Author: Krishnendu Bakshi

  • Bangladesh Hilsa: ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতি সংরক্ষণে জোর বাংলাদেশের

    Bangladesh Hilsa: ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতি সংরক্ষণে জোর বাংলাদেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলিশের (Hilsa) উৎপাদন আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। সম্প্রতি জিআই ট্যাগ (G I Tag) পেয়েছে বাংলাদেশি ইলিশ। তারপরেই শুরু হয়েছে ইলিশ উৎপাদনে জোর তৎপরতা। বাংলাদেশের মৎস্যমন্ত্রী এসএম রেজাউল করিম (Rezaul Karim) জানান, বাগদা চিংড়িও পেয়েছে জিআই ট্যাগ।

    স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় বাংলাদেশের ইলিশ। গোটা বিশ্বেই কদর রয়েছে বাংলাদেশের এই রুপোলি ফসলের। বিশ্বে সব চেয়ে ইলিশ উৎপাদন হয় বাংলাদেশেই। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নানা ব্যবস্থাও নিয়েছে সে দেশের সরকার। প্রজনন মরশুমে মাছ ধরায় জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ধরা নিষেধ খোকা ইলিশও। এসব কারণেই ফি বছর লাফিয়ে লাফিয়ে বাংলাদেশে বাড়ছে ইলিশের উৎপাদন।

    বাংলাদেশের মৎস্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে দেশে ইলিশের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল তিন লক্ষ মেট্রিক টন। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন। বিদেশে বাংলাদেশি ইলিশের বিপুল চাহিদা। মন্ত্রী জানান, বিশ্বের ৫২টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে ইলিশ রফতানি করে। এদিন ঢাকায় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করেন রেজাউল। সেখানেই তিনি জানান, ইলিশের কোয়ালিটি যাচাই করতে বাংলাদেশে তিন ধরনের আর্ট ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : চরম বিদ্যুৎ সংকটে বাংলাদেশ! নিয়মিত লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত

    কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্ব থেকেই হারিয়ে যাচ্ছেন নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। এদিন সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা লুপ্তপ্রায় ৩৬টি প্রজাতির মাছকে ফিরিয়ে এনেছেন। ময়মনসিংয়ে এজন্য একটি জিন ব্যাংকও স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই জিন ব্যাংকে একশোরও বেশি প্রজাতির মাছের জিন সংরক্ষণ করা যাবে। এদিন মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মন্ত্রী একটি রঙিন নৌকো সমাবেশের সূচনাও করেন।

    আরও পড়ুন : দু’বছর পর ফের চালু হল ভারত-বাংলাদেশ রেল পরিষেবা

    জানা গিয়েছে, গত ষোলো বছরে বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। সে দেশের মোট জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ আসে ফিসারিজগুলি থেকে। আর কৃষি থেকে আসে ২৬.৫০ শতাংশ। অন্তর্দেশীয় মৎস্য উৎপাদনে গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান তৃতীয়। তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ স্থান দখল করে বাংলাদেশ। আর ইলিশ উৎপাদনে দেশটির স্থান সবার ওপরে।

     

  • Rahul Gandhi: ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    Rahul Gandhi: ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) টানা তৃতীয় দিন ইডির (ED) জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সোম, মঙ্গলের পর বুধবারও ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। বুধবার যে তাঁকে ইডি দফতরে ফের হাজিরা দিতে হবে, মঙ্গলবারই জেরা শেষে তা জানিয়ে দিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। এদিকে, সোমের পর মঙ্গলবারও ওই ঘটনার জেরে কংগ্রেস সদর দফতরের বাইরে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা।পুলিশ গিয়ে কয়েকজনকে আটকও করে।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুলকে প্রথম তলব করা হয় সোমবার। সেদিন কংগ্রেস সাংসদকে দু দফায় প্রায় ১০ ঘণ্টা জেরা করা হয়। ইডি আধিকারিকরা তার জবাবে সন্তুষ্ট হতে না পেরে মঙ্গলবার ফের তলব করেন তাঁকে। এদিনও গভীর রাত পর্যন্ত জেরা করা হয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে। ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে রাহুল সটান চলে যান স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে। সেখানেই ভর্তি রয়েছেন করোনা সংক্রমিত সোনিয়া। বুধবার সকালে ফের বোন তথা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে যান রাহুল।

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    এদিকে, গত তিনদিন ধরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে লাগাতার বিক্ষোভ প্রদর্শন করে চলেছেন কংগ্রেস কর্মীরা। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অভিযোগ, প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির কারণেই হেনস্থা করা হচ্ছে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে। বিপ্রতীপ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের সদর দফতরের সিংহদ্বার। দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট ও ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেশ বাঘেল ছাড়া আর কাউকেই বুধবার ঢুকতে দেওয়া হবে না সদর দফতরে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় গত ৮ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। বছর পঁচাত্তরের সোনিয়া করোনা সংক্রমিত হয়ে ভর্তি হাসপাতালে। তাই হাজিরার নয়া দিন চাওয়া হয়েছিল সোনিয়ার তরফে। তার পরেই ইডি তাঁকে জানিয়ে দেয় ২৩ জুন কংগ্রেস সভানেত্রীকে উপস্থিত হতে হবে ইডি দফতরে।

     

  • Viva Tech 2022: ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলনে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান ভারতকে

    Viva Tech 2022: ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলনে বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান ভারতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের সেরা দেশের স্বীকৃতি পেল ভারত (India)। সম্প্রতি হয়ে গেল ইউরোপের (Europe) বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলন ভিভাটেক ২০২২ (Viva Tech 2022)। সেখানেই মিলেছে এই স্বীকৃতি।

    সেরা দেশের খোঁজ পেতে ইউরোপে হয় স্টার্টআপ কনফারেন্স ভিভাটেক ২০২২। এটি ইউরোপের বৃহত্তম স্টার্টআপ সম্মেলন। ফ্রান্সের (France) প্যারিসে আয়োজিত ওই সম্মেলনে ভারতের তরফে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, সেরা দেশের স্বীকৃতি হিসেবে ভিভাটেক ২০২২-তে অংশ নিতে পারাটা ভারতের কাছে সম্মানের। এটার কারণ হল, সারা বিশ্বে ভারতের স্টার্টআপগুলির অবদান।এই সম্মান ভারতীয় স্টার্টআপগুলির স্বীকৃতি। আমরা এক রোমাঞ্চকর যাত্রায় শামিল হয়েছি।

    আরও পড়ুন : পাসওয়ার্ডহীন সাইন ইন স্ট্যান্ডার্ড আনার পরিকল্পনা তিন প্রযুক্তি জায়ান্টের

    তিনি বলেন, এটা এমন এক যাত্রা যেখানে কয়েক কোটি স্মার্টফোন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্রকে এই যাত্রায় শামিল করা গিয়েছে।ভারতীয় তরুণদের মধ্যে যে উদ্যম রয়েছে, বিশ্বের আর কোনও দেশে তা পাবেন না বলেও মন্তব্য করেন ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রী।

    ভিভাটেক নামের এই প্রদর্শনীতে গিয়ে এদিন অশ্বিনী উদ্বোধন করেন ভারতীয় প্যাভেলিয়নের। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি, ডিজিটাল পরিচয়পত্র এবং স্মার্টফোন তৈরিতে ভারতে ইউনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, এ দেশ (ফ্রান্স) থেকে একটা জিনিস আমাদের নিয়ে যাওয়া উচিত, সেটা হল চিন্তাভাবনার নয়া পথ। ব্যর্থতার মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে, তা শিখতে  হবে ফরাসিদের কাছ থেকে। কী ব্যর্থ হতে পারে? কী কী ব্যর্থ হতে পারে? আপনি যদি তা জানতে পারেন, তখনই আপনার প্রোডাক্ট কখনওই ব্যর্থতার মুখ দেখবে না।

    আরও পড়ুন : আইফোন ১৪ ফোনে থাকছে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি? পড়ুন বিস্তারিত

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন অশ্বিনী। বলেন, আপনি যদি নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রোগ্রামগুলো দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন সেগুলো কীভাবে ডিজিটালি হয়। এর সব চেয়ে বড় উদাহরণ ইউপিআই। এর পরেই আসতে চলেছে আমাদের হেল্থ মিশন।

     

  • Rahul Gandhi: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    Rahul Gandhi: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) করেছিলেন একদিন আগেই। আর কেন্দ্রের বিরোধী দল কংগ্রেসের (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) তাঁর ট্যুইটারের প্রোফাইল পিকচার বদলালেন একদিন পরে। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই রাহুলও বদলালেন প্রোফাইল পিকচার।

    রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিনই তিনি দেশবাসীকে অনুরোধ করেন, হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজাদির অমৃত মহোৎসবের অধীনে আগামী ১৩ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আমরা হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশীদার হোন এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহারের অনুরোধও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    প্রধানমন্ত্রীর সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই নিজের ডিসপ্লে পিকচার বদলান রাহুল। তাঁর পোস্ট করা ছবিটি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সাদা কালো ছবি। তবে তাঁর হাতে ধরা জাতীয় পতাকাটি রঙিন। সঙ্গে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির ট্যুইট, দেশের গর্ব, আমাদের তেরঙ্গা / প্রতিটি হিন্দুস্তানির হৃদয়ে, আমাদের তেরঙ্গা।

    রাহুলের এহেন পোস্টে অন্য ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক মহল। একদিকে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাহুল বদলেছেন ডিপির ছবি। আবার নেহরুর ছবি দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অবদানের কথাও দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাইলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, ২ অগাস্ট পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়ার জন্মবার্ষিকী। তিনি জাতীয় পতাকার নকশা এঁকেছিলেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এদিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের ডিপি হিসেবে ব্যবহার করুন তেরঙ্গার ছবি।

    আরও পড়ুন : ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

     

  • Dilip Attacks Partha: কার চক্রান্তের কথা বলছেন? পার্থকে নিশানা দিলীপের, আক্রমণ অর্পিতাকেও

    Dilip Attacks Partha: কার চক্রান্তের কথা বলছেন? পার্থকে নিশানা দিলীপের, আক্রমণ অর্পিতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chaterjee)। সম্প্রতি তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছে তাঁর দল তৃণমূল (TMC)। পার্থের মাথার ওপর থেকে আশীর্বাদী হাত সরে গিয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। আক্ষরিক অর্থেই একা হয়ে গিয়ে পার্থের দাবি, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। পার্থের এই দাবিকেই হাতিয়ার করেছেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর প্রশ্নবাণ, পার্থবাবু কার চক্রান্তের কথা বলছেন?

    এসএসসি দুর্নীতিকান্ডে তদন্তে নেমে কেঁচো নয়, কেউটের সন্ধান পেয়েছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। পার্থ ও তাঁর ঘনিষ্ঠ জনৈক অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে রাশি রাশি টাকা। হাইকোর্টের নিয়ম মেনে এদিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পার্থ অর্পিতাকে। সেখানেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অর্পিতা। আর পার্থ দাবি করেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। পার্থের এই ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’কেই অস্ত্র করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্রশ্ন, পার্থবাবু কার চক্রান্তের কথা বলছেন? দিলীপ বলেন, উনি কোনও সাধারণ মানুষ নন। ওনার দায়িত্ব লোকের সামনে নিয়ে আসা। উনি মন্ত্রী, এত বড় নেতা, পুরানো রাজনীতিবিদ। তাই লোকে ওনাকে এত টাকা দিয়েছিল। তিনি বলেন, মানুষের বিশ্বাসটাকে রেখে বাংলার রাজনীতি যাতে কলুষমুক্ত হয়, সেজন্যও অন্তত ওনার বলা উচিত কারা চক্রান্ত করছে। এখন ফেঁসে গিয়েছেন। সত্যি সত্যিই কেউ চক্রান্ত করে থাকলে বলা উচিত।

    আরও পড়ুন : বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    এদিন অর্পিতাকেও নিশানা করেছেন দিলীপ। বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, উনিও ঘর থেকে বেরনোর সময় বলেছিলেন বিজেপির চক্রান্ত। কান্নাকাটি করে তো আর বাঁচা যাবে না। তাহলে হয়তো লঘু হতে পারে সাজা। নইলে আরও কঠোর সাজা হবে। তিনি বলেন, উনি কান্নাকাটি না করে সত্য সামনে নিয়ে আসুন।

    এদিন তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন প্রদেশ কংগ্রস সভাপতি অধীর চৌধুরীও। তিনি বলেন, তৃণমূলের ভোটার, সমর্থকরা সৎ। তাঁদের সততা, আন্তরিকতাকে ব্যবহার করে তৃণমূলের নেতারা ধনকুবেরে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলার মানুষ নতুন চেহারা দেখছেন তৃণমূলের। সবে তো শুরু হয়েছে, এখনও অনেক বাকি রয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, কে ষড়যন্ত্র করেছে, সেই নামটা ওঁর নির্দিষ্ট করে বলা উচিত। কারণ বাংলার মানুষ গভীরতম ষড়যন্ত্রের শিকার। বাংলার মানসম্মান নষ্ট হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বলা উচিত কে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। না হলে একথা বলার কোনও মানে হয় না। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, চক্রান্ত হলে আইনের পথ খোলা রয়েছে।

     

  • Rakesh Jhunjhunwala: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    Rakesh Jhunjhunwala: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ (Big Bull) রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা (Rakesh Jhunjhunwala)। রবিবার ভোরে মৃত্যু হয় ‘ভারতের নিজের ওয়ারেন বাফেটে’র (India’s own Warren Buffet)। বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। এদিন আচমকা ফের অসুস্থ হয়ে পড়ায় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে নিয়ে আসা হয় মুম্বইয়ের (Mumbai) ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে পরিবারের তরফে এখনও কিছু বলা হয়নি। জানা গিয়েছে, গত মাসেই একবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন রাকেশ। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আকাশা এয়ারলাইন্সের উদ্বোধনের সময়ও হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে একটি সূত্রের খবর।

    ১৯৮৫ সালে মাত্র ৫ হাজার টাকা নিয়ে শেয়ার মার্কেটে (Share Market) এসেছিলেন রাকেশ। তার পর ক্রমে ক্রমে পরিণত হয়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের বিগ বুলে। বলা হয়, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে কখনওই ভুল করতেন না তিনি। দিন কয়েক আগে একটি জুতো প্রস্তুতকারী সংস্থার শেয়ার কিনেছিলেন রাকেশ। কয়েক দিনের মধ্যে সেটিও পৌঁছে গিয়েছিল সর্বোচ্চ দরে। তিনি একদিনে লাভ করেন ২২১ কোটি টাকা। কিছু দিন আগেই আকাশে ডানা মেলে তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় আকাশা এয়ারলাইন্সের বিমান। যে অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছিল হুইলচেয়ারে বসে থাকতে।

    আরও পড়ুন : ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস

    শেয়ার বাজারের লভ্যাংশ রাকেশ বিনিয়োগ করেছিলেন একাধিক শিল্প ও বাণিজ্যে। ফোবর্স ম্যাগাজিনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে রাকেশের সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অ্যাপটেক লিমিটেড ও হাঙ্গামা ডিজিটাল মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন রাকেশ। ছিলেন একাধিক সংস্থার ডিরেক্টরও।

    ১৯৬০ সালের ৫ জুলাই হায়দরাবাদের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রাকেশ। কলেজে পড়াশোনা করার সময়ই বিনিয়োগ করতে শুরু করেন শেয়ার বাজারে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, বাবার কথা শুনে ও তাঁরই অনুপ্রেরণায় দালাল স্ট্রিটে পা রেখেছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে টাটা টি-র পাঁচ হাজার শেয়ার কিনেছিলেন মাত্র ৪৩ টাকা দিয়ে। তিন মাসের মধ্যেই সেই শেয়ারের দাম পৌঁছে গিয়েছিল ১৪৩ টাকায়। এর পরেই শেয়ার বাজারে ক্রমেই বাড়তে থাকে বিনিয়োগের পরিমাণ। পরর্বতী তিন বছরে শেয়ার বাজার থেকে তিনি আয় করেন ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। তার পর থেকে শেয়ার বাজার থেকে তাঁর আয়ের লেখচিত্র হয়েছে ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

  • SSC scam: এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    SSC scam: এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) দফতরে অভিযান চালাল সিবিআই (CBI)। বৃহস্পতিবার সকাল ন’টা নাগাদ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ছয় সদস্যের একটি দল যায় সল্টলেকের ডিরোজিও ভবনে। তদন্তকারীরা কথা বলেন আধিকারিকদের সঙ্গেও। এদিকে, এদিনই উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদ সিনহার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই।এদিন সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল যায় তাঁর সার্ভে পার্কের বাড়িতে।

    এসএসসি দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে। সেই শিকড়ের গোড়ায় পৌঁছতেই এদিন সকালে সিবিআইয়ের একটি দল হানা দেয় সল্টলেকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দফতরে। কথা বলেন পর্ষদের আধিকারিকদের সঙ্গে। খতিয়ে দেখেন প্রয়োজনীয় নথিপত্রও। কাদের কাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, তা জানতে আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।

    সিবিআইয়ের একটি দল যখন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দফতরে অভিযান চালাচ্ছে, প্রায় ঠিক সেই সময়েই অন্য একটি দল হানা দেয় এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে। এসএসসি গ্রুপ সি মামলায় শান্তিপ্রসাদ সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই।শান্তিপ্রসাদ ছাড়াও নাম রয়েছে তৎকালীন প্রোগ্রামার সমরজিৎ আচার্য, তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৌমিত্র সরকার, তৎকালীন সচিব অশোক কুমার সাহা এবং তৎকালীন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের।

    সূত্রের খবর, শান্তিপ্রসাদের বাড়ির সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শান্তিপ্রসাদের কোথায় কী সম্পত্তি রয়েছে, তাও জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা।  

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উপদেষ্টা কমিটির পাঁচ সদস্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে খোঁজখবর করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখতে চাইছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এই পাঁচজনের নামে-বেনামে গত পাঁচ বছরে কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, এদিন সার্ভে পার্কের একটি আবাসনের তিন তলায় শান্তিপ্রসাদের বাসভবনে পৌঁছান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। নথিপত্র দেখিয়ে ফ্ল্যাটে ঢোকেন তাঁরা। পরে বন্ধ হয়ে যায় ফ্ল্যাটের দরজা। তারপর আর দীর্ঘক্ষণ খোলেনি।

    সিবিআইয়ের দাবি, এসএসসি দুর্নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে শান্তিপ্রসাদের। দুর্নীতি করতেই বেআইনি কমিটি গড়ে তার উপদেষ্টা পদে বসানো হয়েছিল তাঁকে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদের গ্রেফতারি এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • 75th Independence Day: আজ ১৫ অগাস্ট, ফিরে দেখা স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস

    75th Independence Day: আজ ১৫ অগাস্ট, ফিরে দেখা স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার (Independence) পঁচাত্তর বছর পূর্তি। দেশজুড়ে সাজ সাজ রব। ভারত সরকার (India Govt.) হাতে নিয়েছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব। দেশের স্বাধীনতা আনতে গিয়ে যাঁরা প্রাণ বলিদান দিয়েছিলেন তাঁদের স্মৃতিতর্পণ চলছে বছরভর ধরে। পালিত হয়েছে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচিও। আসুন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ফের একবার মনে করে নিই বিশেষ বিশেষ ঘটনাগুলি।

    ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ: স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধটি হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। দেশবাসী একে জানেন সিপাই বিদ্রোহ হিসেবে। মঙ্গল পাণ্ডে, বাহাদুর শাহ জাফর, রানি লক্ষ্মীবাই এবং নানা সাহিব রুখে দাঁড়িয়েছিলেন ব্রিটিশ সৈনদের বিরুদ্ধে। পরে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে।

    স্বদেশি আন্দোলন: উনবিংশ শতাব্দীতে শুরু হয় স্বদেশি আন্দোলন। বিদেশি দ্রব্য বর্জন করে দেশীয় জিনিস ব্যবহার করার ডাক দেওয়া হয়। বাল গঙ্গাধর তিলকের মতো নেতারা দেশবাসীকে স্বদেশি দ্রব্য ব্যবহার করার আহ্বান জানান। পরবর্তীকালে তিলক এবং জেআরডি টাটা মিলে চালু করেন বিখ্যাত বম্বে স্বদেশি কো-অপারেটিভ স্টোর্স কোম্পানি।

    ভারত ছাড়ো আন্দোলন: ১৯৪২ সালের ৮ অগাস্ট শুরু হয় ভারত ছাড়ো আন্দোলন। এদিনই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির বম্বে অধিবেশন বসে। এই আন্দোলন ছিল অহিংস আন্দোলন।

    প্রথম জাতীয় পতাকা: ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকায় ছিল সবুজ, হলুদ এবং লাল রং। ১৯০৬ সালের ৭ অগাস্ট কলকাতার পার্সি বাগান স্কোয়ারে তোলা হয় ওই পতাকা। বর্তমানে যে জাতীয় পতাকা দেখি, তা প্রথম দেখা যায় ১৯২১ সালে। তিরঙ্গা ওই পতাকায় রয়েছে গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ। ২৪ স্পোকের অশোক চক্রও রয়েছে। জাতীয় এই পতাকার ডিজাইন করেছিলেন পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়া। ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই এটি গ্রহণ করা হয়। সরকারিভাবে এই জাতীয় পতাকা তোলা হয় ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসের দিন।

    ভারতের জাতীয় সঙ্গীত: ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় কোনও জাতীয় সঙ্গীত ছিল না। ১৯১১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন ভারত ভাগ্য বিধাতা। পরে এর নাম হয় জনগণমন। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে একে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

    র‌্যাডক্লিফ লাইন: ভারত পাকিস্তানের মধ্যে র‌্যাডক্লিফ লাইন টানা হয় ১৯৪৭ সালের ৩ অগাস্ট। পাঞ্জাব ও পাকিস্তানের সীমান্ত ও বাংলা রিজিয়ন প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৭ অগাস্ট।

    ভারতের জাতীয় গীত:  ১৮৮০ সালে জাতীয় গীত বন্দে মাতরম লিখেছিলেন আনন্দমঠের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধান পরিষদ একে জাতীয় গীত হিসেবে গ্রহণ করে।

    ভারতের স্বাধীনতা: ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায় কঙ্গো, বাহরিন, কোরিয়া এবং লিচেস্টাইনের সঙ্গে ভারতও। ভাগ হয়ে যায় ভারত ও পাকিস্তান।

    কেন ১৫ অগাস্ট? ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ১৯৪৮ সালের ৩০ জুন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছিলেন। ভারতীয় নেতারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। পরে ব্যাটেন ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজি হন ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। তিনি জানান, দেশে আরও কোনও প্রতিবাদ দেখতে চান না তিনি।

    প্রথম তিরঙ্গা উত্তোলন: স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় প্রথমবার উত্তোলন করেন তিরঙ্গা পতাকা। দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গোটা পৃথিবী যখন ঘুমোচ্ছে, তখন ভারত জাগবে নতুন জীবন ও স্বাধীনতা নিয়ে।

     

  • China Taiwan Conflict: তাইওয়ানে পা রাখলেন ন্যান্সি, সমরসজ্জা শুরু চিন আমেরিকার?

    China Taiwan Conflict: তাইওয়ানে পা রাখলেন ন্যান্সি, সমরসজ্জা শুরু চিন আমেরিকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়িটিওর বেশি যুদ্ধ বিমান (Fighter Jet) উড়ে গেল তাইওয়ান (Taiwan) এয়ার ডিফেন্স জোনের দিকে। মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির (Nancy Pelosi) নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা পা রাখেন তাইওয়ানে। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে যুদ্ধ-সাজ।  

    ন্যান্সির সফরসূচিতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। তবে তিনি যে তাইওয়ান যেতে পারেন, তা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন : চিনা হুমকি, তাইওয়ানে মহড়া শুরু যুদ্ধের

    এহেন আবহে তাওয়ানে পা রাখেন ন্যান্সি। তার পরেই উড়ে যায় চিনা যুদ্ধ বিমান।তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ট্যুইটবার্তায় জানিয়েওছেন সে কথা। পশ্চিমী কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের দাবি, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান শুরু করতে চলেছে শি জিনপিংয়ের সরকার।

    এদিকে একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে তাইপেই বিমানবন্দরে পেলোসি ও তাঁর সঙ্গীদের স্বাগত জানাচ্ছেন তাই-সরকারের প্রতিনিধিরা। তাইওয়ানে পা রাখার পর একগুচ্ছ ট্যুইট করেন পেলোসি। লেখেন, তাইওয়ানের মজবুত গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান ও সমর্থন জানাতে আমেরিকা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আমাদের প্রতিনিধি দলের এই সফর। মুক্ত ও উদার ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠনের লক্ষ্যে তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন জানাতেই তাদের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করব আমরা। এদিকে, পেলোসির সফরের আগে তাইওয়ানের জলসীমা অভিমুখে রওনা দেয় চার মার্কিন রণতরী।এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস রোনাল্ড রেগনও।

    তাইওয়ান-চিনের বিবাদ বহু পুরানো। চিন তাইওয়ানকে তার প্রদেশ বলে মনে করে। আর তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন একটি দেশ বলে মনে করে। চিনের মূল ভূখণ্ডে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি ও কুওমিনতাঙের মধ্যে শুরু হয় যুদ্ধ। ১৯৪০ সালে মাও সে তুংয়ের নেতৃত্ব কমিউনিস্টরা কুওমিনতাংকে পরাস্ত করে। এর পরেই কুওমিনতাঙের অনুগামীরা চলে আসেন তাইওয়ানে। ওই বছরই চিনের নামকরণ করা হয় পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না। আর তাইওয়ানের নাম হয় রিপাবলিক অফ চায়না। এর পর তাইওয়ানের নিজস্ব সরকার গঠিত হয়। তৈরি হয় সংবিধানও। বিশ্বের মাত্র ১৩টি দেশ তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করে।  

    তাইওয়ানের শাসক দল ডেমক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির সাংসদ ওয়াং টিংউ বলেন, কে তাইওয়ান আসবে আর আমেরিকা কীভাবে তাইওয়ানের সঙ্গে আচরণ করবে, তা বেজিং ঠিক করতে পারে না।    

    আরও পড়ুন : ভারতে আছড়ে পড়তে চলেছে চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! দাবি মার্কিন সংস্থার

  • Presdential Elections: রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    Presdential Elections: রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presdential polls)। শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই ব্যস্ততা তুঙ্গে।এমতাবস্থায় সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের ওপর জোর দিচ্ছে বিজেপি। সেই কারণে বিজেপির তরফে এনডিএ, ইউপিএ এবং নির্দলদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (jp nadda) এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে (Rajnath singh)।

    ভারতে রাষ্ট্রপতি পদটি আলঙ্কারিক। রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয়। আমেরিকায় জনগণই ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। আর ভারতে জনগণের হয়ে ভোট দেন বিধায়ক, সাংসদরা। তাই রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চাইছেন না পদ্ম নেতৃত্ব। বরং তাঁরা চাইছেন, রাষ্ট্রপতি মনোনীত হোন ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে। সেই জন্যই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নাড্ডা এবং রাজনাথকে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বলেন, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং খুব শীঘ্রই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করতে এনডিএ, ইউপিএ এবং নির্দলদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি পদে রামনাথ কোবিন্দ বসার আগেও বিজেপির তরফে বিরোধীদের সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য গঠন করা হয়েছিল দুজনের কমিটি। সেবার অবশ্য ঐক্যমত্য হয়নি। কোবিন্দকে সমর্থন করেছিল ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং বিজু জনতা দল। ৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে রাইসিনা হিলসে যান কোবিন্দ। এবার বিজেপির তরফে আসরে নামানো হয়েছে বেঙ্কাইয়া ও রাজনাথকে। কোবিন্দের ক্ষেত্রে না হলেও, হয়েছিল আবদুল কালামের ক্ষেত্রে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন তিনি।  

    এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট হতেই কোমর কষে পথে নেমে পড়েছে বিজেপি। তবে বিরোধীরা এখনও ছন্নছাড়া। ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী জোটের বৈঠক করতে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকেই বিরোধীদের তরফে একজনকে দাঁড় করনোর চেষ্টা হতে পারে রাষ্ট্রপতি পদে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপির ঝুলিতে ভোট রয়েছে ৪৮.৯ শতাংশ। আর সম্মিলিত বিরোধী জোটের ঝুলিতে রয়েছে ৫১.১ শতাংশ ভোট। অর্থাৎ বিজেপি এবং বিরোধীদের ভোটের ব্যবধান ২.২ শতাংশের মতো।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ১৮ জুলাই, প্রার্থী কারা? তুমুল জল্পনা

    সূত্রের খবর, গতবারের মতো এবারও বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন জানাতে পারে ওড়িশার বিজেডি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বিষয়টি নিয়ে চলতি মাসের প্রথম দিকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সঙ্গে কথাও বলেছেন। তবে নীতিশের দল কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা জানা যায়নি। স্বভাবতই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা শাসক বিরোধী দুই শিবিরেই।

     

LinkedIn
Share