Author: নিমাই দে

  • WhatsApp New Feature: মেসেজ ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ানে’ নতুন বদল আনতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ

    WhatsApp New Feature: মেসেজ ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ানে’ নতুন বদল আনতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবথেকে বেশি ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)। নিয়মিতভাবে কয়েক কোটি মানুষ এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে চলেছে। ফলে ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য একাধিক নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করে মেটা (Meta) মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ সংস্থা। WABetaInfo-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এবারে মেসেজ ডিলিট ফর এভরিওয়ান (Message Delete For Everyone) ফিচারে নতুন আপডেট আনতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এর আগেও অনেক নতুন ফিচার অন্তর্ভুক্ত করেছিল এই প্ল্যাটফর্মটি। এক সপ্তাহের মধ্যেই আবারও একটি নতুন ফিচার নিয়ে চলে এসেছে হোয়াটসঅ্যাপ।

    আরও পড়ুন:কী করে লুকোবেন হোয়াটসঅ্যাপের অনলাইন স্টেটাস? জেনে নিন

    হোয়াটসঅ্যাপের একটি সুবিধা ছিল যে এতে ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ এই ফিচারটি রয়েছে। অর্থাৎ হোয়াটসঅ্যাপে কোনও মেসেজ ভুল করে পাঠালে তা ডিলিট করা সম্ভব হত, তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এর জন্য বর্তমানে সময় রয়েছে এক ঘণ্টা, আট মিনিট, ষোলো সেকেন্ড। অর্থাৎ ওই সময়ের মধ্যে যাকে মেসেজ করা হয়েছে তার কাছ থেকে টেক্সট, ইমেজ বা ভিডিয়ো ডিলিট করা সম্ভব। সেই সময় শেষ হয়ে গেলে তারপর আর ডিলিট করা সম্ভব নয়।

    কিন্তু নতুন আপডেট অনুযায়ী, এবার থেকে দুদিনেরও বেশি সময়ের মধ্যে ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ (Delete For Everyone) ফিচারটি ব্যবহার করা সম্ভব। নতুন আপডেটে এর সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে। WABetaInfo-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, এর সময়সীমা বাড়িয়ে ২ দিন ১২ ঘন্টা করা হবে। এই ফিচারটি গ্রুপ মেসেজ করার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। অনেকের জন্যই এই ফিচারটি অনেক সুবিধাজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: এক মাসে ১৯ লক্ষের বেশি হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যান ভারতে ! কারণ জানলে অবাক হবেন

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গেছে, ইতিমধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটির জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের এই ফিচারটি বর্তমানে কিছু বিটা টেস্টারদের জন্য উপলব্ধ করা হয়েছে। তবে ঠিক কবে থেকে সমস্ত ব্যবহারকারীরা এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারবে সেবিষয়ে কোনও তথ্য জানানো হয়নি সংস্থার তরফ থেকে। তবে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এই নতুন বৈশিষ্ট্যটি আসতে পারে এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

     

  • Cristiano Ronaldo: ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়তে চান ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো! কারণ কী?

    Cristiano Ronaldo: ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়তে চান ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো! কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড (Manchester United) ছাড়তে চাইছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (Cristiano Ronaldo)। ক্লাবকে তিনি এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে উপযুক্ত প্রস্তাব পেলে ক্লাব ছেড়ে যেতে পারেন তিনি। আগামী মরসুমে চ্যাম্পিয়ন লিগে খেলতে চান তিনি। তাই  পোর্তুগিজ মহাতারকা ক্লাবের কাছে এই আবেদন করেছেন যে তাঁকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো মনে করেছেন তাঁর এখন দল ছেড়ে দেওয়ার সময় এসে গেছে। তবে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। গত শনিবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের থেকে এই খবরই উঠে এসেছে। 

    আরও পড়ুন: চিনে নিন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী খেলোয়াড়দের

    রোনাল্ডো জুভেন্টাসের হয়ে ইতালিতে তিন বছর কাটিয়ে আসেন ইংল্যান্ডের এই ক্লাবে। তিনি সমস্ত প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মোট ২৪টি গোল করেছেন। এছাড়া ইউনাইটেডের কাছে গোটা মরশুমই ছিল হতাশার। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভাল খেললেও দলের পুরো পারফরম্যান্স ভাল ছিল না। যার জন্যে চ্যাম্পিয়ন লিগে খেলার সুযোগ পায়নি ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। গত বছরের ইউনাইটেডের টপ স্কোরার ও প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় স্থানে থাকলেও ইউনাইটেড ম্যাঞ্চেস্টার ক্লাব রোনাল্ডোকে নিয়ে হতাশ। আর এই নিয়েই বেশকিছুদিন ধরেই শোরগোল চলছে বিশ্ব ফুটবল দুনিয়ায়। 

    রোনাল্ডো ২০০৯ ও ২০১৮ সালে জুভেন্টাসের ও ইউনাইটেডের হয়ে চ্যাম্পিয়ন লিগে জয়লাভ করেছিলেন ও তিনবার প্রিমিয়ার লিগে জয়ী হয়েছিলেন। যদিও খবরসূত্রে জানা যায়, আগামী বছর পর্যন্ত রোনাল্ডোর এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। কিন্তু তার আগেই তাঁর ক্লাব ছাড়া নিয়ে বেশ জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে খেলার জগতে। তবে এরপর ক্লাব ছাড়লে কোন কোন ক্লাব থেকে তাঁর প্রস্তাব আসবে ও তিনি কোন ক্লাবে শেষপর্যন্ত যোগদান করবেন সেটিই এখন দেখার। সম্প্রতি ইউরোপা লিগে (Europa League) খেলবে ম্যান ইউ। সেই লিগে কোনও দিন খেলেননি রোনাল্ডো। বর্তমানে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ও রোনাল্ডোর সম্পর্ক কোন পথে এগোয় সেটি দেখতেই অপেক্ষায় বসে রয়েছে ফুটবলপ্রেমীরা। 

    আরও পড়ুন: সুনীলদের কোচ কী থাকবেন স্টিমাচ? দিলেন শর্ত

     

  • Floating Drones:  এবারে নদী থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করা হবে সহজ! তৈরী করা হল ভাসমান ড্রোন

    Floating Drones: এবারে নদী থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করা হবে সহজ! তৈরী করা হল ভাসমান ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্লাস্টিকের ব্যবহারের (Plastic Use) ফলে দূষণ বেড়েই চলেছে। কারণ প্লাস্টিক প্রাকৃতিক উপায়ে মাটিতে মেশে না (Bio-nondegradable)। ফলে বাড়তে থাকে পরিবেশ দূষণের (Environmental Pollution) হার। ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে, তাই এই পরিস্থিতিতে  কিছু আবিষ্কারক এমন যন্ত্র তৈরী করেছে যা নদী, পুকুর, হ্রদের জলে ভেসে থাকা প্লাস্টিক যাতে সমুদ্রে না যেতে পারে তার জন্য ভাসমান ড্রোন তৈরি করা করেছে। প্লাস্টিক দূষণ রোধ করার জন্যই এই ড্রোনগুলো তৈরী করা হয়েছে। এগুলোর আকার, গঠন বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ জুলাই থেকে দেশে নিষিদ্ধ ‘সিঙ্গল ইউজ’ প্লাস্টিক! নতুন নিয়ম জানেন তো?

    ওয়েস্টসার্ক (WasteShark) নামক এক ড্রোন তৈরী করা হয়েছে যা প্রায় ৪ ফিট দীর্ঘ ও এটি প্রায় ১৬০ লিটার আবর্জনা সংগ্রহ করতে পারবে। এটি একটি ডাচ কোম্পানী তৈরী করেছে। হোয়েল  তিমি হাঙরের অনুকরণে এই ড্রোনটি তৈরী করা হয়েছে। এই ড্রোনটি নদী বা কোনো জলাশয়ের নোংরা আবর্জনা খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারে। একবার এই ড্রোনটি ভরে গেলে তারপর এটি অটোমেটিক্যাালি জলাশয়ের ধারে আসায় তারপর এটি থেকে খুব সহজেই আবর্জনা বের করে নেওয়া হয়। জলাশয়ের প্লাস্টিকগুলো সমুদ্রে পৌঁছনোর আগেই আবর্জনা গুলো পরিস্কার করে নেওয়া যায়। ওয়েস্টসার্ক কোনো হ্রদ বা জলাশয়ের জন্য উপযুক্ত।

    আরও পড়ুন: ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জেনে নিন এই দিনের তাৎপর্য

    এই ওয়েস্টসার্ক ছাড়াও ‘ফ্লোটিং ট্র্যাস ব্যারিয়ার’ (Floating Trash Barrier) নামক ড্রোনটি ২২০০ টন প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে পারে। এটিকে পরে আরও উন্নত করা হয় যাতে এই ড্রোনটি জলাশয় থেকে ক্ষতিকারক তেলও সংগ্রহ করে জলকে পরিশ্রুত করে তুলতে পারে। ‘মিস্টার ট্র্যাস হুইল’ (Mr Trash Wheel) নামেও একটি ভাসমান ড্রোন তৈরী করা হয়, যেটি নদী থেকে প্লাস্টিক, বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করতে পারে। জল থেকে বর্জ্য পদার্থ বা প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে এইসব নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • Diabetes & Jackfruit:  ডায়াবেটিস রোগীদের কি কাঁঠাল খাওয়া উচিত? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা..

    Diabetes & Jackfruit: ডায়াবেটিস রোগীদের কি কাঁঠাল খাওয়া উচিত? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা..

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে মানুষের জীবনযাত্রা পুরোপুরি বদলে গেছে। তাদের জীবনধারা ও খাদ্যাভাস সমস্ত কিছুতে পরিবর্তন আসায় মানুষের দেহে বিভিন্ন রকমের রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। আলস্যতাও বেড়েছে ফলে তা স্বাস্থ্যের উপরেও প্রভাব ফেলে এবং বিভিন্ন রোগের জন্ম হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (Worls Health Organisation) অনুসারে, বর্তমানে ডায়াবেটিস (Diabetes) রোগীদের সংখ্যা বেড়েছে। ২০ বয়স থেকে ৭০ বয়সের মানুষের প্রায় ৮.৭ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। রক্তে যখন শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখনই মধুমেহ বা ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। এই অসুখ একবার শরীরে বাসা বাঁধলে তা চিরস্থায়ী হয়ে যায়। যদিও চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চললে এবং খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইলে নিয়ন্ত্রণ আনলে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

    আরও পড়ুন:করোনা থেকে সেরে উঠেছেন? ভালো থাকতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই খাবারগুলো

    ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যতালিকায় বিশেষ নজর রাখা উচিত। কোনো মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত। কিন্তু আপনারা অনেকেই জানেন না, একটি ফল খাদ্যতালিকায় রাখলে মধুমেহকে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়, আর সেটি হল কাঁঠাল (Jackfruit)। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি যদি ডায়াবেটিক রোগী হন এবং রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান তবে আপনার ডায়েটে কাঁঠাল অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। কাঁঠাল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, সি, রাইবোফ্লাভিন, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ একটি ফল। কাঁঠালে শর্করার পরিমাণ কম থাকায় এটি ডায়াবেটিক রোগীর জন্য উপকারী। এমনকি রান্না করা কাঁঠালের চেয়ে পাকা কাঁঠাল বেশী উপকারী।

    কিন্তু কাদের কাঁঠাল খাওয়া উচিত নয় জানেন কি?

    যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাদের এই ফল এড়িয়ে চলাই ভালো। এর পাশাপাশি অনেক সময় কাঁঠালের ফলে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কিডনির সমস্যা থাকলেও কাঁঠাল খাওয়া একেবারেই চলবে না। কারণ, কাঁঠাল রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা হাইপারক্যালেমিয়া (hyperkalemia) রোগের সৃষ্টি করে।

    আরও পড়ুন: এই ৫ ভারতীয় সুপারফুড, যা আপনাকে করতে পারে রোগমুক্ত

    সব মিলিয়ে ডায়াবেটিস রোগীরা কাঁঠাল খেতে পারেন। তবে তা পরিমাণে হতে হবে অল্প। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে কীরূপ প্রতিক্রিয়া করতে পারে তা জানা সম্ভব নয়। তাই কাঁঠাল খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

  • Pilot Monica Khanna: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    Pilot Monica Khanna: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতাধিক যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে বাস্তবের ‘হিরো’ হয়ে উঠলেন স্পাইসজেটের (SpiceJet) মহিলা ক্যাপ্টেন মণিকা খান্না (Monica Khanna)। রবিবার স্পাইসজেটের একটি বিমানে আচমকাই আগুন লেগে যায়। এই বিমানে ১৮৫ জন যাত্রী ছিলেন। সেইসময় মণিকা মাথা ঠান্ডা রেখে তৎক্ষণাৎ বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণ করান। এই পরিস্থিতিতেও অসীম ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দেন তিনি। অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখান তিনি।

    আরও পড়ুন: অনন্য নজির! ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর অভিলাশা বারাক

    রবিবার স্পাইসজেটের বিমানটি পাটনা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। টেক-অফের পরেই বিমানের বাঁদিকের ইঞ্জিনে আগুন লেগে যায়। খবরসূত্রে জানা যায়, একটি পাখি সরাসরি বিমানের ইঞ্জিনে ধাক্কা মারার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাখার তিনটি ব্লেড। সেখান থেকেই বেরতে থাকে ধোঁয়া ও আগুন।

    বিষয়টি দেখতে পেয়েই কেবিন ক্রুর-র এক সদস্য পাইলট (Pilot) মণিকা খান্নাকে জানান। তখন তিনি যাত্রীদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। এর পাশাপাশি প্রথম অফিসার বলপ্রীত সিং ভাটিয়ার (Balpreet Singh Bhatia) সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি বন্ধ করে তৎক্ষণাৎ বিমান নীচে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন। 

    এখানেই বিষয়টি শেষ হয়নি। বুদ্ধি প্রয়োগ করে পাটনা অসামরিক বিমানবন্দরে না ফিরে বিমানটিকে নিকটবর্তী পাটনার বিহতা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে (Bihta Airforce Station) অবতরণ করান মণিকা। তুলনামূলক ছোট রানওয়ে ও গাছ এড়িয়ে অত্যন্ত সন্তর্পণে অবতরণ করাতে হয় বিমানটিকে। অত্যন্ত সাহসিকতা ও ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ নিশ্চিত করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ফের বিপত্তি স্পাইসজেটের বিমানে, যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে চেন্নাই-অন্ডাল উড়ান

    এই অসাধ্য সাধন করে কুর্নিশ আদায় করে নিয়েছেন স্পাইসজেট বিমানের ক্যাপ্টেন মনিকা। এই কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁর তৎপরতা দেখে প্রশংসা করেছেন পুরো নেটদুনিয়া। স্পাইসজেট সংস্থার চিফ অব ফ্লাইট অপারেশন গুরুচরণ অরোরা জানান, দু’জনেই এই পরিস্থিতিতে  শান্ত থেকে খুব ভালোভাবে বিমানটিকে নিরাপদে নামিয়ে এনেছেন। এর জন্য তাঁরা খুব গর্বিত। ইতিমধ্যেই আগুন লাগার ভিডিও নেটমাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

  • GST: শীঘ্রই ২৮% জিএসটি ধার্য হবে অনলাইন গেমেও? ভাবনা কেন্দ্রের

    GST: শীঘ্রই ২৮% জিএসটি ধার্য হবে অনলাইন গেমেও? ভাবনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে অনলাইন গেমের(Online Game)  ওপরে জিএসটি (GST) আরও বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র। অনলাইন গেমের পাশাপাশি ক্যাসিনো (Casin), ঘোড়দৌড়ের (Horse Race) মত জুয়া খেলাতেও জিএসটি বাড়তে চলেছে। এই অনলাইন গেমস, ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। এই কারণে অনলাইন গেমের ওপরে জিএসটি (GST) আরও বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ও অনলাইন গেমিং, ক্যাসিনোর ওপর গুডস ও সার্ভিস ট্যাক্স(Goods and Services Tax) প্রায় ২৮ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    মেঘালয়ের (Meghalaya) মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার (Conrad Sangma) নেতৃত্বে মন্ত্রীদের সঙ্গে একটি বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানেই বিভিন্ন রাজ্যের মন্ত্রীরা একমত হন যে অনলাইন গেমের ওপরে ২৮ শতাংশ কর ধার্য করা উচিত। এর সঙ্গে খেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রবেশমূল্যও ধার্যের বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলির প্রাপ্য মেটাল কেন্দ্র, বাংলা কত পেল জানেন?

    বর্তমানে ক্যাসিনো, হর্স রেসিং (ঘোড়দৌড়), কিংবা অনলাইন গেমিংয়ের ওপর ১৮% জিএসটি ধার্য করা হয়েছে। তবে খুব শীঘ্রই এই জিএসটির পরিমাণ ১৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৮ শতাংশে বাড়নোর করতে সম্মতি দিয়েছে দেশের মন্ত্রীদের প্যানেল। এই প্যানেলে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার (Ajit Pawar), গুজরাটের অর্থমন্ত্রী কানুভাই প্যাটেল (Kanubhai Patel), গোয়ার পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রী মৌভিন গোডিনহো (Mauvin Godinho), তামিলনাড়ুর অর্থমন্ত্রী পি ত্যাগা রাজন (P Thiaga Rajan), উত্তরপ্রদেশের অর্থমন্ত্রী সুরেশ খান্না (Suresh Khanna), এবং তেলেঙ্গানার অর্থমন্ত্রী টি হরিশ রাও (T Harish Rao)।  

    মন্ত্রীগোষ্ঠীর(GOM) সদস্যরা মতামত দিয়েছেন যে, হর্স রেসের ক্ষেত্রে বেটিং-এর জন্য মোট যত টাকা দেওয়া হবে তার উপরেও জিএসটি ধার্য করা  হবে। ক্যাসিনো গেমাররা যে কয়েন ও চিপস কিনবেন সেই মূল্যের উপরে কর ধার্য করা হবে। তবে প্রতিটি রাউন্ডে রাখা বাজির মূল্যের উপরে কোনও জিএসটি ধার্য হবে না। এছাড়াও ক্যাসিনোতে প্রবেশ করার জন্যও জিএসটি ধার্য করার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। যদিও এই বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে খুব শীঘ্রই অনলাইন গেম, ক্যাসিনো, ঘোড়দৌড়ের মত খেলায় শেষ পর্যন্ত কত শতাংশ জিএসটি ধার্য করা হবে, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • Air India: বাড়বে পরিষেবা! এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য ৩০০ টি বিমান কেনার পরিকল্পনা টাটার

    Air India: বাড়বে পরিষেবা! এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য ৩০০ টি বিমান কেনার পরিকল্পনা টাটার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা (Tata) গোষ্ঠী মালিকাধীন এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) নতুন করে ৩০০টি ‘ন্যারো বডি এয়ারক্র্যাফট’ (narrowbody jets) বা ছোট, মাঝারি মাপের বিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে। ২০০৬ সালের পর থেকে এয়ার ইন্ডিয়া নতুন করে কোনও বিমান কেনেনি। ফলে এই বিমান কেনার চুক্তি সফল হলে দেশের বাণিজ্যিক বিমান পরিষেবায় এয়ার ইন্ডিয়া এক নতুন ইতিহাস তৈরি করবে।

    আরও পড়ুন: ঘটনার সময় বিমান ছিল অটোপাইলট মোডে! ‘বসিয়ে দেওয়া’ হল পাইলট, ইঞ্জিনিয়ারদের

    খবর সূত্রে জানা যায়, এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারবাস এসই-র এ৩২০নিও ফ্যামিলি জেট (Airbus SE’s A320neo family jets) অথবা বোয়িং কো’র ৭৩৭ ম্যাক্স (Boeing Co.’s 737 Max) মডেলের বিমান অথবা দুটোরই অর্ডার দিতে পারে। জানা যায়, ৩০০টি ৭৩৭ ম্যাক্স-১০ জেট (737 Max-10 jets) কিনতে খরচ হতে পারে প্রায় ৪০.৫ বিলিয়ন ডলার($40.5 billion )। তবে এই বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে মোদি সরকারের কাছ থেকে লোকসানে থাকা এয়ার ইন্ডিয়া কিনে নেয় টাটা গোষ্ঠী (Tata Group)।

    বোয়িং (Boeing )কোম্পানির সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার ৩০০ টি বিমান কেনার চুক্তিটি সফল হলে বোয়িং কোম্পানির জন্যই ভালো হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ করোনার আগে পর্যন্ত এয়ারবাস (Airbus) কোম্পানিই বিমান পরিষেবার বাজারে বিশ্বে প্রথম স্থানে ছিল। এছাড়া ইন্ডিগো (IndiGo),  ভিস্তারা(Vistara), গো এয়ারলাইন্স (Go Airlines)-এর বিমালগুলো  ইন্টারগ্লোব অ্যাভিয়েশন (InterGlobe Aviation Ltd) কোম্পানির থেকেই অর্ডার করা হয়। এয়ারবাস একমাসেই ৫০ টি ‘ন্যারো বডি এয়ারক্র্যাফট’ তৈরি করে। এয়ার ইন্ডিয়া পরিকল্পনা করেছে ২০২৩ সালের মধ্যে ৬৫ টি এবং ২০২৫-এর মধ্যে ৭৫ টি ন্যারো বডি বা ছোট, মাঝারি মাপের বিমানের অর্ডার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    এয়ার ইন্ডিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রন টাটা গ্রুপকে দেওয়ার পর থেকেই  টাটা গ্রুপ এটিকে পুনর্গঠিত করার চেষ্টা করছে। এয়ার ইন্ডিয়া নতুন বিমান দিয়ে তার পরিষেবা বাড়ানোর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। এছাড়াও এয়ার ইন্ডিয়াকে পুনর্গঠিত করার জন্য ইতিমধ্যেই অনেক পরিকল্পনাও নিয়েছে টাটা গ্রুপ।

  • Monkeypox: নতুন বিপদ! ‘মাঙ্কিপক্স’কে অতিমারি ঘোষণা ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্কের

    Monkeypox: নতুন বিপদ! ‘মাঙ্কিপক্স’কে অতিমারি ঘোষণা ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona) না যেতেই আবার বিশ্বজুড়ে আরেক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ২৩ জুন ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক (World Health Network) তরফে ‘মাঙ্কিপক্স’ (Monkey Pox) কে অতিমারি(Pandemic) বলে ঘোষণা করা হয়েছে। করোনার পরও রেহাই নেই বিশ্বে। নতুন করে আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে এই মাঙ্কি পক্স।

    আরও পড়ুন: করোনার মতোই কি ছোঁয়াচে মাঙ্কিপক্স? বিশেষজ্ঞরা বললেন…

    ইতিমধ্যেই ৫৮টি দেশে ৩৪১৭ টি মাঙ্কিপক্সের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে। মাঙ্কিপক্সের প্রভাব ক্রমশ একাধিক দেশে বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বজুড়ে কোনো পদক্ষেপ তৎক্ষণাৎ না নিলে মাঙ্কিপক্সের প্রভাব কমানো সম্ভব নয়। যদিও এই মুহূর্তে স্মল পক্সের তুলনায় মাঙ্কিপক্সের মৃত্যুর হার কম। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিশ্বজুড়ে অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। এই মুহূর্তে এই রোগের মোকাবিলার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। এরই মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। ফলে এই মুহূর্তে মাঙ্কিপক্স অতিমারি ছাড়া আর কিছু নয় জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক।

    মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগেই  এক বৈঠকে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সতর্ক বার্তা জারি করেছিল। ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্কের সহকারি প্রতিষ্ঠাতা (Co-founder) তথা নিউ ইংল্যান্ড কমপ্লেক্স সিস্টেম ইনস্টিটিউটের (New England Complex System Institute) প্রেসিডেন্ট (President) ইয়ানির বার ইয়াম (Yaneer Bar-Yam) জানান,  আর অপেক্ষা করা উচিত নয়। এটিই সঠিক সময় পদক্ষেপ নেওয়ার। এই ভাইরাস আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার আগেই সতর্ক হওয়া উচিত। এখন পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পরবর্তীতে আরও ক্ষতি হলে সেটি সামনালো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঙ্কিপক্সকে অতিমারি ঘোষণা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল যাতে অধিকাংশ দেশগুলি এই ভাইরাসের প্রতি বিশেষ নজর রাখে ও এখন থেকেই পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। উপযুক্ত পদক্ষেপ নিলেই এই ভাইরাসের ক্ষতির হাত থেকে রেহাই পাবে গোটা বিশ্ব। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গগুলি নিয়েও জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতার প্রচার করার কথাও বলেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ নেটওয়ার্ক।

  • PSLV-C53: সফলভাবে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করল পিএসএলভি-সি৫৩

    PSLV-C53: সফলভাবে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করল পিএসএলভি-সি৫৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল ইসরো ( ISRO) সিঙ্গাপুরের তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাতে সফল হয়। এদিন ইসরো-র অত্যাধুনিক শক্তিশালী পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি (PSLV) রকেটে চাপিয়েই সিঙ্গাপুরের তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানো হয় মহাকাশে। এক সপ্তাহের মধ্যে এটি ইসরোর দ্বিতীয় সফল মিশন। পিএসএলভি-সি৫৩ (PSLV-C53) নিউজ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটিডের (NewSpace India Limited)  দ্বিতীয় বাণিজ্যিক মিশন।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মহাকাশে সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়েছিল দেশীয় জিস্যাট-২৪ (GSAT-24) কৃত্রিম উপগ্রহকে। ২৩ জুন দক্ষিণ আমেরিকার ফ্রেঞ্চ গায়ানায় (French Guyana) অবস্থিত কুরু (Kourou) উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ফরাসি সংস্থা আরিয়ানস্পেসের (Arianespace) আরিয়ান-৫ (Ariane-5) রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় জিস্যাট-২৪। ডিটিএইচ চ্যানেলগুলি সরবরাহ করার জন্যে এই কৃত্রিম উপগ্রহটি পাঠানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ফরাসি রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি ভারতীয় GSAT-24 উপগ্রহের

    ৩০ জুন শ্রীহরিকোটার (Sriharikota) সতীশ ধবন স্পেস সেন্টারের থেকে মোট তিনটি উপগ্রহ (Satellite) উৎক্ষেপণ করেছে ইসরো। পিএসএলভি-সি৫৩ রকেটের সাহায্যেই এই তিনটি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ের অভিযান সফল হয়েছে। তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহকেই নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দিতে সফল হয়েছে ইসরোর রকেটটি। সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ— DS-EO, NeuSAR, Scoob-1 পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো সফল হয়েছে।

    ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ (S Somnath) জানান, ৫৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় কক্ষপথে এই তিন উপগ্রহকে স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে ইসরোর রকেটটি। এবং নিউজ স্পেস ইন্ডিয়া লিমিটিডকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, তাদের আরেকটি মিশন সফল হওয়ার জন্যে। ইসরো থেকে জানানো হয় যে মিশনটি সফল হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: সিঙ্গাপুরের ৩টি উপগ্রহ নিয়ে আজ মহাকাশে পাড়ি ইসরোর পিএসএলভি-সি৫৩-র

    জানা যায়, DS-EO একটি ৩৬৫ কেজির, NeuSAR  একটি ১৫৫ কেজি ওজনের কৃত্রিম উপগ্রহ এবং তিন নম্বর স্যাটেলাইটটি  সিঙ্গাপুরের ন্যানয়াং টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের(Nanyang Technological University (NTU) পড়ুয়াদের দ্বারা তৈরি। এটি ২.৮ কেজির Scoob-1 স্যাটেলাইট।

    আরও জানা গিয়েছে, DS-EO কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীর  বিভিন্ন জায়গার রঙিন ছবি শেয়ার করবে। NeuSAR- কৃত্রিম উপগ্রহ  আবার দিনে, রাতে এবং সমস্ত ধরনের আবহাওয়ায় ভাল মানের ছবি শেয়ার করতে পারবে। সিঙ্গাপুরের এই কৃত্রিম উপগ্রহ Scoob-1 স্টুডেন্ট স্যাটেলাইট সিরিজে রয়েছে । ইসরোর পিএসএলভি-সি৫৩ রকেট সিঙ্গাপুরের এই তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহকে কক্ষপথে স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।

  • Pathaan Movie Poster: শেষে হলিউড সিনেমার পোস্টার ‘চুরি’র দায়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’?

    Pathaan Movie Poster: শেষে হলিউড সিনেমার পোস্টার ‘চুরি’র দায়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  গত শনিবার অর্থাৎ ২৫ জুন বলিউড বাদশার সিনেমা জগতে ৩০ বছর পূর্ণ হল। আর এই বিশেষ দিনেই শাহরুখ খান (Shahrukh Khan) নিজের নতুন ছবি ‘পাঠান’ (Pathaan)-এর পোস্টার প্রকাশ করেন। হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, চোখে-মুখে রক্ত মাখা শাহরুখের টিজার পোস্টারে মন্ত্রমুগ্ধ সোশ্যাল মিডিয়া। কিং খান নিজেই আসন্ন ছবির পোস্টারটি শেয়ার করেছেন। এই পোস্টার শেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়ের বেগে ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে। ‘পাঠানের’ নতুন লুক প্রকাশ্যে আসতেই ঝড় উঠেছে দর্শকদের মনে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনুরাগীরা তাঁর নতুন ছবির জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: চরিত্রের প্রয়োজনে ভেঙেছিলেন নিজের চোয়াল! খোলসা করলেন আর মাধবন

    কিন্তু এরই মাঝে ‘পাঠান’ পোস্টার নিয়ে  শুরু  হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই  ‘Pathaan’ সিনেমার পোস্টারের সঙ্গে ইদ্রিস এলবা অভিনীত ‘Beast’ সিনেমার পোস্টারের মিল খুঁজে পেয়েছেন। হলিউড ছবির পোস্টার কপির মতো অভিযোগও তুলেছেন অনেকেই। তবে তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে কেউ বলেছেন, “শাহরুখ এটি বেশি ভালো করতে পেরেছেন।“ ‘Beast’ সিনেমার পোস্টারটি অনেক আগেই প্রকাশ করা হয়েছে। তাই অনেকেই মনে করছেন যে পাঠান ছবির পোস্টারটি নকল করা হয়েছে। তবে অধিকাংশ মানুষই এটি মানতে নারাজ। বিশেষ করে কিং খানের ভক্তরা। অনেকেই বলেছেন, কোনও অ্যাকশন ছবির জন্য এটি খুবই সাধারণ পোজ, সুতরাং এটি নকল করার কোনও কথাই আসে না।

    আরও পড়ুন: পাঁজি দেখে মঙ্গলে রকেট পাঠায় ইসরো, মন্তব্যে ট্রোলড মাধবন

    উল্লেখ্য, এই সিনেমাটি পরের বছরের জানুয়ারি মাসে মুক্তি পেতে চলেছে। এই ছবিতে শাহরুখের পাশাপাশি দেখা যাবে দীপিকা পাডুকোন (Deepika Padukone) এবং জন আব্রাহামের (John Abraham) মতো সুপারস্টারদের। কিং খানের এই নতুন সিনেমা নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে এক উন্মাদনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শাহরুখ অনুরাগীদের মধ্যে আলাদাই উদ্বেগ দেখা যায়। কারণ কিং খানকে প্রায় ৪ বছর পর সিনেমার পর্দায় দেখা যাবে। ২০২২-২৩কে অনেকেই শাহরুখের বছর হিসেবেও উল্লেখ করছেন। কারণ  এই বছরগুলোতে একাধারে ‘পাঠান’, ‘জওয়ান, ‘ডানকি’- এর মত পরপর সব বিগ বাজেট ছবি আসতে চলেছে।

     

     

LinkedIn
Share