Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • Indian Coast Guard Recruitment 2022: শূন্য পদে কর্মী নিয়োগ করবে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, জানুন বিস্তারিত 

    Indian Coast Guard Recruitment 2022: শূন্য পদে কর্মী নিয়োগ করবে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, জানুন বিস্তারিত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard)। সরকারি চাকরির অপেক্ষায় যারা বসে রয়েছেন, তাদের জন্যে রয়েছে সুবর্ণ সুযোগ। নাবিক, যান্ত্রিক পদে নেওয়া হবে কর্মী। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট joinindiancoastguard.cdac.in – এ দেখে নিতে পারেন।

    আরও পড়ুন: ১৫৬ শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার, জানুন বিস্তারিত

    এই পদগুলিতে আবেদনের জন্য চাকরিপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু দিন। আবেদন শেষের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২। অনলাইনে করতে হবে আবেদন।
     
    শূন্যপদ

    নাবিক (জেনারাল ডিউটি) – ৫০ 
    যান্ত্রিক – ২০
    আইন – ১
    মোট – ৭১

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    আরও পড়ুন: কারিগরি পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ডিআরডিও- র, জানুন বিস্তারিত

    নাবিক (জেনারেল ডিউটি): এই ক্ষেত্রে দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবেন। কাউন্সিল (COBSE) দ্বারা স্বীকৃত একটি বোর্ড থেকে গণিত ও পদার্থবিদ্যা নিয়ে পাশ করতে হবে। 

    যান্ত্রিক: এই পদে আবেদনের ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের দশম শ্রেণি পাশ সহ বোর্ড অফ স্কুল এডুকেশন (COBSE) দ্বারা স্বীকৃত ও অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন দ্বারা অনুমোদিত ৩-৪ বছর মেয়াদের ইলেক্ট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/টেলিকমিউনিকেশন (রেডিও/পাওয়ার) ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে। এই বিষয়ে বিশদে জানতে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট দেখে নিন।

    আইন: আইনের পদে যারা আবেদন করতে চান তাঁদের থাকতে হবে ল-এ স্নাতক ডিগ্রি এবং তাতে থাকতে হবে ৬০% নম্বর। 

    আরও পড়ুন: বাড়ল সুদের হার, কোন কোন ব্যাংক দিচ্ছে জানেন? 

    বয়সসীমা 

    এই পদগুলিতে আবেদনের ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীর বয়সসীমা ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে হতে হবে|

    নির্বাচনের পদ্ধতি

    লিখিত পরীক্ষা, তথ্য যাচাই ও মেডিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে আবেদনকারীদের বাছাই করা হবে।  

    আরও পড়ুন: এফডি করার কথা ভাবছেন? আগে জেনে নিন রিজার্ভ ব্যাংকের নয়া নিয়ম 

    বেতনক্রম

    ৫৬,১০০ টাকা (লেভেল ১০) 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Indian Mountaineer Missing: চিন সীমান্তে নিখোঁজ ভারতীয় পর্বতারোহী! নিছকই কি দুর্ঘটনা?

    Indian Mountaineer Missing: চিন সীমান্তে নিখোঁজ ভারতীয় পর্বতারোহী! নিছকই কি দুর্ঘটনা?

    মাধম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন পরেই মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest) অভিযানে যাওয়ার কথা ছিল অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) প্রথম পর্বতারোহী তাপি ম্রা (Tapi Mra)। কিন্তু নতুন অভিযানে বেরিয়ে হঠাৎই তিনি নিখোঁজ। যা নিয়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যে। প্রশ্ন উঠছে, নিছকই এটা দুর্ঘটনা নাকি চিনের (China) সেনার হাত রয়েছে এই ঘটনার পিছনে?

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র, কর্নাটকের হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে হবে গণেশ উৎসব

    দিন সাতেক আগে চিন সীমান্তের কিছুটা দূরে পূর্ব হিমালয়ের তুষার আচ্ছাদিত মাউন্ট কায়ারিসাতামের (East Kameng district) দিকে যাচ্ছিলেন তাপি। সঙ্গী ছিলেন বন্ধু নিকু দাও। অরুণাচল প্রদেশের সর্বোচ্চ তুষার ঢাকা শৃঙ্গ খায়ার সাতাম (Mount Kyarisatam) জয় করাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। আর তার জন্য দুর্গম পথ পেরিয়ে ৬৯০০ মিটার উচ্চতা আরোহন করতে হতো তাঁদের। সময় লাগার কথা ছিল প্রায় সাত দিন। কিন্তু তার আগেই ঘটল বিপত্তি। দুই পর্বতারোহীর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন দু’জন সহকারি। তাঁরাই প্রশাসনকে অবগত করেন।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়ছেন শশী থারুর? আর কে লড়ছে জানেন?

    দুই পর্বতারোহীর নিখোঁজের পর তাঁদের খুঁজে বের করতে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ডাকা হয়েছে দু’টি সেনা হেলিকপ্টারও। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তল্লাশি অভিযানে বিঘ্ন ঘটেছে বার বার। বাধ্য হয়ে একটি দলকে পাঠানো হয়েছে পায়ে হেঁটে। এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ মেলেনি। রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী মামা নাতুং বলেছেন, “চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হচ্ছে না। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টারে তল্লাশি অভিযান ও উদ্ধারকার্যে সমস্যা হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে পায়ে হেঁটে অনুসন্ধান অভিযান চালানোর নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।” পর্বতারোহণ ও প্যারাগ্লাইডিং সংস্থার পক্ষ থেকে ৩৭ বছর বয়সি তাপি ম্রা’কে খুঁজে বের করার আবেদন করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India’s Richest Ganesha: ভারতের ধনীতম গণপতি! ৩১৬ কোটি টাকার বিমায় সুরক্ষিত মুম্বইয়ের এই গণেশ, আওতায় ভক্তরাও!

    India’s Richest Ganesha: ভারতের ধনীতম গণপতি! ৩১৬ কোটি টাকার বিমায় সুরক্ষিত মুম্বইয়ের এই গণেশ, আওতায় ভক্তরাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণেশ চতুর্থী (Ganesha Chaturthi 2022) সর্বত্র মহৎ উৎসব হিসেবে পালিত হয়। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী থেকে এই মাসের চতুর্দশী তিথি অর্থাৎ ১০ দিন ধরে পালিত হয় উৎসব। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে গণেশ পুজোর প্রস্তুতি। কোথাও শুরু হয়েছে প্যান্ডেল তো কোথাও চলছে বাকি আয়োজন। গণেশ পুজো (Ganesha Utsav) নিয়ে জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে মুম্বই শহরে। প্রতি বছর সেখানে বিশেষ ভাবে পালিত হয় গণেশ পুজো (Ganesha Puja)। সেখানে ইতিমধ্যে প্যান্ডেলে আসতে শুরু করেছে মূর্তি। 

    গণপতির (Ganpati Bappa) কৃপায় এখন ভারতের সবচেয়ে ধনী গণেশ মণ্ডল হল মুম্বইয়ের (Mumbai) কিংস সার্কেল অঞ্চলে জিএসবি সেবা মণ্ডল (GSB Seva Mandal)। পাঁচদিন ব্যাপী গণেশ চতুর্থীর উৎসবে, ৩১৬ কোটি টাকার বিমা পেয়েছে তারা।  গণেশের মূর্তিটিকে এখানে ৬৬ কেজি সোনা দিয়ে সাজানো হয়। এছাড়াও থাকে ২৯৫ কেজিরও বেশি রুপো এবং অন্য ধাতুর অলঙ্করণ। এই গণেশ পুজোর উদ্বোধন হবে ২৯ অগাস্ট। মূর্তিটি মণ্ডপে থাকেব ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। পুজোর সকল রীতি মেনে ধর্মাচরণ করাই এদের লক্ষ্য। প্রায় ২০ হাজার লোক এখানে প্রসাদ পান। আনুমানিক ৬০ হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে এই পুজোয়। পুজোর পাঁচদিন ছাড়াও সারা বছরই এই মণ্ডলের লোকেরা জনসেবা করে থাকেন। করোনা অতি মারী, কেরলে বন্যা বহু ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছে এরা।

    আরও পড়ুন: কেন গ্রাম বাংলায় পালিত হয় মনসা পুজো, এর তাৎপর্য জানেন কি?

    গণেশ চতুর্থী ছাড়াও বছরে একাধিকবার পুজিত হন ভগবান গণেশ। শাস্ত্র মতে, শুক্ল ও কৃষ্ণ উভয় পক্ষেই পালিত হয় গণেশের পুজো। তবে, গণেশ চতুর্থীর উৎসব মুম্বইয়ে বিশেষ প্রসিদ্ধ। যার প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। মুম্বইবাসীর ঘরে ঘরে প্রতিবছরের মতো এবছরও পুজিত হবেন সিদ্ধিদাতা। পুজোর দিন গণেশকে ফুল, দূর্বা অর্পন করে ভোগ নিবেদন করেন সবাই। দেওয়া হয় মোদক। মোদক বা লাড্ডু গণপতির অত্যন্ত প্রিয়। শুধু মুম্বই নয় এখন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এমনকি কলকাতা-সহ বাংলার নান জায়গায় মহা সমারোহে গণেশ চতুর্থী পালন করা হয়। বিশ্বাস, নিষ্ঠার সঙ্গে গণেশর আরাধানা করলে জীবনের সকল অশান্তি দূর হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Man Removes Thumb Skin: স্যানিটাইজার হাতে দিতেই খসে পড়ল ত্বক! নিজের বুড়ো আঙ্গুলের চামড়া  বন্ধুর আঙ্গুলে জুড়ে পরীক্ষায় বসল ছাত্র

    Man Removes Thumb Skin: স্যানিটাইজার হাতে দিতেই খসে পড়ল ত্বক! নিজের বুড়ো আঙ্গুলের চামড়া বন্ধুর আঙ্গুলে জুড়ে পরীক্ষায় বসল ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি চাই। যে কোনও মূল্যে। পরীক্ষায় ফল কেমন হবে তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। তাই মেধাবী বন্ধুর সাহায্য প্রার্থনা। অবশেষে অভিনব পন্থা অবলম্বন। বন্ধুকে দিয়ে রেলের পরীক্ষা দেওয়ানোর জন্য নিজের বুড়ো আঙ্গুলের চামড়া তুলে বন্ধুর আঙ্গুলে জুড়ে দিয়েছিলেন এক পরীক্ষার্থী। তবে শেষরক্ষা হল না। ভুয়ো পরীক্ষার্থীর কাণ্ড দেখে চক্ষু চড়কগাছ সুপারভাইজারের! তাঁর তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা পড়লেন ওই যুবক। ঘটনাটি ঘটে গুজরাটের ভাদোদরাতে। অভিযুক্তরা দুজনেই বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ভাদোদরার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এম বারোতারিয়া জানান, গত সোমবার রেলের গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের জন্য একটি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখান থেকে রাজ্যগুরু গুপ্তা নামে এক ভুয়ো পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে যার হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিল, সেই মণীশ কুমারকেও আটক করা হয়। একসঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা পাশ করেছিল তারা। রাজ্যগুরু পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো। তাই চাকরির পরীক্ষার বৈতরণি পেরতে তাকেই আশ্রয় করে মণীশ। উভয়ের বয়স ২০ বছর।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস-১ মুন মিশনে ভারতীয় যোগ, প্রকল্পে যুক্ত হলেন বিজ্ঞানী অমিত পাণ্ডে

    রেলের পরীক্ষাতে নকল আটকাতে বুড়ো আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়ে থাকে। আধার কার্ডের সাথে সেটা মিলিয়ে দেখা হয়। মণীশের আঙুলের ছাপ নিতে গেলে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তা নথিভুক্ত হয় না। যিনি পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। তিনি দেখেন রাজ্যগুরু কিছু লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর হাতে স্যানিটাইজার স্প্রে করে দেন। আর তাতেই ওই ভুয়ো পরীক্ষার্থীর আঙুল থেকে খসে পড়ে চামড়াটি। প্রশ্ন করতেই আসল তথ্য বেরিয়ে আসে। তাকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।

    পুলিসের জেরায় রাজ্যগুরু জানিয়েছে, পরীক্ষার আগের দিন মণীশ বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলটি একটি গরম প্যানে ঠেকায়। এর ফলে আঙুলে যে ফোস্কা পড়ে, সেই চামড়াটি ব্লেড দিয়ে কেটে তাকে দিয়ে দেয়। বায়োমেট্রিক দেওয়ার সময় ওই কাটা চামড়াটি নিজের আঙুলে লাগিয়ে ছাপ দিতে যায় সে। কিন্তু ধরা পড়ে যাওয়ায় আর কাজ এগোতে পারেনি। এই অভিনব কৌশল চমকে দিয়েছে সবাইকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Nitin Gadkari: বহরে বড় জাতীয় সড়ক! নয়া প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির

    Nitin Gadkari: বহরে বড় জাতীয় সড়ক! নয়া প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরে বাড়বে জাতীয় সড়ক। ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে মোট জাতীয় সড়কের দৈর্ঘ্য হতে চলেছে ২লক্ষ কিলোমিটার। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে এই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির। তিনি জানান, ২০২১ সালে দেশে জাতীয় সড়কের (national highway network length)মোট দৈর্ঘ্য ছিল ১ লক্ষ ৪০ হাজার ৯৩৭ কিলোমিটার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিদিন অন্তত ৫০ কিলোমিটার করে নতুন রাস্তা তৈরি করা হবে। এখন প্রতিদিন ৩৫ কিলোমিটার করে নতুন রাস্তা তৈরি হয়। এর ফলে ২লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা শেষ হতে ২০২৪ সাল লেগে যাবে।  

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন নাকি আত্মহত্যা, বাড়ছে রহস্য

    এদিন টোলপ্লাজাগুলিতে দীর্ঘ যানযট দূর করতে স্বয়ংক্রিয়  লিঙ্কযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টোল কেটে নেওয়ার পরিকল্পনা সারা দেশ জুড়ে বাস্তবায়নের কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী। এই ব্যবস্থা সারা দেশে চালু করতে পারলে টোল প্লাজা গুলি দীর্ঘ যানযটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে। গড়কড়ি বলেন,  “২০১৯ সালে, সরকার একটি নিয়ম চালু করে যে গাড়িগুলি কোম্পানির লাগানো নম্বর প্লেটের সঙ্গে আসবে। তাই গত চার বছরে যেসব গাড়ি বাজারে এসেছে সেগুলোর নম্বর প্লেট আলাদা। এখন, টোল প্লাজা সরিয়ে ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা এই নম্বর প্লেটগুলিকে চিহ্নিত করবে এবং টোল সরাসরি অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: ভুল করেই পাক ভূখণ্ডে ব্রহ্মোস! বরখাস্ত বায়ুসেনার তিন অফিসার

    নিতিন গড়কড়ির মতে, টোলপ্লাজা দেশের অনেক সমস্যার কারণ। লম্বা লাইনে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। যানজট তৈরি হয়। তাই বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। সরকার দুটি বিকল্প পথ খুঁজছে। উপগ্রহভিত্তিক জিপিএস ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার।  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমরা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে জিপিএস ব্যবহার করতে চাই ফাস্ট্যাগের বদলে। নয়া পদ্ধতি চালু করার প্রক্রিয়ায় আছি আমরা এবং এর ভিত্তিতে আমরা টোল নিতে চাই। নম্বর প্লেটেও প্রযুক্তি পাওয়া যায় এবং ভারতেও অন্যান্য আরও ভালো প্রযুক্তি পাওয়া যায়। আমরা নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বেছে নেব। যদিও আমরা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিইনি। ছয় মাসের মধ্যে এই ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমে পাথরবোঝাই লরি থেকে তোলাবাজি বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Birbhum: বীরভূমে পাথরবোঝাই লরি থেকে তোলাবাজি বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে (Birbhum) পাথর বোঝাই লরি থেকে তোলাবাজির অভিযোগ ওঠে মাঝেমাঝেই। ভুয়ো সরকারি বিল ছাপিয়ে টাকা তোলার অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court)। এই ইস্যুতে এবার রাজ্যকে চার সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অবৈধ ভাবে টাকা তোলা বন্ধ করতে রাজ্যকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। পরবর্তী শুনানিতে ইডি সহ সবপক্ষের আইনজীবীকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১ নভেম্বর। 

    বীরভূমে পাথরবোঝাই লরি থেকে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে সম্প্রতি কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন বীরভূমের এক বাসিন্দা। মামলাকারীর দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি কিউবিক মিটারে ১৩০ টাকা করে রাজস্ব আদায় করবে সরকার। এই টাকা গ্রিপ চালানের মাধ্যমে খাদানের লিজ হোল্ডারের কাছ থেকে আদায় করার নিয়ম রয়েছে। অভিযোগ, এই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নলহাটি-মুরারই-সহ বীরভূমের একাধিক খাদান এলাকায় বেআইনিভাবে সরকারি বিল ছাপিয়ে টাকা তোলা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: রাজীব ভট্টাচার্য কি কেষ্টর ‘বেনামি’, কার চিকিৎসার জন্য ৬৬ লাখ দিয়েছিলেন? তদন্তে ইডি-সিবিআই

    এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। মামলার শুনানিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, বেআইনিভাবে সরকারের নাম ভাঙিয়ে কোনওরকম তোলাবাজি করা চলবে না। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল উচ্চ আদালত।

    প্রসঙ্গত, বাংলার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মামলা তাৎপর্যপূর্ণ। দুর্নীতির অভিযোগে এখন হাজতে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। দাপুটে তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের পর থেকেই নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন। কখনও অবৈধ বালি খাদান বন্ধ হচ্ছে, আবার কখনও পাথরের ক্র্যাশার, খাদান বন্ধ করার নিদান আসছে। এ সময়ই সামনে এল ভুয়ো বিল ছাপিয়ে পাথরবোঝাই লরি থেকে তোলা তোলার অভিযোগ।

     

  • No flag hoisting but unfurling: এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা ‘উত্তোলন’ হবে না, নির্দেশ জারি করল কর্তৃপক্ষ

    No flag hoisting but unfurling: এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা ‘উত্তোলন’ হবে না, নির্দেশ জারি করল কর্তৃপক্ষ

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমে দেশের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলনের নির্দেশিকা ঘরে বিতর্ক দানা বাধল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসএসকেএমের অধ্যাপক ও ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রুপে যে নির্দেশিকা পোস্ট করে ১৫ অগাস্ট সকাল সাড়ে ৯টায় সমবেত হতে বলেছেন তাতে পতাকা উত্তোলনের(flag hoisting) কথা বলা হয়নি। বরং পতাকা উন্মোচিত(flag unfurled) হবে বলে জানানো হয়েছে।

    ঘটনা হল, স্বাধীনতা দিবসে সর্বদা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা দণ্ডের নীচে জাতীয় পতাকা বাঁধা থাকে। সর্বত্র তা পতাকা দণ্ডের শীর্ষে উত্তোলন করা হয়। যা আসলে স্বাধীনতা অর্জনের দ্যোতক হিসাবে ধরা হয়।

    অন্যদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উন্মোচিত করা হয়। সেদিন পতাকা দণ্ডের শীর্ষে জাতীয় পতাকা গোটানো থাকে। সেটি উন্মোচন করা হয়।১৯৪৭ এ স্বাধীনতার সময় দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। ফলে ১৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পতাকা উত্তোলন করে থাকেন। ১৯৫০-এ ২৬ জানুয়ারি দেশের রাষ্ট্রপতির শপথ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপতি পতাকা উন্মোচন করে থাকেন। এবার পিজিতে উলোটপুরাণ। ২৬ জানুয়ারির প্রথা ১৫ অগাস্ট পালনের নির্দেশ ঘরে বিতর্ক চরমে।

     ফলে স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও উন্মোচনের রীতি সারা দেশে একইভাবে পালিত হলেও এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ কীভাবে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরিবর্তে উন্মোচনের সিদ্ধান্ত নিলেন তা নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাত্র-শিক্ষকদের গ্রুপে পোস্ট হওয়ার পর থেকেই জাতীয় পতাকার অবমাননার কথা বলে প্রবল সমালোচনা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কর্তৃপক্ষর সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও কোনও জবাব আসেনি।স্বাস্থ্যভবন অবশ্য ঘটনাটি অনাবশ্যক এবং অসাবধানতাবশত হয়েছে বলে জানিয়েছে।

    এদিনই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামে তিরঙ্গা যাত্রায় বেরলে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, রাজ্য সরকারের কাণ্ডজ্ঞান লোপ পেয়েছে।স্বাধীনতার ৭৫ পূর্ণ হল। দেশভাগের যন্ত্রণা নিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ।আজ সেখানেই জাতীয় পতাকা নিয়ম মেনে উত্তোলনও রাজ্য প্রশাসন করতে পারছে না। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রথা স্বাধীনতা দিবসে পালন করতে বলা জাতীয় পতাকার অবমাননার সামিল। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষর অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

  • Manasa Puja 2022: কেন গ্রাম বাংলায় পালিত হয় মনসা পুজো, এর তাৎপর্য জানেন কি? 

    Manasa Puja 2022: কেন গ্রাম বাংলায় পালিত হয় মনসা পুজো, এর তাৎপর্য জানেন কি? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষে সর্প পুজো একটি প্রাচীন অনুষ্ঠান। মনসা সাপের দেবী। তিনি মূলত লৌকিক দেবী। পরবর্তীকালে পৌরাণিক দেবী রূপে স্বীকৃত হন। শ্রাবণ মাসের শেষ দিনে হিন্দুধর্মাবলম্বীদের প্রতিটি ঘরে ঘরে মনসা দেবীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়।

    অনেকের মতে, সাপের কামড় থেকে রক্ষা পেতে মাটির সরায় দুধ-কলা দিয়ে দেবী মনসাকে পুজো করা হয়। সারাদিন উপোস করে পুজো শেষে সাবু-দুধ-কলা দিয়ে মনসার পুজো সম্পন্ন করে তবে উপবাস ভাঙেন মহিলারা। সমাজে এই পুজোর প্রচলিত হওয়ার জন্য রয়েছে প্রচলিত পুরাণ কাহিনি।

    মনসা দেবীর মাহাত্ম্য

    পুরাণ অনুসারে, মনসার হলেন শিবের স্বীকৃতকন্যা ও জরৎকারুর পত্নী। জরৎকারু মনসাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। মনসার মা চণ্ডী (শিবের স্ত্রী পার্বতী) তাঁকে ঘৃণা করতেন কিন্তু পরবর্তীতে মাতা চণ্ডী মনসাকে নিজের মেয়ের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। কোনও কোনও ধর্মগ্রন্থে বলা আছে যে শিব নয়, ঋষি কাশ্যপ হলেন মনসার পিতা। মনসাকে ভক্তবৎসল বলে বর্ণনা করা হলেও, যিনি তাঁর পুজো করতে অস্বীকার করেন, তাঁর প্রতি তিনি নির্দয় হয়ে থাকেন।

    মনসার উৎপত্তি বিষয়ে নানা কাহিনি শোনা যায়। সর্পদংশনের ভয় থেকে মানুষের পরিত্রাণের জন্য প্রজাপতি ব্রহ্মা কশ্যপমুনিকে একটি মন্ত্র বা বিদ্যাবিশেষ আবিষ্কার করার আদেশ দেন। ব্রহ্মার আদেশ পেয়ে কশ্যপ যখন মনে মনে এই বিষয়ে চিন্তা করছিলেন, তখন তাঁর মননক্রিয়া থেকে আবির্ভূত হন এক স্বর্ণবর্ণা দেবী। যেহেতু তিনি মানসজাতা, মন থেকে তাঁর জন্ম, তাই তিনি ‘মনসা’। এই দেবী ‘কামরূপা’, অর্থাৎ ইচ্ছানুযায়ী রূপধারণ ও রূপপরিবর্তন করতে পারেন।

    মনসা পুজোর প্রতিমাতেও পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। সিজ বৃক্ষের শাখায়, ঘটে বা সর্প-অঙ্কিত ঝাঁপিতে মনসার পুজো হয়। তবে কেউ কেউ মনসা প্রতিমা বানিয়ে পুজো করে থাকে। আবার কেউ কেউ পঞ্চ সর্পের ফণা যুক্ত প্রতিমার পুজো করেন। গোত্র ও অঞ্চল ভেদে প্রথার ওপর ভিত্তি করে মনসা দেবী বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রূপে তার ভক্তদের দ্বারা পূজিত হয়ে থাকেন। সরস্বতীর মতো দেবী মনসার বাহনও হংস। বাহনকে দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে মনসাও জ্ঞানযুতা, জ্ঞানলক্ষণা। মনসার ১২টি নাম আছে। এগুলি হল— জরৎকারু, জগদেগৌরি, মনসা, সিদ্ধ যোগিনী, বৈষ্ণবী, নাগ ভগিনী, শৈবী, নাগেশ্বরী, জরৎকারু-প্রিয়া, আস্তিক-মাতা, বিষহরী, মহাজ্ঞানযুতা।

    মনসা পুজোর তাৎপর্য

    বাংলা অঞ্চলেই মনসার পুজো সর্বাধিক জনপ্রিয়। এই অঞ্চলে অনেক মন্দিরেও বিধিপূর্বক মনসার পুজো হয়। বর্ষাকালে যখন সাপের উপদ্রব বৃদ্ধি পায়, তখন মনসার পুজো মহাসমারোহে হয়ে থাকে। নিম্নবর্ণীয় হিন্দুদের কাছে মনসা একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রজনন দেবতা। তাঁরা বিবাহের সময় ও সন্তানকামনায় মনসার পুজো করেন। 

    আষাঢ় মাসের পূর্ণিমার পর যে পঞ্চমী তিথি (শ্রাবণ) তাকে নাগপঞ্চমী বলে। নাগপঞ্চমীতে উঠানে সিজ গাছ স্থাপন করে মনসা পুজো করা হয়। ভাদ্রমাসের কৃষ্ণা পঞ্চমী পর্যন্ত পুজো করার বিধান আছে। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে একমাস যাবত্‍ পুজো করা হয়। শুধুমাত্র শেষ দিনে পুরোহিত দ্বারা পুজো করা হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে পুরো শ্রাবণ মাস মনসা পুজো হয়। পুজো উপলক্ষে হয় পালাগান ‘সয়লা’। এই পালার বিষয় হল — পদ্মপুরাণ বা মনসামঙ্গল। সারা রাত ধরে গায়ক দোয়ারপি -সহ পালা আকারে ‘সয়লা’ গান গায়। পুরুলিয়ায় মনসা পুজোয় হাঁস বলি দেওয়া হয়। রাঢ়বঙ্গ বাঁকুড়ায় জ্যেষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে দশহরা ব্রত পালন করে মনসা পুজো করা হয়। তখন এখানে ঘুড়ি ওড়ানো হয়।

    মনসা পুজার অঙ্গ হল অরন্ধন। রাঢ়ে চৈতন্য দেবের সময়ে মনসাকে মা দূর্গার এক রূপ মনে করা হত। তাই কোনও কোনও জায়গায় পুজোয় বলি দেওয়া হত। আজও অনেক পুজোয় পাঁঠা বলি হয়।

    ২০২২ সালের মনসা পুজোর দিন-তারিখ

    মা মনসা পুজো পড়েছে শ্রাবণ মাসের শেষ দিন অর্থাৎ, বুধবার ১৭ অগাস্ট।

    মনসা পুজোর উপকরণ:

    সিঁদুর, ঘট, মনসা গাছ বা তাহার ডাল, পুজোর শাড়ি ১, মধুপর্কের বাটি ১, দুধ, মধু, ঘৃত, দধি, তিল, হরিতকি, পুষ্প, দূর্বা, তুলসী, বিল্বপত্র, ধূপ, দীপ, বড় নৈবেদ্য ১, অষ্টনাগের নৈবেদ্য ৮, কুচা নৈবেদ্য ১, উচ্ছে, ফল।

     

  • Bihar Cabinet: নব কলেবরে নীতীশ মন্ত্রিসভা, আরজেডি পেল কোন কোন দফতর?  

    Bihar Cabinet: নব কলেবরে নীতীশ মন্ত্রিসভা, আরজেডি পেল কোন কোন দফতর?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহ আগে বিহারে (Bihar) শপথ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী। সপ্তাহ পার হতে সম্প্রসারিত হল বিহারের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)  মন্ত্রিসভা। এদিন সব মিলিয়ে শপথ নিলেন ৩১ জন মন্ত্রী (Minister)।

    এনডিএ (NDA) জোট ছিন্ন করে বেরিয়ে আসে জনতা দল ইউনাইটেড (JDU)। মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। এর পরেই কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডির (RJD) সঙ্গে জোট বেঁধে মহাজোট গঠনের কথা ঘোষণা করা হয় জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে। সেই মতো গত মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তার পর এদিন সম্প্রসারিত হল নীতীশ মন্ত্রিসভা।

    আরও পড়ুন :নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    এদিন রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের কাছে শপথ নেন ৩১ জন মন্ত্রী। জানা গিয়েছে, তাঁদের সিংহভাগই আরজেডির। মহাজোটের মোট ৩০ জন বিধায়ক ঠাঁই পেয়েছেন বিহারের নয়া মন্ত্রিসভায়। এর মধ্যে আরজেডি পেয়েছে ১৬টি দফতর। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ১১টি দফতর। কংগ্রেসের দুই বিধায়ক, জিতিন রাম মাঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার এক বিধায়ক এবং একমাত্র নির্দল বিধায়ক সুমিত কুমার সিং-ও শপথ নিয়েছেন। নীতীশ তাঁর দলের বিজয়কুমার চৌধুরী, অশোক চৌধুরী, সঞ্জয় ঝা, মদন সাহনি, জয়ন্ত রাজ, শীলা মণ্ডল, বিজেন্দ্র যাদব, শ্রাবণ কুমার, সুনীর কুমার ও জামা খান সহ তাঁর দলের বেশিরভাগ মন্ত্রীদের নয়া মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিয়েছেন। এদিন আরজেডির যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন তেজ প্রতাপ যাদব, সুরেন্দ্র যাদব, ললিত যাদব, কুমার সর্বজিৎ, সুরেন্দ্র রাম, শাহনওয়াজ আলম, সমীর মহাশেঠ, ভারত মণ্ডল, অনিতা দেবী ও সুধাকর সিং। কংগ্রেসের আফাক আলম, মুরারি লাল গৌতমকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার সন্তোষ সুমনও শপথ নিয়েছেন এদিন। বিহারের মন্ত্রিসভায় মুখ্যমন্ত্রী সহ মোট মন্ত্রীর জায়গা হতে পারে ৩৬ জনের। ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের কথা মাথায় রেখে কিছু দফতর খালি রাখা হবে। ২৪ অগাস্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারে নীতিশ সরকার।

    জানা গিয়েছে, নীতীশের হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র, প্রশাসনিক, ক্যাবিনেট সচিবালয় ও নির্বাচন দফতর।  তেজস্বীর হাতে থাকছে— স্বাস্থ্য, রাস্তা নির্মাণ, নগরোন্নয়ন, হাউসিং ও গ্রামোন্নয়ন। তেজস্বীর দাদা, তেজ প্রতাপ যাদব পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন দফতরের দায়িত্ব। বিজয় কুমার চৌধুরীর হাতে গিয়েছে অর্থ, বাণিজ্যিক রাজস্ব ও সংসদ বিষয়ক দফতর। বিজেন্দ্র যাদব পেয়েছেন শক্তি, প্ল্যানিং ও ডেভেলপমেন্ট।

    আরও পড়ুন : পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

     

  • SSC SCAM & PARTHA: পার্থর ফোনে মিলল ৩০ হাজার মেসেজ, ইডির মতে, মহাসচিব ‘রসিক’ লোক

    SSC SCAM & PARTHA: পার্থর ফোনে মিলল ৩০ হাজার মেসেজ, ইডির মতে, মহাসচিব ‘রসিক’ লোক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এসএসসি কাণ্ডের তদন্তে নেমে একের পর এক পর্দা ফাঁস হচ্ছে বলে ইডি-সিবিআইয়ের দাবি। নাকতলার বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে প্রাক্তন শিল্প মন্ত্রীর মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সেই ফোনের ভিতরে ঢুকে কার্যত বহু রহস্য কিনারার সূত্র মিলেছে। পার্থবাবুর ফোন থেকে প্রায় ৩০ হাজার মেসেজ পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্রেই শিক্ষা দফতরের কেলেঙ্কারির একাধিক নতুন দিক পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সিবিআই-ইডিকে কলকাতা হাইকোর্ট শুধুমাত্র নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তভার দিয়েছে। ফলে শিক্ষা দফতরের বাকি বিষয় তদন্তকারীরা আপাতত দূরে সরিয়ে রাখছেন। তবে বাহারি মেসেজ দেখে তাঁরা মানছেন, পার্থবাবু একজন রসিক ব্যক্তি।

    ইডি-সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের দাবি, পার্থবাবুর ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া প্রতিটি মেসেজ পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তাতে প্রাথমিকভাবে বোঝা যাচ্ছে,যতবারই শিক্ষা দফতরে নিয়োগ হয়েছে পার্থবাবুর কাছে দলের বিধায়ক, সাংসদ, নেতাদের ভূরি ভূরি সুপারিশ জমা পড়ত। একশোর বেশি বিধায়কের সুপারিশ তালিকা প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রীর ফোনে রয়েছে। ইডি সেগুলি মিলিয়ে দেখবে কোন কোন নেতার কতগুলি সুপারিশ মেনে চাকরি দেওয়া হয়েছে। চাকরি প্রাপকেরার সত্যিই পরীক্ষা দিয়ে নিজেদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে, নাকি টাকার বিনিময়ে চাকরি মিলেছে তাদের। সেই কারণেই প্রাথমিকে নিয়োগ পাওয়া সমস্ত শিক্ষকের নথি সিবিআইয়ের কাছে জমা করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর। তদন্তকারীদের দাবি, শুধুমাত্র দলীয় বিধায়ক-সাংসদ নয় বেশ কয়েকজন বিরোধী দলের নেতার সুপারিশের মেসেজও মিলেছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও ডাকা হতে পারে।

    ‘টাকা মাটি মাটি টাকা’! সেলে পার্থর হাতে কথামৃত! ফিরবে চৈতন্য?

    নিয়োগ দুর্নীতি ছাড়াও ৩০ হাজার মেসেজের পাহাড় থেকে তৃণমূল সরকারের প্রায় প্রতিটি দফতরের নানা অনিয়মের ইঙ্গিতও মিলেছে। দলের মহাসচিব থাকাকালীন বিভিন্ন দফতরের নানাবিধ তথ্যও তাঁর কাছে আসত। সে সব দেখেও অবাক তদন্ততকারীরা। তবে কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআইয়ের হাতে কেবলমাত্র নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তাদেশ দিয়েছে। ফলে শুধুমাত্র সে বিষয়েই নিজেদের আপাতত সীমাবদ্ধ রাখছেন তদন্তকারীরা।

    তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফরেনসিক পরীক্ষার পর উদ্ধার হওয়া বার্তাগুলির বিশ্লেষণ বেশ বড় কাজ। প্রতিটি বার্তার কোডিং করতে হবে। জানা যাচ্ছে, ইডি হেফাজতে তদন্তে বিশেষ সহযোগিতা করেননি পার্থবাবু। এই অসহযোগিতায় এসএসসি তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে। কারণ তথ্য-নথি তদন্তকারীদের হাতে যে ভাবে প্রতিদিনই এসে পৌঁছচ্ছে তাতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।

    এসএসসি দুর্নীতি মামলায় শান্তিপ্রসাদ সিন্‌হা ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

    পার্থবাবুর ফোনের মেসেজের বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, মহাসচিব একজন রসিক মানুষ। তা হলে কি অর্পিতার মতো আরও কয়েকজন পরিচিতাকে নিয়ে যে সব তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সে দিকেই ইঙ্গিত করছেন তদন্তকারীরা। মুচকি হাসা ছাড়া কোনও জবাব নেই তাঁদের মুখে।   

      

LinkedIn
Share