Author: Krishnendu Bakshi

  • Dubai Tourist Multiple Visa: ভারতীয়দের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দিচ্ছে দুবাই, কেন জানেন?

    Dubai Tourist Multiple Visa: ভারতীয়দের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা দিচ্ছে দুবাই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের পাঁচ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা (Dubai Tourist Multiple Visa) দিচ্ছে দুবাই। এই ভিসায় ভারত ও গলফ দেশগুলিতে যাতায়াত করতে পারবেন তাঁরা। এ কথা জানিয়েছে দুবাই ডিপার্টমেন্ট অফ ইকনোমি অ্যান্ড ট্যুরিজম।

    প্রাক-করোনা পর্বের হিসেব

    জানা গিয়েছে, গত বছর ২.৪৬ মিলিয়ন ভারতীয় দুবাই গিয়েছিলেন। প্রাক-করোনা পর্বের পর এবার এটা বেড়েছে ২৫ শতাংশ। প্রতি বছরই দুবাই যাওয়ার মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এই সংখ্যাটাই ভারতের নম্বর ওয়ান সোর্স মার্কেট। ফি বছর যা বাড়ছে ৩৪ শতাংশ করে। এক বছর আগেও (Dubai Tourist Multiple Visa) ভারত থেকে দুবাই বেড়াতে গিয়েছিলেন ১.৮৪ মিলিয়ন পর্যটক। অথচ উনিশ সালে করোনা অতিমারি পর্বের আগে এ শহরে পা রেখেছেন ১.৯৭ মিলিয়ন ভারতীয় পর্যটক। করোনা-পর্বে নানা নিষেধাজ্ঞার জেরে দুবাই ঘুরতে যাওয়া পর্যটকের সংখ্যা কমলেও, ফের তা বাড়তে শুরু করেছে।

    মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা

    জানা গিয়েছে, এখন প্রাপ্ত বয়স্ক ভারতীয়রা মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নিয়ে পাঁচ বছরের জন্য দুবাই চলে যেতে পারবেন। প্রতিবার তাঁরা সেখানে থাকতে পারবেন টানা তিন মাস করে। এই ভিসার মেয়াদ আবারও তিন মাসের জন্য এক্সটেন্ড করা হবে। তবে সারা বছরে সব মিলিয়ে ১৮০ দিনের বেশি করা হবে না। মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পেতে গেলে আবেদনকারীকে কয়েকটি যোগ্যতামান পার হতে হবে। এরই একটি হল, ব্যাঙ্কে আবেদনকারীর অন্তত ৪ হাজার মার্কিন ডলার ব্যালেন্স থাকতে হবে। বিদেশি মুদ্রায় সম পরিমাণ অর্থ থাকলেও মিলবে ওই ভিসা।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে শর্তসাপেক্ষে সুকান্তকে ধর্নায় অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

    এর পাশাপাশি আবেদনকারীর থাকতে হবে স্বাস্থ্য বিমাও। যে বিমা কার্যকরী হবে সংযুক্ত আরব আমির শাহিতে। এই ভিসার সাহায্যে আবেদনকারীরা ব্যবসা সংক্রান্ত নানা কাজে দুবাই যেতে-আসতে পারবেন। অবসর বিনোদনের জন্যও যেতে পারবেন ওই দেশে। দুবাই ডিপার্টমেন্ট অফ ইকনমি অ্যান্ড ট্যুরিজমের রিজিয়নাল হেড অফ প্রক্সিমিটি বাদের আলি হাবিব বলেন, “দুবাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। ভারত আমাদের এই বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ডি৩৩ এজেন্ডার লক্ষ্যে পৌঁছতেই ভারত এটা করবে। ক্রমেই দুবাই হবে উঠবে একটি বিজনেস হাব, লগ্নি ও ট্যুরিজম কেন্দ্র (Dubai Tourist Multiple Visa)।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Paschim Medinipur: এলাকা দখল ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি!

    Paschim Medinipur: এলাকা দখল ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা রোডের কোল্লা গ্রামে (Paschim Medinipur)। মঙ্গলবার সাত সকাল থেকেই দেখা যায় ঘটনাস্থলে পড়ে রয়েছে তাজা বোমা। গতকাল সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্দল এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক ভাবে চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল এলাকায়।

    প্রকশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার চন্দ্রকোণা ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুরের কোল্লা গ্রামে জলসাকে ঘরে বিরাট গোলমাল বাধে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে। এক পক্ষের দাবি, বোমা বাজি করে আমাদের জলসা বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল ওরা। পালটা অপর পক্ষের দাবি, নির্বাচনী চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয় এক নেতাকে। কিন্তু অপর পক্ষের পছন্দ না হওয়ায় আচমকা বোমা নিয়ে হামলা করে। ঘটনায় বিরাট উত্তেজনা শুরু হলে পুলিশ ঘটনা স্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই ছিল উত্তাল

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই এই কোল্লা গ্রাম (Paschim Medinipur) ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। প্রত্যেক বার নিজেদের মধ্যে তৃণমূলের অন্দরে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের টিকিট না পেয়ে কিছু তৃণমূল নেতা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়ে জয় লাভ করেছিল। এরপর তাদের আবার দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এলাকায় বুথ সভাপতি এবং ব্লক সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের সঙ্গে মূলত দ্বন্দ্ব বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচনে আম চিহ্নে জয়ী প্রার্থীরা তৃণমূলে যুক্ত হলে ঝামেলার সূত্রপাত হয়।

    নির্দল-তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Paschim Medinipur) বুথ তৃণমূল সভাপতি জিয়াউর রহমানের অনুগামী আব্বাস উদ্দিন খান বলেন, “আমি আম চিহ্নে জয়ী হলে বর্তমান তৃণমূলের কর্মীরা হামলা করে এবং এরপর বোমাবাজি করে।” অপর দিকে ব্লক তৃণমূলের সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, “জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে বিষয় সম্পর্কে জানিয়েছি, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

    Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল মেদিনীপুর আদালত। উল্লেখ্য ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল মাওবাদীরা। এই হামলায় মোট মৃত্যু হয়েছিল মোট ২৩ জন সেনাকর্মীর। জামিনে থাকা ৯ জন সহ মোট ২২ জনকে আজ মঙ্গলবার মেদিনীপুর (Medinipur) আদালতে তোলা হয়েছিল। একজন অসুস্থ থাকায় তাঁকে আদলাতের বাইরে অ্যাম্বুল্যান্সে শুয়ে রাখা হয়েছিল।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য (Medinipur)

    মেদিনীপুরের (Medinipur) শিলাদার এই মাওবাদী হামলার ঘটনায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মাওবাদী নেতা ছিলেন সুদীপ চোংদার। বর্তমানে তার অবশ্য মৃত্যু হয়েছে। আদালতের রায় প্রসঙ্গে আইনজীবী দেবাশিষ মাইতি বলেন, “ওই ঘটনায় ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়েছিল। তার মধ্যে একজন মারা গিয়েছেন। ৯ জন জামিনে মুক্ত ছিলেন। আজ মঙ্গলবার মোট ২৩ জনকেই আদলাতে তোলা হয়। বিচারক সালিম শাহি সকলকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং জামিনে থাকা ৯ জনকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচারক বুধবার দোষীদের বক্তব্য শুনবেন, এরপর সাজা ঘোষণা করবেন।”

    অপরাধীদের নাম

    সূত্রে জানা গিয়েছে এই মামলা প্রথমে ঝাড়গ্রামে শুরু হয়েছিল। এরপর মামলা মেদিনীপুর (Medinipur) আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মামলায় দোষীদের নাম হল, লোচন সিংহ সর্দার, চুনারাম বাস্কে, রমসাই হাঁসদা, আশিস মাহাত, ধৃতিরঞ্জন মাহাত, অর্ণব দাম, বিষ্ণু সারেন, বুদ্ধেশ্বর মাহাত এবং প্রশান্ত পাত্র। এরা প্রত্যকে জামিনে মুক্ত ছিল। অপরে জেলা হেফাজতে ছিল শ্যামচরণ হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শুকলাল সরেন, রাজেশ মুন্ডা, মানস মাহাত, কানাই হাঁসদা, কল্পনা মাইতি, সনাতন সরেন, মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমনি হেমব্রম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কাজল মাহাত, রঞ্জন মুন্ডা এবং মঙ্গল সরেন।

    প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা হয়েছিল

    ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শিলদা (Medinipur) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় ২৪ জন ইএফআর সেনার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য এই ক্যাম্পের কাছেই ছিল পুলিশের স্ট্রোক ক্যাম্প। হামলায় জওয়ানদের গুলি করে খুন করা হয়। এরপর ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় । সেই সঙ্গে চালানো হয় অস্ত্র ভাণ্ডারের লুটপাট।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: ‘সায়নীকে হারিয়েছিল এখানকার তৃণমূলই’, দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ মমতার

    Mamata Banerjee: ‘সায়নীকে হারিয়েছিল এখানকার তৃণমূলই’, দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সায়নীকে হারিয়েছিল এখানকার তৃণমূলই’ কার্যত লোকসভার ভোটের আগে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এইভাবেই আসানসোলে বিধানসভা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। জেলা তৃণমূলের কর্মীদের উপর এবার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। উল্লেখ্য গত ২০২১ সালের বিধানসভায় তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। অপর দিকে তাঁকে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির জয়ী প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। মমতার (Mamata Banerjee) মন্তব্যে তৃণমূলের মধ্যেই অস্বস্থির ছায়া।

    কী বললেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    গতকাল সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি বৈঠক ছিল দুর্গাপুর সার্কিট হাউসে। বিধানসভা কেন্দ্রিক দলকে জয়ী করার লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করা হচ্ছিল। এরপর আসানসোল দক্ষিণের কথা উঠলে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গতবারের বিধানসভায় এই কেন্দ্রের হারকে নিয়ে তিনি বলেন, “আমার কাছে সব খবর রয়েছে। জেলার তৃণমূলের নেতারা বিশ্বাস ঘাতকতা করলে কাউকেই ছেড়ে কথা বলা হবেনা।” সেই সঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনকে নির্বাচনের সময় পিছনের সারিতে থাকার কথা বলেছেন তিনি। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, “ওই সংগঠনের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ এসেছে আমার কানে। দলের কর্মীদের বাদ দিয়ে বিরোধী দলের কর্মীদের কলকারখানা, সরকারি-বেসরকারি জায়গায় কাজের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যাঁরা এমন কাজ করেছেন তাঁরা ঠিক কাজ করেননি।”

    দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিলেন সায়নী

    আসানসোলে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পর সায়নী সেই সময় বলেছিলেন, “কিছু ভাল খেলা হয়েছে। কিছু খারাপ খেলাও হোয়েছে। তুমিও জানো আমিও জানি, কে ঠিক করে খেলেছে আবার কে ভুল খেলেছে। কে দলের হয়ে খেলেছে আবার কে দলের বিরুদ্ধে খেলেছে। সব থেকে বেশি কর্মীরাই জানেন।” তাই মমতার (Mamata Banerjee) মন্তব্যে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল স্পষ্ট বলে মনে করছে বিজেপি। মমতার স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, “প্রত্যেকে বিধানসভার যে সব আসনে তৃণমূলের বিধায়কেরা রয়েছেন, সেই সব আসনে লোকসভা ভোটে তাঁদেরকে দায়িত্ব নিয়ে জয়ী করতে হবে দলের প্রার্থীদের। বাকি আসনের দায়িত্ব থাকবে জেলা নেতৃত্বের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “আমেরিকা করলেও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেনি কানাডা”, ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “আমেরিকা করলেও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেনি কানাডা”, ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে আমেরিকা। করছে তদন্তও। তবে এ ব্যাপারে কোনও পদক্ষপ করছে না কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।” সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত কয়েক মাসে কানাডা ও আমেরিকায় ভারতীয় হাইকমিশনে হামলা চালিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। হামলা চালানো হয়েছে হিন্দু মন্দিরেও। তার পরেই বাইডেন সরকার পদক্ষেপ করলেও, করেনি ট্রুডো সরকার। সোমবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন জয়শঙ্কর। ভারত-কানাডা সম্পর্ক এবং খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী সমস্যা নিয়েও সোচ্চার হয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “আমাদের রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তাঁদের প্রাণহানির ঝুঁকি ছিল। তাই আমরা কানাডার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিলাম। এখন অবশ্য ভিসা দেওয়া ব্যবস্থা প্রায় স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। আসলে বাক স্বাধীনতার নামে কূটনীতিকদের ভয় দেখানো যায় না।” তিনি বলেন, “এটা বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার বলে আমি মনে করি।  হাইকমিশনারদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। তাঁদের কোনও নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। ভারতের পতাকা নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হল, এটাকে কী বাক স্বাধীনতা বলা যায়?”

    বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে

    তিনি বলেন, “আমেরিকায়ও একই ধরনের হামলা হয়েছিল। সেই দেশে এই ঘটনার তদন্ত চলছে। যদি কানাডা কোনও পদক্ষেপ না করে, তবে সেটাকে একটা বার্তা হিসেবেই পড়তে হবে। যারা আমাদের কূটনীতিকদের হুমকি দিয়েছে, যারা তাঁদের বিরুদ্ধে পোস্টার সাঁটিয়েছে, সেই সব বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: কেষ্ট গড়ে ধাক্কা খেল শাসক দল, তৃণমূলের যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা আশা করি, সানফ্রান্সিসকোয় যেসব কালপ্রিট আমাদের কনস্যুলেটে হামলা চালিয়েছিল, তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। আমরা আশা করি লন্ডনে আমাদের হাইকমিশনে যারা হামলা চালিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা এও আশা করি, কানাডায় যারা আমাদের কূটনীতিকদের হুমকি দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    প্রসঙ্গত, গত বছর ১৯ মার্চ লন্ডনের ভারতীয় হাইকমিশনে হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থী দুষ্কৃতীরা। ওই বছরেরই জুলাই মাসে সান সানফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে হামলা হয়েছিল। আর সেপ্টেম্বরে কানাডায় ভারতীয় কূটনীতিকদের হুমকি দিয়েছিল (S Jaishankar) বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: দিল্লির দাবিকে মান্যতা দিয়ে রুশ বাহিনী থেকে ছেড়ে দেওয়া হল ভারতীয়দের

    Russia Ukraine War: দিল্লির দাবিকে মান্যতা দিয়ে রুশ বাহিনী থেকে ছেড়ে দেওয়া হল ভারতীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা অঙ্কের টাকার চাকরি দেওয়ার অছিলায় লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia Ukraine War)। যুযুধান এই দুই দেশের সীমান্তে রুশ বাহিনীর সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভারতীয়। খবর প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে নয়াদিল্লি।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

    ভারতীয়দের অনুরোধ করা হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়তে। একই সঙ্গে ইতিমধ্যেই যেসব ভারতীয় রুশ বাহিনীতে সহায়কের কাজ করছিলেন, তাঁদেরও মুক্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। বন্ধু দেশ ভারতের দাবি মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে রাশিয়ার তরফে। সোমবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (Russia Ukraine War) এও জানিয়েছে, রুশ সেনাবাহিনী থেকে ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত মুক্তির বিষয় নিয়ে আলোচনাকেই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    রুশ বাহিনীতে নিয়োগ 

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে দু বছরেরও বেশি সময় ধরে। সেই কারণে রাশিয়ার তরফে বাহিনীতে নিয়োগ করা হচ্ছে বিদেশি নাগরিকদের। ইতিমধ্যেই রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছে অন্তত ২০০ নেপালিকে। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, যেসব নেপালি যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে নিহত হয়েছেন ১০ জন। নিখোঁজ শতাধিক। এসব খবর সামনে আসতেই নড়চড়ে বসে ভারত।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, গুচ্ছ নির্দেশিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    জানা গিয়েছে, রাশিয়া সেনার নিরাপত্তা বিষয়ক সহায়ক হিসেবে বেশ কয়েকজন ভারতীয় নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁদের বাধ্য করা হচ্ছিল ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানায়, রুশ সেনার সঙ্গে থাকা ভারতীয়রা মুক্তির জন্য সাহায্য প্রার্থনা করছে। এ সংক্রান্ত কিছু ভুল রিপোর্ট সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি। বিদেশ মন্ত্রক জানায়, প্রতিটি বিষয় মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাসের নজরে আনা হয়েছে। রাশিয়ার প্রশাসনের সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রকের নজরে আসা বিষয়গুলি নিয়েও দিল্লিতে অবস্থিত রুশ দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রকের কথায়, ফল স্বরূপ বেশ কয়েকজন ভারতীয়কে ইতিমধ্যেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেছে নয়াদিল্লি। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সকল ভারতীয়কে সতর্ক হতে ও এই সংঘাত থেকে দূরে থাকতে অনুরোধ করব (Russia Ukraine War)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, গুচ্ছ নির্দেশিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, গুচ্ছ নির্দেশিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। স্বচ্ছ ভোট করাতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। একই লোকসভা কেন্দ্রে বদলি করা যাবে না পুলিশ আধিকারিকদের। সম্প্রতি এই মর্মেই দেশের সব রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করে নির্বাচন কমিশন।

    কমিশনের নির্দেশ

    কমিশন জানিয়েছে, বদলির ক্ষেত্রে পুলিশ আধিকারিকদের একই লোকসভা কেন্দ্রে পাঠাতে পারবে না রাজ্যগুলি। যেসব আধিকারিক টানা তিন বছর এক জায়গায় পোস্টিং রয়েছেন, তাঁদের অন্যত্র বদলি করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের অন্তর্গত পার্শ্ববর্তী জেলায় বদলি করা যাবে না পুলিশ আধিকারিক বা নির্বাচনের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে যেসব পুলিশ আধিকারিকরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্বাচনী কাজে যুক্ত থাকবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও। হোম ডিস্ট্রিক্টে পোস্টিং রয়েছেন যাঁরা, বদলি করতে হবে তাঁদেরও। কমিশনের এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না কেবল সেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে, যেগুলিতে সর্বোচ্চ দুটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ

    প্রসঙ্গত, আগামী তিন মার্চ লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তার আগে শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব সব জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের ঢের আগেই রাজ্যে চলে আসবে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে আসবে আরও ৫০ কোম্পানি।

    আরও পড়ুুন: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    এদিকে, নির্বাচন নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ও নির্বাচন সংক্রান্ত বার্তা ভোটারদের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন ও ডাক বিভাগের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার এই মর্মে ওই দুই সংস্থার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। উপস্থিত ছিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার, নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল, ভারতীয় ডাক বিভাগের সচিব বিনীত পান্ড এবং আইবিএর মুখ্য প্রশাসক সুনীল মেটা। উপস্থিত ছিলেন ওই সংস্থাগুলির পদস্থ আধিকারিকরাও। মূলত ভোটারদের ভোটাধিকারের গুরুত্ব বোঝাতেই ব্যবহার করা হবে এই দুই সংস্থাকে (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দির ভাঙচুরের দাবি করে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় বিজেপি নেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, হিন্দু সনাতনী মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গা ছাড়া ভাবের জন্যই সনাতনীদের উপর বারবার আক্রমণ করার সাহস দেখাচ্ছে দুস্কৃতীরা। খবর জানাজানি হতেই প্রতিবাদে এলাকার মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

    উল্লেখ্য হাওড়া শহর অঞ্চলে গত বছর রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবং আইনের শাসন নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই মামলা পরবর্তীকালে হাইকোর্টে গড়ায় এবং তারপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। একবার ফের হাওড়ায় হিন্দু সমাজ আক্রান্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    সোমবার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ায় মোট ৫টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে হাওড়ায় রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং সিসিটিবি ফুটেজ প্রকাশ করে এই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককের কাছে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি।

    সামজিক মধ্যমে কী বললেন শুভেন্দু?

    হাওড়ায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুরের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন শুভেন্দু। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মন্দির পুরোপুরি লন্ডভণ্ড হয়ে আছে। অপর দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর ও যুবক মাথায় সাদা টুপি পড়ে মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় প্রচুর পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনার কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকাল রাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় ৫টি মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে স্থানীয়রা রাস্তায় নামেন। হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করেছি। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা দেশজুড়ে ৫৫৪টি রেল স্টেশন এবং ১৫৮৫টি রোড ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাশের পুনর্বিকাশ-এর জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘অমৃত ভারত’ (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পের অধীনেই স্টেশনগুলি তৈরি হবে। পুনর্বিকাশ কর্মসূচির মধ্যে এই রাজ্যে মোট ৪৫টি স্টেশন রয়েছে। তার মধ্যে হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল জংশনের জন্য সবচেয়ে বেশি মোট ৩০৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার ব্যান্ডেলে যান রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

    পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন (Amrit Bharat Rail Station)

    অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে গোটা দেশে ১২৭৫টি স্টেশন আধুনিকীকরণরের পরিকল্পনা নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সোমবার ৫৫০টি অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণ ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন হবে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে। তার মধ্যে হাওড়া মেইন শাখার ব্যান্ডেল-সহ ৮টি স্টেশন এই প্রকল্পের আওতায়। এদিন ব্যান্ডেল শরৎচন্দ্র রেলওয়ে ইনস্টিটিউট-এ রেলের তরফে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ডিজিটাল মাধ্যমে দেখানো হয়। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশন অমৃত ভারত প্রকল্পে উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৭০৪ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর শিলান্যাস অনুষ্ঠান শুরুর আগে ব্যান্ডেল স্টেশনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বাংলায় আর কোন কোন স্টেশন তালিকায় (Hooghly) 

    বাংলার যে গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলি অমৃত ভারতের (Amrit Bharat Rail Station) আওতায় আসবে তা হল, চন্দননগর, ডানকুনি, নৈহাটি, গেদে, বনগাঁ, বালুরঘাট, সহ একাধিক স্টেশন। সবকটি স্টেশনকে আধুনিকতার মোড়কে মুড়ে ফেলা হবে। হুগলির (Hooghly) চন্দননগর স্টেশনের আধুনিকীকরণের খরচ হবে ১৮ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ডানকুনি স্টেশন নতুন করে সাজাতে খরচ হবে ১৫ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। আবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় নদিয়ার গেদে স্টেশনকে সাজিয়ে তোলা হবে। এই স্টেশনের জন্য খরচ হবে ১৮ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। একই ভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ স্টেশনের জন্য সাজিয়ে তুলতে খরচ করা হবে মোট ২৮ কোটি টাকা। আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট স্টেশন সাজাতে খরচ হবে ২৪ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। স্টেশনে থাকবে চলমান সিড়ি থেকে শুরু করে ফুড কোর্ট, স্টেশন চত্বরে ঢোকা বেরনোর জন্য আলাদা যাতায়াতের পথ-সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হবে। এর পাশাপাশি উন্নতমানের পার্কিং-এর ব্যবস্থাও থাকবে।

    কী বললেন রাজ্যপাল

    অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার সকালেই কলকাতা থেকে ‘স্পেশাল ট্রেন’-এ ব্যান্ডেলে (Hooghly) যান রাজ্যপাল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের জিএম মিলিন্দ কে দেওস্কর। অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে সেজে উঠবে ব্যান্ডেল স্টেশন। রাজ্যপাল আগে কলকাতা থেকে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে অতিথিদের নিয়ে যাতায়াতের জন্য ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি’ ট্রেন চালু করার আবেদন করেছিলেন। ব্যান্ডেলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘প্রতি বছর দার্জিলিংয়ে চা উৎসব হয়। সেই উপলক্ষে সেখানে শিশু, যুবক, মহিলা খেলোয়াড় থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ কলকাতার রাজভবন থেকে দার্জিলিং রাজভবনের অতিথি হন। তাঁদের জন্য প্রতি বছর একটি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি রেল কর্তৃপক্ষকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lion Akbar Lioness Sita: সিংহ-সিংহীর নামকরণ করার দায়ে সাসপেন্ড ত্রিপুরার বনকর্তা

    Lion Akbar Lioness Sita: সিংহ-সিংহীর নামকরণ করার দায়ে সাসপেন্ড ত্রিপুরার বনকর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিংহ-সিংহীর নামকরণ করার দায়ে সাসপেন্ড করা হল ত্রিপুরার এক বনকর্তাকে। সিংহ-সিংহীর নামকরণ (Lion Akbar Lioness Sita) বিতর্কের জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। কেন সিংহের নাম আকবর রাখা হয়েছে, কেনই বা সিংহীর নাম সীতা, একই এনক্লোজারে কেন রাখা হয়েছে তাদের এসব প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    ভিএইচপির দাবি

    তাদের দাবি, রাজ্যের বন দফতর সিংহ ও সিংহীর নামকরণ করেছে। একই এনক্লোজারে রেখে অবমাননা করেছে ধর্মের। হাইকোর্টে করা মামলায় যুক্ত করা হয়েছে রাজ্যের বন দফতর ও জলপাইগুড়ি সাফারি পার্কের ডিরেক্টরকে। বিতর্ক এড়াতে রাজ্যকে নাম বদলের পরামর্শ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ।

    কী বলছে আদালত?

    শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ভট্টাচার্যের বেঞ্চের মন্তব্য, “কারা (Lion Akbar Lioness Sita) এই নাম রেখেছেন? এত বিতর্ক কারা তৈরি করছেন? কোনও পশুর নাম কি কোনও দেবতা, পৌরাণিক নায়ক, স্বাধীনতা সংগ্রামী অথবা নোবেলজয়ী ব্যক্তির নামে রাখা যায়? সিংহ ও সিংহীর নাম আকবর ও সীতা রেখে শুধু শুধু বিতর্ক ডেকে আনা হয়েছে। এই বিতর্ক এড়ানো যেত। শুধু সীতা নয়, আকবর নামটিও রাখা উচিত নয়। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের মহান সম্রাট ছিলেন। অত্যন্ত দক্ষ ও ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন। রাজ্যের উচিত ছিল এই ধরনের নামের বিরোধিতা করা।”

    আরও পড়ুুন: “স্বপ্ন পূরণে দিনরাত কাজ করে চলেছে ভারত”, রেলের অনুষ্ঠানে বললেন মোদি

    প্রসঙ্গত, ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজলা জুলজিক্যাল পার্ক থেকে শিলিগুড়ির সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হয় ওই সিংহ দম্পতিকে। বাংলার বন দফতর জানিয়ে দেয়, ওই সিংহ-সিংহীর নামকরণ করা হয়েছে ত্রিপুরায়ই। এমতাবস্থায় শনিবার ত্রিপুরার মুখ্য বন সংরক্ষণবিদ (বন্যপ্রাণ ও পর্যটন) প্রবীণ লাল আগরওয়ালকে সাসপেন্ড করেছে ত্রিপুরা সরকার। সাসপেন্ডেড ওই বনকর্তার কাছে সিংহ-সিংহীর এমনতর নামকরণের কারণ জানতে চেয়েছে ত্রিপুরা সরকার। যদিও সিংহ যুগলের (Lion Akbar Lioness Sita) এহেন নাম দেননি বলেই দাবি তাঁর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share