Author: Krishnendu Bakshi

  • Lok Sabha Election 2024: নির্দেশ মোদির, ৪২ আসনের লক্ষ্যেই ঝাঁপাবে রাজ্য বিজেপি, ঘোষণা সুকান্তর

    Lok Sabha Election 2024: নির্দেশ মোদির, ৪২ আসনের লক্ষ্যেই ঝাঁপাবে রাজ্য বিজেপি, ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টার্গেট বদল বঙ্গ বিজেপির! সৌজন্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কলকাতায় এসে মোদির সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন রাজ্যের ৪২টি আসনের (Lok Sabha Election 2024) মধ্যে ৩৫টি পেতেই হবে। সেই লক্ষ্য পূরণেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার বিজেপি নেতারা।

    বঙ্গ বিজেপির নয়া লক্ষ্যমাত্রা (Lok Sabha Election 2024)

    এই লক্ষ্যমাত্রাই এক লাফে বেড়ে হেয়েছে ৪২। নয়া লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন ক্যাপ্টেন নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তিনি বলেছিলেন, “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে।” এই এক মন্ত্রেই হয়েছে বাজিমাত। তার ওপর রয়েছে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক তাপস রায়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চাকরি ছেড়ে হাতে তুলে নিয়েছেন পদ্ম ঝান্ডা। এসবও বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে বঙ্গ বিজেপিকে। যার জেরে এ রাজ্যে বিজেপি নেতারা আস্তিন গুটিয়ে নেমে পড়েছেন রাজ্যের সবক’টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বলেছেন ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে, তাই আমরা ৩৫টি নয়, ৪২টি আসনেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছি।” গত শনিবার কৃষ্ণনগরের সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্রাম কক্ষে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন বঙ্গ বিজেপির দুই কান্ডারি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে প্রায় পনের মিনিট ধরে বৈঠক হয় এই তিন নেতার। বিজেপি সূত্রে খবর, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সামগ্রিক বিষয় নিয়ে শুভেন্দু-সুকান্তর কাছে খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা সহ অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন সুকান্ত-শুভেন্দু।

    আরও পড়ুুন: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    ইতিমধ্যেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। ১৯৫ জনের এই তালিকায় রয়েছেন বাংলার ২০ জনও। দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশিত হবে অচিরেই। বাংলার যে আসনগুলিতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, সেখানে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। শুরু হয়েছে প্রচারও।

    বিচারপতির পদ ছেড়ে আসা অভিজিৎকে তমলুকে প্রার্থী করা হতে পারে ধরে নিয়ে দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির অত্যুৎশাহীরা। বসিরহাটে ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। তৃণমূল থেকে আসা তাপস রায়ও হতে পারেন পদ্ম প্রার্থী। তাই ৩৫ নয়, ৪২টি আসনই গেরুয়া ঝুলিতে পুরতে মরিয়া বঙ্গ বিজেপি (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru: বেঙ্গালুরুতে জলের হাহাকার, অপচয় রুখতে নিষেধাজ্ঞা জারি প্রশাসনের

    Bengaluru: বেঙ্গালুরুতে জলের হাহাকার, অপচয় রুখতে নিষেধাজ্ঞা জারি প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীত বিদায় নিয়ে বসন্ত এসেছে। ইতি মধ্যেই জলের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে বেঙ্গালুরুতে। যার জেরে জলের অপচয় রুখতে কোমর কষে নেমে পড়েছে বেঙ্গালুরু (Bengaluru) প্রশাসন। গাড়ি ধোয়ার কাজে জল ব্যবহার করা যাবে না বলে জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। নির্মাণ কাজ, বিনোদন সংক্রান্ত কোনও কাজেও জল ব্যবহার করা যাবে না। বাগান পরিচর্যা, সিনেমা হলের কাজেও ব্যবহার করা যাবে না জল।

    কর্নাটকে তীব্র জলসঙ্কট (Bengaluru) 

    কর্নাটকে জলসঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। সব চেয়ে শোচনীয় অবস্থা বেঙ্গালুরুর। পানীয় জল তো বটেই, নিত্য ব্যবহারযোগ্য জলের সঙ্কটেও জেরবার বেঙ্গালুরুবাসী। এক বালতি জল কিনতে খসাতে হচ্ছে হাজার থেকে দু’ হাজার টাকা পর্যন্ত। সঙ্কটের মোকাবিলায় জলের অপচয় রোখায় জোর দিয়েছে বেঙ্গালুরু (Bengaluru) প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা না মেনে জলের অপচয় করলে ৫ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করেছে কর্নাটক ওয়াটার সাপ্লাই বোর্ড। একাধিকবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে গুণাগার দিতে হবে বাড়তি ৫০০ করে টাকা।

    বেঙ্গালুরুতে হাহাকার  

    বেঙ্গালুরু শহরের জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি ৩০ লক্ষ। সেখানে দৈনিক জলের চাহিদা ২৬০ কোটি থেকে ২৮০ কোটি লিটার। বর্তমানে শহরে অন্তত ১৫০ কোটি লিটার জলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। জলের হাহাকার দেখা দিয়েছে উত্তর কন্নড়, তুমাকুরু জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও। রাজ্যের ২৩৬টি তালুকে খরা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের তরফে জল রিসাইকেল ও পরিশোধন করে পুনর্ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। ট্যাঙ্কারে করে যে জল সরবরাহ করা হচ্ছে, সেখানেও জুলুমবাজির অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় হেল্পলাইন ও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যসভায় সাংসদ মনোনীত সুধা মূর্তি, নারী দিবসে খুশির খবর দিলেন মোদি

    জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুর জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ মানুষ ট্যাঙ্কের জলের ওপর নির্ভর করেন। তাঁদের অভিযোগ, জলের আকালের সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। চড়া দরে বিক্রি করছেন জল। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, শহরের বেশিরভাগ এলাকায় নলকূপ শুকিয়ে কাঠ। অন্তত তিন হাজার জলের ট্যাঙ্কার শুকিয়ে গিয়েছে। বেসরকারি ট্যাঙ্কারের মালিকদের জলের দাম কমানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শহরবাসীর দাবি, গত তিন মাস ধরে চলছে জলসঙ্কট। তবে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দিন কয়েক আগে থেকে (Bengaluru)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Houthi Attacks In Red Sea: লোহিত সাগরে ত্রাতা ভারতীয় নৌসেনা, হুথি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার ২১

    Houthi Attacks In Red Sea: লোহিত সাগরে ত্রাতা ভারতীয় নৌসেনা, হুথি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার ২১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগরে ফের ত্রাতার ভূমিকায় ভারতীয় নৌসেনা। বুধবার বার্বাডোজের পতাকা লাগানো একটি জাহাজে হামলা চালায় ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি (Houthi Attacks In Red Sea)। ইরান সমর্থিত ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী বাণিজ্যিক ওই জাহাজটি লক্ষ্য করে মিসাইল ছোড়ে। ঘটনায় নিহত হয়েছেন তিনজন, জখমও হন বেশ কয়েকজন। এই জাহাজটি থেকেই এক ভারতীয়-সহ মোট ২১জন কর্মীকে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা।

    জাহাজে মিসাইল হামলা (Houthi Attacks In Red Sea)

    এদিন লোহিত সাগর দিয়ে যাচ্ছিল পণ্যবাহী জাহাজ এমভি ট্রু কনফিডেন্স। জাহাজটি (Houthi Attacks In Red Sea) যে এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল, সেখান থেকে ইয়েমেনের বন্দরশহর এডেনের দূরত্ব ১০১ কিলোমিটার। আচমকাই জাহাজটিতে মিসাইল ছোড়ে হুথি জঙ্গিরা। আগুন লেগে যায় জাহাজটিতে। সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য চেয়ে বার্তা পাঠান জাহাজটির ক্যাপ্টেন। বার্তাটি পৌঁছায় ভারতীয় নৌসেনার জাহাজ আইএনএস কলকাতার কাছে। দ্রুত রওনা দেয় ভারতীয় নৌসেনা। নৌসেনার মুখপাত্র কমান্ডার মাধওয়াল বলেন, “হেলিকপ্টার ও নৌকোর মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে জাহাজটির কর্মীদের। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।”

    দায় কবুল হুথির 

    ঘটনার নেপথ্যে যে হুথিই, তার প্রমাণ মিলেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামলার দায় কবুল করায়। তাদের দাবি, হামলা চালানোর আগে সতর্ক করা হয়েছিল জাহাজটিকে। সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করাতেই চালানো হয়েছে হামলা। গত অক্টোবরে শুরু হয় ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ। তার পর থেকেই লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে হুথির বিরুদ্ধে। হামলা বন্ধ না হলে ফল ভালো হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। তার পরেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুথি।

    ব্রিটিশ দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “অন্তত দুজন নিরপরাধ নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। এটি ছিল আন্তর্জাতিক জাহাজগুলিতে হুথিদের বেপরোয়াভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দুঃখজনক কিন্তু অনিবার্য পরিণতি। এদের অবশ্যই থামাতে হবে।” মাসখানেক আগেও লোহিত সাগরে দুটি জাহাজে হামলা চালিয়েছিল হুথিরা। তার প্রেক্ষিতে হুথির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছিলেন, “মঙ্গলবার প্রথম হামলাটি হয় আমেরিকান জাহাজ স্টার নাসিয়াকে লক্ষ্য করে ও অন্যটি ব্রিটিশ জাহাজ মর্নিং টাইডকে লক্ষ্য করে (Houthi Attacks In Red Sea)।”

    আরও পড়ুুন: বাংলাদেশে চড়ছে ‘ভারত বয়কট’ সুর, পেঁয়াজ পাঠিয়ে মোক্ষম চাল মোদির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relationship: বাংলাদেশে চড়ছে ‘ভারত বয়কট’ সুর, পেঁয়াজ পাঠিয়ে মোক্ষম চাল মোদির

    India Bangladesh Relationship: বাংলাদেশে চড়ছে ‘ভারত বয়কট’ সুর, পেঁয়াজ পাঠিয়ে মোক্ষম চাল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বিরোধী প্রচার শুরু হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপে। এবার তার আঁচ লাগল ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশেও (India Bangladesh Relationship)। জানুয়ারি মাসে সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশের কুর্সিতে ফেরে আওয়ামি লিগ সরকার। ফের প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। তার পরেই শুরু হয়েছে ভারত বয়কট প্রচার। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে যারা আওয়ামি লিগের বিরোধিতা করেছিল, ভারত বয়কট প্রচারে সুর চড়িয়েছে তারাই। সূত্রের খবর, ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক সমর্থন করেছে বিএনপি এবং সমমনস্ক ১২টি দল।

    কমেছে ভারতীয় পণ্যের বিক্রি (India Bangladesh Relationship)

    এক সময় (India Bangladesh Relationship) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পান্থপথ এলাকায় ঢালাও মিলত ভারতীয় পণ্য। গত মাসে এই এলাকার কিছু দোকান মালিক ভারতীয় পণ্য তুলতে চায়নি। ঢাকা-চট্টগ্রামের দোকানদারদের একটা বড় অংশই জানিয়েছে, সম্প্রতি কমে গিয়েছে ভারতীয় পণ্যের বিক্রিবাটা। বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে ভারতের পছন্দের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। তাই ভারতীয় পণ্য বয়কটের আওয়াজ তুলেছে সরকার বিরোধীদের একাংশ। নয়াদিল্লির মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থীরা রয়েছে এই প্রচারের নেপথ্যে। সংগঠিত কোনও শক্তির হাতও থাকতে পারে বলে ধারণা নয়াদিল্লির।

    নেপথ্যে পাকিস্তানের হাত!

    অতীতে বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছে আইএসআই। হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে সেসব অবশ্য বন্ধ হয়েছে। তবে সম্প্রতি মলদ্বীপকাণ্ডের পর বাংলাদেশে ফের মাথাচাড়া দিয়েছে সেই অশুভ শক্তি। যার জেরে উঠেছে ভারত বিরোধী আওয়াজ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচারও বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী শক্তিকে। তবে বাংলাদেশে পণ্য বয়কটের প্রভাব অর্থনৈতিকভাবে খুব বেশি হবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ২.৬ শতাংশ। তবে ভারত বিরোধী প্রচারের জেরে ছাপ পড়তে পারে দুই দেশের সম্পর্কে।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    সেই ছাপ যাতে না পড়ে তাই রমজান ও ইদের আগেই বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ পাঠিয়েছে ভারত। অথচ দেশের বাজারে পেঁয়াজের জোগানে সঙ্কট ও তার জেরে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় গত বছরই পেঁয়াজ রফতানিতে রাশ টেনেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। বাংলাদেশের পাশাপাশি আর এক বন্ধু দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেও পেঁয়াজ পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত। তবে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী সুর চড়তেই পেঁয়াজ পাঠিয়ে ইদের তোফা দিয়ে নয়াদিল্লি মোক্ষম চাল দিলেন বলেই ধারণা (India Bangladesh Relationship) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    Lok Sabha Election 2024: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) প্রাক্কালে ত্রিপুরায় কিস্তিমাত বিজেপির! রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল শরিক হল বিজেপি-আইপিএফটি জোট সরকারের। মন্ত্রী হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিধায়ক অনিমেষ দেববর্মণ। মন্ত্রগুপ্তির পাঠ পড়লেন তিপ্রা মথারই বিধায়ক বৃষকেতু দেববর্মণও। বৃহস্পতিবার রাজভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, তিপ্র মথা সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ প্রমুখ।

    তিপ্রাল্যান্ডের দাবি (Lok Sabha Election 2024)

    ত্রিপুরার জনজাতি অধ্যুষিত অংশকে আলাদা (Lok Sabha Election 2024) তিপ্রাল্যান্ড বলে ঘোষণার দাবি জানিয়ে ২০২১ সালে আত্মপ্রকাশ করে তিপ্রা মথা। দলের প্রধান হন ত্রিপুরা রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোত। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে মথা জনজাতিদের সমস্যার সাংবিধানিক সমাধানের দাবি জানায় প্রদ্যোতের দল। দাবিপূরণ না হলে কোনও দলের সঙ্গেই হাত মেলাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিপ্রা মথার প্রধান।

    জোট সরকারের নেতৃত্ব দেয় বিজেপি

    তেইশের বিধানসভা নির্বাচনে ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় ৩২টি আসনে জয়ী হয় বিজেপি। জোটসঙ্গী আইপিএফটি জেতে একটি আসন। তিপ্রা মথার ১৩ জন প্রার্থী জয়ী হন। ওই নির্বাচনে সিপিএম পেয়েছিল ১১টি আসন, কংগ্রেস ৩টি। প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পায় তিপ্রা মথা। বিরোধী দলনেতা হন অনিমেষ। ত্রিপুরায় দুটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। পূর্ব ত্রিপুরা আসনে অবশ্য এখনও কারও নাম ঘোষণা করেনি বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    রাজনীতির কারবারিদের একাংশের মতে, পূর্ব ত্রিপুরা আসনটি জনজাতিদের জন্য সংরক্ষিত। এই আসনটি তিপ্রা মথাকে ছেড়ে দিতে পারে বিজেপি। অন্য অংশের মতে, রাজ্যের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হয়েছে তিপ্রা মথার দুই বিধায়ককে। তার বিনিময়ে পূর্ব ত্রিপুরা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারে তিপ্রা মথা। পদ্ম চিহ্নে রাজবাড়িরই কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর।

    তিপ্রা ল্যান্ড আন্দোলনের কী হবে?  এ প্রশ্নের উত্তরে তিপ্র মথার তরফে নয়া মন্ত্রী বৃষকেতু বলেন, “বৃহত্তর তিপ্রা ল্যান্ড আমাদের পার্টির অ্যাজেন্ডা। এখন কেউ জিজ্ঞাসা করতে পারে, এটি কখন হবে? দেখুন, পাঁচশো বছরের সংগ্রামের পর তৈরি হল রাম মন্দির। আমাদের আন্দোলন তো শুরু হয়েছে মাত্র তিন বছর আগে (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনেরও

    Sandeshkhali Case: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জাতীয় মহিলা কমিশনেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানা সময় বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছিলেন বিরোধীরা। এবার সেই একই দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Case) মহিলাদের নির্যাতন ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছেন রেখা।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ

    পরে সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, “সন্দেশখালি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ওই রাজ্য থেকে আগেও হিংসার অনেক ঘটনার খবর উঠে এসেছে। রাজ্য সরকার ওই সব ঘটনার প্রেক্ষিতে কোনও পদক্ষেপই করেনি রাজ্য সরকার। তাই জাতীয় মহিলা কমিশন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ওই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার সুপারিশ করেছে।” বাংলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি যে সচেতন এবং নিয়মিত খবর নিচ্ছেন, এদিন তাও জানান রেখা।

    জাতীয় মহিলা কমিশন

    সন্দেশখালিকাণ্ডের পর ফেব্রুয়ারি মাসে সেখানে গিয়েছিল জাতীয় মহিলা কমিশন। সেই সময় দাবি করা হয়েছিল, সন্দেশখালির যা পরিস্থিতি, তাতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। সেই সময় রেখা জানিয়েছিলেন (Sandeshkhali Case), ধর্ষণের অভিযোগ তো আছেই, শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটেছে সেখানে। তাঁর দাবি, বহু ঘটনার তো উল্লেখই নেই। কারণ পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। দু’ সপ্তাহের মধ্যেই সন্দেশখালি নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট দিল জাতীয় মহিলা কমিশন।

    আরও পড়ুুন: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    শেখ শাহজাহান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মহিলাদের বেআইনিভাবে আটকে রাখা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্ট। জাতীয় মহিলা কমিশনের অভিযোগ, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনাগুলির তদন্তের জন্য শর্মার নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।

    মহিলা কমিশনের ওই রিপোর্টে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি, হিংসার তদন্তে কেন্দ্রীয় বা বিচার বিভাগীয় সংস্থা নিয়োগ, সন্দেশখালির পুলিশ কর্মীদের বদলির সুপারিশও করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই সন্দেশখালি মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য পুলিশের হাতে ধৃত শেখ শাহজাহানকেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত (Sandeshkhali Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bengaluru: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে ব্যাগের মালিকের সন্ধানে ১০ লাখি পুরস্কার ঘোষণা এনআইএর

    Bengaluru: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে ব্যাগের মালিকের সন্ধানে ১০ লাখি পুরস্কার ঘোষণা এনআইএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) হোয়াইটফিল্ড এলাকায় যে ব্যাগে বিস্ফোরণ হয়েছিল, তার মালিকের সন্ধান দিতে পারলে মিলবে ওই পরিমাণ টাকা। ব্যাগটির মালিকের ছবি সম্বলিত একটি পোস্টারও সাঁটিয়েছে এনআইএ। তাতে ওই দুর্বৃত্তের সন্ধান পেলে কোন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে, তাও বলা হয়েছে। লেখা হয়েছে, ওই ব্যক্তির সম্পর্কে কোনও তথ্য দিতে পারলে পুরস্কৃত করা হবে। যিনি সন্ধান দেবেন, তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

    তদন্তে এনআইএ (Bengaluru)

    ১ মার্চের ওই ঘটনার তদন্তে নেমেছিল বেঙ্গালুরু পুলিশ। কিন্তু তিনদিন পরেও কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএর হাতে। সাংসদ তেজস্বী সূর্যের দাবি (Bengaluru), বিজেপির চেষ্টার ফলেই বিস্ফোরণের তদন্তভার গিয়েছে এনআইএর হাতে। প্রসঙ্গত, ওই দিন বিস্ফোরণে অন্তত ১০জন জখম হয়েছিলেন। এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয় তাঁদের। চিকিৎসার খরচ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কর্নাটক সরকার।

    সিসিটিভির ফুটেজে সন্দেহভাজন

    সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে। বয়স ২৮-৩০ বছর। দুপুরের খাওয়ার সময় ক্যাফেতে ঢুকেছিল সে। রাভা ইডলির কুপনও নিয়েছিল। কিন্তু না খেয়েই ক্যাফে ছেড়ে চলে যায়। নিয়ে যায়নি তার ব্যাগটিও। এই ব্যাগেই ছিল আইইডি।

    রামেশ্বরম ক্যাফের সিইও রাঘবেন্দ্র রাও বলেন, “ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে তাই কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।” ঘটনাটি যে ব্যবসায়িক শত্রুতার জের, তা মানতে রাজি নন তিনি। ব্যবসায়িক মহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটে না বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: নয়া ঠিকানা নিজাম প্যালেস! অবশেষে সিবিআই হেফাজতে শেখ শাহজাহান

    এদিন কংগ্রেসকেও একহাত নেন তেজস্বী। কারণ গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির তরফে বলা হয়েছিল, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা। কংগ্রেসের বক্তব্য খারিজ করে তেজস্বী বলেন, “তাঁরা (কংগ্রেসের নেতারা) প্রায়ই নেটফ্লিক্স দেখেন। তাঁরা বেঙ্গালুরুর রেস্তরাঁর সঙ্গে কলম্বিয়া কার্টেলকে গুলিয়ে ফেলেছেন। ইডলি-বড়ার দোকানে বম্ব ব্লাস্ট হয়েছে ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে, এটা বলার চেয়ে হাসির খোরাক আর কী হতে পারে (Bengaluru)!”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    Lok Sabha Election 2024: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলার বুকে যে অরাজক পরিস্থিতি চলছে, তা ঘোচানোর চেষ্টা করব।” বুধ-সন্ধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন তৃণমূলের প্রাক্তনী তাপস রায়। এদিন সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বিজেপি দফতরে গিয়ে পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরীয় পরিয়ে তাপসের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিজেপির ঝান্ডা। 

    কী বললেন তাপস?

    পদ্ম আঁকা পতাকা হাতে নিয়ে তাপস বলেন, “আমি আজ থেকে মোদি পরিবারের সদস্য হলাম। যতদিন রাজনীতিতে থাকব, এই পরিবারের সদস্য হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করব। বাংলার বুকে যে অরাজক পরিস্থিতি চলছে, তা ঘোচানোর চেষ্টা করব। দলের প্রতি ১০০ শতাংশ সৎ থাকব।” সদ্যই তৃণমূলের সঙ্গে ২৩ বছরের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদ। এদিন (Lok Sabha Election 2024) যোগ দিলেন বিজেপিতে।

    ‘বাংলায় অরাজকতা চলছে’

    বলেন, “বাংলায় অরাজকতা চলছে। এই সরকার শেখ শাহজাহানদের সরকার, উত্তম সর্দারদের সরকার, শিবু হাজরাদের সরকার (সন্দেশখালির এই তিনজনের গায়ে লেগেছে নারী নির্যাতনের অভিযোগের কালি)। এই সরকার সংবিধান, আইনকানুনের কথা বলে। অথচ হাইকোর্টের নির্দেশ মানে না। বাংলা থেকে এই অমানবিক জলদস্যুদের সরিয়ে সকলে মিলে যাতে শান্তির বাংলা গড়তে পারি, তাই বিজেপিতে যোগ দিলাম।”

    বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তিনি যে একশো শতাংশ লয়্যাল থাকবেন, এদিন তাও জানিয়ে দেন তাপস। তাঁকে প্রদেশ বা জেলায় যে দায়িত্বই দেওয়া হবে, সেই দায়িত্বই তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন বলেও জানান তাপস। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে। তিনি বলেন, “বাংলায় বিজেপির হাত শক্ত হচ্ছে।” তাপসকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “উত্তর কলকাতায় আমাদের দলের সংগঠনে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন ছিল। আশা করছি, তাপস রায়ের যোগদান সেই প্রয়োজন অনেকটাই মেটাবে (Lok Sabha Election 2024)।”

    আরও পড়ুুন: মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ বানানো তাঁর লক্ষ্য, বারাসতে ঘোষণা মোদির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    UP Court: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তাকির রাজাকে ফের তলব কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরেলি হিংসার মূল চক্রী মৌলানা তৌকির রাজা। উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত দায়রা আদালত (UP Court) তাঁকে তলব করল ১১ মার্চ। ওই হিংসায় অভিযুক্ত ছিলেন রাজা। ২০১০ সালের ওই হিংসায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বরেলি শহরের।

    হিংসার আগুন বরেলিতে (UP Court)

    ২০১০ সালের ২ মার্চ হিংসার আগুন জ্বলে বরেলিতে। ছাবাইয়ে ফারাওয়াফতের শোভাযাত্রার রুটকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। বির্তক হয়েছিল হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে। তার জেরে শুরু হয় হিংসা। দাবানলের মতো যা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পাথর ছোড়া, ভাঙচুর মায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছিল আকছার। মিছিলের আয়োজক ছিলেন (UP Court) সুন্নি মুসলমানেরা। বরেলি সেক্টরের মিলাদ-উন-নবি সংস্কৃতি বহন করেন এই সম্প্রদায়ের মুসলমানরা। প্রথমে যে রুটে যাওয়ার কথা ছিল শোভাযাত্রার, পরে তা বদলে দেওয়া হয়। তার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। পরে হিংসা শুরু হলে অশান্ত হয়ে ওঠে এলাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুত নামানো হয় বাহিনী। অবশ্য তার আগেই জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল বহু বাড়ি, দোকানপাট।

    গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজাকেও

    পরে পরিস্থিতির খানিক উন্নতি হলে শুরু হয় ধরপাকড়। গ্রেফতার করা হয় মৌলানা তৌকির রাজাকেও। অভিযোগ, জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়ে হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছিলেন তিনি। রাজা গ্রেফতার হতেই শুরু হয় প্রতিবাদ আন্দোলন। পাল্টা হিংসাও শুরু হয়। ফের নামানো হয় বাহিনী। তার পরেই স্বাভাবিক হয় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। প্রবীণ পুলিশ সুপার এমকে ভাসারকে বদলি করে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওায়া হয় পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব সাভারওয়ালকে। তিনি ছিলেন স্টেট অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের ডিআইজি। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল আশিস কুমারকেও। তাঁর বদলে জেলাশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয় অনিল গর্গকে।

    আরও পড়ুুন: আফগানিস্তানে গ্রেফতার আরও এক, কেন কেরলের যুবকদের মধ্যে বাড়ছে আইসিস-প্রীতি?

    এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা বলেন, “আমরা যদি হিংসার ঘটনাপ্রবাহের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব হিংসার পক্ষে যথেষ্ঠ প্রমাণ রয়েছে। হিংসার ধরণ দেখলেও বোঝা যায়, দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একবারও প্রত্যক্ষভাবে হিংসায় জড়িয়ে পড়েনি। ২ মার্চও মানুষ পাথর ছুড়ছিল। তার পরেই সংগঠিত একদল লোক বাড়িঘর-দোকানদানিতে আগুন লাগাচ্ছিল, ভাঙচুর করছিল। হিংসার দ্বিতীয় পর্যায়েও যুক্ত ছিলেন না দুই সম্প্রদায়ের মানুষ। ছিল সংগঠিত দু’দল জনতা। আর ছিল প্রশাসন (UP Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Distribution Case: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা পাচার করেছিলেন তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়!

    Ration Distribution Case: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা পাচার করেছিলেন তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওয়ালার মাধ্যমে ৭৫০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই বিপুল পরিমাণ টাকারই ০.৫ শতাংশ পেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা তথা বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় প্রথম সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে (Ration Distribution Case) এমনই জানিয়েছে ইডি।

    সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট ইডির (Ration Distribution Case)

    মঙ্গলবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে এই চার্জশিট জমা দেয় ইডি। তাতেই নাম রয়েছে শঙ্করের। রয়েছে তাঁর কোম্পানির নামও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, জ্যোতিপ্রিয়র বিপুল পরিমাণ টাকা, বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তরিত করে শঙ্কর ০.৫ শতাংশ করে কমিশন পেয়েছেন। সেখান থেকেই কোটি টাকা রোজগার করেছেন তিনি। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Ration Distribution Case) ৫ জানুয়ারি শঙ্করের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের এই নেতাকে। এই গ্রেফতারির দু’ মাসের মাথায় এদিন দ্বিতীয় চার্জশিট পেশ করল ইডি।

    কী রয়েছে চার্জশিটে?

    চার্জশিটটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৮৩। তাতে শঙ্করের পাশাপাশি রয়েছে তাঁর চারটি কোম্পানির উল্লেখও। চার্জশিটে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর টাকা বিদেশি মুদ্রায় রূপান্তরিত করতে সাহায্য করেছেন শঙ্কর। তার বদলে পেয়েছেন কমিশন। জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে যে শঙ্করের যোগাযোগ ছিল, তা প্রথম থেকেই দাবি করেছিল ইডি। হাসপাতাল থেকে মেয়েকে লেখা জ্যোতিপ্রিয়র চিঠিতেও শঙ্করের উল্লেখ ছিল বলেও দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    আরও পড়ুুন: “হিংসামুক্ত নির্বাচন করতে হবে”, রাজ্যকে নির্দেশ রাজীব কুমারের

    এদিন ইডি যে চার্জশিট জমা দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ২০১১ সাল (এই বছরই ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল) থেকে ২০২২ সালের মধ্যে হাওয়ালার মাধ্যমে সাড়ে সাতশো কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। কমিশন বাবদ তারই ০.৫ শতাংশ পেয়েছিলেন শঙ্কর। ইডির অভিযোগ, বিদেশে শঙ্কর লেনদেন করেছেন ২০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকার মধ্যে অন্তত ৯ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা জ্যোতিপ্রিয়র।

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি (Ration Distribution Case) মামলায় ইডি প্রথম চার্জশিট পেশ করে গত ১২ ডিসেম্বর। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তবে তদন্তে সেই টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও দাবি করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফার চার্জশিটে জানা গেল বিদেশে পাচার হওয়ার টাকার পরিমাণ ৭৫০ কোটি টাকা (Ration Distribution Case)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share