Author: Krishnendu Bakshi

  • Digital India: লাদাখ, আন্দামান নিকোবরেও হাইস্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা

    Digital India: লাদাখ, আন্দামান নিকোবরেও হাইস্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এবার দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও চালু হয়ে গেল হাইস্পিড ফাইবার ইন্টারনেট পরিষেবা। লাদাখ (Ladakh) এবং আন্দামান (Andaman) ও নিকোবরে (Nicobar) মিলছে ওই পরিষেবা। ইন্টারনেট (Internet) পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা এয়ারটেলের (Airtel) দাবি, তারাই প্রথম প্রাইভেট ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার যারা প্রথম প্রত্যন্ত অঞ্চলে চালু করল ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড পরিষেবা।

    জানা গিয়েছে, এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবারের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন লাদাখের লেহ, আন্দামানের পোর্টব্লেয়ার ও নিকোবরের বাসিন্দারা। এই তিন কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতেও আগামী মাসেই পৌঁছে দেওয়া হবে এই পরিষেবা।

    আরও পড়ুন : এই ভুলটা করলেই হ্যাক হয়ে যাবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ! জেনে নিন এর থেকে বাঁচার উপায়…

    টেলকম দফতরের সচিব কে রাজারামণ বলেন, এয়ারটেল লাদাখ এবং আন্দামান নিকোবরে ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করেছে দেখে আমরা খুব খুশি। চেন্নাই এবং পোর্ট ব্লেয়ারের মধ্যে সমুদ্রের তলদেশে কেবল সংযোগ চালু করার ফলে এই অঞ্চলে উচ্চগতির ডেটা সংযোগ এনেছে টেলিকম মন্ত্রক। সরকারের ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভিশন প্রকল্পে এটা হয়েছে।

    ভারতী এয়ারটেলের সিইও বীর ইন্দার নাথ বলেন, এই অঞ্চলগুলিতে এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবারের উচ্চমানের ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দিতে পেরে আমরা খুশি। উপভোক্তাদের চাহিদা পূরণ করতে এয়ারটেল বিনিয়োগ করছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের দু হাজার শহরে আমরা ফাইবার টু দ্য হোম ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা করেছি।

    আরও পড়ুন : কী করে বুঝবেন কেউ আপনাকে হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করেছে কি না?

    সংস্থা সূত্রে খবর, এই অঞ্চলের গ্রাহকরা ওয়াইফাই রাউটার সহ এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবার পাবেন। যার ফলে ডাউনলোড কিংবা আপলোডের স্পিড একলপ্তে বেড়ে যাবে অনেকখানি। এক সঙ্গে ৬০টি ডিভাইসে স্থাপন করা যাবে সংযোগও।

    এও জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে এয়ারটেল এক্সট্রিম ফাইবারের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৪৮ লক্ষ। ছোট বড় মিলিয়ে দেশের ৮৪৭টি শহরে মিলত পরিষেবা। এয়ারটেলের লক্ষ্য, আগামী পঁচিশ সালের মধ্যে এই পরিষেবা দেশের দু হাজার শহরের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।ওই বছরের মধ্যে বাড়ি বাড়ি ব্রডব্যান্ড পরিষেবা ১৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ৪ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কোম্পানি।

     

  • Wheat Re-Export Ban: এদেশ থেকে কেনা গম বেচতে পারবে না আমদানিকারী দেশ, শর্ত ভারতের

    Wheat Re-Export Ban: এদেশ থেকে কেনা গম বেচতে পারবে না আমদানিকারী দেশ, শর্ত ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) থেকে কেনা গম (Wheat) নিয়ে ব্যবসা করা চলবে না। এই মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দিতে হবে। তবেই গম রফতানি করবে নয়াদিল্লি (New Delhi)। ভারতের এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে ইতিমধ্যেই চার মাসের জন্য ভারত থেকে কেনা গমের ওপর রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE)। 

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদক দেশ ভারত। তবে তাপপ্রবাহের কারণে আগের বছরের তুলনায় এবার গমের উৎপাদন কমেছে প্রায় সাড়ে চার শতাংশ। তাই গম রফতানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নয়াদিল্লি। যদিও পরে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দেয়, কোনও দেশ অনুরোধ করলে সে দেশে গম রফতানির অনুমতি দেওয়া হবে। 

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গম রফতানি। যুদ্ধরত দুই দেশ বিশ্বের মোট রফতানির ৩০ শতাংশ গম সরবরাহ করে। যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ায় তারা আর ওই পরিমাণ গম সরবরাহ করতে পারছে না। গম রফতানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারতও। এই সব কারণেই বিশ্ববাজারে গমের দাম বাড়তে থাকে হু হু করে।

    এরই সুযোগ নিতে থাকে বিভিন্ন দেশের এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। মোটা মুনাফার লোভে তারা ভারত থেকে আমদানিকৃত গম ভিন দেশে রফতানি করতে শুরু করে। এর পরেই ভারত “নো-রিএক্সপোর্ট” মুচলেকা চায়। নয়াদিল্লির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, যে দেশ ভারত থেকে গম আমদানি করবে, তারা সেটা কেবলমাত্র নিজেদের দেশে বসবাসকারী মানুষের জন্যই ব্যবহার করতে পারবে। এর পরই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি আগামী চার মাসের জন্য গম রফতানিতে জারি করেছে নিষেধাজ্ঞা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরফে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা।

    কিছুদিন আগেই জারি করা এক নির্দেশিকায় ভারত জানিয়েছিল, যে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে গম রফতানি করা প্রয়োজন, সেই দেশে সরকারের অনুমতিক্রমে গম রফতানি চলতে পারে। আরও বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ করে গমের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত ও তার আশপাশের দেশগুলিতে খাদ্যের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেই সূত্রেই বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং সিঙ্গাপুরে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডের ভিত্তিতে গম রফতানিতে রাজি হয়েছে ভারত। 

     

  • Rahul Gandhi: শুক্রে ফের জেরা ‘ক্লান্ত’ রাহুলকে, উঠল মতিলাল ভোরার নামও

    Rahul Gandhi: শুক্রে ফের জেরা ‘ক্লান্ত’ রাহুলকে, উঠল মতিলাল ভোরার নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর তিন দিন জেরা। প্রতিদিন প্রায় ১০ ঘণ্টা করে। স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তাই চেয়েছিলেন বিরতি। ইডির (ED) তরফে মিলেছেও ছুটি। সেই কারণে বৃহস্পতিবার রাহুলকে জেরা করা হবে না বলে ইডি সূত্রে খবর। শুক্রবার তিনি ফের মুখোমুখি হবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    ইডির একটি সূত্রে দাবি, রাহুলকে বৃহস্পতিবারই তলব করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বিরতি চাওয়ায় তা মঞ্জুর করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইডির এক কর্তা বলেন, গত তিনদিন ধরে রাহুলকে জেরার অডিও এবং ভিডিও রেকর্ডিং করা হচ্ছে। লেখা হচ্ছে বয়ানও। সেই বয়ানে স্বাক্ষর করানোর পরেই মিলছে ছুটি। তাই দীর্ঘায়িত হচ্ছে জেরা প্রক্রিয়া। ওই বয়ান রাহুলের মা সোনিয়া গান্ধীর বয়ানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। ৮ জুন তলব করা হয়েছিল সোনিয়াকে। করোনা সংক্রিমিত হওয়ায় আপাতত তিনি ভর্তি হাসপাতালে। তাই ২৩ জুন তলব করা হয়েছে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীকে।

    আরও পড়ুন : ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    ইডি সূত্রে খবর, জেরায় রাহুল জানিয়েছেন, ইয়ং ইন্ডিয়া থেকে একটি টাকাও নেননি তিনি। ইয়ং ইন্ডিয়া একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। যদিও ইডির পাল্টা দাবি, ২০১০ সালে সংস্থাটি গঠিত হওয়ার পর থেকে কোনও সেবামূলক কাজ করেনি।যদি করে থাকে তার প্রমাণস্বরূপ ইডির কাছে নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাহুলকে। কংগ্রেস সাংসদের দাবি, ইয়ং ইন্ডিয়া এবং কংগ্রেসের মধ্যে কী লেনদেন হয়েছে, সেসব কিছুই তিনি জানেন না। রাহুলের দাবি, সবটাই দেখতেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা মতিলাল ভোরা। ইয়ং ইন্ডিয়ার ব্যালেন্স শিটও দেখতেন তিনিই।

    আরও পড়ুন : রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    এদিকে, শুক্রবার রাহুলকে চতুর্থ দফার জেরার দিনও ফের একবার উত্তাল হতে পারে রাজধানী দিল্লি। গত তিন দিনের মতো সেদিনও দিল্লিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে পারেন কংগ্রেস নেতারা। আজ, বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে রাজভবন ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল।

     

  • Presidential Election: সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?  

    Presidential Election: সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ, মঙ্গলবারই রাষ্ট্রপতি (President) পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে বিজেপি (BJP)। সূত্রের খবর, এদিন সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবেন বিজেপি নেতৃত্ব। তার পরেই চূড়ান্ত হবে প্রার্থীর নাম। ইতিমধ্যেই এনিয়ে ১৪ জনের একটি কমিটি তৈরি করেছে পদ্ম শিবির।এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

    জুলাই মাসের ১৮ তারিখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ জুন। নির্বাচন হলে ভোট গণনা হবে ২১ জুলাই। বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ শেষ হবে জুলাই মাসের ২৪ তারিখে। তার মধ্যেই সেরে ফেলতে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজনীয় ভোট এনডিএ-র নেই। তাই বিজু জনতা দল ও ওয়াইএসআরসিপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদের লড়াইয়ে মুখ ফেরালেন মমতার তিন প্রার্থীই

    এদিকে, একটি সূত্রের খবর, বিজেপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হতে চলেছেন বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। সংঘ পরিবারের ইচ্ছেতেই তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করতে চলেছে পদ্ম নেতৃত্ব। উপরাষ্ট্রপতিকে আপাতত কয়েক দিনের জন্য সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করে দিল্লিতেই থাকতে বলা হয়েছে। নাইডু রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হলে তাঁকে সমর্থন করবে কেসিআরের দল তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি। কারণ নাইডু অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের ভূমিপুত্র। তাছাড়া নাইডুর সঙ্গে কেসিআরের ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভাল। বিজেপির এক দিল্লির নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের ভোটের যে খামতি রয়েছে, তা তো পূরণ হবেই, প্রয়োজনের থেকে অনেক বেশি সংখ্যক ভোট আমাদের ঝুলিতে আসবে। তিনি বলেন, এনডিএর বাইরে বিজেপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের পাশাপাশি টিআরএসও আমাদের প্রার্থীকেই সমর্থন করবে। অন্য বিরোধী কয়েকটি দলের থেকেও সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    এদিকে, নাইডুর নাম এক প্রকার ঠিক হতেই তাঁর  পক্ষে সমর্থন জোগাড়ে নেমে পড়েছে বিজেপি। ঠিক হয়েছে, বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করবেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী। দেশের আইআইটি, আইআইএমের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধিকারিক, ন্যাটো, রাষ্ট্রসংঘের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মহিলাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও করবেন ভার্চুয়াল বৈঠক।

    এদিকে, এদিনই সন্ধ্যায় বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপি বিরোধী ১৭টি রাজনৈতিক দল। বিরোধীদের তরফে রাষ্ট্রপতি পদে শোনা যাচ্ছে এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা, মাহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম। তবে পাওয়ার এবং ফারুক দুজনেই জানিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হতে রাজি নন তাঁরা।

     

  • Gautam Adani: বিল গেটসকে টপকে  বিশ্বের চতুর্থ ধনী ব্যক্তি আদানি, দশম স্থানে মুকেশ 

    Gautam Adani: বিল গেটসকে টপকে  বিশ্বের চতুর্থ ধনী ব্যক্তি আদানি, দশম স্থানে মুকেশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের চতুর্থ ধনী (Rich) ব্যক্তি কে জানেন? তিনি থাকেন এই ভারতেই (India)। বিশ্বের এই অন্যতম ধনকুবেরের নাম গৌতম আদানি (Gautam Adani)। তাঁর সম্পত্তির বহর ছাপিয়ে গিয়েছে মার্কিন ধনকুবের মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের (Bill Gates) সম্পত্তিকেও।

    প্রতিবছর বিভিন্ন ধন কুবেরের সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরে ফোরবেস রিয়্যাল টাইম। বৃহস্পতিবার তাদের প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায় চার নম্বরে নাম রয়েছে ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৯ লক্ষ ২১ হাজার কোটি টাকা। ধনী ব্যক্তিদের ওই তালিকায় নাম রয়েছে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসেরও। তবে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ আদানির চেয়ে কম। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতার সম্পত্তির পরিমাণ ৮ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ওই তালিকায় নাম রয়েছে আরও এক ভারতীয়ের। তবে তিনি রয়েছেন তালিকার দশম স্থানে। তিনি আর কেউ নন, রিলায়েন্স জিওর মুকেশ আম্বানি। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৭ লক্ষ ১৮ হাজার কোটি টাকা।

    আরও পড়ুন : বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি

    আদানি চতুর্থ স্থানে থাকলেও, প্রথম স্থানে নেই কোনও ভারতীয়। ধনকুবেরদের এই তালিকায় প্রথম স্থানটি দখল করেছেন টেলসা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৯ লক্ষ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকায় ট্যুইটার কিনে নেওয়ার কথা হয়েছিল মাস্কের। এই তালিকায় মাস্কের পরে রয়েছেন আরও দুজন। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন আদানি। বর্তমানে বন্দর, খনি ও গ্রিন এনার্জি ক্ষেত্রে ব্যবসা রয়েছে তাঁর। গত তিন বছরে আদানি সাতটি বিমানবন্দর ও ভারতের এয়ার ট্রাফিকের এক চতুর্থাংশ জায়গায় নিজের প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছেন। তাঁর গ্রুপ দেশের সব চেয়ে বড় বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রক ও শক্তি উৎপাদক। এদিকে, গ্যাডটের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ইজরায়েলের একটি বন্দরের টেন্ডার পেয়েছেন বলে জানান আদানি।

    আরও পড়ুন : পিছিয়ে পড়লেন আদানি! আবারও এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি আম্বানি

     

  • Rahul Gandhi: মঙ্গলে ফের ইডির জেরা রাহুলকে, লক্ষ্মীবারে সোনিয়াকে

    Rahul Gandhi: মঙ্গলে ফের ইডির জেরা রাহুলকে, লক্ষ্মীবারে সোনিয়াকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চল্লিশ ঘণ্টা জেরা করা হয়ে গিয়েছে। তার পরেও সন্তুষ্ট নয় ইডি (ED)। সেই কারণেই আজ, মঙ্গলবারও ফের ইডির জেরার মুখে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। গত সপ্তাহে তিন দিন টানা জেরা করা হয় রাহুলকে। সোমবার জেরা করা হয় আরও এক প্রস্ত। ইডির দাবি, তার পরেও মেলেনি সন্তোষজনক উত্তর। তাই মঙ্গলবার ফের জেরা করা হচ্ছে রাহুলকে।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (national herald case) আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গত সপ্তাহে পরপর তিনদিন রাহুলকে জেরা করেন ইডির আধিকারিকরা। প্রতিদিন প্রায় দশ ঘণ্টা করে জেরা করা হয় তাঁকে। শুক্রবার বিরতি নিয়েছিলেন ‘ক্লান্ত’ রাহুল। সোমবার ফের ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। এদিনও ঘণ্টা দশেক ধরে জেরা করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন : ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে তলব করেছিল ইডি। বিদেশে থাকায় প্রথমবার ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। নির্ধারিত সময়ে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি সোনিয়াও। করোনা সংক্রমিত হওয়ায় হাজির হতে পারেননি তিনি। দেশে ফেরার পর ইডি দফতরে হাজিরা দেন রাহুল। চলে টানা জিজ্ঞাসাবাদ। এদিকে, সোমবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে ফিরেছেন সোনিয়া। ২৩ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ইডির তরফে।

    আরও পড়ুন : রাহুলের হাজিরাকে কেন্দ্র করে নয়া ছক কংগ্রেসের? সোনিয়াকে সময় দিল ইডি

    ২০১১ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড, কোয়াম-ই-আওয়াজ এবং নবজীবন এই তিনটি সংবাদপত্র অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেডের কাছ থেকে অধিগ্রাহণ করে রাহুল ও সোনিয়ার মালিকানাধীন ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থা। রাহুল ও সোনিয়া ওই সংস্থার ৭৬ শতাংশের মালিক। বাকি দুই শেয়ার হোল্ডার হলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা অস্কার ফার্নান্ডেজ ও মতিলাল ভোরা। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর অভিযোগ, এই অধিগ্রহণ নিয়ম মেনে হয়নি। ঘুরপথে মাত্র ৫০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অ্যাসোসিয়েট জার্নালস লিমিটেডের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়ে গিয়েছে ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড।এর পরেই তদন্ত শুরু করে ইডি। জেরা করা হয় রাহুলকে। বৃহস্পতিবার জেরা করা হবে সোনিয়াকে।

     

  • Qutub Minar Case: কুতুব-মামলায় স্থগিতাদেশ, জমির অধিকার নিয়ে আদালতে রাজ পরিবার

    Qutub Minar Case: কুতুব-মামলায় স্থগিতাদেশ, জমির অধিকার নিয়ে আদালতে রাজ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুতুব মিনার (Qutub Minar) চত্বরে মন্দির পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লির আদালত (Delhi Saket Court)। এই সৌধ চত্বর তাঁদেরই বলে দাবি করে এক ব্যক্তির আর্জি ঘিরে এই মামলা অন্য মোড় নিয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম কুনওয়ার মহেন্দ্র প্রসাদ সিং। নিজেকে আগরার এক রাজ পরিবারের সদস্য (Royal Family} বলে দাবি করেছেন তিনি। আদালতকে মহেন্দ্র জানিয়েছেন, তিনি বেসওয়ান রাজপরিবারের কর্তা। তাঁরা জাঠ। আদতে আলিগড়ের বাসিন্দা ।  দক্ষিণ দিল্লির বহু এলাকা তাঁদের অধীনেই আছে। 

    আরও পড়ুন : হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মহেন্দ্রর আর্জির শুনানি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক দীনেশ কুমার জানান, আগামিদিনে এই মামলার শুনানি হবে। মহেন্দ্র সিং নামের ওই ব্যক্তির আইনজীবী এমএল শর্মার দাবি, ১৯৪৭ সালে তাঁর মক্কেলের পূর্বপুরুষ রাজা রোহিণীরমণ প্রসাদ সিংয়ের জীবিতকালে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত মিরাট থেকে আগরা পর্যন্ত চারটি এস্টেটের মালিক ছিলেন তিনি। আদালতে শর্মা জানান, স্বাধীনতার পরে তৎকালীন জওহরলাল নেহরু সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কোনও চুক্তি করা হয়নি। অধিগ্রহণও হয়নি। দেওয়া হয়নি ক্ষতিপূরণও।

    আরও পড়ুন :অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    মহেন্দ্রর অভিযোগ, এতদিন দিল্লি ও উত্তর প্রদেশ সরকার কোনও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তার আইনি অধিকার হরণ করেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, তিনি মামলাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেছেন এবং তাঁর মক্কেলের সম্পত্তির আইনি অধিকার রক্ষা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। কুতুব-চত্বরের আইনি অধিকার কার, সেই শুনানির পরই মন্দির পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত। 

    কিছুদিন আগেই দাবি ওঠে, কুতুবউদ্দিন আইবক তাঁর শাসনকালে হিন্দু ও জৈন মিলিয়ে মোট ২৭টি মন্দির ধ্বংস করেছিলেন। সেই জায়গায় গড়ে তুলেছিলেন মসজিদ। আদালতে উঠলে এই মামলা গোড়াতেই থামিয়ে দিয়েছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া । তাদের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্থাপত্য খনন করে মাটি তছনছ করা চলবে না। পরে আবার একই দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের হয়।

     

  • Calcutta High Court DA case: ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court DA case: ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও মেটানো হয়নি কর্মীদের ডিএ (DA)। সেই কারণে এবার রাজ্যের দুই বিদ্যুৎ (electricity) সংস্থা পিডিসিএল (PDCL) এবং এসিডিএসএলের (ACDSL) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ওই দুই সংস্থার কর্তাদের বেতন বন্ধের নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত। যতদিন না কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র পাঁচভাগের একভাগ মেটানো হচ্ছে, ততদিন বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যের দুই বিদ্যুৎ সংস্থা পিডিসিএল এবং এসিডিএসএলের কর্মীরা তাঁদের বকেয়া ডিএ দেওয়া হচ্ছে না বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানাচ্ছিলেন। তার পরেও মহার্ঘ ভাতা না মেলায় আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কর্মীদের ডিএ মেটানোর সময় বেঁধে দিয়েছিল আদালত। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় এবার কর্তাদের বেতন বন্ধের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন : হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, রক্ষাকবচের জন্য ছুটছেন মন্ত্রী পার্থ, কিন্তু পাবেন কি?

    এই মামলায় আদালতের নির্দেশ ছিল, বকেয়া ডিএ-র পাঁচভাগের এক ভাগ মিটিয়ে দিতে হবে কর্মীদের। তা না মেটানোয় রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের জেনারেল ম্যানেজার ও দুই সংস্থার সিএমডি-র বেতন বন্ধের নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, যতদিন না কর্মীদের বকেয়া ডিএর পাঁচ ভাগের একভাগ মেটানো হচ্ছে, ততদিন বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে নির্দেশ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।

    আদালতের নির্দেশে ২০১৯ ও ২০২০ সালের বকেয়া ডি এ-র পাঁচ ভাগের এক ভাগ মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না দিয়ে শুধু ২০১৯ সালের বকেয়ার এক পঞ্চমাংশ দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের নতুন রোপা রুল (রিভিশন অব পে অ্যান্ড অ্যালাওয়েন্সেস) অনুযায়ী বকেয়া ডিএ হিসাব করে তার এক পঞ্চমাংশ দেওয়া হল না কেন, সে প্রশ্ন তোলে আদালত।

    আরও পড়ুন : বেনজির বিক্ষোভের সাক্ষী হাইকোর্ট, এবার তৃণমূলের রোষে খোদ বিচারপতি

    এর পরেই এদিন দুই সংস্থাকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, টাকার জন্য কাঁদছে। অবাক লাগে। তাঁর প্রশ্ন, বাদাম খাওয়ার টাকা দিয়েছেন নাকি? সংস্থার কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মীরাও মানুষ। তাঁরা এন্ট্রি খাতা নন। তাঁদের ছাড়া সংস্থা চলে না। ঠিক মতো ব্যবহার করুন।

    এর আগের শুনানিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, ২৩ জুনের মধ্যে দুই সংস্থার প্রায় ২০ হাজার কর্মীর বকেয়া ডিএ-র পাঁচভাগের একভাগ মিটিয়ে দিতে হবে। বকেয়া মেটানোর পরের দিন আদালতে এসে নির্দেশ পালন হয়েছে কিনা, তাও জানাতে বলা হয়েছিল। সময় দেওয়া হয়েছিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। সেই কারণেই শুক্রবার হয় ওই মামলার শুনানি।

     

  • Maharastra crisis: উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    Maharastra crisis: উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) শাসিত গুজরাট (Gujarat) ছেড়ে এবার আর এক পদ্ম-শাসিত রাজ্য আসামে (Assam) পৌঁছলেন শিবসেনার (Shivsena) বিদ্রোহী মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। মঙ্গলবার মধ্যরাতের বিমানে সঙ্গী বিধায়কদের নিয়ে গুয়াহাটি উড়ে যান তিনি। একনাথের দাবি, তাঁর সঙ্গে শিবসেনার আরও চল্লিশ জন বিধায়কের পাশাপাশি ছ’জন নির্দলেরও সমর্থন রয়েছে। ‘বিদ্রোহী’ হয়ে উঠলেও, তিনি যে আপাতত শিবসেনা ছাড়ছেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই নেতা।

    আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    একনাথের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) দ্বন্দ্বের মূল কারণ কংগ্রেস, এনসিপির সঙ্গে জোট বাঁধার জেরে নরম হিন্দুত্বের পথ নেয় শিবসেনা। যা না-পসন্দ একনাথের।  উদ্ধবের বাড়ির সামনে হনুমান চালিশা পাঠ করার পরিকল্পনা করায় গ্রেফতার করা হয় বিজেপি সাংসদ নবনীত রাণা ও তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে। তার পরেই উদ্ধব ও একনাথের পথ আলাদা হয়ে যায় বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর দু’দশকের বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে শিবসেনা জোট বাঁধে কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে। মহা বিকাশ অঘোরি (Maha Vikas Aghari) জোট নামের এই জোটই আপাতত সরকার চালাচ্ছে। শিবসেনারই দুই নেতার বিদ্রোহের নেপথ্যে রয়েছে এই কারণটিও। 

    মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একনাথের দাবি, এনসিপি ও কংগ্রেস সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাতে হবে। এদিন গুয়াহাটিতে একনাথ ও সঙ্গী বিধায়কদের স্বাগত জানান বিজেপি নেতা সুশান্ত বরগোহাঁই ও পল্লব লোচন দাস। গুয়াহাটি পৌঁছে একনাথ বলেন, আমরা বালা সাহেব ঠাকরের (Balasaheb Thackeray) আদর্শ থেকে সরে আসছি না, শিবসেনাও ছাড়ছি না। আমরা বালাসাহেবের আদর্শকেই এগিয়ে নিয়ে যাব।

    আসামে যাওয়ার আগে সুরাটের একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘আত্মগোপন’ করেছিলেন একনাথ ও তাঁর সঙ্গীরা। সেখানেই ফোনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় বিদ্রোহী এই শিবসেনা নেতার। তার পরেই শিন্ডে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের আসামে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন : কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    একনাথ যখন আসামে, তখন ঘোড়া কেনাবেচা রুখতে তৎপর শিবসেনার অন্য একটি অংশও। তাঁরাও বাকি বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রেখেছেন মুম্বইয়ের বিভিন্ন হোটেলে। ইতিমধ্যেই একনাথকে দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন শিবসেনা নেতৃত্ব।

    মহারাষ্ট্রের এই জোট সরকারে শিবসেনার হাতে রয়েছে ৫৫ জন বিধায়ক। পাওয়ারের (Sharad Pawar) দলের হাতে রয়েছেন ৫৩ জন। আর কংগ্রেসের বিধায়কের সংখ্যা ৪৪। অন্যদিকে, বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৬। ২৮৮ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় আপাতত বিধায়কের সংখ্যা ২৮৫। এনসিপি এবং কংগ্রেস বিষয়টি শিবসেনার অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করলেও, তারা যে জোট সরকারের প্রতি দায়বদ্ধ, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে দুই দলই। তবে এনসিপি যে কোনওভাবেই বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবে না, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন পাওয়ার। তাই মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি যে ক্রমেই জটিল হচ্ছে, তা জলের মতো পরিষ্কার।

     

  • Rajnath Singh: জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    Rajnath Singh: জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir) থেকে কাউকে জোর করে তাড়ানো হলে আমরা তা মেনে নেব না। জম্মুর (Jammu) একটি অনুষ্ঠান যোগ দিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এই হুঁশিয়ারি দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)।

    দু দিনের সফরে জম্মু-কাশ্মীরে গিয়েছেন রাজনাথ। এদিন যোগ দিয়েছিলেন হরি সিং নিবাস প্যালেসে মহারাজা গুলাব সিংয়ের রাজপদে অভিষিক্ত হওয়ার দুশো বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে। সেখানেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশাপাশি নাম না করে হুঁশিয়ারি দেন প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকেও।

    আরও পড়ুন : জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারায় সেনা এনকাউন্টারে খতম দুই লস্কর জঙ্গি

    নয়ের দশক থেকে বারবার রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গ। বেছে বেছে ভিটেমাটি ছাড়া করা হয়েছে কাশ্মীরি হিন্দু পণ্ডিতদের। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পরেই কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে প্রতিহত করতে মাঠে নামেন তিনি। জম্মু-কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। ভেঙে দেওয়া হয় বিধানসভা। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচন করতে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। শেষ হয়েছে ডিলিমিটেশনের কাজ। দ্রুত শুরু হয়ে যাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজও।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের

    শান্তির ভূস্বর্গে সম্প্রতি শুরু হয়েছে টার্গেট কিংলিং। বেছে বেছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকজনকে খুন করা হচ্ছে নৃশংসভাবে। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে রাজনাথ বলেন, জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে জোর করে তাড়ানো হলে তা মেনে নেব না। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীর অভিবাসনের কষ্ট পেয়েছে। কোনও পরিস্থিতিতেই আর তা হতে দেব না। আর কোনও সম্প্রদায়কে জম্মু-কাশ্মীরের কোনও অংশ থেকে তাড়ানো হলে, তা মেনে নেব না।

    তিনি বলেন, সম্প্রতি উপত্যকায় ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। ভাদরবা এলাকায় যা ঘটে গিয়েছে, তা জম্মু-কাশ্মীরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সত্তর বছর ধরে যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েছে কাশ্মীর। রোগমুক্তি ঘটেছে। এখন যে জম্মু-কাশ্মীর দেখছেন, তা নতুন। আত্মনির্ভর। নবকলেবরের এই জম্মু-কাশ্মীর কেবল ভারত নয়, গোটা এশিয়া মহাদেশেই একটি ঈর্ষনীয় মডেল।

    এদিন নাম না করে পাকিস্তানকেও নিশানা করেছেন রাজনাথ। বলেন, আমাদের এক প্রতিবেশী দেশ জম্মু-কাশ্মীরে ঘৃণার বীজ বপন করে চলেছে। ১৯৪৭-৪৮ সালের কাবাইলি হামলা থেকে সম্প্রতি শুরু হওয়া টার্গেট কিলিংয়ের ষড়যন্ত্র করে চলেছে তারা।

     

LinkedIn
Share