Author: Krishnendu Bakshi

  • Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ একান্তে বৈঠক, কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের চোদ্দতলায় মমতা-শাহ (Amit Shah Mamata Banerjee) বৈঠক। বৈঠক হয় মিনিট পনের ধরে। সূত্রের খবর, শনিবারের বারবেলায় ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিভিন্ন প্রকল্পের বাকি টাকা মেটানোর দাবিতে দেওয়া হয় স্মারকলিপিও। এদিন মমতা-শাহ বৈঠকের আগে দুজনে উপস্থিত ছিলেন নবান্ন সভাঘরে, ইস্টার্ন সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে। ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, একশো দিনের কাজের টাকা আমরা কিছুই পাচ্ছি না। এনিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন মমতা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জানিয়ে দেন, কীজন্য টাকা আটকে ছিল। তিনি বলেন, আপনাদের নিয়মকানুনে কিছু সমস্যা ছিল। তার জন্যই আপনাদের সমস্যা হচ্ছে। তখনই রাজ্যের মুখ্যসচিব বলেন, আমরা সব পাঠিয়ে দিয়েছি। আমাদের যা ভুলত্রুটি ছিল, সেগুলো ঠিক করে আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি। মমতা ফের বলেন, বিষয়টি আপনারা দেখুন।

    শাহি বৈঠক…

    জানা গিয়েছে, এদিন পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের পরেই লাঞ্চ করতে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তা শেষ করেই চলে যান নবান্নের ১৪ তলায়। তার পরেই হয় রুদ্ধদ্বার বৈঠক। তবে এই বৈঠকে ঠিক কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে ব্যাপারে রা কাড়েননি মমতা কিংবা শাহ কেউই। তবে জানা যাচ্ছে, এক দেশ এক পুলিশ নীতি নিয়ে নয়া বিল আনছে কেন্দ্র। ওই বিল পাশ হলে রাজ্যের অধিকার কিঞ্চিত খর্ব হতে পারে। এই বিষয়েই শাহের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    ইস্টার্ন সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকে মমতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। বিহার থেকে উপস্থিত হয়েছিলেন সে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব। এদিনের ওই বৈঠকে বিএসএফের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগে সরব হয় রাজ্যের শাসক দল। বিএসএফের অতিসক্রিয়তার জেরে নিরীহ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে রাজ্য। কোনও কোনও জায়গায় বিএসএফের নিষ্ক্রিয়তার জেরে চোরাচালান হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে রাজ্য। মমতা-শাহ বৈঠক প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিএসএফের ৭২টি আউটপোস্টের জন্য জমি দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। শুধু তাই নয়, পুলিশের সঙ্গে বোঝাপড়াটা মজবুত করাটাও প্রয়োজন। তা বলতেই বিশেষ করে মমতার সঙ্গে আলাদা করে কথা হয়েছে, দাবি শুভেন্দুর। বিএসএফকে সবরকমভাবে রাজ্যের সাহায্যের কথাও জানিয়েছেন শাহ, দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    Amit Shah Mamata Banerjee: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি (BJP)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে একশো দিনের কাজের মতো কয়েকটি কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়েও চলছে কেন্দ্র-রাজ্য চাপান-উতোর। পঞ্চায়েত নির্বাচনও দোরগোড়ায়। বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের সিবিআই হেফজতে রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এহেন আবহে আজ, শনিবার নবান্নে (Nabanna) বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Amit Shah Mamata Banerjee)। উপলক্ষ, পূর্বাঞ্চলীয় কাউন্সিলের বৈঠক। তবে মমতা-শাহ বৈঠক নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।

    কৌতূহল তুঙ্গে…

    যদিও প্রশাসনের একাংশের মতে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই বৈঠক একান্তভাবেই প্রশাসনিক। শাহের সঙ্গে এই বৈঠকে মমতা ছাড়াও থাকার কথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবেরও। ওড়িশা থেকেও থাকবেন সে রাজ্যের কোনও প্রতিনিধি। শাহের সঙ্গে সঙ্গে এই বৈঠকে থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা এবং অন্য আধিকারিকরা। ৫ নভেম্বর এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবের ব্যস্ততা থাকায় সেদিন বৈঠক হয়নি। সেই বৈঠকই হচ্ছে শনিবার। বৈঠক হবে সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত, নবান্ন সভাঘরে।

    এর আগে বিভিন্ন সময় কেন্দ্রের ডাকা বৈঠক সচেতনভাবেই এড়িয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কখনও ব্যস্ততার কারণে, কখনও অন্য কোনও অছিলায়। শেষমেশ এবার মুখোমুখি হচ্ছে দুই ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক দলের দুই শীর্ষ নেতা (Amit Shah Mamata Banerjee)। তাই মমতা-শাহ একান্ত বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সূত্রের খবর, সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলি নিয়ে রাজ্যের কী অবস্থান, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে বেশ কিছু দাবিপত্র তুলে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে জমি অধিগ্রহণের কাজ মার্চের মধ্যেই শেষ করতে রাজ্যকে বলেছে কেন্দ্র। সোমবার ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে এই আর্জি জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব। প্রসঙ্গত, জমি না পাওয়ায় আন্তর্জাতিক সীমান্তে ৭০ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া দেওয়া যাচ্ছে না। রাজ্যকে এই জমি অধিগ্রহণ করে দিতে হবে।

    এদিকে, শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার আগেই শুক্রবার শাহ বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতাদের সঙ্গে। বিজেপির রাজ্য দফতরে ওই বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ সহ শীর্ষ নেতারা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ের (Tawang) ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের। এর প্রধান কারণ, তাওয়াং জায়গাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় গুরুত্বের জন্যও তাওয়াংয়ের বিশেষ কদর রয়েছে চিনে (China)। সেই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে তাওয়াংকেই পাখির চোখ করেছে ড্রাগনের দেশ।

    তাওয়াং…

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত তাওয়াং। জায়গাটি ১৯৬২ সালে ভারত-চিন সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে ভারত এবং চিন দুই দেশের কাছেই তাওয়াংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ৬২-র যুদ্ধে তাওয়াং দখল করার পর ম্যাকমোহন লাইনের ভিতরে পড়ে যাওয়ায় চিন এটি খালি করেছিল। পরে চিন ম্যাকমোহন লাইন মানতে অস্বীকার করে। তাই ফের তাওয়াং দখল করতে চাইছে চিন। তাওয়াং নিজের কবজায় নিয়ে এসে ড্রাগনের দেশ চাইছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পাশাপাশি তিব্বতকে পর্যবেক্ষণ করতে। এই তাওয়াংয়ের সঙ্গে তিব্বতের ধর্মীয় নেতা বতর্মান দালাই লামার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৫৯ সালে তিব্বত ছেড়ে যাওয়ার পর এখানে কিছু দিন কাটিয়েছিলেন দালাই।

    চিন থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের জন্য দুটি পয়েন্ট সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটি তাওয়াং (Tawang), অন্যটি চাম্বা উপত্যকা। তাওয়াং রয়েছে চিন-ভুটান সংযোগস্থলে। আর চাম্বার অবস্থান নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। তাওয়াং দখল করতে পারলে চিন দাবি করবে, অরুণাচল প্রদেশ তাদেরই অংশ।  

    আরও পড়ুন: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    এদিকে, তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘর্ষ পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করছেন কেউ কেউ। কারণ উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, তাওয়াং সীমান্তের কাছে গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে চিন। এর পাশাপাশি একটি রাস্তাও তৈরি করেছে চিনা সেনাবাহিনী। প্রসঙ্গত, ৯ ডিসেম্বর তাওয়াংয়ের (Tawang) ইয়াঙ্গাটসে অঞ্চলে সংঘর্ষ হয় ভারত ও চিন সেনার। ওই এলাকায় থাকা ভারতীয় সেনা বাহিনীর ছাউনি সরাতে আসে প্রায় ৩০০ চিনা সেনা। তাদের হাতে ছিল কাঁটাযুক্ত লোহার লাঠি। ভারত বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। বেশ কিছুক্ষণ পরে পিছু হঠে চিনা সেনা। জানা গিয়েছে, পক্ষকাল ধরে এই হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল চিন সেনা। এ ব্যাপারে ভারত প্রথমেই সতর্ক হয়ে যাওয়ায় দ্রুত বদলে যায় পরিস্থিতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দুই বাঙালি বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। তার পরেই বিচারপতি দত্ত বলেন, আমি আসায় কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তাই এই মামলা আমি শুনব না। বিচারপতি দত্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন বিচারপতি হৃষিকেশ রায়। জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নতুন বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    বিচারপতি দত্ত…

    এদিন মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চে ওঠা মাত্র বিচারপতি দত্ত জানিয়ে দেন, তিনি এই মামলা শুনবেন এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরকারি কর্মীদের একাংশ অতি উৎসাহিত হয়ে এই মামলার রায় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সুপ্রিম কোর্টকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্যে রুষ্ট হন বিচারপতি দত্ত। সহমত পোষণ করেন বিচারপতি রায়ও। তার পরেই পিছিয়ে যায় শুনানি। সরকারি কর্মীদের কেউ কোনও বিরূপ মন্তব্য করে থাকলে তার জন্য দুই বিচারপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের দুই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং মীনাক্ষী অরোরা। তার পরেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন বিচারপতি দত্ত ও বিচারপতি রায়।  

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    প্রসঙ্গত, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর মধ্যে এই মামলায় সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী আদালতে থাকছেন না। তাই সুপ্রিম কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ বসবে না। এই বেঞ্চে যে মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তা হবে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই এই ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয়নি ওই মামলার।  

    এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেদিন রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা হাইকোর্ট যে হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তা দেওয়ার সঙ্গতি নেই রাজ্যের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jharkhand Crime: ঝাড়খণ্ডে যুবতীকে খুন করে ৫০ টুকরো, গ্রেফতার তাঁর স্বামী

    Jharkhand Crime: ঝাড়খণ্ডে যুবতীকে খুন করে ৫০ টুকরো, গ্রেফতার তাঁর স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) ৩৫ টুকরো করা হয়েছিল শ্রদ্ধা ওয়ালকারের দেহ। রাজস্থানের জয়পুরে কাকিমাকে খুন করে দেহ ১০ টুকরো করেছেন এক শিক্ষিত যুবক! এবার প্রায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand)। ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জে স্ত্রীকে খুন করে ৫০ টুকরো করল জনৈক যুবক। জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার নাম রুবিকা পাহাদিন। তাঁর স্বামী দিলদার আনসারিই তাঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ। দিলদারকে আটক করেছে পুলিশ।

    রুবিকা-দিলদার…

    পুলিশ সূত্রে খবর, রুবিকা দিলদারের দ্বিতীয় স্ত্রী। বছর দুয়েক ধরে তাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। সম্প্রতি বিয়ে করেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ সাহেবগঞ্জের সান্থালি মোমিন তোলা এলাকা থেকে এক মহিলার টুকরো টুকরো দেহাংশ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করেছিল, বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ওই মহিলাকে ফাঁকা, শুনশান জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে খুন করা হয় তাঁকে। টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হয় দেহ। ওই যুবতীর পরিবার থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গেলে দেহাংশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। দেহ শনাক্ত করেন মৃতের পরিবারের লোকজন।

    আরও পড়ুন: রাজস্থানে শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    সাহেবগঞ্জের পুলিশ সুপার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বছর বাইশের এক যুবতীর দেহের ১২টি টুকরো পাওয়া গিয়েছে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে। ওই যুবতী আদিবাসী সম্প্রদায়ের। এখনও শরীরের বেশ কিছু অংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেগুলির খোঁজে তল্লাশি চলছে। পুলিশ ওই যুবতীর স্বামী দিলদার আনসারিকে আটক করেছে। যাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তিনি দিলদারের দ্বিতীয় স্ত্রী। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের।

    ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন বিজেপির ঝাড়খণ্ড মুখপাত্র প্রতুল সহদেব। তিনি বলেন, হেমন্ত সরকারে আমলে কন্যা সন্তানদের ওপর নৃশংসতার ঘটনা বাড়ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু ফ্রাসট্রেটেড মানুষ এই ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। তার পরেও সরকার ঠুঁটো হয়ে বসে রয়েছে। কিছুই করছে না। তিনি বলেন, যদি সরকার দৃঢ় কোনও পদক্ষেপ না করে, তাহলে আমরা পথে নামব। সরকারকে যোগ্য জবাবও দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘যারা উন্নয়নের বিপক্ষে, তাদের লালকার্ড দেখানো উচিত’, শিলংয়ে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা উন্নয়নের পক্ষে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে, তাদের লালকার্ড (Red Card) দেখানো উচিত আমাদের। পূবে তাকাও (Look East) এবং পূবে কাজ কর (Act East)-এর বদলে নয়া নীতি হল পূবে কাজ কর এবং প্রথমে কর উত্তর পূর্বে। রবিবার মেঘালয়ের শিলংয়ে (Shillong) এই কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন নর্থ-ইস্টার্ন কাউন্সিলের একটি বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ভাষণ দেন। সেই সময়ই তিনি উত্তর পূর্ব ভারতের দিকে বেশি করে নজর দেওয়ার ওপর জোর দেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে উদ্বোধন হয়েছিল নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের। এই কাউন্সিলের এবার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব। সেই উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি এবং নর্থ-ইস্টার্ন রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা।

    মোদি উবাচ…

    এদিন ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নর্থ ইস্টার্ন কাউন্সিলের যখন সুবর্ণ জয়ন্তী চলছে, তখন দেশে চলছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। নর্থ ইস্টার্ন অঞ্চলের আটটি রাজ্যকে প্রধানমন্ত্রী অষ্টলক্ষ্মী বলে উল্লেখ করেন প্রায়ই। এদিন তিনি বলেন, সরকারের উচিত এই অঞ্চলে আটটি ফাউন্ডেশন পিলার তৈরি করা। এই আটটি পিলার কী, তা নিজেই ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এই আটটি পিলার হল শান্তি, ক্ষমতা, পর্যটন, ৫ জি কানেক্টিভিটি, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক আবাদ, স্পোর্টস ও পোটেনসিয়াল।

    আরও পড়ুন: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি যে তাঁর কাছে অবহেলিত নয়, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার সরকারের কাছে উত্তর-পূর্ব ও তার সীমান্ত এলাকা দেশের শেষ এলাকা নয়। এটা প্রতিরক্ষা ও সমৃদ্ধির গেটওয়ে। এই রাজ্যগুলি থেকে যে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের ব্যবসা হয় এবং নিরাপত্তা বজায় থাকে, তাও এদিন মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নর্থ-ইস্টে উন্নয়নের করিডর বানানোর ওপর জোর দিচ্ছি আমরা, সীমান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বের জন্য নয়। মোদি বলেন, চলতি বছর উত্তর-পূর্বে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে কেন্দ্র ৭ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করছে। আট বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকারও কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    Bilkis Bano: সুপ্রিম কোর্টে খারিজ বিলকিস বানোর আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) খারিজ হয়ে গেল বিলকিস বানোর (Bilkis Bano) আর্জি। সাজার মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তি দেওয়া হয় বিলকিসের ধর্ষকদের। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন বিলকিস। তাঁর তরফে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের কাছে বিলকিসের আইনজীবী শোভার দাবি ছিল, ধর্ষণ ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মেয়াদ শেষের আগেই মুক্তির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক। আজ, শনিবার বিলকিস বানোর সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    বিলকিস ধর্ষণ মামলা…

    ১৫ অগাস্ট বিলকিস ধর্ষণ মামলায় ১১ জন সাজাপ্রাপ্তকে ছেড়ে দেয় গুজরাট সরকার। যাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ১৫ বছরেরও বেশি সময় জেলে ছিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন দেশের বিরোধী দলগুলির নেতারা। এরই মধ্যে দেশের শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন বিলকিস। আর্জিতে তাঁর দাবি, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে ওই ১১ জন ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে গুজরাট সরকার। যা সমাজের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর গুজরাটে (Gujarat) শুরু হয় হিংসা। ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড়ে ভয়াবহ হামলা হয়। গ্রামের বাসিন্দা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিলকিসকে (Bilkis Bano) গণধর্ষণ করা হয়। আছড়ে মেরে ফেলা হয় তাঁর তিন বছরের মেয়েকে। তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে হত্যা করা হয়। এই অপরাধকে বিরল থেকে বিরলতম আখ্যা দিয়ে কঠোর সাজার পক্ষে সওয়াল করেছিল সিবিআই (CBI)। ২০০৮ সালের ২১ জানুয়ারি মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। মামলা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়। মুক্তি দেওয়া হয় ১১ জনকে।

    বিলকিসের (Bilkis Bano) পিটিশনে বলা হয়েছে, দেশ যখন ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছিল, তখন সব সাজাপ্রাপ্তকে আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে তাদের মালা পরানো হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল। তা থেকেই বর্তমান মামলাকারী (বিলকিস), পুরো দেশ ও দুনিয়া জানতে পারে যে দেশের অন্যতম জঘণ্য অপরাধে দণ্ডিতদের আগাম মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যে ঘটনায় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Bangladesh: বাংলাদেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কেন হল জানেন?

    Bangladesh: বাংলাদেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল, কেন হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতেও দ্রুত গতিতে উন্নতি করছিল ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ (Bangladesh)। করোনা (Covid-19) পরিস্থিতির উন্নতি হলেও অব্যাহত ছিল বৃদ্ধির হার। পরে বাঁধে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Eukraine war)। এদিন নয়া একটি বিবৃতি জারি করে সরকার। সেখানেই বলা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে মার খাচ্ছে বাংলাদেশের (Bangladesh) রফতানি। মার খেয়েছে দেশের ফোরেক্স রিজার্ভসও।

    বাংলাদেশের অর্থনীতি…

    সম্প্রতি হাঁড়ির হাল হয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির। জানা গিয়েছে, গত মাসে আর্থিক সাহায্যের জন্য বাংলাদেশ দ্বারস্থ হয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের অর্থ সাহায্য পাবে। দেশের অর্থনীতির হাল তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছিল বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, সংক্ষেপে বিএনপি। ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে শামিল হয়েছিল তারা। লক্ষ্য ছিল, দেশের শাসক দল আওয়ামি লিগ এবং ওই দলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোণঠাসা করা। প্রসঙ্গত, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার।

    কী কারণে হাঁড়ির হাল হল বাংলাদেশের অর্থনীতির? আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশের শক্তপোক্ত অর্থনীতি সম্প্রতি জোর ধাক্কা খেয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে। এই যুদ্ধের জেরে নগদের জোগানে টান পড়েছে। দ্রুত কমতে শুরু করে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে, কমেছে বৃদ্ধি।

    আরও জানা গিয়েছে, মার্কিন ডলারের তুলনায় বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার দর গত কয়েক মাসে পড়েছে হু হু করে। এর ফলে বেড়েছে আমদানি খরচ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যেখানে বাংলাদেশি টাকায় এক মার্কিন ডলারের মূল্য ছিল ৮৬টাকা, সেখানে বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকায়। বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ারেও পড়েছে টান। গত বছর ডিসেম্বরে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ছিল ৪৬ হাজার ১৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেটাই এখন কমে দাঁড়িয়েছে, ৩৩ হাজার ৭৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

     

     

  • Kiren Rijiju: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    Kiren Rijiju: ফের কলেজিয়ামকে নিশানা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর! কী বললেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি (Judges) নিয়োগের নয়া ব্যবস্থা তৈরি না হলে উচ্চ আদালতে (High Court) শূন্য পদের সমস্যা মিটবে না। পুরানো মামলার পাহাড়ও কমানো যাবে না। শুক্রবার রাজ্যসভায় এই কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। মাসখানেক আগে দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়। তখন থেকেই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু বিচারপতি নিয়োগের যে কলেজিয়াম ব্যবস্থা রয়েছে, তার সমালোচনা করতে শুরু করেছেন। এদিনও কলেজিয়ামকেই ফের একবার নিশানা করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। এর আগে বৃহস্পতিবারও তিনি বলেছিলেন, এত মামলা যখন ঝুলে রয়েছে, তখন জামিনের আর্জি শোনা উচিত নয় সুপ্রিম কোর্টের।

    শূন্যপদের সংখ্যা…

    এদিন রাজ্যসভায় মোদি (PM Modi) সরকারের আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতে বকেয়া মামলার সমস্যা মিটছে না। শূন্য পদ রয়েছে। কিন্তু বিচারপতি নিয়োগে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত। সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আদালতে ছুটির তালিকা যে দীর্ঘ, এদিন তারও উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। রিজিজু বলেন, সুপ্রিম কোর্টে বছরে ১৪১ দিন, হাইকোর্টগুলিতে বছরে ১৫৫ দিন ছুটি থাকে। অনেক দিন ছুটি থাকায় মানুষের বিচার পেতে সমস্যা হচ্ছে। শুধু আইনমন্ত্রী নন, সংসদের চলতি অধিবেশনের প্রথম দিন রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও বিঁধেছিলেন বিচার বিভাগকে।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    সংসদে পাশ হওয়ার পরেও জাতীয় বিচারপতি নিয়োগ কমিশন আইন খারিজ করে দেওয়ার জন্য দেশের শীর্ষ আদালতের সমালোচনাও করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মামলার সংখ্যা পাঁচ কোটির কাছাকাছি। তিনি বলেন, এর অনেক কারণ রয়েছে। তবে তার মধ্যে প্রধান কারণটি হল, বিচারপতি নিয়োগ এবং শূন্যপদ পূরণ। জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, ডিস্ট্রক্ট এবং লোয়ার কোর্টগুলিতে বিচারপতি ও বিচারক মিলিয়ে রয়েছেন ১৯ হাজার ১৯২ জন। যদিও পদ রয়েছে ২৫ হাজার ১১টি। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আদালতে পিটিশন জমা পড়ে রয়েছে ৫৯.৫৬ লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    BJP: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর (Nehru) ভারত (India) নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের (China) কাছে। এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই কেন্দ্রকে নিশানা করেছে বিরোধী দলগুলি। এ নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছেন রাহুল গান্ধীও। তাঁর দাবি, চিন যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, তখনও কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উদ্বেগ নেই। সরকার বিষয়টিতে গুরুত্বই দিচ্ছে না। রাহুলের এহেন মন্তব্যেরই পাল্টা দিল বিজেপি।

    রাহুলকে নিশানা…

    বর্তমানে ভারত জোড় যাত্রা কর্মসূচি পালন করছেন রাহুল গান্ধী। এদিন তাঁকেই নিশানা করেন বিজেপির মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী চিনের এতটাই কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন যে তিনি বুঝে যাচ্ছেন, চিন এবার কী করবে। রাহুলকে মুখের মতো জবাব দিতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রসঙ্গ টানেন বিজেপির মুখপাত্র। ১৯৬২-র ভারত-চিন যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ভারত জোড় যাত্রা চলাকালীন রাহুল গান্ধী দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন, যাতে দেশের সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে যায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের কাছে। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তি হয়েছে বলেও দাবি করেন রাঠোর। তিনি বলেন, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন চলে চিনের টাকায়। তার পরেই চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তির হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাঠোর বলেন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিকবার দখলদারির চেষ্টা করেছিল চিন। তিনি জানান, নরেন্দ্র মোদির আমলে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে তিনগুণ। প্রসঙ্গত, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় হাতাহাতি হয় চিনা ফৌজের সঙ্গে ভারতীয় সেনার। এই প্রসঙ্গেই রাহুল বলেছিলেন, লাদাখের কাছে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ঘুমিয়ে রয়েছে। এর পরেই রাহুলকে একহাত নেয় বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share