Author: subhra-katwa

  • Sukanta Majumdar: ‘‘উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা, মোতায়েন করুন আধাসেনা’’, শাহকে সুকান্তর চিঠি

    Sukanta Majumdar: ‘‘উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা, মোতায়েন করুন আধাসেনা’’, শাহকে সুকান্তর চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পশ্চিমবঙ্গে যে সমস্ত স্পর্শকাতর অঞ্চল রয়েছে, সেগুলিতে আধাসেনা মোতায়েনের আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বজবজে সুকান্ত মজুমদারের দিকে জুতো ছোড়া হয়। এরপর শুক্রবার কলকাতায় পুলিশ প্রশাসনের বাধার সম্মুখীন হতে হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি‌কে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন সুকান্ত মজুমদার এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

    কী লেখা হল চিঠিতে?

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ডায়মন্ডহারবারে তাঁর (Sukanta Majumdar) সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা এবং শুক্রবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন সহ অন্যান্য কর্মসূচির সময় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তিনি চিঠিতে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের শীর্ষকর্তারা তাঁদের কর্তব্যে গাফিলতি করছেন। শুক্রবার নেতাজি ভবনের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ তাঁকে অন্যায়ভাবে আটকানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরবর্তীকালে, চিকিৎসক রজত শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাওয়ার পথেও তাঁকে বেআইনিভাবে আটকানো হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় সেটিও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। সূত্রের খবর, চিঠির একেবারে শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। এর পাশাপাশি, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধাসেনা মোতায়েনের কথা বলেছেন তিনি।

    জেলা প্রশাসন কর্তব্যে গাফিলতি করছে, অভিযোগ সুকান্তের

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, জেলা প্রশাসন কর্তব্যে গাফিলতি করছে এবং নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়াও, যে সমস্ত আধিকারিক কর্তব্যে গাফিলতি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, চিকিৎসক রজত শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) হেফাজতে নেওয়ার পরে লালবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সন্ধ্যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি‌কে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরেই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন ও মমতা সরকারকে তোপ দাগেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    তোপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    লালবাজার থেকে ছাড় পেয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘আমাদের যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। গণতন্ত্র আরও একবার ভূলুণ্ঠিত হল রাস্তায়।’’ তিনি বলেন, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিবেশী চিকিৎসক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করিয়েছেন। যে ব্যক্তি তাঁর নিজের প্রতিবেশি হতে পারে না, সে কি জনগণের হতে পারে? আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে এই প্রশ্নটা করতে চাই, একজন সাংসদ যিনি তাঁর প্রতিবেশীর খবর রাখেন না, প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করান। পুলিশ এখনও পর্যন্ত জানাননি আমাকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে? এরপরই কটাক্ষ করে বলেন, পিসির আঁচলের তলায় থেকে হাডুডু খেলতে বলুন। সকাল বেলায় জিমে গিয়ে ব্যায়াম করতে বলুন এবং সাপ্লিমেন্ট খেতে বলুন ওই দিয়ে ওনার চলবে।’’

    পুলিশকে তুলোধনা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    পুলিশের ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘একজন চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার জন্য যেভাবে আমাকে এবং ওই চিকিৎসককে পুলিশ টেনে হিঁচড়ে গাড়ি তুলে থানায় নিয়ে গেল, গ্রেফতার করল তা তো হিটলারের শাসনকেও হার মানাবে। এর বিরুদ্ধে আমি আদালতে যাব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও (Amit Shah) চিঠি করব। স্পিকারকে চিঠি লিখব প্রিভিলেজ মোশন আনার জন্য।’’ সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘এ ব্যাপারে তিনি পুলিশকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল, তা সত্ত্বেও খোদ পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হল।’’

    প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন মমতা, অভিযোগ চিকিৎসক রজতশুভ্রের

    প্রসঙ্গত, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার যাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেই চিকিৎসক রজত শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অক্সফোর্ড সফরে কেলগ কলেজের অনুষ্ঠানে আরজি করের ঘটনায় প্রতিবাদ জানান। বিজেপির দাবি, তারপর থেকেই তাঁকে নজরে রাখছে রাজ্য প্রশাসন। নানাভাবে হেনস্থার চেষ্টাও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কেলগ কলেজে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলাম উনি উত্তর দিতে পারেননি। তাই এখানে আসতেই পুলিশ জোর করে থানায় তুলে নিয়ে গেল। এটা প্রতিহিংসা।’’

    আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি চিকিৎসকের

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সুকান্ত মজুমদার চিকিৎসক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশ জানায়, তিনি বাড়িতে নেই। তবে চিকিৎসক জানান, তিনি সুকান্তের অপেক্ষাতেই ছিলেন। এতে শুরু হয় উত্তেজনা। পুলিশ মিথ্যে বলেছে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এরপর রজতশুভ্র নিজে বাইরে এসে সুকান্তের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর দু’জনে একটু এগোতেই ভবানীপুর থানার পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পরিস্থিতি জটিল হতেই দু’জনকেই প্রথমে আটক, পরে গ্রেফতার করা হয়। ক্ষুব্ধ চিকিৎসক এও বলেন, ‘‘আমার দাদু কানাইলাল চট্টোপাধ্যায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। উনি ফাঁসিকে ভয় পাননি। সেই রক্ত আমার শরীরেও বইছে। পুলিশ এভাবে ভয় দেখিয়ে থামাতে পারবে না। আমি এতজন ব্রিটিশ নাগরিক। আমার সঙ্গে পুলিশ যেটা করল, তা আইন বিরুদ্ধ কাজ। আদালতে ওদের জবাবদিহি করতে হবে।’’

  • RSS: যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর শাখায় আবশ্যক করেন সংঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার

    RSS: যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর শাখায় আবশ্যক করেন সংঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৫ সালে। প্রতিষ্ঠা করেন ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার। ভারতীয় যুবকদের সংগটিত করতে, তাঁদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের আদর্শের বীজ রোপণ করতে তিনি এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর পাশাপাশি দেশের যুবকদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবন যাপনের ক্ষেত্রে তার সঙ্গেই যুক্ত করা হয় যোগাভ্যাসকে, যাতে যুবকদের আধ্যাত্মিক এবং মানসিক উন্নতি হয়। তাই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখাতে সূর্য নমস্কার, প্রণায়াম, ধ্যান এবং আরও বিভিন্ন যোগাসন করানো হতে থাকে তখন থেকেই।

    যোগাভ্যাসের কথা বলতেন আরএসএস-এর দ্বিতীয় সরসংঘচালক

    যোগাভ্যাসের (Yoga) মাধ্যমে স্বয়ংসেবকদের মধ্যে গড়ে উঠতে থাকে, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সমাজসেবা, সম্প্রীতি এবং আধ্যাত্মিকতা প্রভৃতি গুণ। জানা যায়, ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার নিয়মিতভাবে যোগাভ্যাস করতেন এবং তিনি শাখা পদ্ধতিতেও (RSS) যোগাভ্যাসকে রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে গুরু গোলওয়ালকর, যিনি সংঘের দ্বিতীয় সরসংঘচালক, তিনিও যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর অংশ হিসেবেই রেখে দেন। গুরুজি গোলওয়ালকর বলতেন, যদি জনগণ যোগাসন করে, তাহলে তাদের স্বাস্থ্য যেমন রক্ষা হয়, সেরকমই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। জনস্বাস্থ্য এই যোগাভ্যাসের মাধ্যমে উন্নত হবে এবং তাদের রোগ নিরাময়ে ওষুধ কেনার খরচও কমবে। সমস্ত দিক থেকেই তারা লাভবান হবে।

    যোগ হল বিশ্বমঞ্চে ভারতের উপহার, প্রস্তাব পাশ হয় আরএসএস-এর প্রতিনিধি সভায়

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) মনে করে যে, যোগ শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির উন্নতির জন্য কোনও অভ্যাস বা অনুশীলন নয়, এটি হচ্ছে সামাজিক উন্নতির জন্যই প্রয়োজন। যোগের মাধ্যমে দেশ গঠিত হবে। দেখা যায়, আরএসএস-এর বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ বর্গে যোগাসন এবং ধ্যানকে বর্তমানে রাখা হয়। যোগ-এর মাধ্যমে স্বয়ংসেবকরা শৃঙ্খলা, উৎসাহ, শারীরিক সুস্থতা পান, যা তাঁদের সমাজের কাজ করতে আরও উৎসাহিত করে। বর্তমানে যোগাভ্যাস আবশ্যিক করা হয়েছে আরএসএস-এর যে কোনও প্রশিক্ষণ শিবিরে। যে কোনও শাখাতেও যোগাভ্যাস চলে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তুলে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেছেন যোগ-এর গুরুত্ব (Yoga)। ২০১৫ সালে আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাতে প্রস্তাব পাস করা হয় যে যোগ হল বিশ্বমঞ্চে ভারতের উপহার।

    ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা রাষ্ট্রসংঘের

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের ৬৯তম সাধারণ সভায় ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা ছিল প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য গর্বের মুহূর্ত, কারণ যোগাভ্যাস ভারত থেকে উদ্ভূত। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় এই প্রস্তাবটি রাখেন। নেপালসহ ১৭৫টি রাষ্ট্র এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে। পরবর্তীকালে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয় ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর।

    সংস্কৃতিভেদে বিশ্বজুড়ে চলছে যোগ-এর অনুশীলন

    সারা বিশ্বজুড়ে অজস্র মানুষ বর্তমানে নানারকম সমস্যায় ভুগছেন, শারীরিক সমস্যা, মানসিক সমস্যা। যোগ হল একমাত্র উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলির নিরাময় সম্ভব এবং তা প্রাকৃতিক উপায়ে সম্ভব। তাই বিশ্বব্যাপী এই যোগাভ্যাসের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। মানুষ যোগকে গ্রহণ করেছেন তাঁদের সুস্থ থাকার জন্য, মানসিক ও শারীরিক উন্নতির জন্য। যোগ তাই আজ নির্দিষ্ট কোনও গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ নেই। পৃথিবীর যে কোনও সাধারণ মানুষ থেকে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা প্রত্যেকেই আজ যোগাভ্যাস করেন। এর মধ্যে আছেন বড় বড় শিল্পপতি থেকে কূটনীতিকরাও।

    যোগ শব্দের উৎপত্তি কীভাবে, ব্যাখ্যা করেছে আরএসএস

    ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাতে (RSS) যোগের উপর যে প্রস্তাবনা হয়, সেখানে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ব্যাখ্যা করে যে যোগের মূলগত উৎস এসেছে ‘যুজ’ (Yug) থেকে, যার অর্থ সংযুক্তিকরণ। যোগাসন শুধুমাত্র একটি শারীরিক অনুশীলন নয়। মহর্ষি পতঞ্জলির মতে, এটি হল একটি পবিত্র জীবনযাপনের অনুশীলন, যা মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মাকে একত্রিত করে। বিভিন্ন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে, যোগাভ্যাসের নানা পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে বলা হয়েছে—যোগব্যায়াম অশান্ত মনকে শান্ত করে। যোগ শব্দের অর্থ হলো মনের প্রশান্তি। এই ব্যাখ্যার ফলে এই দর্শনকে অনুসরণ করে নিজেদের জীবনে যোগাভ্যাসকে নিয়মিতভাবে অনুশীলন করে আজ ব্যক্তিজীবন সুন্দর ও শান্তিময় হয়ে উঠেছে।

    ভারতীয় সাধু-সন্ত, যোগ গুরু এবং যোগ প্রশিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে আরএসএস

    আরএসএস বিভিন্ন সময়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ভারতীয় সাধু-সন্ত, যোগ গুরু এবং যোগ প্রশিক্ষকদের, যাঁরা বিশ্বমঞ্চে যোগাভ্যাসকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। একইসঙ্গে আরএসএস ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারতীয় কূটনীতিকদের, যাঁরা রাষ্ট্রসংঘসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনে অবদান রেখেছেন। অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা কেন্দ্রীয় সরকার তথা প্রতিটি রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে, তারা যেন যোগকে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং গবেষণার কাজেও অন্তর্ভুক্ত করে, যাতে সমাজের প্রতিটি স্তরে যোগাভ্যাসের প্রসার ঘটানো যায়।

  • Ramakrishna 386: ঠাকুর পাকা উঠান দিয়া কালীঘাটের দিকে যাইতেছেন রাধাকান্তের মন্দিরে আগে প্রবেশ করিলেন

    Ramakrishna 386: ঠাকুর পাকা উঠান দিয়া কালীঘাটের দিকে যাইতেছেন রাধাকান্তের মন্দিরে আগে প্রবেশ করিলেন

    শ্রী শ্রী দোলযাত্রা ও শ্রীরামকৃষ্ণের রাধাকান্ত- মা কালীকে ও ভক্ত দিকের গায়ে আবির প্রদান

    নবাই চৈতন্য গান গাহিতেছেন। ভক্তরা সকলেই বসিয়া আছেন। ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়াছিলেন। হঠাৎ উঠিলেন। ঘরের বাহিরে গেলেন (Kathamrita)। ভক্তরা সকলে বসিয়া রহিলেন গান চলিতে লাগিল।

    মাস্টার ঠাকুরের (Ramakrishna) সঙ্গে সঙ্গে গেলেন। ঠাকুর পাকা উঠান দিয়া কালীঘাটের দিকে যাইতেছেন। রাধাকান্তের মন্দির আগে প্রবেশ করিলেন। ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন। তাঁহার প্রণাম দেখিয়ে মাস্টারও প্রণাম করলে। ঠাকুরের সম্মুখে থালায় আবির ছিল।

    এইবার কালিঘরে যাইতেছেন। প্রথম সাতটি ধাপ ছাড়াইয়া চাতালে দাঁড়াইলেন। মাকে দর্শন করিয়া ভিতরে প্রবেশ করিলেন। মাকে আবির দিলেন। প্রণাম করিয়া কালীঘাট (Ramakrishna) হইতে চলিয়া আসিতেছেন। কালিঘরের সম্মুখের চাতালে দাঁড়াইয়া মাস্টারকে বলিতেছেন, বাবুরাম কে আনলে না কেন?

    ঠাকুর আবার পাকা উঠান দিয়া যাইতেছেন। সঙ্গে মাস্টার ও আর একজন আবিরের থালা হাতে করিয়া আসিতেছেন। ঘরে প্রবেশ করিয়া সব পটকে ফাগ দিলেন। দুই একটি পট ছাড়া নিজের ফটোগ্রাফ ও যিশুখ্রিস্টের ছবি।
    এইবার বারান্দায় আসিলেন (Kathamrita)। নরেন্দ্র ঘরে ঢুকিতে বারান্দায় বসিয়া আছেন কোনও কোনও ভক্তের সহিত কথা কহিতেছেন। ঠাকুর নরেন্দ্রের গায়ে হাত দিলেন। ঘরে ঢুকিতেছেন। মাস্টার সঙ্গে আসিতেছেন। তিনিও আবির প্রসাদ পাইলেন।

    ঘরে প্রবেশ করিলেন। ভক্তদের গায়ে আবির দিলেন। সকলেই প্রণাম করিতে লাগলেন। অপরাহ্ণ হইল। ভক্তরা এদিক-ওদিক বেড়াতে লাগিলেন। ঠাকুর মাস্টারের সঙ্গে চুপিচুপি কথা কইতেছেন। কাছে কেহ নাই। ভক্তদের কথা কহিতেছেন। বলছেন, আচ্ছা সবাই বলে বেশ ধ্যান হয়। পল্টুর ধ্যান হয় না কেন?

  • Daily Horoscope 21 June 2025: কোনও নতুন সম্পত্তি কিনতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 21 June 2025: কোনও নতুন সম্পত্তি কিনতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সাংসারিক সুখ-সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কোনও নতুন কাজে রুচি থাকবে।

    ৩) কাজে গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে, তা না-হলে সমস্যা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) পেভাইদের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্ব মজবুত হবে।

    ৩) আবেগপ্রবণ বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি আত্মবিশ্বাসে পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) কোনও নতুন সম্পত্তি কিনতে পারেন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে পিকনিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি অন্য দিনের তুলনায় খুবই ভালো।

    ২) কলা-কৌশল উন্নত হবে।

    ৩) মান-সম্মান বাড়বে।

    সিংহ

    ১) আত্মীয়ের মনের মধ্যে চলতে থাকা কথা জানতে পারবেন।

    ২) কোনও কাজে গাফিলতি করবেন না।

    ৩) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কোনও বড় লক্ষ্য অর্জন করায় আনন্দিত থাকবেন।

    ৩) সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনে পদ-প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে আধিকারিকদের দেওয়া কাজ সময়ের মধ্যে পূরণ করবেন।

    ৩) বিভিন্ন কাজে রুচি থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ।

    ২) দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

    ৩) ভাইদের সাহায্য পাবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি দুর্বল।

    ২) আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে।

    ৩) সহকর্মীদের ওপর ভেবেচিন্তে ভরসা করতে হবে।

    মকর

    ১) জমি, গাড়ি, বাড়ি কেনার চিন্তাভাবনা করতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য জীবন ভালো কাটবে।

    ৩) সকলকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলার চেষ্টা করবেন।

    কুম্ভ

    ১) কাজকর্মের বিষয়ে সতর্ক থাকুন, তা না-হলে কোনও সমস্যা হতে পারে।

    ২) কিছু ব্যক্তিদের থেকে সাবধান থাকুন।

    ৩) সম্পর্কে সামঞ্জস্য বজায় রাখুন।

    মীন

    ১) মনস্কামনা পূরণ হবে আজ।

    ২) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় আগত সমস্যা থেকে স্বস্তি পাবেন।

    ৩) আজ সমাজে আপনার ভাবমূর্তি উন্নত হবে।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Iran: দিল্লির জন্য ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত তেহরানের! ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে ইরান খুলে দিল আকাশ সীমা

    Iran: দিল্লির জন্য ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত তেহরানের! ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে ইরান খুলে দিল আকাশ সীমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে। ইজরায়েল ও ইরানের (Iran) মধ্যে চলমান সংঘর্ষে দুই দেশেই একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে। এমন যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ইরান তার আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে ইরানে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে এক ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইরান ও ভারত সরকার। ‘অপারেশন সিন্ধু’র মাধ্যমে এক হাজার ভারতীয় নাগরিককে (Indian Students) ইরান থেকে দেশে ফেরত আনা হচ্ছে।

    মার্ সাহা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চ্যাটার্ড ফ্লাইট চালু করা হয়েছে

    জানা যাচ্ছে, ইরানের (Iran) আকাশসীমা এখনও সীমিতভাবে বন্ধ থাকলেও ভারতীয় নাগরিকদের সুবিধার্থে ইরানের মার্ সাহা বিমানবন্দর থেকে বিশেষ চ্যাটার্ড ফ্লাইট চালু করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদে উড়িয়ে আনার জন্য। এই বিশেষ ফ্লাইটগুলোর প্রথমটি আজ রাতেই দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে জানা গেছে। ইরানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, এই ফ্লাইটগুলো কেবলমাত্র ভারতীয়দের জন্য নির্ধারিত এবং যাত্রীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

    আগেই দেশে ফিরেছেন ১১০ জন পড়ুয়া (Iran)

    এর আগে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভয়ঙ্করভাবে উত্তপ্ত উত্তর ইরান থেকে ১১০ জন ভারতীয় পড়ুয়াকে (Indian Students) সফলভাবে সরিয়ে আনা হয়েছিল। তবে সে সময় ইরানের কোনও বিমানবন্দর ব্যবহার না করে তাদের প্রথমে আর্মেনিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর সেখান থেকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। উভয় দেশের ভারতীয় দূতাবাস এই অভিযানে সমন্বয় রাখে নিজেদের মধ্যে। এবার ইরানের অভ্যন্তর থেকেই সরাসরি বিশেষ বিমানে করে ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, যা একটি বড় সাফল্য বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

    ইজরায়েল থেকেও শুরু হয়েছে উদ্ধার অভিযান

    শুধু ইরান (Iran) নয়, ইজরায়েলেও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেখানে থাকা ভারতীয়দেরও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। তেল আভিভে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস কাছাকাছি সীমান্ত অঞ্চলগুলির মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে আনছে বলে খবর।

  • Digha Jagannath Temple: সুতিতে মুসলিম মালিকাধীন দোকানে তৈরি হবে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ! তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    Digha Jagannath Temple: সুতিতে মুসলিম মালিকাধীন দোকানে তৈরি হবে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ! তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম মালিকাধীন দোকানগুলি থেকে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি করছে বলে অভিযোগ (Digha Jagannath Temple)। এ নিয়ে সামনে এসেছে রাজ্য সরকারের একটি নির্দেশিকা, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে মমতা সরকার রেশন ডিলারদেরকে এই নির্দেশ দিচ্ছে। মুর্শিদাবাদ জেলার সুতি ১ নম্বর ব্লকের একটি লিস্ট সামনে এসেছে, যেখানে চারটি দোকানদারকে গজা এবং প্যারা তৈরি করতে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভগবান জগন্নাথের চিরাচরিত প্রসাদ হল এই গজা এবং প্যারা। এই চারটি দোকানের মধ্যে তিনজনের মালিক মুসলমান। এভাবেই মমতা সরকারের এই সিদ্ধান্তে সরব হয়েছে অনেক মহল। অনেকেই সমালোচনার সুরে বলছেন—সরকারের এমন সিদ্ধান্তে ধরা পড়ছে সংখ্যালঘু তোষণ এবং সরকার এই সংখ্যালঘু তোষণটাও করছে হিন্দুদের বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে।

    কী বললেন অমিত মালব্য (Digha Jagannath Temple)?

    ভারতীয় জনতা পার্টির আইটিসেলের প্রধান অমিত মালব্য এ নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) মাধ্যমে। সেখানে অমিত মালব্য লিখছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু ভাবাবেগকে আঘাত দিয়ে মিষ্টির দোকান এবং রেশন ডিলারদেরকে গজা ও প্যারা প্রসাদ আকারে প্রস্তুত করে বিতরণ করতে বলছেন যাদের বেশিরভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের। এভাবেই তোষণের রাজনীতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন বলে অভিযোগ আনেন অমিত মালব্য। তিনি পুরীর জগন্নাথ ধামের সঙ্গে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের তুলনাও টানেন। বিজেপি নেতা বলেন, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অ-হিন্দুদের প্রবেশ নিষেধ, যা একটি পুরনো প্রথা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে সেই প্রথা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এখানে হিন্দু প্রথা মানা হচ্ছে না, হিন্দু রীতি মানা হচ্ছে না (Digha Jagannath Temple)। সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের শুধুমাত্র ধর্মনিরপেক্ষতার কারণে পর্দার আড়ালে রাখা হচ্ছে।

    কী বলছেন শুভেন্দু অধিকারী?

    অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু তোষণ। বিরোধী দলনেতা বলেন, প্রথমত বেআইনিভাবে ওবিসি তালিকা তৈরি করে মুসলিম ভোট নিজের দিকে আনতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর দেখা যাচ্ছে, হিন্দুদের পবিত্র রীতিতে আঘাত হানছেন তিনি। এটা কোনও বৈচিত্র্য নয় এটা হচ্ছে হিন্দুদের বিশ্বাসে আঘাত। শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে স্থানীয় হিন্দু দোকানদার আছেন যাঁরা চিরাচরিতভাবে মন্দিরের প্রসাদ তৈরি করেন, তাঁদের বাদ দিয়ে মুসলিমদের দিয়ে কাজ করিয়ে নিজের ইমেজ তৈরির চেষ্টা করছেন মমতা। এটা হচ্ছে তোষণের দ্বিতীয় পর্যায়, যেখানে শতাব্দী প্রাচীন হিন্দু রীতিকে (Digha Jagannath Temple) ভেঙেছেন তিনি শুধুমাত্র ভোটের জন্য।

    প্রসাদ তৈরি হয় শ্রদ্ধা ও ভক্তির মাধ্যমে

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে মুর্শিদাবাদ থেকে দীঘা পর্যন্ত হিন্দু ধর্মের নেতারা এবং ভক্তরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দীঘার এক স্থানীয় পণ্ডিত বলেন, এটা শুধুমাত্র খাদ্যের বিষয় নয়। নৈবেদ্য, যা ভগবানের উদ্দেশ্যে অর্পণ করা হয়, তা শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে তৈরি করা হয়। যাঁরা এটি তৈরি করেন ভক্তির সঙ্গে করেন। প্রসাদ একটি আধ্যাত্মিক বিষয়। কিন্তু যাঁরা তৈরি করছেন, তাঁরা যদি পবিত্র রীতিতে বিশ্বাস না রাখেন, তাহলে সেই প্রসাদের পবিত্রতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে (Digha Jagannath Temple)।

    কী বলছেন ভক্তরা (Digha Jagannath Temple)

    এই অঞ্চলের ভক্তরা মনে করছেন এইভাবেই পবিত্র ধর্মীয় রীতিনীতি এবং ধর্ম পালনকে রাজনৈতিক প্রভাবে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ জেলার রানি নগরের একজন স্থানীয় বাসিন্দা এই ঘটনায় অবাক হয়ে বলেন, যেখানে একটি মন্দির তৈরি হচ্ছে বৈষ্ণব প্রথা মেনে, সেখানকার প্রসাদ কিভাবে এভাবে তৈরি হতে পারে?
    আরেকজন বলেন, হিন্দুরা কি কোনও মসজিদের রীতিনীতি ঠিক করে? তাহলে কেন হিন্দুদের প্রসাদে সরকার হস্তক্ষেপ করছে এবং তার বাণিজ্যিকীকরণ করছে এভাবে? বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদে মমতা সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছে। গেরুয়া শিবিরের তরফে বলা হয়েছে— দুর্গা মূর্তি বিসর্জন বাধা পায় পশ্চিমবঙ্গে, রামনবমী শোভাযাত্রায় হামলা চালানো হয় অথচ ইফতার করা হয় সরকারি সহযোগিতায়, মাদ্রাসাগুলিকে ফান্ডিং করা হয়।

    গত এপ্রিলেই উদ্বোধন করেন মমতা

    জানা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ২০২৪ সালেই পশ্চিমবঙ্গে ৩০টি এমন ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে হিন্দু ধর্মের শোভাযাত্রার অনুমতি দেওয়া হয়নি, রুট বদল করা হয়েছে, অথবা তা করতে হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায়। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটেনি, বরং তারা রাজ্য সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসেই দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেই সময় জগন্নাথ মন্দিরকে (Jagannath Temple) একটি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেন। কিন্তু বর্তমানে সেই কেন্দ্রকেই ঘিরে দেখা যাচ্ছে সংখ্যালঘুতোষণের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

  • Mega Data Breach: বিশ্বের ইতিহাসে বড় তথ্য চুরির ঘটনা! সাইবার জগতে ফাঁস ১৬০০ কোটি লগ-ইন তথ্য

    Mega Data Breach: বিশ্বের ইতিহাসে বড় তথ্য চুরির ঘটনা! সাইবার জগতে ফাঁস ১৬০০ কোটি লগ-ইন তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে সাইবার জগতে তীব্র চাঞ্চল্য। সামনে এল ইতিহাসের বড় তথ্য চুরির ঘটনা (Mega Data Breach)। সাইবার বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন যে, ১৬ বিলিয়ন (১৬০০ কোটি) লগইন তথ্য ও পাসওয়ার্ড ফাঁস হয়েছে ডার্ক ওয়েবে। ফাঁস হওয়া এই বিপুল পরিমাণ তথ্যের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম প্রযুক্তি সংস্থা গুলোর অ্যাক্সেস ক্রেডেনশিয়াল, যার প্রভাব পড়তে পারে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ওপর।

    কী বলছে ফোর্বস পত্রিকা (Mega Data Breach)

    ফোর্বসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, এই তথ্যে অ্যাপল, গুগল, ফেসবুক, গিটহাব, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি পরিষেবার লগইন ও পাসওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গবেষকরা সতর্ক করছেন, এই ঘটনার ফলে সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবায় অবাধ প্রবেশাধিকার পেয়ে যেতে পারে।

    ১৮৪ মিলিয়ন রেকর্ডসহ অরক্ষিত ডেটাবেস (Mega Data Breach)

    একটি অসুরক্ষিত ওয়েব সার্ভারে পাওয়া গিয়েছে ১৮৪ মিলিয়ন রেকর্ডের এক রহস্যময় ডেটাবেস। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র। গবেষকরা এখনও পর্যন্ত ৩০টি পৃথক ডেটাসেট চিহ্নিত করতে পেরেছেন, যেগুলোর প্রতিটিতে ৩.৫ বিলিয়নেরও বেশি রেকর্ড রয়েছে। এসব ডেটায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সামাজিক মাধ্যম, ভিপিএন, কর্পোরেট ও ডেভেলপার প্ল্যাটফর্মের অ্যাক্সেস তথ্য।

    শুধু তথ্য ফাঁস নয়, সাইবার অপরাধের ব্লুপ্রিন্ট

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল একটি ‘ডেটা ব্রিচ’ (Mega Data Breach) নয় বরং একটি ব্যাপক এক্সপ্লয়টেশনের নীল নকশা। পূর্ববর্তী ফাঁস হওয়া তথ্য নয়, বরং এটি একেবারে নতুন ও ব্যবহারযোগ্য তথ্য। যা ইতিমধ্যেই সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে শুরু করেছে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই তথ্য ব্যবহার করে চালানো হতে পারে অ্যাকাউন্ট হাইজ্যাক এবং ব্যবসায়িক ইমেল কম্প্রোমাইজ। এই প্রসঙ্গে কিপার সিকিউরিটির সিইও ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা ড্যারেন গুসিওন জানিয়েছেন, এই ডেটা বহু অনলাইন পরিষেবার মূল অ্যাক্সেস তথ্য ধারণ করে, যার ফলে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব অনস্বীকার্য।

    পাসওয়ার্ড বদলে ফেলতে বলছে গুগল (Google)

    গুগল (Google) এই ধরনের তথ্য ফাঁসের ঘটনার কারণেই ব্যবহারকারীদের পাসওয়ার্ড এবং টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মত পুরনো সাইন-ইন পদ্ধতি থেকে সরে আসতে বলছে। এর পরিবর্তে জিমেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা আপগ্রেড করার পরামর্শ দিচ্ছে গুগল। ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টের ওপর আরও ভালো নিয়ন্ত্রণের জন্য গুগল তাদের অ্যাকাউন্টগুলিকে পাসকি এবং সোশ্যাল সাইন-ইনে আপগ্রেড করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছে। গুগলের (Google) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমন সরঞ্জাম ব্যবহার করা উচিত যা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুরক্ষিত করে এবং জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা করে।

  • Calcutta High Court: বড় ধাক্কা মমতা সরকারের, চাকরিহারাদের দেওয়া যাবে না ভাতা, রায় হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বড় ধাক্কা মমতা সরকারের, চাকরিহারাদের দেওয়া যাবে না ভাতা, রায় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মে মাসেই চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার (SSC) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মমতা সরকার। শুক্রবার এ নিয়ে হাইকোর্টের রায় সামনে এল। বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। এদিনই হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Calcutta High Court) তাঁর রায়ে জানিয়েছেন, ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অথবা আদালত যতদিন না পরবর্তী নির্দেশ দিচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এই চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দিতে পারবে না রাজ্য সরকার। উচ্চ আদালত এদিন আরও জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা জমা দিতে হবে এ বিষয়ে। রাজ্যের হলফনামা জমা দেওয়ার পনেরো দিনের মধ্যে পাল্টা হলফনামা জমা দেবেন মামলাকারীরা।

    গ্রুপ সি কর্মীদের ২৫ হাজার টাকা ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ২০ হাজার টাকার ভাতার ঘোষণা

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেলে থাকা প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এই ২৬ হাজার জনের মধ্যেই রয়েছেন গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীরাও। গত মাসেই রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের প্রতি মাসে ভাতা দেওয়া হবে। গ্রুপ সি কর্মীদের প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে মমতা সরকার। তবে শুক্রবার তাতে স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

    আগের শুনানিতেই এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা

    প্রসঙ্গত, ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয় (Calcutta High Court)। যারা মামলা করেন, তারা হাইকোর্টে জানান যে, চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়া হলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী হবে। প্রসঙ্গত, আগের শুনানিতেই বিচারপতি অমৃতা সিনহা ভাতার টাকার অঙ্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, টাকার পরিমাণ ২৫ হাজার এবং ২০ হাজার করা হল কেন? কিসের ভিত্তিতে এই অঙ্ক নির্ধারণ করা হল? বিচারপতি অমৃতা সিনহা আরও প্রশ্ন তুলেছিলেন, যাঁরা এই টাকা পাবেন তাঁদের থেকে রাজ্য প্রতিদানে কী পাবে? তিনি বলেছিলেন, তাঁরা ঘরে বসে থাকবেন আর টাকা পাবেন? সুপ্রিম কোর্টে একটার পর একটা রিভিউ পিটিশন হতে থাকবে আর এরা টাকা পেতে থাকবেন? প্রসঙ্গত, গত শুক্রবারই মামলার শুনানি শেষ হয়, কিন্তু সেদিন রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এই শুক্রবার তিনি রায় ঘোষণা করলেন এবং গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেওয়ার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করলেন।

  • Israel: ইজরায়েলের হানায় বিপর্যস্ত ইরানের আরক পরমাণু রিঅ্যাক্টর, কেন এই কেন্দ্রকে টার্গেট করল তেল আভিভ?

    Israel: ইজরায়েলের হানায় বিপর্যস্ত ইরানের আরক পরমাণু রিঅ্যাক্টর, কেন এই কেন্দ্রকে টার্গেট করল তেল আভিভ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের (Israel) হানায় কাঁপছে ইরান। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছে ইরানের হেভি ওয়াটার নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে। এই হেভি ওয়াটার, যার বিজ্ঞানের ভাষায় নাম হল ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O), সাধারণভাবে ব্যবহার করা হয় যে বিক্রিয়ায় নিউট্রনের গতিকে ধীর করার জন্য। এখানে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় ইউরেনিয়াম। এই পদ্ধতিতে তৈরি হয় ২৩৯-প্লুটোনিয়াম, যারই মাধ্যমে তৈরি হয় পরমাণু বোমা। দেখা যায় ভারত অথবা উত্তর কোরিয়া এভাবেই তৈরি করেছে তাদের পরমাণু অস্ত্র।

    আরক রিঅ্যাক্টরের কাজ শুরু হয় ২০০৩ সালে

    এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইজরায়েলের (Israel) ডিফেন্স ফোর্স জানিয়েছে যে, তারা অত্যন্ত কৌশলগতভাবে এই এয়ার স্ট্রাইক চালিয়েছে এবং তা আরক হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টরকে ধ্বংস করতে চালানো হয়েছে। কারণ তারা প্লুটোনিয়ামের উৎপাদন বন্ধ করতে চেয়েছিল। কারণ এই প্লুটোনিয়ামের মাধ্যমেই ইরান পরমাণু অস্ত্র বানানোর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জানা যায়, ইরান এই আরক রিঅ্যাক্টরের কাজ শুরু করে আজ থেকে ২২ বছর আগে, ২০০৩ সালেই। কিন্তু কোনও রকমের বৈধ ছাড়পত্র তারা পায়নি এই কাজের। এই আরক রিঅ্যাক্টরের মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করার জন্য তাদেরকে কোনও অনুমতি দেয়নি ইন্টারন্যাশনাল নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স। কিন্তু তারপরেও গোপনে এই কর্মসূচি চালিয়ে গিয়েছে ইরান।

    ব্যর্থ হয় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

    পরবর্তীকালে ইজরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ শুরু হলে তেল আভিভ থেকে সামাজিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে একটি সম্প্রচার করা হয়। এই সম্প্রচারের মাধ্যমে তারা জানায় যে, আরকে অবস্থিত নাগরিকরা যেন তাড়াতাড়ি সেই স্থান খালি করেন। তারা আরও জানায় যে, সেখানে যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেগুলোকে খুব তাড়াতাড়ি লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে। জানা যায়, অত্যন্ত উন্নত মানের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইজরায়েল হামলা চালায় ওই পরমাণু কেন্দ্রে। ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও ইজরায়েলের হামলাকে রুখতে তারা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়।

    পরমাণু কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ ভেসেল এবং কুলিং সিস্টেম ধ্বংস

    ইরানের জাতীয় সংবাদমাধ্যম পরবর্তীকালে মেনে নেয় যে ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে ওই কেন্দ্রে। তারা আরও বলে যে ইজরায়েলের ঘোষণার পরেই খালি করে দেওয়া হয় সম্পূর্ণ আরককে এবং সেখানে বর্তমানে কোনও তেজস্ক্রিয় বিপদ নেই। এখনও পর্যন্ত তদন্ত চলছে। ভূ-রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ওই পরমাণু কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ যে ভেসেল এবং কুলিং সিস্টেম, তা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে ইজরায়েলের হানায় এবং এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উয়েপন-গ্রেড প্লুটোনিয়ামের উৎপাদন।

    ইরাক ও সিরিয়াতেও এমন হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল

    প্রথমেই তবে ইরানের ওই পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালায়নি ইজরায়েল (Israel)। যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক ৭ দিনের মাথায়, যখন ইরান বোমা হামলা চালায় ইজরায়েলের হাসপাতালে। তারপরেই প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। তাঁদের দেশের অসামরিক কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এনিয়ে এক ভিডিও বার্তায় ইজরায়েলের প্রধা্নমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) অভিযোগ করেন, “এই মুহূর্তে ইরানের সরকার আমাদের অসামরিক এলাকাগুলিতে হামলা চালাচ্ছে (Israel)। কিন্তু আমরা কেবল সন্ত্রাসবাদীদের লক্ষ্য করছি। তারা হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে, আমেরিকার দূতাবাসে বোমা হামলা চালিয়েছে, বেইরুটে হামলা চালিয়ে ২৪০ জনকে সালে বহ হত্যা করেছে, এবং ইরাক ও আফগানিস্তানে হাজার হাজার আমেরিকানকে হত্যা করেছে।” এরপরেই ইরানের (Iran) ওই পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালায় ইজরায়েল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ইজরায়েল এমন হামলা চালিয়েছিল ১৯৮১ সালে ইরাকের অসিরাক রিঅ্যাক্টরে, পরবর্তীকালে ২০০৭ সালে সিরিয়াতে। এরপরেই ২০২৫ সালে এই একই হামলা দেখা গেল ইরানে।

    কী বলছেন ইরানের রাজনৈতিক নেতারা?

    ইরানের (Iran) রাজনৈতিক নেতারা ইজরায়েলের এমন হানাকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন এবং তাঁরা জানিয়েছেন যে, এভাবেই তারা (ইজরায়েল) আন্তর্জাতিক আইনকে না মেনে এমন কাজ করেছে। ইজরায়েলের এমন হানার পরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইকে একটি সরাসরি সম্প্রচারে আসতে দেখা যায়। সেখানে তিনি ইজরায়েলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন এবং বলেন যে, ইজরায়েল যেভাবে হামলা চালিয়েছে, তার প্রত্যাঘাত হবেই। আমরা তাদেরকে উচিত শিক্ষা দেব। এই আবহে ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েলের ওপর হামলা চালাতে এই যুদ্ধে ইরান ব্যবহার করতে পারে লেবাননের জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লাহকে এবং ইরাকের জঙ্গি সংগঠন শিয়া মিলিশিয়াকে।

  • Central Government: পুরনো ও নতুন পেনশন প্রকল্পের গ্র্যাচুইটিতে সমতা আনল কেন্দ্র

    Central Government: পুরনো ও নতুন পেনশন প্রকল্পের গ্র্যাচুইটিতে সমতা আনল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বহুদিনের দাবি পূরণ হল। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, অবসরকালীন সুবিধা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত কর্মচারীদের একটি উল্লেখযোগ্য দাবি পূরণ করতে পেরেছে। পাশাপাশি, এতে সমতা প্রতিষ্ঠিত হবে (Pension Schemes) বলেও মনে করেন তিনি। পেনশন অ্যান্ড পেনশনার্স ওয়েলফেয়ার বিভাগ এ বিষয়ে একটি সরকারি নির্দেশিকা (অর্ডার) জারি করেছে। সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ন্যাশনাল পেনশন স্কিম (NPS)-এর আওতায় থাকা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাও এখন থেকে কেন্দ্রীয় সিভিল সার্ভিস (পেনশন) বিধি, ২০২১-এর আওতায় অবসরকালীন ও মৃত্যুকালীন গ্র্যাচুইটি (Gratuity) সুবিধা পাবেন।

    নতুন আদেশ অনুযায়ী কী বলা হল (Central Government) ?

    NPS-এর আওতাভুক্ত কর্মচারীরা অবসর বা চাকরি চলাকালীন মৃত্যুর ক্ষেত্রে গ্র্যাচুইটি সুবিধা পাবেন।

    ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্র্যাচুইটি পাওয়া যাবে সংশোধিত নিয়মে।

    চাকরির মেয়াদকালে (Central Government) মৃত্যু হলে, সংশ্লিষ্ট কর্মী বা তার পরিবার CCS পেনশন বিধি অনুযায়ী সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

    এতে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে সমতা ও ন্যায্যতা বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বলছেন অল ইন্ডিয়া এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি মনজিত সিং প্যাটেল?

    অল ইন্ডিয়া এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি মনজিত সিং প্যাটেল এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘‘এনপিএস-এ অবসরকালীন ও মৃত্যুকালীন সুবিধা নিয়ে এতদিন যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, সরকারের এই নতুন আদেশ সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাল। কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি আজ বাস্তবায়িত হল।’’

    অর্থ মন্ত্রক ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে একটি বিকল্প পেনশন ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছিল

    উল্লেখ্য, এর আগে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে একটি বিকল্প পেনশন ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছিল। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) নিয়োগপ্রাপ্তরা এককালীনভাবে এনপিএস এবং সিসিএস (Pension) রুলসের মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এই সিদ্ধান্তে যেমন কর্মচারীরা উপকৃত হবেন, তেমনই অবসর এবং মৃত্যুকালীন আর্থিক সুরক্ষা আরও দৃঢ় হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল (Central Government) ।

LinkedIn
Share