Author: Krishnendu Bakshi

  • Modi-Macron: মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    Modi-Macron: মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের ইউরোপ সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই তিন দিনে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন নর্ডিক দেশগুলির রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে। এই সফরের শেষ দিনে মোদি সাক্ষাৎ করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। আলোচনা হয়েছে আরও একাধিক বিষয়ে।

    দু’ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। আসলে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ হলেও, বকলমে যুদ্ধ হচ্ছে রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির। এমতাবস্থায় ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার বন্ধুত্বে চিড় ধরানোর লাগাতার চেষ্টা করে যাচ্ছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কিনতে নিষেধ করেছেন একাধিকবার। তাতে কান না দিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই চলেছে সাউথ ব্লক। এমন আবহে মোদির ইউরোপ সফর গুরুত্বপূর্ণ বই কি!

    তিন দিনের ইউরোপ সফরের শেষ দিনে ফান্সে পা রাখেন মোদি। বুধবার প্যারিসে ফরাসি প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এলিসে প্যালেসে বৈঠকে বসেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। সেখানেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিজে পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধের আবেদন করেছেন বলে খবর। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আদতে কোনও পক্ষেরই জয় হবে না বলেও মাক্রঁরকে জানিয়ে দিয়েছেন মোদি। যুদ্ধের দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাবের জেরে আসলে গরিব দেশগুলির ক্ষতি হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির ফ্রান্স ছাড়ার পরেই বিবৃতি জারি করা হয়েছে ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কোয়ার্ত্রার তরফে। তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বিশ্ব সহ নানা বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। বিনয় বলেন, দুই রাষ্ট্র নেতার আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, মহাকাশ, সিভিল নিউক্লিয়ার সহযোগিতা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারত-ফ্রান্স দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপরও মাক্রঁ জোর দিয়েছেন বলেও জানান বিদেশ সচিব।     

     

     

  • Pakistan: ঋণ মেটাতে অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনকে সমর্পণ করতে পারে পাকিস্তান?

    Pakistan: ঋণ মেটাতে অধিকৃত কাশ্মীরের একাংশ চিনকে সমর্পণ করতে পারে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থসংকটে জেরবার দেশ। সংকট কাটাতে এবার চিনকে (China) গিলগিট বাল্টিস্তান (Gilgit Baltistan) লিজ দিতে পারে পাকিস্তান (Pakistan)। সম্প্রতি এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কারাকোরাম ন্যাশনাল মুভমেন্টের চেয়ারম্যান মুমতাজ নাগরি। একটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নাগরিকে উদ্ধৃত করে এই মন্তব্য করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে কিছুদিন আগেই দেশবাসীকে চা খাওয়া কমানোর দাওয়াই দিয়েছিলেন শরিফের মন্ত্রিসভার এক সদস্য। এবার প্রকাশ্যে এল জায়গা লিজ দেওয়ার আশঙ্কা। 

    আরও পড়ুন : ‘মৃত’ জঙ্গিকে ‘গ্রেফতার’, ধূসর তালিকা থেকে বেরোতে মরিয়া পাকিস্তান?

    সম্প্রতি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে পাকিস্তানে। ইমরান খানের সরকারের জায়গায় ক্ষমতায় এসেছে শেহবাজ শরিফের সরকার। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। অর্থসংকট কাটাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক সরকার। দিন কয়েক আগেই এক লপ্তে পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে লিটার প্রতি ৩০ টাকা। দিন কয়েক আগে সংসদের বৈঠকে তিনি বলেছিলেন, আগের সরকারের ভুল আর্থিক নীতির জন্য আইএমএফ-ও আর পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য করতে চাইছে না।আইএমএফের সব শর্ত পূরণ করলে তবেই মিলবে আর্থিক সাহায্য। এই সময়ই প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে মনে করিয়ে দেন, এই সংকট থেকে বেরতে গেলে পাকিস্তানকে আরও অনেক খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। 

    আরও পড়ুন : ভারতকে বন্ধু হিসেবে চায় পাকিস্তান! বেনজির-পুত্রের মন্তব্যে বরফ গলার ইঙ্গিত?

    কাশ্মীরের বেশ খানিকটা অংশ অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। দখলীকৃত এই অংশের মধ্যেই পড়ে গিলগিট বাল্টিস্তান। ভারতের থেকে জোর করে দখল করা সেই অংশই পাকিস্তানকে লিজ দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা নাগরির। শোনা যাচ্ছে, শি জিনপিংয়ের সরকার পাকিস্তানকে ২৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে। এই ঋণের বিনিময়েই কি পাকিস্তান গিলগিট ও বাল্টিস্তান লিজ দিতে পারে ড্রাগনকে? উঠছে প্রশ্ন।  

    আরও পড়ুন : “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

  • India US Relation: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    India US Relation: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে (Pentagon) কোনও বিশেষ এককর্টের (Escort) সাহায্য ছাড়াই এবার প্রবেশ করতে পারবে ভারত (India)। দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা বিশ্বাস ও সহযোগিতার কারণেই এই সম্মানজনক অধিকার দেওয়া হচ্ছে ভারতকে। অবশ্য কেবল ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশেই (Defence Attache) আমেরিকার (America) দেওয়া এই বিশেষ অধিকার ভোগ করতে পারবেন।

    স্বাধীনতার পঁচাত্তরতম বর্ষে দেশজুড়ে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করে ভারত। ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসে পালিত হয় ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। তার পরে পরেই আমেরিকার কাছে ভারত পেল মার্কিন সামরিক শক্তির আঁতুড়ঘর পেন্টাগনে আন এসকর্টেড প্রবেশাধিকার। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের তরফে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা জানান মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ এক আধিকারিক ফ্র্যাঙ্ক কেন্ডিল। কেন্ডিল মার্কিন বায়ুসেনার সেক্রেটারি। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মজবুত হচ্ছে।

    আরও পড়ুন :আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    পেন্টাগন হল মার্কিন সেনার হেড কোয়ার্টার। বছরভর চব্বিশ ঘণ্টাই এলাকাটি দুর্ভেদ্য নিরাপত্তার বলয়ে মোড়া থাকে। উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অধিকার না পেলে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না কোনও মার্কিন নাগরিকও। সেখানেই এবার থেকে এই অধিকার পেতে চলেছেন ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশে। কেন্ডিল বলেন, আপনারা যদি মনে করেন আন এসকর্টেডভাবে পেন্টাগনে প্রবেশাধিকার কোনও বড় ঘটনা নয়, তাহলে জেনে নিন আমিই আন-এসকর্টেড হয়ে পেন্টাগনে প্রবেশ করতে পারি না। তিনি বলেন, ভারত এমন একটি দেশ, যাদের সঙ্গে আমরা আরও যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে পারি। অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতের সঙ্গে আমরা এটা বারংবার করতে পারি। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক মজবুত। একে আরও শক্তপোক্ত করতে আগ্রহী আমরা। তিনি বলেন, আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে চাই, যাতে এই অঞ্চল তো বটেই, গোটা বিশ্বেই আমরা একটি সুসংহত শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারি।

    আরও পড়ুন : ভারত আমেরিকার উদ্বেগ সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কার বন্দরে চিনা ‘গুপ্তচর জাহাজ’

     

  • Smriti Irani: দেশে এই প্রথম সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী অ-মুসলিম, অতিরিক্ত দায়িত্ব স্মৃতি ইরানিকে

    Smriti Irani: দেশে এই প্রথম সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী অ-মুসলিম, অতিরিক্ত দায়িত্ব স্মৃতি ইরানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। এতদিন ওই মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন বিজেপির (BJP) মুখতার আব্বাস নাকভি (Mukhtar Abbas Naqvi)। তিনি ইস্তফা দেওয়ায় ওই মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হল স্মৃতিকে। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রকের পাশাপাশি এই মন্ত্রকটিও সামলাবেন স্মৃতি। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়া হয়েছে ইস্পাত মন্ত্রকের দায়িত্ব।  

    ২০০৬ সালে মনমোহন সিংহের জমানায় সামাজিক ন্যায় বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক ভেঙে তৈরি হয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রক। তার পর থেকে ওই মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলে আসছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের কোনও প্রতিনিধি। মোদি সরকারের সময়ও ওই দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন বিজেপির মুখতার আব্বাস নাকভি। রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দেন মুখতার। তার পরেই ওই মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয় স্মৃতিকে। স্মৃতিই প্রথম অমুসলিম ব্যক্তিত্ব যাঁকে দেওয়া হল এই মন্ত্রকের দায়িত্ব। স্মৃতির আগে ছিলেন মুখতার আব্বাস নাকভি। তাঁর আগে ছিলেন নাজমা হেপতুল্লা। তাঁর আগে ওই মন্ত্রক সামলেছিলেন কে রহমান খান। তাঁরও আগে ছিলেন সলমন খুরশিদ। খুরশিদের পূর্বসূরি ছিলেন আবদুল রহমান আন্তুলে। রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হওয়ায় মন্ত্রিত্ব পদে ইস্তফা দিয়েছেন আরসিপি সিং-ও। তাঁর ইস্পাত মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জ্যোতিরাদিত্যকে।

    আরও পড়ুন : মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হয়েই কি বাংলায় প্রচারে নারাজ যশবন্ত সিনহা?

    অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্মৃতি। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমাকে দেওয়া দায়িত্ব পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশসেবার সংকল্প জারি রাখব।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভায় মনোনীত পিটি ঊষা- ইলাইয়ারাজা সহ ৪, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রসঙ্গত, সংঘ্যালঘু মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মুখতার। তিনি পদত্যাগ করায় মোদি মন্ত্রিসভায় এই সম্প্রদায়ের আর কোনও মুখ রইল না। তবে মুখতারকে উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহল সূত্রের খবর। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিত্ব পদে ইস্তফা দেওয়ার আগে মুখতার সাক্ষাৎ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। তার পরেই তাঁর উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়া নিয়ে ছড়ায় জোর জল্পনা।

     

  • Loudspeaker in mosques: মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Loudspeaker in mosques: মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদে আজানের জন্য লাউডস্পিকারের ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়। শুক্রবার এ বিষয়ে শুনানি ছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেখানেই এমনই পর্যবেক্ষণের কথা জানান হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন এহেন মামলা খারিজও করে দেওয়া হয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে। খাজির করে দেওয়া হয়েছে মসজিদে লাউডস্পিকার লাগানোর দাবিও।

    উত্তর প্রদেশের বদায়ুঁ জেলার ধোরানপুর গ্রামের নুরি মসজিদে লাউড স্পিকার লাগানোর অনুমতি চেয়ে জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানানো হয়। মসজিদ কর্তৃপক্ষকে সেই অনুমতি দেননি জেলাশাসক। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। ইরফান নামে এক ব্যক্তি অতিরিক্ত জেলাশাসকের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। আদালতের দ্বারস্থ হন তিনিও। আবেদনকারী আদালতে জানান, মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। লাউডস্পিকার লাগাতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বলেও হাইকোর্টে দাবি করা হয়। বিচারপতি বিবেককুমার বিড়লা এবং বিচারপতি বিকাশের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। একাধিকবার হয় সওয়াল জবাবও। তার পরেই শুক্রবার আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, মসজিদে আজানের জন্য লাউডস্পিকারের ব্যবহার কখনওই মৌলিক অধিকার নয়।

    মসজিদে লাউডস্পিকারের ব্যবহার নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। দিনকয়েক আগে মহারাষ্ট্রে এব্যাপারে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন রাজ ঠাকরে। বলেছিলেন, অবিলম্বে মসজিদগুলি থেকে লাউডস্পিকার খুলতে হবে। না হলে যে সব মসজিদে লাউডস্পিকার বাজানো হবে, সেখানে বাজানো হবে হনুমান চালিশা। হুঁশিয়ারির জেরে রাজের বিরুদ্ধে পুলিশের তরফে রুজু হয়েছে মামলাও। এমতাবস্থায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এদিকে, যে রাজ্যের হাইকোর্টের এহেন পর্যবেক্ষণ, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি অবশ্য ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের পক্ষপাতী। তবে তা করতে হবে প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে। এবং লাউডস্পিকারের শব্দের সীমা থাকতে হবে উপাসনাস্থল চত্বরের মধ্যে। তিনি অবশ্য জানান, নতুন করে কাউকে লাউড স্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

    প্রসঙ্গত, যোগীর নির্দেশ মেনে উত্তর প্রদেশের ১৭০০ মন্দির-মসজিদে কমানো হয়েছে লাউডস্পিকারের সাউন্ড।

     

     

  • Supreme court: জ্ঞানবাপী মামলার দুই বিচারপতি ছিলেন রামজন্মভূমি-বাবরি শুনানিতেও

    Supreme court: জ্ঞানবাপী মামলার দুই বিচারপতি ছিলেন রামজন্মভূমি-বাবরি শুনানিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশ্চর্য সমাপতন!জ্ঞানবাপী মসজিদ(Gyanvapi mosque) সমীক্ষা সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছেন যাঁরা, তাঁরা অংশ নিয়েছিলেন রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলার ফয়সালায়ও। দুই মামলার ব্যবধান কয়েক বছরের। অথচ কী অদ্ভুতভাবে দুই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছেন সুপ্রিম কোর্টের(Supreme court) দুই বিচারপতি।

    ২০১৯ সালের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয় রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ মামলার। অযোধ্যার যে জায়গায় এখন রামলালা মন্দির গড়ে উঠছে, এক সময় সেখানেই ছিল বাবরি মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, রামলালার মন্দির ভেঙেই মুঘল আমলে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। যদিও বাবরি মসজিদ কমিটির দাবি ছিল, রামলালা নয়, মসজিদ যেখানে রয়েছে, সেখানেই ছিল দীর্ঘকাল। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্ট রামলালার মন্দির নির্মাণের পক্ষেই রায়দান করে। বাবরি মসজিদ কমিটিকে সম পরিমাণ জমি দেওয়া হয় অন্যত্র। এভাবেই ইতি পড়ে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা মামলায়। রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ মামলায় যুক্ত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়(Dhananjaya y chandrachud)। ওই মামলায় অংশ নিয়েছিলেন পিএস নরসিমাও(P S Narasimha)। ২০১৯ সালে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রায় দেন ওই মামলার। সেই বেঞ্চে ছিলেন চন্দ্রচূড়ও। আর নরসিমা ওই বছর বিচারক ছিলেন না ঠিকই, তবে তিনি ছিলেন সিনিয়র আইনজীবি। ওই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনিও। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হয়ে মামলা লড়ছিলেন তিনি। এই মামলায় চন্দ্রচূড়ের যে বেঞ্চ, সেই বেঞ্চের সামনে যুক্তিজাল বিস্তার করেন তিনি। ওই মামলার রায়দানের পরে কেটে গিয়েছে দু’ বছরেরও বেশি সময়। সরযূ নদী দিয়ে গড়িয়ে গিয়েছে অনেক জল। আরও একটি মামলায় যুক্ত হয়েছেন চন্দ্রচূড় ও নরসিমা। এই মামলাও উত্তর প্রদেশের। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের জায়গায় এক সময় ছিল কাশী শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। মন্দিরের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি তাদের। আর জ্ঞানবাপী মসজিদ(Gyanvapi mosque) কমিটির দাবি, মসজিদ রয়েছে দীর্ঘকাল। নমাজও পড়া হয় নিয়মিত।

    এই মামলাও উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায়ও জড়িয়ে গিয়েছেন চন্দ্রচূড় এবং নরসিমা। এঁরাই মসজিদ প্রাঙ্গণের ভিডিওগ্রাফির বিরুদ্ধে মসজিদ পরিচালনাকারী আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির একটি আবেদন বিবেচনা করেন। এই কমিটিই বারাণসী সিভিল কোর্ট নির্দেশিত সমীক্ষায় স্থগিত চেয়েছে। মন্দির-মসজিদ বিতর্কের(temple mosque controversy) অবসানে ফের কাটো কোটটা গায়ে চড়াবেন এই দুই বিচারপতি! 

    আরও পড়ুন : ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

  • Palanquin ritual: পালকি-প্রথায় ইতি, ক্ষোভের আঁচ তামিলনাড়ুতে

    Palanquin ritual: পালকি-প্রথায় ইতি, ক্ষোভের আঁচ তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ধর্মীয় আচারে লাগল রাজনীতির রং!

    মঠাধীশকে পালকিতে বসিয়ে এলাকা পরিভ্রমণ করেন ভক্তরা। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথায় ইতি টানল একটি সরকারি নির্দেশিকা। যার জেরে তপ্ত হয়েছে তামিলনাডুর রাজনৈতিক আবহ। শাসক দলের সঙ্গে তুমুল অশান্তি বিরোধী দলগুলির।

    ফি বছর মঠাধ্যক্ষকে পালকিতে বসিয়ে এলাকা পরিভ্রমণ করেন ভক্তরা। তামিলনাড়ুতে এই প্রথা পত্তিনম প্রবেশম নামে খ্যাত। প্রতি বছর মাইলাদুথুরাই জেলায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ধর্মপূরম অধিনাম নামের একটি মঠ কর্তৃপক্ষ। শৈবদের অন্যতম প্রধান তীর্থক্ষেত্র এটি। চলতি বছরে এই ধর্মীয় আচার পালনেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। অশান্তির সূত্রপাত তা নিয়েই।

    ২২ মে এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। প্রথা অনুযায়ী, মঠাধ্যক্ষকে রূপোর সিংহাসনে বসিয়ে নগর পরিভ্রমণ করা হয়। প্রশাসনের যুক্ত, ধর্মপূরম মঠের এই প্রথা মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তাই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা এই প্রথা চলতে দেওয়া যায় না। প্রথা পালন করতে গিয়ে হতে পারে আইন-শৃঙ্খলার অবনতিও। সেটাও প্রথা রদের একটা কারণ বলে দাবি স্থানীয় প্রশাসনের।

    প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এম কে স্ট্যালিন সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায়ই সরব হয়েছে বিরোধীরা। যার জেরে রাজ্যের মন্ত্রী পি কে সেকর বাবু বলেন, মঠাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী। এতেও অবশ্য প্রশমিত হয়নি বিরোধীদের ক্ষোভ।

    ডিএমকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা না হলে তিনি নিজেই মঠাধ্যক্ষের পালকি বহন করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ধর্মপূরম মঠের পাশে দাঁড়িয়েছে মাদুরাই অধিনাম নামের একটি মঠ কর্তৃপক্ষও। এই মঠের মঠাধীশ বলেন, প্রাচীন এই মঠের ধর্মীয় প্রথাকে সম্মান জানানো উচিত। এর বিরোধিতা করা ঠিক হবে না। চলতি বছরেও যাতে অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পালিত হয়, সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।  

     

  • Anubrata mandal: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    Anubrata mandal: টানা চার ঘণ্টা জেরা, ধকল সইতে না পেরে হাসপাতালে অনুব্রত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চার ঘণ্টার জেরা। তাই বোধহয় ধকল সইতে পারলেন না তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata mandal)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল তিনি চলে যান নিজাম প্যালেসে, সিবিআই(cbi) দফতরে। সেখানেই গরু পাচারকাণ্ডে(cow smuggling scam) জেরা করা হয় তাঁকে। নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে অনুব্রত সটান চলে যান এসএসকেএমে(sskm)।

    সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামূল জেরার সময় বেশ কয়েকবার অনুব্রতর নাম করেছে। সেই কারণেই তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে জেরা করা জরুরি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেই জেরাই হল বৃহস্পতিবার।

    আরও পড়ুন : গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই দফতরে অনুব্রত মণ্ডল, কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    এদিন সকালে ১০টা বাজার ঢের আগেই অনুব্রত হাজির হয়ে যান নিজাম প্যালেসে। তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছিলে সাড়ে ১০টায়। আগাম চলে যাওয়ায় তাঁকে বসিয়ে রাখা হয় গেস্ট রুমে। সাড়ে ১০টা বাজাতেই ডেকে পাঠানো হয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তিন দফায় ৩৬টি প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জেরা চলে ঘণ্টা চারেক ধরে। দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট নাগাদ সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন অনুব্রত। যদিও বুকে ব্যথা অনুভব করায় নিজাম প্যালেস থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে। সেখানে ফের উডবার্ন ওয়ার্ডে অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

    গত ৬ এপ্রিল নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেবেন বলে চিনার পার্কের বাড়ি থেকে বের হন অনুব্রত। সেদিনও বুকে ব্যথা অনুভব করায় তিন সোজা চলে যান এসএসকেএমে। পরে ভর্তি হন উডবার্ন ওয়ার্ডে। চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ার পর সিবিআইকে চিঠি দিয়ে অনুব্রত জানান ২১ মে-র পর তিনি সিবিআই দফতরে যেতে পারেন। তার দু দিন আগেই সিবিআই জেরার মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।  

    আরও পড়ুন : “বাঁচার চেষ্টা করবেন…বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না”, কার সম্পর্কে একথা বললেন সুকান্ত?

    অসুস্থ হলেও, অনুব্রত যে সিবিআইয়ের হাত থেকে রেহাই পাবেন না, তা আগেই জানিয়ে ছিলেন বিজেপির(bjp) কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ(dilip ghosh)। তিনি বলেছিলেন, জেলে থাকলে ঠিক আছে, হাসপাতালে থাকলে তাঁর(অনুব্রতর) বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের জন্য এনি হাউ তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে।একই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির স্বপন মজুমদারও।

     

  • Jaishankar On E-Passport: শীঘ্রই ভারতে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট, কেন জানেন? 

    Jaishankar On E-Passport: শীঘ্রই ভারতে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট, কেন জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশ ভ্রমণ মসৃণ করতে এবার ই-পাসপোর্ট (E-Passport) চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে রোখা যাবে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি। সম্প্রতি এ কথা জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পাসপোর্ট সেবা দিবস (Passport Sewa Diwas) উপলক্ষে একথা বলেন তিনি।

    ভারত থেকে বিদেশ ভ্রমণ এবার আরও মসৃণ হতে চলেছে। ফি বছর নানা প্রয়োজনে প্রচুর ভারতীয় বিদেশে যান। এজন্য প্রয়োজন হয় পাসপোর্টের। বিশ্বের বহু দেশই ই-পাসপোর্ট চালু করে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে ই-পাসপোর্টে নানা সুবিধা মেলে। অভিবাসন কাউন্টারগুলির কাজে গতি আসে। তাতে আদতে লাভ হয় ভ্রমণকারীদেরই। পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ ২০১৯ সালে ভারতে এবং বিদেশে এক কোটি আঠাশ লক্ষেরও বেশি পাসপোর্ট ইস্যু করেছিল। এদিক থেকে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ভারত। বিশ্বব্যাপী প্রচারের একটি অংশ হিসেবে বিদেশ মন্ত্রক ৭০টি বিদেশি মিশন ও পোস্টগুলিতে পাসপোর্ট ইস্যু করার সিস্টেম চালু করেছে। এগুলি বিদেশে জারি করা মোট পাসপোর্টের ৯৫ শতাংশেরও বেশি।

    আরও পড়ুন: পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের ইস্যু করা পাসপোর্ট ছাপা হয় বুকলেটে। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন কর্তৃক নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার এগুলিকে আপগ্রেড করতে চায়। এই প্রক্রিয়ায় দুটি বিষয় রয়েছে। প্রথমটিই হল ই-পাসপোর্ট। পাসপোর্ট বুকলেটে একটি ইলেকট্রনিক চিপ এম্বেড করে নন-ইলেকট্রনিক পাসপোর্টে নিরাপত্তার একটি স্তর যুক্ত করা হবে। পাসপোর্টের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় জীবনী সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যও থাকবে। এই ডিজিটাল নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হল একটি ডিজিটাল স্বাক্ষর। যা প্রতিটি দেশের জন্য অনন্য এবং নিজ নিজ শংসাপত্র ব্যবহার করে এটি যাচাই করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমেরিকাকে ‘দুসরা’ বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের

    ফি বছর ২৪ জুন দিনটি পাসপোর্ট সেবা দিবস হিসেবে পালন করে দেশ। এদিন সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েই জয়শঙ্কর বলেন, আমাদের মন্ত্রিসভা ভারতীয়দের ই-পাসপোর্ট দেওয়ার কাজ চালু করতে চলেছে। এতে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক ভ্রমণ মসৃণ হবে, তেমনি রোখা যাবে জাল পাসপোর্ট তৈরির প্রবণতাও। বজায় থাকে ডেটা নিরাপত্তাও। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট সেবা সিস্টেমকে ডিজি-লকারের সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এতে পেপারলেস ডকুমেন্টেশন প্রসেসের সুবিধা মিলছে।

     

  • Hanskhali Rape: হাঁসখালিকাণ্ডে ক্রমেই ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে?

    Hanskhali Rape: হাঁসখালিকাণ্ডে ক্রমেই ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার হাঁসখালিকাণ্ডে (Hanskhali case) গাড্ডায় তৃণমূল(Tmc)। ঘটনার জেরে দলের অন্দরে ক্রমেই বাড়ছে মতানৈক্য। খোদ তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন দলেরই সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Maitra)। আবার বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের(Saugata Roy) সঙ্গে সহমত পোষণ করতে পারছেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা দলের আর এক সাংসদ শতাব্দী রায় (Shatabdi roy)। এই চার নেতানেত্রীর পরস্পর বিরোধী মন্তব্যে যারপরনাই হতাশ তৃণমূল নেতাকর্মীরা।
    দিন কয়েক আগে বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে গিয়ে বছর চোদ্দর এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ। বাড়ি ফেরার আগেই শুরু হয় রক্তক্ষরণ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে ওই রাতেই মৃত্যু হয় নির্যাতিতার। ঘটনার পরে পরেই দেহ নিয়ে গিয়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। গোটা ঘটনায় অভিযোগের আঙুল ওঠে তৃণমূলের দিকে। এর পরেই লাভ অ্যাফেয়ারের তত্ত্ব খাড়া করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বিতর্কিত মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় গোটা রাজ্যে। এর পরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে তৃণমূল। তড়িঘড়ি সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় নির্যাতিতার বাড়িতে। সেখানে তিনি ভারতীয় আইন তুলে ধরে বলেন, ভালোবাসা থাকলেও নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা যায় না। মহুয়ার মন্তব্য যে তৃণমূল নেত্রীর বিপ্রতীপ, তা বলাই বাহুল্য। 
    গোল বেঁধেছে সৌগত-শতাব্দীর মধ্যেও। হাঁসখালির ঘটনা প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত বলেন, যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা সেখানে নারী নির্যাতনের একটি ঘটনা ঘটলেও, তা লজ্জার। সৌগতর পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতাব্দী। তিনি বলেন, আমি সৌগতদার সঙ্গে এক মত নই। মহিলা-পুরুষের বিভেদের বিষয় এটা নয়। মহিলা মুখ্যমন্ত্রী কি চেয়েছেন এটা?
    কথায় বলে, বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ হয়। তাহলে কি শেষের সেদিন শুরু হয়ে গেল তৃণমূলে?

     

LinkedIn
Share