর্ষের ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় আরও ছ’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এর আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তিনজনকে। মঙ্গলবার রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে ছ’জনকে। সব মিলিয়ে ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হল ৯ জনকে। আজ, বুধবার আদালতে তোলা হবে তাদের। সূত্রের খবর, পুলিশের সামনে কী বয়ান দিতে হবে, সে ব্যাপারে আগাম শিখিয়ে-পড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল।

    বৈঠকে রাজ্যপাল 

    এদিকে, ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু ও ডিন অফ স্টুডেন্টস রজত রায়কে আজ, বুধবার দুপুর তিনটেয় তলব করা হয়েছে লালবাজারে। এদিনই বিকেল পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শোকজ করেছে শিশু সুরক্ষা কমিশন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে নোটিশ পাঠিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও। রাজ্যের কাছে তলব করেছে রিপোর্টও।

    গ্রেফতার ৯

    বুধবার গভীর রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) মেইন হস্টেলের এ-২ ব্লকের নীচ থেকে নগ্ন ও অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বাংলা অনার্সের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে। পরের দিন ভোরে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় ৯ জনকে। এঁদের মধ্যে কয়েকজন জন প্রাক্তন ছাত্র। বাকিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তথা মেইন হস্টেলের আবাসিক।

    আরও পড়ুুন: পুলওয়ামায় শহিদ জওয়ানের স্ত্রী তাপসীকে ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে প্রার্থী করল বিজেপি

    গত বুধবার ওই ঘটনার পরে পরেই অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন আনন্দ বোস। শুক্রবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন অধ্যাপককে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তিনি। সেদিন রাজ্যপাল জানিয়েছিলেন, কেবল যাদবপুর নয়, রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটি অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির মাথায় থাকবেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য তথা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়। আজ, বুধবার বিকেলে যে বৈঠক ডাকা হয়েছে, তাতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিনিধি দলের।

    লালবাজার সূত্রে খবর, পাশ করে যাওয়ার পরেও অন্তত ২০ জন ছাত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন ক্যাম্পাসে ঘাঁটি গেড়েছিলেন। তাঁদেরও তলব করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের মোবাইল ফোনও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sulabh International: বিশিষ্ট সমাজসেবী সুলভ ইন্টারন্যাশনালের পুরোধা বিন্দেশ্বর পাঠক প্রয়াত

    Sulabh International: বিশিষ্ট সমাজসেবী সুলভ ইন্টারন্যাশনালের পুরোধা বিন্দেশ্বর পাঠক প্রয়াত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুলভ ইন্টারন্যাশনালের (Sulabh International) প্রতিষ্ঠাতা বিন্দেশ্বর পাঠক আজ দিল্লিতে প্রয়াত হয়েছেন। তিনি আজ দিল্লির এইমস হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মূলত তিনি একজন সমাজ কর্মী ছিলেন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের বহু পুরস্কারের সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শোকজ্ঞাপন করেছেন তাঁর মৃত্যুতে।

    কে ছিলেন বিন্দেশ্বর পাঠক (Sulabh International)?

    বিশিষ্ট সমাজকর্মী মূলত সমাজ সেবামূলক কাজ করতেন। তাঁর জন্ম ১৯৪৩ সালের ২রা এপ্রিল বিহারের হাজীপুরে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি লাভ করেন। তিনি কাজের মাধ্যমে সমাজকে কীভাবে সংস্করণ করা যায়, সেই বিষয়ে বিশেষ প্রচেষ্টা করতেন। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য বিধি, সুরক্ষাবিধি, কীভাবে সমাজকে উন্নত এবং সুরক্ষিত রাখতে পারে, সেই বিষয়ে বিশেষ চিন্তা ভাবনার প্রকাশ রেখে গেছেন। সুলভ শৌচালয় নির্মাণকে কীভাবে কম খরচে, সস্তায় বেশি পরিমাণে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যায়, সেই বিষয়ে বিশেষ কাজের দৃষ্টান্ত রেখেছেন তিনি। তাঁর সুলভ (Sulabh International) প্রকল্প মূলত প্যান ইন্ডিয়া যোজনার আওতায় ছিল। প্রথম জীবনে গান্ধী সেন্টেনারি কমিটিতে কাজ করতেন। মহাত্মা গান্ধীকে তাঁর জীবনের আদর্শ হিসাবে মান্যতা দিতেন তিনি। সামজিক অস্পৃশ্যতা এবং সামজিক অধিকারের জন্য মানবাধিকার বিষয়ে অনেক ইতিবাচক কাজ করেছেন।

    নানা সম্মানে ভূষিত

    বিন্দেশ্বর পাঠক (Sulabh International) নিজে উদ্যোগী হয়ে ১৭৪৯ টি শহরে আনুমানিক ১ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি শৌচলায় নির্মাণ করছেন। তিনি এনার্জি গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড এবং দুবাই ইন্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড সম্মানে সম্মানিত হয়েছিলেন। এছাড়াও প্যারিসের ফরাসি সনেট লিজ্যান্ড অফ প্ল্যানেট সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে নিউইয়র্কে ‘বিন্দেশ্বর পাঠক দিবস’ হিসাবে পালন করা হয় ১৪ই এপ্রিল দিন টিকে।

    প্রধানমন্ত্রীর শোক বার্তা

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশেষ শোক জ্ঞাপন করেছেন। তিনি বলেন, বিন্দেশ্বর পাঠকের (Sulabh International) সমাজ সংস্কারকের কাজ থেকে অনেক মানুষ অনুপ্রাণিত হবেন। আমাদের দেশের জন্য একটি জাতীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল। ভারতের স্বচ্ছতার অভিযানে অন্যতম নায়ক ছিলেন বিন্দেশ্বর পাঠক। তাঁর পরিবারের প্রতি বিশেষ সমবেদনা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    IIT Kharagpur: আজকের খড়্গপুর আইআইটির পুরনো ভবন ছিল বিপ্লবীদের জন্য হিজলী জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বিপ্লবীদের উপর নির্মম অত্যাচারে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন তাঁর প্রশ্ন কবিতা। দেশকে স্বাধীন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একদল তরুণ তরুণী। আজ যেখানে আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur), সেখানেই ছিল বিপ্লবীদের বন্দিনিবাস। সশস্ত্র আন্দোলন হোক কিংবা অসহযোগ আন্দোলন, ব্রিটিশ পুলিশের হাতে বন্দি হতে হয়েছিল একাধিক স্বাধীনতার সংগ্রামীকে। বন্দি করা হয় হিজলী বন্দি নিবাসে। এই জেলের মধ্যে অন্যতম বন্দি ছিলেন বিপ্লবী সন্তোষ মিত্র।

    কার নামে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার?

    ছাত্রাবস্থায় রাজনীতিতে আকৃষ্ট হন সন্তোষ মিত্র। তাঁর জন্ম ১৯০০ সালের ১৫ অগাস্ট এবং মৃত্যু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৩১। মাত্র ৩১ বছরের জীবন, দেশের স্বাধীনতার জন্য নিবেদন করেছিলেন। ১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ফলে কারাদণ্ড হন। এছাড়াও শ্রমিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। ১৯২৩ সালে গুপ্ত বিপ্লবী দলের সঙ্গে যোগদান করে বিপ্লবী কর্মে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম করেন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে। চট্টগ্রামে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দলেনের সময় গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করতেন বিপ্লবীদের। এরপর গ্রেপ্তার হলে তাঁকে হিজলী (IIT Kharagpur) জেলে পাঠানো হয়। কলকাতা শহরে আজকের দিনে সবথেকে বড় দুর্গা পুজো গুলির মধ্যে একটি পুজো হল, বিপ্লবী সন্তোষ মিত্রের নামাঙ্কিত পার্কের পুজো সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো।

    হিজলী জেল (IIT Kharagpur) এক ঐতিহাসিক পীঠস্থান

    ১৯৩১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাত্রি প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ, নিরস্ত্র বন্দিদের উপর অতর্কিতে আক্রমণ চালায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনী। চালানো হয় গুলিও। নিরস্ত্র বন্দিদের উপর গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই বীর বিপ্লবীর। এই দুই বিপ্লবীরা হলেন সুভাষচন্দ্র বসুর সহপাঠী সন্তোষ মিত্র এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের অনুগামী তারকেশ্বর সেনগুপ্ত। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নাইট উপাধি ত্যাগ করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। হিজলী (IIT Kharagpur) হত্যাকাণ্ডের পর রবীন্দ্রনাথ লিখলেন প্রশ্ন কবিতা, “ভগবান তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে, দয়াহীন সংসারে।”

    আজকের আইআইটি খড়্গপুর

    এখন যেখানে খড়্গপুর আইআইটির (IIT Kharagpur) পুরনো ভবন, পরাধীন ভারতে সেখানেই ছিল হিজলি বন্দিনিবাস। অদূরে প্রথম মহিলা জেল। ১৬ সেপ্টেম্বরের সেই রাতে হিজলি বন্দি নিবাসে ‘পাগলা ঘন্টা’ বাজিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় ইংরেজ পুলিশ। খবর পেয়ে সুভাষচন্দ্র ও যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত হিজলিতে আসেন। হিজলি ও চট্টগ্রাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ওই বছর ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় একটি সভা হয়। সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বর্তমানে আইআইটি নির্মিত হয়েছে বন্দিনিবাসের বিশাল ইমারতে। বর্তমান প্রজন্ম মনে রাখে না ইতিহাস, মনে রাখে না সংগ্রামের কালো দিনের কথা। স্বাধীনতা দিবসে ফের স্মৃতিতে অম্লান হিজলীর সেদিনের সেই কালো ঘটনার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Moon Traffic Jam: চাঁদেও ট্রাফিক জ্যাম! চন্দ্রযান-৩ ছাড়াও কক্ষপথে একাধিক স্যাটেলাইট

    Moon Traffic Jam: চাঁদেও ট্রাফিক জ্যাম! চন্দ্রযান-৩ ছাড়াও কক্ষপথে একাধিক স্যাটেলাইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের কক্ষপথেও ট্রাফিক জ্যাম! চাঁদের মাটি স্পর্শ করা এবং সেখানে পরীক্ষানিরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়েছে চন্দ্রযান-৩ কে। পৃথিবী ছাড়িয়ে চাঁদের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছে সে। তবে এই মুহূর্তে কেবল ভারতের স্যাটেলাইটই যে চাঁদের কক্ষপথে একমাত্র যান হিসেবে অগ্রসর হচ্ছে, তা নয়। চাঁদের কক্ষপথে আরও একাধিক কার্যকলাপ হতে চলেছে। তার ফলেই সেখানে একপ্রকার ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়েছে। এখন প্রশ্ন এর ফলে কি সময়ের চেয়ে দেরিতে চাঁদে পৌঁছবে চন্দ্রযান-৩?

    লুনার ট্রাফিক

    ২০২৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত চাঁদ মোট ছয়টি সক্রিয় চন্দ্র কক্ষপথ এবং আরও বেশ কিছু মিশনের একটি আলোড়ন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাকে বলা হচ্ছে লুনার ট্রাফিক। এই মুহূর্তের লুনার ট্রাফিকে রয়েছে নাসার লুনার রিকনেসান্স অর্বিটার (LRO), আর্টেমিসের অন্তর্ভুক্ত নাসার থেমিস মিশনের দুটি প্রোব, ভারতের চন্দ্রযান-২, কোরিয়া পাথফাইন্ডার লুনার অর্বিটার (KPLO) এবং নাসার ক্যাপস্টোন। এদের পাশ কাটিয়েই চাঁদের মাটিতে ল্যান্ড করতে হবে চন্দ্রযান-৩কে। জ্যামে ফেঁসে যাওয়ার বিপদও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। তবে কীভাবে এই নভো-যানজট এড়িয়ে চাঁদে পৌঁছন যায় সেই চিন্তাতেই মগ্ন ইসরো।

    অন্যদিকে, ভারতকে টক্কর দিতে চাঁদে যাচ্ছে রাশিয়ার লুনা। রাশিয়ার চন্দ্রাভিযানের প্রায় অর্ধ শতক পেরনোর পর ১১ অগাস্ট ফের চাঁদের উদ্দেশে ল্যান্ডার লুনা পাঠিয়েছে পুতিনের দেশ। চন্দ্রযান-৩ এর যেদিন চন্দ্রপৃষ্ঠ ছোঁয়ার কথা, সেই একই দিনে রাশিয়ার লুনাও চাঁদের বুকে অবতরণ করবে, এমনটাই জানা গিয়েছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে হাঁটাচলা করার কথা রয়েছে রাশিয়ার পাঠানো এই নভোযানের। এই মিশনের লক্ষ্য হল, চাঁদের দক্ষিণ মেরু অন্বেষণ করা এবং তার মধ্যে দিয়ে ৪৭ বছরের বিরতির পর চন্দ্রপৃষ্ঠে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন চিহ্নিত করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    JP Nadda: হাওড়ায় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে জেপি নাড্ডা, কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে বঙ্গে এসে বিজেপির ‘আমার মাটি আমার দেশ’ কর্মসুচীর অঙ্গ হিসাবে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের বাড়ি দেউলটি থেকে মাটি সংগ্রহ করলেন বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। শুক্রবার রাতেই কলকাতায় এসে পৌঁছান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বাংলা, বিহার, ঝাড়খণ্ড-সহ পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের জেলা পরিষদ সভাধিপতিদের নিয়ে হাওড়ার দেউলটির একটি হোটেলে এদিন সকালে একটি  কর্মশালার উদ্বোধন করেন নাড্ডা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে দুপুরে দেউলটিতে কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভিটে পরিদর্শনে আসেন জে পি নাড্ডা।

    ভিজিটার্স বুকে কী লিখলেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)?

    দেউলটিতে শরৎচন্দ্রের বাড়ি থেকে মাটি সংগ্রহ করেন জে পি নাড্ডা (JP Nadda)। “আমার মাটি আমার দেশ” কর্মসূচির সূচনা করেন তিনি। সেই মাটি নিয়ে যাওয়া হবে দিল্লির কর্তব্যপথ বাগানে। এদিন দেউলটিতে এসে শরৎচন্দ্রের বাসভবনে, সেখানকার লাইব্রেরি রুমে ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানকার ভিজিটার্স বুকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা লিখে রাখেন তিনি। তিনি লেখেন ‘আজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহান মানুষের নিবাস স্থানে আসতে পেরে নিজেকে খুবই সৌভাগ্য প্রাপ্ত মনে করছি। এই জায়গা থেকে অনেক প্রেরণা পেলাম।’ তিনি প্রথমে ওই বসতবাড়িতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন। এরপর তিনি ওই বাসভবন চত্বরে একটি আম গাছ রোপণ করেন। পরে, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রূপনারায়ণ নদীতীরে এই বাড়িতে যে কক্ষতে বসে তাঁর সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেছিলেন সেই ঘর পরিদর্শন করেন। এরপর জেপি নাড্ডা আরেকটি কক্ষে গিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত জিনিসগুলো পরিদর্শন করেন। পরে, ওই বাড়ির দোতলার ঘরগুলিও তিনি ঘুরে দেখেন। দোতলা বাড়ির বারান্দাতে উঠে উপস্থিত সমর্থক মানুষদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, অনুপম হাজরা, রাঁচির মেয়র আশা লাকড়া, অমিত মালব্য, বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভাপতি অরুণ উদয় পাল চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এদিন সেখানে এক জাতীয় পতাকা বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাড্ডা। জে পি নাড্ডার সফর উপলক্ষে দেউলটির সামতাবেড়ে শরৎচন্দ্রের বসতবাড়ি এলাকাকে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। দুপুরে জে পি নাড্ডা সেখানে আসেন। ১.৪০ নাগাদ তিনি দেউলটি আসেন। প্রায় আধ ঘন্টা ছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share