Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • Weather Update: বৃষ্টিপাত নিয়ে আগাম বার্তা দিল মৌসম ভবন

    Weather Update: বৃষ্টিপাত নিয়ে আগাম বার্তা দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বছর অর্থাৎ ২০২২ এ বর্ষা নিয়ে বড়সড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছে ভারতের আবহাওয়া দফতর ( IMD)। শুক্রবার আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়, এবছর কেমন বর্ষা হবে। সেপ্টেম্বর ২০২২-এ বৃষ্টিপাত হতে পারে গড় ৮৬৮.৬ মিলি ৷ ৯৯ শতাংশ বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা রয়েছে এবছর৷ মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে (IMD) এইবার গড় বৃষ্টিপাত হবে (Average Rainfall), ৮৬৮.৬ মিমি। ৮৬০.৬ মিমি বৃষ্টিপাত হবে জুনে। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৯৭১ থেকে ২০২১ এর মধ্যে ৫০ বছরের বৃষ্টিপাতের গড় ৮.৬ মিমি বেড়েছে ৷ মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে জানতে পারা গিয়েছে (IMD) বছরে ২ বার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে ৷ অনুমান (Prediction for Monsoon) করতে হয় ৷ প্রধানত বৃষ্টিপাতের অনুমান যা জুনে ২০২২ গিয়ে প্রকাশিত হয় ৷ মৌসম ভবনের (IMD) পক্ষ বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে ৷ এই ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী এই বছরে বৃষ্টিপাত হবে ভাল মতই ৷ উত্তর ভারতে ভাল বৃষ্টিপাত হবে ৷ এছাড়াও উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টিপাত হবে বলে অনুমান আবহাওয়া দফতরের।

  • Indian Army: লাদাখে চিনকে টেক্কা দিতে নয়া হাতিয়ার!  দেশে তৈরি আধুনিক অস্ত্র সেনার হাতে

    Indian Army: লাদাখে চিনকে টেক্কা দিতে নয়া হাতিয়ার! দেশে তৈরি আধুনিক অস্ত্র সেনার হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে (Ladkh) শক্তি বাড়ালো ভারতীয় সেনা (Indian Army)। চিনকে যোগ্য জবাব দিতে নতুন সমরাস্ত্র সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। মঙ্গলবার সেই ছবি ট্যুইট করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। অস্ত্রগুলি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। মূলত পূর্ব লাদাখে এই অস্ত্রগুলো ব্যাবহার করা হবে। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, ল্যান্ডিং ক্রাফট অ্যাসল্ট ভেসেল সীমান্ত (LAC) বারবার প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থাকে আরও উন্নত এবং শক্তিশালী করবে।  দিনে দিনে বদলে যাচ্ছে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্রের চেহারা। অনেক বেশি প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠছে সেনা। এইসঙ্গে আরও বেশি করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সেনা জওয়ানদের সুরক্ষার দিকটিতে। সেই সূত্রেই মঙ্গলবার ভারতীয় সেনার (Indian Army) হাতে ‘ফিউচার ইনফ্যান্ট্রি সোলজার অ্যাজ এ সিস্টেম’ অথবা এফ-ইনসাস (F-INSAS) তুলে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।



    সেনা সূত্রে খবর, এই অস্ত্রগুলির মধ্যে আকাশপথে চালকহীন নজরদারি ব্যাবস্থা বাড়ানোর জন্য উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন অস্ত্র যেমন রয়েছে, তেমনি সার্ভিল্যান্স হার্ডওয়্যার, পেট্রলিং বোট, অ্যান্টি পার্সোনাল মাইন, নিপুন (Anti Personnel Mine Nipun), ইনফ্যান্ট্রি প্রোটেক্ট টিভ Mobility ভেহিকল হাতে পেলেন সেনা কর্তারা। যা দিয়ে ভবিষ্যতে লাদাখ সীমান্তে চিনের আস্ফালন ও অনুপ্রবেশ ঠেকানো আরও সহজ হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (Manoj Pande) এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরপাল সিং (Harpal Singh)। 

    আরও পড়ুন: লোকসভায় ৩৫টি আসন! জানুন কী ঠিক হল বিহার বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকে

    সেনা সূত্রে খবর, আগের তুলনায় এল সি এ নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে ধাপে ধাপে। তবে পূর্ব লাদাখে ভারতের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় পূর্ব লাধাখের বিস্তৃত জলাশয়। নতুন ভেসেল আসার ফলে সমস্যা দ্রুত মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • CATTLE AND POLICE: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

    CATTLE AND POLICE: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

     

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি ও গরু পাচার চক্রের তদন্তে নেমে রাজ্যে ৪২ ঘাটের সন্ধান পেয়েছে সিবিআই। উত্তরবঙ্গের হিলি থেকে উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন সংলগ্ন ৪২টি ঘাট দিয়ে নিয়মিত গরু পাচারে মদত দিয়েছেন অন্তত ৬২ জন পুলিশ অফিসার। সীমান্তবর্তী এলাকায় ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সপেক্টর থাকা নীচুতলার পুলিশ অফিসাররা ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত গরু পাচারে অতি সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের মদত করতেন আটটি জেলার পুলিস কর্তারা। কয়লা কাণ্ডের মতো এবার গরু পাচারের ৪২ ঘাটের এলাকা সামলানো সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের সিবিআই-ইডির আতস কাচের নীচে আসতে হবে।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের দাবি, কোনও কোনও থানা এলাকায় আট-দশটি পাচার ঘাট ছিল। সেই সব থানায় ওসির পোস্টিংয়ের জন্য কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। বীরভূম, বর্ধমান জেলার কয়েকটি থানার ওসি আসার গরু পাচারের রুটের প্রোটেকশন দিতেন। ফলে পাচার ঘাটের চেয়েও গরুর হাট থেকে সীমান্ত পর্যন্ত গরু নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতেন যে সব নীচু তলার পুলিশ কর্তা, তাঁদেরও নজরে রাখছে সিবিআই।

    সিবিআই-ইডি জেনেছে, পশ্চিমবঙ্গে যে ৪২টি ঘাট দিয়ে গরু পাচার হত সেগুলি হল দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি, কোচবিহারের তুফানগঞ্জ, দার্জিলিংয়ের ফাঁসিদেওয়া, মুর্শিদাবাদের লালগোলা এলাকার খাদুয়া, মদনঘাট, টিকলি চর, ভাগিরথী, নিমতিয়া, ধুলিয়ান ঘাট, কাহারপাড়া, রাজাপুর, মোহনগঞ্জ, বামনাবাদ, চর কামারি, কাতলামারি, চর বিনপুর, চর লবনগোলা, সবদলপুর-কানাপাড়া, রাজারামপুর, দিয়ার মানিকচক, আসারিয়াদহ, রামনগর, রেনু, বাহারা ঘাট, নিমতিতা, ফিরোজপুর। মালদহ জেলার ঘাটগুলির মধ্যে উল্লেখ্য হল, বৈষ্ণবনগরের সাহাপুর, শিবপুর ঘাট, কুম্ভীরা, দৌলতপুর, কালিয়াচক, হবিবপুরের কেদারিপাড়া, আগ্রা এবং আর কে ওয়াধা ঘাট। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট, হেমনগর, স্বরূপনগর, গাইঘাটা, বনগাঁও, বাগদার বাঁশঘাটা, মালিদা, গাঙ্গুলিয়া এবং আংরাইল ঘাট দিয়ে নিয়মিত গরু পাচার হয়েছে। এছাড়া বীরভূমের মুর্শিদাবাদ সংলগ্ন থানার ওসিরা এবং বর্ধমানের ঝাড়খণ্ড সীমানা থেকে মুর্শিদাবাদ আসার পথের যে সব থানা রয়েছে সেগুলির ওসিরাও সিবিআই-ইডির নজরে রয়েছে।

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, পুলিশ কর্তা থেকে নীচু তলার পুলিশ কর্মীদের যোগসাজশেই বরাবর গরু পাচার হয়ে এসেছে। রাজনৈতিক নেতাদের ধরা শুরু হয়েছে, কয়লা কাণ্ডে যোগ থাকা পুলিশ কর্তাদের নোটিস দিয়েছে ইডি, একই পথে গরু পাচারে যুক্ত পুলিশ কর্তা এবং থানার ওসিদের এক এক করে ডাকা হবে।     

    গরু পাচারে অভিযুক্ত এনামুল হকের বিভিন্ন আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে যে সব নথি পাওয়া গিয়েছে, তাতে অন্তত রাজ্যের ৬২টি থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি)-র নাম পাওয়া গিয়েছে।প্রতি মাসে গরু পাচার চক্র থেকে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের আট-ন’টি জেলার কর্মরত ওই ওসি-রা ‘মাসোহারা’ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। সিবিআই সূ্ত্রের দাবি, এনামুলের খাতায় নাম থাকা সব ওসি’দেরই ধীরে ধীরে আয়কর ও সিবিআই তদন্তের সামনে আসতে হবে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি এবং আট আইপিএস অফিসারকে ইডির তলবের পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নীচুতলার বহু পুলিশ অফিসার সিবিআইকে তথ্য দেওয়াও শুরু করেছেন। নিজে থেকেই তাঁরা সিবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে গোপনে গরু-কয়লা পাচারে যুক্ত অফিসারদের বেআইনি সম্পত্তি ও কারবারের তথ্য তুলে দিচ্ছেন বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর।  

     

  • Will Smith Oscars Ban: চড়ের শাস্তি, ১০ বছরের জন্য অস্কার মঞ্চে নিষিদ্ধ উইল স্মিথ

    Will Smith Oscars Ban: চড়ের শাস্তি, ১০ বছরের জন্য অস্কার মঞ্চে নিষিদ্ধ উইল স্মিথ

    Will Smith: কৌতুকাভিনেতা ক্রিস রককে (Chris Rock) অস্কারের মঞ্চে (Oscars 2022) সপাটে চড় মেরেছিলেন অভিনেতা উইল স্মিথ। তারই খেসারত হিসেবে ১০ বছরের জন্য অস্কার থেকে নিষিদ্ধ করা হল স্মিথকে।
    সম্প্রতি অস্কার পুরস্কারের আয়োজন করে ‘অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স’ (Academy awards)।  সেই মঞ্চে স্ত্রী জাডা পিঙ্কেটকে (Jada Pinkett Smith ) নিয়ে রকের চটুল রসিকতা মেনে নিতে পারেননি স্মিথ। স্ত্রীকে নিয়ে রসিকতার ‘শাস্তি’ হিসেবেই অস্কারের মঞ্চে ক্রিসকে চড় মেরেছিলেন স্মিথ। পরে অবশ্য নিজের আচরণের জন্য ক্রিস এবং অস্কার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চান তিনি। তবে ক্ষমাপ্রার্থনা করেও রেহাই পেলেন না এ বছরের অস্কারজয়ী অভিনেতা।
    প্রসঙ্গত, অ্যাকাডেমি বোর্ড অব গভর্নরের সদস্য অভিনেতা হুপি গোল্ডবার্গ আগেই জানিয়েছিলেন, চড়-কাণ্ডের ফল  ভুগতে হবে স্মিথকে। স্মিথের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে শুক্রবার বৈঠকে বসেন তাঁরা। সেখানেই স্মিথের শাস্তি নির্ধারিত হয়। স্মিথের এই আচরণের জন্য  তাঁর পুরস্কার কেড়ে নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে অস্কারের মঞ্চ থেকে নিষিদ্ধ করা হলেও স্মিথের পুরস্কার কেড়ে নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও অস্কারের মনোনয়নে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই উইল স্মিথের উপর। “বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৮ এপ্রিল, ২০২২ থেকে ১০ বছরের জন্য, উইল স্মিথকে অ্যাকাডেমির কোনও অনুষ্ঠান বা আয়োজনে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না,” লিখেছেন সভাপতি ডেভিড রুবিন এবং সিইও ডন হাডসন। ঐতিহ্য মেনে এবছরের অস্কারজয়ী সেরা অভিনেতাকেই পরের বছরের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। কিন্তু আগামী বছর সেই মঞ্চে থাকতে পারবেন না স্মিথ।
    উল্লেখ্য, ওই ঘটনার পর অ্যাকাডেমির বাইরে দু’টি বড় প্রযোজনা সংস্থা স্মিথের সঙ্গে তাদের কাজ সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেয়। তবে যাঁর জন্য বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন স্মিথ, সেই ক্রিস এখনও এই বিষয় নিয়ে কিছু বলেননি।

     

  • India Wheat Supplier: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    India Wheat Supplier: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, কারও পৌষমাস তো কারও সর্বনাশ! মূল দুই গম সরবরাহকারী (Wheat Supplier) দেশ এখন নিজেদের মধ্য়ে যুদ্ধে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে, ভারত (India) থেকে গম (Wheat) কিনতে উদ্য়োগী হল মিশর (Egypt)। এর জন্য তড়িঘড়ি ভারতকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করল ফারাওয়ের (Pharaoh) দেশ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) ফলে গমের যোগানে টান পড়ার ফলে বড় সমস্য়ায় পড়েছে মিশর। আর সেই ঘাটতি মেটাতে এবার ভারত থেকে গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিল উত্তর আফ্রিকার (North Africa) এই রাষ্ট্রটি। ইতিমধ্য়েই, গম সরবরাহকারী অনুমোদিত দেশের তালিকায় ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করেছে মিশর। 

    গোটা বিশ্বের মধ্য়ে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গম আমদানি করে থাকে মিশর। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে পর্যন্ত ফি-বছর রাশিয়া থেকে সস্তায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের গম আমদানি করত মিশর। একইভাবে, ইউক্রেন থেকে ৬১ লক্ষ মার্কিন ডলার মূল্যের গম আমদানি করত আফ্রিকার এই রাষ্ট্রটি। এই দুই দেশই ছিল, মিশরের সবচেয়ে বড় গম সরবরাহকারী দেশ। মিশরের মোট গম আমদানির ৮০ শতাংশই আসত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে।

    অন্যদিকে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী দেশ হলেও, ভারত থেকে গম কিনত না মিশর। কিন্তু গত দুমাসে, পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে বেঁধে গিয়েছে। আর এর ফলে, বড় সমস্যায় পড়েছে মিশর। কারণ, এই দুই দেশ থেকে তাদের গমের সরবরাহ পুরোটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। 

    এই পরিস্থিতিতে, ভারতের সাহায্য চায় মিশর। ভারতও জানিয়ে দিয়েছে, যতটা সম্ভব গম সরবরাহ করে মিশরকে সাহায্য করা হবে। সম্প্রতি মিশেরর এক প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও পঞ্জাবে গিয়ে গমের গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও রফতানির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে। এরপরই, ভারতকে সরবরাহকারী রাষ্ট্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে মিশর। জানা গিয়েছে, চলতি বছর মিশরকে ১০ লক্ষ টন গম সরবরাহ করবে ভারত। 

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের ফলে, ভারতের সামনে রফতানি বৃদ্ধি করার বিরাট সুযোগ তৈরি হল। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমানে ভারতের গমের ভাণ্ডার উপচে পড়েছে। রফতানি হলে, তা ব্যবহার হবে। জমে থাকা বিপুল গম বেরিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভারতের রফতানির (Indias export) পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। বিদেশি মুদ্রা (Forex) আসবে। একইসঙ্গে, কৃষকদেরও সুবিধা হবে। কারণ, দেশ-বিদেশে চাহিদা বাড়লে তাঁদের উৎপাদিত শস্য ভাল দাম পাবে। 

    গমের রফতানি (Wheat export) নিয়ে মিশরের পাশাপাশি তুরস্ক, চিন, বসনিয়া, সুদান, নাইজেরিয়া ও ইরানের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছে ভারত। 

  • Ranbir-Alia Wedding: সাতপাক সেরেই ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড, চুম্বনে, উষ্ণতায় মিলেমিশে একাকার রণবীর-আলিয়া

    Ranbir-Alia Wedding: সাতপাক সেরেই ঠোঁটে ঠোঁটে ব্যারিকেড, চুম্বনে, উষ্ণতায় মিলেমিশে একাকার রণবীর-আলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাবি রীতি এবং কপূরদের পারিবারিক প্রথা মেনে বাড়িতেই ধুমধাম করে বিয়ে। তার পর কেক কাটা, ওয়াইনে চুমুক। এবং অবশেষে সদ্য বিবাহিতদের ঘিরে হইচইয়ে মেতে ওঠা দুই পরিবার। ঋষি কপূর ও নীতু সিংহের বিয়েতেও তাই ঘটেছিল। এ বার একই পথে হাঁটলেন ছেলে-বউমা, রণবীর-আলিয়াও।
    নাচে-গানে জমিয়ে দিলেন ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস কপূর’তেড়েফুঁড়ে বাজছে নব্বইয়ের দশকের হিট গান, ‘ছাঁইয়া ছাঁইয়া’। পর্দার শাহরুখ খান-মালাইকা অরোরার ভূমিকায় অবতীর্ণ সদ্য বিবাহিত কপূর দম্পতি (Kapoor Couple)। টুকটুকে লাল অনারকলি কুর্তিতে আলিয়া যেন পাশের বাড়ির মেয়ে। সাদা কুর্তা-পাজামা, লাল জহরকোটে দিব্যি রং-মিলন্তি রণবীরেরও। হাসছেন, জড়িয়ে ধরছেন, তাল মেলাচ্ছেন নাচের ছন্দে। জুটিতে দু‘টিতে পার্টির মধ্যমণি!

    রংমিলন্তি ছিল তার আগেও। পোশাক শিল্পী সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের তৈরি আইভরি রঙা, জরি বোনা অর্গ্যাঞ্জা শাড়ি, হিরের গয়নার দ্যুতিতে ঝলমলিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মহেশ ভট্ট-সোনি রাজদানের কন্যা। প্রায় একই রঙের সিল্কের শেরওয়ানি, জরি বোনা শাল, হিরের বোতামে ঠিক তাঁর মানানসই হয়ে উঠেছিলেন বর রণবীরও।

    আর তার পর? রূপকথার মতো সেই বিয়ের ছবিতে রণবীর-আলিয়ার হাসি ঝলমলে মুখ দেখেই আনন্দে ভেসেছেন ভক্তকুল।

     

LinkedIn
Share