Author: নিমাই দে

  • Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল গোপালের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর! মালদায় হৈমন্তী! তাও আবার এক তৃণমূল বিধায়কের আশ্রয়ে! অন্তত এমনটাই দাবি করছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। জানা গিয়েছে, তাঁর লোকসভা কেন্দ্রেই মালদার চাঁচলে একটি হোটেলে সোমবার রাতে খুব গোপনে ঢোকেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে নিয়ে আসেন এক তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। কয়েকদিন ধরেই ‘নিখোঁজ’ হৈমন্তীকে খুঁজে পেতে মরিয়া তদন্তকারীরা। কোথায় থাকতে পারেন নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) উঠে আসা এই চরিত্র? এই নিয়েই যখন জোর চৰ্চা চলছে সব মহলে, তখনই হঠাৎ জানা গেল হৈমন্তী রয়েছেন মালদায়।

    অবশেষে হৈমন্তীর খোঁজ!

    খগেন মূর্মূর আরও বিস্ফোরক দাবি, এক তৃণমূল বিধায়কের ব্যবস্থাতেই হোটেলে ওঠেন হৈমন্তী। হৈমন্তীকে চাঁচল থেকে বিহার বা ঝাড়খণ্ড হয়ে নেপালে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেন তৃণমূল বিধায়ক। এই গোটা বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানাতে চলেছে বিজেপি, এমনটাই জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে গেরুয়া শিবির সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    এদিন খগেন মুর্মু বলেন, “আমি হঠাৎ করে শুনলাম, আমাদের জেলার চাঁচলে, আমার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে, ওখানে একটা হোটেলে এসেছিলেন। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। খোঁজখবর করা হচ্ছে। ওখানে থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে চলে যেতে পারেন। কারণ এভাবেই তো পালিয়ে বেড়ান।”

    অন্যদিকে, সাংসদের বক্তব্যের পর সেই হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা গোটা বিষয়টি অস্বীকার করলেও তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পরে। হোটেলের এক কর্মীকে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় কত নম্বর রুমে ছিলেন, এই প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে তিনি বলেন, “আজ সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে। কালকে ছিলেন। আজকে সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে (Recruitment Scam)।”

    ১০৪টি সংস্থায় ৩০ কোটির লগ্নি!

    অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জোর গলায় কুন্তল বলেন (Recruitment Scam), “নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত টাকা গোপালের স্ত্রী হৈমন্তীর কাছে রয়েছে।” এর পরে ইডি ও সিবিআইয়ের বিশেষ নজরে গোপাল-হৈমন্তীর সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দু’টি বণিকসভার নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই নেটওয়ার্কে থাকা কয়েকটি সংস্থার অধিকর্তা স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ গোপাল-হৈমন্তী। ওই নেটওয়ার্কে দেশের অন্তত ১১টি রাজ্যে থাকা ১০৪টি সংস্থা এবার সিবিআইয়ের নজরে। যদিও ওই ১০৪টি সংস্থার মধ্যে বেশিরভাগই এই রাজ্যের। সংস্থাগুলিতে অন্তত ৩০ কোটি টাকা লগ্নি হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সংস্থাগুলির উপর নজর রাখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ফলে কতগুলি সংস্থার মাধ‌্যমে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা।

    কুন্তল টাকা পাঠিয়েছেন গোপালের অ্যাকাউন্টে

    আবার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) ফের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআইয়ের হাতে। জানা গিয়েছে, গোপাল দলপতিকে দফায় দফায় টাকা পাঠিয়েছে ধৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। গোপালের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখে এমটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৭-র ২৪ নভেম্বর, ৫০ হাজার, ২৫ নভেম্বর, আরও ৫০ হাজার, ২৭ নভেম্বর একলক্ষ টাকা গোপালের অ্যাকাউন্টে জমা করেছিলেন কুন্তল। এরপর ২০২১-এর ২৯ অক্টোবর, কুন্তল ৭০ হাজার টাকা পাঠান গোপালের অ্যাকাউন্টে। সিবিআইয়ের দাবি, এছাড়াও, গোপাল ওরফে আরমানের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা জমা পড়েছে। ২০১৭-য় গোপালের আরমান ট্রেডিংয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয় নগদ ২ লক্ষ টাকা। এরপর ২০২১-এ গোপালের দিল্লির কেজি মার্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়ে।

    ফলে এত বার করে গোপালকে কেন টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল? তাহলে কি গোপাল দলপতিও কোনও ভাবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে? কোথা থেকে এত টাকা পেল কুন্তল? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই সব কিছুই এখন সিবিআইয়ের স্ক্যানারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adenovirus: অ্যাডিনো ভাইরাসে মৃত্যু আরও ৫ শিশুর, প্রি-স্কুলে কমছে হাজিরার সংখ্যা

    Adenovirus: অ্যাডিনো ভাইরাসে মৃত্যু আরও ৫ শিশুর, প্রি-স্কুলে কমছে হাজিরার সংখ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর নতুন আতঙ্কের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস (Adenovirus)। রাজ্যজুড়ে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস সংক্রমণ। এই অ্যাডিনো-আতঙ্কের মধ্যেই কলকাতায় আরও পাঁচজন শিশুর মৃত্যু হল। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও বিসি রায় হাসপাতালে এই পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    অ্যাডিনোতে মৃত্যু আরও পাঁচজনের

    জ্বর এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে ক্রমেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে রাজ্যে (Adenovirus)। গত তিন দিনে যে পাঁচটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের প্রত্যেকেরই বয়স দু’বছরের নীচে। মঙ্গলবার সকালে মেডিক্যাল কলেজে যে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে, তার বয়স ৬ মাস। নাম আদিত্য দাস। হাসপাতাল সূত্রে খবর, জন্ম থেকেই হার্টের সমস্যা ছিল ওই শিশুর। হৃদযন্ত্রে ছিদ্র থাকায় চিকিৎসা চলছিল তার। গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই সে হাসপাতালে ভর্তি। ২৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আদিত্যের শরীরে অ্যাডিনোভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছিল, ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দিকাশিও হয়েছিল তার। একটি শিশুর মৃত্যু হয় মেডিক্যাল কলেজে। তবে তার শরীরে অ্যাডিনো ভাইরাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। যদিও সর্দি-কাশি, জ্বর, ঠাণ্ডা-লাগা ছিল। ফলে সেও অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত ছিল না কিনা তা স্পষ্ট নয়। আবার বিসি রায় হাসপাতালেও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুই শিশুই ভুগছিল নিউমোনিয়ায়। এক শিশুর বয়স ৬ মাস। দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। মৃতের নাম শুভ ঘোষ।

    আরও পড়ুন: গ্রুপ ডি-এর ওয়েটিং লিস্টও গঙ্গাজলের মতো স্বচ্ছ্ব নয়! অভিমত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর

    উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর

    এই অ্যাডিনো ভাইরাস (Adenovirus) করোনার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। কলকাতার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে, শিশু ভর্তির সংখ্যাটা হাজারেরও বেশি। শহর জুড়ে হাসপাতালগুলোতে যখন শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, সে সময়ে বেড সঙ্কটও দেখা দিয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেডের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। প্রায় সবখানেই ভর্তি পেডিয়াট্রিক আইসিইউ। এই পরিস্থিতিতে গতকাল স্বাস্থ্যভবনে জরুরি বৈঠক হয়। স্বাস্থ্য ভবনে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বৈঠক করলেন দফতরের আধিকারিকরা। সরকারি হাসপাতালগুলিতে গেলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্য। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বেলেঘাটা আইডিতে শিশুদের নতুন ওয়ার্ড করা হবে। রোগীর চাপ সামলাতে কোভিড কালের মত জরুরি কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা।

    অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপটে প্রি-স্কুলে হাজিরার সংখ্যা কম

    রাজ্য জুড়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের (Adenovirus) সংক্রমণ বাড়তে থাকলে এই পরিস্থিতিতে প্রি-স্কুলগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে হাজিরার সংখ্যা কমছে। আবার অনেক প্রি-স্কুলগুলোতে ছুটিও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। আবার কোনও কোনও স্কুল কর্তৃপক্ষ অনলাইন ক্লাস ফের শুরু করার কথা ভাবতে শুরু করেছে। তবে, এখানে প্রশ্ন উঠেই যাচ্ছে, যে সব স্কুল খোলা, সেখানে সংক্রমণ এড়াতে কতটা বিধি মেনে চলছেন কর্তৃপক্ষ?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসে অসুস্থ মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিতের মা

    Post Poll Violence: ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসে অসুস্থ মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিতের মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে মারা গিয়েছেন ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence), আর আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তাঁরই মা। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত্যু হয় কাঁকুরগাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। আর এই মামলায় মঙ্গলবার সাক্ষ্য দিতে আদালতে গিয়েছিলেন অভিজিতের মা মাধবী সরকার। পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে শিয়ালদহ আদালতে এদিন সকালে সাক্ষ্য দিতে পৌঁছান তিনি। কিন্তু রাস্তায় আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন নিহত বিজেপি কর্মীর মা। এর পর পুলিশই তাঁকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফলে আজ আর তাঁর জবানবন্দি নেওয়া হল না।

    কী ঘটেছিল (Post Poll Violence)?

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হিংসার (Post Poll Violence) অভিযোগ উঠে ছিল। ওই বছরের ২ মে ফল ঘোষণার দিন কাঁকুড়গাছির শীতলাতলা লেনের বাসিন্দা অভিজিৎ সরকারের দেহ উদ্ধার করা হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করে অভিজিতের পরিবার। ভাইকে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তাঁর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এর পর হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। ২০২১-এর সেপ্টেম্বরে ২০ জনের বিরুদ্ধে খুন, মারধর, হুমকি লুঠপাট সহ একাধিক ধারায় চার্জশিট দেয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এই ঘটনায় নাম জড়ায় বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালেরও। পরেশকে ডেকে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জিজ্ঞাসাবাদও করেছিল সিবিআই। কিন্তু, তাঁর নাম সিবিআই চার্জশিটে না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহত বিজেপি কর্মীর দাদা।

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সংবিধান ভুলে গিয়েছে! দিনহাটায় পৌঁছেই বিস্ফোরক সুকান্ত

    সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে অসুস্থ নিহতের মা (Post Poll Violence)

    এদিন সকাল ১১টায় শিয়ালদহ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে নিহত অভিজিতের মায়ের জবানবন্দি রেকর্ড হওয়ার কথা ছিল (Post Poll Violence)। সেই মত তাঁকে নারকেলডাঙা থানার পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁদের শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। মাধবী সরকারের সঙ্গে ছিলেন অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারও। পুলিশের গাড়ি থেকে নেমে তাঁরা যখন আদালতের ভিতরে ঢুকছিলেন, তখনই মাথা ঘুরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন মাধবী সরকার। মায়ের মাথা ঘুরে পড়ে যেতে দেখে, সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ধরে ফেলেন বিশ্বজিৎ ও আশপাশের লোকেরা। প্রথমে তাঁকে আদালত চত্বরের ভিতরেই একটি বেঞ্চে নিয়ে গিয়ে বসানো হয়। কিন্তু মাধবী দেবীর শারীরিক অসুস্থতা ক্রমেই বাড়তে থাকায় তড়িঘড়ি পুলিশকর্মীদের সাহায্য নিয়ে বিশ্বজিৎ সরকার তাঁকে সেখান থেকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যান। আপাতত সেখানেই চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই অভিজিতের পরিবারকে মামলা (Post Poll Violence) তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সাক্ষীকে হুমকি দেন দুষ্কৃতীরা। সোমবার সেই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার। তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তা দাবি করে। এরপর হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নারকেলডাঙা থানার পুলিশকে অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তা বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Kisan Samman Nidhi Yojana: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    PM Kisan Samman Nidhi Yojana: কৃষকদের জন্য সুখবর! কিষাণ যোজনার টাকা দিল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলির আগেই কৃষকদের উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) সুবিধাভোগী কৃষকদের জন্য রয়েছে সুখবর। সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারি পিএম কিষাণের টাকা সুবিধাভোগী কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হল। এর ফলে উপকৃত হবেন দেশের ১০ কোটিরও বেশি কৃষক। এদিন কর্নাটকের বেলাগাভি থেকে সরাসরি কৃষকদের কিষাণ যোজনার ১৩তম কিস্তির টাকা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিস্তিতে প্রায় ৮ কোটির বেশি কৃষকরা মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা পেলেন। প্রায় বহুদিন ধরেই দেশের কৃষকরা এর জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। আজ অবশেষে তাঁদের প্রতীক্ষার অবসান হল।

    কর্নাটকে একটি অনুষ্ঠান থেকে কিষাণ যোজনার টাকা দেওয়ার সূচনা

    আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েকটি উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের উদ্বোধনে কর্নাটক যান। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পার জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী হাই-টেক রেল স্টেশনের উদ্বোধন করেন। এর পরেই তিনি সেখান থেকেই কিষাণ সম্মান নিধির টাকা দেওয়ার সূচনা করেন। এর আগে মে ও অক্টোবর মাসে ১১ ও ১২তম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল। আর এবার ১৩ তম কিস্তির টাকা দেওয়া হল (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)।

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনায় কত টাকা পেলেন কৃষকরা?

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৪ বছর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই পিএম কিষান যোজনা সামনে এনেছিল মোদি সরকার। মূলত প্রান্তিক ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া কৃষকদের সহায়তায় এই উদ্যোগ নিয়েছিল কেন্দ্র। এই যোজনার আওতায় বাৎসরিক ভাবে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়া হয় কৃষকদের। তবে একবারে এই টাকা না দিয়ে কিস্তিতে কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে মোট ৩ বারে দেওয়া হয় ৬০০০ টাকা। ফলে এবারেও এই প্রকল্পের অধীনে থাকা উপভোক্তা কৃষকদের মাথাপিছু ২ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ বছরে ১১.৩০ কোটিরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ২৪ হাজার কোটির বেশি টাকা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

    টাকা এসেছে কিনা কীভাবে চেক করবেন?

    http://pmkisan.gov.in -এ গিয়ে কৃষকেরা টাকার পরিমাণ জানতে পারেন (PM Kisan Samman Nidhi Yojana)। যদি কোনও কৃষক মনে করেন, তিনি যোগ্য সুবিধাভোগী হওয়া সত্ত্বেও অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি, তাঁরা ১৫৫২৬১ বা ১৮০০১১৫৫২৬ হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাতে পারেন। এছাড়াও এখানে কৃষকদের সব সমস্যার সমাধান করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • SSC Scam: মাধ্যমিকের পরে বরখাস্ত করা হবে নবম-দশমের ‘অবৈধ’ শিক্ষকদের! মন্তব্য বিচারপতি বসুর

    SSC Scam: মাধ্যমিকের পরে বরখাস্ত করা হবে নবম-দশমের ‘অবৈধ’ শিক্ষকদের! মন্তব্য বিচারপতি বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ মামলায় (SSC Scam) মাধ্যমিক পরীক্ষার মাঝে বেআইনি চাকরি বাতিল নিয়ে বড় মন্তব্য বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর। এদিন তিনি বলেন, “রাজ্যজুড়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে। এখন ভুয়ো শিক্ষকদের চাকরি বাতিল হলে পুরো পরীক্ষায় তার প্রভাব পড়বে। পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই এখনই এ নিয়ে কোনও নির্দেশ দেওয়া সমস্যার। মাধ্যমিক মিটলে পরবর্তী পদক্ষেপ করবে আদালত”, মন্তব্য বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর।

    কী ঘটেছে?

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এসএসসি নিযুক্ত ৯৫২ জন নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষকের বিরুদ্ধে (SSC Scam) ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র বিকৃত করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এই মামলা প্রথমে ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চে। পরে সেই মামলাই হস্তান্তর হয়ে যায় বিচারপতি বসুর একক বেঞ্চে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলাটি চলাকালীন সিবিআই তদন্ত-সহ একাধিক নির্দেশ দিলেও অভিযুক্ত ৯৫২ জন প্রার্থীকে মামলায় যুক্ত করেননি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। পরে বিচারপতি বসুর বেঞ্চে মামলাটি উঠলে তিনি ওই ৯৫২ জনের মধ্যে ৮০৫ জনের চাকরির সুপারিশ পত্র বাতিল করে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন স্কুল সার্ভিস কমিশনকে। কিন্তু এই দু’টি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরি হারানো শিক্ষকেরা। আদালত তাঁদের বক্তব্য শোনার পর রায়দান স্থগিত রেখেছে। আজ বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে এক চাকরিপ্রার্থীর মামলার শুনানি ছিল। সেসময়েই নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিতে এমন মন্তব্য বিচারপতি বসুর।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও বিপাকে তাপস, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল ইডি

    কী বললেন বিচারপতি?

    বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু নবম-দশমের অযোগ্যদের চাকরি বরখাস্তের (SSC Scam) প্রসঙ্গ এনে জানিয়েছেন, মাধ্যমিক চলাকালীন এদের বরখাস্ত করলে পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপরই তার প্রভাব পড়তে পারে। ফলে মাধ্যমিক চলাকালীন অযোগ্যদের বরখাস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হবে না। এতে পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে। একইসঙ্গে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নবম-দশম শ্রেণিতে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়। তার মধ্যে ১০ শতাংশ বা প্রায় হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে।” ফলে বরখাস্ত হওয়া অযোগ্যের সংখ্যা ১১০০-র কাছাকাছি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে এতে স্কুলে সমস্যা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, মাধ্যমিক পরীক্ষার মুখে গ্রুপ ডি পদে ১৯১১ জনকে চাকরি থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তার জেরে অনেক স্কুলে একমাত্র গ্রুপ ডি কর্মীর চাকরি চলে যায়। সেই সব স্কুলে গ্রুপ ডি কর্মীর দায়িত্ব ভাগ করে করতে হয়েছে শিক্ষকদের। ফলে এই পরিস্থিতিতে বিচারপতির মন্তব্য যে, মাধ্যমিক পরীক্ষা মিটলেই চাকরি বরখাস্তের পরবর্তী পদক্ষেপ করবে আদালত (SSC Scam)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Delhi Liquor Scam: দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি কী? বিতর্কের মূল কারণ কী?

    Delhi Liquor Scam: দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি কী? বিতর্কের মূল কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের ১৬ নভেম্বর নতুন আবগারি নীতি আনে দিল্লি সরকার। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া আবগারি দফতরের দায়িত্বে। মদ কেনার পাশাপাশি বিক্রির পদ্ধতিতেও বেশ কিছু বদল আনা হয়। নতুন আবগারি নীতিতে সরকারি মদের দোকানগুলি বন্ধ করে বেসরকারি মদের দোকানগুলিকে মদ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়। এর পর গত ২ মে দিল্লির আবগারি নীতি সংশোধন করে নয়া নীতি মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবিত হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ৩০ জুলাই নতুন মদ নীতি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছেন, ১ অগাস্ট থেকে শুধুমাত্র সরকারি মালিকানাধীন মদের দোকান থেকেই মদ বিক্রি করা যাবে।

    কী নিয়ে বিতর্ক?

    আবগারি নয়া নীতিতে মদের হোম ডেলিভারি, ভোর তিনটে পর্যন্ত মদের দোকান খোলা রাখা, লাইসেন্সধারী মদ বিক্রেতাদের সীমাহীন ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩০ জুলাই ২০২২ সালে তা বাতিল করা হয়। আপ সরকারের দাবি ছিল এই নতুন আবগারি নীতির ফলে মদের কালোবাজারি বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বাড়বে। কিন্তু এই নীতি কার্যকর করতেই আবগারি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বেনিয়ম এমনকী আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতে থাকে।

    আরও পড়ুন: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    নতুন মদ নীতিতে অনিয়মের কারণেই দিল্লি সরকারের আবগারি বিভাগের বিরুদ্ধে তদন্ত নামে সিবিআই। ফলে নতুন আবগারি নীতি চালুর ঠিক ৮ মাস পর তা প্রত্যাহার করা হয়। বলা হয়, নতুন নীতিতে পদ্ধতিগত কিছু সমস্যা রয়েছে। এর পর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সরকার পুরনো আবগারি নীততে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিনিধি তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয়কুমার সাক্সেনা সরকারের এই নতুন নীতিতে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই সংক্রান্ত মামলারই তদন্ত করছে সিবিআই। এর পাশাপাশি তিনি দিল্লির মুখ্য সচিবকে নতুন মদ নীতির ‘অবৈধ প্রণয়ন, সংশোধনী এবং বাস্তবায়নে অফিসার এবং সরকারি কর্মচারীদের ভূমিকা’ নিয়ে বিশদ রিপোর্ট জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পর এই মামলায় তদন্তে নেমেই গতকাল গ্রেফতার করা হল আবগারি দফতরের দায়িত্বে থাকা দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে।

  • Manish Sisodia: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    Manish Sisodia: আরও অস্বস্তিতে আপ, এক বছরের মধ্যেই গ্রেফতার কেজরিওয়াল ‘ঘনিষ্ঠ’ দুই মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গ্রেফতার দিল্লির আপ মন্ত্রী (Manish Sisodia)। মাত্র ৯ মাসের ব্যবধান। এর আগে গত মে মাসে হাওয়ালার মাধ্যমে বেআইনি ভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। আর এবারে ২৬ ফেব্রুয়ারি অন্য এক তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই গ্রেফতার করল দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia)। রবিবার বেশ কয়েক ঘণ্টা টানা জেরার পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আবগারি নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি তলব করা হয়েছিল সিসোদিয়াকে। সকাল ১০টা নাগাদ সিবিআই দফতরে হাজিরও হয়ে যান দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী। শুরু হয় জেরা। শেষমেশ এদিন সন্ধের দিকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    দিল্লির মন্ত্রীর গ্রেফতারে বিপাকে আপ শিবির

    সত্যেন্দ্রর গ্রেফতারির পর এবারে দলের প্রধান কেজরিওয়ালের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সিসোদিয়ার গ্রেফতারিতে ফের ‘অস্বস্তি’তে আপ শিবির। গত বছরের ৩০ মে এক বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল ইডি। মানি লন্ডারিং কেসে দিল্লি সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তে উঠে এসেছিল যে, ২০১৫-১৬ সালে কলকাতার একটি সংস্থার সঙ্গে হাওয়ালা লেনদেনে যুক্ত ছিলেন তিনি। ৪.৮১ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছিল। মনে করা হচ্ছে যে এই টাকা সরাসরি জমি কেনার জন্য বা দিল্লি এবং তার আশেপাশে কৃষি জমি কেনার জন্য নেওয়া ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। সত্যেন্দ্র কেজরিওয়ালের খুব ‘ঘনিষ্ঠ’ নেতা বলে পরিচিত। আর সেই কারণেই কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভাতেও বড় দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু তাঁর গ্রেফতারিতে বড় ধাক্কা খেয়েছিল আম আদমি পার্টি।

    আরও পড়ুন: আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী

    এবার সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের গ্রেফতার আরও এক আপ মন্ত্রী, যিনি দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীও। মণীশ সিসোদিয়াও ঘনিষ্ঠ নেতা কেজরিওয়ালের। আবগারি নীতি মামলায় গত বছরেই সিসোদিয়ার বাড়ি-সহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছিল। এর পর তাঁর ব্যাঙ্ক লকারও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। গত অগাস্টেই সিসোদিয়া এবং আরও ১৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। এর পর একাধিকবার তাঁকে তলব করে জেরা করার পর গতকাল অবেশেষে গ্রেফতার করে সিবিআই।

  • Pakistan: এবারে ওষুধের তীব্র সংকট পাকিস্তানে, শেষের পথে জীবনদায়ী ওষুধ, বন্ধ অস্ত্রোপচার

    Pakistan: এবারে ওষুধের তীব্র সংকট পাকিস্তানে, শেষের পথে জীবনদায়ী ওষুধ, বন্ধ অস্ত্রোপচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে গোটা দেশ! এর আগেই জানা গিয়েছিল, খাবারের জন্য রাস্তায় মারামারি করছে মানুষ। গমের দাম আকাশ ছোঁয়া। এবারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাতেও পড়েছে এর প্রভাব। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান। সূত্রের খবর, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক মন্দার উত্তাপ এখন তার ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থায়’ পৌঁছেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের জন্য হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রয়োজনীয় ওষুধ বা অপরিহার্য ওষুধের উপাদান (এপিআই) আমদানি করা যাচ্ছে না। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এর ফলে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারও হচ্ছে না এবং অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) মাত্র দুই সপ্তাহের ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বাকি রয়েছে।

    চরম সংকটে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান

    চরম দুরাবস্থা পড়শি দেশ পাকিস্তানে। কোষাগারে বিদেশী মুদ্রার ভাণ্ডারে টান। চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশটি। এর মাঝেই পর্যাপ্ত ওষুধের অভাবে ভেঙে পড়েছে পাকিস্তানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। নেই জীবনদায়ী ওষুধ। বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার তলানিতে এসে ঠেকেছে, আমদানি করা যাচ্ছে না গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। যার ফলে দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারকদের উপর জোর দিচ্ছে সরকার। এমনকি অলিখিত ভাবে চিকিৎসকদের উপর ফতোয়া জারি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বলা হচ্ছে বেশি অপারেশন না করতে। রোগী কম দেখতে।

    মাত্র দুই সপ্তাহের ওষুধ মজুত রয়েছে

    পাক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে অপারেশন থিয়েটারে মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের জন্য চেতনানাশক ওষুধ অ্যানেসথেসিয়া মজুত রয়েছে। হার্ট, ক্যানসার এবং কিডনির মত রোগের অস্ত্রোপচারের জন্য যা অত্যাবশ্যকীয় একটি ওষুধ। ওষুধের ঘাটতি এবং সেগুলো তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদানের কারণে ওষুধ কোম্পানিগুলো ওষুধের পণ্য কমিয়ে দিয়েছে। এ কারণে হাসপাতালের রোগীরা বিপাকে পড়েছেন।

    ছাঁটাই শুরু চিকিৎসাক্ষেত্রে

    মনে করা হচ্ছে, ওষুধের ঘাটতি শুধু রোগীদের নয়, বহু মানুষের কর্মসংস্থানকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। চিকিৎসাক্ষেত্রে শুরু হয়েছে ছাঁটাই। কর্মহীন হচ্ছে বহু মানুষ। ফলে এটি মানুষের দুর্দশা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

    ঋণ দিচ্ছে না ব্যাঙ্কগুলো

    ওষুধ উৎপাদনকারীরা এ সংকটের জন্য বর্তমান আর্থিক ব্যবস্থাকে দায়ী করছেন। তারা বলেছেন, কাঁচামাল আমদানি করার জন্য লেটার অব ক্রেডিটের (এলসি) ছাড়পত্র দিচ্ছে না বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলো। পাকিস্তানের ওষুধ শিল্প প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর। মোট ওষুধের ৯৫ ভাগ কাঁচামালই ভারত, চিনসহ অন্যান্য দেশগুলো থেকে আসে। কিন্তু ডলার সঙ্কটের কারণে কাঁচামাল করাচি বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে।

    পাকিস্তানের ওষুধ উৎপাদনকারীরা বলছেন, দেশের মুদ্রার মান কমে যাওয়া, তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহণ খরচ বাড়ায় ওষুধের দাম বেড়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি যাতে বিপর্যয়ের দিকে না যায় সেজন্য সরকারের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (পিএমএ)। তবে, কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ না নিয়ে এখনও ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণের চেষ্টা করছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওষুধের সংকট নিয়ে একটি সার্ভে চালিয়েছে সরকার। তারা জানিয়েছেন, বাজারে এখন খুব সাধারণ কিন্তু অতি জরুরি প্যানাডোল, ইনসুলিন, ব্রুফেন, ডিসপ্রিন, ক্যালপল, তাগরাল, নিমেসুলেদে, হেপামারজ, বুসকোপান এবং রিভোট্রিলের মত ওষুধগুলো পাওয়া যাচ্ছে না।

    গত মাসেই (জানুয়ারি) পাকিস্তান ফার্মাসিউটিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার অ্যাসোসিয়েশনের (পিপিএমএ) কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাঈদ ফারুক বুখারি জানিয়েছিলেন, ওষুধ উৎপাদন প্রায় ২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেছিলেন, যদি আগামী ৪-৫ সপ্তাহ কাঁচামাল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকে তাহলে ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেবে।

  • Uttar Pradesh: মর্মান্তিক! ৬ বছরের নাতিকে ২ কিমি টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গেল ট্রাক, দুর্ঘটনায় মৃত্যু দাদুরও

    Uttar Pradesh: মর্মান্তিক! ৬ বছরের নাতিকে ২ কিমি টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গেল ট্রাক, দুর্ঘটনায় মৃত্যু দাদুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক ভয়াবহ ঘটনা! দিল্লি নয়ডার পর এবার উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)। রবিবার উত্তরপ্রদেশের মোহোবায় একটি ডাম্পার ট্রাকের সঙ্গে স্কুটির ধাক্কায় মৃত্যু হয় দাদু ও নাতির। পুলিশ সূত্রে খবর, ৬ বছরের ওই শিশুটিকে দু’কিলোমিটারেরও বেশি পথ টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় ট্রাকটি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোহোবায় কানপুর-সাগর জাতীয় সড়কে ঘটে দুর্ঘটনাটি। যাতে মৃত্যু হয়েছে ৬৭ বছরের উদিত নারায়ণ চানসোরিয়া এবং তাঁর নাতি ৬ বছরের সাত্ত্বিকের। দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কী ঘটেছে?

    পুলিশ সূত্রে খবর, স্কুটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন ৬৭ বছর বয়সী উদিত নারায়ণ চানসোরিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিল ৬ বছরের এক শিশু সাত্ত্বিক। তাঁরা স্কুটি করে বাজারে যাওয়ার পথে একটি দ্রুতগামী ট্রাক ধাক্কা মারে তাঁদের। উদিত ঘটনাস্থলেই মারা যান। কিন্তু সেই ছোট্ট শিশু সাত্ত্বিকের দেহ ট্রাকের চাকার নিচেই আটকে যায়। সেই সঙ্গে আটকে যায়  দুই চাকার গাড়িও। এই পরিস্থিতিতেই ট্রাকের চালক দুই কিলোমিটারের বেশি পথ নৃশংসভাবে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় খুদেটিকে। ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা দেখে শিউরে উঠছেন নেটিজেনরা।

    আরও পড়ুন: প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক, বন্ধুর মুণ্ডচ্ছেদ করে গোপন অঙ্গ কেটে ফেলল প্রেমিক

    স্থানীয় সূ্ত্রে খবর, সেখানকার আশেপাশের লোকজন তাকে সতর্ক করলেও সে থেমে যায়নি। সেই ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ট্রাকের কাছে বেশ কয়েকটি বাইক চালককে তাকে সতর্ক করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। কিন্তু তাতেও থামেনি সেই ট্রাক চালক। বরং সে ওই অবস্থায় পালানোর চেষ্টা করে। এক সময় পাথর ছুঁড়তে শুরু করেন তাঁরা। এরপর বাধ্য হয়ে ট্রাক থামায় চালক।  এর পর স্থানীয়রা ট্রাক চালককে হাতে পেতেই তাকে মারধর করে। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ ও ট্রাকটি আটক করে চালককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ইতিমধ্যেই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে ও মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে (Uttar Pradesh)।

    এর আগেও এমনই এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে রাজধানী দিল্লিতেও। দিল্লির সুলতানপুরীতে অঞ্জলি সিংকে বর্ষবরণের রাতে যেভাবে গাড়ির তলায় ছেঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তা দেখে শিউরে উঠেছিল দেশবাসী। প্রথমে অঞ্জলির স্কুটারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। অঞ্জলি পড়ে গিয়ে গাড়ির তলায় আটকে যান। অভিযোগ, ওই অবস্থাতেই তাঁকে ছেঁচড়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা এগিয়ে যায় ঘাতক গাড়িটি। কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশেও (Uttar Pradesh) এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল। সূত্রের খবর, স্কুটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন এক মহিলা। তাঁকে ধাক্কা মারে ট্রাক। মহিলার শরীর আটকে যায় ট্রাকের নিচে। ওই অবস্থায় প্রায় ৩ কিলোমিটার এগিয়ে যায় ট্রাকটি। শেষে ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মহিলার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চেয়েছেন পবন খেরা! ট্যুইট করে জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    Himanta Biswa Sarma: ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চেয়েছেন পবন খেরা! ট্যুইট করে জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চেয়েছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলে দাবি করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আজ, শুক্রবার এই দাবি করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল কংগ্রেস নেতা পবন খেরার বিরুদ্ধে। ফলে এই নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় অসমের হাফলং থানায়। বৃহস্পতিবার অসম পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল তাঁকে। তবে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন পবন খেরা। আর এর পরেই পবন খেরাকে নিয়ে বলতে দেখা গেল হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে। এদিন তিনি ট্যুইট করে এও জানান যে, অসমের পুলিশ এই মামলায় ‘যৌক্তিক পরিণতি’ নিয়ে আসবে।

    কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে আদানিকাণ্ডে মোদিকে কটাক্ষ করেন পবন। প্রধানমন্ত্রীকে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির বদলে ‘নরেন্দ্র গৌতমদাস মোদি’ বলে কটাক্ষ করেন। এর পরেই পবনের গ্রেফতারির দাবি জানায় গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। সব মিলিয়ে অসমের ১৫টি জেলায় পবনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে ছত্তিশগড়ের রায়পুর যাওয়ার পথে বিমান থেকে নামিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরই গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন পবন ও বৃহস্পতিবারই জামিন পান এই কংগ্রেস নেতা। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় পবন খেরাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ ফেব্রুয়ারি।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?

    এদিন অসমের মুখ্যমন্ত্রী রিট পিটিশনের একটি কপি শেয়ার করে ট্যুইট করে লিখেছেন, “অভিযুক্ত নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। আমরা আশা করি , ‘পাবলিক স্পেসের’ পবিত্রতা বজায় রেখে পরবর্তীকালে কেউ রাজনৈতিক আলোচনায় অসভ্য ভাষা ব্যবহার করবেন না। অসম পুলিশ যুক্তিপূর্ণভাবে এই এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।”

    ক্ষমা চেয়েছেন পবন খেরা!

    গতকাল আবার সুপ্রিম কোর্টে পবন খেরার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, ওই মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন পবন খেরা। পবন খেরা জানিয়েছেন, এটা ভুল এবং ‘স্লিপ অফ টাং’। পবন খেরা আরও জানিয়েছেন এই জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। আগামী দিনে এই রকম মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন তিনি।

LinkedIn
Share