Author: Krishnendu Bakshi

  • Malda: প্রার্থী কি অপছন্দ? উত্তর মালদায় প্রসূনের প্রচারে দেখা গেল না তৃণমূলের বড় নেতাদের

    Malda: প্রার্থী কি অপছন্দ? উত্তর মালদায় প্রসূনের প্রচারে দেখা গেল না তৃণমূলের বড় নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের পক্ষ থেকে চরম অসহযোগিতা চোখে পড়ল উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে। দেখাই গেল না জেলার বড় নেতাদের। তৃণমূলের লোকসভার প্রার্থী ঘোষণার পর গত সোমবারই মালদায় এসেছেন প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মঙ্গলবার জেলার একাধিক জায়গায় বৈঠক এবং নির্বাচনী প্রচার করলেও দেখে মেলেনি তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের বড় মুখদের। তাহলে দলের অন্দরে কি প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে? উঠেছে প্রশ্ন।

    বহিরাগত প্রার্থী (Malda)?

    প্রার্থী কি অপছন্দ? বিজেপি তৃণমূলের প্রার্থীকে বহিরাগত বলে অভিযোগ করেছে। এবার কি উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল নেতারাও সেটাই মনে করছেন? মঙ্গলবার প্রচারে বেরিয়ে কার্যত জেলার বড় নেতাদের অসহযোগিতার চিত্রই চোখে পড়ল। প্রার্থী নিজেই দেওয়াল লিখনে অংশগ্রহণ করলেন। সেই সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করলেন এদিন। অবশ্য তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব আব্দুর রহিম বক্সি, রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নুর, মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ নেতাদের এদিন প্রচারে দেখাই গেল না। তাহলে কি তৃণমূলের প্রার্থী পছন্দ নয়? এই রকম অনেক প্রশ্ন উঠছে রাজনীতির একাংশের মধ্যে।

    বিজেপির বক্তব্য

    উত্তর মালদার (Malda)  প্রার্থী প্রসঙ্গে বিজেপির বক্তব্য, “তৃণমূলের কর্মীরা আসলে হতাশ, কারণ এই জেলার দুই কেন্দ্রে বহিরাগতদের প্রার্থী করা হয়েছে।” অপর দিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিমের দাবি, “দলে গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও ব্যাপার নেই।  আমাদের উত্তর মালদার প্রার্থী ওল্ড মালদায় থাকবেন এবং এখান থেকেই তিনি প্রচারের কাজ করবেন। সকলেই আমরা তাঁর সঙ্গে আছি।”

    কী বললেন প্রার্থী?

    তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় মালদার (Malda) কয়েকজন কাউন্সিলরকে নিয়ে গতকাল নির্বাচনের প্রচার করেন। তিনি বলেন, “সবেমাত্র প্রচার শুরু করলাম। আলাপচারিতার মাধ্যমে সকলের সঙ্গে দেখা হবে। টাউনের প্রেসিডেন্টরা সঙ্গে রয়েছেন। সকলেই আমার পাশে রয়েছেন। সকলের সঙ্গে আলাপ করব। যেখানে বিজেপির লোকেরা জয়ী হয়েছেন এবার সেখানে তৃণমূল জয়ী হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সিরাজের গ্রেফতারের দাবিতে ফের অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি

    Sandeshkhali: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সিরাজের গ্রেফতারের দাবিতে ফের অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। এবার ফের রাস্তায় নেমে গ্রামের মহিলারা ক্ষোভে ফুঁসে উঠলেন। এলাকার মানুষের বক্তব্য, শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার যেমন করা হয়েছে, একই ভাবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সিরাজউদ্দিনকেও গ্রেফতার করতে হবে। সিরাজ এবং তাঁর অনুগামীরা এলাকায় মানুষের চাষের জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে আরও নানা অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। গতকাল এলাকার বেড়মজুরের ঝুপখালিতে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার মহিলারা।

    তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর উত্তপ্ত (Sandeshkhali)

    ১০ মার্চ ব্রিগেডে মমতার জনগর্জন সভা থেকে তৃণমূলের ৪২ টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন হাজি নুরুল ইসলাম। ঠিক পরের দিন সোমবার থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শুরু হয়েছে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ। বেড়মজুর এলাকার ঝুপখালিতে নিপীড়িত মহিলারা রাস্তায় নেমে টায়ার, গাছের ডালপালা পুড়িয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এলাকার মানুষের দাবি, “শেখ শাহজাহানের ভাই সিরাজউদ্দিন এবং আলমগিরকে গ্রেফতার করতে হবে। সিরাজ এবং আলমগির উভয়েই এলাকার মানুষের জমি দখল করে মাছের ভেড়ি তৈরি করেছে। বাড়ির মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করেছে। তাই তাঁদের শাস্তি চাই আমরা।”

    দুই মাস ধরে ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)

    শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারের পর এলাকার মানুষ তাঁর অনুগামীদের গ্রেফতার করার জন্য ফের একবার বিক্ষোভের পথে। অপর দিকে গতকাল এই তৃণমূল নেতার ডান হাত জিয়াউদ্দিন মোল্লা সহ আরও বেশ কয়েকজনকে সিবিআই নিজেম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছে। গত দুই মাস ধরে কার্যত ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে গোটা সন্দেশখালি। এলাকার মহিলাদের অভিযোগ ছিল বেছে বেছে হিন্দু ঘরের মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিসে রাতভর গণধর্ষণ করত এই শাহজাহানেরা। ইতিমধ্যে এই তৃণমূল নেতাদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাজ্য তথা সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় দেখা গিয়েছে। রাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গেলে বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয়। ইতিমধ্যে বারাসতে মোদির সভায় নির্যাতিতা মহিলাদের একটা অংশের মানুষ নিজেদের উপর ঘটা অত্যাচারের কথা বলেন। মূল অভিযুক্ত শাহজাহানের সঙ্গে এখন তার অনুগামীদের গ্রেফতারের দাবিতে ফের একবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    CAA: চালু সিএএ, ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে হলে কী করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন (CAA) পাশ হয়েছিল বছর চারেক আগে। কার্যকর হল ১১ মার্চ, ২০২৪, সোমবার। এদিন থেকেই দেশজুড়ে চালু হয়ে গেল সিএএ আইন। এই আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    প্রশ্ন হল, সিএএর (CAA) জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? indiancitizenshiponline.nic.in এই ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়। সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যাঁরা আবেদন করতে চান, তাঁদের জন্য রয়েছে পৃথক ফর্ম। বিভিন্ন ফর্মের জন্য নানা নথির প্রয়োজন হবে। এগুলি হল, বৈধ বিদেশি পাসপোর্ট, বাসস্থানের অনুমতিপত্র, বাবা-মায়ের জন্ম শংসাপত্র অথবা তাঁদের ভারতীয় পাসপোর্ট, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় জমা করা ৫০০ টাকার একটি ব্যাঙ্ক চালান, আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রীর ভারতীয় পাসপোর্ট বা জন্মের শংসাপত্র, বিয়ের শংসাপত্র, ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিক হিসেবে রেজিস্ট্রেশনের সার্টিফিকেট থাকতে হবে (যাঁরা অন্য দেশ থেকে আসবেন), ভারতে ব্যবহৃত যে কোনও একটি ভাষা সম্পর্কে কতটা জ্ঞান রয়েছে, তার প্রমাণ হিসেবে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা আবেদনকারীর জেলায় বসবাসকারী দুজনকে মান্যতা দিতে হবে। আবেদনকারীর চরিত্র সম্পর্কেও দুজনকে দিতে হবে শংসাপত্র। অনলাইন ছাড়াও ফর্ম ফিল-আপ করে জমা দেওয়া যাবে ডিএম বা ডিসি অফিসে গিয়ে।

    ভারতীয় নাগরিক কারা?

    মনে রাখতে হবে, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত যাঁদের জন্ম হয়েছে, তাঁরা জন্মসূত্রেই ভারতীয়। এর পর থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের জন্মের সময় বাবা-মায়ের ভারতীয় নাগরিকত্ব থাকলে তবেই তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এর পর যাঁরা জন্ম গ্রহণ করেছেন, হয় তাঁর বাবা-মাকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে কিংবা দুজনের মধ্যে যে কোনও একজন ভারতীয় ও অন্যজন অনুপ্রবেশকারী নন (CAA)।

    আরও পড়ুুন: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    Myanmar: ভারতে পালিয়ে আসা মায়ানমারবাসীদের ফেরত পাঠানো শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধের কারণে মায়ানমার (Myanmar) ছেড়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছেন অনেকে। মায়ানমারের সেই সব নাগরিকদের সে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করল ভারত। ৮ মার্চ, শুক্রবার অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া প্রথম দলটিকে মায়ানমারের মোরে শহরে ফেরত পাঠানো হয়। এই দলে এক শিশু সহ মোট সাত মহিলা ছিলেন।

    আপাতত ফেরত পাঠানো হচ্ছে ৭৭ জনকে

    মায়ানমারে ফেরতের প্রক্রিয়াটির ভিডিও করেছে মণিপুর সরকার। মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ সেটি পোস্ট করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। ভিডিও ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন মহিলাকে পাঠানো হচ্ছে ইম্ফল বিমানবন্দরের দিকে। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মায়ানমারের ৭৭ নাগরিককে (যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে চলে এসেছিলেন) ৮ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে একাধিক দলে ভাগ করে ফেরত পাঠানো হবে মায়ানমারে (Myanmar)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ জন মহিলা। শিশু রয়েছে পাঁচটি। বাকিরা সবাই পুরুষ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? 

    রবিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “সংখ্যাটি বিশাল। তাই আমরা তাদের এক সঙ্গে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারি না। কয়েকটি দলে ভাগ করে তাদের সে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। এজন্য কিছু আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এগুলি অনুসরণ করতে হবে আমাদের। অবৈধভাবে যারা ভারতে এসেছে, পর্যায়ক্রমে তাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।” মণিপুর সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, এই বিদেশি নাগরিকদের প্রথম দলটিকে ইম্ফল থেকে সীমান্ত শহর মোরে পর্যন্ত হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, আজ রাতেই দেশে চালু হচ্ছে সিএএ, খবর সূত্রের

    প্রসঙ্গত, একুশ সালে মায়ানমারের নির্বাচিত আং সান সু কিয়ের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মায়ানমারের সেনা জুন্টা। তার পর থেকে সে দেশে চলছে সামরিক শাসন। দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়ছে মায়ানমারের একাধিক রাজনৈতিক দল। তার জেরেই শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। যার জেরে প্রাণভয়ে ভারতে পালিয়ে আসছেন বহু মায়ানমারবাসী। তাঁদের মধ্যে যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন সে দেশের সেনাবাহিনীর লোকজনও। অবৈধভাবে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এই সব মায়ানমারবাসীকেই তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার।

    জানা গিয়েছে, গত বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত মায়ানমার থেকে ভারতে পালিয়ে এসেছেন সে দেশের ৬০০ সেনা। বিদ্রোহীরা তাঁদের শিবির দখল করে নেওয়ায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন মিজোরামে। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৫৯জন সেনাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের দেশে (Myanmar)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commissioners Of India: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    Election Commissioners Of India: ১৫ মার্চের মধ্যেই ২ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ! বৈঠকে বসছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে আচমকাই ইস্তফা দিয়েছেন দেশের অন্যতম নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। অবসর নিয়েছেন আর এক কমিশনার অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে নতুন করে দুজন নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioners Of India) নিয়োগ হতে চলেছে।

    দুই পদে নিয়োগ

    ১৫ মার্চের মধ্যেই এই দুই পদে নিয়োগ হতে পারে বলে খবর। শুক্রবার সকালে পদত্যাগ করেন গোয়েল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন শনিবার। আইনমন্ত্রকের তরফে এ ব্যাপারে নোটিফিকেশনও জারি হয়েছে। এই দুটি পদ খালি হওয়ায় একা হয়ে পড়েছেন রাজীব কুমার। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা তাঁর পক্ষে খুবই ‘চাপে’র। জানা (Election Commissioners Of India) গিয়েছে, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের অধীনে একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং সেক্রেটারির দফতর। এঁরাই প্রথমে দুটি আলাদা প্যানেল তৈরি করবেন।

    কীভাবে নির্বাচিত হন?

    দুটি পদের জন্য প্রতিটি প্যানেলে পাঁচজনের নাম দেবেন এঁরা। এর পর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সিলেকশন কমিটি, যাতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরীও ওই দুটি প্যানেলের মোট ১০টি নামের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেছে নেবেন দুজনকে। সেই দুটি নাম পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। তিনিই নিয়োগ করবেন ওই দুই কমিশনারকে। জানা গিয়েছে, এই সিলেকশন কমিটির বৈঠক হতে পারে মার্চের ১৩ বা ১৪ তারিখে। এই তারিখ ঠিক হবে কমিটির সদস্যদের সম্মতির ভিত্তিতে। ১৫ তারিখে নিয়োগ করা হতে পারে নয়া দুই নির্বাচন কমিশনারকে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    দেশে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioners Of India) সহ মোট তিনজন নির্বাচন কমিশনারের থাকার কথা। একেই বলে ফুল বেঞ্চ। এতদিন রাজীব এবং অরুণই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। তৃতীয় পদটি শূন্যই ছিল। তৃতীয় পদে নিয়োগ না হওয়ায় এবং অরুণ ইস্তফা দেওয়ায় রয়েছেন রাজীব একা। নির্বাচন কমিশনার পদে অরুণের কার্যকালের মেয়াদ ছিল সাতাশের নভেম্বর মাস পর্যন্ত। রাজীবের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে বসার কথা ছিল (Election Commissioners Of India) অরুণেরই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের পিন্ডি চটকাচ্ছে! রবিবার দুপুরের পর এমনই জল্পনা ভাসছে বাংলার রাজনীতির আকাশে। এদিন একতরফাভাবে রাজ্যের ৪২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল।

    কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া

    ‘ইন্ডি’ জোটে (Lok Sabha Election 2024) থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন, এ রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট করবে না তাঁর দল। সব ক’টি আসনেই এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। রবিবার রাজ্যের ৪২ জন প্রার্থীকে নিয়ে ব্রিগেডের মঞ্চে হেঁটেওছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের এহেন আচরণে বেজায় চটেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “জাতীয় কংগ্রেস বারবার করে সম্মানজনকভাবে আসন সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূলকে। আমরা চেয়েছিলাম আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রফা হোক। একতরফা ঘোষণা করা হয়েছে, যা উচিত ছিল না। আমরা চেয়েছিলাম গোটা দেশের মতো বাংলায়ও জোটবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ুক ‘ইন্ডিয়া’।”

    ইন্ডির দফারফা!

    বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডি’। এই জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। মাসখানেক (Lok Sabha Election 2024) আগে ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে তিনি ফিরে গিয়েছেন এনডিএ শিবিরে। এই ‘ইন্ডি’ জোটেই রয়েছে তৃণমূলও। রয়েছে সিপিএমও। সিপিএমের সঙ্গে জোটে যাবে না বলে আগেই জানিয়েছিল তৃণমূল। তার ওপর এ রাজ্যে কংগ্রেসকে মাত্র চারটি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন বাংলার কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুুন: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    তার পর এদিন বাংলার প্রতিটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে মমতা বুঝিয়ে দিলেন, বাংলায় তিনি ‘একলা চলো নীতি’তেই বিশ্বাসী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার মতো পরিস্থিতি যদি ‘ইন্ডি’ জোটের বাকি শরিকগুলির রাজ্যেও হয়, তাহলে নির্বাচনের ঢের আগেই ভেঙে খান খান হয়ে যাবে জোট। যার জেরে আক্ষরিক অর্থেই ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে (Lok Sabha Election 2024) বেরিয়ে যাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • FTA: স্বাক্ষরিত হল আরও একটি এফটিএ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    FTA: স্বাক্ষরিত হল আরও একটি এফটিএ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার স্বাক্ষরিত হল আরও একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোশিয়েশনের সঙ্গে ভারতের ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল?

    চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর মন্ত্রী বলেন, “ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোশিয়েশন ভারতে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জেরে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে এই পরিমাণ বিনিয়োগ তারা করবে।” মন্ত্রী বলেন, এটি (FTA) একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ট্রেড অ্যান্ড ইকনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর আগামী ১৫ বছর কঠোর শ্রম, প্রচণ্ড শক্তি এবং প্রচেষ্টার একটা মাইল ফলক হয়ে থাকবে (FTA)।”

    এফটিএ 

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ভারত। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনও। এই অ্যাসোসিয়েশনে রয়েছে আইসল্যান্ড, নরওয়ে, লিচেনস্টাইন এবং সুইজারল্যান্ড। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকেই অগ্রাধিকার দেবে বিশ্বের ৯৪টি দেশ। শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভুটান, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, জাপান এবং আশিয়ান গোষ্ঠীর সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে ভারত। ব্রিটেন, ওমান, পেরু, ইজরায়েল এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গেও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করা নিয়ে কথাবার্তা চলছে নয়াদিল্লির। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকেই অগ্রাধিকার দেবে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হল নুসরতকে

    ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের তরফে ফেডারেল কাউন্সিলর গাই পার্মেলিন বলেন, “এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ফলে এই অ্যাসোসিয়েশন থেকে ভারত এবার প্রচুর লগ্নি টানতে পারবে। স্বাভাবিকভাবেই কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আমাদের অ্যাসোসিয়েসন ও ভারত দু’ তরফই লাভবান হবে।”

    এদিনের চুক্তিতে অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি লিখেছেন, “ভারত এবং ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত বৈচিত্র্য থাকলেও, আমাদের অর্থনীতি বিশ্বের প্রতিটি দেশের কাছেই উইন-উইন পরিস্থিতির প্রতিশ্রুতি প্রদান করে (FTA)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে আজমগড়”, যোগীভূমে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    Lok Sabha Elections 2024: “উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে আজমগড়”, যোগীভূমে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজমগড় আজ উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে।” রবিবার উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের সভায় (Lok Sabha Elections 2024) এ কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনের সভায় ৩৪ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সেই সভায়ই তিনি বলেন, “আজ কেবল উত্তরপ্রদেশের আজমগড় নয়, উন্নয়ন হচ্ছে দেশজুড়ে। অথচ একটা সময় ছিল, যখন দেশের এই অংশে কোনও উন্নয়ন হত না। এখন পরিস্থিতির বদল হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আজমগড় উন্নয়নের আলোয় ঝলমল করছে। একটা সময় ছিল যখন দিল্লিতে কোনও প্রকল্পের সূচনা হত, গোটা দেশ থেকে লোককে আসতে হত। আর আজ আজমগড়েই উদ্বোধন হচ্ছে প্রকল্পের। আর দেশের বিভিন্ন অংশের মানুষ এতে অংশ গ্রহণ করছেন (Lok Sabha Elections 2024)।”

    ‘আজমগড়ে নতুন ইতিহাস’

    তিনি বলেন, “আজ শুধু আজমগড় নয়, দেশজুড়ে চলছে উন্নয়নের জোয়ার। আজমগড়ে নতুন ইতিহাস লেখা হচ্ছে। এখানকার মানুষ একটা সময় মাফিয়ারাজ দেখেছেন। আর আজ এখানকার মানুষ আইনের শাসন দেখছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত ভারতে পরিণত করার জন্য কাজ করে চলেছে মোদি সরকার। আজ কৃষকদের এমএসপির পরিমাণ বহুগুণ বেড়েছে।”

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথেরও ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর মুখে। তিনি বলেন, “যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে গত সাত বছরে অনেক কাজ হয়েছে রাজ্যে। যাঁরা মাফিয়া শাসন ও চরমপন্থা দেখেছেন, তাঁরা এখন আইনের শাসনও দেখছেন।” তিনি বলেন, “দেশ যতই উন্নয়নের সাক্ষী থেকেছে, বিরোধীরা প্রতিদিন মোদিকে গালি দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, মোদির নিজের পরিবার নেই। তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন দেশের ১৪০ কোটি মানুষ মোদির পরিবার।”

    এদিন আজমগড়, চিত্রকূট এবং আলিগড় বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আজমগড়ে মহারাজা সুহেল দেব স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনাও করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের আমলে যেসব ঘোষণা করা হত, তা মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য। আমি যখন বিশ্লেষণ করতে বসি, তখন দেখি, এসব ঘোষণা ৩০-৩৫ বছর আগে করা হয়েছে। নির্বাচন এলেই তারা একটা করে ফলক পুঁতে দিত। নির্বাচন-পর্ব মিটলেই তা উধাও হয়ে যেত। বেপাত্তা হয়ে যেতেন নেতারাও। আর আজ দেশ দেখছে, মোদি অন্য ধাতুতে গড়া (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Lok Sabha Elections 2024: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হলে একজনও গরিব থাকবেন না”, প্রত্যয়ী রাজনাথ

    Lok Sabha Elections 2024: “মোদি প্রধানমন্ত্রী হলে একজনও গরিব থাকবেন না”, প্রত্যয়ী রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি যদি ফের প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে হিন্দুস্তানে একজনও গরিব থাকবেন না।” ছত্তিশগড়ের রায়পুর শহরে ‘কিষান মহাকুম্ভ’ সমাবেশে যোগ (Lok Sabha Elections 2024) দিয়ে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিশ্রুতি হল, হিন্দুস্তানে একজনও গরিব মানুষ থাকবেন না। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি।”

    রাজনাথের দাবি

    নীতি আয়োগের রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীতির কারণে ভারতে ২৫ কোটি মানুষ এখন বিপিএলের ওপর রয়েছেন। প্রতিটি দরিদ্র ব্যক্তি এখন গ্রামীণ ভারতে একটি উপযুক্ত ঘর ও কলের জলের সংযোগ পাবেন।” বিশ্বে যে ক্রমেই ভারতের গুরুত্ব বাড়ছে, এদিনের সমাবেশে তা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের জেরে আটকে পড়া ২৬ হাজার শিশুর বাবা-মা যখন মোদিজিকে তাঁদের সন্তানদের ফিরিয়ে আনতে বলেছিলেন, তখন তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি ও মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে ফোন করেছিলেন। বাইডেন সাড়ে চার ঘণ্টার জন্য যুদ্ধ থামিয়ে দেন। এটাই আমাদের মর্যাদা।”

    রাম রাজ্যের সিলসিলা

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন (Lok Sabha Elections 2024), “হিন্দুস্তানে এখন রাম রাজ্যের সিলসিলা শুরু হয়েছে। আমরা নতুন যুগে প্রবেশ করছি। অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন হয়েছে।” তিনি বলেন, “অতীতের মতো ভারত যা বলছে, তামাম বিশ্ব আজ তা শুনছে।” মোদি জমানায় যে কৃষকদের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমেরিকায় এক ব্যাগ ইউরিয়া সার পাওয়া যায় তিন হাজার টাকায়। ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে কৃষকদের প্রতি ব্যাগ ইউরিয়া দেওয়া হচ্ছে ৩০০ টাকায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে দাম বাড়লেও, মোদি সরকার বীজ ও সারের দাম বাড়াতে দেয়নি। আমরা কোনও পরিস্থিতিতেই কৃষকদের সমস্যা বাড়তে দেব না।”

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    নিজের অতীত তুলে ধরে রাজনাথ বলেন, “আমি একজন কৃষকের ছেলে, গ্রামের বাসিন্দা। কৃষকরা তাঁদের প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমে মাটি থেকে সোনার ফসল ফলাতে পারেন। আমার সরকার কৃষকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে…কৃষক ও গ্রামের উন্নয়ন ছাড়া ভারতের উন্নয়ন সম্ভব নয় (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bande Bharat: ছ’ মাসের মধ্যেই চলবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Bande Bharat: ছ’ মাসের মধ্যেই চলবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুখবর শোনালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আগামী ছ’ মাসের মধ্যেই চলতে শুরু করবে বন্দে ভারত (Bande Bharat) স্লিপার ট্রেন। শনিবার এ খবর জানান তিনি। জানা গিয়েছে, চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ১০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ট্রায়াল রান শুরু হবে। পরে বন্দে ভারতের সব ট্রেনেই এই সুবিধা মিলবে। বর্তমানে দেশের ৪১টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চলছে। চলছে দুটি অমৃত ভারত ট্রেনও।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    শনিবার বেঙ্গালুরুতে বিইএমএল ক্যাম্পাসে বন্দে ভারত স্লিপার কোচ উৎপাদন পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী। তার পরেই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানোর কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, “ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশে আরও একশোটি অমৃত ভারত (নন এসি স্লিপার) ট্রেনের কোচের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, তিনটি ফরমেটে বন্দে ভারত চলাচল শুরু করবে। এগুলি হল, বন্দে ভারত ট্রেন, বন্দে স্লিপার এবং বন্দে মেট্রো। এই এসি ট্রেনগুলিতে ১৬টি করে কোচ থাকবে। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে ১১টি ৩ টিয়ার, ৪টি ২ টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস। ট্রেনগুলি ঘণ্টা প্রতি ১৬০ কিলোমিটার গতিতে দৌড়বে।

    বন্দে ভারত স্লিপার কোচের বৈশিষ্ট্য

    বন্দে ভারত স্লিপার কোচের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “স্লিপার কোচগুলিতে কম্পন ও শব্দের মাত্রা শূন্যের কাছাকাছি হবে। ছাদ, গাড়ির বডি ও লোড ট্রেনের গতির সঙ্গে মানানসই করে ডিজাইন করা হয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে মোট ৬৭টি বার্থ থাকবে। স্লিপার বার্থের জন্য আরোহনের সিঁড়ি ব্যবহার করা সহজ হবে। এসি নিয়ন্ত্রিত হবে।” মোবাইল চার্জিং ও স্টোরেজ স্পেস আরও ভালোভাবে ডিজাইন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    তিনি বলেন, “যাত্রীদের ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও দক্ষ করার জন্য কাপলার, অ্যান্টি ক্লাইম্বার সহ অন্য বৈশিষ্ট্যগুলি ইনস্টল করা হয়েছে।” মন্ত্রী জানান, প্রথম স্লিপার কোচ সম্পূর্ণ হয়েছে। এটি একটি নয়া ডিজাইন পেয়েছে। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ১০টি ট্রেন ট্রায়াল রানের জন্য সেট করা হবে। অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “বন্দে ভারত (Bande Bharat) ট্রেনটি ডিজাইনিং সহ পুরোটাই করা হয়েছে ভারতে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share