Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • Akasa Air: অপেক্ষার অবসান, উড়ান শুরু আকাসা এয়ারের

    Akasa Air: অপেক্ষার অবসান, উড়ান শুরু আকাসা এয়ারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। রবিবার যাত্রা শুরু করল রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার (Rakesh Jhunjhunwala) নতুন বিমান সংস্থা ‘আকাসা এয়ার’ (Akasa Air)। রবিবার সকালে মুম্বই-আহমেদাবাদ উড়ানের মধ্যে দিয়ে হল শুভ সূচনা। আকাসা এয়ারের উদ্বোধন করেন অসামরিক বিমানমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

    আরও পড়ুন: আজ থেকেই টিকিট বুকিং শুরু ভারতের নয়া বিমান সংস্থা ‘আকাশা এয়ার’-এর    

    গত ২২ জুলাই থেকেই টিকিটের অগ্রিম বুকিং। আপাতত আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, মুম্বই ও কোচির মধ্যে চলাচল করবে বিমান। পরবর্তীতে পরিষেবা আরও বাড়ানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থা। সংস্থার শীর্ষকর্তা বিনয় দুবে জানিয়েছেন, “আমাদের উড়ান পরিষেবা শুরু হওয়ায় আমরা আনন্দিত।”     

    নতুন এই বিমান সংস্থার আত্মপ্রকাশ হয় গত জুলাই মাসে। প্রকাশ্যে আসে সংস্থার বিমানের ছবি প্রথমবার। প্রাথমিকভাবে শুরুতে জুলাইতেই পরিষেবা চালু হওয়ার কথা ছিল। বিমান পরিচালন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) জানিয়েছিল, আকাসা এয়ারের প্রথম বিমান জুন বা জুলাই মাসে কোম্পানির হাতে আসতে পারে। শেষমেশ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বেশ কয়েকটি পরীক্ষামূলক উড়ানের পরেই যাবতীয় নিয়ম মেনেই এবার শুরু হল বিমান পরিষেবা। 

     

    গত বছরই জানা গিয়েছিল, রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা উড়ান ব্যবসায় আসতে চলেছেন। আগামী ৪ বছরের মধ্যে ৭০টি বিমানের উড়ান শুরু করতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা। এই উড়ান হবে মধ্যবিত্তের হাতের নাগালে। অন্যান্য উড়ানের থেকে এই উড়ান অনেকটাই সস্তা। ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষ যাতে আকাশ পথের সফরকে বেছে নেন, সেটাই এই বিমান সংস্থার লক্ষ্য। 

    গত ৭ জুলাই ডিজিসিএ-র তরফে এয়ার অপারেশন সার্টিফিকেট পায় আকাসা। এরপরেই টিকিট বিক্রি শুরু করে বিমান সংস্থাটি। প্রাথমিক ভাবে মুম্বই-আহেমাদাবাদ এবং বেঙ্গালুরু-কোচি রুটে সাপ্তাহিক ভাবে ২৮টি করে উড়ান চালাবে সংস্থাটি। আগামী ১৩ অগাস্ট, সোমবার বেঙ্গালুরু-কোচি রুটে যাত্রা শুরু হতে চলেছে। এরপর ১৯ অগাস্ট বেঙ্গালুরু ও মুম্বইয়ের মাঝেও বিমান পরিষেবা চালু করতে চলেছে আকাসা। সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ চেন্নাই ও মুম্বইয়ের মধ্যকার রুটে উড়ান চালু করবে আকাসা। 

  • Presidential Election 2022:  জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    Presidential Election 2022: জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী  বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেলেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।  বলা যেতে পারে, এই লড়াইয়ে দ্রৌপদীর জয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কিছুক্ষণ আগেই, প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হয়েছে। আর তাতেই যশবন্তের চেয়ে বিপুল ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী।

    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দ্রৌপদী মুর্মুকে ৫৪০ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ৩,৭৮,০০০। যশবন্ত সিনহাকে ২০৮ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। যশবন্ত সিনহা প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ১,৪৫,৬০০। ১৫টি ভোট অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। দ্রৌপদী মুর্মু ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।  ফলে বলা যেতেই পারে, সম্ভবত বিপুল সমর্থন নিয়েই দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে দ্রৌপদী মুর্মুর জয় কার্যত নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে দেশের দ্বিতীয় মহিলা এবং প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই পদে বসবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ দ্রৌপদী, বলছে ওড়িশার রায়রংপুর

    ওড়িশার অতি সাধারণ ঘর থেকে আসা একটি আদিবাসী পরিবারের মেয়ে তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা ও কষ্টের শিকার হয়েছেন দ্রৌপদী। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী, দুই ছেলে, মা ও ভাই। ২০০৯ সালে, রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে দ্রৌপদী মুর্মুর এক ছেলের। দ্রৌপদীর স্বামী শ্যাম চরাম মুর্মু ২০১৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০১২ সালে এক পথ দুর্ঘটনায় নিজের দ্বিতীয় পুত্রকেও হারান তিনি। দ্রৌপদী মুর্মুর কন্যা ইতিশ্রী মুর্মু একটি ব্যাঙ্কে কাজ করেন।

    ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করার আগে দ্রৌপদী মুর্মু ওড়িশার রায়রংপুরে শ্রী অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে শিক্ষকতা করতেন। এখনও পর্যন্ত দেশে কোনও আদিবাসী মহিলা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হননি। যদিও কেআর নারায়ণন ও রামনাথ কোবিন্দের রূপে দেশ পেয়েছিল ২ জন দলিত রাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুন: ঘরের মেয়ে হতে চলেছেন রাষ্ট্রপতি, উৎসবের মেজাজ দ্রৌপদীর গাঁয়ে

  • Russia Population: ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে বাঁচিয়ে রাখলেই ১৩ লক্ষ টাকা, জনসংখ্যা বাড়াতে মরিয়া পুতিন

    Russia Population: ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে বাঁচিয়ে রাখলেই ১৩ লক্ষ টাকা, জনসংখ্যা বাড়াতে মরিয়া পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই করোনার প্রকোপ, তার ওপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, দেশবাসী হারিয়েছে রাশিয়া (Russia)। জনসংখ্যার সংকটে (Crisis) পড়তে চলেছে পুতিনের দেশ। আর এই সমস্যার সমাধানে প্রস্তাব দিলেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। দেশে জনসংখ্যার (Population) সংকটের মোকাবিলা করতে ১০ বা তার বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য মহিলাদের আর্থিক সাহায্য়ের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। ১০টি শিশুর জন্ম দেওয়া এবং বাঁচিয়ে রাখার জন্য ১ মিলিয়ন রুবেল আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন পুতিন। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা। কিন্তু এর জন্যে বেঁধে দেওয়া হয়েছে একটি শর্ত।

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    কোনও মহিলার দশ নম্বর সন্তানের যখন প্রথম জন্মদিন হবে এবং সে সময় যদি বাকি নয় সন্তান জীবিত থাকে, তবেই সরকারের তরফ থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে জোর দিতে ‘মাদার হিরোইন’ নামে এই বিশেষ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ‘টাইমস রেডিও’তে এই প্রকল্প সম্পর্কে বিশদে জানিয়েছেন রাশিয়ার রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ জেনি ম্যাথার্স।

    জেনি বলেছেন, ‘‘দশ বা তার বেশি সন্তান হলে মহিলাদের জন্য এই পুরষ্কারের চল সোভিয়েত যুগের। একে মাদার হিরোইন বলা হয়। রাশিয়ার জনসংখ্যা সঙ্কট দূর করতেই এই প্রয়াস। বর্তমানে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে এই সঙ্কট আরও প্রবল হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    এই বছরের মার্চ মাস থেকে রাশিয়ায় ফের মাথা চাড়া দিয়েছে করোনা। এর পাশাপাশি ইউক্রেনে ৫০ হাজার জন সৈন্য মারা গিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশকে জনবহুল করতে তাই মরিয়া হয়ে উঠেছেন পুতিন।

    এ বিষয়ে ডাঃ ম্যাথার্স বলেন, পুতিন বলে আসছেন যে যাঁদের বড় পরিবার আছে, তাঁরা বেশি দেশপ্রেমিক।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যাপক হারে জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় ১৯৪৪ সালে এই বিশেষ আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এটি বন্ধ হয়ে যায় সেই পুরষ্কার। জনসংখ্যা বাড়াতে গত ১৬ অগস্ট আবার এই আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছেন পুতিন।

    জানা গিয়েছে, গত কয়েক দশকে রাশিয়ার জনসংখ্যা কমেছে। চলতি বছরের শুরুতে রাশিয়ার জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ৬০ লক্ষ।

    এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে, এই তেরো লক্ষ টাকাতে কী ১০টি সন্তান এই যুগে মানুষ করা  সম্ভব? তাই কতটা কার্যকর হবে রুশ রাষ্ট্রপতির এই পরিকল্পনা তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। 

     

  • PM Modi: বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি 

    PM Modi: বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক শক্তি। এবার খুব শীঘ্রই আমেরিকা (America), ইউনাইটেড কিংডম (United Kingdom) এবং সিঙ্গাপুরের (Singapore) মতো বিশ্বের আর্থিক প্রাণকেন্দ্রগুলির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারতও (India)। শুক্রবার এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন গুজরাটের গান্ধীনগের ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস সেন্টারর্স অথরিটির (International Financial Service Centres Authority) প্রধান কার্যালয়ের শিলান্যাস করেন মোদি। সেখানেই ওই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, এটা একবিংশ শতাব্দী। এখন অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি একে অন্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত। প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং সফট্ওয়্যার ক্ষেত্রে ভারত ব্যাপক দক্ষতা অর্জন করেছে। তাঁর দাবি, গোটা বিশ্বের রিয়েল টাইম ডিজিটাল পেমেন্টের ৪০ শতাংশই হয় ভারতে। এদিন তিনি ইন্টারন্যাশনাল বুলিয়ন এক্সচেঞ্জেরও উদ্বোধন করেন। এনএসই আইএফএসসি-এসডিএক্সের সংযুক্তিকরণও করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বর্তমানে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ রেকর্ড করেছে।

    আরও পড়ুন : ভারতকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছেন মোদি, মত আরএসএস নেতার

    মোদির দাবি, গত আট বছরে ভারতে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন গতি এসেছে। দেশের দরিদ্রতম ব্যক্তিও যুক্ত হচ্ছেন বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। আজ যখন দেশের একটা বিরাট অংশ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তখন সময়ের দাবি হল সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর একযোগে পদক্ষেপ করা। ইদানিং কালে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এজন্য সরকার বিভিন্ন নীতির সংস্কার করেছে। তার জেরেই বেড়েছে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ। প্রসঙ্গত, এদিনই সংসদে সরকারের তরফে পেশ করা তথ্যে জানা গিয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৬ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি এই একই ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের শেয়ারের মূল্য বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়ায় ৭৬-এ। এদিন জিআইএফটি সিটির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা নয়া আবিষ্কারের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। বৃদ্ধির সুযোগের ক্ষেত্রে কাজ করবে অনুঘটকের।    

    আরও পড়ুন : এসসিও-র সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন মোদি-শি জিনপিং, আলোচনা হবে সীমান্ত নিয়ে?

    প্রসঙ্গত, জিআইএফটি সিটিতে উদ্বোধন হল ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস সেন্টারর্স অথরিটির। ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল অথরিটি অ্যাক্টের অধীনে তৈরি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।

     

  • UGC on Free Higher Education: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ! নিখরচায় ২৩,০০০ -এরও বেশি কোর্স করাবে ইউজিসি

    UGC on Free Higher Education: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ! নিখরচায় ২৩,০০০ -এরও বেশি কোর্স করাবে ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষা কোর্স করানোর উদ্যোগ নিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। ইউজিসি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার নিরাপত্তা এবং চাইল্ড কেয়ারসহ ২৩,০০০ টিরও বেশি উচ্চ শিক্ষা কোর্স শুক্রবার থেকে ইউজিসির নতুন ওয়েব পোর্টালে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। পোর্টালটির লক্ষ্য দেশের পড়ুয়াদের মধ্যে ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে অনলাইনের মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০-র দ্বিতীয় বার্ষিকীর অংশ হিসেবে শুক্রবার থেকে পোর্টালটি চালু করা হয়েছে। 

    ইউজিসি তাদের ৭.৫ লক্ষেরও বেশি কমন সার্ভিস সেন্টার (CSC) এবং স্পেশাল পারপাস ভেইকেল (SPV) কেন্দ্রের সঙ্গে এই ই-রিসোর্সকে সংযুক্ত করতে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) সাথে চুক্তি করেছে যাতে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে এই কোর্সগুলির সুবিধা নিতে পারেন পড়ুয়ারা। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতক স্তরে ভর্তির শেষ তারিখ চূড়ান্ত না করার আর্জি ইউজিসির

    বৃহস্পতিবার ইউজিসির চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার এ বিষয়ে বলেন, “সবার উচ্চ শিক্ষাকে নিশ্চিত করতেই এই প্রয়াস। ইংরেজির পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাতেও করানো হবে এই কোর্স। এই পোর্টালটি সেই উদ্যোগেরই অংশ। “

    যে কোর্সগুলি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে সেগুলির মধ্যে রয়েছে ২৩,০০০টি স্নাতকোত্তর কোর্স, ১৩৭টি SWAYAM MOOC কোর্স এবং ২৫টি নন-ইঞ্জিনিয়ারিং SWAYAM কোর্স। ইউজিসি পোর্টাল থেকে এই কোর্সগুলি করলে কোনও ফি দিতে হবে না। তবে CSC/SVP-এর পরিষেবা পাওয়ার জন্য, প্রতিদিন ২০ টাকা বা প্রতি মাসে ৫০০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন এম জগদেশ কুমার।

    আরও পড়ুন: কুয়েট পরীক্ষায় আবেদন ১১ লক্ষ পরীক্ষার্থীর, জানাল ইউজিসি

    এম জগদেশ কুমার আরও বলেন, “মূলত যারা গ্রামীণ এলাকায় থাকে তাঁদের কাছে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেবে এই পোর্টাল। এটি অনেকটাই পিএম কিষাণ, আয়ুষ্মান ভারত, ই-শ্রম, প্যান কার্ড, প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগী মন্ধন যোজনার মতো সরকারি অন্যান্য প্রকল্পগুলির মতো এটাও সরকারের একটি প্রকল্প। 

     

  • Dumdum Airport: কলকাতা বিমানবন্দরের প্রশাসনিক ক্ষমতা সুকান্ত-শুভেন্দুর হাতে দিল কেন্দ্রীয় সরকার

    Dumdum Airport: কলকাতা বিমানবন্দরের প্রশাসনিক ক্ষমতা সুকান্ত-শুভেন্দুর হাতে দিল কেন্দ্রীয় সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ কলকাতা বিমানবন্দরের প্রশাসনিক ক্ষমতা কার্যত দখল করল বিজেপি। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কলকাতা বিমানবন্দর উপদেষ্টা কমিটির সদস্য নিয়োগ করেছে। গত ৫ অগস্ট কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের উপসচিব এক নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

    পদাধিকার বলে এই উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতা বিমানবন্দরের মতো কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে তৃণমূল ছড়ি ঘোরাচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল বিজেপির। এখন উপদেষ্টা কমিটিতে রাজ্য বিজেপির দুই শক্তিশালী নেতাকে নিয়োগ করার ফলে বিমানবন্দরের প্রশাসনিক ক্ষমতা কার্যত বিজেপির নিয়ন্ত্রণে চলে এল বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভারত সরকারের প্রশাসনে গুরুত্ব বাড়ল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta) এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। দমদম বিমান বন্দরের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূলের স্থানীয় কিছু শ্রমিক নেতা উপদ্রব চালাচ্ছিল বলে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছিল। বিমানবন্দরের অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ থেকে শুরু করে পরিষেবা ক্ষেত্রে তৃণমূলীদের দাপাদাপি মারাত্মক আকার নিয়েছিল। এমনকী বিমান বন্দরের ট্যাক্সি ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যাত্রীদের একপ্রকার বাড়তি ভাড়া দিতেও বাধ্য করা হচ্ছে, এমন অভিযোগও হামেশাই ওঠে। সে সব বিচার করেই কলকাতা বিমানবন্দরে প্রশাসনিক ক্ষমতা তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। উপদেষ্টা কমিটিতে সুকান্ত এবং শুভেন্দুকে (Suvendu) জুড়ে দেওয়ার ফলে বিমানবন্দরের আমলারাও বিজেপির কথা মতোই চলবেন বলে অনেকে মনে করছেন।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথায়, দমদম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রী সাচ্ছন্দ্য এবং পরিষেবা বাড়ানোর লক্ষ্যেই কাজ করা হবে। রাজনৈতিক দলের অনৈতিক হস্তক্ষেপ কমানো আমাদের লক্ষ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতে, তোলামূল বাহিনীর সিন্ডিকেটরাজ বিমান বন্দরে আর চলবে না। পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে বিমানবন্দরের প্রশাসন যাতে পরিচালিত হয়, সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াজিকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।   

     

  • Hooghly Dock: কোচিন শিপইয়ার্ডের হাত ধরে প্রাণ পেল হুগলি ডক! কী হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন এই ডকইয়ার্ডে?

    Hooghly Dock: কোচিন শিপইয়ার্ডের হাত ধরে প্রাণ পেল হুগলি ডক! কী হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন এই ডকইয়ার্ডে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাজিরগঞ্জে দুশো বছরের পুরনো হুগলি ডক অ্যান্ড পোর্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড সংস্থাকে পুনুরুজ্জীবিত করে ‘হুগলি-কোচিন শিপইয়ার্ড’ হিসাবে গড়ে তোলা হয়েছে। হুগলি নদীর পূর্ব তীরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আওতায় নিত্যনতুন জাহাজ এবং জলযান তৈরির মাধ্যমে গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্সের খ্যাতি যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন পশ্চিমের নাজিরগঞ্জে রুগ্‌ণ হচ্ছিল এইচডিপিইএল। ২০০ বছরের পুরনো সংস্থাটি ছিল অ্যান্ড্রু ইউলের অধীনে। পরে জাতীয়করণ হলেও হাল ফেরেনি। কলকাতা বন্দরের আর্থিক অবস্থার ওঠাপড়া এবং শিল্পের সার্বিক মন্দায় পিছিয়ে পড়েছিল ডক ইয়ার্ড। লোকসান হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পুনরুজ্জীবনের একাধিক প্রস্তাব ব্যর্থ হওয়ার পরে বাণিজ্যিক পোত এবং রণতরী নির্মাতা কোচিন শিপইয়ার্ড এর উন্নতিতে লগ্নি করতে রাজি হয়। প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা ঢেলে ছ’টি ক্রেন এবং শেড-সহ পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। 

    সংস্থার চেয়ারম্যান মধু এস নায়ার জানান, ‘‘কোভিড এবং ঘূর্ণিঝড়ের ধাক্কা সামলে যাবতীয় পরিকাঠামো নতুন করে খুব দ্রুত তৈরি করা হয়েছে।’’ দেশ-বিদেশের চাহিদা মেটাতে, হুগলি কোচিন শিপইয়ার্ডে ৮০-১২০ মিটার লম্বা ছোট জাহাজ, রোরো, বার্থ, ভেসেল, ব্যাটারি চালিত লঞ্চ-সহ সব জলযানই তৈরি হবে, বলে জানান নায়ার। তিনি জানান, এর হাত ধরে রাজ্যে নতুন কর্মসংস্থান হবে। বিকাশ ঘটবে অনুসারী শিল্পের।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে তেরঙ্গা আলোয় আলোকিত ভারতের স্মৃতিস্তম্ভগুলো

    সম্প্রতি এই জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন জাহাজ, বন্দর ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল শতাব্দী প্রাচীন এই কেন্দ্রটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তিনি জানান, এই কেন্দ্র জাতীয় নৌপথের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ জল পরিবহনের উন্নয়নে উচ্চ প্রযুক্তি, পরিবেশ বান্ধব জলযানের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে। এই ইয়ার্ডটি শুধুমাত্র নিকটবর্তী অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সক্ষম করবে না, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত করবে। এর ফলে বন্দর সংলগ্ন অনুসারী শিল্পগুলির উন্নতি হবে।

     

  • Har Ghar Tiranga: নেপথ্যে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি, দেশজুড়ে বিক্রি হল ৩০ কোটি জাতীয় পতাকা 

    Har Ghar Tiranga: নেপথ্যে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি, দেশজুড়ে বিক্রি হল ৩০ কোটি জাতীয় পতাকা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ‘হর ঘর তিরঙ্গা‘ (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এই কর্মসূচিতে ১৩-১৫ অগাস্ট এই দু দিন দেশের সব বাড়িতে জাতীয় পতাকা (National Flag) উত্তোলনের আবেদন করেছিলেন তিনি। আর তাতেই বিপুল ব্যবসা হল গোটা দেশজুড়ে। মোদির ডাক দেওয়া এই কর্মসূচীর কারণে এই কয়েকদিনেই দেশজুড়ে ৩০ কোটিরও বেশি জাতীয় পতাকা বিক্রি হয়েছে। আর তাতে ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে গোটা দেশে। স্বাধীনতার উৎসবে এই বিপুল লাভে খুশি ব্যবসায়ীরা।

      আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা তো তুললেন, কিন্তু পতাকা ভাঁজ করার সঠিক নিয়ম জানেন কি?    

    ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির জেরে এক লাফে চাঙ্গা খুচরো বাজার। স্বাধীনতা দিবসের উৎসবকে কেন্দ্রে করে বিপুল টাকার ব্যবসা হয়েছে গত ২০ দিনে। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে ঘরে ধরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি। মোদির এই ডাকে সাড়া দিয়ে প্রায় প্রত্যেক দেশবাসীর হাতে উঠেছে জাতীয় পতাকা। জাতীয় পতাকা আইনের সংশোধনীর পরেই এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন তিনি। তার জন্য এবছর রেকর্ড পরিমাণে জাতীয় পতাকা তৈরি করা হয়। গত ২০ দিন ধরে মোদি সরকারের এই কর্মসূচির জন্য একাধিক জায়গায় অর্ডার হয়েছিল জাতীয় পতাকা তৈরির। গোটা দেশে প্রায় ৩০০০ জাতীয় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়া স্কুলের অর্ডার তো ছিলই। ফলে পতাকা প্রস্তুতকারকরা ব্যপক লাভের মুখ দেখেছেন।

    আরও পড়ুন: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের 
     
    কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের (CAIT) হিসেব বলছে, এই অভিযানের ফলে ৩০ কোটিরও বেশি জাতীয় পতাকা বিক্রি হয়েছে। আয় হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা।। মিটিং, মিছিল,‌ ব়্যালিসহ একাধিক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে। সেই মতই বিপুল সংখ্যক পতাকা উৎপাদন করা হয়েছিল। তাতেই এই ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা। সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে ক্ষুদ্র শিল্প। অগাস্ট মাসের প্রথম থেকেই বিভিন্ন সংস্থাকে জাতীয় পতাকা তৈরির অর্ডার দেওয়া শুরু হয়।  

    জাতীয় পতাকা তৈরির ক্ষেত্রে এত বড় সাফল্যের পিছনে কেন্দ্রের পতাকা কোডের পরিবর্তন বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছে সিএআইটি। আগে শুধুমাত্র খাদি বা সুতির কাপড় জাতীয় পতাকা তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেত। কিন্তু এখন পলিয়েস্টার ও মেশিনে পতাকা বানানোর অনুমতি পাওয়ার কারণেই কম সময়ে এতগুলি পতাকা বানানো সম্ভব হয়েছে। পতাকা আইন সংস্কারের কারণে দেশে এখন ১০ লক্ষেরও বেশি লোকের কাজ জুটেছে। ঘরে, কম পুঁজি দিয়েই পতাকা তৈরির কাজ করতে পারেন অনেকেই। ছোটো ও মাঝারি সংগঠিত ক্ষেত্রে বেশি সংখ্যক পতাকা তৈরি হয়। সিএআইটির জাতীয় সভাপতি বি.সি. ভারতিয়া এবং সেক্রেটারি জেনারেল প্রবীণ খান্ডেলওয়াল এ বিষয়ে বলেন , “আগে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকার বার্ষিক বিক্রি ১৫০ থেকে ২০০ কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির ফলে পতাকার বিক্রি অনেক গুণ বেড়ে গিয়েছে।”   

  • Modi I-Day Speech: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    Modi I-Day Speech: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে (76th Independence Day) দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ((Narendra Modi) জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে কী বলবেন, সেদিকেই তাকিয়েছিল পুরো দেশবাসী। ফলে দেখা গিয়েছে লাল কেল্লা থেকে নরেন্দ্র মোদির ভিডিও ইউটিউবে (Youtube) ট্রেন্ডিং-এ রয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা এতই যে তাঁর ভিডিও এবারে ট্রেন্ডিং-এ চলে এসেছে। এবারের স্বাধীনতা দিবস প্রত্যেকবারের তুলনায় একটু আলাদা ভাবেই উদযাপন করা হয়েছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসে কী কী হতে চলেছে, তার জন্যও অপেক্ষা করছিল গোটা দেশবাসী।

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লায় (Red Fort) নবমবারের জন্য জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ও তারপরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। প্রায় ৮৩ মিনিট ধরে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলনের ভিডিও ও তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়ার সেই ভিডিও মঙ্গলবার পর্যন্ত ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লিস্টের প্রথমে ছিল। তাঁকে গার্ড অনার দেওয়ার ভিডিওটিতে মঙ্গলবারের সন্ধ্যে পর্যন্ত ২০ মিলিয়ন ভিউ এসেছে। অন্যদিকে পতাকা উত্তোলনের ভিডিওতে ৪.৪ মিলিয়নের মত ভিউ এসেছে। সাধারণত, কোনও সিনেমা, গান ইউটিউবের ট্রেন্ডিং লিস্টে থাকে। কিন্তু এবারে দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ট্রেন্ডিং-এ আসায় বোঝাই যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা শুধুমাত্র আমাদের দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, পুরো বিশ্ব জুড়ে মোদির জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    এছাড়াও দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর আয়োজন করা হয়েছে। আর এরই ভিত্তিতে অনেক কর্মসূচির আয়োজন করেছে কেন্দ্র সরকার। তার একটি অংশ ছিল ‘হর ঘর তেরঙ্গা’। যেখানে জাতীয় পতাকা নিয়ে সেলফি (Selfie) বা ছবি ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ওয়েবসাইটে (website) আপলোড (Upload) করার জন্য আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেখা গিয়েছে, এই আহ্বানেও বিপুল সাড়া পড়েছে। এই উদযাপনের ঝলক দেখার জন্যও পুরো বিশ্ববাসী অপেক্ষা করে ছিল।

    এছাড়াও মোদির জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার ভিডিও প্রথম ছটি ট্রেন্ডিং ভিডিও-এর মধ্যে ছিল। এদিন তাঁর ভাষণে দেশের নারীশক্তির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। মহিলাদের সম্মানের কথা উল্লেখ করে লিঙ্গ বৈষম্য থেকে দূরে সরে আসার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও আগামী ২৫ বছরে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক বৃহত্তর সংকল্প গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘আগামী ২৫ বছরে উন্নত দেশের রূপ নেবে ভারত’! জানেন লাল কেল্লায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

     

  • Bhool Bhulaiyaa 2: টিজার দেখে উচ্ছ্বসিত কার্তিক অনুরাগীরা, মুক্তির দিন ঘোষণা ভুলভুলাইয়া-২ এর

    Bhool Bhulaiyaa 2: টিজার দেখে উচ্ছ্বসিত কার্তিক অনুরাগীরা, মুক্তির দিন ঘোষণা ভুলভুলাইয়া-২ এর

    Bhool Bhulaiyaa 2: বক্স অফিসে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া বিদ্যা বালান(Vidya Balan), অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) অভিনীত হরর-কমেডি “ভুলভুলাইয়া” (Bhool Bhulaiyaa)। আজও সেই ছবি দর্শকদের স্মৃতিতে রয়ে গেছে। বেশ কিছুদিন যাবৎ শোনা যাচ্ছিল “ভুলভুলাইয়া ২” (Bhool Bhulaiyaa 2) এবার বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে। কিন্তু কবে সেই ছবি সামনে আসবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। 

    এবার সব জল্পনার অবসান করে প্রকাশ্যে এল ভুলভুলাইয়া-২ এর প্রথম টিজার। সূত্রের খবর, এই ছবিতে মূল ভূমিকায় থাকছেন কিয়ারা আডবাণী (Kiara Advani) এবং কার্তিক আরিয়ান (Kartik Aaryan)। প্রথম টিজারে কার্ত্তিককে দেখেই তাঁর প্রেমে পড়ে গিয়েছেন অনুরাগীরা। এই ছবিতে অক্ষয় কুমারের জায়গায় দেখা যাবে তাঁকে। ‘রুহ বাবা’র প্রথম দর্শনেই ভাষা হারিয়েছেন তাঁর ভক্তরা। ভুলভুলাইয়া ২-এর টিজার কার্তিক তাঁর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর ভক্তরা আবার তা রি-পোস্ট করেছেন।

    [tw]


    [/tw]

    কিছু নতুন এবং কিছু পুরনো মুখের মিশেলে তৈরি হচ্ছে ভুলভুলাইয়া-২। কিয়ারা ও কার্তিকের পাশাপাশি এই ছবিতে অভিনয় করেছেন তাব্বু (Tabu)। আগের ছবির মতো এই ছবিতেও রয়েছেন রজপাল যাদব (actor Rajpal Yadav)। সদ্যমুক্তিপ্রাপ্ত টিজারে তাঁকেও দেখা গিয়েছে। এবারেও ভূতুরে বাড়ির প্রেক্ষাপটেই থাকবে নানা ঘটনা। টিজারের পাশাপাশি ছবি মুক্তির তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ মে মুক্তি পাবে ভুলভুলাইয়া-২। আপাতত দেখার, ভুলভুলাইয়া-২ দর্শকের মনে কতটা ছাপ ফেলতে পারে।

     

LinkedIn
Share