Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • RG Kar Incident: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে 

    RG Kar Incident: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণপিটুনির ঘটনায় শরীর জুড়ে যে রকম আঘাতের চিহ্ন থাকে, তেমনই অজস্র ক্ষতচিহ্ন ছিল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Incident) হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহে। যা কারও ‘একার পক্ষে করা সম্ভব নয়’ বলে অনুমান সিবিআই আধিকারিকদের। একই সঙ্গে তাঁদের অনুমান, দেহ যেখানে মিলেছিল সেই সেমিনার কক্ষের সমস্ত কিছুই ছিল পরিপাটিভাবে সাজানো। যা এরকম ভয়ঙ্কর ঘটনার সঙ্গে বড়ই বেমানান।

    খুন করাই উদ্দেশ্য

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, চিকিৎসক পড়ুয়াকে খুন করাই আততায়ী বা আততায়ীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্তে ইচ্ছাকৃত ধোঁয়াশা সৃষ্টি করতেই ধর্ষণের ঘটনাটি সামনে আনা হয়েছে, এমনই ধারণা সিবিআই-এর। তরুণী চিকিৎসকের দেহে কমপক্ষে ২৪টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত এবং সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট) রিপোর্টে একাধিক ফাঁকফোকর আছে। এরকম ঘটনার তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, এমন তথ্য সম্পূর্ণভাবে দেওয়া হয়নি। তারপরও যা তথ্যপ্রমাণ মিলেছে, সেগুলির ফরেন্সিক টেস্ট করা হয়েছে। খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে সেইসব তথ্যপ্রমাণ। আর তা থেকেই অনুমান করা হচ্ছে যে গণপিটুনির মতোই বেধড়ক মারধর করা হয়েছিল নির্যাতিতাকে (RG Kar Incident)।

    ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ফাঁক

    আপাত ভাবে মৃতদেহের সামনের অংশে ১৫টি গুরুতর বাহ্যিক জখমের চিহ্ন মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।। মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের পরে ন’টি গুরুতর অভ্যন্তরীণ আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। অথচ দেহের পিছনের অংশের আঘাতের উল্লেখ ময়না তদন্ত এবং সুরতহাল রিপোর্টে নেই। তদন্তকারী এক অফিসারের কথায়, “বার বার প্রবল ভাবে মৃতার গলা টিপে ‘থাইরয়েড কার্টিলেজ’ গুরুতর জখম করার আভাস মিলছে। সাংঘাতিক বল প্রয়োগ করে ওই তরুণীর মুখ, নাকও চেপে ধরা হয়। এবং তার পরে দেহের উপরের অংশে আঘাত করা হয়। তখনই চোখ ও মুখের ভিতরে রক্তপাত হয়েছে।” এভাবে মারধর কারুর একার পক্ষে সম্ভব নয় বলেই অভিমত তদন্তকারী অফিসারদের।

    আরও পড়ুন: ‘রোগী-ডাক্তার একই পক্ষ, বিপক্ষ সরকার’! বিচারের দাবিতে অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা

    অন্যত্র খুন করে দেহ সেমিনার হলে!

    সিবিআই আধিকারিকরা (CBI) প্রাথমিকভাবে মনে করছেন যে তদন্তের নজর ঘোরানোর জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। আদতে তরুণী চিকিৎসককে (RG Kar Incident) খুন করার লক্ষ্য ছিল। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, আর জি করের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের সেমিনার কক্ষটির ‘ক্রাইম সিন’ বা অপরাধের ঘটনাস্থলও চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহের আঘাতের চিহ্নের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। প্রশ্ন উঠছে, ওই রকম প্রবল আক্রমণের পরেও কী ভাবে সেমিনার কক্ষের জিনিসপত্র ওলটপালট হয়নি! এমনকি মৃতার মাথার পিছনে মোবাইল, ল্যাপটপ, ডায়েরির একটি পাতা ও ভাঙা চশমাও সুচারু ভাবে সাজিয়ে রাখা ছিল বলে অভিযোগ। অন্যত্র খুন করে দেহ সেমিনার হলে সাজিয়ে রাখার বিষয়টিও তাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার রাতেই আরও একটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজ্য। অভিযোগ, কল্যাণীর এক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এক অধ্যাপক। ৯ অগস্ট রাতে কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা মেডিক্যাল কলেজের ওই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। যার ভিত্তিতে পুলিশ ওই অধ্যাপককে গ্রেফতার করেছে।

    কী অভিযোগ

    ঘটনাটি ঘটেছিল কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই কলেজের মাইক্রোবায়োলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজের বিভাগীয় এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সময় আরজিকর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্যসহ গোটা দেশ। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বর্ষের নির্যাতিতা ছাত্রী আরজিকর নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিবাদ আন্দোলনের মঞ্চেই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। সহকর্মীদের তিনি এবিষয়ে জানান। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহস পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১৩ অগস্ট অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    জামিনের আর্জি খারিজ

    এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন খারিজ করে দেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান অভিযুক্ত অধ্যাপক। অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি সেদিন রাতে। ছাত্রীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল খানিকটা। এরপর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, যেহেতু চার্জশিট ফাইল হয়ে গেছে, এবার ছাত্রীর সাক্ষ্য গ্রহণ হবে, তাই এই অবস্থায় জামিন দেওয়া যাবে না। জানা গিয়েছে এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন অধ্যক্ষ তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেন। একদিনের মধ্যেই তার রিপোর্টও জমা পড়ে। সেই রিপোর্টও পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শহরে শরত-মেঘের আনাগোনা,  ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গ! পুজেতে পাহাড় এড়ানোই কি মঙ্গল?

    Weather Update: শহরে শরত-মেঘের আনাগোনা, ভিজতে পারে উত্তরবঙ্গ! পুজেতে পাহাড় এড়ানোই কি মঙ্গল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই মহালয়া। পুজোর শুরু বললে ভুল বলা হবে না। পরের দিন থেকেই শুরু নবরাত্রির উৎসব। আর পুজো মানেই ঘুরুঘুরু। তাই দেবীপক্ষের শুরুতে আম বাঙালির একটাই প্রশ্ন পুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া? আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) সঙ্কেত বলছে, বৃষ্টি থেকে পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছে না বঙ্গ, অন্তত এখনই। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় পুজোতে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে। ফলে পুজোর সময় পাহাড়ে ঘুরতে নাযাওয়াই ভাল মহালয়ার আগে তেমনটাই জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর। 

    প্রাক পুজোয় শহরে বৃষ্টি কেমন (Rain Forecast)

    মঙ্গলবার বিকেল থেকেই শহরের ইতিউতি বৃষ্টি নেমেছে। বেহালা, বালিগঞ্জ এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তর শহরতলিতেও বৃষ্টি নেমেছে। গত সপ্তাহে বৃষ্টি কমার পর থেকেই ফের ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দারা৷ রোদের তাপে ছাতা ছাড়া বাইরে বেরনোও দায়৷ এই পরিস্থিতিতে কলকাতা সহ  উত্তর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি মিলেছে শহরবাসীর। হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা জারি হয়নি। মহালয়ার দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে রোদ ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে বলেই আশা আবহবিদদের। মঙ্গলবার অংশত মেঘলা থাকতে পারে কলকাতার আকাশ। দু’-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    কোথায় কীরকম বৃষ্টি (Rain Forecast)

    দেশ থেকে বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হয়েছে। তবে বাংলা থেকে বর্ষা বিদায় নেবে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি। ১৬ অক্টোবরের পর থেকেই একটু একটু করে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান কমবে। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল পাহাড়ে। আপাতত দুর্যোগ কাটলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, জলপাইগু়ড়ি এবং কালিম্পংয়ে। পুজোতেও সিকিম সহ দার্জিলিঙের পাহাড়ে দফায় দফায় বৃষ্টি হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shakib Al Hasan: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় শাকিবের! টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর, শেষ টেস্ট কবে?

    Shakib Al Hasan: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় শাকিবের! টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর, শেষ টেস্ট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে চলেছেন শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। আগামীকাল, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে শাকিব জানান, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয়,কানপুরে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচই তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তবে শাকিবের ইচ্ছা ঘরের মাঠে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নির্বাচিত হলে, সেই সিরিজ খেলেই টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার।

    শাকিবের ইচ্ছা

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল শাকিবের নাম। আন্তর্জাতিক স্তরে গত ২ দশক ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট যতটুকু প্রাধান্য পেয়েছে, তার পুরোটাই শাকিবের জন্য। তবে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের প্রভাব পড়েছে শাকিবের ওপরও। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই প্রবল চাপে ছিলেন। খুনের মামলায় জড়ানো থেকে শুরু করে প্রাণনাশের হুমকি, সবই পেয়েছেন। পরিস্থিতি এতই জটিল যে, দেশে ফেরার কথা চিন্তাই করতে পারছেন না। দেশে এক সময় যিনি ছিলেন মহাতারকা, সেই তিনিই এখন গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে কার্যত অপরাধী হয়ে গিয়েছেন। এবার চাপের মুখে ক্রিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন শাকিব (Shakib Al Hasan)। এদিন শাকিব বলেন, ‘আমি মিরপুরে নিজের শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। যদি আমার ইচ্ছাপূরণ না হয়, তাহলে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচই আমার শেষ টেস্ট ম্যাচ হতে চলেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট আমায় অনেক কিছু দিয়েছে। তাই আমিও নিজের ঘরের মাঠে দলের হয়ে শেষবার মাঠে নামতে চাই।’

    দেশে ফিরবেন শাকিব!

    সূত্রের খবর, শাকিব ইতিমধ্যেই লিখিতভাবে বিসিবি-র বর্তমান প্রশাসকদের জানিয়েছেন, দেশে কেবলমাত্র একটি টেস্ট খেলতে চান তিনি। তারপর তিনি আর বাংলাদেশে ফিরবেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে বাকি জীবন কাটাবেন। তবে, নিরাপত্তা পেলেই সাকিব শেষ টেস্ট খেলার জন্য ফিরতে পারেন মিরপুরে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলে বিদায় জানাতে চান ক্রিকেটকে। তবে কোনও কারণে দেশে সুরক্ষার নিশ্চয়তা না পেলে কানপুরেই খেলবেন কেরিয়ারের শেষ টেস্ট। শাকিব জানাচ্ছেন, “এই বিষয় বোর্ডকে জানিয়েছি। ওঁরাও আমার নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করছেন। যাতে আমি শেষ টেস্ট নিরাপদে খেলতে পারি। এবং দেশ ছাড়ার সময় যেন আর কোনও সমস্যা না হয়।”

    আরও পড়ুন: ভারতেই পড়াশোনা, রাজনীতির হাতেখড়ি! শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরসূর্য

    সেরা শাকিব

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে  চট্টগ্রামে ভারতের বিরুদ্ধেই আন্তর্জাতিক টেস্ট অভিষেক হয়েছিল শাকিবের। তারপর থেকে দেশের জার্সিতে ৭০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন শাকিব। ব্যাট হাতে ৪৬০০ রান করেছেন তিনি। তাঁর দখলে রয়েছে পাঁচটি শতরান ও ৩১টি অর্ধশতরান। বল হাতেও কিন্তু  শাকিব অনবদ্য। তিনিই টেস্টে বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। ২৪২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। একমাত্র বাংলাদেশ বোলার হিসাবে তিনি লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০ উইকেটের গণ্ডি পার করেছেন। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও শাকিবের রেকর্ড চোখধাঁধানো। ১২৯টি বিশ ওভারের ম্যাচে ১২১.১৮ স্ট্রাইক রেটে শাকিব মোট ২৫৫১ রান করেছেন। তাঁর দখলে রয়েছে ১৪৯ টি উইকেট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলির একচেটিয়া আধিপত্য দূর করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারত। মোদি সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের উপর ভর করে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে দেশ। বহু দেশ-বিদেশি সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ করছে। এবার ফক্সকন তামিলনাড়ুতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে। এই টাকা কাজে লাগিয়ে তারা একটি স্মার্টফোন ডিসপ্লে মডিউল অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই প্ল্যান্ট তৈরি হলে ভারত চিনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     বিশেষজ্ঞদের মত

    সম্প্রতি, বিখ্যাত বই চিপ ওয়ার-এর লেখক ক্রিস মিলার জানান, ভারতীয় কোম্পানিগুলি খুব সহজে চিনকে হারাতে পারবে। যার জন্য একটি সঠিক কৌশল থাকতে হবে। ক্রিস মিলারের কথায়, ভারত ইলেকট্রিক গাড়ি ও চিকিৎসা প্রযুক্তি খাতে যা করে দেখিয়েছে তার সঙ্গে অন্য কেউ লড়াই করতে পারবে না। তবে এ কথা ঠিক চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে, ভারত তার জবাব দিতে পারবে না।

    মেক ইন ইন্ডিয়ার সুফল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প আসার পরই নানা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভারতে অ্যাসেম্বেল করা শুরু করেছে। আইফোন, স্যামসাংয়ের মতো জনপ্রিয় কোম্পানি দেশে স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় কোম্পানিগুলিও ধীরে ধীরে বাজারে জমি শক্ত করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন হাব হতে চলেছে ভারত। গত বছর,২০২৩ সালে ২৪৫ কোটি স্মার্টফোন তৈরি হয়েছে ভারতে। যার মধ্যে রয়েছে একাধিক বড় নাম যেমন অ্যাপল, শাওমি, ওপো এবং ভিভো। ২০২৩ সালে স্মার্টফোন তৈরি করে ৪.১ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল ১৮ হাজার,৯০০ কোটি টাকা। 

    চিন নির্ভরতা কমানো লক্ষ্য

    স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে চিন নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সংস্থা অ্যাপল। তাই ভারতই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান তাদের কাছে। পাশাপাশি স্যামসাংও ভারতকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে। দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেই একটি বড় বাজার ভারত। স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরও একাধিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বিক্রি করে তারা। যার মধ্যে স্যামসাং এগিয়ে রয়েছে। আগামীদিনে অ্যাপল এবং স্যামসাং হাই-এন্ড মেক ইন ইন্ডিয়া স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে আইফোন তৈরি করা শুরু করেছে অ্যাপল। ভারতীয় কোম্পানি টাটা গ্রূপের সঙ্গে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে অ্যাপল।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    ফক্সকনের বিনিয়োগ

    আমেরিকার প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপলের থেকে বরাত নিয়ে পণ্য তৈরি করে তাইওয়ানের ফক্সকন। তামিলনাড়ুর কারখানাটি ভারতে তাদের বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের কথা ভাবছে। ফক্সকনকে সাহায্য করবে পেগাট্রন এবং টাটা ইলেকট্রনিক্স। কবে থেকে ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন অ্যাসেম্বল বৃদ্ধি করবে তা সঠিকভাবে এখনও বলা না গেলেও কোম্পানিটি “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব” কাজ শুরু করবে। ফক্সকন অরগাডাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড লজিস্টিক্স পার্কে প্রায় ৫০০,০০০ বর্গফুট স্থান বেছে নিয়েছে। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলি ইউনিট খোলার কথা ভাবছে। ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন উৎপাদনের উপস্থিতি বিস্তৃত করতে এবং আইসিটি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। 

    দৌড়চ্ছে ভারত

    ভারতে ডিসপ্লে মডিউলগুলির স্থানীয় অ্যাসেম্বলি করা গুরুত্বপূর্ণ। এখনও এই উপাদানগুলির জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারত। যা দেশের খরচ বাড়ায় এবং সরবরাহ চেনে জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ডিসপ্লে মডিউল চিন থেকে আমদানি করা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসাবে কাজ করে। সেখান থেকে ২০-২৫ শতাংশ নিয়ে আসা হয়। ভারতে যদি স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনগুলি অ্যাসেম্বল করা যায়, তাহলে খরচ কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghee Used at Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগপ্রসাদের ঘি পরীক্ষা করতে চায় ওড়িশা সরকার

    Ghee Used at Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগপ্রসাদের ঘি পরীক্ষা করতে চায় ওড়িশা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডু নিয়ে বিতর্কের আবহেই  পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ভোগ রান্নায় ব্যবহৃত ঘিয়ের গুণমান পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল ওড়িশা সরকার। সারা দেশের লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রতিদিন পুরীর জগন্নাথদেব দর্শন করেন। রথের সময় ছাড়াও সারা বছরই ভিড় লেগে থাকে সমুদ্রসৈকত শহরে। তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের শ্রীবেঙ্কটেশ্বর স্বামীর লাড্ডু ভোগের ঘিয়ে পশুচর্ব ও মাছের তেল থাকার বিতর্কের পর সর্বত্র হিন্দু ভক্তদের মধ্যে এক অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। সেই সন্দেহের পরিবেশ দূর করতে পুরীর মন্দিরে ব্যবহৃত ভোগের ঘি পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

    বিশ্বাসে আঘাত নয়

    ওড়িশার বিজেপি সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জগন্নাথ মন্দিরে রান্নায় বা অন্যান্য প্রসাদ রান্নায় যে ঘি ব্যবহার করা হয়, তা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করানো হবে। পুরীর জেলাশাসক সিদ্ধার্থ শঙ্কর বলেন, এখানে সে ধরনের কোনও অভিযোগ না সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে ঘিয়ের মান যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা রাজ্যের সর্বোচ্চ দুগ্ধ সংগঠন ওমফেড-এর সঙ্গে কথা বলব ৷ মন্দিরে যে ঘি ব্যবহার করা হচ্ছে, তার মান যেন তারা বেঁধে দেয় ৷” তিনি জানান, প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কোঠা ভোগ (দেবতাদের উৎসর্গ করা) ও ‘বারদী ভোগ’ (ভক্তদের প্রসাদ)- এ ব্যবহৃত ঘিয়ের গুণমান পরীক্ষা করা হবে। মন্দিরের এক সেবাইত দাবি করেন, এর আগে মন্দিরের প্রদীপ জ্বালানোয় যে ঘি ব্যবহার হত, তাতে নকল ঘি ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছিল। তারপরই ওই ঘি ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    দেশে হিন্দুদের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থক্ষেত্র পুরীর জগন্নাথ মন্দির ৷ ভগবান জগন্নাথ, বলরাম এবং দেবী সুভদ্রা দর্শনে সারাবছরই ভিড় হয় পুরীতে ৷ পাশাপাশি মন্দিরের মহাপ্রসাদের চাহিদাও তুঙ্গে থাকে ৷ প্রসাদে জগন্নাথ দেবের ভোগের খিচুড়ি, ভাত, ডাল, নানারকম ভাজাভুজি, রকমারি মিষ্টির পদ বিক্রির আলাদা একটি জায়গাই রয়েছে মন্দিরের ভিতরে ৷ এই খাবারগুলি যে ঘি দিয়ে রান্না হয়, তাতে কোনও ভেজাল অর্থাৎ মাছের তেল, গরু বা শুয়োরের চর্বি জাতীয় কিছু আছে কি না, তা পরীক্ষা করে নিতে চায় পুরী প্রশাসন ৷ প্রতিদিন এই মহাপ্রসাদ কিনে খান লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থী, পুণ্যার্থী ৷ এই প্রসাদের সঙ্গে জড়িয়ে তাঁদের বিশ্বাস, ধর্মীয় আবেগ ৷ সেই বিশ্বাস, আবেগে কোনও আঘাত যাতে না লাগে তাই এই সিদ্ধান্ত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    Weather Update: সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎ না বর্ষা! শহরের আকাশ দেখে বোঝা দায় আর কয়েকদিন পরই মহালয়া। সকাল থেকে মুখ ভার আকাশের। লাগাতার বৃষ্টি (Weather Update) হয়েই চলেছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস সত্যি করেই হাজির নিম্নচাপ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আর তার জেরেই নিম্নচাপ। সেই কারণেই এই বৃষ্টি। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির (Rain Prediction) হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। তবে, মহালয়া পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে।

    কোথায় কত বৃষ্টিপাত

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, বুধবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টি হতে পারে হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। এছাড়াও বৃষ্টিতে ভাসতে পারে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া। এছাড়া কলকাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় আজ বজ্রপাত সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।  অপরদিকে, বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টি হবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানে। সুন্দরবন উপকূলে ভারী বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় নীচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শহরের আবহাওয়া

    বুধবার, কলকাতায় আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে সারা দিন। বজ্রপাত সহ বৃষ্টি (Rain Prediction) হতে পারে শহর জুড়ে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে, যা কি না স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ১.৫ ডিগ্রি কম। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রির আশেপাশে, যা কি না স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি ওপরে। এরপর আগামী কয়েকদিনে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফের বাড়তে বাড়তে ৩৩ ডিগ্রির ঘরে গিয়ে পৌঁছবে। 

    উত্তরেও বৃষ্টির পূর্বাভাস 

    বুধবার উত্তরবঙ্গেরও সব জেলায় হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে আজ ভারী বৃষ্টি (Rain Prediction) হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা থাকবে। এছাড়া কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টি হবে। শুক্রবার থেকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে শুক্রবার ভারী বৃষ্টি জারি থাকবে উত্তরবঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives: সরিয়ে দিলেন মোদি-বিরোধী দুই জুনিয়র মন্ত্রীকে, ভারতে আসছেন মুইজ্জু

    India-Maldives: সরিয়ে দিলেন মোদি-বিরোধী দুই জুনিয়র মন্ত্রীকে, ভারতে আসছেন মুইজ্জু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী মলদ্বীপ (India-Maldives)। দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে শীঘ্রই ভারতে আসছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু (President Muizzu)। মুইজ্জুর প্রস্তাবিত নয়াদিল্লি সফরের আগে মোদি (PM Modi) বিরোধী বলে পরিচিত মলদ্বীপের দুই মন্ত্রীও পদত্যাগ করেছেন। শোনা যাচ্ছে, মুইজ্জুর নির্দেশেই নাকি তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। চিন-পন্থী মুইজ্জুর নির্বাচনে জয়লাভের ঠিক পরেই মলদ্বীপে মোতায়েন ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মীদের সরানোর দাবি নিয়ে মলদ্বীপ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। মে মাসে মলদ্বীপ থেকে সব প্রতিরক্ষা কর্মীদের সরিয়ে নেয় ভারত। এর পর কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে দুদেশের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে।

    দিল্লি সফরে আগ্রহী 

    গত বছর নভেম্বরে ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই দিল্লি বিরোধী সুর চড়িয়েছিলেন মহম্মদ মুইজ্জু (President Muizzu)। এমনকী, তাঁর দুই মন্ত্রী প্রকাশ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সম্পর্কে আপত্তিজনক মন্তব্যও করেছিলেন। সেই মুইজ্জুর অফিস থেকে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট যত দ্রুত সম্ভব দিল্লি সফরে যেতে চান। মুইজ্জু এর আগে গত জুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তবে সেটা রাষ্ট্রীয় সফর ছিল না। শপথ অনুষ্ঠান শেষেই দেশে (India-Maldives) ফিরে যান তিনি। তখনই ফের আসার আমন্ত্রণপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল তাঁর হাতে। সেই মতো চলতি মাসেই নয়াদিল্লি সফরে আসতে চলেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। ভারত তাঁর ইচ্ছাকে স্বাগত জানিয়ছে।

    আরও পড়ুন: উপকৃত ৬ কোটি প্রবীণ নাগরিক, আয়ুষ্মান ভারত বিমার আওতায় সব সত্তরোর্ধ্ব

    দেশে প্রবল চাপে মুইজ্জু

    শুধু ভারতে আসার বাসনা ব্যক্ত করাই নয় মুইজ্জু (President Muizzu) তাঁর দুই মন্ত্রীকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেছেন। যদিও সরকারিভাবে বলা হচ্ছে তাঁরা পদত্যাগ করেছেন। এ বছর জানুয়ারিতে দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসেন। মুইজ্জু তখনকার মতো দুই মন্ত্রীর দফতর কেড়ে নিয়েছিলেন। তবে মন্ত্রী পদ ছিল। মঙ্গলবার মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট প্যালেস থেকে মুইজ্জুর ভারত (India-Maldives) সফরে আসার সিদ্ধান্ত ঘোষণার সঙ্গেই জানানো হয় ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। সূত্রের খবর, ভারত বিরোধিতা নিয়ে দেশে প্রবল চাপে আছেন মুইজ্জু। কারণ, মোদির সম্পর্কে ২ জুনিয়র মন্ত্রীর আপত্তিকর মন্তব্যের পরই ভারতজুড়ে বয়কট মলদ্বীপ-এর ডাক দেওয়া হয়। এর ফলে, বিপুল ক্ষতি হয় পর্যটন-নির্ভর মলদ্বীপের। কারণ, সেদেশে ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের সিংহভাগই ভারত থেকে যান।

    অর্থাভাবে সরকারি বন্ড বিক্রি

    পরিস্থিতি এমন পর্যায় গিয়ে দাঁড়ায় যে, অর্থাভাবে সরকারি বন্ড পর্যন্ত বিক্রি করতে হয় মুইজ্জু প্রশাসনকে। এর পরই, সব বিরোধী দলই শ্রীলঙ্কার দৃষ্টান্ত দিয়ে মুইজ্জুর ভারত বিরোধিতা এবং চিন (China) প্রীতি নিয়ে প্রবল প্রতিবাদ করে। বাধ্য হয়ে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক (India-Maldives) ঠিক করতে উদ্যোগী হয় মুইজ্জু প্রশাসন। কয়েকমাস আগেই, ভারত সফরে এসে সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করেন মলদ্বীপের পর্যটনমন্ত্রী। এর মধ্যে, ভারতের সঙ্গে নতুন করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে মুইজ্জু প্রশাসন।

    এবার ভারতে আসছেন খোদ মুইজ্জু (President Muizzu)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paralympics 2024: প্যারালিম্পিক্সে দ্বিতীয় সোনা ভারতের, ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন নীতেশ

    Paralympics 2024: প্যারালিম্পিক্সে দ্বিতীয় সোনা ভারতের, ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন নীতেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস অলিম্পিক্সে সোনা না এলেও প্যারালিম্পিক্সে দ্বিতীয় সোনা এল ভারতে। পুরুষদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে এসএল থ্রি ইভেন্টে সোনা জিতলেন নীতেশ কুমার। ফাইনালে তিনি গ্রেট ব্রিটেনের ড্যামিয়েল বেথেলকে হারালেন ২১-১৪, ১৮-২১, ২৩-২১ ব্যবধানে। এখনও পর্যন্ত মোট ৯টি পদক জিতেছে ভারত। পদকজয়ী অ্যাথলিটদের কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সোনার ছেলে নীতেশ

    প্যারালিম্পিক্সে নীতেশকে সোনার স্বপ্ন দেখেছিল ভারত। এসএল থ্রি বিভাগে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ছিলেন শীর্ষ বাছাই। ফাইনালে তাঁকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন দ্বিতীয় বাছাই ব্রিটেনের বেথেল। প্রথম গেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন নীতেশ। দ্বিতীয় গেমে কড়া টক্কর দেন ব্রিটিশ তারকা। প্রথম দুই গেম ১-১ হওয়ার পর তৃতীয় গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় দু’জনের। পাল্লা দিয়ে পয়েন্ট জিতেছেন দুই প্রতিপক্ষ। খুব বেশি লিড নিতে পারেননি কেউই। একটা সময় স্কোর ছিল ২১-২১। শেষে বাজিমাত করলেন নীতেশ। পর পর ২ পয়েন্ট জিতে গেম, ম্যাচ এবং সোনার পদক ছিনিয়ে নিলেন। লক্ষ্য সেন, পিভি সিন্ধুরা যা পারেনি তা করলেন ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারানো নীতেশ।

    রুপো যোগেশের

    এদিন প্যারালিম্পিক্স অ্যাথলেটিক্স থেকে চতুর্থ পদক আসে ভারতের ঝুলিতে। সোমবার ডিসকাস থ্রোয়ে রুপো পান যোগেশ কাঠুনিয়া। টোকিয়োর পর প্যারিস প্যারালিম্পিক্সেও দেশকে গর্বিত করলেন ২৭ বছরের ক্রীড়াবিদ। নীতেশের জয়ের ফলে ভারতের ঝুলিতে এল ২টি সোনা, ৩টি রুপো এবং ৪টি ব্রোঞ্জ। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সের পদক তালিকায় ২২ নম্বরে রয়েছে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup 2024: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

    Durand Cup 2024: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছে টাইব্রেকারে হেরে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2024) হাতছাড়া হল মোহনবাগানের। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কাল হল সবুজ মেরুন শিবিরের। প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও কোনও লাভ হল না। দ্বিতীয়ার্ধে আগাগোড়া ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। নির্ধারিত সময়ে খেলা ২-২ থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতল পাহাড়ের দলটি। মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো এবং শুভাশিস বসুর শট বাঁচিয়ে নায়ক নর্থইস্ট ইউনাইটেডের গোলকিপার গুরমিত। এদিনও যুবভারতীতে আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবি উঠল। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন।

    ম্যাচের আগে প্রতিবাদ

    ডুরান্ড কাপ ফাইনালেও দেখা গেল আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের (North East United) বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ম্যাচের আগে প্রতিবাদে সামিল হলেন সমর্থকরা। তা-ও কিনা রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সামনে। ব্যানারে দেখা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের দুই মহিলা সমর্থক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘হাতে হাত রেখে এ লড়াই, আমাদের বোনের বিচার চাই’। এর সঙ্গেই শনিবার আরও একটি ব্যানার দেখা যায়। মহিলাদের রাত দখলের কর্মসূচিতে যে পোস্টার তৈরি করা হয়েছিল, অনেকটা সেই ধাঁচেই ব্যানার তৈরি করা হয়। সঙ্গে লেখা, ‘তোর কোনও ভয় নেই বোন, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি’।

    শুরু থেকেই দাপট

    ম্যাচের শুরু (Durand Cup 2024) থেকেই দাপট দেখায় মোহনবাগান। কামিন্সের পর সাহাল, প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথম গোলটি হয় ৯ মিনিটের মাথায়। পেনাল্টিতে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিলেন কামিন্স। বক্সের মধ্যে সাহালকে ফাউল করেন নর্থ ইস্ট ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিন্স। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে ফের গোল মোহনবাগানের। এবার নর্থ ইস্টের জালে বল জড়ালেন সাহাল। বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যান কোলাসো। বক্সে ঢুকে পাস দেন সাহালকে। সেখান থেকে জালে বল জড়িয়ে দেন সবুজ-মেরুনের ফুটবলার। 

    দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রঙ বদল

    প্রথমার্ধেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ২-০ এগিয়ে যাওয়ায় ১৮ নম্বর ট্রফির স্বপ্ন উজ্জ্বল হতে শুরু করে সবুজ মেরুন শিবিরে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎই খেলার রং বদল। ম্যাচের ৫৬ ও ৫৮ মিনিটে পরপর দু-গোল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফয়সালা না হওয়ায় ফাইনাল গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই বাজিমাত পাহাড়ের দলটির। নাটকীয় ফাইনালে টাইব্রেকারে মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) হারিয়ে প্রথমবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেই চ্যাম্পিয়ন (Durand Cup 2024) হল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share