Author: suman-das

  • 130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    130 Maoists Surrender: তেলঙ্গানায় ১৩০ মাওবাদীর আত্মসমর্পণ, ১২৪টি অস্ত্র উদ্ধার, ৪.১৮ কোটি টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনা (Telangana) রাজ্যে নকশাল বামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মিলল বড়সড় সাফল্য। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১৩০ জন মাওবাদী ক্যাডার (130 Maoists Surrender) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আত্মসমর্পণের সময় তারা ১২৪টি বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দিয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই মাওবাদীদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে ৪.১৮ কোটি টাকার একটি পুনর্বাসন প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ (130 Maoists Surrender)

    পুলিশ প্রশাসনের (Telangana) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি রাজ্যে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) দমনে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় সাফল্য। আত্মসমর্পণকারী ১৩০ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মাওবাদী নেতা এবং এরিয়া কমিটির সদস্যও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এই ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত হিংসার পথ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বিপুল অস্ত্র উদ্ধার

    আত্মসমর্পণের সময় মাওবাদীরা ১২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একে-৪৭ (AK-47), ইনসাস রাইফেল (INSAS), এসএলআর (SLR) এবং প্রচুর পরিমাণে দেশি বন্দুক ও গোলাবারুদ। পুলিশ আধিকারিকদের মতে, এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় মাওবাদীদের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল।

    পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা

    তেলঙ্গনা (Telangana) সরকার আত্মসমর্পণকারী (130 Maoists Surrender) এই ব্যক্তিদের জন্য মোট ৪ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার পুনর্বাসন প্যাকেজ মঞ্জুর করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে যা যা দেওয়া হবে, সেগুলি হল–

    • প্রতিটি আত্মসমর্পণকারী পরিবারকে ঘর তৈরির জন্য জমি বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
    • তাঁদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
    • স্বনির্ভর হওয়ার জন্য বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে।
    • তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    রাজ্য (Telangana) পুলিশের ডিজিপি (DGP) বলেন, “সরকারের উদার পুনর্বাসন নীতি এবং পুলিশের ক্রমাগত চাপের কারণেই এই বিশাল সংখ্যক মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা বাকি মাওবাদীদের (130 Maoists Surrender) কাছেও আহ্বান জানাচ্ছি যেন তারা হিংসার পথ ছেড়ে অস্ত্র ত্যাগ করে এবং উন্নয়নের ধারায় শামিল হয়।”

    সরকারের ‘সেফ প্যাসেজ’

    গত কয়েক বছর ধরে ছত্তিশগড় এবং তেলঙ্গনা (Telangana) সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও অভিযানের ফলে মাওবাদীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। খাদ্যাভাব, চিকিৎসার অভাব এবং সংগঠনের ভেতরে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে নিচুতলার কর্মীরা বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই ‘সেফ প্যাসেজ’ বা নিরাপদ প্রস্থানের সুযোগ তারা গ্রহণ করেছে। এই গণ-আত্মসমর্পণকে তেলঙ্গনা  থেকে মাওবাদী (130 Maoists Surrender) সমস্যা নির্মূল করার পথে একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে শান্তি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা ওয়াকিবহাল মহলের।

  • President Murmu: “মাঠে ৫ লাখ মানুষের জায়গা হতে পারত”, সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে সহযোগিতা করেননি মমতা!

    President Murmu: “মাঠে ৫ লাখ মানুষের জায়গা হতে পারত”, সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে সহযোগিতা করেননি মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ মার্চ শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং প্রটোকল লঙ্ঘন নিয়ে নজিরবিহীনভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। অনুষ্ঠানের স্থান শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন করা এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। এই ঘটনায় সরাসরি আক্রমণ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, “লজ্জাজনক ঘটনা।”

    সারা দেশের মানুষকে দুঃখ দিয়েছে (President Murmu)

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) সমালোচনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই অনুষ্ঠান পরিচালনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ঘটনাকে “লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেন, “গণতন্ত্র এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী লোকেরা রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী দেখে গভীরভাবে হতাশ হবেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, যিনি নিজেও একটি উপজাতি সম্প্রদায় থেকে এসেছেন, যে বেদনা প্রকাশ করেছেন, তা সারা দেশের মানুষকে দুঃখ দিয়েছে।”

    রাষ্ট্রপতির এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেছেন, “এটি বাংলার সাংবিধানিক কাঠামোর সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার প্রমাণ।” তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধ এবং মুখ্যমন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।

    স্থান পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ

    আন্তর্জাতিক সাঁওতাল এই সম্মেলনটি প্রথমে ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ওই জায়গাটি অত্যন্ত ‘জনাকীর্ণ’ (congested) এবং সেখানে নিরাপত্তা বা যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। এরপর অনুষ্ঠানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে একটি ছোট মাঠে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    রাষ্ট্রপতির সরেজমিনে তদন্ত

    নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি (President Murmu) নিজেই বিধাননগরের সেই পুরনো জায়গাটি পরিদর্শন করতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন মাঠটি বিশাল এবং যাতায়াতে কোনও সমস্যা নেই। তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয়েছিল এই জায়গাটি জনাকীর্ণ। কিন্তু আমি খুব সহজেই এখানে আসতে পারলাম। আমার মনে হয়, এখানে অন্তত ৫ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারত। আমি জানি না প্রশাসনের মাথায় কী ছিল যে তারা সাঁওতাল ভাই-বোনদের জন্য এমন এক জায়গায় অনুষ্ঠান ঠিক করল যেখানে অনেকেই পৌঁছতে পারেননি।”

    আমিও বাংলার মেয়ে!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতি (President Murmu) বলেন, “মমতা দিদি আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। কিন্তু আমি জানি না কেন আমাকে এখানে আসতে (আসল ভেন্যুতে) বাধা দেওয়া হল। তিনি কি আমার ওপর কোনও কারণে রেগে আছেন? সেই কারণেই কি ভেন্যু বদলে দেওয়া হল? যাই হোক, তাতে কিছু যায় আসে না। আপনারা সবাই ভালো থাকুন।”

    চায় না সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধ হোক

    রাষ্ট্রপতি (President Murmu) ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যখন কোনও রাজ্যে যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু সেখানে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও বড় মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না।” তাঁর আক্ষেপ, “কিছু মানুষ চায় না সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধ হোক বা শক্তিশালী হোক। আজ অনেক সাঁওতাল ভাই বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে।”

    অসহযোগিতার অভিযোগ

    রাষ্ট্রপতির (President Murmu) অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ছোট জায়গায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল যাতে সাধারণ মানুষ এবং সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সেখানে বড় সংখ্যায় উপস্থিত হতে না পারেন। তিনি এই পুরো বিষয়টিকে সাঁওতাল সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রপতির পদের প্রতি অসম্মান হিসেবেই ইঙ্গিত করেছেন।

  • PM Modi: চরম সহযোগিতা ও অসৌজন্য! ‘লজ্জাজনক-নজিরবিহীন’, রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের পর মমতাকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: চরম সহযোগিতা ও অসৌজন্য! ‘লজ্জাজনক-নজিরবিহীন’, রাষ্ট্রপতির মন্তব্যের পর মমতাকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি যখন রাজ্য প্রশাসনের অব্যবস্থা এবং তাঁকে ‘বাধা’ দেওয়ার অভিযোগ তোলেন, তার পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদি এক্স হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। মোদির (PM Modi) সাফ কথা, “রাষ্ট্রপতি (President Murmu) জি, যিনি নিজেও একটি উপজাতি সম্প্রদায়ের, যে বেদনা ও যন্ত্রণা প্রকাশ করেছেন, তা ভারতের জনগণের মনে প্রচণ্ড দুঃখের সঞ্চার করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  এই ঘটনাকে ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে “লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন” বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেভাবে দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতির অবমাননা করেছে, তা কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে আঘাত দিয়েছে। একজন রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যখন প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন যে তাঁকে কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং অনুষ্ঠানের স্থান সংকুচিত করা হচ্ছে, তখন বোঝা যায় রাজ্যে গণতন্ত্রের কী করুণ দশা! গণতন্ত্র এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী সকলেই হতাশ।”

    প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  অভিযোগ করেন যে, সাংবিধানিক প্রটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সফরের সময় মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের শীর্ষ মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর সরকারের কোনও প্রতিনিধি সেখানে ছিলেন না। মোদি বলেন, “মমতা দিদি সবসময় সংবিধান রক্ষার কথা বলেন, কিন্তু আজ তিনি নিজেই সংবিধানকে পদদলিত করেছেন।”

    আদিবাসী আবেগ ও রাজনীতি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও যোগ করে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভয় পেয়েছে। তারা চায় না সাঁওতাল এবং অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরাসরি কথা বলুক। এই কারণেই শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিবর্তন করে সেটিকে একটি ছোট মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নিজেই সেই আসল ভেন্যুতে গিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে রাজ্য সরকার মিথ্যে বলেছিল।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি প্রশ্ন

    রাষ্ট্রপতি (President Murmu) যে প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন— “মমতা কি আমার ওপর রেগে আছেন?”— সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “একজন রাষ্ট্রপতির মুখে এই ধরনের কথা শোনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকার আদিবাসী উন্নয়ন নয়, বরং বিভাজনের রাজনীতি করছে।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়ে আরও বলেন, “এই ইস্যুটিকে বিজেপি জাতীয় স্তরে নিয়ে যাবে। বাংলা আজ দেখল কীভাবে একজন মহান নেত্রীকে এবং আমাদের রাষ্ট্রপতিকে হেনস্থা করা হল। বাংলার মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবে।”

    তৃণমূলের পাল্টা যুক্তি

    তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্ররা জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধির কারণে বা প্রশাসনিক কোনও ত্রুটির কারণে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রপতির প্রতি অসম্মান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন উপস্থিত ছিলেন না, তা দফতর থেকে জানানো হয়েছে যে তাঁর কিছু পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল।

    শিলিগুড়ির সাঁওতাল সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে, তাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন এবং একে রাষ্ট্রপতির পদের অবমাননা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যা নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় এখন ব্যাপক শোরগোল।

  • Ramakrishna 598: “ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়!”

    Ramakrishna 598: “ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ঠাকুরের পরমহংস অবস্থা—চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসাদর্শন —
    ভগবতীর রূপদর্শন—যেন বলছে, ‘লাগ্‌ ভেলকি’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এতক্ষণ ভাবাবস্থায় কি দেখছিলাম জান?—তিন-চার ক্রোশ ব্যাপী সিওড়ে যাবার রাস্তার মাঠ। সেই মাঠে আমি একাকী!—সেই যে পনের-ষোল বছরের ছোকরার মতো পরমহংস বটতলায় দেখেছিলাম, আবার ঠিক সেইরকম দেখলাম!

    “চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসা!—তারই ভিতর থেকে ১৩/১৪ বছরের একটি ছেলে উঠলো মুখটি দেখা যাচ্ছে! পূর্ণর রূপ। দুইজনেই দিগম্বর!—তারপর আনন্দে মাঠে দুইজনে দৌড়াদৌড়ি আর খেলা!

    “দৌড়াদৌড়ি করে পূর্ণর জলতৃষ্ণা পেল (Kathamrita)। সে একটা পাত্রে করে জল খেলে। জল খেয়ে আমায় দিতে আসে। আমি বললাম, ‘ভাই, তোর এঁটো খেতে পারব না।’ তখন সে হাসতে হাসতে গিয়ে গ্লাসটি ধুয়ে আর-একগ্লাস জল এনে দিলে (Kathamrita)।”

    ‘ভয়ঙ্করা কালকামিনী’ — দেখাচ্ছেন, সব ভেলকি

    ঠাকুর আবার সমাধিস্থ। কিয়ৎক্ষণ পরে প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার মণির সহিত কথা কহিতেছেন—

    “আবার অবস্থা বদলাচ্ছে!—প্রসাদ খাওয়া উঠে গেল! সত্য-মিথ্যা এক হয়ে যাচ্ছে! আবার কি দেখছিলাম জান? ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়! আমায় দেখাচ্ছে যে, সব শূন্য!

    “যেন বলছে, লাগ্‌! লাগ্‌! লাগ্‌ ভেলকি! লাগ!”

    মণি ঠাকুরের কথা ভাবিতেছেন (Kathamrita)! ‘বাজিকরই সত্য আর সব মিথ্যা।’

    সিদ্ধাই ভাল নয় — নিচু ঘরের সিদ্ধাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আচ্ছা, তখন পূর্ণকে আকর্ষণ কল্লাম, তা হল না কেন? এইতে একটু বিশ্বাস কমে যাচ্ছে!

    মণি—ও-সব তো সিদ্ধাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ঘোর সিদ্ধাই!

    মণি—সেই অধর সেনের বাড়ি থেকে গাড়ি করে আপনার সঙ্গে আমরা যখন দক্ষিণেশ্বরে আসছিলাম বোতল ভেঙে গেল। একজন বললে যে, এতে কি হানি হবে, আপনি একবার দেখুন। আপনি বললেন, দায় পড়েছে, দেখবার জন্য — ও-সব তো সিদ্ধাই!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওইরকম হরির লুটের ছেলে—রোগ ভাল করা—এ-সব সিদ্ধাই। যারা অতি নিচু ঘর, তারাই ঈশ্বরকে ডাকে রোগ ভালর জন্য।

  • PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। আর এই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয় নিশ্চিত করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সমাবেশের মাধ্যমেই বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিতে চাইছে বিজেপি। গত ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ কতটা পিছিয়ে পড়েছে সেই খতিয়ান তুলে ধরবেন মোদি। একদিকে দুর্নীতির পাহাড় এবং অপরদিকে নারী নির্যাতন এই ইস্যুতে চরম আক্রমণ করবে বিজেপি। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রিগেড সভা (PM Modi Mega Rally) শাসক দল তৃণমূলের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার এক বড় হাতিয়ার।

    রথযাত্রার মহামিলন (PM Modi Mega Rally)

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাংলার পাঁচটি ভিন্ন প্রান্ত থেকে যে পাঁচটি ‘পরিবর্তন রথ’ যাত্রা শুরু হয়েছে। এবার সেগুলির গন্তব্য ব্রিগেড। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল—রাজ্যের প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে আসা এই পাঁচটি রথ ১৪ মার্চ সকালেই কলকাতায় এসে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi Mega Rally) উপস্থিতিতে এই পাঁচটি রথ একসঙ্গে ব্রিগেডে মিলিত হওয়ার মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাককে আরও জোরালো করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর, ব্রিগেডের এই জনসভাটি হবে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এর আগে গত লোকসভা নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) একাধিক জনসভা করেছিলেন, তবে বিধানসভা ভোটের আগে এই ব্রিগেড সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মনে করা হচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেবেন এবং ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক দেবেন।

    পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার এই পাঁচটি রথ রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ এবং আশীর্বাদ সংগ্রহ করেছে। ব্রিগেডের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) যখন ভাষণ দেবেন, তখন এই পাঁচটি রথ হবে জনসমর্থনের প্রতীকী প্রতিফলন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ব্রিগেড সমাবেশের মূল লক্ষ্য হল, রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ব্রিগেডে নিয়ে আসা। বিশেষ করে গ্রামবাংলার ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের মতে, ব্রিগেডের জনসমাগমই প্রমাণ করে দেবে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বচ্ছ ভাবমূর্তিই মুখ

    রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যখন তাদের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে চাইছে, তখন পাল্টা বিজেপিও প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উন্নয়নের খতিয়ানকে হাতিয়ার করছে। ১৪ মার্চের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো ইস্যুগুলোতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করতে পারেন।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিগেডের এই জনসভা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী সভা নয়, বরং এটি বিজেপির শক্তিবৃদ্ধির এক বড় প্রদর্শন হতে চলেছে। মার্চ মাসের এই সময়টিকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে ভোট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যজুড়ে একটি জোরালো হাওয়া তৈরি করা যায়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) এই সফরের পর বিজেপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতারাও দফায় দফায় রাজ্যে প্রচারে আসবেন বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, ১৪ মার্চের ব্রিগেড সমাবেশকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক আঙ্গিনা।

    পোস্টার ফ্লেক্সে প্রচার তুঙ্গে

    মোদির (PM Modi Mega Rally) সমাবেশকে ঘিরে আগামী ১৪ মার্চের এই মেগা র‍্যালি সফল করতে কোমড় বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। প্রতিটি জেলা থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাসে করেও কয়েক লক্ষ কর্মীকে কলকাতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মোদির এই ব্রিগেড সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে শুরু হয়েছে পোস্টার ও ফ্লেক্সের দাপট।

    ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির

    ইতিমধ্যে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় (PM Modi Mega Rally) অংশ গ্রহণ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় হেভিওয়েট নেতারা। যেমন- কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্করসিং ধামী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, বিপব দেব, ভুপেন্দ্র সিং, অর্জুন মুন্ডা সহ আরও অনেকে। ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির হবে। সংগঠন এবার যথেষ্ট শক্তিশালী। টিকিট বিতরণের ক্ষেত্র নেওয়া হবে একাধিক পদক্ষেপ। প্রত্যেক জেলায় প্রতিটি আসনের তরফে তিন জন করে নাম প্রস্তাব করা হবে। এরপর নির্বাচন বিষয়ক কমিটির ভিত্তিতে দেওয়া হবে। জেলা স্তরের রিপোর্ট এবং কেন্দ্রীয় স্তরের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে প্রার্থী তালিকা। ইতিমধ্যে সল্টলেকের অফিসে শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, বিপ্লব দেব এবং ভুপেন্দ্র সিং যাদব ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন।

  • Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    Census-2027: দেশজুড়ে জনগনণায় চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজ জোড়া ম্যাসকট চালু করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আজ নতুন দিল্লিতে ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটি ডিজিটাল টুল বা প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। একইসঙ্গে, এই জনগণনার অফিশিয়াল ম্যাসকট—‘প্রগতি’ (নারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ) উন্মোচন করেছেন। ভারতের ইতিহাসে এটিই হতে চলেছে প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল জনগণনা। ভারতের মতো দেশে এই অত্যাধুনিক পদ্ধতি সত্যই অভিনব। অমিত শাহ বলেন, “প্রযুক্তির এই ব্যবহার ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    ম্যাসকট ‘প্রগতি’ ও ‘বিকাশ’ (Census-2027)

    ২০২৭ সালের জনগণনার (Census-2027) বন্ধুত্বপূর্ণ ও পরিচিত মুখ হিসেবে ‘প্রগতি’ (মহিলা গণনাকারী) এবং ‘বিকাশ’ (পুরুষ গণনাকারী) ম্যাসকট দুটিকে সামনে আনা হয়েছে। এই ম্যাসকটগুলি ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার সংকল্পে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণের প্রতীক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। এই ম্যাসকটগুলোর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে জনগণনার উদ্দেশ্য এবং গুরুত্ব সম্পর্কে নাগরিকদের বান্ধব হিসেবে প্রচারের কাজ করবে।

    চারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম

    সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (C-DAC)-এর সহযোগিতায় তৈরি এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি দেশের জনগণনা (Census-2027) প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নির্ভুল করবে। প্ল্যাটফর্মগুলি হল-

    হাউজলিস্টিং ব্লক ক্রিয়েটর (HLBC)

    স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করে এলাকা নির্ধারণের জন্য এটি ব্যবহার করা হবে।

    এইচএলও (HLO) মোবাইল অ্যাপ

    গণনাকারীদের জন্য একটি সুরক্ষিত অফলাইন মোবাইল অ্যাপ, যার মাধ্যমে হাতে-কলমে কাগজের কাজ ছাড়াই সরাসরি তথ্য সংগ্রহ ও আপলোড করা যাবে। এটি ১৬টি আঞ্চলিক ভাষায় কাজ করবে।

    সেলফ-এনিউমারেশন (SE) পোর্টাল

    প্রথমবারের মতো নাগরিকদের জন্য ‘স্ব-গণনা’র সুবিধা (Census-2027) দেওয়া হচ্ছে। এই পোর্টালে নাগরিকরা নিজেরাই তাদের পরিবারের তথ্য অনলাইনে জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি অনন্য আইডি (SE ID) তৈরি হবে, যা পরে গণনাকারীকে দেখালে তিনি তথ্য যাচাই করে নেবেন।

    সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (CMMS)

    এই কেন্দ্রীয় পোর্টালটি পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া পরিকল্পনা, পরিচালনা এবং রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।

    জনগণনার সময়সূচী

    ২০২৭ সালের এই জনগণনা দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে:

    • প্রথম পর্যায় (এপ্রিল – সেপ্টেম্বর ২০২৬): এই পর্যায়ে ঘরবাড়ি তালিকাভুক্তকরণ এবং আবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
    • দ্বিতীয় পর্যায় (ফেব্রুয়ারি ২০২৭): এই পর্যায়ে জনসংখ্যা গণনা (Census-2027) করা হবে। তবে লাদাখ এবং জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের তুষারবৃত দুর্গম এলাকাগুলোতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই এই গণনা সম্পন্ন হবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতির সুবিধা গুলি কি কি?

    • ● এটি হবে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল জনগণনা কার্যক্রম।
    • ● এতে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী এবং আধিকারিক নিযুক্ত থাকবেন।
    • ● তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১৬টি ভাষা ব্যবহারের সুবিধা থাকবে।
    • ● এবারের জনগণনায় জাতিগত তথ্যও (Caste data) সংগ্রহ করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনারসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশ জুড়ে জনগণনায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষভাবে কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশও করা হয়েছে।

  • Rajasthan: রাজস্থানের ঐতিহাসিক আলওয়ার মন্দির ভাঙচুর! শিবলিঙ্গ ধ্বংস, নন্দী ও গণেশ মূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    Rajasthan: রাজস্থানের ঐতিহাসিক আলওয়ার মন্দির ভাঙচুর! শিবলিঙ্গ ধ্বংস, নন্দী ও গণেশ মূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের (Rajasthan) আলওয়ারে একটি শ্মশানের কাছে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। সমাজবিরোধীরা মন্দিরের শিবলিঙ্গ ধ্বংস করেছে এবং বেশ কিছু দেব-দেবীর মূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত (Vandalised Shivling) করেছে। এছাড়া মন্দিরের কাছে একটি মৃত বাছুর ফেলে রাখায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার মানুষের দাবি হিন্দু সমাজের উপর এই আঘাত চরম আঘাত। হিন্দু সমাজকে ভিতর থেকে দুর্বল করতেই এই অপকর্ম করা হয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ (Rajasthan)

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আলওয়ারের (Rajasthan) এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি কয়েক দিন আগে শুরু হয়। প্রথমে নন্দী মূর্তির ঘাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এর কিছুদিন পরেই ভগবান গণেশের মূর্তির শুঁড় ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ভেবেছিলেন হয়ত বানরের উপদ্রবে এমনটা হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি গুরুতর রূপ নেয় যখন শিবলিঙ্গটি সম্পূর্ণ চূর্ণ-বিচূর্ণ (Vandalised Shivling) অবস্থায় পাওয়া যায়। শিবলিঙ্গের পাশে একটি ভাঙা পাথরও পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এটি কোনও দুর্ঘটনা নয় বরং ইচ্ছাকৃত হামলা। আর এই হামলার পিছনে রয়েছে ধর্মীয় বিদ্বেষ। শুধু ভাঙচুরের ঘটনাতেই সব কিছু থেমে ছিল না। মন্দিরের পাশেই একটি মৃত বাছুর পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    পুলিশি পদক্ষেপ

    উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। ইতিমধ্যে পুলিশ আশ্বস্ত করেছে যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং কোনো অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না। শিবলিঙ্গের (Rajasthan) পাশ থেকে উদ্ধার করা পাথরসহ অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে।

    হিন্দু সংগঠনের তোপ

    এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় (Rajasthan) হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের কাছে মন্দিরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি (Vandalised Shivling) এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। জনগণের চাপে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

  • Bullet Train: ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে ভারতে ৭,০০০ কিমি উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেন ও আরও ২১,০০০ কিমি সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা স্থির

    Bullet Train: ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে ভারতে ৭,০০০ কিমি উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেন ও আরও ২১,০০০ কিমি সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যমাত্রা স্থির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের হাই-স্পিড রেল (High-Speed Rail) নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে দেশে ৭,০০০ কিলোমিটার উচ্চ গতির বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরি করা হবে। সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী রেল করিডর (High Speed Rail Corridors) নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে ২১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

    নতুন করিডর অনুমোদন (Bullet Train)

    কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যেই ৪,০০০ কিলোমিটার বিস্তৃত ৭টি নতুন উচ্চ-গতির যাত্রী করিডর (High Speed Rail Corridors) নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছেন। এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ১৬ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে এবং যা আগামী ১০ বছরের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। তবে কাজের বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে তিনি আরও জানিয়েছেন, “এই লক্ষ্য পূরণের জন্য ভারতীয় রেলকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির রেললাইন চালু করতে হবে। এটি কার্যত প্রতি বছর একটি করে ‘মুম্বই-আহমেদাবাদ’ বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের সমান কাজ করার মতো কাজ হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উচ্চগতি সম্পন্ন বুলেট ট্রেন সম্পর্কে আরও বলেছেন, “আমরা এই প্রকল্পকে প্রথমে ৩,০০০ কিলোমিটার করিডর (High Speed Rail Corridors) অনুমোদন করব, এরপর তাকে ৭০০০ কিমিতে, তারপর ১৫০০০ কিমি এবং তাকেই আরও ২১০০০ কিমি পর্যন্ত পরিকল্পনার আওতায় নিয়ে আসব। সবটাই ২০৩৯-৪০ সালের মধ্যে মোট নেটওয়ার্ক (Bullet Train) গড়ে তোলা হবে।” ভারতীয় রেলের জন্য এই অভূতপূর্ব সাফল্য সত্যই প্রগতির এক নতুন অধ্যায়।

    মুম্বই-আহমেদাবাদ প্রকল্প প্রেরণা

    ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্প মুম্বই-আহমেদাবাদ করিডোর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পরবর্তী প্রকল্পগুলো (High Speed Rail Corridors) দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। সাধারণ দৃষ্টিতে ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টার বেশি গতিতে ট্রেন চালানো প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত জটিল। তবে ভারত সাফল্যের সঙ্গে এই ব্যবস্থাকে আয়ত্ত করছে। এই উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্ক শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব আনবে না, বরং ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী করতে এবং লজিস্টিকস ও পরিকাঠামো খাতের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

  • RSS: “সনাতন ধর্ম কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা,” বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “সনাতন ধর্ম কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা,” বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) জোর দিয়ে বলেছেন যে, সনাতন ধর্মের উন্নতি ও পুনরুত্থানের যে নিরন্তর প্রক্রিয়া চলছে। সংঘ তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, “সনাতন ধর্ম কেবল একটি ধর্মীয় বিশ্বাস নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা যা বিশ্বজুড়ে মানবতাকে পথ দেখায়। সংঘকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বরং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখুন যাতে এটি আরও ভালোভাবে বোঝা যায়।”

    সনাতন ও ভারত (RSS)

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) উল্লেখ করে বলেন, “ভারত ও সনাতন ধর্ম একে অপরের পরিপূরক। ভারতের অস্তিত্ব ও পরিচিতি সনাতন ধর্মের আদর্শের ওপর ভিত্তি করেই টিকে আছে। ভারত জাগরিত হলে সনাতন ধর্মও জাগরিত হয়। সনাতন জাগ্রহ হলে দেশ এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।” রাজস্থানে সংঘের (RSS) একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন মোহন ভাগবত।

    সংঘের ভূমিকা

    সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “সংঘ (RSS) কোনো নতুন মতাদর্শ প্রচার করছে না, বরং সনাতন ধর্মের প্রাচীন ও শাশ্বত মূল্যবোধগুলোকেই সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে।” তিনি তাই স্বয়ংসেবকদের আহ্বান করে বলেন, “তারা ব্যক্তি চরিত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজ গঠনে ব্রতী হন। সমাজ গঠন আর পুনঃনির্মাণ হলে ভারত রাষ্ট্রও সঙ্ঘবদ্ধ হবে।”

    তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে অস্থিরতা চলছে, তার সমাধান কেবল সনাতন ধর্মের প্রদর্শিত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ অর্থাৎ বিশ্বই এক পরিবার দর্শনের মাধ্যমেই সম্ভব। আরএসএস এই একতার ভাবধারাকে শক্তিশালী করতেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।”

    সাংস্কৃতিক জাগরণ

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক জাগরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি মনে করেন, যখন প্রতিটি ভারতীয় নিজের শিকড় ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, তখনই ভারত প্রকৃত অর্থে ‘বিশ্বগুরু’র আসনে অধিষ্ঠিত হতে পারবে।

    ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং দাদা গুরু ঐতিহ্যের অবদান শীর্ষক একটি জাতীয় স্তরের সিস্পোজিয়াম ৭ এবং ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। যোধপুর বিশ্ববিদ্যালয় রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় প্রাকৃত ভারতী ইন্সটিউট এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক অধ্যায়ন কেন্দ্র সহ বেশ কয়েকটি নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জ্ঞান অংশীদার হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন আচার্য সন্ন্যাসী এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন। এখানে সরসংঘ (RSS) চালক বিশেষ ভাষণ রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।

  • Ramakrishna 597: “বালিশ কোলে করিয়া যেন বাৎসল্যরসে আপ্লুত হইয়া ছেলেকে দুধ খাওয়াইতেছেন!”

    Ramakrishna 597: “বালিশ কোলে করিয়া যেন বাৎসল্যরসে আপ্লুত হইয়া ছেলেকে দুধ খাওয়াইতেছেন!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ঠাকুরের পরমহংস অবস্থা—চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসাদর্শন —
    ভগবতীর রূপদর্শন—যেন বলছে, ‘লাগ্‌ ভেলকি’

    বেলা ৩টা। ঠাকুরের (Ramakrishna) কাছে ২/১টি ভক্ত বসিয়া আছেন। তিনি ‘ডাক্তার কখন আসিবে’ আর ‘কটা বেজেছে’ বালকের ন্যায় অধৈর্য হইয়া বারবার জিজ্ঞাসা করিতেছেন। ডাক্তার আজ সন্ধ্যার পরে আসিবেন।

    হঠাৎ ঠাকুরের বালকের ন্যায় অবস্থা হইয়াছে। বালিশ কোলে করিয়া যেন বাৎসল্যরসে আপ্লুত হইয়া ছেলেকে দুধ খাওয়াইতেছেন! ভাবাবিষ্ট বালকের ন্যায় হাসিতেছেন (Kathamrita)— আর-একরকম করিয়া কাপড় পরিতেছেন!

    মণি প্রভৃতি অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ভাব উপশম হইল। ঠাকুরের খাবার সময় হইয়াছে, তিনি একটু সুজি খাইলেন।

    মণির কাছে নিভৃতে অতি গুহ্যকথা বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এতক্ষণ ভাবাবস্থায় কি দেখছিলাম জান?—তিন-চার ক্রোশ ব্যাপী সিওড়ে যাবার রাস্তার মাঠ। সেই মাঠে আমি একাকী!—সেই যে পনের-ষোল বছরের ছোকরার মতো পরমহংস বটতলায় দেখেছিলাম, আবার ঠিক সেইরকম দেখলাম!

    “চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসা!—তারই ভিতর থেকে ১৩/১৪ বছরের একটি ছেলে উঠলো মুখটি দেখা যাচ্ছে! পূর্ণর রূপ। দুইজনেই দিগম্বর!—তারপর আনন্দে মাঠে দুইজনে দৌড়াদৌড়ি আর খেলা!

    “দৌড়াদৌড়ি করে পূর্ণর জলতৃষ্ণা পেল (Kathamrita)। সে একটা পাত্রে করে জল খেলে। জল খেয়ে আমায় দিতে আসে। আমি বললাম, ‘ভাই, তোর এঁটো খেতে পারব না।’ তখন সে হাসতে হাসতে গিয়ে গ্লাসটি ধুয়ে আর-একগ্লাস জল এনে দিলে।”

    ‘ভয়ঙ্করা কালকামিনী’ — দেখাচ্ছেন, সব ভেলকি 

    ঠাকুর আবার সমাধিস্থ। কিয়ৎক্ষণ পরে প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার মণির সহিত কথা কহিতেছেন —

    “আবার অবস্থা বদলাচ্ছে! — প্রসাদ খাওয়া উঠে গেল! সত্য-মিথ্যা এক হয়ে যাচ্ছে! আবার কি দেখছিলাম জান? ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি — পেটের ভিতর ছেলে — তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে! — ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়! আমায় দেখাচ্ছে যে, সব শূন্য!

    “যেন বলছে, লাগ্‌! লাগ্‌! লাগ্‌ ভেলকি! লাগ!”

    মণি ঠাকুরের কথা ভাবিতেছেন! ‘বাজিকরই সত্য আর সব মিথ্যা।’

    সিদ্ধাই ভাল নয় — নিচু ঘরের সিদ্ধাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, তখন পূর্ণকে আকর্ষণ কল্লাম, তা হল না কেন? এইতে একটু বিশ্বাস কমে যাচ্ছে!

LinkedIn
Share