Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • CBI summoned Anubrata:  ‘দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই   

    CBI summoned Anubrata: ‘দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ টান টান কেষ্ট! দিদি তাঁর ফোন ধরছেন না। সিবিআইয়ের (CBI) ডাক এসেছে। যে দিদি তাঁকে দেখলেই বুঝে যেতেন মাথায় অক্সিজেন(Oxygen) পর্যাপ্ত নাকি কম, সেই দিদিই(DIDI) কেষ্টর বাঁশির আওয়াজ শুনতে পাচ্ছেন না। ফলে নিদ্রাহীন নিশিযাপন করছেন বীরভূমের ‘ঢাকবাদক’ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)।

    তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামীকাল সোমবার গরু পাচার মামলায় ফের কেষ্টকে তলব করেছে সিবিআই। নিজাম প্যালেসে(NIZAM palace) হাজির হয়ে তাঁকে জবাব দিতে হবে তদন্তকারী সংস্থার নানা প্রশ্নের। অনুব্রতের দেহরক্ষী এখন আসানসোল জেলে। তাঁর ১০০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি মিলেছে। গরু, কয়লা, বালি, পাথর পাচারের বেআইনি কারবারের নানা তথ্য সিবিআই, ইডির সংগ্রহে এসেছে। তাতেই বীরভূমের তোলাবাজির মূলপাণ্ডা হিসাবে নাম উঠে এসেছে কেষ্ট মণ্ডলের। তদন্তকারীদের হাতে এসেছে অকাট্য প্রমাণ। ফলে ডাক এসেছে সিবিআইয়ের।

    সূত্রের খবর, গত ৫ অগষ্ট সাঁইথিয়াতে এক জনসভায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu) ঘোষণা করে দিয়েছেন, মোটা পার্থর সঙ্গে এবার জেলে যাবেন মোটা কেষ্ট। বিরোধী দলনেতার এই ঘোষণার পরেই তৃণমূল শিবিরে হইহই পড়ে গিয়েছে। সাঁইথিয়ার সভার দিনেই সিবিআইয়ের এক আধিকারিক বোলপুরে নীচুপট্টির বাড়ি গিয়ে ফের হাজিরার নোটিস ধরিয়েছেন।

    ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    তৃণমূল সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের নোটিস (CBI Notice) পেয়ে সে দিনই পেট খারাপ হয় ঢাকবাদকের। বার বার ফোনে ধরার চেষ্টা করেন তাঁর দিদিকে। কিন্তু দিদি কেষ্টর ফোন ধরেননি। ঘনিষ্ঠ মহলে এ নিয়ে আক্ষেপও করেছেন কেষ্ট। জানিয়েছেন, এত দিনের লড়াইয়ের সঙ্গী আমি। বিপদে পড়েছি যখন, তখন দিদি আর ফোন ধরছেন না। তবে সিবিআইয়ের সামনে আর যেতে চান না অনুব্রত। তিনি সোমবারই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে চান। তৃণমূলের এক নেতা মুচকি হেসে জানান, কেষ্টটার অবস্থা সঙ্গীন। তিনি সিবিআই দফতরে যাওয়ার চাইতে তাঁর যে কোষে পুঁজ জমেছিল, সেখানে আবার পুঁজ জমার প্রার্থনা করছেন। এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে আবার ভর্তি হতে চলেছেন তিনি।

    গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    তৃণমূলের অনেকেই মনে করছেন, কেষ্টর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, টুলু মণ্ডল, কেরিম খানের কাছ থেকে তল্লাশি চালিয়ে যে সব নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে তাতে বীরভূমের কেষ্ট, তাঁর মৃত স্ত্রী এবং কন্যার নামে কয়েকশো কোটি টাকার সম্পত্তি কোথা থেকে হয়েছে, তা জানাতে হবে। সেই পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে চাইছেন তিনি। নিজের অ্যারেস্ট মেমোয় পরমাত্মীয় বলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম-টেলিফোন নম্বর লিখে দিয়েছিলেন সদ্য প্রাক্তন শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই পার্থবাবুকে ঝেড়ে ফেলতে খুব বেশি সময় নেয়নি তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীও নিজের দায় এড়িয়ে গিয়েছেন। এ বার কেষ্টর পালা? তাই কি কেষ্টর ফোন আর ধরছেন না তাঁর দিদি।  

     

  • Rajnath Singh: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। পরীক্ষাও দিয়েছিলেন। কিন্তু পারিবারিক অসুবিধার কারণে শেষ পর্যন্ত আর সেনায় যোগ দেওয়া হয়ে ওঠেনি। শুক্রবার মণিপুরের লেইমাখোংয়ে সেনার ৫৭ নম্বর মাউন্টেন ডিভিশন এবং অসম রাইফেলসের একটি যৌথ কর্মসূচিতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    এদিন নিজের জীবনের এক অজানা অধ্যায় তুলে ধরেন রাজনাথ। তিনি বলেন, বরাবরই সেনাবাহিনীর উর্দি তাঁকে আকর্ষণ করে। এক বার সেনার শর্ট সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। লিখিত পরীক্ষাও দিয়েছিলাম। কিন্তু, পারিবারিক কিছু পরিস্থিতি এবং আমার বাবার মৃত্যুর কারণে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারিনি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায়, “আপনারা দেখবেন, কোনও শিশুকে সেনাবাহিনীর উর্দি দিলেই তার ব্যক্তিত্ব বদলে যায়। এই উর্দির একটা ক্যারিশমা আছে।”

    প্রসঙ্গত, ছাত্রাবস্থা থেকে সক্রিয় রাজনীতি করা রাজনাথ পেশাগত ভাবে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের একটি কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক। সেনাদের কাজ যে কোনও পেশা ও পরিষেবার থেকে আলাদা বলেও দাবি করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা নিজেদের মতো করে দেশের জন্য অবদান রাখেন। তবে, আমি মনে করি আপনাদের পেশা যে কোনও পেশার এবং পরিষেবার থেকেও বেশি কিছু।” 

    আরও পড়ুন: সরকার গঠন সহজ কিন্তু দেশ গঠন…! জানুন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    দুদিনের সফরে মণিপুরে এসেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন তিনি অসম রাইফেলসের (দক্ষিণ) ইন্সপেক্টর জেনারেলের সদর দফতর পরিদর্শনে আসেন। তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ পান্ডে। অসম রাইফেলসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বহু মানুষকে মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে প্রধান ভূমিকা নিয়েছে অসম রাইফেলস। তাই যথার্থই এই বাহিনী উত্তর-পূর্ব ভারতের ‘সেন্টিনেল’।

  • BJP on Rohingya Issue: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    BJP on Rohingya Issue: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক এবং এই ইস্যুতে কোনও রকম আপস করবে না মোদি সরকার (Modi Govt.)। বুধবার সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। শরণার্থী রোহিঙ্গাদের (Rohingya) দিল্লিতে (Delhi) ফ্ল্যাট দেওয়ার সিধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার – এমন একটি খবরকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তার পরেই এ ব্যাপারে অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় পদ্ম শিবির।

    সম্প্রতি এক ট্যুইটবার্তায় কেন্দ্রীয় হাউজিং অ্যান্ড আরবান ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী (Hardeep Singh Puri) লিখেছিলেন, ভারত বরাবরই এ দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য তৈরি করা ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের সাধারণ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং দিল্লি পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য থাকবে। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লিখেছিলেন, যাঁরা ভারতের শরণার্থী নীতিকে সিএএ-র সঙ্গে জুড়ে বিরোধিতা করে নিজেদের কেরিয়ার তৈরি করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এহেন ঘোষণায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। তারপর বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানান, মিডিয়ার একাংশ যেভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের কেন্দ্রের তরফে সুবিধা দেওয়ার কথা প্রচার করছে, তা ঠিক নয়। মন্ত্রকের তরফে এমন কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    এদিন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়াও বলেন, রোহিঙ্গারা দেশের সুরক্ষার পক্ষে বিপজ্জনক। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জাতীয় সুরক্ষাকে দূরে ঠেলে, এনিয়ে রাজনীতি করছেন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে কিছু খবর বেরিয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। জনতাকে ভুল পথে চালিত করতেই এসব করা হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছে। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ নিয়ে কোনওরকম আপস করতে রাজি নয় মোদি সরকার। এদিকে, প্রবল চাপের মুখে পড়ে পিছু হঠেছেন মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী স্বয়ং। বুধবার ফের এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন : রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন দিতে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি, সাফ জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

     

     

  • Vice President Elections: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    Vice President Elections: উপরাষ্ট্রপতি পদে জয়ী জগদীপ ধনখড়, জানেন তিনি কত ভোট পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা মতোই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Vice Presidential Elections) পদে জয়ী হলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল এনডিএর (NDA) প্রার্থী  বিজেপির (BJP) জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বিপুল ব্যবধানে তিনি হারালেন বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে (Margaret Alva)। ৭২৫টি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে যেখানে ধনখড় পেয়েছেন ৫২৮ ভোট, সেখানে বিরোধী প্রার্থীর ঘরে পড়েছে মাত্র ১৮২ ভোট। প্রদত্ত ভোটের ৭২.৮২% ভোট পেয়ে জিতলেন জগদীপ ধনখড়। 

    পেশায় আইনজীবী ধনখড়ের জন্ম ১৯৫১ সালের ১৮ মে, রাজস্থানের ঝুনঝুন জেলার কিথানায়। স্কুলের পাঠ শেষে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৭৮-৭৯ সালে রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাশ করেন ধনখড়। আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন রাজস্থান হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিস করেন তিনি। পরে আসেন রাজনীতিতে। ১৯৮৯ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুন লোকসভায় জনতা দলের প্রার্থী হন ধনখড়। জয়ীও হন। তার পরের বছরই হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ পর্যন্ত তিনি ছিলেন রাজস্থানের কিষণগড়ের বিধায়ক। ২০০৩ সালে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পথে এগিয়ে ধনখড়, কেন জানেন?

    এর পর থেকে রাজনীতির পাশাপাশি চলতে থাকে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিসও। ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে শপথ নেন ধনখড়। তার পর থেকে বারবার সংবাদের শিরোনামে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয় এনডিএ। নাম ঘোষণা হতেই রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ করেন ধনখড়। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে এখন তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারী।

    এদিন সকালে ভোট শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ অন্যরা। ভোটে অংশ নেয়নি তৃণমূল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মুহূর্তে দিল্লিতে থাকা সত্ত্বেও এদিন ভোটদানে বিরত ছিল তৃণমূল। যা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। যদিও, দলের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিনের ভোটগ্রহণে অংশ নিয়েছিলেন, যা সমান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    এদিকে, ধনখড়ের জয়ে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে। ধনখড়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। অন্যদিকে বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভার হারে শোকের ছায়া বিরোধী শিবিরে।

    আরও পড়ুন : সুপ্রিম কোর্টে বরাদ্দ চেম্বার ছাড়লেন জগদীপ ধনখড়, কেন জানেন?

  • Andre Russell: লক্ষ্য দেশের হয়ে দুটো বিশ্বকাপ! জানেন কী বললেন কেকেআর তারকা আন্দ্রে রাসেল

    Andre Russell: লক্ষ্য দেশের হয়ে দুটো বিশ্বকাপ! জানেন কী বললেন কেকেআর তারকা আন্দ্রে রাসেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলতে চান। জিততে চান বিশ্বকাপ। দেশের জার্সিতেই শতরান সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি দেয় জানালেন ক্যারিবিয়ান তারকা ক্রিকেটার আন্দ্রে রাসেল। দেশের হয়ে শেষ ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই খেলেছিলেন তিনি। তারপর আর খয়েরি-হলুদ জার্সি গায়ে বাইশ গজে নামা হয়নি রাসেলের। সম্প্রতি জাতীয় দলের কোচ ফিল সিমন্সের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে রাসেলের জাতীয় দলে ফেরা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দেয়। তবে সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে আইপিএলে কলকাতার হয়ে খেলা তারকা অলরাউন্ডার রাসেল নিজেই জানিয়ে দেন, জাতীয় দলে ফেরার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি।  

    সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান কোচ ফিল সিমন্স বলেছিলেন, “দেশের হয়ে খেলার জন্য আমি দ্বারে দ্বারে গিয়ে সকলকে বলতে পারব না”। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সম্পর্কে বলতে গিয়ে এভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন সিমন্স। আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইনের মতো যাঁরা দেশের হয়ে না খেলে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলে বেড়ান, মূলত তাঁদের দিকেই ইঙ্গিত করে এ কথা বলেছিলেন কোচ। তবে, কোচের কথার জবাব দিতে খুব বেশি দেরি করেননি রাসেল।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার লিখেছিলেন, ‘জানতাম এ রকম কিছুই আসবে, তবে আমি চুপ থাকব।’ তার এই কথার পাশে ছিল রাগের চারটি ইমোজি। পরে অবশ্য সেই পোস্ট মুছে ফেলেন রাসেল। পোস্ট মুছে ফেললেও কোচের সঙ্গে মনোমালিন্যের গুঞ্জন মাথাচাড়া দিচ্ছিল। তার মধ্যেই রাসেলের এই কথা, ফের বিতর্ক উসকে দিল। 

    আরও পড়ুন: এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রাত্য কেরলের মহিলা ফুটবল দল! প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    রাসেল এখন খেলছেন ইংল্যান্ডের ‘দ্য হানড্রেড’-এ। সেখানেই একটি ম্যাচের আগে ধারাভাষ্যকার ড্যারেন স্যামির সঙ্গে কথা বতে গিয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেন রাসেল। তিনি বলেন, “অহেতুক সমালোচনা করা হচ্ছে। আমাদের মধ্যে একটি পরিষ্কার আলোচনা হয়েছিল। তারপরও এ ধরনের কথা। তবে, আমি চুপই থাকব, ড্যারেন।”

    ২০১২ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্যামির নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বসেরার খেতাব জিতেছিল। সে দুই বিশ্বকাপেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুরত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন রাসেল। প্রাক্তন অধিনায়ককে রাসেল মনের কথা বলেন। তিনি জানান, “এমন নয় যে আমাকে নতুন করে শুরু করতে হবে। বয়স ৩৪ হয়ে গেছে, আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে অন্তত আরও একটি কিংবা দুটি বিশ্বকাপ জিততে চাই।”

  • Anubrata and ED-CBI: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে?

    Anubrata and ED-CBI: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে?

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ অনুব্রত মণ্ডল, সায়গল হোসেন কিংবা টুলু মণ্ডলই নয় বীরভূমের গরু, কয়লা, পাথর-বালির কারবারে যুক্ত আরও নয় ব্যক্তির সন্ধান পেয়েছে ইডি-সিবিআই। সেই ‘নবগ্রহ’-র মাধ্যমেই হাজার হাজার কোটি টাকা গত কয়েক বছরে বীরভূম থেকে লুট হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানতে পেরেছে। এঁদের মাধ্যমেই যে তৃণমূল নেতাদের টাকা বিভিন্ন স্থানে বিনিয়োগ হয়েছে তাও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সায়গল গ্রেফতার হওয়া এবং টুলুর বাড়িতে তল্লাশি অভিযানের পর ওই নবগ্রহের অনেকেই এখন গা ঢাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ ঝাড়খণ্ডে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু ইডি-সিবিআইয়ের হাতে তাঁদের যাবতীয় তথ্য চলে এসেছে। এক এক করে তাঁদের তদন্ত প্রক্রিয়ায় সামিল করে গরু, কয়লা, বালি, পাথরের সিন্ডিকেট সাম্রাজ্যে আঘাত হানা হবে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে।

    কলকাতার পিজি হাসপাতাল অনুব্রতর চিকিৎসা করতে রাজি হয়নি। তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে সরকার। অতীতে সিবিআই-ইডির হাত থেকে বাঁচতে তৃণমূল নেতারা এসএসকেএমেই ঢুকে পড়তেন। নতুন ঘটনাক্রমে সিবিআইয়ের কাছে যেতেই হবে কেষ্টকে। তার পরেই বীরভূমের নবগ্রহের পালা।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, পাচারের কারবারে পরোক্ষ যোগ পাওয়া গিয়েছে স্থানীয় এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের। তিনিই বীরভূমের চার মক্কেলের (সবচেয়ে প্রভাবশালী ৪ তৃণমূল নেতা) সমস্ত লগ্নির হদিশ জানেন। নানা ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে জমিজমা থেকে বিভিন্ন ব্যবসায় কীভাবে তৃণমূল নেতাদের লুটের টাকা কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তাও জানা রয়েছে ওই ব্যক্তির। তদন্তকারীর সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে কয়েকবার ডেকে পাঠিয়েছে। তদন্তে আরও সহযোগিতা না করলে তাঁকেই তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে আসতে চায় ইডি-সিবিআই (ED-CBI)।

    দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই

    হিসাবপরীক্ষক ছাড়া বাকি আটজনই অবশ্য সাধারণ ব্যবসায়ী বা দালাল গোত্রের ব্যক্তি। কিন্তু গত সাত-আট বছরে তারা সকলেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। সিবিআই-ইডির তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, সিউড়ি শহরের পুলিশ সুপারের অফিসের কাছাকাছি স্থানে বসবাসকারী এক ব্যক্তি ইদানীং বালি-পাথর-কয়লার ডাক মাস্টার হিসাবে কাজ করছেন। বালি এবং পাথর ব্যবসায়ীদের থেকে টাকা তুলে তিনিই এখন তৃণমূল নেতাদের ঘরে পৌঁছে দিয়ে আসছেন। এই চক্রে সাঁইথিয়াতেও মিলেছে এক অভিষেকের সন্ধান। কে এই নতুন অভিষেক, তাও নজরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এছাড়া আরও দুই ‘মণ্ডল’ বীরভূমের বালি-পাথরের কারবারে সক্রিয় রয়েছেন। এঁদের কাছেই খাটছে বীরভূমের বিভিন্নস্তরের তৃণমূল নেতাদের কোটি কোটি টাকা। এক ‘বোস’ এবং এক  ‘রাজ’-র সন্ধানও তদন্তকারীরা পেয়েছেন। এছাড়াও আছেন দুমকার এক ‘পাঠক’ এবং এক ‘তিওয়ারি’।

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, বীরভূমের তৃণমূল নেতাদের লুট, কাটমানি, তোলাবাজির অধিকাংশ টাকা এই নবগ্রহের কাছেই গচ্ছিত রয়েছে। ফলে তদন্ত প্রক্রিয়ায় এঁরা সহযোগিতা করে নেতাদের টাকার হদিস দিলে ভাল, নইলে বীরভূমের লুটের টাকা ও সম্পত্তি উদ্ধারের অভিযানে আরও বড় জাল নিয়ে নামতে চলেছে ইডি-সিবিআই।

    পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে উত্তর বীরভূমের এক জনপ্রতিনিধি ইতিমধ্যেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে খবর। তিনি নিজেও বালি-পাথরের কারবারে রয়েছেন। প্রয়োজন হলে তিনি জোড়াফুল ছেড়ে পদ্মফুল ধরতে প্রস্তুত বলে বার্তা পাঠাতে শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও বিজেপি দুর্নীতিতে যুক্ত কোনও নেতা-নেত্রীকে স্থান দেবে না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে।    

  • Independence day at Raj Bhavan: স্থায়ী রাজ্যপাল নেই, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে রাজভবনের অ্যাট-হোম কি বাতিল?

    Independence day at Raj Bhavan: স্থায়ী রাজ্যপাল নেই, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে রাজভবনের অ্যাট-হোম কি বাতিল?

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়(jagdeep dhankhar) হয়ে গিয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি। রাজ্যভবনের স্থায়ী মালিকানা নেই কারও হাতে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাধীনতার ৭৫ বছরে এবার রাজভবনে ১৫ অগস্ট কি আনুষ্ঠানিক চা-চক্র বা অ্যাট হোম(AT HOME)-র আসর বসবে না? নাকি অমৃত মহোৎসব পালনের আগেই রাজ্যে চলে আসতে পারেন নতুন রাজ্যপাল। এই দুই সম্ভাবনার মাঝেই রাজভবন সরকারি আমন্ত্রণ পত্র ছাপতে পারছে না।কারণ, রাজ্যপাল ছাড়া কখনও অ্যাট হোমের অনুষ্ঠান হতে পারে না। তিনিই সেই চা-চক্রের আসরের মূল হোতা। ফলে স্বাধীনতার ৭৫ বছরে কলকাতা রাজভবনে চা-চক্র বসবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    রাজভবনের এক কর্তার কথায়, আমরা এখনও আমন্ত্রণ পত্র ছাপাতে পারিনি। কাউকে সরকারিভাবে জানাতেও পারছি না। যদি নতুন রাজ্যপাল আসেন তা হলে তিনিই অনুষ্ঠানের মধ্যমণি হবেন। মনিপুরের রাজ্যপাল লা গণেশন সেদিন ইম্ফল ছেড়ে কলকাতা আসতে পারবেন এমন নিশ্চয়তা নেই। ফলে জটিলতা বেড়েই চলেছে।

    সরকারি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির ডাকা আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের বৈঠকে যোগ দিতে রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত রাজ্যপাল লা গণেশন দিল্লি গিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের স্বাধীনতার উৎসব সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট তিনিই প্রধানমন্ত্রীর সামনে পেশ করেন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রোতা ছিলেন মাত্র। দিল্লি থেকে গণেশন (Ganeshan) মনিপুর ফিরে গিয়েছেন। তিনি আজ মঙ্গলবার কলকাতা ফিরতে পারেন। তারপরই ঠিক হবে আদৌ ৭৫ বছরের স্বাধীনতা দিবসে অ্যাট হোম অনুষ্ঠান হবে কি না।

    কৃষক-পুত্র জগদীপ ধনখড়কে শুভেচ্ছা নরেন্দ্র মোদি সহ অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের

    রাজভবন সূত্রের দাবি, গণেশন মনিপুরের রাজ্যপাল। এখানে তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে রয়েছেন।ফলে ইম্ফলের রাজভবনের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান এবং চা-চক্রে তাঁকে হাজির হতেই হবে। আবার রাজ্যপাল ছাড়া এই অনুষ্ঠান হয় না। ফলে তিনি কলকাতায় থাকবেন কি করে?

    গত দুবছর কোভিডের কারণে অবশ্য এই অনুষ্ঠান হয়নি। গণেশন সকালে মনিপুরের অনুষ্ঠান করে বিকালে কলকাতায় এসে চা-চক্রে যোগ দিতে পারেন। আবার করোনার প্রকোপ যে ভাবে বাড়ছে সেই কারণে অনুষ্ঠান বাতিলও হতে পারে।

    বিরোধীদের তোপ দাগলেন ‘হেরো’ মার্গারেট আলভা, কী বললেন জানেন?

    সর্বোপরি ১৫ অগস্টের মধ্যে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ হয়ে গেলে সব সমস্যার সমাধানই হয়ে যেতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কে হবেন, তা নিয়ে চর্চা অব্যাহত। প্রশাসনিক মহলে দিল্লি পুলিশের সদ্য প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্তানার নাম নিয়েও কানাঘুঁষো চলছে। তবে জগদীপ ধনখড়ের ফেলে আসা পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারবেন, এমন কারও খোঁজ চলছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ তাই একপ্রকার অসম্ভব। ফলে স্বাধীনতার ৭৫ বছরে রাজভবনের চা-চক্র এখন অনিশ্চয়তার সুতোয় ঝুলছে। 

  • Jaishankar On Russian Oil: দেশবাসীর সুবিধাই আগে! জানুন রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে কী মত বিদেশমন্ত্রীর

    Jaishankar On Russian Oil: দেশবাসীর সুবিধাই আগে! জানুন রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে কী মত বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া (Russia)-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) আবহে পুতিনের দেশ থেকে সস্তায় অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) কিনছে ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) নিষেধাজ্ঞা (Sanction) সত্ত্বেও কেন ভারতের এই পদক্ষেপ, তার ব্যাখ্যা দিলেন বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শংকর (External Affairs Minister S Jaishankar)। পাশাপাশি জানিয়ে দিলেন, রক্ষণাত্মক নয়, দেশের মানুষের স্বার্থে যাবতীয় যে কোনওরকম পদক্ষেপ গ্রহন করতে রাজি নয়াদিল্লি। তাই কোনও রকম চাপের কাছে নতি স্বীকার করে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সম্ভাবনা নেই। তাঁর কথায়, জ্বালানির উচ্চ দাম কমানোর জন্য় সব দেশই চেষ্টা করবে। ভারতও সেই কাজই করছে।

    ভারত-থাইল্যান্ড যুগ্ম কমিশনের (India-Thailand Joint Commission) নবম বৈঠকে যোগ দিতে ব্যাঙ্কক সফরে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishankar)। মঙ্গলবার সেখানে অনাবাসী ভারতীয়দের একটি অনুষ্ঠানে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের (Indo-US Relations) বিষয় নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। রাশিয়া (Russia) থেকে সস্তায় তেল কেনার বিষয়টি নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে জয়শংকর (S Jaishankar) বলেন, “একবার সততার সঙ্গে কোনও বিষয় বলা হলে সেটা শেষপর্যন্ত প্রতিষ্ঠা পায়। প্রথমে সবাই হয় তো প্রশংসা করবে না। কিন্তু তার জন্য চালাকির আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

    আরও পড়ুন: কোচিন শিপইয়ার্ডের হাত ধরে প্রাণ পেল হুগলি ডক! কী হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন এই ডকইয়ার্ডে?

    বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, ভারতের জনগণ উচ্চ জ্বালানির দাম সইতে পারবে না। তাই সেই কষ্ট লাঘব করতে রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তিনি জানিয়েছেন, ভারত প্রথম থেকেই নিজের জায়গা ও ক্ষমতা সম্পর্কে পরিষ্কার ছিল। তিনি এদিন আরও বলেন, “এ দেশে মাথা পিছু আয় ২ হাজার ডলার। এখানে অনেক মানুষেরই উচ্চ হারে জ্বালানি কেনার ক্ষমতা নেই। এটা আমার নৈতিক দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা যে আমি তাঁদের জন্য শ্রেষ্ঠ জিনিসটাই করব।” তবে ভারতের এই পদক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) সঙ্গে সম্পর্কে কোনও প্রভাব ফেলবে না বলে দাবি বিদেশমন্ত্রীর। তিনি বলেন, “ভারতের সমস্যার বিষয়টি বোঝে আমেরিকা। তাই ভারতকে নিয়ে চলতে সমস্যা হচ্ছে না তাঁদের।” 

  • Maharashtra Cabinet: সম্প্রসারিত হল শিন্ডে মন্ত্রিসভা, কে কে হলেন মন্ত্রী? 

    Maharashtra Cabinet: সম্প্রসারিত হল শিন্ডে মন্ত্রিসভা, কে কে হলেন মন্ত্রী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন চল্লিশ দিন আগে। মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রী এই দুজনই চালাচ্ছিলেন সরকার। শেষমেশ মঙ্গলবার সম্প্রসারিত হল একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) মন্ত্রিসভার। এদিন ১৮ জন মন্ত্রীকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে শিন্ডের মন্ত্রিসভায়। সব মিলিয়ে মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়াল ২০। এদিন রাজভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল বিএস কোশিয়ারি (BS Koshyari )।

    মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপি সঙ্গ ধরতে চেয়েছিলেন শিবসেনা বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে শিন্ডের। তার পরেই শুরু হয় একপ্রস্ত নাটক। অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসামে উড়ে যান শিন্ডে। চেষ্টা করেও সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন না বুঝে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন শিন্ডে। ‘কিং মেকার’ বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ হন উপমুখ্যমন্ত্রী। তার পর থেকে গত চল্লিশ দিন ধরে সরকার চালাচ্ছিলেন তাঁরাই। এদিন রাজভবনে শপথ নেন নয়া মন্ত্রীরা। এদিন যাঁরা শিন্ডে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন, তাঁরা হলেন বিজেপির চন্দ্রকান্ত পাতিল, গিরিশ মহাজন, সুরেশ খাড়ে, রাধাকৃষ্ণ ভিখে পাটিল, অতুল সাভে, মঙ্গলপ্রভাত লোধা, রবীন্দ্র চৌহান, সুধীর মুঙ্গানতিওয়ার ও বিজয় কুমার গাভিট।

    আরও পড়ুন :শিবসেনা কার? উদ্ধব, শিন্ডেকে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    এঁদের মধ্যে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের মন্ত্রিসভায় ছিলেন একমাত্র চন্দ্রকান্ত পাতিল। আর শিবসেনার তরফে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন, দাদা ভুসে, শম্ভুরাজে দেশাই, সন্দীপন ভুমরে, উদয় সামন্ত, তানাজি সাওয়ন্ত, দীপক কেসারকর, আবদুল সাত্তার, গুলবো পাতিল এবং সঞ্জয় রাঠৌর। এঁদের মধ্যে উদয় সামন্ত, গুলবো পাতিল, দাদা ভুসে, সন্দীপন ভুমরে, শম্ভুরাজে দেশাই উদ্ধব ঠাকরে মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। এদিন নতুন মন্ত্রীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রিসভায় যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের সাফল্য কামনা করি। এই টিমের প্রশাসনিক দক্ষতা রয়েছে, রয়েছে সুশাসন দেওয়ার ইচ্ছাও। রাজ্যবাসীর সেবা করার জন্য তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।

  • Skylight: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কতটা সক্রিয়? খতিয়ে দেখল সেনা

    Skylight: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কতটা সক্রিয়? খতিয়ে দেখল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উপগ্রহ ব্যবস্থা কতটা সক্রিয় সম্প্রতি তার মহড়া দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। আগামী দিনে কখনও কোন সংঘাত হলে দেশের উপগ্রহ সংযোগ (Satelite System) কতটা সহনশীল তা পরখ করে দেখা হয়েছে এই মহড়াতে। আর্মির এই স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন অ্যাসেটকে ২৫ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত কার্যকরী করা হয়েছিল। তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয়েছে স্কাইলাইট। তবে সুরক্ষার জন্য গোটা ব্যবস্থাটিতে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় মতিলাল ভোরার যোগের স্বপক্ষে প্রমাণ পায়নি ইডি!

    বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, রাশিয়া, ইউক্রেন সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে শিক্ষা নিচ্ছে একাধিক দেশের সেনাবাহিনী। চিনের সঙ্গে যে উত্তরের সীমান্ত রয়েছে সেটাও উদ্বেগের একটি বিষয়। সেকারণে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনা বাহিনী। মূলত ভূগঠনগত একটি সমস্যা ওই সীমান্তে থেকেই গিয়েছে। যে কোনও সময়ে চিন বা পাকিস্তানেক সঙ্গে যুদ্ধ লাগতে পারে। তাই তখন যাতে দেশকে কোনও বিপদে পড়তে না হয়, তাই আগে থেকে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সেনার মধ্যে গোপন বৈঠক! আকাশসীমা লঙ্ঘন নিয়ে আলোচনা

    মূলত সেনার অন্দরে এরোস্পেস টেকনোলজি কতটা রয়েছে সেটাও দেখা হয়। আধিকারিকদের মতে, সেনার হাতে ইসরোর একাধিক উপগ্রহ, যানবাহনের মাথার উপরে থাকা পোর্টেবল টার্মিনাল, মানুষের দ্বারা বহনকারী টার্মিনাল রয়েছে। এই মহড়া চলাকালীন সমস্ত স্যাটেলাইট ব্যবস্থাকে কার্যকর করা হয়েছিল। ইসরোও এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    সেনা সূত্রের খবর, আগামী দিনে যুদ্ধে স্পেস একটি জটিল জায়গা দখল করবে। আধুনিক প্রযুক্তি এমন দিকে এগোচ্ছে যে মহাকাশ থেকেই নিয়ন্ত্রিত হতে পারে যুদ্ধের গতি।আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সেনা চাইছে নিজের জন্য একটি স্যাটেলাইটের ব্যবস্থা তৈরি করতে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ধরনের উপগ্রহের ব্যবস্থা থাকলে শুধু পদাতিক সেনাদের জন্য নয়, সব জায়গায় এটা সহায়তা করবে।

     

LinkedIn
Share