Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • Joynagar Murder: গুলি করেছিল শাহরুল! পুলিশের কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য! হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

    Joynagar Murder: গুলি করেছিল শাহরুল! পুলিশের কাছে চাঞ্চল্যকর তথ্য! হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগরে তৃণমূল নেতার হত্যাকাণ্ডে (Joynagar Murder) গ্রেফতার হওয়া শাহরুল জানিয়েছিল সে গুলি করেনি। কিন্তু তদন্ত যত এগিয়ে যাচ্ছে নতুন মোড় নিচ্ছে হত্যাকাণ্ডে। পুলিশের দাবি, গুলি শাহরুল করেছে। গত ১৩ নভেম্বর সকালে তৃণমূল নেতা সুইফুদ্দিনের হত্যার পর একবারও খুনে মূল অভিযুক্ত আনিসুর লস্করকে ফোন করেনি শাহারুল। পুলিশের কাছে চাঞ্চল্যকর এই তথ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গুলি করেছিল শাহরুল (Joynagar Murder)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৩ নভেম্বর তৃণমূল নেতা খুনের (Joynagar Murder) ঘটনায় বাইকে করে মোট ৫ জন দুষ্কৃতী এসেছিল। এদের মধ্যে শাহরুল গুলি করেছিল। খুনের পরে শাহরুল ধরা পড়ে যায়।। ঘটনায় অভিযুক্তের মধ্যে আরও তিনজন এখনও পালাতক। অপর দিকে আনিসুরকে হরিণঘাটা থেকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    তৃণমূল নেতা সুইফুদ্দিন হত্যাকাণ্ডে (Joynagar Murder) গ্রেফতার শাহরুলকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের পর, পুলিশ শুক্রবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলে। তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদের বক্তব্য, “শাহরুলের কাছ থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে একটা বিষয় স্পষ্ট যে খুনের ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। অভিযুক্তের কাছ থেকে একটা মানিব্যাগ এবং আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে বন্দুকে ব্যবহার করা কার্তুজ এবং মৃত তৃণমূল নেতার ছবি। সঙ্গে ছিল আধার এবং প্যান কার্ড।” পুলিশের আরও অনুমান, “টার্গেট যাতে মিস না হয় তাই তাঁকে ছবি দেওয়া হয়েছিল। গুলি শাহরুল করেছে।”

    পরিকল্পনা করে খুন করা হয়

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় কেউ কেউ আর্থিক মদত করেছে। সইফুদ্দিনকে হত্যা (Joynagar Murder) করার জন্য শাহরুল রীতিমতো নজরদারি করেছিল। শাহরুলকে খুনের জন্য দায়িত্ব দিয়েছিল আনিসুর এবং কামরুল। এই ঘটনায় আরও দুই থেকে তিনজন আর্থিক সহায়তা করেছিল বলে পুলিশের অনুমান। বারুইপুর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। এই দলে আরও ১১ জন পুলিশ রয়েছেন। খুনের জন্য মোট ৫ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bivas Adhikari: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস অধিকারী, জল্পনা তুঙ্গে

    Bivas Adhikari: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস অধিকারী, জল্পনা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই দফতরে বুধবারে হাজিরা দিলেন বীরভূমের প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari), যদিও আগেই তাঁকে সিবিআই কয়েকবার নোটিস দিলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কয়েকবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই তল্লাশি চালিয়েছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে যে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বিভাস। আরও জানা গিয়েছে যে বীরভূমের তাবড় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক ছিল তাঁর।

    নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস (Bivas Adhikari)

    বীরভূমের নলহাটির ২ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি ছিলেন বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari)। তিনি নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিয়ে জানান, ‘কিছু নথি দেওয়ার কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই হাজিরা দিতে এসেছি।” শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশেষ পরিচয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন বিভাস। ২ থেকে ৩ টি বিএড কলেজের মালিক বলেও জানা গিয়েছে। মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পরেই এই বিভাস অধিকারীর নাম উঠে এসেছিল। অনেক দিন ধরে তাঁর বিষয় নিয়ে খুব একটা সংবাদ আসেনি। বুধবারে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে গেলে ফের একবার জল্পনা শুরু হয়েছে।

    উল্লেখ্য তাঁর নলহাটির বাড়ি, কলকাতার ফ্ল্যাটে তল্লাশি করেছিল সিবিআই অফিসাররা। জানা গিয়েছে তিনি নিজেকে অনুকূল ঠাকুরের ঋত্বিক বলে দাবিও করেন। নিজের আশ্রমকে ঢাল করে দুর্নীতির ব্যবসা চালাতেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।

    কী বললেন বিভাস অধিকারীর বক্তব্য

    স্কুল শিক্ষক নিয়োগের মামলায় অভিুযুক্ত বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari) বলেন, “২০১৯ সালে দুর্ঘটনায় আমি অসুস্থ হয়ে পরি। গোপাল দলপতিকে আমি চিনি না। কুন্তলের সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই, চোর ডাকাতরা বাঁচার জন্য অনেকের নাম নিচ্ছে। সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের জন্য আমি সবরকম সহযোগিতা করবো। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমিও চাই প্রকৃতি সত্য ঘটনা উঠে আসুক। ১০০ বার ডাকলে ১০০ বার আসব। আমাকে ডেকে নথি চাওয়া হয়েছিল, সব দিয়েছি। অবৈধ কোনও বিষয় আমার কাছে নেই।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Infosys Prize 2023: ভারতকে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বার্তা এন আর নারায়ণ মূর্তির

    Infosys Prize 2023: ভারতকে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বার্তা এন আর নারায়ণ মূর্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে আগামী ২০ বছরের জন্য প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য বার্ষিক ১ বিলিয়ন করে মোট ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে হবে বলে বার্তা দিলেন ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা এন আর নারায়ণ মূর্তি। এই কথা বেঙ্গালুরুতে ইনফোসিস পুরস্কার ২০২৩ (Infosys Prize 2023) প্রদানের অনুষ্ঠানে বলেছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “কেন্দ্রের মোদি সরকারের প্রবর্তিত জাতীয় শিক্ষা নীতিকে দেশে দ্রুত বাস্তবায়ন করা একান্ত প্রয়োজন। সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।” ভারত এবং সারা বিশ্বের বিজ্ঞানী, গবেষক, অধ্যাপক এবং অর্থনীতিবিদদের প্রতি বছর ছয়টি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয় এই সংস্থার পক্ষ থেকে। এই বছরও ছয় জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। 

     ঠিক কী বললেন এন আর নারায়ণ মূর্তি (Infosys Prize 2023)?

    এন আর নারায়ণ মূর্তি, ইনফোসিস সায়েন্স ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইনফোসিস পুরস্কার অনুষ্ঠানে (Infosys Prize 2023) ‘জাতীয় শিক্ষা নীতি’র বাস্তবায়ন নিয়ে বলেন, “শিক্ষার ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) কে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে। এর বাস্তবায়নের একটি উপায় হল দেশের ২৮ টি রাজ্য এবং ৮ টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ২৫০০ টি ট্রেনিং টিচার কলেজ তৈরি করতে হবে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনারিং, গণিত বিষয়ে দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞ শিক্ষক দিয়ে ব্যাপক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। চারজন করে প্রশিক্ষক, ১০০ জন করে প্রাথমিক শিক্ষককে এবং ১০০ জন করে মাধ্যমিক শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করবেন। আমরা এই পদ্ধতি মেনে ২ লাখ ৫০ হাজার করে প্রাথমিক এবং মধ্যমিক শিক্ষকদের মোট ৫ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবো। ফলে আগামী আরও ৫ বছরে প্রশিক্ষিতরাই প্রশিক্ষক হয়ে উঠবেন। এই জন্য আমাদের প্রতিবছর ১০ লাখ অর্থাৎ ১ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে, যা আগামী ২০ বছরের জন্য ভারতের খরচ হবে ২০ বিলিয়ন ডলার। আমাদের দেশ দ্রুত ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ হবে, ফলে এতে খরচ করা খুব একটা কঠিন কিছু হবে না। অতিরিক্ত বোঝা হবে না।”

    ইনফোসিস পুরস্কার ২০২৩

    ইনফোসিস সায়েন্স ফাউন্ডেশন (ISF)-এর তরফ থেকে ছয়টি বিভাগে ইনফোসিস পুরস্কার ২০২৩-এর (Infosys Prize 2023) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যে বিভাগগুলির মধ্যে পুরস্কার পেয়েছেন সেগুলি হল, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে সচিদানন্দ ত্রিপাঠী, আইআইটি কানপুর। হিউম্যানিটিজ বিভাগে পান জাহ্নবী পালকে, সাইন্স গ্যালারি বেঙ্গালুরু। লাইফ সায়েন্সেস বিভাগে পান অরুণ কুমার শুক্লা, আইআইটি কানপুর। ম্যাথমেটিকাল সায়েন্সেস বিষয়ে পান ভার্গভ ভট্ট, ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডি এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি। আবার ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিষয়ে পান মুকুন্দ ঠাট্টা, ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস। সোশ্যাল সায়েন্সেসে পুরস্কার পান করুণা মানতেনা, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিটি বিভাগের জন্য ইনফোসিস পুরস্কারে পুরস্কার প্রপাকদের একটি স্বর্ণপদক, একটি প্রশংসাপত্র এবং এক লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল বেঙ্গালুরু ইনফোসিস সায়েন্স ফাউন্ডেশনের অফিসে। পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করতে এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিস গোপালকৃষ্ণান, নারায়ণ মূর্তি, শ্রীনাথ বাটনি, কে. দীনেশ এবং এসডি শিবুলাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূলের কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীকেও ভরসা করে না’, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূলের কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীকেও ভরসা করে না’, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী মহিলা সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল ভাইফোঁটা উৎসব। বুধবার এই তপন ব্লকের আউটিনা গ্রামে ভাতৃদ্বিতীয়া অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আদিবাসী মহিলা সমিতির পক্ষ থেকে ভাইফোঁটা দেওয়া হয় সুকান্ত মজুমদারকে। এদিন সুকান্ত’র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু সহ অন্যান্য বিশিষ্টজন। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারা নিজের রীতি রেওয়াজ মেনেই সুকান্তকে ফোঁটা দেন। শুধুমাত্র ফোঁটা দেওয়া নয়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন গ্রামের বোনেরা।

    আদিবাসী মহিলাদের কাছে ভাইফোঁটা পেয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আদিবাসী মহিলা সমিতির পক্ষ থেকে আউটিনা গ্রামে ভাইফোঁটার এই উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। আমি আমন্ত্রিত হয়ে আনন্দিত বোধ করছি। আমার নিজের বোন না থাকার জন্য সেভাবে বাড়িতে ভাই ফোঁটার রেওয়াজ ছিল না। এই গোটা অঞ্চলের আদিবাসী ও অন্যান্য মহিলারা যেভাবে আমাকে ভাইফোঁটা দিলেন ও সম্মান দিলেন, সেটা সত্যিই বিরল। আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সবসময় চেষ্টা করব তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর।

    সারের কালোবাজারি রুখতে কেন্দ্রীয় টিম দিয়ে তদন্তের দাবি সুকান্তর

    সারের কালোবাজারি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অভিযোগ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে বিশেষ করে ১০: ২৬:২৬ এর দাম ১৪৭০ টাকা। সেই সার ২৫০০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। রাজ্য সরকার বেশ কিছুদিন চোখ বন্ধ করে থাকার পর তার কিছু দফতর হঠাৎ করে অভিযানে নামল। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত এই কালোবাজারিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। কোথাও ১৪০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। কালোবাজারির কারণে কৃষকদের জীবন ওষ্ঠাগত। একদিকে নরেন্দ্র মোদি ইউরিয়া বস্তাতে আড়াই হাজার টাকা করে ভর্তুকি দিচ্ছে, অন্য দিকে সেই সার যখন সাধারণ কৃষকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে, তখন এভাবে কালোবাজারি হচ্ছে। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। কৃষকদের অবস্থা এমনিতে পশ্চিমবঙ্গে খারাপ। এই কালোবাজারি কৃষকদের জীবন আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। সে কারণে আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় টিম পাঠিয়ে তদন্ত করা হোক। আমরা শুনতে পাচ্ছি, পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে, কিন্তু এখনও এফআইআর করেছে কি না সেটা দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

    জয়নগর নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    জয়নগরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, জয়নগরে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। দুই দলের মারামারি চলছে। গোলাগুলি চলছে। ওখানে বিজেপি নেই। বিজেপির নামের দোষ চাপানোর চেষ্টা হয়েছিল। ওখানে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। কিছু বামফ্রন্টের লোক রয়েছে অথবা আগে বামফ্রন্ট করত। স্বাভাবিক ভাবেই বামফ্রন্টের নেতারা গিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন খুন হলেন, পুলিশ তো তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী, নিজেই পুলিশ মন্ত্রী। তৃণমূল সমর্থকদের পুলিশের উপর ভরসা নেই। আইন নিজেদের হাতে তুলে নিতে হচ্ছে। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরাও মুখ্যমন্ত্রীকেও ভরসা করে না। তার পুলিশকে ভরসা করে না। আমাদের জেলাস্তরে নেতারা যোগাযোগ রাখছেন। ওখানকার স্থানীয় লোকজন চাইলে অবশ্যই সেখানে যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে ৩দিন আটকে ৪০ শ্রমিক, আজই উদ্ধারের সম্ভাবনা, জানাল প্রশাসন

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে ৩দিন আটকে ৪০ শ্রমিক, আজই উদ্ধারের সম্ভাবনা, জানাল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) দেরাদুনের কাছে একটি নির্মীয়মান সুড়ঙ্গে ধস নামে। ৭০ ঘণ্টা ধরে সেখানে আটকে রয়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। এখনও তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার কাজ খুব তৎপরতার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ। উত্তরকাশীর সিল্কইয়ারা ও দাদলাগাঁওয়ের মাঝে এই ব্রহ্মখাল-যমুনোত্রী টানেলে ধসের জেরে ৪০ জন শ্রমিক সেখানে আটকে পড়েন। জানা গিয়েছে, ১৬০ জনের উদ্ধারকারী দল সমস্ত রকমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শ্রমিকদের উদ্ধার করার সবরকম চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে বার বার উদ্ধারকাজে ব্যাঘাত ঘটছে। নতুন করে এলাকায় ধস নামায় উদ্ধারকর্মীরা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। নতুন ড্রিল মেশিন নিয়ে এসে ফের উদ্ধারের কাজ শুরু করা হয়েছে। সে রাজ্যের প্রশাসন জানিয়েছে, একটি পাইপের মাধ্যমে আটকে পড়া শ্রমিকদের খাবার পৌঁছানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও ওই ৪০ জন আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন একজন। এছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা থেকেও অনেকেই রয়েছেন সেখানে। 

    শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে প্রশাসনের

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে, টানেলে আটকে পড়া ৪০ জনকে যথাযথভাবে অক্সিজেনও সরবরাহ করা হচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে উদ্ধারকারী দলের সংযোগ রয়েছে। ওয়াকি টকিতে চলছে কথা। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, তাঁরা সুস্থ ও অক্ষত রয়েছেন। ড্রিল করে একটি পাইপ ভিতরে ঢোকানোর চেষ্টা হচ্ছে। সেই পাইপ দিয়েই শ্রমিকরা বেরিয়ে আসতে পারবেন। মঙ্গলবার সেই পাইপ ঢোকানোর প্ল্যাটফর্ম (Uttarakhand) তৈরির কাজ অনেকটাই হয়ে গেছিল। কিন্তু নতুন করে ধস নামায় সেই কাজ আটকে যায়। আবার নতুন করে ড্রিলিংয়ের কাজ শুরু করতে হয়।

    কীভাবে উদ্ধারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে শ্রমিকদের?

    কাজ চলাকালীন একটি ২০ মিটারের পাথরের স্ল্যাব সুড়ঙ্গের রাস্তা বন্ধ করে দেয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন (Uttarakhand)। ৩ ফুট ব্যাসের অনেকগুলি পাইপ সুড়ঙ্গে ড্রিল মেশিনের মাধ্যমে ঢোকানো হবে। তারপর পাইপগুলি একটার পরে একটা জুড়ে এরপর প্যাসেজ তৈরি করে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন উত্তরকাশীর জেলাশাসক অভিষেক রুহেলা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘‘সব ঠিক থাকলে বুধবারের মধ্যে শ্রমিকদের উদ্ধার করা যাবে।’’ উত্তরাখণ্ডে এমন দুর্ঘটনা এই প্রথম নয়। ইদানীং প্রায় গোটা বছর ধরেই পাহাড়ে ধস নামতে দেখা যাচ্ছে। এর আগে জোশীমঠে বিরাট এলাকা জুড়ে ধস নেমেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Kisan Samman Nidhi: আপনার অ্যাকাউন্টে পড়বে ২ হাজার টাকা, কেন জানেন?

    PM Kisan Samman Nidhi: আপনার অ্যাকাউন্টে পড়বে ২ হাজার টাকা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে দীপাবলির উৎসব। খুশিতে মাতোয়ারা দেশ। এহেন আবহে ফের এল খুশির খবর। এবার খবর দিল কেন্দ্র। জানাল, দু’ দিন পরেই দেশবাসী পাবেন দু’ হাজার করে টাকা। অবশ্য সবাই নয়, প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির (PM Kisan Samman Nidhi) এই টাকা পাবেন কেবল দেশের কৃষকরা। কিষান সম্মান নিধি যোজনার ১৫তম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে ১৫ নভেম্বর। ওই দিনই টাকা ঢুকে যাবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে। এর আগে দেওয়া হয়েছে ১৪ কিস্তির টাকা। ১৫ নভেম্বর বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ১৫তম কিস্তির টাকা জমা দেওয়ার সূচনা করবেন।

    সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রকল্পে কেন্দ্র কৃষকদের বছরে ৬ হাজার করে টাকা দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে ১৪ কিস্তির টাকা। ১৫তম কিস্তির টাকা মিলবে ১৫ নভেম্বর। দেশের ৮ কোটিরও বেশি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কৃষকরা পিএম কিষানের (PM Kisan Samman Nidhi) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা পরীক্ষা করতে পারেন।

    কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র তোমর লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৫ নভেম্বর, ২০২৩-এ প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির ১৫তম কিস্তি ডিবিটির মাধ্যমে দেশের যোগ্য কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করবেন। পিএম-কিষান প্রকল্পের অধীনে যোগ্য কৃষক পরিবারকে বছরে ৬ হাজার টাকার আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়, যা ২ হাজার টাকার তিনটি সমান কিস্তিতে দেয় সরকার।”

    কীভাবে দেখবেন টাকা পেয়েছেন কিনা-

    ১. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ‘পিএমকিষান.গভ.ইন’ দেখুন

    ২. পৃষ্ঠার ডানদিকে ‘নো ইওর স্টেটাস’ ট্যাবে ক্লিক করুন।

    ৩. আপনার রেজিস্টার্ড নম্বর লিখুন ও ক্যাপচা কোড পূরণ করুন। ‘গেট ডাটা’ বিকল্পটি নির্বাচন করুন।

    ৪. এখানে আপনার সুবিধাভোগী স্ট্যাটাস স্ক্রিনে আসবে।

    সুবিধাভোগীর তালিকায় আপনার নাম দেখুন –

    ১. পিএম কিষান অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.pmkisan.gov.in দেখুন।

    ২. বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ট্যাবে ক্লিক করুন।

    ৩. ড্রপ-ডাউন থেকে বিশদ বিকল্পটি নির্বাচন করুন, যেমন রাজ্য, জেলা, উপ-জেলা, ব্লক ও গ্রাম নির্বাচন করুন।

    ৪. রিপোর্ট পান ট্যাবে ক্লিক করুন।

    কীভাবে যোগদান করবেন –

    ১. Pmkisan.gov.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে কৃষকের কর্নারে যান।

    ২. New Farmer Registration-এ ক্লিক করুন ও আধার নম্বর লিখুন এবং ক্যাপচা পূরণ করুন।

    ৩. এখন বিস্তারিত লিখুন ও ইয়েস ক্লিক করুন।

    ৪. পিএম কিষান আবেদনপত্র ২০২৩-এ জিজ্ঞাসা করা তথ্য পূরণ করুন। এটি সংরক্ষণ করুন এবং ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য একটি প্রিন্ট আউট নিন (PM Kisan Samman Nidhi)।

    আরও পড়ুুন: ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলির রোশনাই, সুনককে ক্রিকেট ব্যাট উপহার জয়শঙ্করের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ৫৪ দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক হাজির ছিলেন অযোধ্যার দীপোৎসবে

    Yogi Adityanath: ৫৪ দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক হাজির ছিলেন অযোধ্যার দীপোৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে দীপাবলি পালন হয় অযোধ্যায় (Yogi Adityanath)। এই বিপুল সংখ্যক প্রদীপ প্রজ্জলন নাম তুলেছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এ। অযোধ্যার দীপাবলিকে স্বর্গীয় এবং অবিস্মরণীয় আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে রামনগরীর দীপাবলিতে হাজির ছিলেন ৫৪টি দেশের ৮৮ জন কূটনীতিক। এ কথা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    পরিবার নিয়ে অযোধ্যায় আসুন, বললেন যোগী আদিত্যনাথ

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ‘‘দীপাবলি হল একটি মাধ্যম, যেটির দ্বারা সমস্ত রকমের শুভ শক্তির সঙ্গে সংযোগ করা যায়। আমি প্রত্যেকজনকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং তাঁদের সমৃদ্ধি কামনা করছি।’’ এদিন অযোধ্যায় (Yogi Adityanath) দীপাবলিতে যাঁরা সামিল হয়েছিলেন তাঁদেরকে পরিবার সমেত রামনগরীতে আসার অনুরোধও করেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, ‘‘পরিবার সমেত অযোধ্যায় আসুন, আপনাদের ভাল লাগবে।’’ যোগী আদিত্যনাথ অযোধ্যায় দীপাবলিতে সামিল হওয়ার আগে রবিবার সকালে হাজির ছিলেন হনুমানগড়ির মন্দিরে। সেখানেই ভগবান হনুমানের পুজো করেন তিনি। বর্তমানে যেখানে রামলালা বিরাজ করছে সেই স্থানও পরিদর্শন করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    বিদেশের শিল্পীরা মঞ্চস্থ করেন রামায়ণ

    জানা গিয়েছে, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, রাশিয়া এ সমস্ত দেশের শিল্পীরাও অযোধ্যার দীপোৎসবে (Yogi Adityanath) অংশগ্রহণ করেন। শ্রীলঙ্কার শিল্পীরা রামচন্দ্রের চরিত্রকে মঞ্চস্থ করেন। নেপালের জনকপুরের শিল্পীরা ভগবান রামচন্দ্রের জীবনের বিভিন্ন ঘটনাকে মঞ্চস্থ করেন। রাশিয়ান শিল্পীরাও এক অনবদ্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। লেসার শো-এর মাধ্যমে ২০ মিনিটের রামায়ণও দেখানো হয়। এদিনের দীপোৎসবে যোগী আদিত্যনাথ ছাড়াও সামিল হয়েছিলেন গভর্নর আনন্দিবেন প্যাটেল। রামনগরীর অনুষ্ঠানে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্প বৃষ্টিও দেখা যায়।

    ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’ স্থান পেয়েছে অযোধ্যার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

    তথ্য বলছে, ২০১৭ সালে অযোধ্যায় প্রজ্জ্বলিত হয়েছিল ৫১ হাজার প্রদীপ। ২০১৯ সালে প্রদীপের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ১০ হাজার। ২০২০ সালে ৬ লাখ, ২০২১ সালে প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত হয় ৯ লাখ, ২০২২ সালে ১৭ লাখ। চলতি বছরে ২২ লাখ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হল অযোধ্যায়। অযোধ্যার এই নয়া রেকর্ড স্থান পেয়েছে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোকে ঘিরে বিজেপির উপর হামলা চালালো তৃণমূলের গুন্ডারা। কালীপুজোর ঠিক একদিন আগেই শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল ক্যানিং (South 24 Parganas)। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ, ঘটনায় চলেছে কয়েক রাউন্ড গুলিও। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে ফের একবার সরব বিজেপি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (South 24 Parganas)?

    কালীপুজোর আগের দিন শনিবার সকালে ক্যানিংয়ের (South 24 Parganas) ইটখোলা গ্রাম পাঞ্চায়েতের হরিপদ মোড় নামক জায়গায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা ভীষণ ভাবে আহত হন। ইট, কাঠ, বাঁশ, রড ইত্যাদি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও দুষ্কৃতীদের দ্বারা কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগও জানা গিয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের অবশ্য বক্তব্য, কালীপুজোকে কেন্দ্র করে এই আক্রমণের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ।

    বিজেপির বক্তব্য

    কালীপুজোর পরিচালনা নিয়ে আক্রমণ হয় বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের বিজেপি কর্মীরা জানিয়েছেন যে এলাকায় তাঁরা বহুদিন ধরে এই কালীপুজো করে আসছেন। কিন্তু এইবার জোর করে তৃণমূল দখল করতে চেয়েছিল। আর তার প্রতিবাদ করলে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রমণ করা হয়। মূল অভিযোগ স্থানীয় (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা ইন্দ্রজিৎ সর্দার এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে। প্রথমে বচসা হলেও ক্রমেই মারামারি করতে শুরু করে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ আরও যে দুষ্কৃতীরা এলাকায় গুলি চালায়। এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাবে ভাঙচুর চালায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ক্যানিং (South 24 Parganas) স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা বলেন, ‘বিজেপি ইচ্ছে করে নিজেই তৃণমূলের উপর আক্রমণ করলে গোলমালের সুত্রপাত হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্ন শতাব্দীর

    Birbhum: “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্ন শতাব্দীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের রামপুরহাটে কাজ করেও তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় ভোট পাচ্ছেননা বলে কর্মীদের অভিযোগ করলেন। তাঁর স্পষ্ট প্রশ্ন “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রশ্ন করে হতাশা ব্যক্ত করলেন তিনি। দলীয় কর্মীদের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই প্রশ্ন তোলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। বীরভূমের (Birbhum) উন্নয়ন তাহলে কোথায় গেল? উল্লেখ্য ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে এই এলাকায় বিজেপি থেকে শতাব্দী অনেক ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। একাধিকবার জেলায় ভোটের প্রচারে গেলে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া হয়নি বলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল শতাব্দীকে। ‘এলাকার ভোট কোথায় যায়?’ বলে সাংসদ শতাব্দী, দলের কর্মীদের কাছে প্রশ্ন করে বিড়ম্বনায় ফেলেন। অপরদিকে বিজেপি, ভোট না পাওয়ার পিছনে তৃণমূলকে দুর্নীতিকে দায়ী করেছে। 

    কী বললেন শতাব্দী?

    এলাকার (Birbhum) বিধানসভা ভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে এদিন শতাব্দী রায় বলেন, “কাজের পর কাজ হয়েছে, বড় বড় মিছিল বেরোনোর পরেও ভোট বাক্সে ভোটটা কোথায় যায়? আমার জানতে ইচ্ছে করছে। রামপুরহাট শহরের লোক আমাকে ভোট দেয়নি। আপনাদের কোনও অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে জানাবেন। সংশোধন করার চেষ্টা করবো।” উল্লেখ্য শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে তাঁর আক্ষেপের কথা বলছিলেন, তখন মঞ্চে বসে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

    রামপুরহাটে ভোটে পিছিয়ে থাকে তৃণমূল (Birbhum)

    রামপুরহাটে (Birbhum) এত কাজ এত বড় বড় মিছিল-মিটিং, সেই সঙ্গে তৃণমূল কর্মী থাকার পরও ভোট বাক্সের ভোটটা কোথায় যায়? দলের কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। আজ বীরভূমের রামপুরহাটে একটি সরকারি স্কুলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে মাইকে এই কথাগুলি বলেন তিনি। গত তিনবার বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। তাঁর সময়কালে এলাকায় তিনবার বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। আর সবকটি নির্বাচনেই রামপুরহাট শহর এলাকায় ভোটে পিছিয়ে থেকেছেন শতাব্দী। তাই কর্মীদের কারণ জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলেন এদিন তিনি।

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার (Birbhum) বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলা হয়, রাজ্য জুড়ে এত সন্ত্রাস চালিয়েও মানুষের মত প্রকাশের অধিকারকে আটকাতে পারেনি তৃণমূল। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের নেতাদের আচরণে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আগামী দিনে লোকসভার ভোটে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিজেপিকেই জয়ী করবে রামপুরহাটের মানুষ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Grammy Awards 2024: গ্র্যামিতে মনোনীত প্রধানমন্ত্রীর লেখা গান! দীপাবলির আগেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী

    Grammy Awards 2024: গ্র্যামিতে মনোনীত প্রধানমন্ত্রীর লেখা গান! দীপাবলির আগেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লেখা গান এবার গ্র্যামি পুরস্কারের (Grammy Awards 2024) জন্য মনোনীত হয়েছে। উল্লেখ্য ২০২৩ বর্ষ হল মিলেট বর্ষ। এই বছর দেশে মিলেট উৎপাদনের উপর বিশেষ নজর দিয়েছেন তিনি। মিলেটের ব্যবহারিক গুণ, উপাকারিতা নিয়ে প্রচুর উদ্যোগ এবং প্রচার অভিযান করেছিলেন মোদি। এবার তাঁর লেখা মিলেট বিষয়ক গান গ্র্যামির দৌড়ে ঠাঁই পেয়েছে। এই পুরস্কারে দেশের সম্মান বৃদ্ধি হওয়ায় দেশবাসীর মনে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

    মোদির গানে সম্মান (Grammy Awards 2024)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিলেট উৎপাদনের প্রচার প্রসারের জন্য গ্র্যামিজয়ী ফাল্গুনী শাহের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একটি গান রচনা করেছেন। মোদির লেখা গানগুলি হল “অ্যাবানডেন্স অফ মিলেট্‌স”। গানের গায়ক হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফাল্গুনী শাহ ওরফে ফালু এবং তাঁর স্বামী গৌরব শাহ। গত জুন মাসের ১৬ তারিখে মুক্তি পেয়েছিল গানটি। ২০২৪ সালে গ্র্যামি সম্মানের (Grammy Awards 2024) সেরা বিশ্ব সঙ্গীত পরিবেশনায় মনোনীত হয়েছে গানটি। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই সম্মানের কথা এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে বিনিময় করে দেশবাসীকে দীপাবলির উপহার বলে মন্তব্য করেন।

    কী বললেন মোদি?

    গ্র্যামি পুরস্কারে মনোনীত হওয়ার কথা জানিয়ে (Grammy Awards 2024) দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “আমি খুব সন্তুষ্ট যে সরকারের জনকল্যাণ মূলক নীতি দীপাবলির এই উৎসবে দেশের প্রত্যেক ঘরকে আলোকিত করছে। আমি খুব খুশি যে গোটা বিশ্ব এই বছর মিলেট বর্ষ বলে উদযাপন করছে। এই কাজের প্রধান প্রচার প্রসারে ভারত নেতৃত্ব প্রদান করায় আমি অভিভূত।”

    গানের গায়িকা কী বললেন?

    উল্লেখ্য চলতি বছরেই দিল্লিতে আয়োজন করা হয়েছিল গ্লোবাল মিলেট নামক শ্রীঅন্ন কনফারেন্স। মিলেট গানের মূল ভাষা ইংরেজি হলেও হিন্দিতেও এই গান করা হয়েছে। গানের বিষয়ে গায়িকা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আমার স্বামী গৌরব এই গানের কথা লিখেছেন। ইংরেজি এবং হিন্দি দুই ভাষাতে এই গান রচনা হয়েছে। আমি এই গান (Grammy Awards 2024) গেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share