Author: শুভদীপ কর্মকার

  • FIFA World Cup: মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব

    FIFA World Cup: মেসি বনাম এমবাপে! কাপ কার দখলে? ফাইনালের আগে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল বিশ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ফুটবলে বিশ্বজয়ের শেষ লড়াইয়ে নামতে চলেছে আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে আটটায় লুসাইল স্টেডিয়ামে একে অপরের মুখোমুখি হবেন মেসি এবং এমবাপে। বলাই বাহুল্য, একটি হাইভোল্টেজ ফাইনাল দেখতে চলেছে ফুটবল বিশ্ব। হতে চলেছে দুই মহাতারকার লড়াই। দুই ফুটবল প্রতিভার লড়াই। কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ (Qatar World Cup 2022)। কে জিতবেন গোল্ডেন বুট। কে টুর্নামেন্টের সেরা হবেন! ফাইনালের আগে সেই আলোচনায় উত্তাল ফুটবলবিশ্ব।

    কে পাবে গোল্ডেন বুট

    ২ ফুটবলারই এবারের বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট পাওয়ার অন্য়তম দাবিদার। চলতি টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত ২ জনই পাঁচটি করে গোল করেছেন। ফাইনালে যদি কোনও প্লেয়ারই গোল করতে না পারেন, তবে কীভাবে গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে? সেক্ষেত্রে পেনাল্টি থেকে যে বেশি গোল করেছেন, তাঁকেই গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত মেসি ৩টি গোল করেছেন পেনাল্টি থেকে। সেখানে এমবাপের পাঁচটি গোলের একটিও পেনাল্টি থেকে নয়। সেক্ষেত্রে মেসিই এগিয়ে এই অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে। কিন্তু যদি আউটফিল্ড গোল ও পেনাল্টি দুটোতেই সমান থাকেন দু জন। তবে অ্যাসিস্ট কার বেশি, সেই নিরিখে গোল্ডেন বুটের বিজয়ী বেছে নেওয়া হবে। অবশ্য ২ ফুটবলারই চাইবেন ফাইনালে গোল করে সংখ্যাটা বাড়িয়ে নিতে। 

    আরও পড়ুন: একমাসের আলোর ঝলকানি অতীত! বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেই ভাঙা হাটে পরিণত কাতার

    দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিওনেল মেসি। এবার মেসির শরীরী ভাষা বুঝিয়ে দিয়েছে, তিনিই কেন সেরা। প্রথম একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাননি ডি মারিয়া ও ডিবালা। ফর্মে ছিলেন না লাউতারো মার্টিনেজের মতো ফুটবলার। তিন সেরা ফুটবলার রিজার্ভ বেঞ্চে। কিন্তু মেসি একাই খেলা তৈরি করেছেন। নিজে গোল করেছেন, করিয়েওছেন। মেসির হাত ধরে তৈরি হয়েছে আর্জেন্টিনার নতুন তারকা আলভারেজ, এঞ্জো ফার্নান্ডেজরা।অন্যদিকে এমবাপের কাছেও লড়াইটা সোজা ছিল না। গ্রিজম্য়ান ও তাঁর উপরেই অধিকাংশ ম্যাচে গোলের দায়িত্ব ছিল। ফরাসি সমর্থকরা চেয়েছেন, এমবাপে গোল করুন। ফাইনালে মেসির ফুটবল স্কিলের সঙ্গেই মূলত লড়াই তাঁর। ফুটবল বিশ্বের তাবড় তাবড় বিশেষজ্ঞরা এমবাপের উপরেই বাজি ধরছেন। মেসির শেষ ম্যাচে যদি এমবাপে গোল করে ফ্রান্সকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেন, সেটাই হবে ফরাসি ফুটবলারের সবথেকে বড় প্রাপ্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Fake Currency: মথুরা পুলিশের জালে জাল নোট চক্র, চিনা যোগ?

    Fake Currency: মথুরা পুলিশের জালে জাল নোট চক্র, চিনা যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল পুলিশ (জিআরপি), মথুরা পুলিশের যৌথ অভিযানে ধরা পড়ল জাল নোটের (Fake Currency) আন্তর্জাতিক চক্র। চিন থেকে আমদানি করা সরঞ্জাম দিয়ে নোট ছাপানো হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। চক্রের ‘কিংপিন’- কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    কী কী উদ্ধার হয়েছে? 

    মথুরা জিআরপি এবং বারাণসীর পুলিশ কমিশনারেটের যৌথ দল রবিবার মুকেশ ওরফে রৌনককে গ্রেফতার করেছে। মুকেশই এই চক্রের মাথা। পুলিশ এই ব্যক্তির মাথার দাম রেখেছিল ২৫,০০০ টাকা। বারাণসী থেকে গ্রেফতার করা হয় রৌনককে। গোয়েন্দারা ২১,০০০ টাকা মূল্যের জাল মুদ্রা (Fake Currency), অর্ধ-মুদ্রিত জাল নোট, জাল নোট ছাপার সরঞ্জাম এবং আনুমানিক ৭ লক্ষ টাকা মূল্যের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছেন৷

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, জাল মুদ্রা (Fake Currency) ছাপানোর জন্য ব্যবহৃত উপকরণ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি ফটোস্ট্যাট মেশিন, ল্যামিনেশন মেশিন, পাঞ্চিং মেশিন, বিভিন্ন  আকারের ফ্রেম স্লাইডার ইত্যাদি। চিনা সংস্থা  www.alibaba.com এবং  Guangzhou Bonedry Co. Ltd থেকে আমদানি করা হয়েছিল সরঞ্জামগুলি। চক্রটি উত্তরপ্রদেশের বারাণসী থেকে পশ্চিমবঙ্গের মালদা এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। 

    ৯ ডিসেম্বর প্রথম এই মামলায় রৌনকের নাম সামনে আসে। সেই সময় মথুরা জিআরপি ১.৫ লক্ষ টাকার জাল নোট সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের থেকেই পুলিশ রৌনকের নাম জানতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির 

    মথুরার এসপি জিআরপি মুস্তাক আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “জিআরপি একটি অভিযোগ দায়ের করে এবং জাল মুদ্রার অবৈধ ব্যবসায় জড়িত গ্যাংয়ের নেতা এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে আটটি দল গঠন করে। দলগুলি ক্রমাগত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বারাণসী পুলিশের সহায়তায় শ্রীনগর থেকে রৌনককে গ্রেফতার করে। অভিযান চালানো স্থান থেকে প্রচুর পরিমাণে জাল মুদ্রার নোট এবং মুদ্রণের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।”  

    রৌনক মথুরা জিআরপির হেফাজতে রয়েছে  এবং বারাণসী পুলিশ জাল নোট তৈরির সমস্ত সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। পুলিশ এখন মথুরায় যন্ত্রপাতি নিয়ে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Sushil Modi: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির

    Sushil Modi: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ টাকার নোট সন্ত্রাসবাদ এবং মাদকপাচারের মতো ঘৃণ্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যসভায় এমনটাই বললেন বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদি (Sushil Modi)। তিন বছর আগেই ২০০০ হাজার টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। বিজেপি সাংসদের দাবি , ২০০০ হাজার টাকার নোট জমিয়ে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদে মদত ও মাদকপাচারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই টাকা কালো টাকার সমান।

    আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর পড়ুয়া-নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি, অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর   

    কেন এমন মন্তব্য করলেন সাংসদ?

    রাজ্যসভায় বিজেপি সাংসদ (Sushil Modi) বলেন, “২০১৬ সালে বাতিল হওয়া ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের বিকল্প হিসেবে ২ হাজার টাকার নোট নিয়ে এসেছিল আরবিআই। কিন্তু বেশ কিছু কারণে গত তিন বছর ধরে এই নোটের মুদ্রণ বন্ধ রয়েছে। ফলে ২ হাজার টাকার নোটের কালোবাজারি বাড়ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমজনতার কষ্টের উপার্জনের টাকা যাতে পুরোপুরি রূপান্তরিত করা যেতে পারে, সে জন্য তাঁদের আরও সময় দেওয়া দরকার। অন্য দেশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বহু আধুনিক দেশেই ছোট অঙ্কের নোট চালু রয়েছে। আমেরিকায় যেমন সর্বোচ্চ অঙ্কের নোট ১০০ ডলার, চিনের সর্বোচ্চ অঙ্কের নোট ১০০ ইউয়ান, কানাডায় ১০০ ক্যাড, ইউরোর ক্ষেত্রে ২০০ ইউরো। মাদক পাচার, আর্থিক নয়ছয়, সন্ত্রাসবাদে মদত এবং করফাঁকির মতো বেআইনি কার্যকলাপ আটকাতে ইইউ ২০১৮ সালে ৫০০ ইউরোর নোট বাতিল করে। ২০১০ সালে রাস্তায় হেঁটে ১০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলারের নোট বাতিল করে সিঙ্গাপুর।”

    সুশীল মোদির (Sushil Modi) বক্তব্য, যেহেতু ভারত এখন ডিজিটাল লেনদেনের হাব হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তাই এখানে ২০০০ টাকার নোটের প্রয়োজন কম। ২০১৬ সালে কালো টাকা, দুর্নীতি এবং জালনোট রোধে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে গোটা দেশে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধী শিবির থেকে অর্থনীতিবিদ, নানা মহলের বিপুল সমালোচনার মুখে পড়ে সেই পদক্ষেপ। কিন্তু স্বয়ং দলীয় সাংসদের বক্তব্যে ২ হাজার টাকার নোট নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তিতে বিজেপি।   

    কোনও আগাম সূচনা ছাড়াই ২০১৬-র ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মধ্যরাত থেকে ৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরনো নোট বন্ধ হচ্ছে। এরপর ৫০০ ও ১০০০ টাকা দিয়ে কোনও লেনদেন করা যাবে না, ঘোষণা করেন তিনি। সঙ্গে জানান, বদলে বাজারে শীঘ্রই আসতে চলেছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট। তাঁর যুক্তি ছিল, কালো টাকা, দুর্নীতি এবং জালনোট রোধে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু যাঁদের কাছে পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট রয়েছে, তাঁরা কী করবেন? উপায়ও বাতলে দিয়েছিলেন মোদি। জানিয়েছিলেন, ওই বছরের ১০ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরনো নোট ব্যাঙ্কে জমা করা যাবে। কেন্দ্রের এই আচমকা সিদ্ধান্তের বিপুল সমালোচনা শুরু করে বিরোধী শিবির। পথে নামার হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার রিজার্ভ ব্যাঙ্কেও যান তিনি। ছ’বছর পরও সমালোচনার কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukhvinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    Sukhvinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। ৬৮ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ৪০টি আসনে জয়ী হয়েছেন ‘হাত’-প্রার্থীরা। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসে কংগ্রেস (Congress)। ওই পদের জন্য একাধিক দাবিদার থাকলেও, শেষমেশ সিলমোহর পড়ে সুখবিন্দর সিং সুখুর (Sukhvinder Singh Sukhu) নামে। তাই তিনিই হচ্ছেন হিমাচল প্রদেশের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী (CM)।

    সুখবিন্দর…

    গ্রামের এক সম্মানীয় পরিবারে জন্ম সুখবিন্দরের। বাবা ছিলেন বাসচালক। ছোটবেলায় সুখবিন্দর দুধের কাউন্টার চালাতেন। এর মধ্যেই পড়াশোনাও করতেন। এভাবে হন ল’ গ্র্যাজুয়েট। হিমাচল প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন তিনি। যোগ দেন কংগ্রেস অনুমোদিত ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ায়। পরে স্টুডেন্ট-বডির সভাপতিও হন। এক দশক ধরে তিনি হিমাচল প্রদেশ যুব কংগ্রেসের প্রধান ছিলেন। পরে হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান হন। ২০১৩ সাল থেকে টানা ছ বছর ওই পদে ছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে সুখবিন্দর প্রথম নাদৌন কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন। ২০১২ সালে ওই কেন্দ্রেই হেরে যান তিনি। ফের জেতেন ২০১৭ সালে। চলতি বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন তিনি।

    চারবারের বিধায়ক সুখবিন্দর (Sukhvinder Singh Sukhu)। দু বার তিনি জয়ী হয়েছিলেন শিমলা মিউনিসিপ্যাল ইলেকশনে। চল্লিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে সুখবিন্দর একাধিকবার ছ বারের মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিংয়ের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়েছেন। তবে গান্ধী পরিবারের বদান্যতায় প্রতিবারই বেরিয়ে এসেছেন সমস্যা থেকে। সুখবিন্দর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ। তিনিই প্রথম রাজনীতিবিদ যিনি নামনি হিমাচল প্রদেশ থেকে সোজা গিয়ে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর তখতে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন

    জানা গিয়েছে, হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সুখবিন্দরের নাম চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরেই কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে অশান্তি। প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের স্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রতিভার অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাতে নেমে পড়েছেন। হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে ছিলেন তিনিও। তাঁর জায়গায় সিলমোহর দেওয়া হয় সুখবিন্দরের নামে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন বীরভদ্রের ছেলে বিক্রমাদিত্য।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি না ফস্কা গেরো? শুরু হল প্রাইমারি টেট (Primary TET)। আজ, রবিবার গোটা রাজ্যের হাজার দেড়েক পরীক্ষা কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগের টেট হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। স্বাভাবিকভাবেই এদিন বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় ছিল পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে শেষ হয়, তাই বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। কোনও রকম ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না বলে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে। কেবল অ্যাডমিট কার্ড, পেন ও পরিচয় পত্র নিয়েই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা গার্ড দিচ্ছেন, তাঁদেরও প্রথমে চেকিং করে পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। টিনের বাক্সে থাকা প্রশ্নপত্র বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়।

    এদিন পরীক্ষা (Primary TET) শুরু হয় বেলা ১২টায়। পরীক্ষার্থীদের ১১টার মধ্যেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছিল। তবে যেহেতু এ ব্যাপারে কোনও লিখিত নির্দেশ ছিল না, তাই কোনও কোনও পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও, পরে অবশ্য দেওয়া হয়। সিল করা খামে দুটি করে ওএমআর শিট দেওয়া হয়েছে এদিন। একটি শিট উত্তরপত্র হিসেবে জমা দেবেন পরীক্ষার্থীরা। অন্য শিটটি তাঁরা নিয়ে যাবেন বাড়ি।

    বিক্ষিপ্ত অশান্তি…

    বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও এসেছে বিভিন্ন জেলা থেকে। বোলপুরে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তৃপক্ষের তরফে পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়নি। ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে রাস্তা অবরোধও করেন। দ্রুত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রের তরফে চাকরি প্রার্থীদের ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তার পরেই উঠে যায় অবরোধ। শুরু হয় পরীক্ষা। ধূপগুড়িতে আবার ব্যাগ রাখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রের কোথাও ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৪ টেট উত্তীর্ণদের নম্বরের তালিকা প্রকাশ পর্ষদের

    এদিকে, টেট দিতে এসে ঠিকানা বিভ্রাটের অভিযোগ উঠল কলকাতার বিষ্ণুপুর থানার পৈলানে। অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিকানা ভুল থাকার অভিযোগ তুলে বিষ্ণুপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ৫০ জন পরীক্ষার্থী। তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের পরীক্ষা কেন্দ্র সোদপুরে। এর পরেই পুলিশের একটি ভ্যান ওই পরীক্ষার্থীদের নিয়ে রওনা দেয় সোদপুরের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nuclear Bomb: ভারতের পারমাণবিক শক্তি ১৯৬৮তে ভয় ধরিয়েছিল আমেরিকাকেও?

    Nuclear Bomb: ভারতের পারমাণবিক শক্তি ১৯৬৮তে ভয় ধরিয়েছিল আমেরিকাকেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৮ সালের জুন মাস। কানাডিয়ান নিউক্লিয়র ইনসপেক্টরদের একটি দল এসেছিলেন মুম্বইয়ের ট্রম্বেতে, কানাডা (Canada)-ইন্ডিয়া রিয়েক্টর পরিদর্শনে। তখনই তাঁরা জানিয়েছিলেন, ভারত নিউক্লিয়র ডিভাইস (Nuclear Device) উন্নত করতে দ্রুত এগোচ্ছে। আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বীও হয়ে উঠছে। অস্ত্র (Nuclear Bomb) দৌড়ে শামিল হওয়ার ভয়ও দেখাচ্ছে এই দেশ। সম্প্রতি এমনই এক নথি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। পরে কানাডার ওই প্রতিনিধি দল মার্কিন কূটনীতিকদের বলেছিলেন, প্লুটোনিয়াম গ্রেড অস্ত্র বানানোর জন্য তারা (ভারত) কম বিকিরণ করে এমন জ্বালানি ব্যবহার করছে। ওই প্রতিনিধি দল এও জানিয়েছিল, ভারত যদি প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করে, তাহলে যে রিয়েক্টরে কাজ হবে, সেটি বছরে ১২ কেজি পর্যন্ত উৎপাদন করতে পারবে।

    ভারতের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম…

    এ সংক্রান্ত নথিটি সংরক্ষিত রয়েছে ইউএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভে। এটা দেখেই ভারতের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম সম্পর্কে একটা ধারণা করতে পেরেছিল আমেরিকা। ভারত প্রথম নিউক্লিয়ার পরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালের মে মাসে। তার ঢের আগেই তার শক্তি সম্পর্কে একটা ধারণা করে ফেলেছিল ওয়াশিংটন। এই গোপন নথি থেকে জানা যায়, ভারতের সর্বোচ্চ নিউক্লিয়ার অফিসাররা তখনই আমেরিকাকে একটি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল। ১৯৭০ সালের নভেম্বরে মার্কিন ডিমার্চে ভারত সরকারের কাছে বলেছিল, উৎপাদিত প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করতে হবে মার্কিন-ভারতীয় চুক্তি অনুসারে। পিসফুল নিউক্লিয়ার এক্সপ্লোশান ডিভাইসগুলি এই ধরনের চুক্তির সঙ্গে বেমানান হবে। তিনি এও বলেছিলেন, আমরা এই ধরনের ব্যবহারে সব চেয়ে বেশি আপত্তি জানাব।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    তক্ষণাৎ জবাব দিয়েছিল ভারতও। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, তারা নিউক্লিয়ার অস্ত্র ডেভেলপ করতে চায় না। তারা দেখছে নিউক্লিয়ার টেকনোলজি ব্যবহার করে কী কী সুফল ঘরে তোলা যায়। তারা এও জানিয়েছিল, এ সবই হচ্ছে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে। এবং এজন্য যা ডেভেলপমেন্ট করা প্রয়োজন, ভারত তা করবে। এবং ভারত যে নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি শান্তির জন্যই ব্যবহার করছে, তার উল্লেখ রয়েছে ওই নথিতেও। সেখানে বলা হয়েছে, একজন (ভারত) নিউক্লিয়ার ডেভেলপমেন্ট করে চলেছে শান্তির উদ্দেশ্যে, মিলিটারি উদ্দেশ্যে নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • G20: বাংলায় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক, জানুন কবে, কোথায়

    G20: বাংলায় জি ২০-র প্রস্তুতি বৈঠক, জানুন কবে, কোথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি ২০-র (G20) সভাপতিত্ব করার দায়িত্ব বর্তেছে ভারতের (India) ওপর। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। এই জি ২০-র সম্মেলন হবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে। সেই উপলক্ষে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হবে নানান অনুষ্ঠান। তামাম বিশ্বের ১৫০টি দেশের প্রতিনিধি যোগ দেবেন ওই সম্মেলনে। পাঁচটি সেক্টরে বৈঠক রাখা হয়েছে। জি ২০ বৈঠকে এই সেক্টরগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা।  

    কবে, কোথায়…

    গোটা দেশের সঙ্গে এই বাংলায়ও হবে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন স্তরের চারটি বৈঠক হবে। জানুয়ারির ৯-১১ বৈঠক হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিয়টে ওই বৈঠক হবে। এর পরের বৈঠক হবে ফেব্রুয়ারিতে। ওই মাসের ৮-৯ তালিখে বৈঠকে বসবে এনগেজমেন্ট গ্রুপ। এই বৈঠকটিও হবে কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিয়টে। এর পরের মাসে বাংলায় কোনও বৈঠক নেই। বৈঠক রয়েছে তার পরের মাসে। এপ্রিলের ৩-৫ তারিখে বৈঠক হবে শিলিগুড়িতে। এই বৈঠকটিও হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের। এ রাজ্যে এর পরের বৈঠকটি হবে জুলাইয়ে। ওই মাসের ১৭-১৮ তারিখে ফের হবে ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। এই বৈঠকটিও হবে কলকাতায়। জুলাই মাসের ১৯ তারিখে আরও একটি বৈঠক হবে কলকাতায়। এটি মিনিস্ট্রিয়াল মিটিং। উল্লেখ্য, জি ২০ (G20) সম্মেলন উপলক্ষে আগামী বছর দেশজুড়ে দুশোটির মতো ইভেন্টের আয়োজন করতে চাইছে নয়াদিল্লি। তার মধ্যেই রয়েছে এগুলি।

    আরও পড়ুন: জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন পুতিন! কী বললেন তাঁর মুখপাত্র?

    জি২০ সফল করতে দিন কয়েক আগে সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সর্বদলীয় এই বৈঠকটি হয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজু জনতা দল সুপ্রিমো নবীন পট্টনায়েক, সিপিআইএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ বিভিন্ন দলের প্রধানরা। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি-২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনেই আগামী বছর জি-২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। জি ২০-র (G20) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit Shah: পদ্মাপারে হিন্দু নির্যাতন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন শাহ 

    Amit Shah: পদ্মাপারে হিন্দু নির্যাতন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন শাহ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে চলছে ‘No Money for Terror’ (NMFT) সম্মেলন। এখানেই উঠে এল বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু (Hindu) সমাজের  উপর হামলার কথা। বক্তা অমিত শাহ (Amit Shah)। সম্মেলন চলাকালীন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Home Minister) আসাদুজ্জামান খানের। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সেখানেই বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন এবং মন্দিরে মন্দিরে হামলার কথা তুলে ধরেন মোদি সরকারের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন কার্যত দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে সে দেশে। 

     বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন 

    ছোট-বড় হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ভারত সহ একাধিক দেশ এবং মানবাধিকার সংগঠনকে সরব হতে দেখা গিয়েছে। নির্যাতিত হিন্দুদের ভারতে পালিয়ে আসার ঘটনাও ঘটছে। গত বছর দুর্গা পুজোর সময় বাংলাদেশের অসংখ্য জায়গায় প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে মন্দিরে হামলা, সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজের উপর হামলা ভারত সরকার যে মোটেও হালকা ভাবে নিচ্ছে না,  এদিন অমিত শাহের (Amit Shah) পদক্ষেপই তার প্রমাণ। 

     No Money for Terror এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন আসলে কী? 

    ‘No Money for Terror’  সম্মেলন প্রথম শুরু হয় ২০১৮ সালে। উদ্যোক্তা ছিল ফ্রান্স। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যে হল সন্ত্রাস দমনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলিকে একত্রিত করা। এ বছর এই সম্মেলন দিল্লিতে শুরু হয়েছে গত শুক্রবার থেকে। মোট ৭৫টি দেশের প্রতিনিধি এবং ১৫টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এবছর এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছে। সম্মেলনে মোট প্রতিনিধি ৪৫০ জন। এমন আন্তর্জাতিক মানের সম্মেলনে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের উপর হামলার কথা তুলে ধরে অমিত শাহ (Amit Shah) বোঝাতে চাইলেন যে এই ধরনের হামলাও বিশ্বব্যাপী যে  আতঙ্কবাদ চলছে তারই অংশ, এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। এছাড়াও বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সীমান্ত সমস্যা, গরুপাচার সহ একাধিক বিষয়ে কথা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক এই  সম্মেলনে অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে বলেন ,” বিশ্বের মানুষের কাছে সন্ত্রাস অত্যন্ত ভয়ঙ্কর কিন্তু তার চেয়েও ভয়ঙ্কর হল সন্ত্রাসে আর্থিক ফান্ডিং”।

  • Fighter Plane Crash: এয়ার-শো চলাকালীন আমেরিকায় দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ! মৃত ৬

    Fighter Plane Crash: এয়ার-শো চলাকালীন আমেরিকায় দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ! মৃত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাঝ আকাশে দুর্ঘটনা। এয়ারশো চলাকালীন ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মুখোমুখি সংঘর্ষে টুকরো টুকরো হয়ে গেল দুটি যুদ্ধবিমান (Fighter Plane Crash)। ঘটনায় প্রায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার ডালাস শহরে। শনিবার, টেক্সাসের ডালাস এক্সিকিউটিভ এয়ারপোর্টে বোয়িং-১৭ এবং তার থেকে ছোট একটি বিমানের এয়ার শো চলাকালীন মাঝ আকাশে ধাক্কা লাগে। দুটি বিমান মিলিয়ে মোট ছয়জন ছিলেন এবং এই সংঘর্ষে প্রত্যেকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিমানগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার (Fighter Plane Crash)। শনিবার, ডালাস বিমানবন্দরে এয়ারশো চলাকালীন বোয়িং-১৭ যুদ্ধ বিমানটির সঙ্গে বেল পি ৬৩ কিংকোবরা (Bell P 63 Kingcobra) ধাক্কা লাগে। আর এর ফলে সঙ্গে সঙ্গে দু’টি বিমান মাঝ আকাশেই ভেঙে পড়ে, সেকেন্ডের মধ্যে তা মাটিতে এসে পড়ে ও আগুনও লেগে যায় বিমানগুলিতে। বেল পি-৬৩ টি বিমানটি বোয়িং-১৭-এর বাঁদিক থেকে এসে আঘাত করে ও দুটি সেই মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে।

    আরও পড়ুন: ওয়ালমার্ট ওড়ানোর হুমকি বিমান চালকের! আমেরিকায় ফিরল ৯/ ১১-র স্মৃতি

    এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দৃশ্য ইতিমধ্যেই সোশ্যাল ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে (Fighter Plane Crash)। এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখলেই গা শিউরে উঠবে আপনারও!

    [tw]


    [/tw]

    ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এবং এফএএ-র তরফে দুর্ঘটনা (Fighter Plane Crash) খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। একটি ট্যুইট বার্তায় ডালাসের মেয়র এরিক জনসন বলেছেন যে, “এখনও কিছু তথ্য রয়েছে যা “অজানা বা অনিশ্চিত”। আপনারা অনেকেই এখন দেখেছেন, একটি এয়ার শো চলাকালীন আমাদের শহরে আজ একটি ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে এই দুর্ঘটনার পুরো বিবরণ জানা যায়নি ও নিশ্চিত করা হয়নি। ডালাস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ও দমকল বাহিনীর সহযোগিতায় ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড গোটা ঘটনার তদন্ত করছে।”

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার যুদ্ধবিমান

    উল্লেখ্য, বোয়িং-১৭ বোয়িং সংস্থার তৈরি, চার ইঞ্জিন যুক্ত একটি বোমারু বিমান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে বিমান যুদ্ধে জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল এই বিমান। অন্যদিকে, যে বিমানটির সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে তার নাম বেল-পি ৬৩। এটি ফাইটার জেট। একই যুদ্ধের সময় বেল এয়ারক্রাফ্ট এটি তৈরি করেছিল। কিন্তু শুধুমাত্র সোভিয়েত বিমান বাহিনী এটি যুদ্ধে ব্যবহৃত করেছিল। এর পোশাকি নাম কিং কোবরা (Fighter Plane Crash)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walker Murder) মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক তথ্য উঠে আসছে দিল্লি পুলিশের হাতে। এবার মেহুরুলির জঙ্গল থেকে শ্রদ্ধার আরও কিছু কাটা দেহাংশ উদ্ধার করল পুলিশ। পাওয়া গেল খুলির অংশও। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। 

    কে চালাবে সংসারের খরচ এই নিয়েই বচসা শুরু হয়েছিল ১৮ মে। তারপরই সেই ভয়ঙ্কর পরিণতি আড়াই বছর ধরে লিভ-ইনে থাকা সঙ্গীর হাতে খুন হয় শ্রদ্ধা। পুলিশের জেরায় এমনই জানিয়েছে আফতাব। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের সবরকম প্রয়াস চালায় সে। শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে। তারপর রাতের অন্ধকারে তা ফেলে আসে জঙ্গলে। এখনও সব টুকরো খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাকি দেহাংশের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। 

    আফতাবের (Aftab Amin Poonawala) দিল্লির ছত্তরপুরের ফ্ল্যাটে একাধিক রক্তের দাগ মিলেছে। রান্নাঘর-সহ ফ্ল্যাটের একাধিক জায়গায় মিলেছে রক্তের দাগ। আফতাবের ওই ফ্ল্যাটের জলের বিল বকেয়া রয়েছে। ওই মাসে ৩০০টাকা জলের বিল আসায়, পুলিশের অনুমান রক্তের দাগ ধোয়ার জন্য প্রচুর জল খরচ করেছে আফতাব। শ্রদ্ধাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর সেখনাকার শাওয়ার ছেড়ে দেয় আফতাব। তারপর দেহ টুকরো করতে থাকে। শাওয়ারের তলায় পুরো কাজটি করে সে। যাতে রক্ত শাওয়ারের জলে ভেসে বাইরে চলে যেতে পারে খুব সহজে, তাই এই পদ্ধতি। 

    প্রেম থেকে খুনের আখ্যান

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Shraddha Walker Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    আরও পড়ুন: সোমনাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে গুজরাটে প্রচার শুরু মোদির

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর।

    কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Shraddha Walker Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Shraddha Walker Murder)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

LinkedIn
Share