Author: Krishnendu Bakshi

  • Modi on Draupadi Murmu: ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

    Modi on Draupadi Murmu: ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি (President) পদে দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) শপথ গ্রহণকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন দ্রৌপদীকে শপথবাক্য পাঠ করান সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোদি। তিনি বলেন, এটি ভারতের কাছে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিশেষ করে দরিদ্র, প্রান্তিক ও নিম্নমধ্যবিত্তদের কাছে এই ঘটনা অভূতপূর্ব। দেশের নয়া রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তাঁকে ভবিষ্যতের শুভকামনাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    দ্রৌপদী হলেন ভারতের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা যিনি রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হলেন। দেশের সর্ব কনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতিও তিনি। শপথ গ্রহণের পরেই দেশের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উদ্দেশে বার্তা দেন দ্রৌপদী। বলেন, আমার এই সাফল্যই প্রমাণ করে যে ভারতের গরিবরা শুধু স্বপ্নই দেখে না, তা পূরণও করে।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    এ প্রসঙ্গে মোদি বলেন, শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুজি তাঁর ভাষণে আশা ও সহানুভূতির বার্তা দিয়েছেন। তিনি ভারতের কৃতিত্বের প্রশংসা করেছেন। ভারত যখন আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করতে চলেছে, তার ঠিক আগেই তিনি ভবিষ্যতে এগিয়ে চলার পথ নির্দেশ করেছেন। রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয়কে মোদি সরকারের জনজাতির প্রতি দায়বদ্ধতা হিসেবেই দেখছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদী মুর্মুজির জয় প্রমাণ করে জনজাতির ক্ষমতায়ন, যার প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে মোদি সরকারের। রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয়কে ভারতীয় গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেন শাহ। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওড়িশার এক দরিদ্র জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা দ্রৌপদীর যাত্রা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি পিছিয়ে পড়া সাঁওতাল সম্প্রদায়ের। তিনি আজ দেশের সাংবিধানিক প্রধান। তিনি দেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে শপথ নেওয়ায় আনন্দিত তামাম ভারত, খুশি বিভিন্ন জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষও। শাহ বলেন, এই মুহূর্তটা ভারতীয় গণতন্ত্রের সাফল্যে নয়া পালক। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলেন জনজাতির বলিদান অবিস্মরণীয় বলেও জানান শাহ।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীর জয়ের আনন্দে মাতল বাংলাদেশও

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় দিন। আমি নিশ্চিত তাঁর অভিজ্ঞতা দেশকে সমৃদ্ধ করবে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, ভারত তার মেয়েদের থেকেই শক্তি সঞ্চয় করছে। এবং আক্ষরিক অর্থেই ভারতের অমৃতকাল ফিরছে।  

     

  • anubrata mandal: গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    anubrata mandal: গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল(anubrata mandal)!

    শেষমেশ বৃহস্পতিবার সাত সকালেই নিজাম প্যালেসে গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই(cbi) দফতরে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের(tmc) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এদিন সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ সিবিআই দফতরে হাজির হন তিনি। বুধবার সন্ধেয় সিবিআই দফতরে হাজির হয়েছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও।

    ৬ এপ্রিল গরু পাচারকাণ্ডে দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রতকে নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআই। সেদিন সকালে চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বেরিয়েও পরে আর সিবিআই দফতরে হাজির হননি তিনি। শারীরিক অসুস্থতার জেরে এসএসকেএম হাসপাতালের(sskm hospital) উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হন তিনি। অনুব্রত তখন সিবিআইকে জানিয়েছিলেন, তারা চাইলে হাসপাতালে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। হাসপাতাল থেকে ছুটির পরে ফের একবার সিবিআইকে চিঠি দেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর বাড়িতে বা ভার্চুয়াল মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজি আছেন তিনি।

    পরে সিবিআইকে ফের একবার চিঠি দিয়ে তিনি জানান, ২১ মে’র পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রস্তুত। নির্দিষ্ট ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই বুধবার সিবিআই দফতরে ফের আইনজীবি মারফৎ চিঠি পাঠান অনুব্রত। জানিয়ে দেন, গরু পাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে রাজি হন তিনি। সেই মতো বীরভূমের তৃণমূল নেতাকে সময় দেয় সিবিআই। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় তাঁকে। এদিন তার ঢের আগেই চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজাম প্যালেসে পৌঁছে যান তিনি।           

    এসএসসি মামলায় বুধবার সন্ধেয় সিবিআইয়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা তাঁকে জেরা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। তার পরের দিনই সিবিআইয়ের কাছে হাজিরা দিলেন অনুব্রত। তাঁকে জেরা করে গরু পাচারকাণ্ডের তদন্তের জট খুলতে পারে বলেই আশা তদন্তকারীদের।

    আরও পড়ুন : নিজাম প্যালেসে সাড়ে তিন-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পার্থকে(partha chaterjee ) কেবল জিজ্ঞাসাবাদ করেই ছেড়ে দিয়েছে সিবিআই। তার পরেই সাহস পেয়েছেন অনুব্রত। সেই কারণেই এদিন বীরভূমের(Birbhum) দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত সাত সকালে হাজির হয়েছেন সিবিআই দফতরে।

     

     

  • Sri Lanka: অশান্তির আগুনে পুড়ল শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্টের পৈতৃক বাড়ি, বিক্ষোভ হঠাতে গুলি

    Sri Lanka: অশান্তির আগুনে পুড়ল শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্টের পৈতৃক বাড়ি, বিক্ষোভ হঠাতে গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির আঁচে উত্তপ্ত দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা (Sri lanka)। ক্রমেই ঘোরালো হচ্ছে পরিস্থিতি। প্রেসিডেন্ট গোতবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) ও সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষের (Mahinda Rajapaksa) পৈতৃক বাড়িতে আগুন ধরাল বিক্ষোভকারীরা। আগুন শাসকদলের আরও এক সাংসদ এবং এক প্রাক্তন এক মন্ত্রীর বাড়িতেও। বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষ ও তাঁর সহকারীদের সুরক্ষায় নামানো হল সেনা। মাহিন্দার সরকারি আবাসন থেকে গুলিবর্ষণ করা হয় বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে। এরপরেই খেপে যান বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রথমে মূল ফটক ভেঙে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস।

    মাসকয়েক ধরে অর্থনৈতিক সঙ্কটে (economic crisis) ভুগছে শ্রীলঙ্কা। দেশের বিদেশি মুদ্রার হাল তলানিতে। বিদেশি দেনার দায়ে বন্ধ নিউজপ্রিন্ট আমদানি। কাগজের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা। জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দর লাগামছাড়া। নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের। ভিটেমাটি ছেড়ে দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে দলে দলে লোকজন ঠাঁই নিচ্ছেন পড়শি দেশের শরণার্থী শিবিরে। এমতাবস্থায় ক্রমেই চড়ছে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের আঁচ। প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা। বিক্ষোভ সামাল দিতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে সরকার। জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ে ইস্তফা দেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে। তাতেও অবশ্য দমানো যায়নি বিক্ষোভকারীদের।

    আরও পড়ুন :প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    শনিবার রাতে মাহিন্দার পৈতৃক বাড়মেদামুলানা ওয়ালাওয়াতে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীদের। উত্তেজিত জনতা মেদামুলানাতে ডিএ রাজাপক্ষে সৌধেও আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয় মোরাতুয়া মেয়র শামন ফার্নান্দো, কুরুনেগালা মেয়র থুসারা শানজিওয়া এবং পার্লামেন্ট সদস্য সনৎ নিশান্থা, রমেশ পথিরানা, মহীপালা হেরাথ, থিসা কুট্টিয়ার্চি এবং নিমল লাঞ্জার বাড়িতেও। পরিস্থিতি সামাল দিতে সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষ ও তাঁর সহকারীদের সুরক্ষায় নামানো হয়েছে সেনা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে মাহিন্দার সরকারি আবাসন থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়। কমবেশি জখম হন অন্তত ১৩০ জন। ক্ষোভে বিক্ষোভকারীরা প্রথমে মূল ফটক ভেঙে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেন। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস, জল কামান। তার পরেও পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আসেনি। তার জেরেই বিক্ষোভকারীদের কড়া হাতে দমন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেনাকে। কলম্বোয় জারি করা হয়েছে কার্ফু। 

     

  • Indian employees: কাজের বাজারে ফিরছে সুদিন, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মোদির ভারত!

    Indian employees: কাজের বাজারে ফিরছে সুদিন, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছন্দে ফিরছে ভারত (India)। অতিমারী পর্ব কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মোদির (modi) ভারত। উচ্চ বেতনের লক্ষ্যে আগামী এক বছরে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী (employees) পরিবর্তন করবেন সংস্থা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় (survey) উঠে এসেছে এই তথ্য। 

    ২০২০ সালের প্রথম দিকেই ভারতে অতিমারীর রূপ ধারণ করে করোনা (Coronavirus)। মারণ ভাইরাস কোভিডের (covid-19) মোকাবিলায় দেশজুড়ে হয় লকডাউন (Lockdown)। তার পরেও রোখা যায়নি করোনায় মৃত্যু মিছিল। যদিও কেন্দ্রের তৎপরতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনা বলি হয়েছে ঢের কম।

    লকডাউন-পর্ব কাটিয়ে চলতি বছরের গোড়ার দিকে ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ভারত। তার ফলও মিলেছে বলে সমীক্ষার রিপোর্টেই স্পষ্ট। ওই সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, গোটা ভারতেই চাঙ্গা হয়ে উঠেছে কাজের বাজার। এই শ্রম বাজারের রশি রয়েছে কর্মীদের হাতে। বর্তমানে তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করছেন কাজের বাজার। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী উচ্চ বেতনের লক্ষ্যে সংস্থা পরিবর্তন করবেন। কেবল উচ্চ বেতনই নয়, ভাল কেরিয়ারের লক্ষ্যেও সংস্থা পরিবর্তন করবেন তাঁরা। কাজের বাজার যে ক্রমেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, তাও ধরা পড়েছে ওই সমীক্ষায়। 

    আরও পড়ুন :ভারতে এপ্রিলেই কাজে যোগ ৮৮ লক্ষ মানুষের!

    সমীক্ষক সংস্থার সঙ্গে জড়িত এক আধিকারিক বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে কাজের বাজারের নিয়ন্ত্রক ছিলেন নিয়োগকর্তারা (employer)। এখন বদলেছে পরিস্থিতি। কাজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন কর্মীরা। তিনি বলেন, এখন কাজের বাজারের পরিস্থিতি এতটাই অনুকূল যে, কর্মীরা মোটা মাইনের অফার পেয়ে সংস্থা পরির্বতন করছে। মাইনে ছাড়াও তাঁরা এখন ব্র্যান্ডও দেখছেন। কাজের পরিবেশও যাচাই করে দেখছেন অনেকে।

    লকডাউন পর্বে অফলাইনের পরিবর্তে দেশের সিংহভাগ সংস্থায় কাজ হয়েছে অনলাইনে। তার জেরে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। দীর্ঘদিন বিভিন্ন সেক্টরে বন্ধ ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। কাজের বাজারের সেই দুর্দিন ঘুচে গিয়ে যে সুদিন ফিরে আসছে, সমীক্ষার রিপোর্টেই তা স্পষ্ট।

    দেশজুড়ে করা ওই সমীক্ষায় প্রকাশ, প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬৪ জন কর্মী আগামী এক বছরের মধ্যেই মোটা বেতনের টোপ গিলে নয়া সংস্থায় যোগ দেবেন। টেকনোলজি, হার্ডওয়্যার, টেলিকমিউনিকেশনস এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্টসের কাজের বাজারেই মূলত বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 

  • Rahul Gandhi Remarks: চিন্তন শিবিরে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য রাহুলের, ক্ষুব্ধ আঞ্চলিক দলের নেতারা, ড্যামেজ কন্ট্রোলে কংগ্রেস

    Rahul Gandhi Remarks: চিন্তন শিবিরে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য রাহুলের, ক্ষুব্ধ আঞ্চলিক দলের নেতারা, ড্যামেজ কন্ট্রোলে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের কোনও আদর্শ নেই। উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে(chintan shivir) এহেন মন্তব্য করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের(Opposition parties) বিরাগভাজন হলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী(Rahul gandhi)। কংগ্রেসকে তাঁদের নয়, বরং আঞ্চলিক দলগুলিকে(regional parties) প্রয়োজন কংগ্রেসেরই, সাফ জানিয়ে দিলেন আঞ্চলিক দলগুলির নেতারা। রাহুলকে চালকের আসনে বসিয়ে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের চেষ্টা হচ্ছিল। রাহুলের মন্তব্যে তা ধাক্কা খেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। এদিকে, আঞ্চলিক দলগুলির ‘ক্ষোভ’ সামাল দিতে তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামল কংগ্রেস।

    রাজস্থানের উদয়পুরে তিনদিন ব্যাপী চিন্তন শিবির হয়ে গেল কংগ্রেসের। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরি করতেই বসেছিল শিবির। এই শিবিরে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাহুল বলেন, বিজেপি শুরু কংগ্রেসকে নিয়েই কথা বলবে, কোনও আঞ্চলিক দল নয়, কংগ্রেস নেতা, কংগ্রেস কর্মীদের কথাই ঘুরেফিরে উঠে আসবে তাদের মুখে। কারণ স্ব স্ব ক্ষেত্রে শক্তিশালী হলেও, আদর্শ না থাকায় আঞ্চলিক দলগুলির যে তাদের হারানোর ক্ষমতা নেই, সে কথা জানে বিজেপি। যদিও এই শিবিরেই সমমনস্ক আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন খোদ সোনিয়া গান্ধি। 

    রাহুলের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতৃত্বের কাছ থেকে। ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোট রয়েছে কংগ্রেসে। যৌথভাবে চলছে সরকারও। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা সুপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ঝাড়খণ্ড ও বিহারে যথাক্রমে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হাত ধরে টিকে রয়েছে কংগ্রেস। আমাদের নীতি না থাকলে বিজেপির মতো পার্টির বিরুদ্ধে মানুষ আঞ্চলিক দলকে বেছে নিচ্ছে কেন?

    বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে সমঝোতা রয়েছে কংগ্রেসের। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই করেছিল রাহুল গান্ধির দল। বিহারের ওই দলের তরফে রাহুলকে সেকথা স্মরণও করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১৯৯৯ সালে নেতৃত্বের প্রশ্নে নিজের দলের নেতাদের পাশে না পেলেও, লালুপ্রসাদ যাদবকে পাশে পেয়েছিলেন সোনিয়া। রাহুলের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে আম-আদমি পার্টি, টিআরএস এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন : “আপনি কি ‘ভোট সময়ের হিন্দু’?” রাহুলকে প্রশ্ন বিজেপির

    বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের কড়া প্রতিক্রিয়া দৃশ্যতই জেরবার কংগ্রেস নেতৃত্ব। তড়িঘড়ি  ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামানো হয় শশী তারুরকে(Shashi Tharoor)। তারুর বলেন, রাহুল বলতে চেয়েছেন যে, জাতীয় রাজনীতিতে আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। আমাদের ভাবনা গোটা দেশকে নিয়ে। আঞ্চলিক দলগুলিকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিজেদের স্বার্থ বুঝে চলতে হয়। তিনি বলেন, আমার তো মনে হয়, তৃণমূল, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, সমাজবাদী পার্টি এমনকি ডিএমকের সঙ্গেও কংগ্রেসের আদর্শের মিল রয়েছে।

    তারুরের কথায় রাজনীতির চিঁড়ে ভেজে কিনা, তাই দেখার!

     

     

     

     

     

  • PM Modi: বারাণসীতে মোদির ‘অক্ষয়পাত্র’, এক সঙ্গে ১ লক্ষ পড়ুয়াকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা

    PM Modi: বারাণসীতে মোদির ‘অক্ষয়পাত্র’, এক সঙ্গে ১ লক্ষ পড়ুয়াকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক হাজার স্কুল পড়ুয়ার জন্য করা যাবে রান্না। আজ, বৃহস্পতিবার যোগী রাজ্যের বারাণসীতে এমনই একটি বিশাল মিড-ডে মিল (Mid-Day Meal) কিচেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কিচেনের নাম দেওয়া হয়েছে অক্ষয় পাত্র মিড-ডি মিল কিচেন (Akshay Patra Mid Day Meal Kitchen)। উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) বারাণসীতে তৈরি এই রান্নাঘরে রয়েছে অত্যাধুনিক ও উন্নত মানের রান্নার সরঞ্জাম। এই অতিকায় রান্না ঘরে অন্তত ২৫ হাজার স্কুল পড়ুয়ার মিড-ডি মিল বানানো যাবে।

    এই অক্ষয়পাত্র কিচেনের উদ্বোধন ছাড়াও এদিন ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন মোদি।  অক্ষয়পাত্র কিচেনটি রয়েছে বারাণসীর আরদানি বাজার এলাকায়। বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরির জন্য অত্যানুধিক সব মেশিন রয়েছে এই রান্নাঘরে। চাল-ডাল, সবজির পাশাপাশি চাপাটিও এক সঙ্গে তৈরি করা যাবে বিপুল পরিমাণে। ২৫ হাজার শিশুর রান্না করা তো যাবেই, প্রয়োজনে ১ লক্ষ বাচ্চার খাবারও প্রস্তুত করা যাবে অত্যাধুনিক এই রান্নাঘরে। বারাণসী জেলার ১৪৩টি প্রাথমিক স্কুলের বাচ্চারা উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন  এই রান্নাঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবে। এদিন কয়েকজন বাচ্চার সঙ্গে দেখাও করেন প্রধানমন্ত্রী। রন্ধনকর্মীর পাশাপাশি বিপুল আয়তনের রান্নাঘর পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশনের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে কর্মীও।

    আরও পড়ুন : ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি

    এই রান্নাঘরের পাশাপাশি এদিন আরও প্রায় ৩১টি প্রকল্পের শিলান্যাস করেন মোদি। বলেন, আমরা উন্নয়নের পথ দেখিয়েছি। কাজ করার সংকল্প ও কঠিন পরিশ্রম করতে পারলে উন্নয়ন করা যায়। দেশজুড়ে যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মোদি। হাসপাতাল তৈরি, ইনস্যুরেন্স সহ নানা সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন দেশবাসী। তিনি বলেন, উন্নয়ন মানে হল দরিদ্র, দলিত, মহিলা এবং পিছড়েবর্গদের ক্ষমতায়ন। তিনি বলেন, বারাণসীতে যে প্রজেক্টগুলো লঞ্চ করা হল, তার সুফল পারেন জেলাবাসী। উন্নত হবে তাঁদের জীবনযাপনের সূচক।

    আরও পড়ুন : শুধু হিন্দু নয়! সব সম্প্রদায়ের নিপীড়িত মানুষের কাছে যান, বললেন মোদি

  • Goa:  ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    Goa:  ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে মিলতে পারে শিবলিঙ্গ, দাবি গোয়ার মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ার ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে শিবলিঙ্গ(shivlings) পাওয়া যেতে পারে। মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করলেন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী সুদিন ধাবলিকর(sudin dhavalikar)। সোমবারই বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের(Gyanvapi mosjid) ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করে হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠন। তার পরেই এই দাবি জানালেন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(Kashi Viswanath temple) লাগোয়া এলাকায় রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। প্রতিদিন এই মন্দিরে নমাজও পড়েন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, এক সময় এখানেই ছিল শৃঙ্গার গৌরীদেবীর মন্দির। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়। সোমবার এই মসজিদের ওজুখানার জলাধারেই শিবলিঙ্গ মেলে বলে খবর। এদিন গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, যে মন্দিরগুলি ভেঙে ফেলা হয়েছিল সেই জায়গায় এই ধরনের শিবলিঙ্গ থাকতে পারে। ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বিভাগকে তা খুঁজে বের করতে হবে। তাহলেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া ধর্মীয় স্থানগুলিতে শিবলিঙ্গ মিলতে পারে।বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে ‘শিবলিঙ্গ আবিষ্কারে’র খবরে বিতর্ক শুরু হয়েছে গোটা দেশে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে কাশীতে মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছিল। তাই শিবলিঙ্গ পাওয়া যাওয়ার খবর নিছক অমূলক নয়। যদিও মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদ ওখানেই রয়েছে সুদীর্ঘকাল। প্রতিদিন নমাজও পড়া হচ্ছে। তাদের দাবি, সেই কারণেই বিতর্কের অবকাশ নেই।

    গোয়ায় ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। সেই সরকারেরই মন্ত্রী ধাভালিকার। তিনি জানান, গোয়ায় পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনকালে ধ্বংস হওয়া মন্দিরগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ধাভালিকার এও বলেন, এই সব মন্দির পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্কের অবসান ঘটেছে বছর কয়েক আগে। রামলালার জন্মস্থলেই গড়ে উঠছে মন্দির। অন্যত্র জমি দেওয়া হয়েছে বাবরি মসজিদ কমিটিকে। তার পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রার্থনাস্থলে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে মন্দিরের দাবি। তাজমহল(Tajmahal) এক সময় শিবের(Lord Shiva) মন্দির ছিল বলে দাবি হিন্দুদের কারও কারও। মথুরায় শাহি ইদগাহ মসজিদ এলাকাটি আসলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। এহেন আবহে গোয়ার বিদ্যুৎমন্ত্রীর(power minister) দাবি তাৎপর্যপূর্ণ বই কি! 

    আরও পড়ুন : কী আছে তাজমহলের বন্ধ ঘরগুলিতে? ছবি প্রকাশ করল এএসআই

     

  • Presidencial election: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে বিজেপির বাজি কে?

    Presidencial election: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে বিজেপির বাজি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসে এবার আদিবাসী কোনও মহিলাকে বসিয়ে চমক দিতে পারে বিজেপি। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার ফের কোনও মহিলা রাষ্ট্রপতি পেতে পারে দেশ।

    ২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ হবে রামনাথ কোবিন্দের। তাই শাসক তো বটেই বিরোধী শিবিরেও শুরু হয়ে গিয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তৎপরতা। রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপিকে সূচ্যগ্র মেদিনী ছাড়তে রাজি নয় বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সলতে পাকানোর কাজ। সম্প্রতি দিল্লি গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে উজিয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আইআইটির প্রাক্তনী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীরা সম্মিলতিভাবে যাতে প্রার্থী দেয়, সেই জন্যই ওই তৎপরতা।

    বিরোধীরা যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে, তা টের পেয়েছে দেশের শাসক দলও। হাত গুটিয়ে বসে নেই তারাও। একটি সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে বেশ কয়েকদফা আলোচনা শেষে সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর নামের একটি তালিকাও তৈরি করে ফেলেছে গেরুয়া শিবির। এই তালিকার সবার ওপরে রয়েছে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। তিনি ওড়িষার বিজেপি নেত্রী। এক সময় ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে এক ঢিলে একাধিক পাখি মারার চেষ্টা করছেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    দ্রৌপদীকে প্রার্থী করা হলে তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করা বিরোধীদের পক্ষে সম্ভব হবে না। কারণ সেক্ষেত্রে বিরোধীদের আদিবাসী-বিরূপতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেবে বিজেপি। তাছাড়া, চলতি বছরেই রয়েছে গুজরাত সহ আরও কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। দ্রৌপদীকে রাইসিনা হিলসে পাঠানো গেলে ওই রাজ্যগুলির আদিবাসী ভোট এসে পড়বে গেরুয়া ঝুলিতে। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে যার সুফলও ফলবে বলে দাবি শাসক শিবিরের।

    দ্রৌপদী ছাড়া আরও একজন রয়েছেন রাইসিনা হিলসের দৌড়ে। তিনি গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দী বেন প্যাটেল। বর্তমানে তিনি যোগীরাজ্যের রাজ্যপাল পদে রয়েছেন। তবে চব্বিশের মহারণের আগে দ্রৌপদীকেই রাইসিনা হিলসে পাঠিয়ে বিরোধীদের মাত দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল।

     

  • VHP Gyanvapi Meeting: অযোধ্যার পর কাশী? জ্ঞানবাপী নীতি ঠিক করতে বৈঠকে ভিএইচপি

    VHP Gyanvapi Meeting: অযোধ্যার পর কাশী? জ্ঞানবাপী নীতি ঠিক করতে বৈঠকে ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তাই জুন মাসে হরিদ্বারে বসতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের(VHP) বৈঠক।  এই বৈঠকে যোগ দেবেন দেশ-বিদেশের সাধুরা। সেখানেই আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী(Gyanvapi mosque)  নিয়ে।

    ফি বছর জুন মাসে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদের বার্ষিক সভা(annul meeting)। এই সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এবারও জুনের ১০-১১ তারিখে হবে ওই সভা। এবার আলোচনায় গুরুত্ব পাবে জ্ঞানবাপী মসজিদ।

    বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(kashi Viswanath temple) চত্বরেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছে মসজিদ। পরে ওই চত্বরেই মন্দির পুনর্নিমাণ করেন রানি অহল্যাবাই। রয়ে যায় মসজিদও। প্রতিদিন নিয়ম করে মন্দিরে যেমন পুজো হয়, তেমনি পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ পড়া হয় মসজিদেও। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, যে জায়গায় মসজিদ রয়েছে, সেখানে এক সময় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মঠ। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দুদের দেবদেবীর কয়েকটি মূর্তি রয়েছে বলেও দাবি ওই সংগঠনের। এর পরেই পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি সংগঠন। বারাণসী জেলা আদালত ঘুরে যে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে।

    আরও পড়ুন : ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যোগীর

    সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে মসজিদ এলাকায় ভিডিওগ্রাফি করা হয়। একটি অংশের দাবি, ভিডিওগ্রাফিতে মসজিদের ওজুখানার জলাধারে মিলেছে শিবলিঙ্গ। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, শিবলিঙ্গ নয়, জলাধারে রয়েছে পুরানো ফোয়ারা। এরপরেই জেলাশাসককে ওজুখানার জলাধারে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। নমাজিরা যাতে নমাজ পড়তে পারেন, সেটাও ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন :জ্ঞানবাপী মামলার দুই বিচারপতি ছিলেন রামজন্মভূমি-বাবরি শুনানিতেও

    বিশ্বহিন্দু পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার(alok kumar) বলেন, বিশ্বহিন্দু পরিষদের একটি কেন্দ্রীয় গাইড বোর্ড রয়েছে। দেশের সাধু-সন্তরা এর সদস্য। জুন মাসের বৈঠকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁরা আমাদের দিকনির্দেশা করবেন। প্রতি বছর জুন মাসে এই সভা হয় বলেও জানান তিনি। সভাপতি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাদের পথ দেখাতে অনুরোধ করব।তিনি বলেন, বিশ্বহিন্দু পরিষদ জ্ঞানবাপী সম্পর্কে আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতে চলেছে। আমাদের সমাজ আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখবে। আমরা আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশের অপেক্ষা করব। তার পরেই হবে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ।

     

  • Gyanvapi Mosque Update: শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    Gyanvapi Mosque Update: শিবলিঙ্গের পর এবার শেষনাগের দেখা মিলল জ্ঞানবাপী মসজিদে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জ্ঞানবাপী মসজিদ(gyanvapi mosque) এলাকায় মিলল শেষনাগের দেখা! অন্তত এমনই দাবি আইনজীবি অজয় কুমার মিশ্রের(ajay kumar Mishra)। তাঁর দাবি, ফনা উঁচিয়ে শেষনাগ(sheshnag) রয়েছে, এমন একটি ভাস্কর্যের হদিশ মিলেছে জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে। শুধু তাই নয়, হিন্দুদের আরও কয়েকটি দেবদেবীর মূর্তির সন্ধানও মসজিদ(mosjid) চত্বরে মিলেছে বলে দাবি ওই আইনজীবীর।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির(kashi Viswanath temple) ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের। বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভাঙা হয়েছিল মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে। পরে রানি অহল্যাবাই মসজিদের অদূরে পুননির্মাণ করে বিশ্বনাথের মন্দির। যে মন্দির আজও ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ যে মন্দির ভেঙেই নির্মাণ করা হয়েছিল, সেই দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠন। তার পরেই মসজিদ এলাকায় ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেয় বারাণসী জেলা আদালত। তার ভিত্তিতে কাজ শুরু করে আদালত নিযুক্ত সংস্থা। ভিডিওগ্রাফির কাজ তদারকির জন্য নিয়োগ করা হয় অ্যাডভোকেট কমিশনার। অজয় কুমার মিশ্রকেই ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। যদিও সেই কারণ নয়, তথ্য ফাঁসের অভিযোগে পরে সরিয়ে দেওয়া হয় অজয় কুমারকে। দিন কয়েক আগে হিন্দু আবেদনকারী সোহন লাল আর্য দাবি করেছিলেন, জ্ঞানবাপী মসজিদ এলাকার ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গের প্রমাণ মিলেছে। তার পরেই আদালতের তরফে জলাশয়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাশাসককে।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    সোহন লালের পর এবার অজয় কুমারের দাবি, মসজিদ চত্বরে শেষনাগের প্রতিমূর্তির সন্ধান মিলেছে। এই মর্মে আদালতে রিপোর্টও জমা দিয়েছেন অজয় কুমার। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিরোধপূর্ণ এলাকায় ব্যারিকেডের বাইরে মন্দিরের পুরানো ধ্বংসাবশেষ মিলেছে। ওই মন্দিরে হিন্দু দেবদেবীর ভাস্কর্য ও পদ্মের নিদর্শনও রয়েছে। রয়েছে শেষনাগের পাথরের ভাস্কর্যও। নাগফনার দেখাও মিলেছে। মন্দিরে কয়েকটি স্ল্যাবও দেখা গিয়েছে। যা থেকে স্পষ্ট, এটি একটি ভবনের অংশ। সিঁদুর মাখানো চারটি মূর্তিও দেখা গিয়েছে। মন্দিরে নিত্য প্রদীপ জ্বালানো হত বলেও দাবি রিপোর্টে।

    আরও পড়ুন : অযোধ্যার পর কাশী? জ্ঞানবাপী নীতি ঠিক করতে বৈঠকে ভিএইচপি

    ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ওঠায় আদালতের নির্দেশে ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার। তবে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা যাতে পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ পড়তে পারেন, সেই ব্যবস্থাও করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।  

    আরও পড়ুন : কড়া নিরাপত্তায় ফের শুরু জ্ঞানবাপী মসজিদের ভিডিওগ্রাফি সমীক্ষার কাজ

     

     

LinkedIn
Share