Author: নিমাই দে

  • Solar Storm: সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়! ফল কী হতে পারে? জানুন

    Solar Storm: সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়! ফল কী হতে পারে? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌর ঝড় (Solar Storm)। এর ফলে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীতে। এই ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় (Geomagnetic Storm) নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকরা। 

    চলতি বছরের ১৫ জুলাই গবেষকরা জানিয়েছিলেন যে যদি সৌরঝড় আসতে শুরু করে তাহলে উপগ্রহ প্রভাবিত হবে। জিপিএস এবং রেডিওর নেটওয়ার্ক বিপর্যস্ত হবে। মহাকাশ আবহাওয়াবিদ ড. তামিথা স্কোভ (Dr. Tamitha Skov) জানিয়েছেন, আশঙ্কা করা হয়েছে, ১৯ জুলাই অর্থাৎ আজই সৌর ঝড় পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসবে। আবার, অন্য মহাকাশ-গবেষকদের আশঙ্কা, পৃথিবীতে এই সৌর ঝড় আছড়ে পড়তে পারে ১৯-২১ জুলাইয়ের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: পৃথিবী থেকে নয়, মহাকাশ থেকে কেমন লাগে সূর্যগ্রহণ? ছবি প্রকাশ করল নাসা

    ড. স্কোভ সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, সূর্য থেকে এক সর্পিল আকারের বা সাপের আকারের ন্যায় পাতলা ফিলামেন্টের ঢেউ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে চলেছে। যার ফলে পৃথিবীর মধ্য-অক্ষাংশ বরাবর অরোরা (Aurora) বা মেরুপ্রভা দেখা যেতে পারে। আবার এই সৌর ঝড় পৃথিবীতে আছড়ে পড়ায় রেডিও, জিপিএস সিগনালেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা করা হয়েছে নাসা (NASA) থেকে। আরও জানানো হয়েছে, এবারের সৌর ঝড়কে জি২ বা জি৩ মাত্রায় আছড়ে পড়তে পারে। যখন সৌর ঝড়ের চুম্বকীয় দিকটি দক্ষিণমুখী, তখনই সৌর ঝড় ‘জি২’ মাত্রায় আছড়ে পড়ে পৃথিবীর বুকে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন:মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর হদিশ দিল নাসা, এগোচ্ছে পৃথিবীর দিকে?

    প্রসঙ্গত, সৌর ঝড় বা ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়কে জি স্কেলে (G-Scale) পরিমাপ করা হয়। জি স্কেলের ১-৫ স্কেলে মাপ করা হয়, যার মধ্যে ১ নম্বর সবচেয়ে দুর্বল এবং ৫ নম্বর মাপের ঝড়ে ক্ষতির সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা থাকে। ২০২১ সালেও সূর্য থেকে ফিলামেন্ট ন্যায় ঢেউ পৃথিবীতে এসে পড়েছে ও সূর্যের একাধিক দাগও দেখতে পাওয়া যায়। যার ফলে সৌরঝড়ের সৃষ্টি হয়েছিল।

    ২০২২ সালের মার্চ মাসেও ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছিল ও কিছুদিন আগেই জি১ মাপের সৌরঝড় পৃথিবীতে ধেয়ে এসেছিল। তবে এই পরিমাপে সৌরঝড় বা ভূ-চৌম্বকায় ঝড় তেমন কোনও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে না। কিন্তু আজ অথবা আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে পৃথিবীর বুকে ধেয়ে আসা সৌরঝড়ের প্রভাবে জিপিএস সিস্টেম, রেডিও তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। 

     

  • Bhupinder Singh: প্রয়াত প্রখ্যাত গজল শিল্পী ভূপিন্দর সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Bhupinder Singh: প্রয়াত প্রখ্যাত গজল শিল্পী ভূপিন্দর সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সঙ্গীত দুনিয়ায় নক্ষত্রপতন। লতা মঙ্গেশকর, বাপ্পি লাহিড়ী, কেকে-এর পর এবারে প্রয়াত গায়ক ভূপিন্দর সিং (Bhupinder Singh)। ভূপিন্দর সিংয়ের কণ্ঠ চিরকাল মনে থেকে যাবে শ্রোতাদের। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় ৭টা ৪৫ মিনিটে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিখ্যাত গজল শিল্পী। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এছাড়াও তিনি কোলন ক্যান্সারে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন ও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরেও বিভিন্ন সমস্যা দেখা গিয়েছিল। শোকের ছায়া সঙ্গীত জগতে। তিনি চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন হিন্দি, বাংলা ভাষায় গাওয়া অজস্র গান।

    আরও পড়ুন: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    তাঁর বিখ্যাত গানগুলির মধ্যে ‘দিল ঢুন্ডতা হ্যায়’, ‘নাম গুম জায়েগা’, ‘এক অকেলা শহর মে’, ‘কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়’, ‘দো দিওয়ানে শহর মে’, ‘কারোগে ইয়াদ তো’, ‘কিসি কো মুকম্মল’, ‘থোড়ি সি জমিন’, ‘থোড়া আসমান’ ইত্যাদি। এই গানগুলো ভারতবাসীর মনে এমনভাবে ছাপ ফেলে গেছে, যা চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে।  তাঁর সঙ্গীত জগতে যাত্রা অল ইন্ডিয়া রেডিও থেকেই শুরু হয়েছিল। পরে দূরদর্শনের সঙ্গেও যুক্ত হন। তখন তাঁর কণ্ঠ মদন মোহন (Madan Mohan) শোনার পর সিনেমা জগতে গান করার প্রস্তাব দেন। তারপর মোহাম্মদ রাফী (Mohammad Rafi), মান্না দে (Manna Dey) তালাত মেহমুদের (Talat Mahmood) সঙ্গে ‘হাকিকত’ সিনেমায় কাজ করার সুযোগ পান। এই সিনেমার ‘হোকে মজবুর মুঝে’ গানটি বেশ সাড়া ফেলেছিল পুরো দেশজুড়ে। এরপর থেকেই পেশাদার সঙ্গীতশিল্পী যোগ দেন ভূপিন্দর সিং।

     তাঁর প্রয়াণে শোকাহত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিল্পীর প্রয়াণে একটি টুইটের মাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “শ্রী ভূপিন্দর সিং জি-র প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। বহু দশক ধরে উনি আমাদের স্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন। এই খারাপ সময়ে আমি মানসিকভাবে তাঁর পরিবারের এবং অনুরাগীদের পাশে আছি। ওম শান্তি।”  

    আরও পড়ুন: চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে

    [tw]


    [/tw] 

  • Eye Drop: রিডিং গ্লাসের আর দরকার নেই, আই ড্রপেই সব সমস্যার সমাধান!

    Eye Drop: রিডিং গ্লাসের আর দরকার নেই, আই ড্রপেই সব সমস্যার সমাধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেককেই ছোটবেলা থেকে চশমা পরতে হয়। বিশেষ করে কোনও কিছু পড়ার সময় চশমা তো লাগেই।  তাছাড়াও বয়স বাড়লেও চোখে পাওয়ার আসে অনেকেরই। তখন এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য তিনটি উপায় পড়ে থাকে তা হল চশমা পরা, লেন্স পরা, নয়তো চোখের অপারেশন করা। কিন্তু এই তিনটির কোনওটিরই আর প্রয়োজন নাও হতে পারে। কারণ তেমনই আশা দেখাচ্ছে নতুন এক আই ড্রপ।

    এই আই ড্রপটিকে আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (Food and Drug Administration) স্বীকৃতি দিয়েছে। চশমার পরিবর্তে বিশ্বে এটাই প্রথম কোনও আই ড্রপ তৈরি করা হয়েছে। ‘ভিউটি’ (Vuity) নামক আই ড্রপটি বিশেষ করে যাঁদের কোনও কিছু পড়ার সময়ে চশমার দরকার হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এই আই ড্রপ খুবই কাজের বলে দাবি করা হয়েছে নির্মাতাদের তরফে। এটি ৪০ বয়স থেকে ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তিদের জন্যে বেশি উপকারী বলে মনে করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    কীভাবে কাজ করে এই আইড্রপ?

    আইড্রপটি দুচোখে একবার একবার করে দিতে হবে এবং এটি দেওয়ার ১৫ মিনিট পর এটি কার্যকরী হয়। তারপর এর প্রভাব ৬ থেকে ১০ ঘন্টা ধরে থাকে। এর পরে ড্রপ না নিলে আবার চশমা ব্যবহার করতে হতে পারে। এই আইড্রপটি পাইলোকার্পিন নামক উপাদান দিয়ে তৈরি। এটি চোখে ph- এর মাত্রাকে ঠিক রাখে ও   চোখের মণিকে আকারে আগের চেয়ে ছোট করে দেয়। ফলে কাছের জিনিস দেখতে সুবিধা হয় ও কাছের বস্তুতে ফোকাস করতেও সুবিধা হয়।

    কারা এটি ব্যবহার করতে পারবেন?

    এই আইড্রপটির প্রভাব ৬৫ বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কম কার্যকরী ও যাদের ‘প্রেসবায়োপিয়া’-র সমস্যা অতটাও গুরুতর নয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বেশি কাজে লাগে। দৃষ্টিশক্তি কাছের জিনিস দেখা বা কোনও কিছু পড়ার ক্ষেত্রে ঝাপসা হয়ে যায়। একেই চিকিৎসার ভাষায় প্রেসবায়োপিয়া (presbyopia) বলা হয়।

    আরও পড়ুন: উজ্জ্বল ত্বক চান? রোজ খান এই জুসটি, পরিবর্তন দেখুন এক সপ্তাহে

     

     

  • Indians On Marriage: অবিবাহিত থাকতেই বেশি পছন্দ করেন ভারতীয়রা! সমীক্ষায় উঠে এল নয়া তথ্য

    Indians On Marriage: অবিবাহিত থাকতেই বেশি পছন্দ করেন ভারতীয়রা! সমীক্ষায় উঠে এল নয়া তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ নিয়ে ভারতীয়দের কি মতামত তা নিয়ে এক আশ্চর্যজনক তথ্য উঠে এসেছে। সরকার দ্বারা একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে যে, ভারতীয়রা বিয়ে করার থেকে না করাকেই বেশি মত দিয়েছেন। সমীক্ষায় এমনও ধরা পড়েছে যে, গত কয়েক বছরের থেকে বর্তমানে বিবাহিতের সংখ্যা তুলনামুলকভাবে অনেক কম। বেশিরভাগ ভারতীয়রাই এখন অবিবাহিত থাকতেই পছন্দ করছেন।

    সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অবিবাহিতের সংখ্যা ১৭.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৩ শতাংশে পরিত হয়েছে। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকাল অফিসের (National Statistical Office) রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে অবিবাহিত যুবকদের সংখ্যা ২০.৮ শতাংশ থেকে ২৬.১ শতাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে ও অবিবাহিত মেয়েদের সংখ্যা ১৩.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৯.৯ শতাংশ হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১৫ বছরেই মেয়ের বিয়ে! মুসলিম আইন অনুযায়ী সম্মতি আদালতের

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী দেখা গিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরে। এরপরেই উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি ও পাঞ্জাবের অবস্থান। যেসব জায়গায় অবিবাহিতের সংখ্যা কম রয়েছে, সেগুলো হল- কেরালা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ।

    অবিবাহিতের সংখ্যা তো ক্রমশ কমেই চলেছে। তবে রিপোর্টে এও দেখা গিয়েছে যে, কম বসয়েই বা তাড়াতাড়ি বিয়ে করার প্রবণতাও এখন কমে এসেছে। কম বয়সে বিয়ে করার প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে ভারতীয়দের মধ্যে। এছাড়াও ভারতে পুরুষরা মহিলাদের থেকে বেশি বয়সেই বিয়ে করে থাকে।

    আরও পড়ুন: ভারতে প্রথম, মেহেন্দিতে সেজে নিজেকেই বিয়ে তরুণীর ! কী কী হল অনুষ্ঠানে?

    তবে এর ফলে সমাজে এক ইতিবাচক প্রভাব দেখা গিয়েছে। কারণ ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সালে ১৮ বয়সের আগে বিয়ে করার সংখ্যা ৪৭ শতাংশ থেকে ২৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ফলে কম বয়সে গর্ভবতী হওয়ার প্রবণতাও কমে এসেছে। এর হার কমে ১৬ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে নেমে গিয়েছে।

  • Gandhi Statue Vandalized: ফের ভাঙা হল গান্ধীজির মূর্তি, তীব্র নিন্দা ভারতীয় দূতাবাসের

    Gandhi Statue Vandalized: ফের ভাঙা হল গান্ধীজির মূর্তি, তীব্র নিন্দা ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিদেশের মাটিতে গান্ধী মূর্তি ভাঙার চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। এবার কানাডার (Canada) ওন্টারিও (Ontario’)-এর রিচমন্ড হিলে (Richmond Hill ) মহাত্মা গান্ধীর (Mahatma Gandhi) একটি মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা। কানাডায় গান্ধী মূর্তির অবমাননার এই ঘটনায় বুধবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ভারত (India)। গতকালের এই ঘৃণ্য ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত।

    ভারতের হাই কমিশন (Indian High Commission) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ট্যুইট করে লেখেন, ‘এই ঘৃ্ণ্য কাজ করে ভারতীয় সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত আনার জন্যে আমরা ক্ষুব্ধ। এই অপরাধটি ভারতীয় সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়েছে। আমরা কানাডা সরকারকে এই ঘটনার তদন্তের জন্য এবং অপরাধীদের যথাযোগ্য বিচারের জন্য দাবি জানিয়েছি।’

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ছক! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র করার ডাক জঙ্গিদের

    ইয়র্ক স্থানীয় পুলিশের (York Regional Police) মুখপাত্র কনস্টেবল অ্যামি বউড্রিউ (Const. Amy Boudreau) জানিয়েছেন, এটি একটি ঘৃণ্য ঘটনা। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ‘যারা জাতি, ভাষা, বর্ণ, ধর্ম, বয়স, পরিচয়ের ভিত্তিতে অন্যদের আঘাত করেছে, তাদের যথাযোগ্য সাজা দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘ইয়র্ক স্থানীয় পুলিশ কোনও ধরনের ঘৃণ্য অপরাধকে বরদাস্ত করে না।‘

    প্রসঙ্গত, প্রায় ৩০ বছর আগে ওই গান্ধি মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এদিন কানাডার ভারতীয় দূতাবাসও ট্যুইট করে লেখে, ‘রিচমন্ড হিলের কাছে বিষ্ণু মন্দিরে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির অবমাননায় আমরা ক্ষুব্ধ। এই অপরাধমূলক, ঘৃণ্য ভাঙচুরের ঘটনা কানাডায় বসবাসকারী ভারতীয়দের আবেগে গভীরভাবে আঘাত করেছে। এই কাজের তদন্তের জন্য আমরা কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

    আরও পড়ুন: শৃঙ্গার গৌরীর স্থলে পুজোর অধিকার চেয়ে আবেদন ৫ হিন্দু মহিলার, চলবে শুনানি

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, গান্ধী মূর্তি ভাঙচুরের এটি নতুন ঘটনা নয়। গত বছরের নভেম্বর মাসে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে ভাঙা হয়েছিল মহাত্মা গান্ধীর ব্রোঞ্জের মূর্তি। 

  • Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    Sri Lanka Crisis: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিক্ষোভে উত্তাল শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। বিক্ষোভকারীদের জন্যে ঘর-ছাড়া খোদ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি। অন্যদিকে প্রবল গণ-আন্দোলনের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রনিল বিক্রমসিংঘে (Ranil Wickremesinghe)। শনিবার একটি বিবৃতি জারি করে তিনি পদত্যাগ করেন। কিন্তু পদ ছেড়েও স্বস্তিতে নেই প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ১৯৪৮ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) মধ্যে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যেই  শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা (Sri Lankan Protesters) রাষ্ট্রপতির প্রাসাদ (Mansion) থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিরাপত্তা ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সকালেই বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের (Gotabaya Rajapaksha) সরকারি বাসভবন বা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবনের দখল নিয়েছে। এমনকি সুইমিং পুল ও রান্নাঘরের দখল নিয়েও সেখানকার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তারপরই রাজাপক্ষের দেশ ছাড়ার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার নৌ বাহিনীর বিশেষ জাহাজে করেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে কলম্বো বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজে তিন জন বড় বড় সুটকেস তুলছে। যেগুলি রাজাপক্ষের বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাজাপক্ষে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। কলম্বো বন্দরের (Colombo Port) হারবার মাস্টার (Harbour Master) বলেছেন, একটি দল এসএলএনএস সিন্দুরালা (SLNS Sindurala) ও এসএলএনএস গজবাহুতে (SLNS Gajabahu) চড়ে বন্দর ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তিনি এখন কোথায় গিয়েছেন তার হদিশ মেলেনি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল, বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি শ্রীলঙ্কা সেনা হেডকোয়ার্টারে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু বর্তমানে কোথায় আছেন তা জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    এই বিক্ষোভে পথে নেমেছেন শ্রীলঙ্কার দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সনৎ জয়সূর্য (Sanath Jayasuriya) ও রোশন মহানামা (Roshan Mahanama)। তাঁরা প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নিয়ে সরব হয়েছেন। ট্যুইটারে #gohomegota লিখে প্রতিবাদ করছেন ও শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিিতির জন্য অনেকটাই চিন দায়ী। ২০১০ সাল থেকেই শ্রীলঙ্কায় আর্থিক দুর্দশা দেখা যায় এরপর ২০১৯ সালে তা চরম সঙ্কটের মুখে পড়ে। কলম্বো ও হাম্বানটোটা বন্দরকে ১০০ বছরের জন্যে চিনের কাছে লিজে রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার আর্থিক সঙ্কটকে কাজে লাগিয়ে চিন এই দেশকে ঋণ কূটনীতির ফাঁদে (Debt Trap Diplomacy) ফেলেছে যাতে শ্রীলঙ্কার ওপর পুরো কন্ট্রোল নেওয়া যায়। চিন শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম ঋণদাতা (Lender)। আর এই দ্বীপ রাষ্ট্রের মোট ঋণের ১০ শতাংশ এসেছে বেজিংয়ের থেকে। এই ঋণে ভারসাম্য না-থাকার কারণেই সঙ্কট মারাত্মক আকার নিয়েছে। সমস্যা মেটানোর জন্য বিদেশি সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এর ফলে চিনের উপর দেশটির নির্ভরতা বেড়েছে, যে কারণে ঋণের বোঝাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আর পরিস্থিতিও খারাপ থেকে খারাপতর হয়েছে। চিনের ঋণ ফাঁদ ছাড়াও সরকার চালানোয় অক্ষমতা, স্পষ্টতার অভাব ইত্যাদির কারণে শ্রীলঙ্কার আর্থিক পরিস্থিতি এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। চিনের কাছে শ্রীলঙ্কার মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮০০ কোটি ডলার, যা তার মোট বৈদেশিক ঋণ ৪৫০০ কোটি ডলারের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। এই বছরের জন্য শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে চিনের পাওনা প্রায় ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি ডলার। ভারত শ্রীলঙ্কাকে ঋণের থেকে বাঁচতে বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা করে থাকলেও শ্রীলঙ্কা এমনই ঋণ ফাঁদে পড়েছিল যে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরেও এই দেশের অবস্থা ঠিক করতে পারেনি। বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন যে, চিন নিজেই শ্রীলঙ্কাকে ঋণের ফাঁদে ফেলে পরে সাহায্য করতে আসলেও তা সবকিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী করছে। ‘ঋণ কূটনীতি’ ব্যবহার করেই বিশ্ব জুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে তাদের উপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। সুতরাং অনেক দেশেরই এ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, চিন কীভাবে শ্রীলঙ্কাকে ঋণ ফাঁদের জালে ফেলে দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়েছে।

  • Father-Daughter: পিতা-কন্যার যুগলবন্দী! ভারতীয় বায়ুসেনায় একসঙ্গে যুদ্ধবিমান চালিয়ে গড়ে তুললেন ইতিহাস

    Father-Daughter: পিতা-কন্যার যুগলবন্দী! ভারতীয় বায়ুসেনায় একসঙ্গে যুদ্ধবিমান চালিয়ে গড়ে তুললেন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবাকে আদর্শ করে তাঁর দেখানো পথে হাঁটতে পৃথিবীর সব মেয়েই চান। আবার বাবার পেশাকে নিজের পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখে থাকেন। তবে এই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে খুব সংখ্যক কেই দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে সেই বিরল উদাহরণ সৃষ্টি করে ভারতীয় বায়ুসেনায় একইসঙ্গে যুদ্ধবিমান ওড়ালেন বাবা-মেয়ে। আকাশে বিমান ওড়ানোর এই ঘটনাটি বর্তমানে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। আর বাবা-মেয়ের যুগলবন্দীতে বিমান ওড়ানোর মুহূর্তটি ভারতীয় বায়ুসেনার ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। একই ফাইটার জেট আকাশে ওড়ালেন বাবা-মেয়ের জুটি। প্রথমবার এমন নজির দেখা গিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force)।

    আরও পড়ুন: ১৮৫ বিমানযাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে এখন ‘হিরো’, কে এই ক্যাপ্টেন মণিকা?

    ভারতীয় বায়ুসেনায় আধিকারিক পদে রয়েছেন সঞ্জয় শর্মা (Sanjay Sharma)। আর মেয়ে অনন্যা শর্মা (Ananya Sharma) ফাইটার পাইলট হিসেবে ২০২১ সালে বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন। এবার অনন্যা শর্মা ও তাঁর বাবা ভারতীয় বিমান বাহিনীতে এক ইতিহাস তৈরি করেছেন। বাবা এবং ছেলের একসঙ্গে যুদ্ধবিমান ওড়ানোর দৃশ্য আগে অনেকবার দেখা গিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনায়। কিন্তু বাবা আর মেয়ের জুটি এর আগে কখনও দেখা যায়নি৷ আর এবার সেই শূন্যতাই পূরণ করলেন বায়ুসেনা আধিকারিক সঞ্জয় শর্মা এবং ফ্লাইং অফিসার অনন্যা শর্মা।

    ছোট থেকেই তিনি তাঁর বাবাকে দেখেছেন ভারতীয় বায়ুসেনায় বিমান চালাতে। আর সেই থেকেই তাঁর মনেও একইরকম হওয়ার ইচ্ছে ছিল। এমনকি এই পেশা ছাড়া অন্য কোনও পেশার কথা কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি। এমনটিই জানিয়েছেন অনন্যা। কিন্তু তাঁর এই পথ এতটাও সহজ ছিল না। কারণ আগে মেয়েদের জন্য বিমান ওড়ানোর অনুমতি ছিল না। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রথম মেয়েদের ফাইটার পাইলট হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপরেই ইলেকট্রনিক্স এবং কমিউনিকেশনে অনন্যা বি টেক সম্পন্ন করে আইএএফ-এর ফ্লাইং শাখার প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হন। এরপরেই তিনি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে একজন ফাইটার পাইলট হিসেবে নিযুক্ত হন। অন্যদিকে ১৯৮৯ থেকে ভারতীয় বায়ুসেনাতে কর্মরত আছেন তাঁর বাবা সঞ্জয় শর্মা ।  

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!

    চলতি বছরের ৩০মে এই পিতা-কন্যার যুগলবন্দীতে যুদ্ধ বিমান চালানোর ঘটনাটি ঘটে। এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়ে দিয়েছেন এই জুটি।

     

  • Health Tips: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    Health Tips: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জানেন কি ওজন (weight) কমানোর ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লবণ বা নুন (salt)। দেহের অতিরিক্ত ওজনের ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়ে থাকে। ফলে ওজন কমাতে লবণ বিশেষ উপকারী। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পরিমাণমতো লবণ খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণ শুধুমাত্র ওজন কমানোর ক্ষেত্রেই নয় এটি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরে জল ধরে রাখার পক্ষেও সহায়ক। হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকলে অনেকক্ষণ এনার্জিও ধরে রাখা যায়। ক্লান্তি আসে না সহজে। ফলে অনেক সময় ধরে ব্যায়াম করা যেতে পারে ।

    তবে এখন প্রশ্ন হলো– কতটুকু লবণ খাবেন বা কখন খাবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে,  ব্যায়াম করার আগে একচিমটে লবণ বা লবণ মিশ্রিত জল খেলে তা বেশী কার্যকর। ব্যায়াম করার আগে লবণ খাওয়ার কয়েকটি প্রধান কারণ হল-

    আরও পড়ুন: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    ১) যেহেতু লবণ শরীরে লবণ ধরে রাখতে পারে তার জন্য ব্যায়াম করার সময়ে ঘাম ঝড়লেও শরীরে জলের শূন্যতা হয় না।

    ২) লবণ শরীরে রক্ত সঞ্চালন নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। ফলে ব্যায়াম করার সময়ে হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

    ৩) ব্যায়াম করার সময়ে পেশীতে ব্যথা হওয়ার প্রবণতাকে কমিয়ে দেয়।

    ৪) লবণ শরীরে এনার্জি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে এনার্জি থাকার ফলে অনেক সময় ধরে ব্যায়াম করা যায়। 

    ৫) লবণ যেহেতু রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং শরীরে জল ধরে রাখার পক্ষেও সহায়ক, সেই কারণে দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

    ৬) ব্যায়াম করার সময়ে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রন রাখতে সাহায্য করে লবণ ফলে ব্যায়াম করার সময়ে এনার্জির কমতি হয় না।

    ৭) রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকায় হৃদযন্ত্রও সুস্থ থাকে। ব্যায়াম করার সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

    ৮) লবণ খাওয়ার ফলে ব্যায়াম করার সময় ক্লান্তি কম হয়, তাই দেহের ধৈর্যশক্তিও বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেকক্ষণ ধরে ব্যায়াম করা যায় ও ওজনও কমানো যায়।

    আরও পড়ুন: গ্রীষ্মের এই ৫ ফল যা খেলে কমতে পারে ওজন, দেখুন

     

  • Sara Ali Khan: লন্ডন যাপন সারার, সঙ্গে পরিবার

    Sara Ali Khan: লন্ডন যাপন সারার, সঙ্গে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরো বলিউড (Bollywood) পৌঁছে গিয়েছে লন্ডনে (London)। এর মধ্যে ব্যতিক্রম নন সারা-সইফ-করিনাও। তাঁরাও পৌঁছে গিয়েছেন ছুটি কাটাতে। সইফ কন্যা সারা আলি খান (Sara Ali Khan) গতকালই তাঁর বাবা ও ভাইদের সঙ্গে সময় কাটানোর মুহূর্ত ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। দারুণ ফুরফুরে মেজাজে ছুটি কাটাচ্ছেন তাঁরা। সারা, তাঁর বাবা ও ভাইদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করার সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হতে শুরু করেছে।

    তৈমুরের সঙ্গে সারার সম্পর্ক বেশ ভালোই। মাঝে মধ্যেই তাঁদের নানা পোস্ট দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। কিন্তু এবার তৈমুরকে নিয়ে নয়, তাঁদের সবচেয়ে ছোট ভাই জেহ খানের (Jeh Ali Khan) সঙ্গে ছবি শেয়ার করেছেন সারা। এবার শুধু সারাই নেই তাঁর ভাই ইব্রাহিম আলিও (Ibrahim Ali) রয়েছেন সঙ্গে। সারা ছবির ক্যাপশনে ‘পাটৌদি’ (Pataudis) বংশের কথাও উল্লেখ করেছেন।

    [insta]https://www.instagram.com/p/CftkR2vo5YG/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    প্রথমে একটি ছবিতে দেখা যায়, করিনা ও সইফের পুত্র জেহ আলি খানের দিকে সারা ও তাঁর ভাই ইব্রাহিম। কোলে একরত্তিকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে জেহও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করছেন। এই ছবিটি তোলা হয়েছে লন্ডনের গ্রোসভেনর স্কোয়ার (Grosvenor Square) পার্কে। আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সারা ও ইব্রাহিম তাঁদের বাবা সইফের সঙ্গেও ছবি তুলেছেন। এর থেকেই বোঝা যায়, লন্ডনের ওই পার্কে বাবা ও তাঁর তিন ছেলে মেয়ে খোশমেজাজে সময় কাটাচ্ছিলেন। সইফের বোন সাবা পাটৌদিও (Saba Pataudi) তাঁর ইনস্টাগ্রামে তাঁদের ছবি শেয়ার করেছেন।

    সারা, ইব্রাহিম ও অন্যদিকে সইফ, করিনা বিগত কয়েকদিন ধরেই লন্ডনে রয়েছেন ও তাঁদের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। সারা একদিকে ইব্রাহিমের সঙ্গে লন্ডনের রাস্তায় ছবি তুলে সেটি শেয়ার করেছেন।

    [insta]https://www.instagram.com/p/CfoE6q-orgw/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    অন্যদিকে লন্ডনে খোলা আকাশের নীচে এক ফুরফুরে মেজাজে সময় কাটাচ্ছিলেন করিনা-জেহ। আকাশে রামধনু উঠেছে। ছেলে জেহকে কোলে নিয়ে রামধনুর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন তিনি।

    [insta]https://www.instagram.com/p/CfgXx-lIYr_/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta] 

     

  • R Madhavan: চরিত্রের প্রয়োজনে ভেঙেছিলেন নিজের চোয়াল! খোলসা করলেন আর মাধবন

    R Madhavan: চরিত্রের প্রয়োজনে ভেঙেছিলেন নিজের চোয়াল! খোলসা করলেন আর মাধবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি কখনো  ইসরোর(ISRO) বৈজ্ঞানিক নাম্বি নারায়নের (Nambi Narayan) নাম শুনেছেন, যাঁকে গুপ্তচরবৃত্তির মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল?‌ আপনি না জেনে থাকলেও এবার জানতে পারবেন কারণ বলিউড অভিনেতা আর মাধবন (R Madhavan) তাঁরই গল্প নিয়ে হাজির হয়েছেন। কারণ আর মাধবন ‘‌রকেট্রি:‌ দ্য নাম্বি এফেক্ট’ (Rocketry: The Nambi Effect) ‌-এর  মাধ্যমে নাম্বি নারায়নের জীবনকাহিনী তুলে ধরবেন। মাধবন এই ছবির মাধ্যমেই তাঁর পরিচালনার প্রথম কাজ শুরু করতে চলেছেন ও এই সিনেমায় প্রধান অভিনেতাও তিনি। পরিচালনা ও অভিনয় ছাড়াও তিনি সিনেমার গল্প ও গান লিখেছেন।

    আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান! অবশেষে মুক্তি পেল ‘ব্রহ্মাস্ত্র’-এর ট্রেলার

    তবে আপনি জানলে অবাক হবেন যে এই সিনেমার জন্য মাধবন কী কী করেছেন। মাধবন এক সংবাদ মাধ্যমে নিজেকে নাম্বি নারায়ণ  গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন। তিনি এই সিনেমায় নাম্বি নারায়ণের মত লুকস আনার জন্যে নিজের চোয়াল পর্যন্ত ভাঙতে রাজি হয়েছেন। মাধবনের দাঁতও যাতে  নাম্বি নারায়ণের মত দেখতে হয় তার জন্য তিনি এই কাজ করেছেন। তাঁর এটি করতে প্রায় এক থেকে দেড় বছর লেগেছে। তবে আর মাধবনের এটিই প্রথম ও শেষ পরিচালনা। কারণ তিনি জানিয়েছেন, তিনি নিজেকে অভিনেতা হিসাবেই দেখতে চান। 

    আরও পড়ুন: বলিউড মাদক মামলায় এনসিবির খসড়া চার্জশিটে উঠল রিয়া, সৌভিকের নাম

    তিনি আরও জানিয়েছেন যে  এই সিনেমা পরিচালনার জন্য অন্য পরিচালক ছিল। কিন্তু সিনেমার শ্যুটিং শুরু হওয়ার এক মাস আগে পরিচালক এই সিনেমা পরিচালনা করতে না পারায়, শেষপর্যন্ত তাঁকেই এই দায়িত্ব নিতে হয়। এবং এই সিনেমাটি করে তিনি দৃঢ়বিশ্বাসী যে তিনি ছবিতে নাম্বির জীবনকাহিনী কে ঠিক পথেই তুলে ধরতে পেরেছেন। তিনি কখনোই নিজেকে পরিচালক পদের জন্য যোগ্য, এই বিষয়টি প্রমাণ করতে চাননি। প্রথম থেকেই তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল নাম্বি নারায়ণের জীবনের গল্পকে ভারতবাসীর সামনে তুলে ধরা।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১ জুলাই মুক্তি পেতে চলেছে এই সিনেমাটি। হিন্দির পাশাপাশি তেলুগু, কন্নড় এবং মালায়ালম ভাষাতেও দেখা যাবে ছবিটি। 

LinkedIn
Share