Author: suman-das

  • Rahul Gandhi: উত্তমনগর হিংসায় পক্ষ নিলেন অভিযুক্তদের, বললেন “নিপীড়নের শিকার”! রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে ফের নিন্দার ঝড়

    Rahul Gandhi: উত্তমনগর হিংসায় পক্ষ নিলেন অভিযুক্তদের, বললেন “নিপীড়নের শিকার”! রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে ফের নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উত্তম নগরে (Uttam Nagar Violence) গত ৪ মার্চ হোলি খেলার সময় বেলুন ছোড়াকে কেন্দ্র করে হওয়া বিবাদে ২৬ বছর বয়সি তরুণ খাটিক নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সাম্প্রতিক একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তিনি লিখেছেন, “একটি ছেলে যেমন খুন হয়েছেন তেমনি অপরে আরেকটি পরিবারও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।” স্পষ্ট ইঙ্গিত অভিযুক্তদের বাড়িতে বুলডোজার নিয়ে কটাক্ষ করেছেন।

    বিজেপির পাল্টা আক্রমণ (Rahul Gandhi)

    রাহুল গান্ধী পোস্টে দাবি করে লিখেছেন, “উত্তম নগরে একদিকে যেমন তরুণ প্রাণ হারিয়েছে, অন্যদিকে একটি পরিবার নিপীড়নের শিকার হয়েছে।” রাহুল গান্ধী এখানে অভিযুক্তদের পরিবারকেও সমানভাবে শিকার বা ভিক্টিম হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, যা নিহতের পরিবারের প্রতি অসম্মানজনক। এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের মানুষ।

    বিজেপি মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা এবং অন্যান্য নেতারা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) কেবল ‘নির্বাচিত সংবেদনশীলতা’ (Selective Outrage) এবং ‘ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি’ করার চেষ্টা করছেন বলে তোপ দেগেছেন। বিজেপির দাবি, একজন দলিত যুবককে পিটিয়ে হত্যার (Uttam Nagar Violence) ঘটনাকে ধামাচাপা দিতেই রাহুল উভয় পক্ষকে সমানভাবে দায়ী করার চেষ্টা করছেন।

    তবে রাহুল গান্ধী এই ঘটনাকে বিজেপি এবং তার ইকোসিস্টেমের ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার দেশে দাঙ্গা-সদৃশ পরিস্থিতি তৈরি করে জনগণের নজর মূল সমস্যা থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে।

    কেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা?

    ইদ এবং রামনবমীকে সামনে রেখে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে উত্তম নগরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। ড্রোন দিয়ে নজরদারি এবং আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এত উত্তেজনার মাঝেও গত ২১ মার্চ উত্তম নগরে শান্তিপূর্ণভাবে ইদ পালিত হয়েছে। স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ কর্মীদের ওপর গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের (Uttam Nagar Violence) ঘটনায় ইতিপূর্বেই ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। তবে রাহুল (Rahul Gandhi) এই পদক্ষেপকে ‘তোষণ রাজনীতি’ এবং অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করার কথা বলে রাজনীতির একাংশ ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছেন। এখন স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের সহযোগিতায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।

  • Ramakrishna 606: “আপনি হতভাগা ডাক্তারদের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন”

    Ramakrishna 606: “আপনি হতভাগা ডাক্তারদের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের সহিত বিজয়কৃষ্ণ, নরেন্দ্র, মাস্টার, ডাক্তার সরকার, মহিমাচরণ
    প্রভৃতি ভক্তের কথোপকথন ও আনন্দ

    মাস্টার (ডাক্তারের প্রতি) — মহিমা চক্রবর্তী আপনার এখানে আগে আসতেন। আপনি বাড়িতে ডাক্তারী সায়েন্স-এর লেক্‌চার দিতেন, তিনি শুনতে আসতেন।

    ডাক্তার — বটে? লোকটার কি তমো! দেখলে (Kathamrita)— আমি নমস্কার করলুম as God’s Lower Third? আর ঈশ্বরের ভিতর তো (সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ) সব গুণই আছে। ও কথাটা mark করেছিলে, ‘আপনি ডাক্তারের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন?’

    মাস্টার—মহিমা চক্তবর্তীর বিশ্বাস যে, পরমহংসদেব মনে করলে নিজে ব্যারাম আরাম করতে পারেন।

    ডাক্তার — ওঃ। তা কি হয়? আপনি ব্যারাম ভাল করা! আমরা ডাক্তার, আমরা তো জানি ও ক্যান্সার-এর ভিতর কি আছে! — আমরাই আরাম করতে পারি না। উনি তো কিছু জানেন না, উনি কিরকম করে আরাম করবেন! (বন্ধুদের প্রতি) — দেখুন, রোগ দুঃসাধ্য বটে, কিন্তু এরা সকলে তেমনি devotee-র মতো সেবা করছে!

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষোড়শ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ সেবকসঙ্গে

    মাস্টার ডাক্তারকে আসিতে বলিয়া প্রত্যাগমন করিলেন। খাওয়া-দাওয়ার পর বেলা-তিনটার সময় শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিয়া সমস্ত নিবেদন করিলেন। বলিলেন, ডাক্তার আজ বড় অপ্রতিভ করেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কি হয়েছে?

    মাস্টার — ‘আপনি হতভাগা ডাক্তারদের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন’ — এ-কথা শুনে গিছলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কে বলেছিল?

    মাস্টার — মহিমা চক্রবর্তী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— তারপর?

    মাস্টার — তা মহিমা চক্রবর্তীকে বলে ‘তমোগুণী ঈশ্বর’ (God’s Lower Third) এখন ডাক্তার বলছেন, ঈশ্বরের সব গুণ (সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ) আছে! (পরমহংসদেবের হাস্য) আবার আমায় বললেন, রাত তিনটের সময় ঘুম ভেঙে গেছে আর পরমহংসের ভাবনা। বেলা আটটার সময় বলেন, ‘এখনও পরমহংস চলছে।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসিতে হাসিতে) — ও ইংরাজী পড়েছে, ওকে বলবার জো নাই আমাকে চিন্তা কর; তা আপনিই করছে।

    মাস্টার — আবার বলেন, As man I have the greatest regard for him, এর মানে এই, আমি তাঁকে অবতার বলে মানি না। কিন্তু মানুষ বলে যতদূর সম্ভব ভক্তি আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আর কিছু কথা হল?

    মাস্টার — আমি জিজ্ঞাসা(Kathamrita) করলাম, ‘আজ ব্যারামের কি বন্দোবস্ত হবে?’ ডাক্তার বললেন, ‘বন্দোবস্ত আর আমার মাথা আর মুণ্ডু; আবার আজ যেতে হবে, আর কি বন্দোবস্ত!’ (শ্রীরামকৃষ্ণের হাস্য) আরও বললেন, ‘তোমরা জান না যে আমার কত টাকা রোজ লোকসান হচ্ছে — দুই-তিন জায়গায় রোজ যেতে সময় হয় না।’

  • PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা জনপ্রিয় নেতা বালেন্দ্র শাহ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah) হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, শপথ গ্রহণের জন্য রামনবমীর (Ram Navami) দিন ২৬ মার্চকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।

    রামনবমীর দিন শপথ কেন(PM Balendra Shah)?

    নেপালের ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)-র নিরঙ্কুশ জয়ের পর ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ এখন প্রধানমন্ত্রীর (PM Balendra Shah) পদে শপথ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তাঁর এই শপথ গ্রহণের সময় এবং স্থান নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  বালেন্দ্র তাঁর শপথ গ্রহণের জন্য ‘রামনবমী’র (Ram Navami) দিনটিকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি ধর্মীয় তিথি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা। সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যমে তিনি নেপালের সনাতন হিন্দু ঐতিহ্য এবং ভারতের সঙ্গে থাকা সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন। নতুন দায়িত্বের শুরু অর্থাৎ রামনবমীকে মন্দের বিনাশ এবং সুশাসনের রামরাজ্য প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বালেন্দ্র সম্ভবত নেপালের পুরনো দুর্নীতিগ্রস্ত বাম রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন স্বচ্ছ যুগের সূচনা করতে চাইছেন।

    জনকপুর থেকে ‘মধেসি’ কার্ড

    বালেন্দ্র তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জনকপুরকে। এটি মা জানকীর (সীতা) জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত। তিনি নিজেকে মধেশের সন্তান (Son of Madhesh) হিসেবে তুলে ধরেছেন। নেপালের ইতিহাসে তিনি হতে চলেছেন প্রথম মধেশি বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah)। জনকপুর থেকে প্রচার শুরু করার মাধ্যমে তিনি নেপালের তরাই বা মধেসি অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    রাজনৈতিক সংকেত

    এই ঘটনাগুলি নেপালের রাজনীতিতে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। পোড়খাওয়া নেতা কেপি শর্মা ওলির মতো আধিপত্যবাদকে ভেঙে দিয়ে জেন-জি (Gen Z) এবং তরুণ প্রজন্মের উত্থান হয়েছে। এতদিন নেপালের রাজনীতি মূলত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। বালেন্দ্রের (PM Balendra Shah) উত্থান মধেসি এবং মধেশে-পাহাড়ি মিশ্র সংস্কৃতির মেলবন্ধনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    বিদেশনীতিতে জোর

    প্রচারের ভাষা এবং শপথের দিন নির্বাচন দেখে মনে করা হচ্ছে, বালেন্দ্রের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে নেপালের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে, যা বিগত কয়েক বছরে কিছুটা শীতল ছিল। বালেন্দ্রর (PM Balendra Shah) এই শপথ গ্রহণ নেপালের জন্য কেবল একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী পাওয়া নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের জন্ম দেওয়া—যেখানে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা একসঙ্গে হাত মিলিয়ে চলবে।

  • Ghar Wapsi: ওড়িশার কালাহান্ডিতে ‘ঘর ওয়াপসি’, ১৩৬ জন আদিবাসী সদস্যের প্রত্যাবর্তন সনাতন ধর্মে

    Ghar Wapsi: ওড়িশার কালাহান্ডিতে ‘ঘর ওয়াপসি’, ১৩৬ জন আদিবাসী সদস্যের প্রত্যাবর্তন সনাতন ধর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার কালাহান্ডি (Kalahandi-Odisha) জেলার একটি প্রত্যন্ত আদিবাসী গ্রাম ভিরিমুহানা আমপানিতে ২২ মার্চ, ২০২৬ তারিখে এক বিশেষ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ১৩৬ জন ব্যক্তি, যাঁরা অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন, তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের পূর্বপুরুষের সনাতন ধর্মে ফিরে (Ghar Wapsi) এলেন।

    ধর্ম জাগরণ সমন্বয় বিভাগ উদ্যোগী (Ghar Wapsi)

    অনুষ্ঠানের মূল দিকগুলি বেশ উৎসাহজনক। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল হিন্দু সংগঠন। এই কর্মসূচিটি ‘ধর্ম জাগরণ সমন্বয় বিভাগে’র  তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে। এখানে হিন্দু আচার-অনুষ্ঠান এবং বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতির মাধ্যমে এই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। আগত ব্যক্তিদের পা ধুইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও স্বাগত জানানো হয়। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ধর্মগুরু এবং স্থানীয় নেতৃত্ব। ‘ঘর ওয়াপসি’-র (Kalahandi-Odisha) সর্বভারতীয় প্রধান প্রবল প্রতাপ সিং জুদেব এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজেই অংশগ্রহণকারীদের পা ধুইয়ে দেওয়ার আচারটি পালন করেন এবং তাঁদের সনাতন ধর্মে ফেরার প্রক্রিয়াকে সহজতর করেন। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন স্বামী জনকানন্দ গিরি, গুরুকুল আশ্রম আমসেনার কুঞ্জদেও ঋষি, ধর্ম জাগরণের আঞ্চলিক প্রধান বিনয় কুমার ভুইঁয়া এবং ওড়িশা রাজ্য প্রধান বীর বিক্রম আচার্য-সহ অনেক ধর্মীয় নেতা ও সংগঠক।

    শেকড়ে ফিরে যাওয়ার একটি বড় পদক্ষেপ

    এই অনুষ্ঠানটিকে ওই অঞ্চলের আদিবাসী সম্প্রদায়ের (Kalahandi-Odisha) মধ্যে তাঁদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় শেকড়ে ফিরে (Ghar Wapsi) আসার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, এটি কেবল ধর্ম পরিবর্তন নয়, বরং নিজেদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও পরিচয়ের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত হওয়া। ধর্মীয় প্রলোভন এবং আর্থিক সুবিধার নামে খ্রিষ্টান মিশনারি এবং ইসলামী একাধিক জেহাদি সংগঠন অনেক দিন ধরেই দেশের নানা প্রান্তে ধর্মান্তকরণের কাজ করছে। কখনও লাভ জেহাদ, কখনও ল্যান্ড জেহাদের নামে আবার কখনও দারিদ্রতাকে ঢাল করে আর্থিকভাবে লাভবান করার মতো লোভ দেখিয়ে সহজ সরল মানুষকে নিজেদের সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। এবার এই সব সংগঠনের বিরুদ্ধে হিন্দু সংগঠনগুলি এককভাবে কাজ করছে।

  • Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    Delhi Police: চুক্তির শর্ত না মানায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইউএনআই সংবাদ মাধ্যমের অফিস সিল করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Police) নির্দেশ এবং তার প্রেক্ষিতে সংবাদ সংস্থা ইউএনআই (United News of India)-এর অফিস সিল করে দেওয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক চর্চা চলছে। ৪৫০ কোটি টাকা মূল্যের এই পাবলিক প্রপার্টি বা সরকারি জমি দীর্ঘ সময় ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকায় এবং চুক্তির শর্ত না মানায় আদালত জমিটি সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতের অন্যতম প্রাচীন এই সংবাদ সংস্থা ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পুলিশি অভিযানের পর রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার, ২০ মার্চ সন্ধ্যায়, দিল্লি পুলিশের কর্তারা আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আদালতের নির্দেশে রফি মার্গে ইউএনআইয়ের কার্যালয়ে পৌঁছন, চালান উচ্ছেদ অভিযান। এরপর থেকেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। তবে পুলিশের এই অভিযানে বামপন্থীরা ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, ঘটনাটি সংবাদ মধ্যেমের ওপর আক্রমণ।

    হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সিল (Delhi Police)

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ শচীন শর্মা বলেন, “পুলিশ শুধুমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার জন্যই সেখানে উপস্থিত ছিল। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী, আমরা এলঅ্যান্ডডিও আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে সেখানে ছিলাম। ইউএনআইয়ের (United News of India) সকল কর্মীকে চত্বরটি খালি করে দিতে বলেছিলাম।” তবে জমি বরাদ্দ বাতিলের বিরুদ্ধে ইউএনআইয়ের করা আবেদন দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর পরপরই প্রশাসন সম্পত্তিটি সিল করে দেয়।

    কেন সিল করা হল অফিস?

    ইউএনআইয়ের অফিসটি দিল্লি পুলিশ এবং ভূমি ও উন্নয়ন দফতর সিল করে দিয়েছে। এর প্রধান কারণগুলি হল, জমি বরাদ্দের শর্ত লঙ্ঘন। ১৯৭৯ সালে এই জমিটি ইউএনআই (Delhi Police)-কে দেওয়া হয়েছিল একটি বহুতল অফিস কমপ্লেক্স তৈরি করার জন্য। কিন্তু দীর্ঘ ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও, সংস্থাটি সেখানে কোনও স্থায়ী নির্মাণ কাজ করেনি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি শচীন দত্তের পর্যবেক্ষণ, মূল্যবান সরকারি জমি এভাবে দশকের পর দশক ধরে ‘বন্দি’ করে রাখা হয়েছে। আদালত একে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হিসেবে বর্ণনা করছে।

    ভাড়া বা বাণিজ্যিক ব্যবহার

    অভিযোগ, যে উদ্দেশ্যে জমি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ না করে সংস্থাটি জায়গাটি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (যেমন, ক্যান্টিন) ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল।

    পুলিশি অ্যাকশন ও বিতর্ক

    আদালতের নির্দেশের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) এবং আধাসামরিক বাহিনী অফিসটি খালি করতে শুরু করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংবাদ সংস্থাটি (Delhi Police) এবং কিছু বাম-লিবারেল বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেনি

    বিগত বছরগুলোতে ১৯৮৬, ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালে একাধিক সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করা হয়েছিল, এবং প্রতিবারই ভবনটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কাজে সামান্যই অগ্রগতি হয়েছিল বা একেবারেই হয়নি। এমনকি ২০১২ সালে নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পরেও প্রকল্পটি স্থবির হয়ে গিয়েছিল।

    ২০২৩ সাল নাগাদ, কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করার পর অসন্তোষজনক জবাব পেয়ে, এলএন্ডডিও ইজারার শর্ত লঙ্ঘনের কারণ দেখিয়ে বরাদ্দটি বাতিল করে দেয়। ইউএনআই (United News of India) এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করে, কিন্তু তাদের আবেদনটি শেষ পর্যন্ত খারিজ হয়ে যায়। হাইকোর্ট আরও উল্লেখ করেছে যে, “৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রমাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতাকে” কেবল এই কারণে ক্ষমা করা যায় না যে সংস্থাটি এখন পদক্ষেপ করতে ইচ্ছুক।

    সংবাদ সংস্থাটির অভিযোগ

    সংবাদ সংস্থাটির দাবি, কর্মীদের আগাম কোনও নোটিশ না দিয়েই জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। মহিলা সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং কর্মীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে। তারা একে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। পুলিশ (Delhi Police) অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, আদালতের নির্দেশ পালন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তারা কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    বাম-লিবারেল প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক (United News of India) তৈরি হয়েছে তাকেই ‘মেল্টডাউন’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাম সমালোচকদের মতে, একটি ঐতিহাসিক সংবাদ সংস্থাকে এভাবে উচ্ছেদ করা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। অন্যদিকে, সরকার এবং আদালতের পক্ষের মানুষের দাবি, আইনের শাসন সবার জন্য সমান। চার দশক ধরে শর্ত লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অনিবার্য।

  • Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্থিতিস্থাপকতা নিয়ে গর্ব করে। অথচ দশকের পর দশক ধরে একটি বড় অবিচার প্রায় অনুচ্চারিতই থেকে গিয়েছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের পরিকল্পিতভাবে ভূমিহীন (Hindu crisis) করে দেওয়া হয়েছে। ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে হিন্দুরা ২৬ লাখ একর জমি খুইয়েছে—যা কয়েকটি ছোট দেশের চেয়েও বড়—এবং এক কোটিরও বেশি মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ১২ লাখ পরিবারের ওপর এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩৫০,৪১২ কোটি টাকা।

    ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন হিন্দুরা (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যমের করা সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, পদ্মাপারের এই দেশে এই ব্যাপক ভূমি দখলের পেছনে রয়েছে পাঁচ লাখ প্রভাবশালী (Hindu crisis) ব্যক্তি। এরা রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। মোট জমির মধ্যে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িতরা ১৭,৪৯,৫০০ একর, আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্তরা ৩,৬১,৪০০ একর এবং জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনগুলি ২,২৬,২০০ একর জমি দখল করেছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ১,৮২,০০০ একর, মুসলিম লিগ ১,৮২০ একর এবং ছোট দলগুলির সঙ্গে যুক্ত অন্যরা ১০,৪০০ একর জমি লুট করেছে। ওই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, হিন্দুরা ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন। বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের (Bangladesh) ওপর দশকের পর দশক ধরে চলা পদ্ধতিগত ভূমি দখল এবং তাঁদের দেশত্যাগে বাধ্য করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এর প্রধান দিকগুলি হল-

    বিপুল পরিমাণ ভূমি দখল ও আর্থিক ক্ষতি

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ভূমি দখলের এই সংস্কৃতিতে প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলেরই সায় রয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার বঞ্চনার (Hindu crisis) শেকড় দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। কোনও প্রধান দলের হাতই পরিষ্কার নয়। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র সাত লাখ একর জমিকে স্বত্বাধিকারী সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যার ফলে বাজেয়াপ্ত করা জমির সিংহভাগই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দখলদারদের হাতে রয়ে গিয়েছে। এটি কেবল একটি আমলাতান্ত্রিক ত্রুটি (Hindu crisis) নয়—এটি একটি নৈতিক ব্যর্থতা। জমি শুধু সম্পত্তি নয়, এটি পরিচয়, ঐতিহ্য এবং নিরাপত্তাও। পরিকল্পিত চুরির অনুমতি দেওয়া মানে নাগরিকদের তাঁদের সবচেয়ে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

    ন্যায়বিচারের অভাব

    বর্তমানে সরকার (Bangladesh) মাত্র ৭ লাখ একর জমিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা মোট বেদখল হয়ে যাওয়া জমির একটি সামান্য অংশ মাত্র। তবে ভূমি কেবল সম্পত্তি নয়, এটি একজন মানুষের পরিচয় এবং নিরাপত্তার অংশ। পদ্ধতিগতভাবে এই জমি কেড়ে নেওয়া মানে হল নাগরিকদের মৌলিক অধিকার অস্বীকার করা।

    প্রস্তাবিত সমাধান

    বাংলাদশের (Bangladesh) হিন্দুদের এই সমস্যার সামধান কীভাবে সম্ভব এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ওই সংবাদ মাধ্যমের সমাজতাত্ত্বিক গবেষণায় বলা হয়েছে, একটি ‘ভেস্টেড প্রপার্টি ব্যাঙ্ক’ বা স্বচ্ছ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা যাতে দখল হওয়া জমির সঠিক হিসেব রাখা যায়। অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিক বা ভূমিহীন হিন্দু পরিবারগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়া। সরকারকে রাজনৈতিক সাহসিকতা দেখিয়ে এই ঐতিহাসিক অন্যায়ের বিচার করতে হবে। বাংলাদেশ যখন বৈষম্যের (Hindu crisis) বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তখন সংখ্যালঘুদের ওপর এই দীর্ঘস্থায়ী অবিচারকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাধান করার কথা ভাবা হয়নি। আদর্শকে অসম্পূর্ণ করে রেখেছে বাংলাদেশের দেশের সরকার। যতক্ষণ পর্যন্ত না অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং সমানাধিকার নিশ্চিত হবে, ততক্ষণ এই নৈতিক সঙ্কট থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে না।

  • West Bengal Elections 2026: লক্ষ্য হিংসামুক্ত-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    West Bengal Elections 2026: লক্ষ্য হিংসামুক্ত-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে ২৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত আরও ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Armed Police Forces) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যে নিরাপত্তার এমন ব্যাপক প্রস্তুতি নজিরবিহীন।

    কত কত বাহিনী আসবে (West Bengal Elections 2026)?

    নিরাপত্তা প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে কমিশন এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। হিংসামুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও লক্ষ্য রয়েছে। ইতিমধ্যেই মার্চে রাজ্যে মোতায়েন হয়ে গিয়েছে ৪২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আরও অতিরিক্ত ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী পাঁচটি ধাপে আসবে রাজ্যে। প্রথম দফায় ৩১ মার্চ রাজ্যে আসছে মোট ৩০০ কোম্পানি। এর মধ্যে সিআরপিএফ ১২৫ কোম্পানি, বিএসএফ ১০০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ২৫ কোম্পানি। আইটিবিপি এবং এসএসবি ২৫ কোম্পানি করে। দ্বিতীয় দফায় ৭ এপ্রিল রাজ্যে আসছে আরও ৩০০ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর এবং ত্রিপুরা থেকে কিছু বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে ১০ এপ্রিল আসবে আরও ৩০০ কোম্পানি। এই ধাপে জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি মণিপুর থেকেও আসছে বাহিনী । চতুর্থ ধাপে ১৩ এপ্রিল ২৭৭ কোম্পানি বাহিনী আসবে। অসম, হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ড থেকে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা বাংলায় আসবেন। পঞ্চম ধাপে ১৭ এপ্রিল আসবে সর্বোচ্চ ৭৪৩ কোম্পানি বাহিনী। অসম থেকে আসবে ৪৪৩ কোম্পানি সিএপিএফ। কেরল, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, সিকিম, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব এবং রাজস্থান-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে মোট ৩০০ কোম্পানি বাহিনী (Central Armed Police Forces) আসবে।

    কীভাবে নির্বাচনে কাজ করবে বাহিনী?

    বাহিনীর প্রত্যেক দিনের কাজের বিবরণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দফতরে রিপোর্ট আকারে পাঠাতে হবে। বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) কথা মাথায় রেখে কমিশন পশ্চিমবঙ্গে সিআরপিএফের সেক্টরের আইজি শলভ মাথুরকে বাহিনী মোতায়েনের জন্য ‘স্টেট ফোর্স কোঅর্ডিনেটর’ হিসেবে নিযুক্ত করেছে। প্রতিটি কোম্পানিতে (Central Armed Police Forces) অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকবেন। ৯টি সেকশনের মধ্যে ৮টি পোলিং স্টেশনে ব্যবহার করা হবে এবং ১টি সেকশন কুইক রেসপন্স টিম হিসেব কাজ করবে ৷ ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর বাহিনীর একটি বড় অংশ রাজ্য থেকে চলে যাবে। তবে ২০০ কোম্পানিকে রাজ্যে রাখা হবে যারা ইভিএম, স্ট্রং রুম এবং কাউন্টিং সেন্টারের নিরাপত্তা দেবে। ভোটের পর গণনা পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ৫০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে রাজ্যে। বাকি কোম্পানি ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরেই ফিরে যাবে।

    শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ

    ভোটাররা যাতে ভয়ভীতি বা চাপের ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই বাহিনীর মূল লক্ষ্য। নিজের ভোট নিজে দেওয়া এবং প্রার্থী চয়নে কোনও চাপের মুখে না পড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ।

    স্পর্শকাতর বুথে নজরদারি

    রাজ্যের যে সব এলাকা বা বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে আগেভাগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে এরিয়া ডোমিনেশন (Area Domination) বা রুট মার্চ শুরু করা হবে। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর ভোটে মনোনয়ন থেকে ফল ঘোষণা পর্যন্ত ব্যাপকভাবে হিংসার শিকার হয়েছেন রাজ্যবাসী। তাই কমিশন নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণ তৎপর।

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা

    ভোটের দিন তো বটেই, নির্বাচনের আগের ও পরের দিনগুলিতেও যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তাই এই বিশাল বাহিনীকে (Central Armed Police Forces) কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা হবে।

    বাহিনী মোতায়েনের পরিসংখ্যান এক নজরে

    বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। একদিকে বিরোধী দলগুলি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছে যে, এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে। শাসক শিবিরের বক্তব্য, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখা প্রয়োজন ছিল। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

    ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে বাংলার রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমন এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে যে, নির্বাচন কমিশন এবার কোনও প্রকার আপোশ করবে না। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই বাহিনী (Central Armed Police Forces) ধাপে ধাপে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে।

  • Ramakrishna 605: “মহাশয়, আপনি ডাক্তারের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করিয়াছেন… ঈশ্বরের ভিতর তো সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ সব গুণই আছে”

    Ramakrishna 605: “মহাশয়, আপনি ডাক্তারের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করিয়াছেন… ঈশ্বরের ভিতর তো সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ সব গুণই আছে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের সহিত বিজয়কৃষ্ণ, নরেন্দ্র, মাস্টার, ডাক্তার সরকার, মহিমাচরণ
    প্রভৃতি ভক্তের কথোপকথন ও আনন্দ

    আজ রবিবার, ১০ই কার্তিক; কৃষ্ণাদ্বিতীয়া — ২৫শে অক্টোবর, ১৮৮৫। শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতাস্থ শ্যামপুকুরের বাড়িতে অবস্থান করিতেছেন। গলার পিড়া (ক্যান্সার) চিকিৎসা করাইতে আসিয়াছেন। আজকাল ডাক্তার সরকার দেখিতেছেন।

    ডাক্তারের কাছে পরমহংসদেবের অবস্থা জানাইবার জন্য মাস্টারকে প্রত্যহ পাঠানো হইয়া থাকে। আজ সকালে বেলা ৬৷৷ টার সময় তাঁহাকে প্রণাম করিয়া মাস্টার জিজ্ঞাসা করিলেন, “আপনি কেমন আছেন?” শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বলিতেছেন, “ডাক্তারকে বলবে, শেষ রাত্রে একমুখ জল হয়; কাশি আছে; ইত্যাদি। জিজ্ঞাসা (Kathamrita) করবে নাইব কিনা?”

    মাস্টার ৭-টার পর ডাক্তার সরকারের সঙ্গে দেখা করিলেন ও সমস্ত অবস্থা বলিলেন। ডাক্তারের বৃদ্ধ শিক্ষক ও দুই-একজন বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। ডাক্তার বৃদ্ধ শিক্ষককে বলিতেছেন, মহাশয়! রাত তিনটে থেকে পরমহংসের ভাবনা আরম্ভ হয়েছে — ঘুম নাই। এখনও পরমহংস চলেছে। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তারের একজন বন্ধু ডাক্তারকে বলিতেছেন, মহাশয়, শুনতে পাই পরমহংসকে কেউ কেউ অবতার বলে। আপনি তো রোজ দেখছেন, আপনার কি বোধ হয়?

    ডাক্তার — As man I have the greatest regard for him.

    মাস্টার (ডাক্তারের বন্ধুর প্রতি) — ডাক্তার মহাশয় তাঁকে অনুগ্রহ করে অনেক দেখছেন।

    ডাক্তার — অনুগ্রহ!

    মাস্টার — আমাদের উপর, পরমহংসদেবের উপর বলছি না।

    ডাক্তার — তা নয় হে। তোমরা জান না, আমার actual loss হচ্ছে, রোজ রোজ দুই-তিনটে call-এ যাওয়াই হচ্ছে না। তার পরদিন আপনিই রোগীদের বাড়ি যাই, আর ফি লই না; — আপনি গিয়ে ফি নেবো কেমন করে?

    শ্রীযুক্ত মহিমা চক্রবর্তীর কথা হইল। শনিবারে যখন ডাক্তার পরমহংসদেবকে (Ramakrishna)  দেখিতে যান, তখন চক্তবর্তী উপস্থিত ছিলেন; ডাক্তারকে দেখিয়া তিনি শ্রীরামকৃষ্ণকে বলিয়াছিলেন, ‘মহাশয়, আপনি ডাক্তারের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করিয়াছেন।”

    মাস্টার (ডাক্তারের প্রতি) — মহিমা চক্রবর্তী আপনার এখানে আগে আসতেন। আপনি বাড়িতে ডাক্তারী সায়েন্স-এর লেক্‌চার দিতেন, তিনি শুনতে আসতেন।

    ডাক্তার — বটে? লোকটার কি তমো! দেখলে (Kathamrita)— আমি নমস্কার করলুম as God’s Lower Third? আর ঈশ্বরের ভিতর তো (সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ) সব গুণই আছে। ও কথাটা mark করেছিলে, ‘আপনি ডাক্তারের অহংকার বাড়াবার জন্য রোগ করে বসেছেন?’

    মাস্টার — মহিমা চক্তবর্তীর বিশ্বাস যে, পরমহংসদেব মনে করলে নিজে ব্যারাম আরাম করতে পারেন।

  • West Bengal Elections 2026: অবশিষ্ট ৩৯ আসনের প্রার্থী জট কাটাতে তৎপর বিজেপি: রবিবার অমিত শাহের বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    West Bengal Elections 2026: অবশিষ্ট ৩৯ আসনের প্রার্থী জট কাটাতে তৎপর বিজেপি: রবিবার অমিত শাহের বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল চূড়ান্ত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের অবশিষ্ট ৩৯টি আসনে কাদের প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া বাকি। এই জট কাটাতেই আগামী রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়সমূহ

    বিজেপির (Bharatiya Janata Party) রবিবারের এই বৈঠকে মূলত তিনটি প্রধান দিক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে:

    • প্রার্থী বাছাইয়ের মাপকাঠি: যে ৩৯টি আসনে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি, সেখানে জয়ের সম্ভাবনা বা ‘উইনেবিলিটি’ (Winability)-কেই প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
    • আঞ্চলিক সমীকরণ: সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর জনবিন্যাস এবং স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বিচার করে তবেই চূড়ান্ত তালিকায় সিলমোহর দেওয়া হবে।
    • অভ্যন্তরীণ সমন্বয়: দলের পুরনো কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমন এবং নবাগতদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে একটি শক্তিশালী তালিকা প্রস্তুত করাই এখন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ।

    কেন এই ৩৯টি আসন তাৎপর্যপূর্ণ?

    বিজেপি (Bharatiya Janata Party) সূত্রের খবর, এই আসনগুলোর মধ্যে এমন কিছু কেন্দ্র রয়েছে যেখানে গত নির্বাচনে লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হয়েছিল। তাই এবার কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে দীর্ঘ বিচার-বিবেচনার পর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে চাইছে দিল্লি।

    রবিবারের এই বৈঠকের পর যে তালিকা তৈরি হবে, তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ডের কাছে পাঠানো হবে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই অবশিষ্ট ৩৯টি আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতে পারে। উৎসবের আমেজ কাটতে না কাটতেই এই তৎপরতা প্রমাণ করছে যে, বিজেপি হাইকম্যান্ড পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় ১৪২ জনের নাম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পরের দফায় ১৩৯ জনের নাম প্রকাশ করা হয় দলের তরফে। যদিও একাধিক আসনে প্রার্থী তালিকায় রদবদল হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে দু’ফায় হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

  • Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    Kumbh Mela Viral Girl Monalisa: কুম্ভ মেলার ‘ভাইরাল’ গার্ল মোনালিসা নাবালিকা! শংসাপত্র অনুযায়ী বয়স ১৬, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলায় রাতারাতি ইন্টারনেটে পরিচিতি পাওয়া মোনালিসাকে (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই কিশোরী এখনও নাবালিকা। তাঁর জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) অনুযায়ী বর্তমান বয়স মাত্র ১৬ বছর ২ মাস (Minor Birth Certificate)।

    তদন্তকারী সংস্থা এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাবালিকা মনবালিসার চাঞ্চাল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। উল্লেখ্য কেরলে মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে পরিবারের তরফে নাবালিকার বিবাহ, লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তরকরণের মতো অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন। মোনালিসার বাবা মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে বিচার চেয়ে আবেদনপত্রও জমা করেছিলেন। এরপর জন্মের প্রমাণপত্র নিয়ে শুরু হয় বিস্তর জল্পনা।

    বয়স সংক্রান্ত তথ্য (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa)

    মোনালিসার বার্থ সার্টিফিকেট (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) বা জন্ম শংসাপত্র যাচাই করে দেখা গেছে যে, তাঁর বয়স এখনও আঠারো বছর পূর্ণ হয়নি। অর্থাৎ আইনত তিনি একজন নাবালিকা। নাবালিকা (Minor Birth Certificate) হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। পুলিশ এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    ভাইরাল হওয়ার প্রভাব

    কুম্ভমেলার (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) সময় তাঁর ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা তাঁকে রাতারাতি লাইমলাইটে নিয়ে আসে। তবে তাঁর প্রকৃত বয়স সামনে আসায় এখন সেই জনপ্রিয়তার নেপথ্যে থাকা আইনি ও নৈতিক দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কেন এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারতের আইন অনুযায়ী, একজন নাবালিকার (Minor Birth Certificate) পরিচয় বা তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। পুলিশের মতে, এই ঘটনায় নাবালিকার সুরক্ষা ও অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই খবরটি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্ষেত্রে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে, যেখানে বয়সের প্রমাণপত্র (Kumbh Mela Viral Girl Monalisa) ছাড়া যে কোনও তথ্য বা ব্যক্তিকে প্রচার করার ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তবে মোনালিসার বিবাহকে ঘিরে এখন তাঁর জন্মের প্রমাণপত্র ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। একাধিক রাজনৈতিক নেতা এবং মুসলিম নেতাদের কাঠগড়ায় তোলার ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

LinkedIn
Share