Author: Krishnendu Bakshi

  • Israel Hamas War: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    Israel Hamas War: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিসাইলের হামলায় উড়ে গেল আস্ত একটা হাসপাতাল। চোখের পলকে অকালে প্রয়াত হলেন অন্তত পাঁচশো জন মানুষ। সুস্থ হতে কিংবা রোগীর আত্মীয়-পরিজন হিসেবে যাঁরা এসেছিলেন হাসপাতালে। যুদ্ধের সঙ্গে যাঁদের পরোক্ষভাবেও কোনও সম্পর্কই নেই। গাজার (Israel Hamas War) স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। হামাসের অভিযোগ, ইজরায়েলের ছোড়া মিসাইলেই ভেঙে পড়েছে আস্ত হাসপাতালটি।

    অভিযোগ অস্বীকার ইজরায়েলের

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ। তাদের দাবি, প্যালেস্তাইনের ছোড়া রকেটের আঘাতেই এই বিপর্যয়। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই খুলে গেল অপপ্রচারের মুখোশ। ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে ইজরায়েল জানায়, গাজার হাসপাতালে যে রকেট আছড়ে পড়ে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, তা হামাসের ছোড়া। মিসফায়ার করে ওই রকেট হাসপাতালে গিয়ে পড়ে। দোষ চাপানোর চেষ্টা হয় ইজরায়েলের ওপর।  

    হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ

    দিন দশেকেরও বেশি সময় ধরে চলছে হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ (Israel Hamas War)। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলকে শিক্ষা দিতে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইন। এই প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গি হামাসরাই প্রথম হামলা চালায়। প্রতিরোধ গড়ে তোলে তেল আভিভ। তার জেরে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

    ইজরায়েল-হামাসের এই সংঘর্ষ থেকে গাজার আল আহলি হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিলেন শতাধিক সাধারণ মানুষ। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কিছু রোগীও। তাঁদের দেখতে এসেছিলেন তাঁদের পরিজনেরা। আচমকাই আছড়ে পড়ে একটি মিসাইল। ভেঙে পড়ে হাসপাতালের একটি বড় অংশ। দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। গাজা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, মিসাইলের ঘায়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এর পরেই শুরু হয়েছে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের (Israel Hamas War) মধ্যে দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপের পালা। ইজরায়েলের দাবি, যে সময় হাসপাতালটি ভেঙে পড়ে, সেই সময় প্যালেস্তাইনের জিহাদি সংগঠন রকেট হামলা চালিয়েছিল। কোনও একটি রকেটের উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়। সেটিই আছড়ে পড়ে গাজার ওই হাসপাতালের ওপর।

    রয়েল ডিফেন্স ফোর্সের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে খবর, হাসপাতালে রকেট হামলার জন্য ইসলামিক জিহাদ জঙ্গি সংগঠনই দায়ী। আইডিএফের অপারেশনাল সিস্টেমের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, একগুচ্ছ রকেট ইজরায়েল লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তা ওই হাসপাতালের ওপর দিয়েই গিয়েছিল। কোনও একটি রকেট আছড়ে পড়েই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।” আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, “বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা জেনেছি, ইসলামিক জিহাদির এজন্য দায়ি। রকেট হামলা ব্যর্থ হওয়ায়ই ঘটেছে এই বিপর্যয়।”

    আরও পড়ুুন: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

  • PM Modi: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

    PM Modi: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করার সুযোগ পেতে চলেছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন মুম্বইয়ে হয়ে গেল গ্লোবাল মেরিটাইম ইন্ডিয়া সামিট ২০২৩। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের মধ্যে যে অর্থনৈতিক করিডর (IMEEC) গড়ে উঠতে চলেছে, তার মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা চাইলে দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে পারবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি ভারতে হয়ে যাওয়া জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে এই করিডর তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। এই করিডর তৈরি করতে প্রধান উদ্যোগ নিয়েছিল ভারতই।

    ‘ভারতের অগ্রগতির যাত্রার অংশীদার হোন’

    অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খুব কম দেশই উন্নয়ন, জনসংখ্যা, গণতন্ত্র ও চাহিদার আশীর্বাদ পেয়েছে। বিশ্বের বিনিয়োগকারীরা ভারতের অগ্রগতির যাত্রার অংশীদার হোন।” তিনি বলেন, “ইতিহাস বলছে, যখনই ভারতের সামুদ্রিক ক্ষমতা শক্তিশালী হয়েছে, তখনই দেশ ও বিশ্ব এর থেকে উপকৃত হয়েছে। তাই আমার সরকার গত ৯-১০ বছরে সামুদ্রিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে। তার জেরে সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রবল উন্নতি হয়েছে। দেশের একাধিক বন্দরের ধারণ ক্ষমতা এক লপ্তে অনেকখানি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বলতে পারেন দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের তুলনায় বর্তমানে এই বন্দর বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি হয়েছে। বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য নয়া রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।”

    গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ‘সাগরমালা’ প্রকল্পেরও উল্লেখ করেন। উল্লেখ করেন সামুদ্রিক পরিকাঠামো বৃদ্ধির। এর জেরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন বিশ্বের প্রথম পাঁচটি জাহাজ তৈরির দেশের মধ্যে পড়ছে। আমাদের মন্ত্র হল ভারতে তৈরি করো। গোটা সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সব অংশীদারিত্বকে এক ছাতার তলায় এনে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফার

    এদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বন্দর-সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। গুজরাটের দীনদয়াল বন্দর কর্তৃপক্ষের ৪ হাজার ৫৩৯ কোটি টাকার টুনা টেকরা অল ওয়েদার ডিপ ড্রাফট টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন তিনি। আইএমইইসিকে সহায়তা দিতেই এই প্রকল্প তৈরি হচ্ছে।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: পুজোর আগেই সুখবর! কাউন্সেলিং শুরু হচ্ছে উচ্চ প্রাথমিকে, নিয়োগ কবে?

    Calcutta High Court: পুজোর আগেই সুখবর! কাউন্সেলিং শুরু হচ্ছে উচ্চ প্রাথমিকে, নিয়োগ কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই সুখবর পেতে চলেছেন উচ্চ প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থী শিক্ষকরা! মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের নিয়োগের কাউন্সেলিং শুরু করতে বলেছে। আদালত এও জানিয়েছে, কাউন্সেলিং শুরু হলেও এখনই হচ্ছে না নিয়োগ। এদিন বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশন এই ১৪ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু করে দিতে পারবে। তবে আদালতের নির্দেশ ছাড়া কাউকে নিয়োগ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

    বন্ধ ছিল কাউন্সেলিং

    উচ্চ প্রাথমিকের একটি মেধাতালিকায় নিয়োগের ব্যাপারে মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। এই তালিকায় প্রার্থী রয়েছেন ৯ হাজার। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার জেরে কাউন্সেলিং বন্ধ ছিল এঁদের। এসএসসি এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার ব্যাপারে দ্বারস্থ হয়েছিল হাইকোর্টে। তখনই আদালত জানিয়ে দেয়, কাউন্সেলিং শুরু করা গেলেও, নিয়োগ হবে আদালত নির্দেশ দিলে।

    এসএসসিকে প্যানেল তৈরির গাইডলাইন

    ২০১৬ সালে একটি প্যানেল তৈরি হয়েছিল উচ্চ প্রাথমিকে। সেই প্যানেলে অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে মামলা হয় ২০২০ সালে। ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য স্থগিতাদেশ দেন নিয়োগে। পরে মামলাটি ওঠে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনার নির্দেশ দেন এসএসসিকে। ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় এসএসসি। এর পরেই এসএসসিকে প্যানেল তৈরির গাইডলাইন ঠিক করে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: রেশন কেলেঙ্কারিতে ধৃত বাকিবুরের সম্পত্তির পরিমাণ জানেন? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    প্যানেল তৈরির পর এসএসসি হাইকোর্টে জানায়, আদালতের নির্দেশ মেনেই প্যানেল তৈরি করা হয়েছে। এবার মামলাটি যায় বিচারপতি সৌমেন সেনের বেঞ্চে। সেই মামলায়ই মঙ্গলবার বিচারপতি সৌমেন সেনের বেঞ্চের (Calcutta High Court) নির্দেশ, তাদের তৈরি প্যানেল অনুযায়ী কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে এসএসসি। তবে আদালতের নির্দেশ ছাড়া নিয়োগ করতে পারবে না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর দেওয়া হবে পরবর্তী নির্দেশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন কেলেঙ্কারিতে ধৃত বাকিবুরের সম্পত্তির পরিমাণ জানেন? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু   

    Ration Scam: রেশন কেলেঙ্কারিতে ধৃত বাকিবুরের সম্পত্তির পরিমাণ জানেন? বোমা ফাটালেন শুভেন্দু   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন কেলেঙ্কারি (Ration Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বাকিবুর রহমান। তদন্ত শুরু করেছে ইডি। এহেন আবহে বাকিবুর সম্পর্কে বোমা ফাটালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বাকিবুরের রকেট গতির উত্থান কীভাবে, তাও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দুর ট্যুইট-বাণ

    এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “বাকিবুর রহমান পিডিএস দোকানের মালিক ও চালকলের মালিক। খুব অল্প সময়ে তার উত্থান। হোটেল ব্যবসা, নার্সিংহোমের মালিক, একাধিক চালকলের মালিক, বিদেশে তৈরি গাড়ি, অভিজাত এলাকায় বিরাট সব ফ্ল্যাট আর একাধিক জমি। আর সেই জমি আবার বরাদ্দ করেছে হিডকো। একেবারে নিয়ম ভেঙে তার নামে জমি বরাদ্দ করা হয়েছিল। রহমান অন্তত ১৩টি কোম্পানির ডিরেক্টর। একাধিক শেল কোম্পানির সঙ্গে তিনি যুক্ত। একাধিক মন্ত্রী ও প্রভাবশালীর সঙ্গে তার ওঠাবসা। তার কাজকর্ম শুধু রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) সংক্রান্ত নয়।”

    ইডিকে অনুরোধ

    শুভেন্দু লিখেছেন, “আমি ইডিকে অনুরোধ করছি বাকিবুর রহমানের সঙ্গে হিডকোর সম্পর্কটা একবার দেখুন। এটা আর্বান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মিউনিসিপ্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের আওতায় রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সুবিধা ও সম্পত্তি হিডকোর থেকে নিয়েছেন। সেই ধরনের একটি প্লটের নথি আমি তুলে ধরলাম। এটা তো হিমশৈলের অংশ মাত্র। এর পর আরও কিছু আছে…”

    এদিকে, কলকাতা, বেঙ্গালুরুর পর এবার দুবাইয়ে বাকিবুরের দু’টি ফ্ল্যাটের হদিশ মিলল। যার আনুমানিক মূল্য ৮-১০ কোটি টাকা। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “ভাইপোরও দুবাইয়ে ফ্ল্যাট রয়েছে। বাকিবুরেরও রয়েছে। নন্দীগ্রামের লোক মরছে। আমরা খেটে মরছি। আর এরকম বাকিবুররা তৈরি হয়েছে।” দুবাইয়ের ফ্ল্যাটের পাশাপাশি এ রাজ্যে তাঁর তিনটি চালকল, ২টি গমকল, বেশ কয়েকটি পানশালা, একাধিক হোটেল, পোর্শের মতো বহুমূল্যের একাধিক গাড়ির খোঁজও পেয়েছে ইডি। অল্প সময়ে কীভাবে তিনি এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন, রাজ্যের এক মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুর, মূলত তা-ই জানতে চাইছে ইডি।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আরও এক, কে জানেন?

    প্রসঙ্গত, করোনা অতিমারি-পর্বে রাজ্যের বহু জায়গায় রেশন সামগ্রী বণ্টনে দুর্নীতির (Ration Scam) অভিযোগ ওঠে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ইসিআইআর দায়ের করে ইডি। সেই মামলায় ১১ অক্টোবর কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার ১২টি জায়গায় হানা দেয় ইডি। এর মধ্যে ছিল কৈখালিতে বাকিবুরের অভিজাত আবাসনের একটি ফ্ল্যাটও। শুক্রবার ফের তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় বাকিবুরকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Calcutta High Court: এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ বেলেঘাটার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে     

    Calcutta High Court: এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ বেলেঘাটার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ বছর আগে খুন হয়েছিলেন বেলেঘাটার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। ওই ঘটনায় এবার অভিজিতের মা ও ভাইয়ের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। দীর্ঘদিন ধরে নিহত অভিজিতের মা ও ভাই নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশকে।

    বিচারপতি সেনগুপ্তর নির্দেশ

    অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় নিরাপত্তা দিতে গিয়েছিলেন পুলিশকর্মী। অভিজিৎ খুনে যাঁরা জেলবন্দি, তাঁদের পরিবারের লোকজন অভিজিতের বাড়িতে হামলা চালায় বলেও অভিযোগ। এই ইস্যুতে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। তার পরেই সোমবার ওই পরিবারকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। নির্দেশে তিনি বলেন, “এই খুনের ঘটনার মূল সাক্ষী দু’জন। মৃতের মা ও ভাই। আগেও দু’বার তাঁদের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিন সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। যতদিন না সেটা হচ্ছে, ততদিন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে নারকেলডাঙা থানা।”

    সিসিটিভির ফুটেজ

    আগে হাইকোর্টের নির্দেশেই পুলিশি নিরাপত্তা পেয়েছিল সরকার পরিবার। অভিযোগ, যিনি নিরাপত্তা দিতে আসতেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করতে আসতেন। কখনও আবার পুলিশের উর্দি নয়, নিরাপত্তা যিনি দিতে আসতেন, তাঁর গায়ে থাকত সাধারণ পোশাক। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে সিসিটিভির ফুটেজও জমা দেন অভিজিতের ভাই। অভিযোগ পেয়ে বিভাগীয় তদন্ত করে পুলিশ। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েতে আদালত অবমাননা কমিশনের! সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল শুভেন্দুর

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয় তৃণমূল। এর পরেই কার্যত তাণ্ডব শুরু করে ঘাসফুল শিবিরের করিৎকর্মা কর্মীরা। বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তারা। অভিযোগ, এহেন আবহে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন বেলেঘাটার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। তার পর থেকে ন্যায় বিচারের দাবিতে আদালতে আইনি লড়াই চালাচ্ছে তাঁর পরিবার। ক্ষতিপূরণের দাবিতে হাইকোর্টে মামলাও হয়েছে। তার পরেও মাঝে মধ্যেই সরকার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অভিজিৎ খুনের পরপরই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি নেতারা নির্বাচনোত্তর সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হন। তার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Recruitment Case: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আরও এক, কে জানেন?

    Recruitment Case: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আরও এক, কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় (Recruitment Case) সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আরও এক। ধৃতের নাম কৌশিক মাজি। তিনি ওএমআর শিট প্রস্তুতকারী সংস্থা এসএন বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির কর্তা। সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছিল পার্থ সেন নামে একজনকে। তাঁকে জেরা করে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার করা হয় কৌশিককে।   

    বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের

    গত মাসে ওএমআর শিট প্রস্তুতকারী সংস্থার যে দুই আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই, তাঁদের মধ্যে ছিলেন কৌশিকও। তাঁদের বাড়ি থেকে কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক সহ বিভিন্ন নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। কৌশিকের বাড়ি হাওড়ার দাশনগরে। এর আগে তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই। এবার করা হল গ্রেফতার।

    ‘অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করেছিলেন’

    নিয়োগ প্রক্রিয়ার (Recruitment Case) উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং ওএমআর শিট প্রস্তুত করার দায়িত্বে ছিল এসএন বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। এই কোম্পানিরই অন্যতম অংশীদার কৌশিক। সোমবার দুপুরে এই সংস্থার কর্মী পার্থ সেনকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পার্থই কেলেঙ্কারির মূল চাবিকাঠি। এদিন আলিপুর আদালতে সিবিআইয়ের দাবি, ওএমআর শিটের মাধ্যমে যে দুর্নীতি হয়েছে, তাতে পার্থ সরাসরি যুক্ত। তিনিই অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করেছিলেন। সেই তালিকায় থাকা বেশ কয়েকজনের চাকরিও হয়েছে বলে দাবি সিবিআইয়ের।

    আরও পড়ুুন: এমাসেও দুবাই যাওয়ার কথা ছিল বাকিবুরের! উদ্ধার হওয়া খাতায় কী পেল ইডি?

    আদালতে সিবিআইয়ের দাবি, ২০১৭ সালে ৭৫২ জন অযোগ্য প্রার্থীর একটি তালিকা তৈরি হয়েছিল এসএন বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিতে। পার্থই সেই তালিকা তৈরি করেছিলেন। সেই তালিকা থেকে একটি ডিজিটাল তালিকা তৈরি হয়েছিল। পরে সেই তালিকা মেইল করে পাঠানো হয় পর্ষদ অফিসে। সিবিআইয়ের দাবি, ওই তালিকার মধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি প্রার্থী পরে চাকরিও পেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০০৭ সাল থেকে ওএমআর শিট তৈরির ওই সংস্থায় চাকরি করছেন পার্থ। তাঁর মেয়ে ও জামাই দুজনেই প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Case) মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের আরও কয়েকজন ছোট বড় দরের নেতা। এবার গ্রেফতার হলেন পার্থ, কৌশিক। এঁদের পর কাদের হাতে পড়বে হাতকড়া, সেটাই প্রশ্ন।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fake Passport: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের জন্যও তৈরি হত জাল পাসপোর্ট! খতিয়ে দেখছে সিবিআই

    Fake Passport: পাকিস্তানের আইএসআইয়ের জন্যও তৈরি হত জাল পাসপোর্ট! খতিয়ে দেখছে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল পাসপোর্টকাণ্ডের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআইয়ের হাতে! কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জেনেছেন, জাল পাসপোর্ট (Fake Passport) তৈরির একটি চক্র রয়েছে। এই চক্রই জাল পাসপোর্ট তৈরির বরাত পায়। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইও এদের বরাত দেয়।

    পাসপোর্ট যেত আইএসআইয়ের হাতে

    বাংলাদেশের কোনও নাগরিকের নামে তৈরি হওয়া পাসপোর্ট চলে যায় আইএসআইয়ের হাতে। জঙ্গিরা যাতে ভায়া বাংলাদেশ ভারতে ঢুকতে পারে, তাই এমনতর ব্যবস্থা। এদের পাশাপাশি জাল পাসপোর্ট তৈরি করত জেএমবি এবং আকিসের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির স্লিপার সেলের সদস্যরাও। এই চক্রের পান্ডারা গত কয়েক মাসে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা। সিবিআই জেনেছে, মূলত দুটি রুট দিয়ে ভারতে ঢোকে জাল পাসপোর্টধারী জঙ্গিরা। এক, বাংলাদেশ হয়ে হিলি সীমান্ত টপকে এবং দুই, উত্তরবঙ্গ দিয়ে।

    জাল পাসপোর্ট চক্রের জাল 

    সিবিআইয়ের দাবি, এই জাল পাসপোর্ট চক্রের শিকড় ছড়িয়ে রয়েছে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা পর্যন্ত। গ্যাংটকের পাসপোর্ট অফিসের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফিসার গৌতম সাহাকে গ্রেফতারের পর এবার তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন কলকাতার রিজিওনাল পাসপোর্ট অফিসের এক কর্তাও। শনিবার দিনভর (Fake Passport) অভিযান চালিয়ে গৌতমের সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছিল দীপু ছেত্রী নামে এক এজেন্টকে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল মিডলম্যান বরুণজিৎ সিং রাঠোরকে। গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয় তাকেও। জাল পাসপোর্ট তৈরি করে অনুপ্রবেশ করার মামলায় কলকাতা সহ রাজ্যের নানা প্রান্ত এবং গ্যাংটকের পাসপোর্ট অফিসের ২৫ জন কর্তা, একাধিক কর্মী ও এজেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে সিবিআই। কলকাতা, উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের ৫০টি জায়গায় তল্লাশি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: শিশু-কিশোরীদের ধর্ষণ-খুন করে মাংস ভক্ষণ! নিঠারিকাণ্ডে দুই আসামিরই ফাঁসি রদ

    ভুয়ো পাসপোর্ট (Fake Passport) চক্রের জাল অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। নেপালের একাধিক বাসিন্দার জন্মের শংসাপত্র সহ বিভিন্ন জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে তাঁদের ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই জাল পাসপোর্ট তৈরির কাজে দার্জিলিংয়ের এক অফিসার যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এক এজেন্ট প্রথমে ১৮টি ও পরে আরও ৯টি পাসপোর্ট তৈরির জন্য অফিসারদের ঘুষ দিয়েছিল বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। এই ঘুষ নেওয়া আধিকারিকদের নামের তালিকাও তৈরি করছেন গোয়েন্দারা। উদ্ধার হওয়া ফোনের কললিস্ট থেকে গোয়েন্দারা জেনেছেন বিপুল অর্থ লেনদেন হয়েছে। ওই টাকা কোথায় গিয়েছে, তাও জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • WB Legislative Assembly: পেশ হল বিল, আলোচনা হওয়ার আগেই মুলতুবি হয়ে গেল বিধানসভার অধিবেশন!

    WB Legislative Assembly: পেশ হল বিল, আলোচনা হওয়ার আগেই মুলতুবি হয়ে গেল বিধানসভার অধিবেশন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শোকপ্রস্তাব পাঠ করেই মুলতুবি হয়ে গেল বিধানসভার (WB Legislative Assembly) বিশেষ অধিবেশন। বিজেপির দাবি, যে বিল নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা হওয়ার কথা ছিল, রাজ্যপাল তা নিয়ে আলোচনায় অনুমোদন দেননি বলেই অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বিধানসভায় বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিলের কাগজ ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের চাকরি এবং ডিএ বৃদ্ধির দাবিও জানান তাঁরা।

    বিশেষ অধিবেশন

    সোমবার ডাকা হয়েছিল বিধানসভার (WB Legislative Assembly) বিশেষ অধিবেশন। এক দিনের এই বিশেষ অধিবেশনে যোগ দেবেন না বলে প্রথমে জানিয়ে দিয়েছিল বিজেপি। পরে তারা শোনে, এই বিশেষ অধিবেশনে মন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিল নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তার পরেই পদ্মশিবিরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় অধিবেশনে তারা যোগ দেবে। নীতিগতভাবে বিজেপি এই মুহূর্তে মন্ত্রী ও বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির বিপক্ষে। তাই বিধানসভায় গিয়ে প্রতিবাদ জানানোই শ্রেয় মনে করে বিজেপি। সেই মতো এদিন তারা সভায় যায়ও। বিলটিও পেশ হয়।

    বিজেপির বক্তব্য

    তার পর বিলের ওপর আলোচনা তো হলই না, উল্টে শোকপ্রস্তাব পাঠ করে মুলতুবি করে দেওয়া হল অধিবেশন। এদিন বিলটি বিধানসভায় (WB Legislative Assembly) পেশ করতে যান পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দুর দাবি, বিলটিতে স্বাক্ষর করেননি রাজ্যপাল। তাই এই বিল অনুমোদিত নয়। তাহলে কীভাবে পেশ করা হচ্ছে। বিজেপির হট্টগোলের জেরে মুলতুবি করে দেওয়া হয় অধিবেশন।

    আরও পড়ুুন: শিশু-কিশোরীদের ধর্ষণ-খুন করে মাংস ভক্ষণ! নিঠারিকাণ্ডে দুই আসামিরই ফাঁসি রদ

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বাঙালি ও হিন্দুদের আঘাত করে এই অধিবেশন করা হচ্ছে। দেবীপক্ষের আগে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনের মতো নবরাত্রির দ্বিতীয় দিন। আজ দ্বিতীয়া। আজ আমাদের বিধানসভায় ডেকে এনেছে। উপোস থাকি দিনের বেলা। ডেকে নিয়ে এসেছে। অষ্টমীর দিন মদের দোকান খুলেছে প্রথম স্বাধীনতার পরে। এবার অষ্টমীর দিন মদের দোকান খোলা থাকবে। অষ্টমীকে বলা হয়ে ভেজ ডে। ব্রিটিশরাও বন্ধ রাখত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Sharda Temple: স্বাধীনতার পর এই প্রথম পালন হচ্ছে নবরাত্রি, কাশ্মীরের শারদা পীঠে ভক্তের ঢল  

    Sharda Temple: স্বাধীনতার পর এই প্রথম পালন হচ্ছে নবরাত্রি, কাশ্মীরের শারদা পীঠে ভক্তের ঢল  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৫ বছর পরে ঘটা করে শারদ নবরাত্রি উৎসব পালন করা হচ্ছে কাশ্মীরের শারদা মন্দিরে (Sharda Temple)। দেশ-বিদেশের বহু ভক্ত নিত্য দিন যোগ দিচ্ছেন উৎসবে। স্বাভাবিকভাবেই খুশি মন্দির কর্তৃপক্ষ। খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও।

    নবনির্মিত শারদা মন্দির

    কাশ্মীরের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছেই তৈরি হয়েছে নবনির্মিত শারদা মন্দির। অবিভক্ত ভারতবর্ষে শারদাপীঠে নিত্যপুজো হত। দেশ-বিদেশের লোকজন আসতেন এই সতীপীঠ দর্শনে। কহ্লনের ‘রাজতরঙ্গিনী’ গ্রন্থে এই পীঠের উল্লেখ রয়েছে। হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এহেন একটি পীঠে পুজোপাঠ বন্ধ হয়ে যায় দেশভাগের পর। লোপাট হয়ে যায় মন্দিরের বিগ্রহ। পরে অশান্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর। দলে দলে হিন্দু পণ্ডিতরা উপত্যকা ছাড়তে থাকেন। ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে ইতিহাসখ্যাত এই মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ।

    শারদ নবরাত্রির পুজোপাঠ

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  উদ্যোগী হন শারদাপীঠ (Sharda Temple) পুনর্নির্মাণে। তার আগে কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। ধীরে ধীরে ভূস্বর্গ ফিরে যেতে থাকে হিংসা-পর্বের আগের অধ্যায়ে। নতুন করে তৈরি করা হয় শারদা মন্দির। প্রতিষ্ঠা করা হয় বিগ্রহও। সেই মন্দিরেই চলছে শারদ নবরাত্রির পুজোপাঠ। মহালয়ার পর প্রতিপদ থেকে টানা ন’ দিন ধরে মহামায়ার ন’টি রূপের পুজো হয়। একেই বলা হয় নবরাত্রি উৎসব। এই উৎসবই এবার ঘটা করে পালন করা হচ্ছে শারদাপীঠে।

    আরও পড়ুুন: নবদুর্গার দ্বিতীয় রূপ দেবী ব্রহ্মচারিণী, জানুন তাঁর পৌরাণিক আখ্যান

    হাম্পির স্বামী গোবিন্দানন্দ সরস্বতী কর্নাটক থেকে এখানে এসে পৌঁছেছেন। কাশ্মীরি পণ্ডিতদেরও কয়েকজন উপস্থিত হয়েছেন ভূস্বর্গের এই তীর্থে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন একে রায়না। পেশায় নাট্যকর্মী রায়না অভিনয় করেছিলেন ‘কাশ্মীর ফাইলস’ সিনেমায়ও।

    ‘সেভ শারদা কমিটি কাশ্মীরে’র প্রধান রবীন্দর পণ্ডিত বলেন, “নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে দেশভাগের পর এই প্রথম হচ্ছে নবরাত্রি উৎসব পালন। এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১৯৪৭ সালে হিংসার আগুন পুড়ে গিয়েছিল শারদা মন্দির (Sharda Temple) এবং একটি গুরুদ্বার। সেই একই জমিতে ফের গড়ে তোলা হয়েছে মন্দির এবং গুরুদ্বার। পুরানো মন্দির ও গুরুদ্বারের আদলেই তৈরি করা হয়েছে নতুনগুলি। চলতি বছর ২৩ মার্চ এই মন্দির ও গুরুদ্বারের উদ্বোধন করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।”

    মন্দিরে ফের ঘটা করে পুজোপাঠ হওয়ায় খুশি স্থানীয়রা। আজাজ খান নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাইছিলাম। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য ফিরে আসার সাক্ষী হতে পেরেছি বলে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না।”

    ভূস্বর্গে হাসি ফিরিয়ে আনলেন প্রধানমন্ত্রী মোদিই!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন! কাঠগড়ায় তৃণমূলের মহুয়া

    Mahua Moitra: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন! কাঠগড়ায় তৃণমূলের মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠল কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি পাঠালেন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে। মহুয়ার সাংসদ পদ কেড়ে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আইনজীবীরও

    আইনজীবী অনন্ত দেহাদরিও মহুয়ার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলে চিঠি দিয়েছেন সিবিআই প্রধানকে। নিশিকান্ত ও অনন্ত দু’জনেরই অভিযোগ, ব্যবসায়ী দর্শন হিরনানদানির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম জড়িয়েছেন মহুয়া।

    স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ

    রবিবার স্পিকারকে (Mahua Moitra) দেওয়া চিঠিতে মহুয়ার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গ ও সংসদের অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ নিশিকান্তর দাবি, ব্যবসায়ী হিরনানদানির স্বার্থ দেখতে নগদ টাকা ও উপহারের বিনিময়ে লোকসভায় প্রায় ৫০টি প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া। তাঁর দাবি, বিষয়টি ফৌজদারি অপরাধ। তৃণমূল সাংসদের প্রশ্ন শোনার পর সরব হয়েছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সাংসদ সৌগত রায়ের নামও উল্লেখ করেছেন গোড্ডা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ।

    ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বরের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন নিশিকান্ত। তিনি লিখেছেন, চতুর্দশতম লোকসভায় ২০০৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অর্থের বিনিময়ে প্রশ্নের অভিযোগ উঠলে তৎকালীন স্পিকার একটি  তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন। তদন্তের পরে মাত্র ২৩ দিনের মধ্যে লোকসভার ১০ সাংসদকে অপসারিত করা হয়েছিল। মহুয়াকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার আর্জি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: সোমবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোয় ‘রাম মন্দির’ উদ্বোধনে অমিত শাহ, সাজো সাজো রব

    এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া (Mahua Moitra) বলেন, “যে কোনও তদন্তের জন্য প্রস্তুত।” তাঁর সংযোজন, সিবিআইকেও স্বাগত জানাচ্ছি। তারা আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে পারে। কিন্তু তার আগে আদানির সমস্ত অর্থ কোন পথে সমুদ্রের ওপারে পৌঁছচ্ছে, সেটাও তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share