Author: subhra-katwa

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমন অভিযান! অবুঝমাড়ে বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল নিরাপত্তা বাহিনী

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমন অভিযান! অবুঝমাড়ে বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড় অঞ্চলে মাওবাদী-বিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণে অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী (Anti Maoist campaign)। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২৯ অগাস্ট যৌথ বাহিনীর অভিযানে এই অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার হয়। নারায়ণপুরের পুলিশ সুপার রবিনসন গুড়িয়া এক বিবৃতিতে জানান, ২৪ আগস্ট থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী এই অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে। অভিযানে অংশ নেয় ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG), স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP)। অভিযান চালিয়ে চার-পাঁচটি ভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    কী কী উদ্ধার করা হল

    রবিনসন গুড়িয়া আরও জানান, অবুঝমাড় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিছু আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকেও অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী (Chhattisgarh), এই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে— ৪৯টি বন্দুক,একটি ইনসাস রাইফেল, একটি এসএলআর রাইফেল, একটি স্টেনগান, একটি লাইট মেশিনগান (LMG), আটটি ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার (BGL), বিভিন্ন মাপের ছোট ও মাঝারি সাইজের গ্রেনেড সেল। প্রসঙ্গত, ২৮ অগাস্ট (বুধবার) ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলের ৩০ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা এক বিবৃতিতে জানান, আত্মসমর্পণকারীদের সরকারি পুনর্বাসন নীতির আওতায় পুনর্বাসন দেওয়া হবে (Chhattisgarh)। তিনি আরও আহ্বান জানান, যারা এখনও উগ্র বামপন্থা অনুসরণ করছেন, তারা যেন সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসেন (Chhattisgarh)। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৭ অগাস্টও ছত্তিশগড় পুলিশের (Anti Maoist campaign) কাছে আরও চারজন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন।

    মাওবাদী অভিযান চলছেই

    প্রসঙ্গত, মাওবাদী মুক্ত দেশ গড়ার ডাক দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ তারিখকে একটি নির্ধারিত ডেডলাইন হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে জোরকদমে চলছে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান, যার ইতিবাচক ফলও মিলতে শুরু করেছে। সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মাওবাদীদের একাধিক শীর্ষনেতাক খতম করা গিয়েছে। এই ঘটনার পর আরও গতি পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান। এই প্রেক্ষাপটে সরকারও মাওবাদীদের উদ্দেশে সরকার আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে। সরকারের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেক মাওবাদী ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করছেন।

  • Telangana: বন্যায় বিপর্যস্ত তেলেঙ্গানা, উদ্ধারকাজে সামিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ

    Telangana: বন্যায় বিপর্যস্ত তেলেঙ্গানা, উদ্ধারকাজে সামিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের লাগাতার অতি ভারী বৃষ্টিতে তেলেঙ্গনার (Telangana) কামারেড়ি জেলা ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। হায়দরাবাদ শহর থেকে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অঞ্চলের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। এলাকার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া মানাইয়ার নদী, যা গোদাবরী নদীর একটি শাখা, তীব্র বর্ষণে প্লাবিত হয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জলমগ্ন অবস্থা তৈরি হয়।

    জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ

    এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে প্রথম থেকেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্যে নেমে পড়েন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) ও সেবা ভারতী-র স্বেচ্ছাসেবকরা। তারা রাজ্য ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছেন। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই আটজন মানুষকে সরাসরি জলবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে (Telangana)।

    এক হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছেন

    সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী (Telangana), সেবা ভারতী-র কর্মীরা ও সংঘের স্বয়ংসেবকরা এক হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে গেছেন। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চালানো হচ্ছে ত্রাণ বিতরণ। প্লাবিত এলাকার মানুষদের মধ্যে খাবার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, কলা, বিস্কুট, ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

    বন্যা পীড়িত মানুষদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে খাবার

    তেলেঙ্গানার প্লাবিত এলাকাগুলিতে সেবা ভারতী এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ-এর স্বেচ্ছাসেবকরা একনিষ্ঠভাবে ত্রাণ ও সেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে রান্নার ব্যবস্থা করে দুর্গত মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে উষ্ণ ও পুষ্টিকর খাবার। কোথাও কোথাও আবার কেন্দ্রীয়ভাবে রান্না করে তা পাঠানো হচ্ছে আশ্রয় শিবিরগুলিতে, যাতে একসঙ্গে বহু মানুষ খাবার পান।উদ্ধার হওয়া ও আশ্রয়হীন মানুষদের অভুক্ত না রাখার জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সংঘ ও সেবা ভারতীর স্বেচ্ছাসেবকরা। শুধু খাবারই নয়, বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওষুধ, শিশুদের জন্য দুধ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে নিয়মিত।স্থানীয় স্তরে এই সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। জলবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থাও, যেখানে তারা অন্তত কিছুদিন নিরাপদে থাকতে পারবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবারের জন্য এই সহায়তা এখন একমাত্র আশার আলো।সেবা ভারতী-র তরফে জানানো হয়েছে, যতদিন না পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, ততদিন তারা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকবেন এবং এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

  • Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Droupadi Murmu) একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চিঠির মাধ্যমে ভারত-চিন সম্পর্ক নতুন করে কোন পথে এগোতে পারে, তার সম্ভাবনা যাচাই করতে চেয়েছিল বেজিং। ভারতের এক শীর্ষ প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

    চিঠি পৌঁছায় মোদির হাতে

    প্রতিবেদন অনুসারে, রাষ্ট্রপতির দফতকে (Droupadi Murmu) পাঠানো সেই চিঠি পরে পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে। তার কয়েক মাসের মধ্যেই, জুন মাসে, ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতের উত্তাপ কিছুটা কমে আসে এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে নামে উভয় দেশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সম্প্রীতির পিছনে বড় একটি ভূমিকায় ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের শুল্কনীতি।

    শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত

    চিনের বার্তা ছিল স্পষ্ট (Droupadi Murmu)— যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত, কারণ এই দুই দেশেরই সামনে অভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দাঁড় করিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সেই বার্তাই পরোক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে শি জিনপিংয়ের (Chinese President) চিঠিতে। চিঠি প্রকাশ্যে আসার কিছুদিন পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যান। প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনের পাশাপাশি মোদির সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা রবিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    ভারতের ওপর শুল্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমেরিকার বিরোধী দল

    মার্চ থেকে অগাস্ট— এই কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক কূটনীতির পরিমণ্ডলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির কারণে ভারতের পণ্যের উপর প্রায় ৫০ শতাংশ আমেরিকান শুল্ক চাপানো হয়, যা মোদি প্রশাসনের জন্য চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, চিন (Chinese President) রাশিয়া থেকে ভারতের তুলনায় অনেক বেশি তেল আমদানি করলেও, তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেনি ট্রাম্প প্রশাসন। এই বৈষম্য নিয়ে আমেরিকার বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে। কারণ, গত দুই দশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চিনের প্রভাব ঠেকাতে ভারতকে কৌশলগতভাবে পাশে চেয়েছিল আমেরিকা। এখন সেই ভারতই যদি বাণিজ্য নীতিতে কোণঠাসা হয়, তা হলে সেই কৌশলগত বোঝাপড়ার ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    চিন তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে

    চিন বারবার তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে। ভারতও একইসঙ্গে বিশ্ব কূটনীতিতে নিজস্ব ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষাপটে, দু’দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা, কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মতো বিষয়গুলিতে সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রগতি হয়েছে। কয়েক দিন আগেই চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্জীবিত করতে চাইছে এবং এর পেছনে তাদের স্পষ্ট ও কৌশলগত স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।

  • India: ভারত-জাপান মানব সম্পদ বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত, দক্ষ পেশাদাররা কাজের সুযোগ পাবেন সূর্যোদয়ের দেশে

    India: ভারত-জাপান মানব সম্পদ বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত, দক্ষ পেশাদাররা কাজের সুযোগ পাবেন সূর্যোদয়ের দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) ও জাপান (Japan) দুই দেশের মধ্যে দিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখেরও বেশি মানুষের বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ভারত-জাপান শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, ভারত থেকে প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ পেশাদার জাপানে কাজের সুযোগ পাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি স্তরে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি, যৌথ উদ্ভাবনী প্রকল্প ও গবেষণামূলক কাজ আরও গতিশীল হবে। ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের জাপানে যাওয়ার সুযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি জাপানি কর্পোরেট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও ভারত সফরে আসবেন। এছাড়া ভারতীয় শিক্ষকরা জাপানের জনপ্রিয় জেট (Japan Exchange and Teaching) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগও পাবেন।

    প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও ভাষা শিক্ষার প্রসারে জোর

    এই যৌথ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হল ভারত ও জাপানের মধ্যে ছাত্র ও গবেষকদের আদান-প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষাগত সম্পর্ক জোরদার করা। ভারতের (India) জন্য জাপানের (Japan) টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (TITP) এবং স্কিলড ওয়ার্কার ভিসা প্রোগ্রাম দুটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের দ্বার খুলে দিচ্ছে। এর জন্য সারা ভারত জুড়ে পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যাতে আরও বেশি দক্ষ কর্মী এই প্রক্রায় অংশ নিতে পারেন। ভারত (India) “ইন্ডিয়া-নিপ্পন প্রোগ্রাম ফর অ্যাপ্লাইড কম্পিটেন্সি ট্রেনিং” চালু করবে, যেখানে ভারত ও জাপানের যৌথ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে জাপানি শিল্পদক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয়ুর্বেদ, যোগা এবং অন্যান্য সুস্থতা-কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান জাপানে স্থাপন করা হবে।

    দুই দেশের বিদেশমন্ত্রক যৌথভাবে এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন তদারকি করবে

    এই চুক্তির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ভাষা শিক্ষার প্রসার। জাপান ফাউন্ডেশন ভারতজুড়ে (India) আরও বেশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স এবং ভাষা কেন্দ্র চালু করবে। পাশাপাশি, ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ও জাপানের বিদেশ মন্ত্রক যৌথভাবে এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন তদারকি করবে এবং প্রতিবছর একটি অগ্রগতি রিপোর্ট প্রকাশ করবে। সব মিলিয়ে, শিক্ষা, দক্ষতা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভারত-জাপানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতার এক নতুন দিগন্ত খুলে যাচ্ছে।

  • Daily Horoscope 30 August 2025: অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 August 2025: অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) দাম্পত্য কলহের কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা ও সেই কারণে আপনার মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 454: ছেলেবেলা থেকে কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ, এটি খুব আশ্চর্য, খুব কম লোকের হয়!

    Ramakrishna 454: ছেলেবেলা থেকে কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ, এটি খুব আশ্চর্য, খুব কম লোকের হয়!

    শশী তখন সবে ঠাকুরের কাছে যাওয়া-আসা শুরু করেছেন। তিনি তখন বিদ্যাসাগরের কলেজে বিএ-র প্রথম বর্ষে পড়েন। ঠাকুর তখনই তাঁর কথা বলছেন।

    শ্রী রামকৃষ্ণ ভক্তদের উদ্দেশে বলছেন— “সেই যে ছেলেটি মাঝে মাঝে আসে, কিছুদিন তার মনে টাকাকড়ির ভাব ওঠে — আমি দেখেছি। কিন্তু কতজনকে দেখেছি, যাদের মনে আদৌ সে ভাব ওঠে না। কয়েকটি ছোকরা তো বিয়েই করবে না।”

    ভক্তরা নিঃশব্দে বসে শুনছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের প্রতি) — মন থেকে কামিনী-কাঞ্চন সব না গেলে অবতারকে চিনতে পারা কঠিন। বেগুনওলাকে হীরার দাম জিজ্ঞাসা করেছিল, সে বললে, আমি এর বদলে নয় সের বেগুন দিতে পারি, এর একটাও বেশি দিতে পারি না। (সকলের হাস্য ও ছোট নরেনের উচ্ছ্বাস)

    ঠাকুর দেখিলেন, ছোট নরেন কথার মর্ম ফস করিয়া বুঝিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — এর কী সূক্ষ্মবুদ্ধি! ন্যাংটা এইরকম ফস করে বুঝে নিত — গীতা, ভাগবত, যেখানে যা, সে বুঝে নিত।

    [কৌমার্যব্রত্য আশ্চর্য — বেশ্যার উদ্ধার কিরূপে হয়]

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ছেলেবেলা থেকে কামিনী-কাঞ্চন ত্যাগ, এটি খুব আশ্চর্য। খুব কম লোকের হয়! তা না হলে যেমন শিল-থেকে আম — ঠাকুরের সেবায় লাগে না — নিজে খেতে ভয় হয়।

    “আগে অনেক পাপ করেছে, তারপরে বুড়ো বয়সে হরিনাম করছে এ মন্দের ভাল।

    “অমুক মল্লিকের মা, খুব বড় মানুষের ঘরের মেয়ে! কেশবদের কথায় জিজ্ঞাসা করলো, ওদের কি কোন মতেও উদ্ধাৰ হবে না? নিজে আগে আগে অনেকরকম করছে কি না! তাই জিজ্ঞাসা করলো। আমি বললুম, হ্যাঁ, হবে — যদি আন্তরিক ব্যাকুল হয়ে কাঁদে, আর বলে আর করব না। শুধু হরিনাম করলে কি হবে, আন্তরিক কাঁদতে হবে।”

  • Daruma Doll: ‘দারুমা’ পুতুল উপহার পেলেন মোদি, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক মনে করেন জাপানিরা

    Daruma Doll: ‘দারুমা’ পুতুল উপহার পেলেন মোদি, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক মনে করেন জাপানিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের জাপান সফরে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সফরের সময় তাঁকে উপহার হিসেবে একটি বিশেষ পুতুল দেওয়া হয়, যাকে “দারুমা পুতুল” বলা হয়। স্থানীয় জাপানি ভাষায় এ নামেই পরিচিত এই পুতুলটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পুতুলের মধ্যেই জাপানের ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন প্রতিফলিত হয়। জানা যাচ্ছে, এই দারুমা পুতুলটি উপহার দেন তাকাসাকির শোরিনজান দারুমা-জি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত, রেভারেন্ড সেইশি হিরোস। এটি শুধু একটি খেলনা নয়—জাপানের ঐতিহ্যের একটি প্রতীকও বটে।

    দারুমা (Daruma Doll) পুতুলের বৈশিষ্ট্য

    দারুমা (Daruma Doll) পুতুল সাধারণত একটি গোলাকার মূর্তি, যার মধ্যে জাপানের ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকে। অনেকেই একে “ধর্ম পুতুল” হিসেবেও আখ্যা দেন। মূলত এটি বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত, এবং সাধারণভাবে বৌদ্ধ পুতুল হিসেবেই বিবেচিত হয়। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গহীন এই পুতুল সাধারণত লাল রঙের হয়ে থাকে, পুতুলটির মুখে এক ধরনের কঠোরতা থাকে এবং চোখ দুটি সম্পূর্ণ সাদা। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল—নিচের অংশ ভারী হওয়ার কারণে এটি পড়ে গেলেও নিজে থেকেই আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। এই গুণের ভিত্তিতে জাপানি প্রবাদে বলা হয়: “নানাকোরোবি ইয়াওকি”, অর্থাৎ ‘সাতবার পড়লেও, আটবার উঠে দাঁড়াও।’

    জাপানের দোকান, রেস্তোরাঁ, বাড়ি সর্বত্র দেখা যায় এই পুতুল

    জাপানের দোকান, রেস্তোরাঁ, বাড়ি—প্রায় সর্বত্রই এই পুতুলের দেখা মেলে। জাপানিরা বিশ্বাস করেন, এটি সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি ও অধ্যবসায়ের প্রতীক। দারুমা (Daruma Doll) নামে পরিচিত এই পুতুলটির ইতিহাস ভারতবর্ষের সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। এর নামকরণ ও অনুপ্রেরণা এসেছে বোধিধর্ম (বা বোধি ধর্ম) নামক এক ভারতীয় সাধকের জীবন থেকে। বোধিধর্ম ছিলেন তামিলনাড়ুর কাঞ্চিপুরমে জন্মগ্রহণকারী একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। ধারণা করা হয়, তিনি ৪৪০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং পঞ্চম-ষষ্ঠ শতাব্দীতে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে চিন হয়ে জাপানে পৌঁছান। বৌদ্ধ ধ্যানচর্চার একাগ্রতাকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে তিনি একটানা ৯ বছর ধ্যানস্থ ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় ধ্যানমগ্ন থাকার ফলে তাঁর হাত-পা অসাড় হয়ে যায়। আরও জানা যায়, ধ্যানের সময় যাতে ঘুম না আসে, সেজন্য তিনি নিজের চোখের পাতা নিজেই উপড়ে ফেলেন। সেই কারণেই দারুমা পুতুলে চোখ বড় বড় এবং চওড়া।

    জাপানে নতুন বছরের শুরুতে সবাই দারুমা কেনেন

    ধারণা করা হয়, অতীতে গুটিবসন্ত মহামারির সময়, এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার আশায় দারুমাকে লাল রঙে রাঙানো হতো। সেই প্রথা থেকেই দারুমা সাধারণত লাল রঙের হয়ে থাকে। তবে এর বিভিন্ন রঙের পেছনেও রয়েছে আলাদা প্রতীকী মানে—হলুদ দারুমা সুরক্ষা ও নিরাপত্তার প্রতীক, সাদা দারুমা প্রেম ও একতার প্রতীক। প্রতিটি দারুমা পুতুলের মুখের নিচে সোনালি অক্ষরে লেখা থাকে “ফুকু ইরি”, যার অর্থ—‘সৌভাগ্য বহনকারী’। জাপানে নতুন বছরের শুরুতে মানুষ একটি দারুমা কেনেন এবং কোনো ইচ্ছা থাকলে তার একটি চোখে রং দিয়ে “প্রাণ প্রতিষ্ঠা” করেন। যদি বছরের মধ্যে সেই ইচ্ছা পূরণ হয়, তবে অন্য চোখেও রং পূরণ করা হয়। আর যদি ইচ্ছেপূরণ না হয়, তবে সেই দারুমাকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে “দারুমা কুইও” নামের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে পূজা দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

  • PM Modi: ভারত ও চিন আনতে পারে বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাপানে বললেন মোদি

    PM Modi: ভারত ও চিন আনতে পারে বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাপানে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সম্পর্ক আঞ্চলিক শান্তি ও সম্প্রীতির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতেও এটি স্থিতিশীলতা আনবে—শুক্রবার জাপানে এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভূ-রাজনীতিতে যখন আমেরিকা ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে, সেই প্রেক্ষাপটে জাপান সফরে চিন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    জাপান সফরে মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দুই দিনের জাপান সফরে রয়েছেন। সেখানে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও ব্যবসা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করবেন বলেই জানা গেছে। একই সঙ্গে, জাপানের বিখ্যাত ই-টেন শিনকানসেন বুলেট ট্রেন ভারতে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে। শনিবার, ৩০ অগাস্ট তিনি জাপান সফর শেষে চিন (PM Modi) সফরে যাবেন (PM Modi)। সেখানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।

    চিন সফর ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    এই SCO বৈঠকটি ২৫তম এবং এটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যখন বিশ্বজুড়ে একাধিক সংঘাত চলছে—রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজা-ইজরায়েল সংঘাত, ও আমেরিকার শুল্ক নীতি তার মধ্যে অন্যতম। SCO-তে চিন (China) , রাশিয়া, ইরান, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান সদস্য দেশ হিসেবে রয়েছে। শুক্রবার জাপানে এক সংবাদমাধ্যমকে মোদি (PM Modi) বলেন, “চিনের (PM Modi) রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আমি এই বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছি। গত বছর চিনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আমার সাক্ষাতের পর ভারত-চিন সম্পর্ক অনেকটাই স্থিতিশীল ও ইতিবাচক অগ্রগতি পেয়েছে।” কূটনৈতিক মহলের অভিমত, যে ভাবে মার্কিন শুল্কনীতির বিরুদ্ধে মোদি রুখে দাঁড়িয়েছেন, তাতে সীমান্ত সংঘাত মেটাতে দর কষাকষির ক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছেন তিনি। কারণ, ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছে জার্মানি ও ফ্রান্স। শুধু তা-ই নয়, এই বছরই ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি করতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ)। এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিকে দলে টানতে হলে সীমান্তে সমঝোতা করা ছাড়া বেজিঙের কাছে দ্বিতীয় রাস্তা খোলা নেই।

  • Kolkata: মহিলাদের নিরাপত্তা নেই কলকাতায়, প্রকাশ পেল রিপোর্টে, নারী সুরক্ষায় এগিয়ে দেশের কোন কোন শহর?

    Kolkata: মহিলাদের নিরাপত্তা নেই কলকাতায়, প্রকাশ পেল রিপোর্টে, নারী সুরক্ষায় এগিয়ে দেশের কোন কোন শহর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় (Kolkata) নারী সুরক্ষার চিত্র ফের উদ্বেগজনক। ন্যাশনাল অ্যানুয়াল রিপোর্ট অ্যান্ড ইনডেক্স অন ওমেন্স সেফটি (NARI) ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মধ্যে সবচেয়ে অসুরক্ষিত শহরের তালিকায় উঠে এসেছে আমাদের রাজ্যের কলকাতার নাম। দিল্লি ও পাটনার অবস্থানও একই রকম খারাপ। অন্যদিকে, সবচেয়ে নিরাপদ শহর হিসেবে উঠে এসেছে মুম্বই, কোহিমা, বিশাখাপত্তনম ও ভুবনেশ্বর। এই সমীক্ষায় দেশের ৩১টি শহরের ১২,৭৭০ জন মহিলার মতামত নেওয়া হয়। রিপোর্টটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকার।

    দেশের মোট নারী সুরক্ষা সূচক এখন ৬৫ শতাংশ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের (Kolkata) মোট নারী সুরক্ষা সূচক এখন ৬৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এখনও অনেক নারী (Women) তাঁদের শহরে নিরাপদ বোধ করেন না। মুম্বই ও কোহিমা সুরক্ষিত শহরের তালিকায় থাকলেও আইজল, গ্যাংটক, ইটানগর এবং ভুবনেশ্বরকেও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ধরা হয়েছে। অপরদিকে, রাঁচী, শ্রীনগর, ফরিদাবাদ এবং জয়পুরকেও নিচু স্থানে রাখা হয়েছে। এই রিপোর্ট পরিষ্কার করে দিয়েছে—শহর যত বড়, সুরক্ষা তত বেশি—এই ধারণা ভুল।

    সমীক্ষায় অংশ নেওয়া মহিলাদের (Kolkata) মতামত অনুযায়ী:

    হেনস্থার অভিযোগ জানালে মাত্র ২৫ শতাংশ নারীই কার্যকর পদক্ষেপ পেয়েছেন।

    প্রতি তিনজনের মধ্যে দু’জন নারী হেনস্থার ঘটনা প্রকাশ করতেই দ্বিধা বোধ করেন, যার ফলে অনেক ঘটনা প্রশাসনের নজরে আসে না।

    ৬৯ শতাংশ নারী মনে করেন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে ৩০ শতাংশ এখনও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট।

    কী বলছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন

    বিশেষজ্ঞদের মতে (Kolkata), আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সমাজের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। কলকাতা ও দিল্লির মতো মহানগরীগুলিতে নারী সুরক্ষা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে, অথচ উন্নতি কোথায় হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। এই রিপোর্ট আবারও দেখিয়ে দিল—নারী সুরক্ষায় প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হলে প্রশাসনিক সদিচ্ছা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং সামাজিক সচেতনতা—এই তিনটিই একসঙ্গে প্রয়োজন। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন বিজয়া রাহাতাকর এনিয়ে বলেন, ‘‘নারীদের কেবল রাস্তাঘাটে অপরাধ থেকে নয়, সাইবার অপরাধ, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং মানসিক হয়রানি (Women) থেকেও রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।’’

  • Bangladesh: বাণিজ্য রুট বন্ধ করেছে দিল্লি, নেই কার্যকারিতা, ৩ স্থল-বন্দর বন্ধ করতে বাধ্য হল ইউনূস সরকার

    Bangladesh: বাণিজ্য রুট বন্ধ করেছে দিল্লি, নেই কার্যকারিতা, ৩ স্থল-বন্দর বন্ধ করতে বাধ্য হল ইউনূস সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) বাণিজ্য রুট বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলিতে কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। কার্যত ‘মাছি তাড়ানো’ অবস্থায় ছিল স্থলবন্দরগুলি। এর ফলে খরচ বাঁচাতে সেই সমস্ত বন্দরগুলিকে বন্ধ করে দিল ইউনূস সরকার (Bangladesh)। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হয় এবং এই কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী তিনটি স্থলবন্দরকে অলাভজনক ও অকার্যকর বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর এই তিনটি স্থলবন্দরকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    কোন কোন বন্দরকে বন্ধ করতে বাধ্য হল ইউনূস সরকার?

    ভারতের বাণিজ্য রুট বন্ধ হওয়ার ফলে বাংলাদেশের (Bangladesh) যেসব বন্দর বন্ধ হয়েছে, সেগুলি হল— নীলফামারির চিলাহাটি স্থলবন্দর, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর এবং রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। খুব শীঘ্রই হবিগঞ্জের বল্লা স্থলবন্দরও বন্ধ হবে বলে জানানো হয়েছে।

    ইউনূসের নেতৃত্বে বসে বৈঠক, সেখানেই হয় সিদ্ধান্ত

    জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয় এবং সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশের সরকার জানিয়েছে, সাধারণ নাগরিকদের উপর থেকে আর্থিক বোঝা কমানোর উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

    কী বললেন ইউনূসের প্রেস সচিব?

    এই নিয়ে ইউনূস সরকারের (Bangladesh) প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের রাজনীতিবিদরা রাজনৈতিক স্বার্থেই এই বন্দরগুলিকে অনুমোদন দিয়েছিলেন, কিন্তু বাস্তবে এই বন্দরগুলি অকার্যকর এবং সরকারের উপর বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তবে ইউনূস সরকারের প্রেস সচিব যাই বলুন, বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন যে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেই এই বন্দরগুলি সম্পূর্ণভাবে গুরুত্ব হারায়। তাই বাধ্য হয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ইউনুস সরকারকে।

    অবস্থা খতিয়ে দেখতে তৈরি করা হয় কমিটি

    গত বছরের ৬ নভেম্বর, বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, অর্থ, সড়ক পরিবহন এবং বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয় (India)। এই কমিটির ওপরেই দায়িত্ব ছিল—স্থলবন্দরগুলির কী অবস্থা এবং কী কার্যকারিতা রয়েছে, তা মূল্যায়ন করা। তারপরেই তারা রিপোর্ট জমা করে। এর পরেই এমন সিদ্ধান্ত সামনে এল।

LinkedIn
Share