Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • CJI U U Lalit: দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন উদয় উমেশ ললিত, জানেন তিনি কে?

    CJI U U Lalit: দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন উদয় উমেশ ললিত, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রধান বিচারপতি (Cheif Justice of India) পদের দায়িত্ব নিতে চলেছেন উদয় উমেশ ললিত (Uday Umesh Lalit)। দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁকে নিযুক্ত করতে চলেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। ভারতের দ্বিতীয় বিচার বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: উত্তরসূরির নাম সুপারিশ করলেন এনভি রমানা, কে হবেন প্রধান বিচারপতি?     

    উদয় উমেশ ললিত মুম্বইয়ের ল কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৮৫ সাল অবধি তিনি বোম্বে হাইকোর্টে প্র্যাক্টিশ করতেন। ১৯৮৬ সালে দিল্লিতে পাড়ি দেন তিনি। ১৯৮৬-১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল সোলি জে সোবারজির সঙ্গে কর্মরত ছিলেন। আগামী ২৭ অগস্ট তিনি শপথ গ্রহণ করবেন বলে সূত্রের খবর। ৬৪ বছর বয়সী জাস্টিস ললিতের জীবনে বেশ কিছু ঐতিহাসিক রায় রয়েছে।   
     
    প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা তাঁর নাম সুপারিশ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বরই অবসরগ্রহণ করতে পারেন জাস্টিস ললিত। অত্যন্ত কম সময়ের জন্য় তিনি এই পদে বসছেন। জাস্টিস ললিত দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন যিনি সরাসরি বার থেকে শীর্ষ আদালতের শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন। এর আগে ভারতের ১৩তম প্রধান বিচারপতি জাস্টিস এসএম সিকরি সরাসরি শীর্ষ আদালতের বেঞ্চে বসেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: বিচারালয় শুধুমাত্র সংবিধানের কাছেই দায়বদ্ধ, মন্তব্য দেশের মুখ্যবিচারপতির

    ২০১৪ সালের ১৩ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন জাস্টিস ললিত। তার সময়কালে একের পর এক দৃষ্টান্তমূলক রায় দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল তিন তালাক প্রত্যাহার এবং তিন তালাককে ‘অকার্যকর’, ‘অবৈধ’ এবং ‘অসাংবিধানিক’ ঘোষণা করা। ২০১৯ সালে রাজনৈতিভাবে সংবেদনশীল বাবরি মসজিদ মামলার শুনানি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেছিলেন তিনি। তাঁর আর এক দৃষ্টান্তমূলক রায় হল পক্সো আইনের আওতায় ‘স্কিন টু স্কিন’ থিওরি বাতিল। হাইকোর্ট বলেছিল নিপীড়িতের সঙ্গে অভিযুক্তের সরাসরি ত্বকের যোগাযোগ না হলে অভিযুক্ত  দোষী সাব্যস্থ হবে না। এই রায় বাতিল করে ললিত বলেন যৌন আক্রমণের ক্ষেত্রে ত্বকের সঙ্গে ত্বকের যোগাযোগের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যৌন অভিপ্রায়। টু জি স্পেকট্রাম মামলায় সিবিআই-এর পক্ষে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত করা হয়েছিল।   

    আইনজীবী হিসেবে একাধিক হাই প্রোফাইল মামলায় যুক্ত ছিলেন বিচারপতি ললিত। দেশের প্রাক্তন সেনা প্রধান ভিকে সিংহ, পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ, সলমন খানের হয়ে মামলা লড়েছেন তিনি। দেশের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হয়েও সোহরাবউদ্দিন শেখ এবং তুলসিরাম প্রজাপতি হত্যা মামলায় সওয়াল করেন জাস্টিস ললিত। 

  • FIFA suspends AIFF: এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রাত্য কেরলের মহিলা ফুটবল দল! প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    FIFA suspends AIFF: এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রাত্য কেরলের মহিলা ফুটবল দল! প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশার ফানুস উড়িয়ে উজবেকিস্তানে পৌঁছেছিল গোকুলাম কেরল এফসি মহিলা ফুটবল (Gokulam Kerala Women’s Team) দল। তাদের লক্ষ্য ছিল তাসখন্দ আয়োজিত এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে ভালো পারফরম্যান্স মেলে ধরা। কিন্তু ফিফার (FIFA) নির্বাসনের জেরে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে গোকুলামের মহিলা দলটিকে। স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার। সোমবার ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) কে অনির্দিষ্ট কালের জন্য নির্বাসিত করছে ফিফা। তার ফলে ফিফা কিংবা অন্য কোনও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে না ভারত। শুধু তাই নয়, ভারতের কোনও ক্লাব দেশের বাইরে খেলতে পারবে না। তাই তাসখন্দ পৌঁছেও এএফসি (AFC) টুর্নামেন্টে না খেলেই ফিরতে হচ্ছে গোকুলামের মহিলা দলটিকে। স্বভাবতই হতাশ তারা।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ফুটবলকে নির্বাসনে পাঠাল ফিফা, কী হবে সুনীল ছেত্রীদের ভবিষ্যৎ?

    কঠিন সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) হস্তক্ষেপ দাবি করেছে গোকুলাম এফসি। মাইক্রো ব্লগিং সাইটে পিএমও কে ট্যাগ করে একটি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে গোকুলাম লিখেছে, “দ্রুত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন যাতে আমরা এই টুর্নামেন্টে খেলতে পারি।” গোকুলাম কেরল এএফসির মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অশোক কুমার জানিয়েছেন, “গত ১৬ অগাস্ট কোঝিকর থেকে আমরা তাসখন্দ পৌঁছাই। পরে জানতে পারি, সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নির্বাসিত করেছে ফিফা। নির্বাসনের জেরে ভারতীয় কোনও ক্লাব বিদেশে কোনও টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে না। যা আমাদের কাছে খুব হতাশার। আমরা টুর্নামেন্টে খেলতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর দফতরে চিঠিতে লিখে আমরা আবেদন জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের হস্তক্ষেপে উঠতে পারে ফিফার নির্বাসন! জানুন কী বলল শীর্ষ আদালত

    গোকুলামের ২৩ জন মহিলা ফুটবলার এখন উজবেকিস্তানের রাজধানীতে রয়েছেন। আগামী ২৬ অগাস্ট টুর্নামেন্টে শুরু হওয়ার কথা। সেখানে ইরানের ক্লাব বাম খাতুন এফসি ছিল গোকুলামের প্রতিপক্ষ। কিন্তু ফিফার নির্দেশ পাওয়ার পরেই এএফসি জানিয়ে দেয়, ভারতীয় ক্লাবটি খেলতে পারবে না। উল্লেখ্য, দীর্ঘ দিন ধরে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন হয়নি। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রশাসক কমিটি নিযুক্ত হয়েছিল। ফেডারেশনের নির্বাচন করার দায়িত্ব তাদের হাতেই। কিন্তু ফিফার বক্তব্য, কোনও দেশের ফুটবল সংসস্থার উপর তৃতীয় পক্ষ হস্তক্ষেপ করলে সেটা মানা হবে না। সেই মতোই ব্যাবস্থা নিয়েছে ফিফা। এখন দেখার জল কতদূর গড়ায়।

  • Salman Rushdie: ‘রুশদি বেঁচে আছে শুনে অবাক হয়েছিলাম’, বিস্ফোরক মন্তব্য হামলাকারী হাদি মাতারের

    Salman Rushdie: ‘রুশদি বেঁচে আছে শুনে অবাক হয়েছিলাম’, বিস্ফোরক মন্তব্য হামলাকারী হাদি মাতারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সলমন রুশদির (Salman Rushdie) ভয়াবহ হামলার পরও কীভাবে এখনও বেঁচে আছেন তিনি? এমনটাই প্রশ্ন করতে শোনা গেল তাঁর হামলাকারী হাদি মাতারকে (Hadi Matar)। নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাদি বলেন,  ‘রুশদি বেঁচে আছে শুনেই আশ্চর্য হয়েছিলাম’।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট নিউইয়র্কের (New York) শতকা ইনস্টিটিউশনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে মঞ্চে উঠেছিলেন সলমন রুশদি। সেখানে  আচমকাই এক ব্যক্তি ছুরি নিয়ে তাঁর দিকে ধেয়ে আসে। সোজা রুশদির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এলোপাথাড়ি ১০-১২ বার ছুরি দিয়ে কোপ মারে লেখককে। মঞ্চেই লুটিয়ে পড়েন লেখক। প্রাথমিক চিকিৎসার পরই তাঁকে এয়ারলিফ্ট করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এরপর হামলাকারীকে পুলিশের হাতে তুলে দেন অনুষ্ঠানের আয়োজকরা। জানা গিয়েছিল, অভিযুক্তের নাম হাদি মাতার (Hadi Matar)। বয়স ২৪ বছর। হাদির বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ভাল আছেন রুশদি, এবার প্রাণে মারার হুমকি হ্যারি পটারের স্রষ্টাকে

    এরপরই জেলবন্দি হাদি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এমন মন্তব্য় করে। শুধু তাই নয়, মাতার যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত রুশদিকে পছন্দ করেন না, সে বিষয়েও বলে। মাতার বলে, ‘‘আমি রুশদিকে পছন্দ করি না। আমি মনে করি না যে, তিনি খুব একটা ভাল মানুষ।“ মাতার রুশদির লেখা উপন্যাসের কথা এনে জানিয়েছেন, তিনি এই উপন্যাসের কিছু পাতা পড়েছেন, এরপরই তার ভালো লাগেনি। উনি এর মাধ্যমে ইসলাম ধর্মকে আক্রমণ করেছেন ও ইসলাম ধর্মের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন।   

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর উপন্যাস ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ (‘The Satanic Verses’)। এর জন্যে বহুদিন ধরেই তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ইসলাম ধর্মকে অসম্মান করার জন্য তাঁর নামে ফতোয়া জারি করেন ইরানের তৎকালীন নেতা আয়াতোল্লাহ রুহোল্লা খোমেইনি (Ayatollah Ruhollah Khomeini)। মাতার এদিন এও জানিয়েছে যে সে খোমেইনির ফতোয়া দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাজটি করেনি। তবে সে বলে, “আমি আয়াতোল্লাহকে সম্মান করি। আমার মতে, উনি একজন অসাধারণ মানুষ। এই বিষয়ে আমি এতটাই বলতে পারি।” শুক্রবার হাদি মাতারকে আদালতে হাজির করা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক পোস্ট।

    সলমন রুশদির অবস্থা স্থিতিশীল। তবে একটি চোখ হারাতে পারেন এই বুকারজয়ী সাহিত্যিক। এছাড়া তাঁর স্নায়ু এবং লিভার গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে রুশদিকে ভেন্টিলেটর থেকে বের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন৷

  • IB Ministry: ভারত বিরোধী প্রচার, ৮ ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল কেন্দ্র, একটি পাকিস্তানের 

    IB Ministry: ভারত বিরোধী প্রচার, ৮ ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল কেন্দ্র, একটি পাকিস্তানের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিরোধী কন্টেন্ট প্রচারের জন্যে ৮ টি ইউটিউব চ্যানেল (Youtube Channel) বন্ধ (Block) করল ভারত সরকার (Indian Government) ৷ বৃহস্পতিবার তথ্য় ও সম্প্রচার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয় ৮ টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করছে ভারত সরকার ৷ এর মধ্যে ৭টি ভারতের, একটি পাকিস্তানের (Pakistan)৷ কেন্দ্রের দাবি, ওই সমস্ত চ্যানেলের মাধ্যমে ভুয়ো এবং ভারত বিরোধী কনটেন্ট প্রচার করে টাকা রোজগার করেছেন ভিডিও নির্মাতারা ৷ এদের লক্ষ্য ভারতে বিভিন্ন ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ৷ তাই ২০২১-এর তথ্যপ্রযুক্তি আইন অনুযায়ী এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিকে ব্লক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক (Ministry of Information and Broadcasting)৷  

    আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    মন্ত্রক তাদের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি প্রেস বিবৃতি পোস্ট করেছে ৷ সেখানে লেখা রয়েছে, “ভুয়ো তথ্য তুলে ধরে এই চ্যানেলগুলি ভারতে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়াচ্ছিল। যেমন, ভারত সরকার কিছু ধর্মীয় নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে, ধর্মীয় উৎসব পালন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভারতে ধর্ম নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ভুয়ো এবং উত্তেজনামূলক থাম্বনেল বানিয়ে, খবরের চ্যানেলের প্রতীকীচিহ্ন এবং সঞ্চালকদের ছবি দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয় দর্শকদের।” ব্লক করা ইউটিউব চ্যানেলগুলির সব মিলিয়ে ভিউয়ারের সংখ্যা ১১৪ কোটিরও বেশি এবং মোট সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৮৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে ৷

    নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছে…   

    এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে প্রচারিত ভিডিয়োয় বেশ কিছু মিথ্যে দাবি করা হয় ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের মতে এই ধরনের কন্টেন্ট দেশের আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে যেকোনও মুহূর্তে ৷ চ্যানেগুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও নানা ভুয়ো খবর প্রচার করা হত বলে জানা গিয়েছে ৷ দেশের নিরাপত্তার দিক দিয়ে সম্পূর্ণরূপে মিথ্যে এবং স্পর্শকাতর এই খবরগুলি অন্য দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে ৷

    যে আটটি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করানো হয়েছে, সেগুলিতে মূলত খবর দেখানো হত। এর মধ্যে অন্যতম হল – ‘সব কুছ দেখো’। ওই চ্যানেলের গ্রাহক সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৪০ হাজার প্রায়। তাদের ভিডিও দেখেছেন ৩৩ কোটির বেশি মানুষ। তালিকায় রয়েছে ‘লোকতন্ত্র টিভি’ও। তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও ব্লক করানো হয়েছে। এ ছাড়াও ব্লক করানো হয়েছে ‘ইউ অ্যান্ড ভি টিভি’, ‘এএম রিজভি’, ‘গৌরবশালী পবন মিথিলাঞ্চল’, ‘সি টপ ফিফথ’ এবং ‘সরকারি আপডেট’ চ্যানেল। পাকিস্তানের যে চ্যানেলটিকে ব্লক করা হয়েছে, তার নাম ‘নিউজ কি দুনিয়া’। এই চ্যানেলগুলিতে কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের আচরণ কেমন, তা নিয়েও ভিডিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। 

    এর আগে, এ বছরই এপ্রিল মাসে ১৬টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করে কেন্দ্র। সেবার ১০টি ভারতীয় এবং ৬টি পাকিস্তানি চ্য়ানেল ব্লক করানো হয়।  

     

  • Ranbir-Alia: গর্ভবতী আলিয়ার ওজন বৃদ্ধি নিয়ে বিরক্তিকর মন্তব্য করলেন রণবীর, ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা

    Ranbir-Alia: গর্ভবতী আলিয়ার ওজন বৃদ্ধি নিয়ে বিরক্তিকর মন্তব্য করলেন রণবীর, ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে হঠাৎ নেটিজেনরা বেশ বিরক্ত হয়ে আছেন রণবীর কাপুরের (Ranbir Kapoor) ওপর। যে রণবীরের জন্য লক্ষ লক্ষ অনুরাগী, তাঁর ওপর কেন রেগে আছেন নেটিজেনরা, এই নিয়ে বিশাল শোরগেোল পড়ে গিয়েছে। কেন নেটিজেনরা ক্ষুব্ধ, তা নিয়ে অনেকের মনে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গিয়েছে রণবীর তাঁর সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী আলিয়াকে নিয়ে কিছু বিরক্তিকর কমেন্ট করেছেন তাও আবার অন-এয়ার। তবে অনেকে এই খবর বিশ্বাস করতেই পারছে না।

    আসলে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে আলিয়া ভাটের (Alia Bhatt) ওজন বৃদ্ধি নিয়ে ‘অবিবেচক’ মন্তব্য করার জন্য রণবীর কাপুরকে নিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে। আলিয়া জুন মাসে রণবীরের সঙ্গে একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সুখবর দিয়েছিলেন। তারপর থেকেই তাঁদের অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। বিয়ের কয়েক মাসের মাথায় গর্ভবতী হওয়াতেও তাঁকে শুনতে হয়েছিল কটুক্তি। আর এবার রণবীরের মন্তব্যকে ঘিরে আবার সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মা হতে চলেছেন আলিয়া! নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলেন সুখবর..

    বড়পর্দায় এই প্রথমবারের জন্য তাঁরা একসঙ্গে আসতে চলেছে ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবিতে। আর এই সিনেমা প্রচারের সময় রণবীর আলিয়ার গর্ভবতী পেটের দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন এবং তাঁর ওজন বৃদ্ধির বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন। সেই সঙ্গে আলিয়াকে বডি-শেমিং করায় একে ‘অরুচিকর’ বলে উল্লেখ করেন নেটিজেনরা। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রণবীর-আলিয়া সিনেমার প্রচারের জন্য আলোচনা করছিলেন, তখনই রণবীর জানান, তাঁরা ছবির জন্য ব্যাপক প্রচার করছেন না। কিন্তু আলিয়া এতে বলেন, ছবির ব্যাপক প্রচার করা করবে, এটিই তাঁদের এখন মেন ফোকাস, সিনেমা কে সর্বত্র প্রসারিত করা। আর তখনই রণবীর আলিয়ার পেটের দিকে ইশারা করে বলেন, “আমি দেখতে পাচ্ছি অন্য একজনও প্রসারিত হচ্ছে।“  এরপর এই বক্তব্যে আলিয়া হতবাক হলে রণবীর হেসে বলে এটি ‘জোক’ ছিল।

    [insta]https://www.instagram.com/tv/ChZZficlv3q/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    আর এরই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নেটিজেনরা নানা কথা কমেন্টে লিখেছেন। কেউ বলেছেন “এটি খুবই দুঃখজনক।” অন্য একজন বলেছেন, “এটি মোটেও মজার ছিল না।” একজন অনুরাগী এটিকে ‘জঘন্য রসিকতা’ বলেছেন, অন্য একজন বলেছেন, “আলিয়ার আরও ভালো  কিছু প্রাপ্য ছিল।” একজন ফ্যান আরও লিখেছেন, “একজন গর্ভবতী মহিলাকে এমন বলাটা জঘন্য রসিকতা ছিল।” একজন  বলেছিলেন, “এটি অস্বস্তিকর।”

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আলিয়া এবং রণবীর ১৪ এপ্রিল, ২০২২-এ মুম্বইতে বিয়ে করেছিলেন। তাঁরা সম্প্রতি ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির গান ‘ডান্স কা ভূত’-এর একটি টিজার প্রকাশ করেছেন। বহু প্রতীক্ষিত ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবিটি ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে৷ এতে অমিতাভ বচ্চন, নাগার্জুন এবং মৌনি রায়, প্রমুখরাও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন।

  • Suvendu Adhikari on TMC: তৃণমূল পার্টিটা আর ছ’মাসও টিকবে না, ডেডলাইন শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari on TMC: তৃণমূল পার্টিটা আর ছ’মাসও টিকবে না, ডেডলাইন শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) পার্টিটা আর ছ মাসও টিকবে না। এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘আগামী ছ মাসের মধ্যে সামনে আসবে নতুন তৃণমূল’ লেখা পোস্টারে ছয়লাপ শহর। সেই প্রেক্ষিতেই একথা বলেন শুভেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় সংবাদ মাধ্যমকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ইডি (ED) এবং সিবিআই (CBI) তাদের কাজ করছে। তৃণমূল পার্টিটা আর ছ মাসও টিকবে না। ডিসেম্বরই তাদের ডেডলাইন।

    কলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে টাঙানো হয়েছে একাধিক হোর্ডিং। যার কোনওটায় লেখা, ‘আগামী ছ মাসের মধ্যে সামনে আসবে নতুন তৃণমূল’। কোনওটায় আবার লেখা, ‘চলুন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হোন’। কোনও কোনওটায় আবার লেখা হয়েছে, ‘ঠিক যেমন সাধারণ মানুষ চায়’। তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য এই হোর্ডিং টাঙানোর কথা অস্বীকার করেছে। তবে হোর্ডিং নিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে বিঁধতে ছাড়েননি শুভেন্দু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, কয়লা থেকে গরু কোনও কিছু থেকে তোলাবাজি বাদ রাখেনি তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে যখন একের পর এক নেতা মন্ত্রী বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, তখন তা থেকে দলকে বাঁচাতেই নয়া তৃণমূলের কৌশল নিয়েছে ‘তোলামূল’ পার্টি। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ইডি যেভাবে তদন্তের গতি বড়িয়েছে, তাতে তৃণমূল দলটাই ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাংলা থেকে মুছে যাবে।

    আরও পড়ুন : “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    এদিন দিঘায় সৈকত নগরে দিঘা তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নেন শুভেন্দু। সেখানেই তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। এর আগে ১২ অগাস্ট নন্দীগ্রামে হর ঘর তিরঙ্গা বাইক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। পুলিশি বাধায় ওই কর্মসূচি আর পালন করা যায়নি। ওই ঘটনায়ও শুভেন্দু দুষছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেছিলেন, হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি কোনও রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় সমাবেশ কিংবা জন সমাবেশ নয়। আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই ওই কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্দেশ দেয় শুভেন্দু অধিকারিকে কোনও প্রচার করতে না দিতে।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

     

  • Asteroid: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিমানের চেয়ে তিনগুণ বড় গ্রহাণু! আছড়ে পড়বে কি? কী বলছেন নাসা-র বিজ্ঞানীরা

    Asteroid: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিমানের চেয়ে তিনগুণ বড় গ্রহাণু! আছড়ে পড়বে কি? কী বলছেন নাসা-র বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রহাণু (Asteroid) পৃথিবীর (Earth) দিকে এগিয়ে আসছে, এমন ঘটনা প্রায়ই শোনা যায়। আর বিগত কয়েক মাসে প্রতিনিয়তই এই ঘটনাগুলো ঘটে চলেছে মহাকাশে। এবারও আবার একটি বিশালাকৃতির গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। ৯২ ফুট চওড়া গ্রহাণুটি অনেকটা বিমানের আকারের তিনগুণ বড়। এই গ্রহাণুটির নাম ‘২০২০ কিউডব্লিউ৩’ (2020 QW3)।

    অগাস্টের প্রায় কয়েকটি দিন মহাকাশ গবেষকরা চিন্তায় ছিলেন। কারণ বিগত কয়েকদিনে কমপক্ষে ৫টি গ্রহাণু অত্যন্ত কাছ দিয়ে পৃথিবীকে অতিক্রম করছে। এই গ্রহাণুগুলির মধ্যে অন্তত তিনটি বিশালাকার, যা মহাকাশ গবেষকদের মতে ‘উদ্বেগজনক’ ছিল। কারণ এগুলো পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা খেলেই অনেক বড় দুর্ঘটনা হতে পারত। তবে নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এবারের গ্রহাণুটি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসবে না, পাশ দিয়ে চলে যাবে। ফলে এতে পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে গগণচুম্বী গ্রহাণু! আজই সবচেয়ে কাছে, কী হবে পৃথিবীর

    নাসার (NASA) মতে ‘২০২০ কিউডব্লিউ৩’ গ্রহাণুটি ২২ আগাস্ট, সকাল ৬টা ৪১ মিনিটে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসবে ও পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ঘেঁষে চলে যাবে। এর গতিবেগ প্রতি ঘন্টায় ৬৪৮০০ কিমি এবং ২২ অগাস্ট সকালের দিকে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের ৩৩ লক্ষ কিলোমিটারের কাছাকাছি চলে আসবে। নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণুটি আগের গ্রহাণুগুলো থেকে আলাদা। কারণ এটি অ্যাপোলো গ্রুপের গ্রহাণু নয়, এগুলো আমোর গ্রুপের। সুতরাং এই গ্রহাণুটি সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে। নাসা তরফে জানানো হয়েছে, যদিও এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক নয়,কারণ এটি পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এটি পৃথিবীর খুব পাশ দিয়ে উড়ে যাবে, তাই যে কোনও মুহূর্তে যে কোনও বিপদ ঘটতে পারে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পৃথিবীকে গ্রহাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে নাসা এক মিশনের ওপর কাজ করছে। এই মিশনের নাম ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট (Double Asteroid Redirection Test – DART)। এতে নাসার পাঠানো মহাকাশযান গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটাবে। যাতে সেই গ্রহাণুর দিক পরিবর্তন হয়। এই মিশনের প্রধান লক্ষ্যই হল গ্রহাণুর দিক পরিবর্তন করানো। প্রায় ২৩ হাজার কিলোমিটার বেগে এটি গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করানো হবে। তবে নাসার এই মিশন সফল হয় কিনা সেটিই এখন দেখার।

  • SC on Freebies: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Freebies: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির (Freebies) তুলনায় ভোটাররা (Voters) মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করতেই বেশি পছন্দ করেন। একশো দিনের কাজ প্রকল্প সহ বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজের মাধ্যমেই ভোটাররা রোজগার করতে পছন্দ করেন। বুধবার একথাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    ক্ষমতায় আসতে প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির (Election Freebies) বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Modi)। বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশের শীর্ষ আদালতও। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সম্প্রতি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া এক বিষয় নয়। বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন ওই মামলায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত ওই বেঞ্চ জানায়, নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, এমন উদাহরণও রয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি মনে করি না ভোটাররা নিখরচায় নানা পরিষেবা পেতে চান। সুযোগ পেলে তাঁরা সম্মানজনকভাবে রোজগার করতেই চাইবেন। যেমন একশো দিনের কাজ। এই প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকায় সম্পদও সৃষ্টি হবে। তাই আমি বিশ্বাস করি না যে নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোনও ফল দেয়। এর পরেই তিনি বলেন, নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছেন অনেক রাজনৈতিক দল, এমন উদাহরণও রয়েছে।

    আরও পড়ুন : ভোটারদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    আদালত জানায়, তাদের প্রাথমিক বিবেচ্য বিষয় হল, জনগণের টাকা ঠিকঠাক খরচ হচ্ছে কিনা। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে যা খরচ করা হয়, তা আদতে জনগণেরই টাকা। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দিনের শেষে নিখরচায় কোনও আহার জুটবে না। এদিন আরও একবার প্রধান বিচারপতি মনে করিয়ে দেন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সঙ্গে নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

  • Anubrata treatment fiasco: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

    Anubrata treatment fiasco: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এসএসকেএম হাসপাতাল ফিরিয়ে দিয়েছে। তারপরেও কেন অনুব্রত মণ্ডলের(Anubrata) চিকিৎসার জন্য  সরকারি ডাক্তাররা তাঁর বাড়ি গেলেন তা নিয়ে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর কাছে জবাব তলব করল স্বাস্থ্য ভবন। সূত্রের খবর, রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা মঙ্গলবারই ফোন করে হাসপাতাল সুপারকে ধমক দেন। তারপরেই তড়িঘড়ি অবস্থান বদলে চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী সংবাদমাধ্যমে জানিয়ে দেন, চাপের মুখে বাধ্য হয়ে তিনি অনুব্রতর বাড়ি গিয়েছিলেন। এর থেকে স্পষ্ট রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তর এবার কেষ্ট মণ্ডলকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। তাই সরকারি চিকিৎসকদের তাঁর চিকিৎসা না করার ফরমান জারি করে দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

    ফের তলব এড়ালেন অনুব্রত, এবার কোন পথে হাঁটবে সিবিআই?

    সরকারি সূত্রের খবর, বীরভূম জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়িও স্বাস্থ্য ভবনকে জানিয়ে দেন বোলপুর হাসপাতালের সুপার যে অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার পাঠাচ্ছেন তা তাঁর জানা ছিল না। তাঁকে পুরো প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, জেলার স্বাস্থ্য কর্তারা না জানলেও জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ এক কর্তা এবং এক পুলিশ অফিসার এ নিয়ে অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তাঁরাই বোলপুরের সুপারকে কেষ্টর বাড়িতে ডাক্তার পাঠিয়ে আনফিট সার্টিফিকেট দিতে বলেছিলেন। এখন স্বাস্থ্য ভবন বেঁকে বসায় তাঁরাও আর দায় নিচ্ছেন না।

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, পিজি হাসপাতাল কেষ্টকে ভর্তি না করার পরই বোঝা উচিৎ ছিল সরকার আর ওই ব্যক্তির চিকিৎসা নিয়ে জড়াতে চায় না। তারপরও সরকারি ডাক্তাররা তাঁর বাড়িতে গিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করায় রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চস্তর থেকে বিরক্তি প্রকাশ করা হয়। ঘটনাচক্রে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই স্বাস্থ্য অধিকর্তা বোলপুরের সুপারকে ধমক দিয়ে আর কোনও চিকিৎসা না করার পরামর্শ দেন। কেন ওই ডাক্তারকে পাঠানো হয়েছিল তাও সবার সামনে জানিয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

    গরু পাচার মামলায় সিবিআই চার্জশিটে কাদের নাম?

    স্বাস্থ্য ভবনের এমন অবস্থানে প্রমাদ গুনতে শুরু করেছেন জেলা তৃণমূলের নেতারা। যে কর্তা হাসপাতাল সুপারকে ফোন করে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনিও নবান্নে নানা ব্যাখ্যা পাঠিয়েছেন। তৃণমূল নেতারা বুঝতে পারছেন যে কেষ্টর মাথায় অক্সিজেন পৌঁছানো নিয়ে রাজ্যের সর্বময়কত্রীর চিন্তার শেষ ছিল না, তিনিই এখন অনুব্রতর পশ্চাৎদেশের অসুখেও গা করছেন না। তৃণমূল নেতারা আড়ালে বলছেন,  পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের(parta chatterjee) পর অনুব্রত মণ্ডলের দায়ও দল ঝেড়ে ফেলল। এখন হাজতবাস ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

  • Anand Sharma: দুটো নামে সীমাবদ্ধ নয় কংগ্রেস! জানেন গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে কি বললেন আনন্দ শর্মা

    Anand Sharma: দুটো নামে সীমাবদ্ধ নয় কংগ্রেস! জানেন গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে কি বললেন আনন্দ শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গান্ধী পরিবারই কংগ্রেস (Congress) নয়। এর বাইরেও ভাবতে হবে কংগ্রেসকে, স্টিয়ারিং কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা আনন্দ শর্মা (Anand Sharma)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি বারবার কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্র নিয়ে সমালোচনা করেছেন। এবার কংগ্রেসের অন্দরেই সেই বিরোধ দেখা দিল।

    আনন্দ শর্মা বলেন, “গান্ধী পরিবারের বাইরেও ভাবা উচিত কংগ্রেসের। বিশেষত, এখন যখন দলের জাতীয় সভাপতি হতে অস্বীকার করেছেন রাহুল গান্ধী, সেখানে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিকল্প মুখ ভাবা উচিত”। ১৯৭৮ সালে ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে হাতে গোনা কয়েকজন নেতার জন্যই টিকে ছিল কংগ্রেস, এমনটাই দাবি করেন তিনি। বিক্ষুব্ধ নেতা বলেন, “আমার মতো কয়েকজনই সেই সময় থেকে দলকে টিকিয়ে রেখেছে…এই দল আমাদের সবার।” দলের শীর্ষ পদ শুধুমাত্র সনিয়া গান্ধী বা রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয় বলেই জানান বিক্ষুব্ধ এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। এর সপক্ষে তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, “কংগ্রেস কী দুটি নামেই সীমাবদ্ধ? আমরা কী কংগ্রেসের ইতিহাস ভুলে যাচ্ছি না?”

    আরও পড়ুন: সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    সামনে হিমাচলপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আনন্দ শর্মাকে হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেসের স্টিয়ারিং কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ সেই পদ ছেড়ে দিলেন প্রবীণ নেতা। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) চিঠি লিখে আনন্দ জানিয়েছেন, নিজের আত্মসম্মানের সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করতে রাজি নন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে পদ ছাড়লেও হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচারপর্ব চালিয়ে যাবেন বলেই জানিয়েছেন আনন্দ।

    আরও পড়ুন: ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়

    দিন কয়েক আগে একইভাবে জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসের প্রচার কমিটির চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছিলেন গুলাম নবি আজাদ (Ghulam Nabi Azad)। এবার আজাদের পথই ধরলেন আনন্দ। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা কপিল সিব্বল দলত্যাগ করেছেন। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে রাজ্যসভায় মনোনীত হয়েছেন তিনি। আনন্দ শর্মা সিব্বলের বেশ ঘনিষ্ঠ। সিব্বল যে বিক্ষুব্ধ জি-২৩ গ্রুপের সদস্য ছিলেন, গুলাম নবি আজাদ এবং আনন্দ শর্মাও সেই গ্রুপেরই অংশ ছিলেন। 

LinkedIn
Share