Author: ক্যামেলিয়া সান্যাল

  • Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে প্রাণের সন্ধান! সম্ভব হলেও হতে পারে, দাবি বিজ্ঞানীদের। পৃথিবী ছাড়াও সৌর জগতের আর কোথাও বসতি গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা চলে বিজ্ঞানীরদের মধ্যে। এই তালিকাতেই নতুন করে যোগ দিয়েছে বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা। 

    কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

    হিমশীতল হলেও ইউরোপাতে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কম নয় বলে মনে করেন গবেষকরা। কর্নেল ইউনিভার্সিটির গ্রহ বিষয়ক বিজ্ঞানী সামান্থা ট্রাম্বো বলেন, “এর আগে, হাবল টেলিস্কোপ টারা রেগিওতে সামুদ্রিক লবণের হদিশ পেয়েছিল। এবার ভাল মাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ মিলল। সমুদ্রগর্ভ থেকেই তার উৎপত্তি ঘটেছে বলে অনুমান আমাদের।” ইউরোপা নিয়ে সম্প্রতি দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি লিখেছেন সামান্থা। ২১ সেপ্টেম্বর জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত হয়েছে সেটি। জানা গিয়েছে, ইউরোপার বুকে স্ফটিকাকার এবং নিরাকার কার্বন, দুইয়েরই খোঁজ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোপার মাটির বয়স অন্তত ৬ কোটি বছর। 

    ইউরোপা কেমন

    আকারে বৃহস্পতির এই উপগ্রহটি চাঁদের থেকে সামান্য একটু ছোট। কিন্তু প্রাণ সঞ্চারের প্রাথমিক শর্ত যেটি, সেই জল নাকি রয়েছে ওই উপগ্রহে। রয়েছে একটা আস্ত সমুদ্র। বিজ্ঞানীরা অন্তত তেমনই দাবি করছেন। তবে ইউরোপার জলে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি। জীবনের অন্যতম ভিত্তি কার্বন ডাই অক্সাইড। তাই যে সমস্ত জীবের পক্ষে কার্বন ডাই অক্সাইডের সাহায্যে জীবন ধারণ করা সম্ভব, তারা এখানে থাকলেও থাকতে পারে। দেখা গিয়েছে, ইউরোপায় রয়েছে বরফের একটি কঠিন স্তর।আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসার দাবি, ওই বরফের কঠিন স্তরের নিচে রয়েছে একটি মহাসমুদ্র। ওই মহাসমুদ্রে প্রচুর কার্বন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    ইউরোপায় অভিযান

    প্রসঙ্গত, গোটা সৌরজগতে ইউরোপার মতো বেশি গ্রহ বা উপগ্রহ নেই। প্রাণের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, এমন সংখ্যা নগণ্য। ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপার টারা রেগিও নামের একটি অংশে বেশি পরিমাণে এই গ্যাসের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। সেখান থেকেই কোনও একটি সুখবর পাওয়ার আশায় রয়েছে বিজ্ঞানীরা। আপাতত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে সেদিকটাই খুঁটিয়ে দেখছে নাসা। ইউরোপার উদ্দেশে দু’টি অভিযানের লক্ষ্য রয়েছে গবেষকদের। ২০২৪ সালে নাসার ক্লিপার অভিযানের সূচনা হবে। কক্ষপথ থেকে ইউরোপাকে পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশযানটি। সেখানে প্রাণধারণের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখবে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি-র জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার (Juice) আগামী বছর এপ্রিলে রওনা দেবে ইউরোপার উদ্দেশে। ২০৩১ সালে ইউরোপার কাছাকাছি পৌঁছবে সেটি। বৃহস্পতির তিনটি গ্রহ, ইউরোপা, গানিমিড এবং ক্যালিস্টোর চারপাশে ৩৫ বার চক্কর কাটবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র দেড় বছর। এই ছোট্ট বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির (Siliguri) মৃগাঙ্ক শেঠ। এই বয়সে শিশুরা আদো আদো স্বরে দু’একটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। সেখানে মৃগাঙ্ক দেহের বিভিন্ন অঙ্গ,প্রতঙ্গ, নানা ধরনের ফুলফল, শাকসবজি, কীটপতঙ্গ ও পাখির নাম অবলীলায় বলে দিচ্ছে। এই বিস্ময়কর প্রতিভার কারণে মৃগাঙ্কের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে উঠেছে।

    ছোট্ট মৃগাঙ্কর প্রতিভা জানলে চমকে যাবেন (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri) দক্ষিণ দেশবন্ধু পাড়ার বাসিন্দা মৃণাল শেঠ ও মালবিকা শেঠের  সন্তান মৃগাঙ্ক। ছ’-সাত মাস বয়সেই সে কথা বলতে শেখে। একদিন পরিবারের সদস্যরা খেয়াল করেন, কিছু শব্দ ও কথা মৃগাঙ্ক নিজের মনে বলে চলেছে। তারপর নানাভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা যায়, যে কোনও শব্দ একবার শুনলে  তা মনে রেখে পরে তা অনায়াসে বলছে। তারপর ওকে পাখি, ফুলফল, রঙ, বিভিন্ন জিনিসের নাম পড়ানো শুরু করা হয়। বেশ কিছুদিন পরে সেগুলি জিজ্ঞেস করলে নির্ভুলভাবে বলে দিচ্ছে। এভাবেই  মৃগাঙ্ক ১০টি পাখির নাম, একুশ রকমের জিনিস, চার রকমের পতঙ্গ, চার রকমের মাছ, সতেরো রকমের সবজি, ২১ টি প্রাণী, এগারো রকমের ফলের নাম এবং ১৬৯ টি শব্দ ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা করতে পারছে। ১ থেকে ১৫ বাংলা এবং ইংরেজিতে অবলীলায় বলে দিচ্ছে সে। 

    কীভাবে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম তুলল সে?

    মৃগাঙ্কের বাবা মৃণালালবাবু বলেন, এত কম বয়সে ছেলের এই প্রতিভা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে যাই। প্রতিবেশিরাও ভিড় করতে থাকে তার এই প্রতিভা যাচাই করতে। একদিন ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে  ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি সেখানে নাম তুলতে গেলে কী কী করতে হবে। সেই মতো আমি আমার ছেলের এই প্রতিভার নানা মুহূর্ত ভিডিও রেকর্ডিং করে  পাঠাই। তারপর সেখান থেকে আমার ছেলের এই প্রতিভা যাচাই করে তাঁরা স্বীকৃতি দিয়ে শংসাপত্র ও মেডেল পাঠিয়ে জানায় আমার ছেলের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠেছে। মৃনালবাবু ও তার স্ত্রী চান, সেই বিস্ময় প্রতিভা নিয়ে মৃগাঙ্ক স্বাভাবিক ছন্দে বেড়ে উঠুক। কোনও কিছুর চাপে যেন তাদের শিশু সন্তানের এই সহজাত প্রতিভা নষ্ট না হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    Recruitment Case: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচয় বলতে তিনি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Case) ধৃত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ছেলে। মানিক নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বিধায়ক। তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই সৌভিকও তৃণমূল নেতা, তবে বড় দরের নয়, ছোট দরের। এহেন তৃণমূল নেতা মানিক পুত্র শৌভিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির প্রায় আড়াই কোটি টাকা। অন্তত কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছে ইডি।

    শৌভিক সরাসরি সুবিধাভোগী!

    তদন্তকারীরা তাঁকে সরাসরি সুবিধাভোগী বলেও উল্লেখ করেছেন। বুধবার শুনানি ছিল শৌভিকের জামিনের আবেদনের। শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে। তখনই মানিক-পুত্রের জামিনের বিরোধিতা করে ইডি জানায়, শৌভিকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে নিয়োগ দুর্নীতির ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতোই টাকা নয়ছয় করেছেন শৌভিক। অভিযোগ, স্কুলের মাধ্যমেও তছরুপ করেছেন নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Case) টাকা।

    স্কুল ও ক্লাবের মাধ্যমে টাকা সাইফন!

    আদালতে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি জানান, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে ঢের বেশি। এই পরিস্থিতিতে মঞ্জুর হওয়া উচিত নয় সৌভিকের জামিন। সুপ্রিম কোর্টের এক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে ইডির আইনজীবী বলেন, “যে ব্যক্তি বেআইনিভাবে টাকা নেয় এবং যে ব্যক্তি সেই টাকা ভোগ করে, উভয়েই সমান দোষী।” ইডির আইনজীবীর সওয়াল, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেমন তাঁর স্ত্রীর নামে স্কুল খুলে টাকা সাইফন করেছিলেন, সেভাবেই মানিক-পুত্র সৌভিক স্কুল ও ক্লাবের মাধ্যমে টাকা সাইফন করেছেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    এই প্রথম নয়, ইডি আগেও একাধিকবার জানিয়েছিল, দু’টি নামী ক্লাবের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছিলেন শৌভিক। এদিন ফের সেই একই দাবি করল তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Case) মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে শৌভিককে। শতরূপা জামিন পেয়েছেন আগেই। তাঁকে জামিন দিতে গিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, শতরূপা যে নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা নিয়েছিলেন সে প্রমাণ পেশ করতে পারেনি ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Virat Kohli: শুরু বিশ্বকাপ! সামনে শুধুই সচিন, বাড়তি নেট সেশনে মন বিরাট কোহলির

    Virat Kohli: শুরু বিশ্বকাপ! সামনে শুধুই সচিন, বাড়তি নেট সেশনে মন বিরাট কোহলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওডিআই বিশ্বকাপের (ICC World Cup) ঢাকে কাঠি পড়ল। দুর্গাপুজোর ঢাকের তালের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগোবে বিশ্বকাপ। আগামী দেড় মাস ধরে চলবে ক্রিকেট উৎসব। এবারের বিশ্বকাপে মাঠে নেমে অন্তত একজোড়া করে ব্যক্তিগত নজির গড়তে পারেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। কোহলির সামনে হাতছানি রয়েছে বিশ্বকাপের মঞ্চেই সচিন তেন্ডুলকরের সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড ভাঙার।

    কঠোর অনুশীলন কোহলির

    ১২ বছর পর দেশের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপ। আজ থেকে ১৯ নভেম্বর অবধি ১০ দলের মহারণে বিশেষ নজর থাকবে ক্রিকেট প্রেমীদের। কাপযুদ্ধে নামার আগে এবার বাড়তি নেট সেশনে মন দিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। এবারের বিশ্বকাপের আগে ভারতের যে দু’টি ওয়ার্ম আপ ম্যাচ খেলার কথা ছিল তা বৃষ্টির কারণে হয়নি। ফলে ভারতের ক্রিকেটাররা শেষ খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজে। রাজকোটে সিরিজের তৃতীয় ওডিআইতে বিরাট ৬১ বলে ৫৬ রান করেছিলেন। ফর্মে থাকলেও কোনওরকম অলসতা নয়। পরীক্ষায় নামার আগে কড়া অনুশীলন করলেন কোহলি। চেন্নাইয়ে তাঁকে দেখা গেল নেট সেশনে বেশি সময় কাটাতে। ভারতীয় টিমের ২ ঘণ্টার ট্রেনিং সেশন ছিল। কোহলি অবশ্য আরও ৪৫ মিনিট বেশি অনুশীলন করেন।

    আরও পড়ুন: তিনটি মহাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০৩০! ছ’টি দেশের কাঁধে আয়োজনের দায়িত্ব

    ভারতীয় দলের অনুশীলন

    বিরাট কোহলির পাশাপাশি ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাডেজা এবং কুলদীপ যাদবকেও দেখা যায় নেটে অনেকক্ষণ সময় কাটাতে। বোলিং প্র্যাক্টিস দিয়ে শুরু করে জাডেজা ব্যাটিংও ঝাঁলিয়ে নেন। কুলদীপ ও হার্দিক জোরকদমে বোলিং অনুশীলন করেন। সংক্ষিপ্ত হলেও ব্যাটিং অনুশীলনও করেন হার্দিক। দলের বাকি ক্রিকেটাররা অবশ্য অনুশীলন করেননি।

    কোহলির সামনে শুধুই সচিন

    বিরাট কোহলি ২৬৯টি ওয়ান ডে ইনিংসে ৪৭টি সেঞ্চুরি করেছেন। বিশ্বকাপের আসরে ৩টি সেঞ্চুরি করলে বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০টি সেঞ্চুরির মাইলস্টোন ছোঁবেন তিনি। বিশ্বকাপে অন্তত ২টি শতরান করলে সচিন তেন্ডুলকরের ৪৯টি ওয়ান ডে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন কোহলি।

    ছক্কা হাঁকানোর মাইলস্টোনের সামনে রো-হিট

    ছক্কা হাঁকানোর নিরিখে হিটম্যান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা বসে পড়তে পারেন শাহিদ আফ্রিদি ও ক্রিস গেইলের পাশে। রোহিত শর্মা ২৪৩টি ওয়ান ডে ইনিংসে মোট ২৯২টি ছক্কা মেরেছেন। বিশ্বকাপের আসরে ৮টি ছক্কা হাঁকালেই শাহিদ আফ্রিদি (৩৫১টি) ও ক্রিস গেইলের (৩৩১টি) পরে বিশ্বের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩০০টি ছক্কা হাঁকানোর মাইলস্টোন ছোঁবেন হিটম্যান। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Flood: ‘‘আমি পর্যটক হলে এখানে আসা মন্ত্রীরাও পর্যটক’’, উত্তরবঙ্গে পৌঁছে তৃণমূলকে খোঁচা রাজ্যপালের

    Flood: ‘‘আমি পর্যটক হলে এখানে আসা মন্ত্রীরাও পর্যটক’’, উত্তরবঙ্গে পৌঁছে তৃণমূলকে খোঁচা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যা (Flood) পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। দিল্লি অভিযান শেষে রাজ্যে ফিরতেই তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীদের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এবারও বৃষ্টির জেরে বানভাসি হওয়ার দশা তাঁদের। এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যথারীতি তাঁকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ-বাণ ছুড়ল তৃণমূল। পাল্টা দিলেন রাজ্যপালও। তিনি বলেন, “আমি পর্যটক হলে তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীরাও পর্যটক।”

    উত্তরবঙ্গে রাজ্যপাল 

    ফি বছর সামান্য বৃষ্টি কিংবা প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমে মেঘভাঙা বৃষ্টি আর হড়পা বানের প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গে। তা সত্ত্বেও বন্যা (Flood)  মোকাবিলার কোনও ব্যবস্থা তৃণমূল সরকারের আমলে করা হয়নি বলে অভিযোগ। এবারও বৃষ্টি এবং সিকিমের মেঘভাঙা বৃষ্টি আর হড়পা বানের জেরে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে উত্তরে। সেই পরিস্থিতিই খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে শিলিগুড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যপাল। তারপরেই তৃণমূলের তরফে ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ-বাণ।

    রাজ্যপালের তির্যক বাণ

    জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কোনও কোনও জায়গায় অতিপ্রবল বৃষ্টি হতে পারে। তাই এই তিন জেলায় জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। ইয়োলো অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহের কোনও কোনও জায়গায়। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি চাক্ষুষ করতে গিয়েছেন রাজ্যপাল। তৃণমূলের ‘পর্যটক’ খোঁচার জবাবে রাজ্যপাল বলেন, “হ্যাঁ, আমি পর্যটক। বিপদগ্রস্ত মানুষদের দেখতে এসেছি। জুনিয়র অ্যাপয়েন্টি মন্ত্রীদেরও আমার সঙ্গে পর্যটকের মতো আসা উচিত ছিল।”

    আরও পড়ুুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দুয়ারে ইডি, চলছে তল্লাশি

    উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে রাজ্যপাল ফোনে কথা বলেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদীর সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে জেনে নেন রাজ্যের পরিস্থিতি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজ্যের তরফে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নেন তিনি। এদিন উত্তরবঙ্গে গিয়ে বেশ কয়েকজন দুর্গতের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। শোনেন তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথা। এদিকে, সিকিমের পরিস্থিতি (Flood) নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MS Swaminathan: ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক! কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র

    MS Swaminathan: ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক! কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে দুর্ভিক্ষ রোখার জন্য এবং কৃষিক্ষেত্রে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ছয়ের দশকের শেষ দিক থেকে ভারত সরকার যে ‘সবুজ বিপ্লব’-এর সূচনা করে, তার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন এম এস স্বামীনাথন। ষাটের দশকে ভারতে উদ্ভূত খাদ্য সঙ্কট এবং খাদ্যশস্যের জন্য বিদেশি রাষ্ট্রনির্ভরতা যে অনেকাংশে কমানো গিয়েছিল, তার পিছনে বড় অবদান ছিল প্রখ্যাত কৃষিবিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথনের। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের বাড়িতে জীবনাবসান হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    স্বামীনাথনের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল সাইটে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “কৃষিতে বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডক্টর স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। বহু মানুষের পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি। গবেষণার প্রতি তাঁর সঙ্কল্প বহু বিজ্ঞানী এবং গবেষককে অনুপ্রাণিত করেছিল।”

    স্বামীনাথনের বড় হওয়া

    স্বামীনাথনের জন্ম ১৯২৫ সালের ৭ অগস্ট, তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায়। ১১ বছর বয়সে হারিয়েছেন বাবাকে। জেনারেল সার্জেন এমকে সাম্বসিবনের ছেলে স্বামীনাথন ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। তাঁর উচ্চশিক্ষা শুরু হয় জুলজির হাত ধরে কেরলে। পরবর্তীতে তিনি মাদ্রাজ, দিল্লি ও আরও পরে নেদারল্যান্ডস, ইউকে, আমেরিকা থেকে একের পর এক ডিগ্রি সঞ্চয় করেন ও উচ্চশিক্ষা এগিয়ে নিয়ে যান।

    স্বামী বিবেকানন্দের ভক্ত 

    বিদেশে পড়াশোনায় একটা বড় সময় কাটালেও স্বামী বিবেকানন্দের ভক্ত স্বামীনাথনকে নাড়িয়ে দিয়েছিল ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ। দেশের মানুষের মুখে খাবার যোগাতে তিনি কৃষি গবেষণায় মন দেন। উন্নত বীজ, জলসেচের মাধ্যমে দেশের পশ্চিম অংশ, মূলত পাঞ্জাবে তিনি আমূল পরিবর্তন আনেন। কৃষিবিজ্ঞানী হিসাবে উচ্চফলনশীল ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। 

    স্বামীনাথনের গবেষণা

    দীর্ঘদিন কৃষি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এম এস স্বামীনাথন। মূলত মিশ্র চাষ, চাষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার, ফসলে শংকর প্রজাতির ব্যবহার নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা করেছেন তিনি। ধানের নতুন নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের জন্য গোটা বিশ্বে স্বীকৃত স্বামীনাথন। তিনি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা সংস্থার ডিরেক্টর হিসাবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন যোজনা কমিশনের সঙ্গেও। প্ল্যান্ট জেনেটিক্সের ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজই ভারতের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছিল। টেকসই কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য সুরক্ষা বাস্তবায়িত হয়েছিল দেশে। এই সাফল্য তাঁকে এনে দিয়েছিল বিশ্বব্যাপী পরিচিতি। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতীয় কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রধান পদে ছিলেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি গবেষণা এবং শিক্ষা দফতরের সচিবের দায়িত্বও সামলান।

    আরও পড়ুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

    স্বামীনাথনকে সম্মান

    কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১৯৭১ সালে রমন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয় স্বামীনাথনকে। পদ্মশী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি। ২০০৭ এবং ২০১৩ সালে পর পর দু’বার রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাঁকে। ১৯৮৬ সালে পেয়েছেন অ্যালবার্ট আইস্টাইন অ্যাওয়ার্ড। কর্মজীবন থেকে অবসরগ্রহণের পরেও দেশ-বিদেশের একাধিক পরিবেশগত এবং কৃষি সংক্রান্ত সংস্থায় পরামর্শদাতা কিংবা সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Update: ডেঙ্গিতে মৃত্যু ৫০ ছুঁইছুই! সরকারি মতে, সব দোষ কোমর্বিডিটির 

    Dengue Update: ডেঙ্গিতে মৃত্যু ৫০ ছুঁইছুই! সরকারি মতে, সব দোষ কোমর্বিডিটির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গিতে মৃত্যুমিছিল। ফের কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু। ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ১৭ বছরের কিশোরের। ২০ তারিখ শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের বাসিন্দা ওই কিশোরকে। পরে নিয়ে আসা হয় মিন্টো পার্কের (Minto Park) এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। ডেথ সার্টিফিকেটে মাল্টি অর্গান ফেলিওর, সেপসিস ও ডেঙ্গি হেমারেজিক ফিভারের উল্লেখ রয়েছে। সল্টলেকের দত্তাবাদেও ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৫২ বছরের গৃহবধূর। এই নিয়ে সল্টলেকে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর কত মৃত্যু? আর কত প্রাণহানি? ডেঙ্গির ভয়াবহ প্রকোপে (Dengue Scare) আর কত সহনাগরিকদের হারাতে হবে আমাদের? প্রশ্ন রাজ্যবাসীর।

    কী বলছে পরিসংখ্যান

    কার্যত পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই ডেঙ্গিতে মৃতের সংখ্যা। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। জেলায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৪০২ জন। গ্রামাঞ্চলে সংখ্যাটা ২ হাজার ৯৫৬। আর শহরাঞ্চলে ৫ হাজার ৪৪৬ জন আক্রান্ত। এক সপ্তাহে ১ হাজার ৫৮৬ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। ২ দিন আগেই ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন, রাজারহাট নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায় (Tapas Chatterjee)। বিধাননগর পুরসভা সূত্রে খবর, পুর এলাকায়, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ জন। ডেঙ্গি ভয়াবহ চেহারা নেওয়ার পর, টনক নড়েছে পুরসভার। করুণাময়ী বাসস্ট্যান্ডে জমা জলে, ছড়ানো হচ্ছে ব্লিচিং পাওডার, মশা মারার তেল। চিন্তা আর উদ্বেগের প্রহর কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষের। বিধাননগরবাসীর কথায়, বিধায়ক ডেঙ্গি আক্রান্ত হওয়ার পর টনক নড়েছে প্রশাসনের।

    আরও পড়ুন: মালদা জেলায় বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা, চিহ্নিত হটস্পট জোন, নামানো হল ড্রোন

    দোসর ম্যালেরিয়া

    রাজ্যে প্রায় প্রতি দিনই এক বা একাধিক মৃত্যু হচ্ছে। তার মধ্যেই দোসর ম্যালেরিয়া। ফলে চিন্তা আরও বাড়ছে। এরই মধ্যে সরকার তথ্য চাপা দিতে চাইছে। রাজ্যে গত জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে মোট আক্রান্ত এবং মৃত্যু কত, সে বিষয়ে কোনও পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে দিতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর। যদিও বেসরকারি সূত্রের খবর, রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। মৃত ৪৫ জন। আর, ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি। মৃতের সংখ্যা চার। চিকিৎসকদের একাংশ বলছেন, “কোভিডের সময়েও এমন কোমর্বিডিটির কথা বলে মৃত্যু গোপনের চেষ্টা চলেছিল। মশাবাহিত রোগের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটা খুবই স্বাভাবিক, যে কোনও সংক্রমণেই পুরনো রোগ মাথা চাড়া দেয়। তার জন্য সংক্রমণকে অস্বীকার করা যায় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: পুজোয় এবার নবান্ন বনাম রাজভবন! ‘দুর্গা ভারত সম্মান’ দেবেন রাজ্যপাল, কারা পাবেন?

    CV Ananda Bose: পুজোয় এবার নবান্ন বনাম রাজভবন! ‘দুর্গা ভারত সম্মান’ দেবেন রাজ্যপাল, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবন-নবান্নর দ্বৈরথ ফের অন্য মাত্রা পেল। এবার দুর্গাপুজো নিয়েও মমতা-রাজ্যপালের লড়াই! সেটাই দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী। দুর্গাপুজোর সময় হয়েছে। দুর্গাপুজোর জন্য বাংলার বিভিন্ন দুর্গাপুজোর আয়োজকদের বিশেষ সম্মান দিয়ে থাকে রাজ্য সরকার। মণ্ডপ সজ্জা থেকে প্রতিমা, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দুর্গাপুজোর আয়োজকদের ‘বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান’ দেয় রাজ্য সরকার। এবার বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও (CV Ananda Bose) দেবেন ‘দুর্গাভারত’ সম্মান। তবে, উপলক্ষ বাংলার দুর্গাপুজো হলেও, এই সম্মান শুধু বঙ্গবাসীদের জন্য সীমিত নয়। গোটা দেশের যে কোনও রাজ্যের কৃতীরা এই সম্মান পেতে পারেন। শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান থেকে শুরু করে গবেষণা, তথ্য-প্রযুক্তি, সমাজসেবা, বাণিজ্য, চিকিৎসা, যে-কোনও ধরনের শিল্প এবং আর বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতীরা এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হতে পারেন। স্বাভাবিক ভাবেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    রাজভবন থেকে কী কী পুরস্কার দেওয়া হবে?

    রাজভবন থেকে ইতিমধ্যেই মনোনয়নের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বিশেষ বা নাগরিক সমাজ বা কোনও প্রতিষ্ঠান রাজভবনের এই সম্মাননার জন্য মনোনয়ন করতে পারেন। মনোনয়ন পাঠানো শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমাজের বিকাশে বিশেষ উদ্যোগকে সম্মানিত করবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। ‘দুর্গা ভারত সম্মানে’ বিভিন্ন ধরনের সম্মাননার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ‘দুর্গা ভারত পরম’ সম্মান, ‘দুর্গা ভারত’ সম্মান ও ‘দুর্গা ভারত’ পুরস্কার এই তিন ধরনের সম্মাননার ব্যবস্থা করেছে রাজভবন। পুরস্কার মূল্য হিসেবে দেওয়া হবে, এক লক্ষ,পঞ্চাশ হাজার ও ২৫ হাজার টাকা করে।

    রাজভবনের এই পুরস্কার নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা

    বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন-রাজভবনের দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখানেই শেষ নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও রাজভবন-নবান্নের বিরোধ চরমে ওঠে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে বেলাগাম অশান্তি ও পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। তখন সরকারকে ধারাবাহিক ভাবে তীব্র আক্রমণ করেন। পালটা জবাব দেয় তৃণমূল। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নবান্নর সঙ্গে রাজভবনের মসৃণ সম্পর্ক দেখা গেলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিক সেল চালু করেছে রাজ্যপাল রাজভবনে। কখনও ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ জানানোর জন্য ‘আমনে সামনে’ পদক্ষেপ, আবার কখনও গ্রিভান্স সেলও চালু করেছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি, আমেরিকা সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও ডেঙ্গি পরিস্থিতি এবং রাজ্যের আর্থিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই সফর বাতিল করেছিলেন রাজ্যপাল। আর এবার দুর্গাপুজোকে মাথায় রেখে এই বিশেষ সম্মান রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব উদযাপনে শামিল হতে চায় রাজভবনও। ফলে, বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব নিয়েও স্নায়ু যুদ্ধ শুরু হল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। কারণ, রাজভবনের তরফে এমন উদ্যোগ আগে কখনওই নেওয়া হয়নি। চলতি বছরের রাজভবনের এই উদ্যোগ নবান্ন টক্কর দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। রাজভবনের এই পুরস্কার নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sagar Dutta Hospital: দালালচক্রের মূল পান্ডার টিকি ছুঁতে পারল না পুলিশ! মাথায় কার হাত?

    Sagar Dutta Hospital: দালালচক্রের মূল পান্ডার টিকি ছুঁতে পারল না পুলিশ! মাথায় কার হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দালাল চক্র নিয়ে তোলপাড় কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Sagar Dutta Hospital)। হাসপাতালে দাদালচক্রের বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়ার অপরাধে শামসেদ আলি নামে তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে জাবেদ আলি নামে এক দালাল ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নাম জড়ায় জাবেদ আলি এবং মুকিম খানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই এক মুকিম খান নামে দালাল চক্রের পান্ডাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত দালাল চক্রের মূল পান্ডা জাবেদ আলির টিকি ছুঁতে পারেনি পুলিশ।

    দালালচক্রের মূল পান্ডার মাথায় কার হাত, কামারহাটি জুড়ে চর্চা

    কামারহাটি বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। দাপুটে এই নেতা থাকার পরও এই এলাকায় তৃণমূল গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত। গত পুরসভা নির্বাচনে একাধিক আসনে তৃণমূলের অফিসিয়াল প্রার্থীর বিরুদ্ধে খোঁজ প্রার্থী দাঁড়ানোর ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। জানা গিয়েছে, জাবেদ আলি সাগর দত্ত হাসপাতালের (Sagar Dutta Hospital) কর্মী। হাসপাতাল জুড়ে দালাল চক্র চালানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুদিন আগে দক্ষিণ দমদমের এক রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করাকে কেন্দ্র করে দালাল চক্রের বিষয়টি সামনে আসে। হাসপাতালে আইসিইউ বেড পাইয়ে দেওয়ার জন্য প্রায় ছয় হাজার টাকা দাবি করা হয়। আর এই অভিযোগ উঠে জাবেদ আলি ও মুকিম খানের বিরুদ্ধে। পরবর্তীকালে বিষয়টি জানতে পেরে মদন মিত্র হস্তক্ষেপ করেন। তিনি ওই রোগীকে আইসিইউ তে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। যদিও পরে, ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মদন মিত্র সরব হন। শামসেদ আলি সাগর দত্ত হাসপাতালে অভিযুক্ত জাবেদ আলির বিরুদ্ধে পোস্টার লাগিয়েছিলেন। এর পরই তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মীর বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত জাবেদ আলি। এই জাবেদ আলিকে নিয়েই প্রকাশ্যেই তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র সরব হয়েছেন। এত কিছুর পরেও এখনও পর্যন্ত জাবেদ আলির নাগাল পেল না পুলিশ। জাবেদ আলির পিছনে শাসক দলের এক দাপুটে নেতার হাত রয়েছে, যার জন্য জাবেদ আলি মদন মিত্রকেও পাত্তা দিচ্ছে না বলে দলের অন্দরে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পুলিশও জাবেদকে ঘাঁটাতে সাহস পাচ্ছে না। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। হাসপাতালে দালালরাজ নিয়ে গোটা কামারহাটি জুড়়ে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pandit Deendayal Upadhyay: জাতীয়তাবাদী লেখক, দার্শনিক, সমাজ সংস্কারক ছিলেন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়

    Pandit Deendayal Upadhyay: জাতীয়তাবাদী লেখক, দার্শনিক, সমাজ সংস্কারক ছিলেন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয়তাবাদী লেখক, রাজনীতিবিদ, দার্শনিক এবং সমাজ সংস্কারক হিসাবে বিশেষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Pandit Deendayal Upadhyay)। আজ তাঁর জন্মজয়ন্তী। অত্যন্ত একটি সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে জন্ম হয়েছিল তাঁর। ভারতীয় ইতিহাসতত্ত্ব, শিক্ষা, চেতনা, আধ্যাত্মিকতা, রাজনীতি এবং সমাজতত্ত্বের উপর প্রচুর লেখালেখি করে গেছেন তিনি। ভারতীয় জনসংঘ দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। পরে সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়ে ছিলেন তিনি। “একাত্ম মানববাদ” দর্শনের স্রষ্টা ছিলেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রচারক হিসাবেও অনক দিন ভারত রাষ্ট্র পুনর্নির্মাণের জন্য সমর্পিত ছিলেন। 

    প্রথম জীবন (Pandit Deendayal Upadhyay)

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya) উত্তরপ্রদেশের বৃজভূমিতে জন্ম গ্রহণ করেন ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে। মামার বাড়িতে থেকে মেট্রিকুলেশন, ইন্টার মিডিয়েট পরীক্ষা দেন। এরপর বিএ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। অত্যন্ত মেধাবী এবং পড়াশুনায় আগ্রহী ছাত্র ছিলেন। এরপর ১৯৩৭ সাল থেকে নিজেকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে নিবেদন করেন। অনেক দিন সামজিক আন্দোলন এবং ভারত রাষ্ট্র পুনর্নির্মাণের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেন। এরপর সংঘের প্রচারক হয়ে যান। ১৯৩৯ সালে নাগপুরে সংঘের প্রথমবর্ষ এবং ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বর্ষ সংঘ শিক্ষাবর্গ করেন। এরপর উপলব্ধি করেন সমাজকে সংস্কার করে ভরতের স্বাধীনতা অর্জন করা একান্ত প্রয়োজন। ধীরে ধীরে সমাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন।

    ভারতীয় জন সংঘের সভাপতি

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Pandit Deendayal Upadhyay) ১৮৬৭ সালে কালিকটে ভারতীয় জন সংঘের সভাপতি রূপে নির্বাচিত হন। তিনি ভারতীয় পরম্পরা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাসবোধের বাইরে গিয়ে ভারতের চিন্তাকে কখনই প্রকাশ করতেন না। ভারতীয় মানসিকতার মধ্যে বিদেশী সংস্কৃতির প্রভাবকে মুক্ত করার কথা বলতেন। এই জনসংঘের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন বাংলার আরেক রাজনীতিবিদ ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। বর্তমান ভারতের ভারতীয় জনতা পার্টি হল যথার্থ জনসংঘের উত্তরসুরী রাজনৈতিক দল।

    লেখক এবং সাংবাদিকতা

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Pandit Deendayal Upadhyay) অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র যেমন ছিলেন, সেই সঙ্গে প্রচুর লেখালেখি করেছেন। ভারতীয় পুরাণ, উপনিষদ, বেদ, রামায়ণ, মহাভারতের উপর প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল তাঁর। তিনি ভারতীয় হিন্দু রাজাদের বিষয়ে উপান্যাস লেখেন। “সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত” এবং “জগতগুরু শঙ্করাচার্য” নামক দুটি উপন্যাস লেখেন। এগুলি প্রকাশ হয়েছিল ১৯৪৬ এবং ১৯৪৭ সালে। আরএসএসের প্রচারক থাকার সময় ১৯৪৫ সালে মসিক “রাষ্ট্রধর্ম” এবং সপ্তাহিক “পঞ্চজন্য” সম্পাদনা করে প্রকাশ করতেন। এছাড়াও দৈনিক “স্বদেশ” নামক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ইংরেজরা চক্রান্ত করে দেশকে ভাগ করেছিল, তাই তিনি দেশভাগের জন্য অত্যন্ত ব্যথিত হন। ১৯৬৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মুঘলসরাই স্টেশনে রহস্যজনক ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়।

    একাত্ম মানববাদ

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Pandit Deendayal Upadhyay) মনে করতেন পুঁজিবাদ, সমাজবাদ, সাম্যবাদ, ব্যক্তি নির্ভর ভাবনার মধ্যে একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সব মতবাদের শিকড় দেশে নয় বিদেশে অর্থাৎ ভারতের বাইরে। এই ভাবনাগুলি মানুষের মূল্যবোধের মধ্যে মানবতার পরিসরকে অনেক দূরে নিয়ে চলে গেছে। তাই ভারতীয়ত্বকে সন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করতেন। আর তাই তিনি তাঁর একাত্ম মানবতাবাদে, মানুষের পরস্পর দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষের পরিসরকে মানবতার সমন্বয় এবং আত্ম্যানুভবের পরিভাষায় মানব দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর এই দর্শনে ব্যক্তিকে সমাজ-দেশ-রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাবে দেখান, ভারতীয় সমাজ পরিবারকে বর্জন করে কখনই দাঁড়িয়ে থাকতে পরে না। ব্যক্তির যেমন পরিবারের প্রতি দায়িত্ব থাকে, ঠিক তেমনি পরিবার তার অধিকারকে সুরক্ষিত করে। আবার পরিবার, সামজের প্রতি কর্তব্য পালন করলে, সমাজও পরিবারের অধিকারকে সুরক্ষিত করে। ঠিক তেমনি সমাজ, রাষ্ট্রের জন্য কর্তব্য পালন করে আর রাষ্ট্র, সমাজের অধিকারকে সুরক্ষিত করে। এই ভাবেই মানবজাতি পরস্পরের মধ্যে মেলবন্ধনে একাত্মভাবের প্রতি বিশ্বাসের নাম হল মানবাতাবাদ। সকালের কাছে এক সত্যকে অনুভব করার নাম হল একাত্ম মানবদর্শন।   

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share