Author: subhra-katwa

  • Daily Horoscope 24 April 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 24 April 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ছাত্রছাত্রীরা বহুমুখী প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ২) নিঃসঙ্গতা আপনাকে তাড়িয়ে বেড়াবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রতিবেশীদের সঙ্গে খুব বুদ্ধি নিয়ে চলতে হবে।

    ২) ঋণের পরিমাণ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত ক্রোধের ফলে হাতে আসা কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা সফল হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    সিংহ

    ১) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে এগোনো উচিত।

    ২) শেয়ার বাজারে লাভ দেখা যাচ্ছে, তবে খুব চিন্তা করে বিনিয়োগ করুন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কন্যা

    ১) স্ত্রীর জন্য বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ২) কোনও দুঃস্থ ব্যক্তির পাশে দাঁড়াতে হতে পারে।

    ৩) সমাজের কাজে সাফল্য।

    তুলা

    ১) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে।

    ৩) প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ২) বন্ধুদের দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) চোখ কান খোলা রেখে বিশ্বাস করুন।

    ধনু

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিযোগিতামূলক কাজে জয়ের আশা রাখতে পারেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ২) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Daily Horoscope 23 April 2025: বন্ধুদের পাশে পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 23 April 2025: বন্ধুদের পাশে পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) শত্রু থেকে সাবধান।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

     

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে ঘৃণা জন্মাতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

     

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে এবং তার ফলে ভাল সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারবেন না।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা হতে পারে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে পারেন।

    ২) কোনও ব্যক্তির জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মানহানি হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • JD Vance: ‘‘ভারত-মার্কিন বাণিজ্যের শর্ত চূড়ান্ত’’, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরদিন জানালেন ভান্স

    JD Vance: ‘‘ভারত-মার্কিন বাণিজ্যের শর্ত চূড়ান্ত’’, মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরদিন জানালেন ভান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের ঠিক পরদিন, আজ মঙ্গলবার আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স (JD Vance) জানালেন, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে শর্তাবলী চূড়ান্ত হয়েছে। প্রসঙ্গত ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির মধ্যে মার্কিন (USA) উপরাষ্ট্রপতির এমন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কী বললেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

    মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট (JD Vance) বলেন, ‘‘আমাদের দেশ সর্বদা সেভাবেই বাণিজ্য বন্ধু বানাতে চায় যারা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে আমাদের সঙ্গে কাজ করবে। আমরা সবসময় নিজেদের জাতীয় স্বার্থকেই সামনে রাখি। আমরা চাই বিদেশি বন্ধুদের সঙ্গে একটি শক্তপোক্ত সম্পর্ক। যে দেশগুলি তাদের শ্রমিকদের সম্মান করে এবং নিজেদের রফতানি বাড়ানোর জন্য শ্রমিকদের মজুরি কেটে নেয় না বরং তাঁদের শ্রমের মূল্যকে সম্মান করে।’’ মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘‘আমরা এমন দেশকেই নিজেদের বাণিজ্য বন্ধু হিসেবে চাই, যারা আমেরিকার সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সেই সমস্ত দেশকেই নিজেদের বাণিজ্য বন্ধু হিসেবে চাই, যারা উন্মুক্ত, স্থিতিশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ একটি বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদ্যোগী হবে।’’ মার্কিন উপরাষ্ট্রপতির মতে, ‘‘আমেরিকার সঙ্গে ভারতের অর্থনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার ভিত্তিতেই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।’’

    সোমবারই তিনদিনের ভারত সফরে এসেছেন ভান্স

    প্রসঙ্গত, সোমবারই তিন দিনের ভারত সফরে এসেছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স (JD Vance)। সোমবার সকালে দিল্লির পালাম বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে তাঁর বিশেষ বিমান। ভান্সের সঙ্গে সফরে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী, ভারতীয় বংশোদ্ভূত উষা ভান্স এবং তিন শিশুসন্তান— ইওয়ান, বিবেক ও মিরাবেল। ভান্সের তিন সন্তানই ভারতীয় পোশাক পরে এদেশে আসে। প্রসঙ্গত, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথমবার ভারতে এলেন মার্কিন (USA) উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্স। দিল্লির পালাম বিমানঘাঁটিতে তাঁকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় রেল এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বিমানঘাঁটিতে ভান্সকে (JD Vance) ‘গার্ড অফ অনার’ দেওয়া হয়।

  • Deendayal Upadhyaya: পাশ্চাত্য দর্শনে ব্যক্তি সুখ, একাত্ম মানববাদে ধর্ম-মোক্ষের ধারণা দেন দীনদয়াল

    Deendayal Upadhyaya: পাশ্চাত্য দর্শনে ব্যক্তি সুখ, একাত্ম মানববাদে ধর্ম-মোক্ষের ধারণা দেন দীনদয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয় আমাদের দেশ ভারতবর্ষ। তারপর থেকে এদেশের কংগ্রেস এবং বামপন্থী দলের নেতারা পাশ্চাত্যের পুঁজিবাদ এবং সোভিয়েত মডেলকেই ভারতের নীতি করতে চেয়েছিলেন। ঠিক এই সময়েই ভারতীয় সভ্যতার প্রতিধ্বনি নিয়ে হাজির হন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya)। ১৯৬৫ সালের ২২ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে তিনি চারটি সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। এই বক্তব্যগুলি শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শই ছিল না, এটা ছিল ভারতের সনাতন সংস্কৃতি এবং সভ্যতার প্রতিধ্বনি। পরবর্তীকালে এটাই হয়ে ওঠে একাত্ম মানববাদ। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রবর্তিত একাত্ম মানববাদ বর্তমানে প্রতিফলিত হয় বিজেপির সংবিধানের তিন নম্বর ধারায়।

    ব্যক্তি সুখের কথাই বলে পাশ্চাত্য দর্শন

    দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhyaya) মতে, এই সমাজের চারটি উপাদান রয়েছে। প্রথমটি হল দেশ বা রাষ্ট্র, দ্বিতীয়টি হল সংস্কৃতি, তৃতীয় হল জনগণ, চতুর্থ হল সরকার। একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠায় এবং সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে এই চারটি উপাদানকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। এই ৪ উপাদানের মধ্যে যদি সংযোগ না ঘটে তাহলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় না বলেই মনে করতেন দীনদয়াল উপাধ্যায়। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বর্তমান উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায়, নাগলা চন্দ্রভাগ নামক স্থানে। শৈশবে অত্যন্ত দুঃখ কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হন তিনি। মাত্র ৭ বছর বয়সেই তিনি তাঁর পিতামাকে হারান এবং বড় হয়ে ওঠেন আত্মীয়দের কাছে। অত্যন্ত মেধাবী দীনদয়াল ছাত্রজীবনে স্বর্ণপদকও লাভ করেন। পরবর্তীকালে চাকুরি না করে তিনি দেশের সেবায় অংশগ্রহণ করেন। যোগ দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে। এরপরেই দীনদয়াল উপাধ্যায় দেশজুড়ে বীজ বুনতে থাকেন সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের। তাঁর দর্শন (Ekatma Manava Darshan) ভারতীয় ভাবধারায় গড়ে উঠেছিল। সেখানে ঔপনিবেশিকতার কোনও ছায়া দেখা যায়নি। পাশ্চাত্য দর্শনে যেখানে ব্যক্তি জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বলেছে, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দর্শন সেখানে ব্যক্তি-সমাজ-প্রকৃতি-আধ্যাত্মিকতার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে।

    দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রণীত একাত্ম মানববাদ (Ekatma Manava Darshan)

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya) বলতেন, ‘‘ভারতবর্ষে জাতীয়তাবোধের ভিত্তি হল ভারত মাতা, যদি মাতা শব্দটা সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে শুধু ভারত, মাটির টুকরো হয়েই পড়ে থাকবে।’’ পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতে, প্রতিটি মানুষের সম্পূর্ণ গঠন হয় চারটি উপাদানের ভিত্তিতে। এগুলি হল শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মা। এই চারটি উপাদানের সঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ এই চারটি বিষয় সম্পর্কিত। ধর্ম হল ভিত্তি এবং মোক্ষ হল সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। অন্যান্য মতাদর্শ যেখানে শুধুমাত্র মন এবং শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের কথা বলে সেখানে একাত্ম মানববাদে ধর্ম এবং মোক্ষেরও ধারণা দিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’ নীতিনিষ্ঠ এবং মূল্যবোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখতেন পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhyaya)।

  • RBI: বয়স ১০ হলেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে চালাতে পারবে ছোটরা, মিলতে পারে এটিএম কার্ডও, জানাল আরবিআই

    RBI: বয়স ১০ হলেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে চালাতে পারবে ছোটরা, মিলতে পারে এটিএম কার্ডও, জানাল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ বছর বয়স হলেই এখন থেকে ছোটরা তাদের নিজেদের সেভিংস বা টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (Minor Bank Accounts) খুলতে ও নিজেরাই চালাতে পারবে। এমনটাই ঘোষণা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে সব ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক এবং কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রেই। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে প্রাইমারি (আরবান) কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক, স্টেট কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক এবং ডিস্ট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল, ব্যাঙ্ক যদি মনে করে সেক্ষেত্রে ১০ বছরের বেশি বয়সি শিশুদের ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, এটিএম কার্ড, চেকবুক ইত্যাদির সুবিধাও দিতে পারবে। তবে এসব দেওয়ার আগে ঝুঁকি-সংক্রান্ত নিয়মাবলি পর্যালোচনা করবে ব্যাঙ্ক। আগে নিশ্চিত হতে হবে, যে এইসব শিশুদের উপযুক্ত কিনা।

    ১ জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর হবে নয়া নীতি (Minor Bank Accounts)

    অ্যাকাউন্ট খোলার সময় এবং পরবর্তীকালে ব্যাঙ্ককে কেওয়াইসি নিয়ম মেনে চলতে হবে বলেও জানিয়েছে আরবিআই। শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্ত ব্যাঙ্ককেই আগামী ১ জুলাই ২০২৫-এর মধ্যে এই নতুন নির্দেশ কার্যকর করে নিজেদের নীতি প্রণয়ন করতে হবে। গতকাল সোমবারই এক বিবৃতিতে আরবিআই জানায়, বহু বছর আগে জারি করা পুরনো এক নির্দেশিকাকে পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। তারপরেই এই নতুন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। শিশুদের জন্য ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলার ও পরিচালনার নিয়ম করা হয়েছে। আরবিআই (RBI) আরও জানিয়েছে, যে কোনও বয়সের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু তার আইনি অভিভাবকের মাধ্যমে সেভিংস বা টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। ১০ বছর বা তার বেশি বয়স হলেই তারা এখন নিজেরাই এসব অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারবে।

    অ্যাকাউন্টে সবসময়ই পজিটিভ ব্যালান্স রাখতে হবে

    এই নিয়মের পাশাপাশি, ব্যাঙ্কগুলিকে নিজেদের অ্যাকাউন্টগুলিকে শর্ত নির্ধারণ করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাকাউন্টে জমা টাকার সীমা নির্ধারণ, অন্যান্য শর্তাবলি স্থির করা এবং সেগুলো স্পষ্টভাবে কিশোর গ্রাহকদের জানানো। যখনই কোনও অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৮ বছরে পৌঁছে যাবে, তখনই তাকে আবার অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য নতুন নির্দেশনা ও সিগনেচার দিতে হবে বলে জানা গিয়েছে। আরবিআই (RBI) আরও জানিয়েছে, শিশুর নামে থাকা অ্যাকাউন্ট, সেটা অভিভাবক দ্বারা পরিচালিত হোক বা শিশু নিজে পরিচালনা করুক, কোনওভাবেই ওভারড্রাফট সুবিধা পাবে না। অর্থাৎ অ্যাকাউন্টে সবসময়ই পজিটিভ ব্যালান্স রাখতে হবে বলে জানিয়েছে আরবিআই।

  • Bangladesh: হিংসার বাংলাদেশে নেই শ্রমিক নিরাপত্তা! ৫ হাজার কোটির রেল প্রকল্প বন্ধ করল মোদি সরকার

    Bangladesh: হিংসার বাংলাদেশে নেই শ্রমিক নিরাপত্তা! ৫ হাজার কোটির রেল প্রকল্প বন্ধ করল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের অগাস্ট মাসেই বিএনপি ও জামাত অগণতান্ত্রিকভাবে দখল করে বাংলাদেশের (Bangladesh) গণভবন। দেশ ছাড়া হন শেখ হাসিনা। পতন হয় তাঁর সরকারের। এরপর থেকেই ভারত বিরোধী কার্যকলাপ বাড়াতে থাকে অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার। দিল্লির সঙ্গে বাড়তে থাকে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। অবনতি হয় সম্পর্কের। এই আবহে নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt) নেতৃত্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশ কয়েকটি রেল প্রকল্পের নির্মাণ এবং অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দিল্লির তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তিত ভারত। তাই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বেশ কতকগুলি সংবাদমাধ্যম। জানা যাচ্ছে, অর্থ বরাদ্দ বন্ধের ফলে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প— আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত রেল সংযোগ প্রকল্প, খুলনা-মোংলা বন্দর রেল লাইন এবং ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রেল সম্প্রসারণ— স্থগিত করা হয়েছে।

    বন্ধ হওয়া প্রধান প্রকল্পগুলি (Bangladesh)

    ১. আখাউড়া-আগরতলা সীমান্ত রেল সংযোগ প্রকল্প 

    জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পটি ভারত সরকারের প্রায় ৪০০ কোটির অনুদানে বাস্তবায়িত হচ্ছিল। ১২.২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই রেলপথের মধ্যে বাংলাদেশের অংশ ৬.৭৮ কিলোমিটার ও ত্রিপুরার অংশ ৫.৪৬ কিলোমিটার। এতে ত্রিপুরা ও অসমসহ উত্তর-পূর্ব ভারতের সংযোগ বাড়ার কথা ছিল।

    ২. খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্প (Bangladesh)

    এই প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা ভারতের ব্রডগেজ রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারত। এই প্রকল্পের আওতায় মোংলা বন্দর ও খুলনার মধ্যে ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রড গেজ রেললাইন নির্মাণ করা হচ্ছিল।

    ৩. ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রেল সম্প্রসারণ প্রকল্প

    এই প্রকল্পটি আর মাত্র ২ বছর পরে ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। ভারতীয় এক্সিম ব্যাংক থেকে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা অর্থ সহায়তায় চলছিল কাজ। জানা যাচ্ছে, এইগুলি ছাড়া আরও বেশ কতকগুলি প্রকল্পের কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।

    ভারত সরকার কোনও বিবৃতি দেয়নি

    যদিও ভারত সরকার এ নিয়ে কোনও বিবৃতি দেয়নি। তবে এর মধ্যেই বাংলাদেশে রেল সংযোগ একাধিক প্রকল্পে ভারতের অর্থ বরাদ্দ বন্ধের খবরটি নতুন করে সামনে এসেছে। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যম এই বিষয়টি তুলে ধরেছে বলেও জানা যাচ্ছে। দিল্লির এমন পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশের রেলপথের মাধ্যমে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর–পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য বা ‘সেভেন সিস্টার্স’কে যুক্ত করার পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ অগাস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের একাধিক কট্টরপন্থী নেতার মুখে ‘সেভেন সিস্টার্স’ ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি শোনা গিয়েছে।

    শ্রমিকদের নিরাপত্তাই উদ্বেগের কারণ

    যদিও সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন নামের একটি সংবাদপত্র। ওই প্রতিবেদন অনুসারে জানা যাচ্ছে, যে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh), সেই পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। ঠিক এই কারণেই রেল প্রকল্পগুলির তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খবর। প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ও তাদের একের পর এক ভারত বিরোধী অবস্থানের ফলে প্রকল্পগুলি বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হল।

    বিকল্প রুটের সন্ধান নয়াদিল্লির

    একাধিক রিপোর্টেই উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার কারণে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারত বিকল্প রাস্তার সন্ধানও পেয়েছে। ভুটান ও নেপালের মতো অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলির মাধ্যমে বিকল্প একটি ট্রানজিট রুট কিভাবে নির্মাণ করা যায় সেই পরিকল্পনায় করছে ভারত। অর্থাৎ ভারত-বিরোধী ইউনূসের বাংলাদেশের (Bangladesh) সঙ্গে কোনওভাবেই সম্পর্ক রাখতে চায় না মোদি সরকার।

    শিলিগুড়ি গুরুত্বপূর্ণ করিডর, উত্তরপূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার

    জানা যাচ্ছে এই আবহে ভারতীয় রেল বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে পরিকাঠামো সম্প্রসারণের দিকেই নজর দিয়েছে। এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল শিলিগুড়ি করিডর। প্রসঙ্গত, শিলিগুড়িকে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশ দ্বারও বলা হয়ে থাকে। শিলিগুড়ি করিডরকে পশ্চিমবঙ্গে চিকেন নেকও বলা হয়ে থাকে। শিলিগুড়িকে কেন্দ্র করেই লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলবে বলে জানা যাচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন রেলওয়ে আধিকারিকরা। এক উচ্চপদস্থ রেল আধিকারিকের মতে, রেল লাইনের সম্প্রসারণের জন্য সার্ভের কাজ চলছে। ভারতীয় রেল নেপাল ও ভুটানের মধ্য দিয়ে নতুনভাবে করিডর তৈরির পরিকল্পনা করছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে এমন তিক্ত সম্পর্ক আগে দেখা যায়নি

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার প্রাক্তন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পরে এবং ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন থেকেই ক্ষমতায় এসেছে তখনই ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক সবচেয়ে অবনতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এমন সম্পর্কের অবনতি কখনও দেখা যায়নি। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর ব্যাপক সাম্প্রদায়িক হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে। ভারত কড়া বিবৃতি জারি করেছে একাধিকবার। সে দেশের হিন্দুদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে বলেছে ইউনূস সরকারকে। একইসঙ্গে নয়া দিল্লি অভিযোগ তুলেছে যে ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পদক্ষেপ না করার জন্যই এসে দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর উগ্র মৌলবাদীদের হামলা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এমন তিক্ত সম্পর্কই এবার প্রভাব ফেলল দিল্লির এমন সিদ্ধান্তে।

    চিন সফরে গিয়েও উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে মন্তব্য করেন ইউনূস

    প্রসঙ্গত, মাস খানেক আগেই চিন সফরে গিয়েছিলেন ইউনূস। সেসময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের কথাতেও সেভেন সিস্টার্স–এর উল্লেখ ছিল। সেখানে তিনি বাংলাদেশ হয়ে ভারতে চিনা বাণিজ্যের প্রসার সম্পর্কে বলতে গিয়ে দাবি করেছিলেন। তাঁর মতে, সেভেন সিস্টার্সকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশই হলো গার্ডিয়ান অফ দ্য ওশন। ভারতের বর্তমান সিদ্ধান্তে ইউনূসের এমন ভাবনা ধাক্কা খেল।

    চিকেন নেক এলাকায় চিনকে ঘাঁটি বানাতে অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ!

    বাংলাদেশ নিজেকে বঙ্গোপসাগরের ‘গার্ডিয়ান’ বলে আখ্যা দেওয়ার পরে জানা যায়, সেদেশের উত্তরে চিকেনস নেক এলাকার কাছে নাকি চিনকে ঘাঁটি বানানোর অনুমতি দিয়েছেন ইউনূস। এহেন পরিস্থিতিতে এবার বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ভারতের রেল প্রকল্পের সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদশের ওপর যে ভারত কোনওভাবেই নির্ভরশীল নয়, তা বোঝাতে ভারত এবার নেপাল এবং ভুটানের মধ্যে দিয়ে উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির উপায় খুঁজছে।

  • World Earth Day 2025: ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস, এবছরের থিম ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’

    World Earth Day 2025: ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস, এবছরের থিম ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ২২ এপ্রিল পালন করা হয় বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day 2025)। এই দিনে পৃথিবীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। এই দিন সারা বিশ্বের মানুষকে সচেতন করার দিন। প্রতি নিয়ত বেড়ে চলা দূষণের ফলে বাড়ছে উষ্ণতা। বৃক্ষচ্ছেদন থেকে জল দূষণ, কলকারখানার নির্গত ধোঁয়া থেকে বায়ু দূষণ, নানাভাবে মাটির দূষণ, এই সমস্ত কারণে পৃথিবী প্রতিনিয়ত বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। তাই রাষ্ট্রসংঘের তরফেই শুরু হয় এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়।

    ২০২৫ সালে বিশ্ব ধরিত্রী দিবসের থিম হল ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’

    ২০২৫ সালে বিশ্ব ধরিত্রী দিবসের (World Earth Day 2025) থিম হল ‘আমাদের শক্তি, আমাদের গ্রহ’। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, বিগত দশক (২০১৫-২০২৪) ছিল সবচেয়ে উষ্ণতম। এই আবহে ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বিশ্ব পৃথিবী দিবসের পালন। বিশ্ব পৃথিবী দিবস কেবল উদযাপনের একটি দিন নয়, বরং এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের গ্রহকে রক্ষা করা সংকল্পের দিন।

    বিশ্ব ধরিত্রী দিবস দিনটির ইতিহাস (World Earth Day 2025)

    বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day 2025) পালন শুরু হয় গত শতক থেকেই। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তোলার সচেতনতা বাড়াতে রাষ্ট্রসংঘ এই বিশেষ দিনটা পালন করা শুরু করে। নানা দেশে দূষণ কমাতে নানাভাবে আন্দোলন দেখা গিয়েছে বিগত শতকে। ১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল উসকনসিনের সেনেটর গেলর্ড নেলসন বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day) উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেন। জানা যায়, এমন অনুষ্ঠানের পিছনে একটি বড় কারণ ছিল। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা বারবারাতে তৈল নিষ্কাশনের ফলে প্রবল দূষণের ঘটনা তাঁকে রীতিমতো নাড়া দেয়। গেলর্ড মনে করতেন আমাদের পরিবেশ সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া উচিত। গেলর্ডের সেই আহ্বানে মেলে অভূতপূর্ব সাড়া। ২ কোটি মানুষ সেখানে যোগ দেয়। এরপর থেকে ওই দিনটিই বিশ্ব ধরিত্রী দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। এখন সারা বিশ্বের ১৯৩টি দেশ এই বিশেষ দিন পালন করে।

  • Daily Horoscope 22 April 2025: ধৈর্য ধরতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 22 April 2025: ধৈর্য ধরতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ram Darbar: অক্ষয় তৃতীয়াতে রাম দরবারে বসছে ১৮ মূর্তি, জানাল তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট

    Ram Darbar: অক্ষয় তৃতীয়াতে রাম দরবারে বসছে ১৮ মূর্তি, জানাল তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অক্ষয় তৃতীয়াতে বড় উৎসবের জন্য সেজে উঠছে অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Darbar)। রামদরবারে বসছে অক্ষয় তৃতীয়াতে বসছে ১৮টি মূর্তি। ৩০ এপ্রিল এক ধর্মীয় রীতি মেনে স্থাপন করা হবে মূর্তিগুলিকে। সংবাদমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী জুন মাসে তিন দিনের ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ অনুষ্ঠান হবে। এসময়ে জলবাস, অন্নবাস, ঔষধিবাসের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে রামমন্দিরে।

    মন্দির প্রাঙ্গণে ছয়টি মন্দির (Ram Darbar)

    চম্পত রাই আরও জানিয়েছেন, মন্দির প্রাঙ্গণে ছয়টি মন্দির স্থাপন করা হচ্ছে। সূর্য, ভগবতী, অন্নপূর্ণা, শিবলিঙ্গ, গণপতি এবং হনুমানজির মূর্তি। সপ্তম মূর্তিটি বসছে শেষাবতার মন্দিরে। সেখানে লক্ষ্মণের একটি মূর্তি স্থাপন করা হবে।

    সপ্ত মণ্ডপ অংশে বসছে ৭ মূর্তি

    রাম মন্দিরের (Ram Darbar) প্রাঙ্গণে অবস্থিত সপ্ত মণ্ডপ অংশে বসছে আরও ৭ মূর্তি। এগুলি হল- মহর্ষি বাল্মীকি, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র, অগস্ত্য মুনি, নিষাদ রাজ, শবরী এবং অহল্যার মূর্তি স্থাপন করা হবে।

    তুলসীদাসের মূর্তি ইতিমধ্যেই স্থাপিত

    পঞ্চদশ মূর্তি হিসেবে রামচরিত মানসের লেখক তুলসীদাসের মূর্তি ইতিমধ্যেই মন্দির চত্বরের (Akshaya Tritiya) যাত্রী সুবিধা কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে। বাকি ২ মূর্তিও বর্তমানে প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন রামমন্দির ট্রাস্টের এই সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, জয়পুরের সাদা মাকরানা মার্বেল থেকে ১৮টি মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে। ১৫ এপ্রিল থেকে অযোধ্যায় এগুলিকে নিয়ে আসা শুরু হয়েছে।

    অক্টোবরেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে মন্দির

    সাংবাদিক বৈঠকে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যেই রামমন্দিরের সম্পূর্ণ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে (Ram Darbar)। প্রসঙ্গত, সাংবাদিক বৈঠকে যোগী আদিত্যনাথ সরকারেরও ভূয়সী প্রশংসা করতে শোনা যায় চম্পত রাইকে। তাঁর মতে, নির্মাণের কাজে ব্যাপক সাহায্য করেছে যোগী সরকার। প্রসঙ্গত, রামমন্দিরের উদ্বোধন হয় ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Sukanta Majumder: ‘‘ভয় পেলে বেশি ভয় দেখাবে’’, নিহত পিতা-পুত্রের বাড়িতে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumder: ‘‘ভয় পেলে বেশি ভয় দেখাবে’’, নিহত পিতা-পুত্রের বাড়িতে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা কবলিত সামশেরগঞ্জে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। বিজেপির (BSF) রাজ্য সভাপতি এদিন পৌঁছে যান জাফরাবাদে খুন হওয়া হরগোবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের বাড়িতেও। নিহত পিতা-পুত্রের পরিবার সহ হিন্দু সমাজের উদ্দেশে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘ভয় পাবেন না, ভয় পেলে বেশি ভয় দেখাবে। আমরা পাশে আছি। প্রয়োজনে আবার আসব।’’ এই সময়েই জাফরাবাদে খুন হওয়া বাবা-ছেলের পরিবার দাবি করে, ‘‘বিএসএফের স্থায়ী ক্যাম্প চাই।’’ এজন্য তাঁরা নিজেরাও জমি দিতে ইচ্ছুক বলে জানান। সুকান্ত মজুমদার আশ্বাস দেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলবেন।

    পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মহিলারা

    বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে (Sukanta Majumder) কাছে পেয়ে নিগ্রহ, ঘরছাড়ারা এদিন ক্ষোভ উগরে দেন। এক মহিলা বলেন, ‘‘আমাদের কথা শুনলে শিউরে উঠবেন। সারা রাত তাণ্ডব চলেছে। ঘর বাড়ি সব শেষ কিচ্ছু নেই। কী করে বাঁচব আমরা?’’ পুলিশকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। এক মহিলা বলেন, ‘‘আমরা কেঁদে কেঁদে মরে গিয়েছি। পুলিশ সব জানে, তাও পুলিশ একটি বারের জন্যও আসেনি। আমরা যখন মারা যাব, তখন কি পুলিশ আসবে।’’

    কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) তাঁদের আশ্বাস দেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের পাশে রয়েছে। সুকান্ত বলেন, ‘‘রিফিউজি ক্যাম্পে গিয়েছিলাম, তখন প্রত্যেকেরই দাবি ছিল, এলাকায় স্থায়ী বিএসএফ ক্যাম্প দরকার। রাজ্য পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাস নেই। আমি রাজ্য সরকারকে আবেদন করব, এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্থায়ী ক্যাম্প করার রাজ্য যাতে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করে।’’ সংবাদমাধ্যমের সামনে সুকান্ত আরও বলেন, ‘‘চিফ সেক্রেটারিকে আমি নিজে আমার প্যাডে চিঠি লিখব, যে ৫৬ খানা দোকানের মালিককে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করা হয়। মূর্তি-বিগ্রহ ভাঙা হয়েছে। যারা অন্যের ধর্মকে সম্মান করতে পারে না, নিজের ধর্মকেও সম্মান করেনা।’’

    প্রসঙ্গ এনআইএ তদন্ত

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিজেপির (BSF) রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumder) বলেন, ‘‘আমরা জনগণের দাবির সঙ্গে আছি। কিছু লোক এনআইএ তদন্তের জন্য আদালতে গিয়েছেন। আমাদের সকলের চোখ এখন আদালতের দিকে। যদি কলকাতা হাইকোর্ট এনআইএ তদন্তের অনুমতি দেয়, তাহলে সরকার তা অনুসরণ করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন যাতে তাদের (ভুক্তভোগীদের) ফেরত পাঠানোর হয়। কিন্তু তারা কোথায় যাবে? তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।’’

LinkedIn
Share