Author: Krishnendu Bakshi

  • Lok Sabha Elections 2024: তৃণমূলের পর এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরাও, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Elections 2024: তৃণমূলের পর এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরাও, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে হয়েছিল জোট গঠন। ‘ইন্ডি’ নামের সেই জোটকে এড়িয়েই একতরফাভাবে রাজ্যের ৪২টি আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে কংগ্রেস। আর বৃহস্পতিবারের বারবেলায় প্রথম দফার ১৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বামফ্রন্ট।

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন বিকেলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। এদিন যে ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে ১৩টিতে লড়বে সিপিএম। বাকি তিনটি আসনে লড়বেন বাম শরিকরা। তৃণমূলের পর বামেরাও প্রার্থী ঘোষণা করে দেওয়ায় বাংলায় প্রশ্ন উঠছে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েই। লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) প্রথম দফায় ১৯৫জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে বিজেপি। তার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল। এদিন ১৬টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বামেরাও। যে জেলাগুলির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলি হল, কোচবিহার, বালুরঘাট, জলপাইগুড়ি, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বর্ধমান পূর্ব, হুগলি, শ্রীরামপুর, দমদম, যাদবপুর, বাঁকুড়া, কলকাতা দক্ষিণ, হাওড়া সদর।

    তালিকায় কারা?

    দমদমে সুজন চক্রবর্তী, যাদবপুরে সৃজন ভট্টাচার্য, কলকাতা দক্ষিণে সায়রা শাহ হালিম, কৃষ্ণনগরে এসএম সাদি, আসানসোলে জাহানারা খান, হাওড়া সদরে সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান পূর্বে নীরব খাঁ, তমলুকে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলিতে মনোদীপ ঘোষ, শ্রীরামপুরে দীপ্সিতা ধর, বাঁকুড়ায় নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত, বিষ্ণুপুরে শীতল কৈবদ্য, জলপাইগুড়িতে দেবরাজ বর্মনকে প্রার্থী করেছে সিপিএম। বালুরঘাটে দাঁড় করানো হয়েছে আরএসপির জয়দেব সিদ্ধান্তকে। মেদিনীপুর আসনে লড়বেন সিপিআইয়ের বিপ্লব ভট্ট। কোচবিহারে প্রার্থী হচ্ছেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নীতীশচন্দ্র রায়।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    বামেদের প্রথম দফার প্রার্থিতালিকায় মহিলা রয়েছেন তিনজন। যে ১৬ জনের নাম এদিন ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১৪জনেরই ‘হাতেখড়ি’ হচ্ছে লোকসভা নির্বাচনে। যদিও এঁদের মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী হয়েছিলেন গত বিধানসভা নির্বাচনে। এদিকে, রাজ্যের ৮টি আসনে লড়াই করবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন আইএসএফ সুপ্রিমো নওসাদ সিদ্দিকি। আগে জানিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারে তিনি স্বয়ং প্রার্থী হবেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এদিন জানিয়ে দিলেন প্রার্থী হচ্ছেন না তিনি (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nandigram dibas: নন্দীগ্রাম শহিদ দিবসে সন্দেশখালির নারী নির্যাতন প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Nandigram dibas: নন্দীগ্রাম শহিদ দিবসে সন্দেশখালির নারী নির্যাতন প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৪ মার্চ হল নন্দীগ্রামে শহিদ দিবস (Nandigram dibas)। ২০০৭ সালে তৎকালীন বাম শাসনের রক্তচক্ষুর প্রত্যক্ষ শিকার হতে হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। খুন, ধর্ষণ, জমি লুট কী হয়নি। আজ এই দিনকে স্মরণ করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামের নারী নির্যাতনের সঙ্গে সন্দেশখালির প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। পাশপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামজিক মাধ্যমে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।

    কী বলেন শুভেন্দু (Nandigram dibas)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দীগ্রামে (Nandigram dibas) সেই দিন মা-বোনের ভূমিকা দেখেছি। এখন তৃণমূলের শাসনে সন্দেশখালিতে মা-বোনদের অবস্থা দেখেছি। সেই দিনও জোর করে জমি দখল করা হয়েছিল। আজও জোর করে চাষের জমি দখল করে নিয়েছে। খেজুরি থানায় কয়েকশ মিথ্যা মামলা দিয়েছে পুলিশ। মমতা পুলিশ আর বামশাসনের পুলিশের মধ্যে কোনও আচরণ গত পার্থক্য নেই। নির্যাতনই তাঁদের শেষ কথা।”

    কী ঘটেছিল

    ২০০৭ সালে রাজ্যে বাম শাসন চরম শিখরে। এরপর কেটে গিয়েছে ১৬ টি বছর। নন্দীগ্রামে (Nandigram dibas) ভূমি উচ্ছেদ কমিটির আন্দোলনকারীদের উপর বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশ নির্মম গুলি চালিয়েছিল। মারা গিয়েছে ১৪ জন মানুষ। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এই দিনকে নন্দীগ্রাম শহিদ দিবস পালন করা হয়। কিন্তু রাজ্যের বিজেপি, তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলে, নন্দীগ্রামে যেমন বাম শাসকেরা অসহায় মা-বোনের উপর অত্যাচার, খুন, ধর্ষণ করেছে, ঠিক এক দশকের বেশি সময় ধরে মা-মাটি-সরকারও এই রাজ্যে একই আচরণ করে চলেছে। সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের ছবিটাও নন্দীগ্রামের চিত্রকেই উপস্থাপন করে।

    কী বললেন মমতা?

    আজ নন্দীগ্রামের শহিদ (Nandigram dibas) দিবসে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে বলেন, “সিপিআইএমের হার্মাদ বাহিনীর অত্যাচারে নিহত সকল শহিদদের প্রণাম জানাই। কৃষক ভাইবোন এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। নন্দীগ্রামের এই শহিদ দিবস, কৃষক দিবস হিসাবেও পালিত হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদে, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: তৃণমূলকে হারিয়ে তমলুকের সমবায়ে বিজেপির বিরাট জয়

    Tamluk: তৃণমূলকে হারিয়ে তমলুকের সমবায়ে বিজেপির বিরাট জয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুক (Tamluk) লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি বনাম তৃণমূলের ব্যাপক লড়াই। আসন্ন লোকসভার দিন তারিখ ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক উত্তেজানার পারদ এখন চরম তুঙ্গে এই লোকসভা কেন্দ্রে। এই আবহের মধ্যে ধাক্কা খেল তৃণমূল, জয়ী হল বিজেপি। তমলুক শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের পদুমপুর সমবায় সমিতির নির্বাচন ছিল বুধবার। মোট ১২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। তৃণমূল, বিজেপি এবং সিপিএম ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে। এই নির্বাচনে বিজেপির জয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 

    ৮ আসনে জয় বিজেপির (Tamluk)

    শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের পদুমপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর জানা গিয়েছে মোট ৮টি আসনে জয় লাভ করেছে বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছে ৪ টি। তমলুকের (Tamluk) পদুমপুর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৫৪৫। মোট ৫ টি গ্রাম, যার মধ্যে হল পদুমপুর, ঘোড়াঠাকুরিয়া, ধূর্পা, রাজগোদা এবং পোলন্দা। সবকটাই এই সমবায় সমিতির মধ্যে পড়ে।

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার (Tamluk) বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই জয় সম্পর্কে বলে হয়েছে, “আসন্ন লোকসভার আবহে এই জয় বিজেপির জন্য দারুণ খুশির খবর। লোকসভায় এই কেন্দ্রে বিজেপির ফল ভালো হবে। তৃণমূলকে ব্যাপক মার্জিনে হারতে হবে। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং অত্যচার মানুষকে ভিতর থেকে জাগিয়ে তুলেছে। মানুষ তৃণমূলকে বর্জন করবে।”

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের তমলুক সফর

    তৃণমূলের তরফ থেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেও বিজেপির তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই প্রাক্তন বিচারপতি তমলুকে (Tamluk) গিয়ে দলীয় একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শুরু করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ‘তৃণমূলকে একটিও ভোট নয়’ বলে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। ফলে এই সমবায়ের জয় বিজেপিকে ব্যাপক অক্সিজেন জোগাবে বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।  

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: চালু হচ্ছে ‘এক দেশ এক ভোট’! রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট কোবিন্দ কমিটির

    One Nation One Election: চালু হচ্ছে ‘এক দেশ এক ভোট’! রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট কোবিন্দ কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে চালু হয়ে যাচ্ছে এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election)! বৃহস্পতিবারই এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে তুলে দেন মোদি সরকারের গড়া কমিটির প্রধান তথা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির হাতে ওই রিপোর্ট তুলে দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া প্রাক্তন সাংসদ গুলাম নবি আজাদ।

    এক দেশ, এক নির্বাচন’

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও সেরে ফেলতে চায় মোদি সরকার। তাদের যুক্তি, এতে নির্বাচনী ব্যয় কমবে। একটি ভোটার তালিকায়ই দুটি নির্বাচন হওয়ায় কাজের চাপ কমবে সরকারি কর্মীদের। বিভিন্ন সময় বিধানসভা নির্বাচন হওয়ায় লাগু হয়ে যায় আদর্শ আচরণ বিধি। তার জেরে উন্নয়ন যায় থমকে। লোকসভার সঙ্গে বিধানসভাগুলিরও নির্বাচন (One Nation One Election) হলে, উন্নয়নের চাকা গড়াবে তরতরিয়ে। মোদি সরকারের এই ভাবনাকে নীতিগতভাবে সমর্থন জানিয়েছে নীতি আয়োগ, আইন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশনও। নির্বাচনী খরচ বাঁচাতে ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র তত্ত্বের জয়গান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    প্রধানমন্ত্রীর ভাবনাকে বাস্তবে রূপদান করতে গত বছর ১ সেপ্টেম্বর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি গড়ে মোদি সরকার। এদিন ১৮ হাজার পাতার সেই রিপোর্টটিই রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, ঐক্যমত্যের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়েছে সুপারিশগুলি। ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র স্বপক্ষে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল রাজ্যসভায় বলেছিলেন, “এর ফলে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের সাশ্রয় হবে, তা রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচারে ব্যয় হতে পারে। এই নীতি কার্যকর হলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের গতিও বাড়বে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    জানা গিয়েছে, এদিন যে রিপোর্টটি পেশ করা হয়েছে, তাতে কমিটি সর্বসম্মতভাবে গোটা দেশে এক সঙ্গে সব নির্বাচন করানোর পক্ষে সায় দিয়েছে। প্রথম ধাপে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে রাজ্যের বিধানসভাগুলির নির্বাচন সেরে ফেলা হবে। পরবর্তী একশো দিনের মধ্যে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত স্তরের স্থানীয় নির্বাচনও সেরে ফেলার সুপারিশ করা হয়েছে রিপোর্টে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এক সঙ্গে সব নির্বাচন করানো গেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়ও যেমন রদবদল ঘটবে, তেমনি পরিবর্তন ঘটবে শাসনকার্যেও। রাজ্য নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জাতীয় নির্বাচন কমিটিকে দেশের সব নাগরিকের জন্য একটি মাত্র ইলেক্টোরাল রোল ও ভোটার কার্ড তৈরি করতে পারে (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Lok Sabha Election 2024: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Election 2024: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় ঘোষণা করা হয়েছিল ১৯৫জনের নাম। বুধবার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এতে নাম রয়েছে ৭২জনের। পদ্ম শিবিরের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বেশ কিছু হেভিওয়েট নেতার নাম।

    কোন কেন্দ্রে কত আসনে প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024)

    এদিন দিল্লির ২টি, গুজরাটের ৭টি, হরিয়ানার ৬টি, কর্নাটকের ২০টি, মহারাষ্ট্রের ২০টি, হিমাচল প্রদেশের ২টি, মধ্যপ্রদেশের ৫টি, তেলঙ্গনার ৬টি, উত্তরাখণ্ডের ২টি এবং ত্রিপুরার ১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউয়েরও (Lok Sabha Election 2024)। প্রথম দফায় বাংলার ২০টি কেন্দ্রে প্রার্থীর তালিকাও প্রকাশ করেছিল বিজেপি। বাংলায় লোকসভা আসন রয়েছে ৪২টি। তবে আসানসোলের প্রার্থী ভোজপুরী গায়ক-নায়ক পবন সিংহকে নিয়ে অসন্তোষ দানা বাঁধতেই প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় তাঁর নাম। তাই বাংলায় এখন বিজেপিকে ঘোষণা করতে হবে ২৩জন প্রার্থীর নাম।

    প্রার্থী তালিকায় হেভিওয়েট

    দ্বিতীয় দফার তালিকায় অবশ্য বাংলার কেউ নেই। তবে এবারের তালিকায় নাম রয়েছে কয়েকজন হেভিওয়েট পদ্ম প্রার্থীর। এঁরা হলেন, মনোহরলাল খট্টর (কার্নাল, হরিয়ানা), অনুরাগ সিং ঠাকুর (হামিরপুর, হিমাচলপ্রদেশ), অশোক তানওয়ার (সিরসা, হরিয়ানা), বাসবরাজ বোম্মাই (হাভেরি, কর্নাটক), প্রহ্লাদ জোশী (ধারওয়াড়, কর্নাটক), নীতিন গডকরী (নাগপুর, মহারাষ্ট্র), পীযূষ গোয়েল (মুম্বই উত্তর, মহারাষ্ট্র), তেজস্বী সূর্য (বেঙ্গালুরু দক্ষিণ, কর্নাটক), মহারানি কৃতী সিংহ দেববর্মা (ত্রিপুরা পূর্ব, ত্রিপুরা) এবং পঙ্কজা মুন্ডে (বীড়, মহারাষ্ট্র)।

    আরও পড়ুুন: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় যে ১৯৫ জনের নাম ছিল, তাঁরা লড়বেন ১৬টি রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে। এদিন দ্বিতীয় দফায় যে তালিকা প্রকাশ হয়েছে, তা ১০টি রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রের।এদিনের তালিকায় তিন রাজ্যের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম রয়েছে। এঁরা হলেন, হরিয়ানার সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর, উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তির্থ সিং রাওয়াত এবং কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। তির্থ প্রার্থী হচ্ছে হরিদ্বার কেন্দ্রে (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট করানোর কৌশলে কাজল শেখ (Kajal Sheikh) কি অনুব্রতকেই অনুসরণ করবেন? ব্যক্তি বদলে গেলেও তৃণমূলের কৌশলের কোনও বদল হচ্ছে না। গরু পাচারকাণ্ডে তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের মুখে তাঁর মুখেই শোনা যেতো ‘উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে, চড়াম চড়াম ঢাক বাজবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বীরভূমে ভোট হবে এই নিয়ে জেলার রাজনীতির আঙ্গিনায় শোরগোল পড়ছে। তবে কেষ্ট বিহনে দলের দায়িত্ব কাজল শেখের হাতেই যে থাকবে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাই নির্বাচন কমিশন দিনক্ষণ ঘোষণা না করলেও কীভাবে ভোট হবে তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কাজল। আজ কঙ্কালিতলায় তৃণমূল কর্মীদের নিদান দিলেন ঠিক কী কী করতে হবে।

    কী বললেন কাজল (Kajal Sheikh)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের আসন ভোট প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বলেন, “ভোটের সময় আমাদের টার্গেট কী হবে আপনারা শুনুন। কীভবে ভোট করতে হবে আগের দিন আমরা জানিয়ে দেবো। এই বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলানায় ১০ হাজার করে লিড বেশি লাগবে। সকলে প্রস্তুত থাকুন। সকলকে এক ছাতার তলায় এসে থাকতে হবে।” ফলে এই মন্তব্যে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন ২০২১ সালের বিধান সভার নির্বাচনের পর রাজ্যে যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল সেই পরিবেশ তৈরি হবে না তো! অবশ্য বিজেপি মনে করছে তৃণমূল অঞ্চলে অঞ্চলে সন্ত্রাস না চালালে ১০ হাজার করে লিড দেওয়া সম্ভব নয় তৃণমূলের পক্ষে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমে নির্বাচনকে ঘিরে শাসক দলের দৃষ্টিভঙ্গির যে অবস্থান বদল হচ্ছে না তা বিজেপি বুঝতেই পেরেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এক নেতা বলেন, “আগের দিন আর পরের দিন সম্পর্কে স্পষ্ট করে বুঝুন। ওঁর (Kajal Sheikh) ক্ষমতা মমতা বুঝে গিয়েছেন। তাই দলের কোর কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। মানুষ ওঁদের যোগ্য জবাব দেবে। জেলায় বিজেপি বিরাট মার্জিনে জয়ী হবে। ভোটাররা যদি বুথে যেতে না পারে, তার জন্য কী করতে হবে বিজেপি খুব ভালো করেই জানে। ওঁদের সন্ত্রাসকে মোকাবেলা করবে সাধারণ মানুষ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bonds Case: পাঁচ বছর কত নির্বাচনী বন্ড, হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল এসবিআই

    Electoral Bonds Case: পাঁচ বছর কত নির্বাচনী বন্ড, হলফনামা দিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জানাল এসবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bonds Case) প্রকল্প বাতিল করেছিল উনিশের এপ্রিল মাসে। সেই থেকে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে ২২ হাজার ২১৭টি। বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতে একথা জানাল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    এসবিআইয়ের হলফনামা

    এদিন হলফনামা দিয়ে এসবিআই জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে ২২ হাজার ২১৭টি। এর মধ্যে ২২ হাজার ৩০টি বন্ড ক্যাশ করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বাকি ১৮৭টি বন্ড জমা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী বন্ড পাওয়ার পক্ষকালের মধ্যে সেটি ভাঙানো না হলে বন্ডের (Electoral Bonds Case) অর্থ জমা হয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে।

    পেনড্রাইভ

    আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, একটি পেনড্রাইভে করে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্যাবলী জমা দেওয়া হয়েছে। দুটি পিডিএফ ফাইলে করে এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক। স্টেট ব্যাঙ্ক এও জানিয়েছে, সঠিক পাসওয়ার্ড ছাড়া ফাইলগুলি খোলা যবে না।

    হলফনামায় এসবিআই জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনে ১২ মার্চ ব্যবসায়িক সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বন্ড সম্পর্কিত বিশদ তথ্য তারা দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। প্রতিটি বন্ড কেনার তারিখ, ক্রেতার নাম এবং বন্ডের মূল্য-সহ বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: অরুণাচল সীমান্তে নয়া সড়কপথের পরিকল্পনা, ভারতের প্রয়াসে ভয় পাচ্ছে চিন?

    গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বন্ডের মাধ্যমেই এতদিন রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতেন বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থার মালিক ও বড় বড় শিল্পপতিরা। সে সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখা হত। এটি দেশের সংবিধানের পরিপন্থী বলে জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে এসবিআইয়ের দেওয়া তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে (Electoral Bonds Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidbad: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়! প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের পুলিশ দিয়ে মারধর, অভিযুক্ত ওসি

    Murshidbad: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়! প্রতিবাদ করায় পড়ুয়াদের পুলিশ দিয়ে মারধর, অভিযুক্ত ওসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের মিড-ডে মিলে নয়ছয়, ছাত্রদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা নিয়ে মঙ্গলবার স্কুলে আন্দোলন শুরু করেছিল পড়ুয়ারা। প্রতিবাদ জানিয়ে স্কুল তালাবন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় পড়ুয়ারা। আর সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) জলঙ্গি থানার ওসি কৌশিক পালের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের দাবি “স্কুলে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করছিলাম। সেই সময় স্কুলে পুলিশ ডেকে আমাদের উপর অত্যাচার চালানো হয়।” এই ঘটনায় স্কুলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ছাত্রদের অভিযোগ (Murshidbad)

    স্কুলের (Murshidbad) পড়ুয়াদের দাবি, “আমরা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখেই অবরোধ চালাচ্ছিলাম। সেই সময় প্রধান শিক্ষক পুলিশ ডেকে বেধড়ক মারধর করায়। ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ওসি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বহুদিন ধরে টাকা-পয়সা নিয়ে দুর্নীতি করছিলেন। ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে মিলের খাবার না দিয়ে বঞ্চনা করা হচ্ছিল। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছিল। আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করলে আমাদের উপর পুলিশ দিয়ে আক্রমণ করা হয়। আমাদের অনেককে ব্যাপক মারধর করা হয়। আমরা যাতে বাইরে এই মারধরের কথা না জানাই, তাই আমাদের দিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কোনও মারধর করা হয়নি বলে বক্তব্যকে ভিডিও করে নেওয়া হয়।” এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আহত ছাত্রদেরকে চিকিৎসার জন্য গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

    অভিভাবকের বক্তব্য

    স্কুল পড়ুয়াদের এক অভিভাবক বলেন, “গতকাল আমাদের ছাত্ররা স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের প্রকল্পের টাকা নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। এরপর সন্ধ্যায় তিন গাড়ি পুলিশ আসে। ছাত্রদের ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে মারধর করা হয়। ছাত্রদের উপর এই পুলিশি অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক একজন দুর্নীতিগ্রস্থ লোক। পুলিশ ঘটনার তদন্ত না করে উল্টে ছাত্রদের ভয় দেখায়। এটা রক্ষকের ভক্ষক সুলভ আচরণ। দুর্নীতির কথা যাতে বাইরে না যায়, তাই ছাত্রদের উপর অত্যাচার করে আন্দোলনকে দমন করতে চাইছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    Murder Case: ভবানীপুরের ব্যবসায়ী খুন নিমতায়, জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে গাঁথা হচ্ছিল ইট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার নিমতায় জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার ভবানীপুরের বাসিন্দা এক ওষুধ ব্যবসায়ীর দেহ। তাঁকে খুন (Murder Case) করে জলের ট্যাঙ্কের মধ্যে রেখে ইট গাঁথা হচ্ছিল। আর এই দৃশ্য দেখে ফেলেন এলাকার এক ব্যক্তি। এরপর নিমতা থানায় খবর দিলে পুলিশ তদন্তে নামে। হাজার চেষ্টা করেও ধামাচাপা দেওয়া গেল না। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় উঠে এল খুনের ঘটনার চিত্র। পুলিশ তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে অনির্বাণ গুপ্তা, সুমন দাস নামে দু’জন। এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    কীভাবে করা হল খুন (Murder Case)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ মার্চ ভবানীপুরের বাসিন্দা ভব্য লাখানিয়া তাঁর সহযোগী ব্যবসায়ী নিমতার বাসিন্দা অনির্বাণ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করতে নিমতারই প্রমোদ মিত্র লেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলার সময় বিবাদ হয়। এরপর আচমকাই অনির্বাণ, ভব্য লাখানিয়ার ওপর হামলা চালায়। একটি উইকেট দিয়ে মাথায় বাড়ি মারে ভব্যের। সেই ঘটনাতেই মৃত্যু (Murder Case) হয় ভব্য লাখানিয়া নামে ওই ব্যবসায়ীর। এরপরে তাঁর দেহ লোপাট করতে মৃতদেহকে বস্তায় বন্দি করে বাড়ির জলের ট্যাঙ্কের নীচে দেহ লুকিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেই সেখানে দেওয়াল তুলে প্লাস্টার করা হচ্ছিল বলে জানা যায়।

    জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার দেহ

    এদিকে ভব্য লাখানিয়া বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবারের তরফ থেকে ভবানীপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। অপরে নিমতা থানার পুলিশ তদন্ত নেমে পুলিশ অনির্বাণ গুপ্তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর জেরায় সে স্বীকার করে নেয় খুন (Murder Case) করেছে। তার কাছে নিমতার প্রমোদ মিত্র লেনের ঠিকানা পায় পুলিশ। সেখানে হানা দিয়ে জলের ট্যাঙ্ক নীচে থেকে ভব্য লাখানিয়ার দেহ উদ্ধার করে। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত উইকেট উদ্ধার করা হয়। এর সাথেই বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাছ থেকে রক্ত মাখা জামা সহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। সেগুলো সব ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভব্য লাখানিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই খুনের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    Sandeshkhali: অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন, জমি কি আদৌ ফেরত পাবেন সন্দেশখালির সর্বহারারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি ফিরে পেতে বিএলআরও অফিসে শত শত মানুষ অভিযোগ নিয়ে লাইনে। আন্দোলনের চাপে সময় বদলাচ্ছে সন্দেশখালির (Sandeshkhali)। আগে এলাকার মানুষের কোনও অভিযোগ প্রশাসনের কর্তারা শুনতেন না। এমনকী বিএলআরও অফিসের আধিকারিকের কাছে জমি নিয়ে অভিযোগ জানালে সেসব গ্রাহ্যই করা হত না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ ছিল। এবার বিএলআরও অফিসে অভিযোগ জানাতে লম্বা লাইন পড়তে শুরু করেছে। ফলে এখন মানুষের অভিযোগ-সমস্যা জানানোর অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। সন্দেশখালির ত্রিমণি বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভূমি রাজস্ব দফতরে জমিহারা মানুষ জমি ফেরত পেতে অভিযোগপত্র জমা করছেন। ফলে রাজস্ব দফতরের অফিসের পাশে থাকা ফটোকপির দোকানে ব্যাপক ভিড়।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    এলাকার জমিহারা এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, “প্রত্যেক বছর যতবার দুয়ারে সরকার করা হয়েছে, তাতে হাঁটু পরিমাণ ধূলো জমে গিয়েছে কিন্তু একটাও ফাইল খুলে কাজ করেনি সরকারের আধিকারিকেরা। কোনও পাট্টা দেওয়া হয়নি। এমনকী টাকা দিয়েও কোনও কাজ করা যায়নি।” এলাকার আরও এক ভুক্তভোগী বলেন, “বিএলআরও নিজেই ঠিক করে কাজ করে না। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনও খাজনার রশিদ দেওয়া হয়নি আমাদের। আমি নিজে ২ বিঘা জমি বিক্রি করেছি। কিন্তু আমার রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে ৪ বিঘা জমি বাদ দেওয়া হয়েছে। আসলে সরষের মধ্যেই ভূত রয়েছে।”

    জমি ফিরে পাওয়ার আশা!

    একই ভাবে এলাকার (Sandeshkhali) আরও এক ব্যক্তি বলেন, “বিরাট দুর্নীতি এবং জবরদখল হয়েছে এলাকায়। ১৪৩ বিঘা জমির মালিক আলমগীর কীভাবে হলেন? শেখ শাহজাহান এবং তাঁর মেয়ে সুমায়ার নামে কীভাবে বিপুল পরিমাণ জমি রেকর্ড হল? ঝুপখালি এবং বেড়মজুর এলাকার অনেক মানুষের জমির রেকর্ড বদলে গিয়েছে। অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হত না। কিন্তু এখন কিছুটা হলেও বদল ঘটছে। ফলে জমি ফিরে পাওয়ার একটা আশা রয়েছে।”

    বিডিও-র বক্তব্য

    ত্রিমণি বাজারে গেলেই দেখা যাচ্ছে বিএলআরও অফিসের পাশে বসে এলাকার মানুষেরা নিজেদের অভিযোগ জানাচ্ছেন। জমি ফিরে পাওয়ার আশা দেখতে পাচ্ছেন এলাকার একাংশের মানুষ। কিন্তু কবে এই প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হবে তা এখনও প্রশাসন জানায়নি। অপর দিকে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিডিও বলেছেন, “বিএলআরও অন্যায় করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমি সব রিপোর্ট করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share