Author: subhra-katwa

  • Daily Horoscope 05 September 2025: ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা দূর হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 05 September 2025: ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা দূর হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) তবে আজকের দিনটি ব্যয় বেশি হবে।

    ৩) জীবন সঙ্গীর সঙ্গে বেশি করে সময় কাটান।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) ভাগ্যের সঙ্গ পাওয়ায় নিজের কাজ সহজে পূর্ণ করতে পারবেন।

    ৩) আবহাওয়াজনিত অসুস্থতার কারণে মন ব্যাকুল হবে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি আয় বৃদ্ধি করবে।

    ২) সামাজিক কাজকর্মে আপনাদের রুচি থাকবে।

    ৩) মান-সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) আশপাশের পরিবেশ আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) একের পর এক সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) নতুন গাড়ি কেনার ইচ্ছাপূরণ হতে পারে।

    সিংহ

    ১) কাজ করলে সুফল পাবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

    ৩) ব্যবসায় আপনার লাভ হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ ফলদায়ী।

    ২)  অনলাইন কাজ করেন যাঁরা, তাঁরা কোনও বড়সড় অর্ডার পেতে পারেন।

    ৩) আমদানি ভালো হবে।

    তুলা

    ১) আজ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবেন।

    ২)  ব্যবসায়িক দুশ্চিন্তা দূর হবে।

    ৩) রাজনীতিতে কর্মরত জাতকরা আজ কোনও বড়সড় পদ লাভ করতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি ঠিকঠাক থাকবে।

    ২) চাকরিজীবী জাতকরা অধিক চাপের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ধনু

    ১) প্রেমীর সঙ্গে রোম্যান্টির মুহূর্ত কাটাবেন।

    ২) ভুল বোঝাবুঝির কারণে ভাইদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে পারে, তা দূর করার চেষ্টা করতে হবে।

    ৩) চতুর বুদ্ধির প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে শত্রুদের সহজে পরাজিত করতে পারবেন।

    মকর

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে কর্মরত তাঁদের আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) পরিবারে সম্মান বাড়বে।

    ৩) কোনও নতুন পদ পেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১)  আজকে আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) জীবনসঙ্গীর পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি সমস্ত দুশ্চিন্তা দূর হবে।

    ২) কোনও কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    ৩) নতুন কিছু করার চিন্তাভাবনা করে থাকলে তা এবার সম্পন্ন হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • RSS: শুক্রবার যোধপুরে বসছে সমন্বয় বৈঠক, তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করল আরএসএস

    RSS: শুক্রবার যোধপুরে বসছে সমন্বয় বৈঠক, তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ যোধপুরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আরএসএস-এর (RSS) সমন্বয় বৈঠক। তার আগে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন আরএসএস নেতা সুনীল আম্বেকর। ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের বিজয়াদশমী পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) তার শতবর্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এই অনুষ্ঠান শুরু হবে নাগপুরে একটি বিজয়াদশমীর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, যেখানে সংঘের সরসঙ্ঘচালক ড. মোহন ভাগবত ভাষণ দেবেন। আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, শতবর্ষের উদযাপনে দেশজুড়ে স্বয়ংসেবকরা পথসঞ্চালন করবেন এবং বছর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে- হিন্দু সম্মেলন, সামাজিক সদ্ভাবনা সভা, গৃহ সংস্পর্শ কার্যক্রম। তিনি আরও জানিয়েছেন, এসব কর্মসূচির লক্ষ্য হল সংঘের কর্মকাণ্ডকে সমাজের বৃহত্তর অংশের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

    ‘পঞ্চ পরিবর্তন’-এর (RSS) কথাও এদিন বলেন সুনীল আম্বেকর

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সংঘের ‘পঞ্চ পরিবর্তন’-এর কথাও তুলে ধরা হয়। জানানো হয় এনিয়েও আলোচনা চলবে সংঘের সমন্বয় বৈঠকে। এই ইস্যুতে কর্মসূচি চলবে আগামীদিনে। প্রসঙ্গত, এই ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ হল-

    সামাজিক সম্প্রীতি (Social Harmony)

    পারিবারিক জাগরণ (Family Awakening)

    পরিবেশ সচেতনতা (Environmental Awareness)

    আত্মনির্ভরতা (Self-Reliance)

    নাগরিক কর্তব্য (Civic Duty)

     কী কী আলোচনা হবে অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠকে (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)?

    সংঘের (RSS) বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম পর্যালোচনা চলবে। একইসঙ্গে  ২০২৫-২৬ সালের শতবর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা, বিশেষ করে পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির প্রসঙ্গে।

    কারা অংশ নেবেন বৈঠকে?

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন, ড. মোহন ভাগবত (সরসংঘচালক), দত্তাত্রেয় হোসাবলে (সরকার্যবাহ), সমস্ত সহ-সরকার্যবাহগণ, সংঘের ৩২টি সংগঠনের ৩২০ জন কার্যকর্তা। উপস্থিত সংগঠনগুলোর (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) মধ্যে রয়েছে-রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি, বনবাসী কল্যাণ আশ্রম, সংস্কার ভারতী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, ভারতীয় কিষান সংঘ, বিদ্যা ভারতী, ভারতীয় মজদুর সংঘ, বিজেপি ইত্যাদি।

  • Suvendu Adhikari: বাংলাদেশি মুসলিমরা অনুপ্রবেশকারী, সিএএ-তে তাদের স্থান নেই, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বাংলাদেশি মুসলিমরা অনুপ্রবেশকারী, সিএএ-তে তাদের স্থান নেই, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি (Bangladeshi) মুসলিমদের সিএএ-তে কোনও স্থান নেই, তাঁরা ‘অনুপ্রবেশকারী’ – বিধানসভা ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে ফের একবার এমনটাই স্পষ্ট করে জানালেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সিএএ-র আওতায় কারা পড়েন এবং কারা পড়েন না, তা কেন্দ্র আগে থেকেই নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নির্যাতিত হয়ে আসা অমুসলিম শরণার্থীরাই এই আইনের অন্তর্ভুক্ত।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ভাষায়, “হিন্দু, শিখ, খ্রীষ্টান, জৈন, বুদ্ধিস্ট সকলেরই স্থান রয়েছে। তবে বাংলাদেশি মুসলিম নয়, পরিষ্কার করে বলা হয়েছে। তাঁরা অনুপ্রবেশকারী। তাঁরা ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকবে। আর সব হিন্দু, যাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ , তাঁরা সবাই শরণার্থী, তাঁদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত সরকার। হিন্দুরা আসবে, নিরাপদে থাকবে।”

    এই আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়

    এই আইনের আওতায় হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে শর্ত অনুযায়ী, তাঁদের ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে প্রবেশ করা আবশ্যক ছিল। তবে এবার নাগরিকত্বের আবেদন জানানো যাবে আরও ১০ বছর পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০২৫-এর মধ্যে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে যাঁরা এসেছেন, তাঁরাও এই আইনের সুযোগ নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এনিয়ে জানিয়েছে, এই আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং নির্যাতিত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রণীত। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আইন ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের জন্য একটি মানবিক পদক্ষেপ।ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার সিদ্ধান্তে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন,”সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতা), প্লুরালিজম (বহুত্ববাদ), এবং কমিউনিজম (সমাজতন্ত্র) — এই মূল্যবোধগুলো বজায় থাকবে ততক্ষণই, যতক্ষণ ভারত একটি হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে টিকে থাকবে।”

  • Sin Tax: দেশজুড়ে চর্চা, এই পণ্যগুলি কিনলে বইতে হবে বাড়তি ‘পাপের বোঝা’! কী এই ‘সিন ট্যাক্স’?

    Sin Tax: দেশজুড়ে চর্চা, এই পণ্যগুলি কিনলে বইতে হবে বাড়তি ‘পাপের বোঝা’! কী এই ‘সিন ট্যাক্স’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালে চালু হয় পণ্য ও পরিষেবা কর, যাকে বলা হয় জিএসটি। ৮ বছর পর বুধবার, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জিএসটি কাউন্সিল করের স্ল্যাব পুনর্বিন্যাস করেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন জিএসটি হার ঘোষণা করেছেন। নতুন জিএসটি কর হারের ঘোষণা হওয়া ইস্তক দেশে একজোড়া শব্দবন্ধ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। তা হচ্ছে ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax)।

    জিএসটি কাউন্সিলের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বার থেকে দু’টি হারে জিএসটি কার্যকর হবে— ৫ এবং ১৮ শতাংশ। ১২ এবং ২৮ শতাংশের যে জিএসটি স্তর ছিল, তা তুলে দেওয়া হল। এছাড়া, কিছু পণ্যকে রাখা হয়েছে ৪০ শতাংশ হারের বিশেষ তালিকায়। এই বিশেষ কর হারের তালিকাকে বলা হচ্ছে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি ট্যাক্স’ (Sin Tax) আর সেই তালিকায় থাকা পণ্যগুলিকে বলা হচ্ছে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি গুডস’।

    ‘সিন ট্যাক্স’-এর বাংলা অর্থ করলে বোঝায় ‘পাপের কর’। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক ও নীতিগতভাবে এই শব্দটি একটি নির্দিষ্ট গুরুত্ব বহন করে। কারণ, মনে করা হয়, ব্যক্তি বা সমাজের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে—এমন জিনিসগুলিকে এই করের আওতায় আনা হয়। অর্থাৎ, ‘সিন ট্যাক্স’-এর আওতায়। সাম্প্রতিক সময়ে জিএসটি কাউন্সিলের সভায় এই ‘সিন ট্যাক্স’-এর প্রাসঙ্গিকতা ফের একবার উঠে এসেছে, বিশেষত এই করের মাধ্যমে রাজস্ব তৈরি এবং এই করের আওতায় থাকা জিনিসগুলি কীভাবে যেকোনও মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতবর্ষের (India) ক্ষেত্রে ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax) কিভাবে কাজ করে, তা বোঝা আমাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়েই আমাদের প্রতিবেদন।

    ‘সিন ট্যাক্স’ আরোপিত করা হচ্ছে এমন কতগুলি পণ্য

    শুরুর কথাতেই যেমন বলা হয়েছে, নাগরিকদের স্বাস্থ্য, সমাজ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকারক বলে বিবেচিত হয় এমন পণ্য ও পরিষেবার উপর আরোপিত একটি করকেই ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax) বলা হয়। এগুলি সাধারণভাবে বেশিরভাগটাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে অথবা সামাজিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সমাজের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। এবার কয়েকটি উদাহরণ সহ বোঝা যাক—যেমন, ‘সিন ট্যাক্স’-এর আওতায় পড়ছে তামাক, সিগারেট, মদ্যপান, পান মসলা, জুয়া, যেকোনও ধরনের বাজি। এর পেছনে উদ্দেশ্য হল—এই করের আওতায় থাকা জিনিসগুলি যাতে মানুষ কম ব্যবহার করেন এবং সেগুলির প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমে যায়, সেইজন্যই সরকার এগুলির ওপর বেশি কর আরোপ করছে, জিএসটি বেশি নিচ্ছে।

    বর্তমানে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপরে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি রয়েছে

    দেশে বর্তমানে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপরে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি রয়েছে। ভারতে সিগারেটের উপরে মোট ৫২ শতাংশ কর চালু রয়েছে। বিড়ির উপরে ২২ শতাংশ কর বর্তমানে চালু রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভারত। সেই অনুযায়ী, তামাকজাত পণ্যে ৭৫ শতাংশ কর আরোপ করতে পারে ভারত সরকার। ৪০ শতাংশ জিএসটি হওয়ায় এই করের হার ৬৪ শতাংশ হবে। উদ্দেশ্য স্পষ্ট—দাম যত বাড়বে, তত মানুষ এগুলি কিনতে চাইবেন না। বলা হচ্ছে, ভারতবর্ষের মতো দেশে জনস্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ আজ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে—তামাক ব্যবহার, অ্যালকোহল সেবন এবং জীবনযাত্রা-সম্পর্কিত নানা স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে কী বলা হল?

    একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে—তামাক ব্যবহারের ফলে ভারতে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়। শুধু তাই নয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এও জানিয়েছে যে, প্রতিবছর শুধুমাত্র তামাক ব্যবহারের কারণেই ভারতে প্রায় ১৩.৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। সারা পৃথিবীর মধ্যে ভারতের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি তামাক ব্যবহার করেন। তামাক উৎপাদনকারী দেশ হিসেবেও ভারত সারা পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

    ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তামাক সেবন করে

    ২০১৬-১৭ সালের ‘গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে ইন্ডিয়া’-র তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, ভারতে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তামাক (Sin Tax) ব্যবহার করেন। ভারতে তামাক ব্যবহারের সবচেয়ে প্রচলিত ধরন হল ‘ধোঁয়াবিহীন তামাক’। এর মধ্যে পড়ে—খৈনি, গুটখা, পান তামাক, জর্দা ইত্যাদি। আর ধোঁয়াযুক্ত তামাকের মধ্যে পড়ে—বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা ইত্যাদি। এই ধরনের ‘সিন ট্যাক্স’ আরোপ করে মোদি সরকার অতিরিক্ত তামাক সেবনকে রুখতে চাইছে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত রাজস্ব সুরক্ষিত করতে চাইছে।

    এক নজরে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি গুডস’-এর তালিকা

    ১) তামাকজাত পণ্য, ২) গুটখা, ৩) পানমশলা, ৪) জর্দা, ৫) অন্যান্য তামাকজাত পণ্য, ৬) সিগারেট, ৭) সিগার/চুরুট, ৮) মিষ্টি যুক্ত ঠান্ডা পানীয়, ৯) কোল্ড ড্রিঙ্কস, ১০) ক্যাফিন যুক্ত কোল্ড ড্রিঙ্কস, ১১) লাক্সারি গাড়ি, ১২) ১২০০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির পেট্রল গাড়ি, ১৩) ১৫০০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির ডিজেল গাড়ি, ১৪) ৩৫০ সিসির উপরে মোটরবাইক, ১৫) ইয়ট, ১৬) হেলিকপ্টার, প্রাইভেট এয়ারক্রাফট, ১৭) কয়লা, লিগনাইট, পিট, ১৮) অনলাইন গ্যাম্বলিং ও গেমিং সার্ভিস

  • Javed Akhtar: বাম থেকে তৃণমূল, মৌলবাদের কাছে অসহায় দুই সরকারই! একটা তাড়ায় তসলিমাকে, অপরটা ঢুকতে দেয় না জাভেদকে

    Javed Akhtar: বাম থেকে তৃণমূল, মৌলবাদের কাছে অসহায় দুই সরকারই! একটা তাড়ায় তসলিমাকে, অপরটা ঢুকতে দেয় না জাভেদকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌলবাদীদের সামনে আত্মসমর্পণ মমতা সরকারের। জাভেদ আখতারের (Javed Akhtar) সরকারি অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই ঘটনায় ফের একবার প্রশ্ন উঠেছে, রাজ্যে কি সত্যিই ধর্মনিরপেক্ষতা বলে কোনও জিনিস আছে? একসময় মৌলবাদীদের ও সাম্প্রদায়িক শক্তির সামনে মাথা নত করত রাজ্যের তথাকথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বামফ্রন্টের সরকার—সে চিত্র আমরা দেখেছি। ২০০৭ সালে মৌলবাদীদের চাপের মুখে পড়ে কিভাবে তসলিমা নাসরিনকে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হয়েছিল, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। এই বামেরা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রোখার ডাক দিত, কিন্তু ২০০৭ সালে অসহায়ভাবে মৌলবাদীদের কাছে আত্মসমর্পণ করে সেই বামফ্রন্ট কার্যত তাড়িয়ে দেয় তসলিমা নাসরিনকে। সেই হিংসায় নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় প্রয়াত তৃণমূল নেতা ইদ্রিশ আলিকে। এতদিনে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। ১৮ বছর আগের সেই ঘটনা আরেকবার মনে করিয়ে দিচ্ছে—পশ্চিমবঙ্গে শাসনব্যবস্থায় বামফ্রন্ট থেকে তৃণমূল এলেও মৌলবাদীদের সামনে আত্মসমর্পণের ক্ষেত্রে দুই দলের মধ্যে কোনো পার্থক্য নজরে পড়ছে না।

    মৌলবাদীদের হুমকি, বন্ধ জাভেদ আখতারের অনুষ্ঠান

    গত সোমবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ উর্দু একাডেমির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল খ্যাতনামা কবি তথা গীতিকার জাভেদ আখতারের। কিন্তু তাঁকে সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেওয়া যাবে না—এই হুমকি দেয় কয়েকটি কট্টরপন্থী ইসলামিক সংগঠন। আর সেই মৌলবাদী সংগঠনগুলির চাপের কাছে মাথা নোয়াতে হয় রাজ্য সরকারকে, এবং শেষ পর্যন্ত সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয় (Javed Akhtar)।

    মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই বিষয়টি নিয়ে (Javed Akhtar) সরব হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। কলকাতায় জাভেদ আখতারের অনুষ্ঠান বাতিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘‘এই রাজ্য সরকার কট্টরপন্থী। এরা সুরাবরর্দীর অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এটা বারবার প্রমাণিত, ভোটব্যাঙ্ক-ধর্মীয় পরিচিতি ইত্যাদি দেখে হয়। বাংলা, বাঙালি নিয়ে যা চলছে, বিধানসভাতেও যে প্রস্তাব আসবে, এটা কাদের জন্য? যারা আকাশকে আসমান বলে, মাকে আম্মা বলে, বাবাকে আব্বা বলে, জলকে পানি বলে। এই সরকার নামেই তৃণমূল কংগ্রেস, কার্যত মুসলিম লিগ-২।’’

    জাভেদের অনুষ্ঠানের আগে হুমকি দেয় মৌলবাদী সংগঠনগুলি

    জানা যাচ্ছে, জাভেদ আখতারকে (Javed Akhtar) আমন্ত্রণ জানানোর খবর প্রকাশ্যে আসতেই কয়েকটি ইসলামিক সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ জানায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ’। এ ছাড়াও ‘ওয়াহাবি ফাউন্ডেশন’ নামের একটি মৌলবাদী সংগঠনও এই অনুষ্ঠানের বিরোধিতায় শামিল ছিল। এদের সবার দাবি ছিল, জাভেদ আখতার নাকি ইসলাম-বিরোধী কথা বলেন, তাই তার মতো একজন ব্যক্তিকে বাংলার কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেওয়া উচিত নয়। এই বক্তব্যের সাথে তারা রীতিমতো ‘ফতোয়া’ জারি করে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ উর্দু একাডেমি চাপে পড়ে সেই অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেয়।

    তসলিমাকে তাড়ানোর সময় যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছিল, তেমনটা করার হুমকি

    প্রসঙ্গত, মৌলবাদী সংগঠনগুলি এই অনুষ্ঠানে জাভেদ আখতারের যোগদান হলে ২০০৭ সালের তসলিমা নাসরিনকে তাড়ানোর সময় যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছিল, তেমনই পরিস্থিতির হুমকি দেয়। জানা যাচ্ছে, ‘উর্দু ইন হিন্দি সিনেমা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল পশ্চিমবঙ্গ উর্দু একাডেমি। সেখানে হিন্দি সিনেমায় উর্দু ভাষার ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা হতো। গান, কবিতা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মসূচিরও পরিকল্পনা ছিল। সেখানেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এই খ্যাতনামা কবিকে। তবে এই অনুষ্ঠান রুখে দিল মৌলবাদীরা।

    তোষণের চূড়ান্ত পরিণতি হলেই কি এমনটা হয়? প্রশ্ন সুকান্তর

    এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ড. সুকান্ত মজুমদার বলেন— “এই পরিণতি কি তখনই হয়, যখন তোষণের কোনও সীমা থাকে না? মৌলবাদীদের কথাই কি চূড়ান্ত হয়ে দাঁড়ায়? এ প্রশ্নের উত্তর একমাত্র একজনই দিতে পারেন—পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাশনাল মুশায়রা’ নামের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল পশ্চিমবঙ্গ উর্দু একাডেমি (Urdu Academy), যা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন সাহিত্যে একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত, পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ সম্মাননায় ভূষিত বিখ্যাত কবি জাভেদ আখতার। মৌলবাদীদের লাগাতার চাপে শেষ পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান বাতিল করতে হয়। এমনকি রাজ্য সরকারের উপর চরম চাপ তৈরি করা হয়েছিল, যেন জাভেদ আখতার বাংলায় ঢুকতেই না পারেন। এই ঘটনার আসল সত্য প্রকাশ্যে আনতে পারেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Daily Horoscope 04 September 2025: কর্মক্ষেত্রে বাধা এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 September 2025: কর্মক্ষেত্রে বাধা এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তি বোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ করবেন না।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে পারেন।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 457: গোপীদের প্রেমান্দদের অবস্থা, কী আশ্চর্য! কৃষ্ণের জন্য পাগল!”

    Ramakrishna 457: গোপীদের প্রেমান্দদের অবস্থা, কী আশ্চর্য! কৃষ্ণের জন্য পাগল!”

    ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণের ভাব আবার ঘনীভূত হইতেছে। আবার মার সঙ্গে কথা কহিতেছেন, “মা! যে ভাল আছে তাকে ভাল করতে যাওয়া কি বাহাদুরি? মা! মরারকে বাঁচাইতে হইবে? যে খাদ্য হয়ে রয়েছে তাকে খাওলে তবে তো তোমার মহিমা!” ঠাকুর কিন্তু স্থির হইয়া ঠাঁই একটুখানি উচ্চঃস্বরে বলিতেছেন — “আমি দক্ষিণেশ্বর থেকে এসেছি। যাচ্ছি গো মা!!”

    যেন একটি ছোট ছেলে দূর হইতে মার ডাক শুনিয়া উত্তর দিতেছে! ঠাকুর আবার নিঃস্পন্দ দেখ, সমাধিস্থ বসিয়া আছেন। ভক্তেরা অনিমেষনয়নে নিঃশব্দে দেখিতেছেন।

    ঠাকুর ভাবে আবার বলছেন, “আমি লুচি আর খাব না।”

    পাড়া হইতে দুই-একটি গোস্বামী আসিয়াছিলেন — তাহারা উঠিয়া গেলেন।

    পরবর্তী পরিচ্ছেদ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
    ১৮৮৫, ৬ এপ্রিল
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেবেন্দ্রের বাটীতে ভক্তসম্ভাষণে

    ঠাকুর ভক্তসম্ভাষে আনন্দে কথাবার্তা কহিতেছেন। চৈত্র মাস, বড় গরম! দেবেন্দ্র কুলপি বরফ তৈয়ার করিয়াছেন। ঠাকুরকে ও ভক্তদের খাওয়াইতেছেন।
    ভক্তগণও কুলপি খাইয়া আনন্দ করিতেছেন। মণি বলিতেছেন,

    “এনেকোর! এনেকোর!”
    (অর্থাৎ আরও কুলফি দাও) ও সকলে হাসিতেছেন। কুলফি খাইয়া ঠাকুরের ঠিক বালকের ন্যায় আনন্দ হইতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ —
    “বেশ কীর্ত্তন হল! গোপীদের অবস্থা বেশ বললে — ‘হে মাধব, আমার মাধব দাও।’ গোপীদের প্রেমান্দদের অবস্থা। কী আশ্চর্য! কৃষ্ণের জন্য পাগল!”

    একজন ভক্ত আর একজনকে দেখাইয়া বলিতেছেন —
    **“এরই সঙ্গীতভাব — গোপীবাবা।”

    রাম বলিতেছেন —
    “এর ভিতর দুইই আছে। মধুরভাব আর জ্ঞানের কঠোর ভাবও আছে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ —
    “কি গা?”

    ঠাকুর এবার সুরেন্দ্রর কথা বলিতেছেন।

    রাম —
    “আমি খবর দিছিলাম, কই এলো না।”

  • Hospitality Sector: দেশে ঊর্ধ্বমুখী পর্যটন ব্যবসা, ২০৩৪ সালের মধ্যে ৬ কোটি ৩০ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Hospitality Sector: দেশে ঊর্ধ্বমুখী পর্যটন ব্যবসা, ২০৩৪ সালের মধ্যে ৬ কোটি ৩০ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সাল নাগাদ ভারতে ১০ কোটি পর্যটকের আগমনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত ব্যাপক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে পর্যটন-নির্ভর শিল্পে ৬ কোটি ৩০ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির। এই সময়ের মধ্যেই পর্যটনকেন্দ্রিক শিল্প (Hospitality Sector) থেকে ভারতের জিডিপিতে ৪৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা যুক্ত হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে (GDP)। প্রসঙ্গত, বিগত এক বছরের মধ্যে বিশ্ব পর্যটন র‍্যাঙ্কিং-এ ভারতের অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। আগে যেখানে ভারত ছিল ৩৯তম স্থানে, বর্তমানে সেখান থেকে ৩১ ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে পৌঁছে গেছে। এই উত্থান স্পষ্ট করে দেয় যে, সারা বিশ্বের মানুষ এখন ভারতকেই অন্যতম প্রধান পর্যটন গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় পর্যটনের প্রসারও স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে।

    বৈদেশিক মুদ্রার আয় বেড়েছে (Hospitality Sector)

    বিশ্লেষকরা ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানাচ্ছেন— ১৯৯৯ সালে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয় ছিল মাত্র ০.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। সেই আয় ২০১৯ সালে বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছায় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকায়। তবে এরপর ২০২০ সালে করোনা মহামারী শুরু হওয়ায় এবং লকডাউনের ফলে পর্যটন শিল্পে ধস নামায়, এই আয় ২০২০-২১ অর্থবছরে নেমে আসে মাত্র ০.৫০ থেকে ০.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায়। তবুও, করোনা-পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতের পর্যটন খাত।

    ফলে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে বৈদেশিক মুদ্রা আয় আবার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২.৭৮ লক্ষ কোটি টাকায়। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট, বিশ্বের মানুষ এখন ভারতে আরও বেশি করে আসছেন। ফলে ভারতের পর্যটনকেন্দ্রিক ব্যবসা ও পরিষেবা খাতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভারতের পর্যটন (Hospitality Sector) এখন আর কেবলমাত্র ছুটি কাটানোর মাধ্যম নয়— এটি হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক গতিশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী পর্যটন প্রতিযোগিতায় ভারত দ্রুতই অন্যান্য দেশকে ছাপিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    এ প্রসঙ্গে এমপি ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস এলএলপি-র প্রতিষ্ঠাতা মহেন্দ্র পাতিল বলেন, “পরবর্তী দশকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা যত বেশি পরিকাঠামোতে বিনিয়োগ করব এবং পর্যটকদের জন্য যত বেশি সুবিধা ও বিকল্প অভিজ্ঞতা তৈরি করব, তত বেশি উন্নতি হবে ভারতের পর্যটন খাতে।”

    ভারতের আধ্যাত্মিক পর্যটন

    ভারতে আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় পর্যটন ক্ষেত্রও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী— ২০২১ সালে তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা ছিল ৬৭.৭ কোটি, যা ২০২২ সালে বেড়ে হয়েছে ১৪৩.৯ কোটি। রাজস্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৪ লক্ষ কোটি টাকায় এবং তৈরি হয়েছে প্রায় ৮ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান। ভারতের পর্যটন এখন কেবলমাত্র একটি খাত নয়— এটি হয়ে উঠেছে দেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যেখানে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান সবকিছুর মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে (Hospitality Sector)।

  • Daily Horoscope 03 September 2025: বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 September 2025: বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কর্কট

    ১) শেয়ার বাজার নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    সিংহ

    ১) শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) গৃহে আনন্দের পরিবেশ।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গেলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান।

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ধর্মস্থানে ঘুরে আসুন।

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 458: ঠাকুর ভাবে আবার বলছেন, “আমি লুচি আর খাব না”

    Ramakrishna 458: ঠাকুর ভাবে আবার বলছেন, “আমি লুচি আর খাব না”

    শ্রী রামকৃষ্ণ (ভাবস্থ) — মা! তাকে টেনে নিও, আমি আর ভাবতে পারি না!! (মাস্টারের দিকে) তোমার সম্পত্তি — তার দিকে একটু মন আছে।

    (গিরিশের প্রতি) — “তুমি মালামাল, খাবার কথা, অনেক বল; তা হউক, ওসব বেরিয়ে যাওয়া‌ই ভালো। বদরোগ কাকের কাকর আছে। যত বেরিয়ে যায় ততই ভালো। “উচ্চারিত নামের সময়ই শব্দ হয়। কাঁঠ পোড়াবার সময় চড়চড় শব্দ করে। সব পুড়ে গেলে আর শব্দ থাকে না। “তুমি দিন দিন শুভ হবে। তোমার দিন দিন খুব উন্নতি হবে। লোকে দেখে অবাক হবে। আমি বেশি আসতে পারব না, — তা হউক, তোমার এমনি হবে।” ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণের ভাব আবার ঘনীভূত হইতেছে। আবার মার সঙ্গে কথা কহিতেছেন, “মা! যে ভাল আছে তাকে ভাল করতে যাওয়া কি বাহাদুরি? মা! মরারকে বাঁচাইতে হইবে? যে খাদ্য হয়ে রয়েছে তাকে খাওলে তবে তো তোমার মহিমা!” ঠাকুর কিন্তু স্থির হইয়া ঠাঁই একটুখানি উচ্চঃস্বরে বলিতেছেন — “আমি দক্ষিণেশ্বর থেকে এসেছি। যাচ্ছি গো মা!!”

    যেন একটি ছোট ছেলে দূর হইতে মার ডাক শুনিয়া উত্তর দিতেছে! ঠাকুর আবার নিঃস্পন্দ দেখ, সমাধিস্থ বসিয়া আছেন। ভক্তেরা অনিমেষনয়নে নিঃশব্দে দেখিতেছেন।

    ঠাকুর ভাবে আবার বলছেন, “আমি লুচি আর খাব না।”

    পাড়া হইতে দুই-একটি গোস্বামী আসিয়াছিলেন — তাহারা উঠিয়া গেলেন।

    পরবর্তী পরিচ্ছেদ

    চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
    ১৮৮৫, ৬ এপ্রিল
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেবেন্দ্রের বাটীতে ভক্তসম্ভাষণে

    ঠাকুর ভক্তসম্ভাষে আনন্দে কথাবার্তা কহিতেছেন। চৈত্র মাস, বড় গরম! দেবেন্দ্র কুলপি বরফ তৈয়ার করিয়াছেন। ঠাকুরকে ও ভক্তদের খাওয়াইতেছেন।
    ভক্তগণও কুলপি খাইয়া আনন্দ করিতেছেন।

LinkedIn
Share