Author: সুশান্ত দাশ

  • Let Terrorist: লস্কর জঙ্গিকে খালি হাতে পাকড়াও, কেমন ছিল সেই রোমহর্ষক রাত?

    Let Terrorist: লস্কর জঙ্গিকে খালি হাতে পাকড়াও, কেমন ছিল সেই রোমহর্ষক রাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এর আগেও এখানে আতঙ্কবাদীরা এসেছে। কিন্তু আমাদের বড়রা তাদের সঙ্গে লড়াই করে তাড়িয়েছে। আমরা আর আতঙ্কবাদকে ফিরতে দেব না।” কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার তুকসান গ্রামের এক বাসিন্দা দৃপ্ত কন্ঠে এই প্রতিজ্ঞা করেন। একদিন আগেই দুই কুখ্যাত লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গিকে (Terrorist) জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আটক করেছেন এই তুকসান ধোক (Tukson Dhok) গ্রামের বাসিন্দারা। এই সাহসী কাজের জন্যে সরকারের তরফ থেকে ৫ লক্ষ টাকার পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুই লস্কর জঙ্গিকে আটক করলেন উপত্যকার বাসিন্দারা  

    কাশ্মীরের এই ছোট্ট গ্রামটিতে ৩০০-৩৫০ পরিবারের বাস। ৫০ বছর আগেই এই অঞ্চল থেকে বহু মুসলিম পরিবার অন্যত্র গিয়ে বাসা বেঁধেছে। গরমে এই গ্রামের বাসিন্দারা গবাদি পশুদের নিয়ে চলে যায় উপেক্ষাকৃত উঁচু অঞ্চলে। শীতকালে আবার ফিরে আসে তারা। এখানেই পাকড়াও করা হয় ওই দুই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে।

    আরও পড়ুন: কুপওয়ারায় খতম ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    ওইদিন জঙ্গি পাকড়াও -এর ঘটনায় জড়িত থাকা এক যুবক বলেন, “কিছুদিন আগেই ওই দুই ব্যক্তি এসে থাকতে শুরু করে গ্রামে। নিজেদের ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দেয় তারা। যার বাড়িতে  থাকত সেই বাড়ির মালিককে ফোন সুইচ অফ করতে বলে। তাতে ওই ব্যক্তির সন্দেহ হয়। রাত ১০ নাগাদ ওই ব্যক্তি কোনও রকমে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে ভাইকে ফোন করে। ভাই পেশায় ট্রাক চালক। ব্যক্তিটি ভাইকে জানায় সন্দেহভাজনদের কথা। এও বলে যে তার প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে। তারপর সেই ট্রাক চালক গ্রামবাসীদের বিষয়টি জানায়। চলে পরিকল্পনা। সবাই রাতের বেলায়  ওই বাড়ির বাইরে জড়ো হয়। ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা । ৫টা নাগাদ জানালা দিয়ে  জঙ্গিদের ঘরে ঢুকে পড়ে গ্রামবাসীরা। তখনও ঘুমোচ্ছিল ওই জঙ্গিরা। কয়েকজন ওদের সামনে রাখা ব্যাগগুলি সরিয়ে দেয়। বাকিরা মিলে ওই দুজনকে দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে ফেলে। তারপরেই স্থানীয় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।”   

    পুলিশ জানিয়েছে, ওই দুই লস্কর সন্ত্রাসবাদীর নাম ফয়জল আহমেদ দার ওরফে বশির আহমেদ দার এবং তালিব হুসেন ওরফে হায়দার শাহ। প্রথমজন পুলওয়ামার এবং পরের জন রাজৌরির বাসিন্দা। জম্মু-কাশ্মীরের লেফট্যানেন্ট জেনারেল মনোজ সিনহাও ওই গ্রামবাসীদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। তিনি গ্রামবাসীদের জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘অসীম সাহসিকতার জন্য আমি রিয়াসির তুকসান ধোক গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানাই। তাঁরা দুই মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদীকে ধরেছেন। সাধারণ মানুষ এই ধরনের সংকল্প নিলে সন্ত্রাসবাদীদের দৌরাত্ম্য শেষ হতে বেশি সময় লাগবে না। সন্ত্রাসবাদী এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকার গ্রামবাসীদের ৫ লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার দেবে।’ 

      

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে এবার ‘অটো-মার্সিডিজ’ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে এবার ‘অটো-মার্সিডিজ’ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আস্থা ভোটে পরাজয়ের পর প্রথমবার মুখ খুললেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন শিবসেনা (Shiv Sena) সুপ্রিমো। পাল্টা দিলেন শিণ্ডেও। উদ্ধব-শিন্ডের বাকযুদ্ধ ঘিরে ফের সরগরম মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) রাজ্য রাজনীতি।

    এই প্রথম শিন্ডেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করলেন বালাসাহেব-পুত্র। উদ্ধব বলেন, “অটোচালক খুব জোরে গাড়ি চালাচ্ছিল, কিন্তু ব্রেক ফেল করে গেছে।” পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন শিন্ডেও। বলেছেন, “এই অটোরিকশা গতিতে মার্সিডিজকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। তাই সমস্যা।” মঙ্গলবার শিবসেনা ভবনে মহিলা শাখার সঙ্গে একটি বৈঠক করেন উদ্ধব। সেই বৈঠকে নাম না করে শিন্ডে-সহ বিদ্রোহী বিধায়কদের বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করেন শিবসেনা-প্রধান। এর পর শিন্ডেকে আক্রমণ করে উদ্ধব বলেন, “যে অটোরিকশা চালাত সে এখন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিধানসভায় পরিষ্কার হয়ে গেছে যে কবে থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী ওঁকে থামতে বলছেন, কিন্তু ওঁর গাড়ির ব্রেক ফেল হয়ে গেছে। থামবে কী করে! আগে বিজেপি মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারকে তিন চাকার সরকার বলত। এখন তো অটোচালক সরকার চালাচ্ছে।”

    [tw]


    [/tw]

    উদ্ধবের এই আক্রমণের প্রত্যুত্তর দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। শিন্ডে ট্যুইট করে লিখেছেন, “অটোর গতি এত বেশি ছিল যে মার্সিডিজকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। এটা আম আদমির সরকার।” উল্লেখ্য, উদ্ধব মার্সিডিজ গাড়ি করে যাতাযাত করেন। এদিন বিদ্রোহীদের উদ্দেশে উদ্ধব বলেন, “পিঠে ছুরি মেরেছে গদ্দাররা। যাঁদের দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাই পিঠে ছুরি মেরেছে। এটা সবথেকে লজ্জার বিষয়।” পাশাপাশি এনসিপি ও কংগ্রেসের প্রশংসা করে উদ্ধব বলেন, “যাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে ছিল ৩০ বছর ধরে, তাঁরাই এখন আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।”

    আরও পড়ুন: বিধায়কদের পর এবার সেনা সাংসদের হুঁশিয়ারি উদ্ধবকে ! দ্রৌপদীকে সমর্থনের আর্জি

    বিজেপিকে লক্ষ্য করে উদ্ধব বলেন, “ওঁদের প্ল্যান হল শিবসেনাকে ভাঙা নয়, পুরোপুরি শেষ করে দেওয়া। ওই দাড়িওয়ালাকে (শিন্ডে) সামনে রেখে এই নোংরা লড়াইটা খেলছে। কিন্তু সেও জানে না সে নিজেই ওঁদের কন্ট্রোলে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়েছেন ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী। ভবিষ্যতে আর কী কী ওঁর থেকে কেড়ে নেওয়া হবে সেটা উনি জানেন না।” অন্যদিকে, শিন্ডের অভিযোগ, ” আমাদের বিধায়করা চাইলেও নিজের এলাকায় উন্নয়নের কাজ করতে পারেননি। জোট শরিকদের যেসব প্রার্থী সেখানে ছিলেন তাঁরাই উন্নয়নের গতিকে রুদ্ধ করেছেন। এনিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বার্তালাপ করেও কোনও ফল হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই ৪০-৫০ জন বিধায়ক বিরুদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

  • ED:  শাওমির পর এবার ভিভো, ইডি-র নজরে চিনা মোবাইল সংস্থা, দেশজুড়ে তল্লাশি

    ED: শাওমির পর এবার ভিভো, ইডি-র নজরে চিনা মোবাইল সংস্থা, দেশজুড়ে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চিনা (China) ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থা VIVO-র বিরুদ্ধে অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সংক্ষেপে ইডি (ED)। আর্থিক লেনদেনে কারচুপির অভিযোগে বিখ্যাত ওই চিনা মোবাইল সংস্থার (Chinese mobile company) অন্তত ৪০ ঠিকানায় তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চিনা সংস্থাগুলির আর্থিক লেনদেনের ওপর বেশ কিছুদিন ধরেই বাড়তি নজর দিচ্ছে সরকার। সেই কারণেই এদিনের তল্লাশি বলে ইডি সূত্রের খবর।

    কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দিল্লি, হরিয়ানা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থার বেশ কয়েকটি কারখানা ও শোরুম রয়েছে। সেগুলিতেও চালানো হয়েছে তল্লাশি অভিযান। সংস্থার লেনদেন ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে কোনওরকম অনিয়ম রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই মূলত এই তল্লাশি অভিযান বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।  

    আরও পড়ুন : “শান্তি ভিক্ষা চাইবে না ভারত”, চিন-পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ডোভালের

    কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চিনা স্মার্টফোন কোম্পানির বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি আরও এক চিনা সংস্থার বিরুদ্ধেও ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে ইডি। সংস্থাটি এদেশে একটি ব্র্যান্ডেড মোবাইল ফোন বিক্রি করে। তাদেরই একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ৫ হাজার ৫৫১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। বেআইনিভাবে টাকা সরানোর অভিযোগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই এই সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিলেন ইডির গোয়েন্দারা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আতসকাচের তলায় রয়েছে আরও এক চিনা মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন : ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন 

    ২০২০ সালে ভারত-চিন সীমান্তে হয় সেনা সংঘর্ষ। তার পর থেকেই দেশে চিনা সংস্থাগুলির কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছে দিল্লি। ২০০ চিনা অ্যাপকে ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। চিনা ঋণদানের অ্যাপগুলির ওপরও নজর রয়েছে কেন্দ্রের।

    আরও পড়ুন : পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছে চিন, ভারত, পাকিস্তানের হাতে কত? 

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে পট পরিবর্তনের সত্যিকারের শিল্পী কে, কী জানালেন শিন্ডে?

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে পট পরিবর্তনের সত্যিকারের শিল্পী কে, কী জানালেন শিন্ডে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)পালাবদলের পিছনে রয়েছে দেবেন্দ্র ফড়ণবিশের (Fadnavis) মস্তিষ্ক। তাঁর অভিজ্ঞতা আর প্রচেষ্টাতেই তৈরি হয়েছে বিজেপিশিন্ডে সরকার। আস্থা ভোটে জয় পেয়েই এমনটা জানিয়েছেন খোদ একনাথ শিণ্ডে (Eknath Shinde)। জয়ের পর শিণ্ডে জানান, মুম্বই ছাড়ার পর প্রতিনিয়ত ফড়ণবিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। গুয়াহাটির হোটেলে যখন সব বিধায়করা ঘুমোতেন তখন চলত শিন্ডে-ফড়ণবিশের আলোচনা, এমনটাই জানালেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

    শিন্ডে বলেন, বিধান পরিষদ ভোটে তাঁর সঙ্গে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, তার পরেই তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্র থেকে গুয়াহাটি যাওয়ার সময় কীভাবে পুলিশের নজরদারি এড়িয়েছিলেন সেটাও জানান তিনি। শিণ্ডে বলেন, ‘আমি জানি কীভাবে মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে কাউকে ট্র্যাক করা যায়। আমি এটাও জানি কীভাবে এই নজরদারি এড়ানো যায়।’ দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই প্রক্রিয়া। সোমবারই আস্থা ভোটে জয় পেয়েছেন তিনি। তার পরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ভাষণ দেওয়ার সময়, বিভিন্ন পক্ষের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রে যে ঘটনা একের পর এক ঘটল, তাঁর ‘তার সত্যিকারের শিল্পী’ হলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন উদ্ধবের মন্ত্রিসভায় থাকাকালীন তাঁর দফতরে বার বার নাক গলাতেন অজিত পাওয়ার, আদিত্য ঠাকরেরা, যা তিনি একেবারেই পছন্দ করতেন না। শিন্ডে জানান, এর আগে দুবার মুখ্যমন্ত্রীর দাবিদার ছিলেন তিনি কিন্তু উদ্ধব গোষ্ঠী তাঁকে আটকে দেয়। কোনও সাধারণ মানুষও যে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারে তা মানতে চাইত না উদ্ধব-গোষ্ঠী, দাবি শিন্ডের।

    আরও পড়ুন: রাজনীতি করি না! মানুষের জন্য কাজ করি, বঙ্গ রাজনীতিতে ফের সক্রিয় মহাগুরু

    অন্যদিকে, সোমবার মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আস্থাভোটে (floor test)অংশ না নেওয়ার জন্য ট্র্যাফিক জ্যামকে দায়ী করলেন, কংগ্রেস নেতা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ (Ashok Chavan)। মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়কের মধ্যে ১২ জন সোমবারের আস্থা ভোটে অংশ নেননি। সময় মতো বিধানসভায় পৌঁছতে না পারার কারণেই এই বিধায়করা আস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে অশোক চহ্বান বলেন, ‘সাধারণত, প্রথমে আলোচনা হয়, তারপর ভোট হয়। কিন্তু এদিন তা হয়নি। যাইহোক, যেহেতু সরকার ১৬৪ ভোট পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করেছে, তাই বিরোধীদের সংখ্যায় কিছু যায় আসে না।’ এক শীর্ষ স্থানীয় কংগ্রেস নেতা এ প্রসঙ্গে বলেছেন যে বিধায়কদের অনুপস্থিতি ইচ্ছাকৃত বলে মনে হচ্ছে না। ‘যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিধায়করা অনুপস্থিত থেকে থাকেন, তবে দলকে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ 

  • Karnataka: মন্দিরের নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে ২০কোটি টাকা আত্মসাৎ পুরোহিতদের! কর্ণাটকে একি কাণ্ড?

    Karnataka: মন্দিরের নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে ২০কোটি টাকা আত্মসাৎ পুরোহিতদের! কর্ণাটকে একি কাণ্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগে টাকা আত্মসাতের অনেক ঘটনাই আপনারা শুনেছেন। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন যে পুরোহিতরাও টাকা আত্মসাৎ করেছে ,তাও আবার মন্দিরের নামে! হ্যাঁ, এমনই অভিযোগ উঠেছে কর্ণাটকের (Karnataka) কালাবুরাগিতে (Kalaburagi)। কালাবুরাগির দেবলাঙ্গানাপুর মন্দিরের (Devalaganapur temple) নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে ‘ডোনেশন’ থেকে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন পুরোহিতের নামে।  অভিযোগ সামনে আসতেই  তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযুক্ত পুরোহিতরা পলাতক। 

    আরও পড়ুন: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    উত্তর কর্ণাটকের গঙ্গাপুর নদীর পাশে থাকা এই দত্তাত্রেয় (Sri Dattatreya) মন্দিরে বহু ভক্তের সমাগম হয়। শুধুমাত্র এই রাজ্যই নয়, পার্শ্ববর্তী মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গনা থেকেও অনেক ভক্তরা এই মন্দিরে আসেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই পুরোহিতরা এরকম ৮ টি ওয়েবসাইট বানিয়েছে। গত ৪ বছর ধরে ভুয়ো ওয়েবসাইটের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা তারা মানুষের থেকে ‘ডোনেশন’ এর নামে নিয়েছে। আর ওই সমস্ত টাকা তারা পরে নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছে। আরও জানা যায়, এক একটি পুজোর জন্য পুরোহিতরা ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করত।

    আরও পড়ুন: ইনি ৬ লাখের গাড়ি কিনলেন ১০ টাকার কয়েনে! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    খবরসূত্রে জানা যায়, এই মন্দিরটি রাজ্যের মুজুরাই(Muzurai) দফতর ও কালাবুরাগি ডেপুটি কমিশনার যশওয়ান্ত গুরুকরের(Yashwant Gurukar) আওতায় রয়েছে। তিনি এই মন্দিরের টাকার অডিট করতে গিয়ে এই বিষয়ে জানতে পারেন ও পুরোহিতদের অপকীর্তির পর্দা ফাঁস করেন। তারপরেই থানায় এই পুরোহিতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, প্রায় ২০০০ জন ভক্তের টাকা এই ভুয়ো ওয়াবসাইটের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে পুরোহিতরা। পুলিশের আরও সন্দেহ যে,  হয়ত মন্দিরের ডোনেশন বক্স থেকেও টাকা সরিয়েছে পুরোহিতরা। এব্যাপারে প্রমাণও মিলেছে।  সিসিটিভি ক্যামেরা চেক করে দেখা গেছে, যেদিনই ডোনেশন বক্সের টাকা গোনা হত সেদিনই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ঢাকা থাকত। অন্যদিকে কালাবুরাগির ডেপুটি কমিশনার (deputy commissioner) যশওয়ান্ত গুরুকর  অভিযুক্ত পুরোহিতদের থেকে টাকা উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও আরও  তদন্তের সঙ্গে সঙ্গে আরও তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

  • Madhubala – Dilip Kumar: জানেন কী কেন ভেঙে গিয়েছিল মধুবালা-দিলীপ কুমারের ভালোবাসার সম্পর্ক?

    Madhubala – Dilip Kumar: জানেন কী কেন ভেঙে গিয়েছিল মধুবালা-দিলীপ কুমারের ভালোবাসার সম্পর্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ন-বছর চলেছিল বিখ্যাত তারকা মধুবালা(Madhubala) ও দিলীপ কুমারের (Dilip Kumar) প্রেমপর্ব। এমনকি তাঁরা বিয়েও করতে চলেছিল। কিন্তু পরিণতি পায়নি সেই প্রেম। সম্পর্ক আকস্মিকই ভেঙে গিয়েছিল, ফলে তারকা জুটির অনুরাগীদের মনও ভেঙে যায়। তবে কেনই বা তাঁদের সম্পর্কে বিচ্ছেদ এল তা নিয়ে হাজারো প্রশ্ন তাঁদের ভক্তদের। সব জল্পনার অবসান করে এই সম্পর্কের বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন মধুবালার বোন মধুর ভূষণ(Madhur Bhushan)।

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মধুর ভূষণ সংবাদমাধ্যমে জানান, ‘নয়া দৌড়’ (Naya Daur) ছবির শ্যুটিংয়ের জন্য মধুবালাকে যেতে দেয়নি তাঁর বাবা আতাউল্লা খান (Ataullah Khan)। এরপর ছবির পরিচালক বিআর চোপড়া (BR Chopra) কোর্টে মামলা দায়ের করেন অভিনেত্রী ও তাঁর বাবার নামে। সেই মামলায় মধুবালার বিপক্ষে সাক্ষ্য দেন দিলীপ কুমার। তিনি দিলীপ কুমারকে অনুরোধ জানান, তাঁর বাবার কাছে এই আচরণের জন্য ক্ষমা চাইতে। কিন্তু আতাউল্লাহর কাছে ক্ষমা চাননি দিলীপ কুমার। মন ভেঙে যায় মধুবালার। এছাড়াও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে যেতে নারাজ ছিলেন তিনি। সুতরাং শুধুমাত্র ক্ষমা না চাওয়ার কারণে ভেঙে যায় দিলীপ কুমার-মধুবালার দীর্ঘ দিনের প্রেম। ১৯৫১ সালে ‘তারানা’ ছবির সেটে শুরু হয়েছিল মধুবালা-দিলীপের প্রেম কাহিনির।

    আরও পড়ুন: দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সায়রা বানু

    মধুবালার বোন আরও জানিয়েছেন, মধুবালা কখনও চাননি যে সবাই এমনটা জানুক যে, তিনি তাঁর ভালোবাসার জন্য বাবাকে অমান্য করেছেন। তিনি একজন ভালো মেয়ে হতে চেয়েছিলেন, তাই তিনি দিলীপ সাবকে আর বিয়ে করেননি। তিনিও কখনও চাননি যে জনসম্মুখে তাঁর বাবাকেই এই বিচ্ছেদের জন্য দোষী মনে করা হয়। তাই এইসব থেকে দূরে থাকতে তিনি দিলীপ সাবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ১৯৬০ সালে কিশোর কুমারের সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। বহু পুরুষের কাঙ্খিত নারী ছিলেন তিনি। তাঁর সৌন্দর্য, মায়াবী হাসি, ব্যক্তিত্ব আর অভিনয়ে মুগ্ধ ছিল সারা দেশের মানুষ। তবে তাঁর জীবন ছিল ট্র্যাজেডি-তে ভরা। সিনেমার গল্পকে হার মানায় মধুবালার জীবন-কাহিনি। মাত্র ৩৬ বছর বেঁচে ছিলেন তিনি। অথচ এই অল্প সময়ের মধ্যেই হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এমন ছাপ রেখে গেছেন মধুবালা, যা কখনও ভোলার নয়। এখনও তাঁর রূপ, অভিনয় নিয়ে চর্চা হয়। চর্চা হয় দিলীপ কুমারের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ নিয়ে। এতদিন পর সেই বিচ্ছেদের কারণ সামনে আনলেন মধুবালার বোন। 

  • Mahua Moitra:’স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার 

    Mahua Moitra:’স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি মা কালীকে নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন তৃণমূল (Trinamool) সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তার জেরে বিভিন্নমহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এমনকি সমালোচনা করতে ছাড়েনি দলও। দলেও তিনি ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার (Twitter) হ্যান্ডেল থেকে মহুয়ার মন্তব্যের বিরোধিতা করা হয়েছে। দলের এই আচরণে ক্ষুব্ধ মহুয়া। প্রকাশ্যে দিলেন প্রতিক্রিয়া। তৃণমূলের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে আনফলো (Unfollow) করলেন মহুয়া। 

    তৃণমূল এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “দেবী কালী সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রের মতামতগুলি একান্তই ব্যক্তিগত। কোনওভাবেই পার্টি তা সমর্থন করে না এবং পার্টি অনুমোদিতও নয়। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে।” ট্যুইটটি টিএমসির অফিসিয়াল হ্যান্ডেলে পোস্ট করার পরই মহুয়া মৈত্র আনফলো করেন তৃণমূলকে।   

    [tw]


    [/tw]

    পরিচালক লীনা মণিমেকলাই একটি ছবির পোস্টার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পর বিতর্ক শুরু হয়। পোস্টারে দেবী কালীর রূপে একজন মহিলাকে দেখানো হয়েছে। ছবিতে তাঁকে সিগারেট খেতে দেখা যাচ্ছে। ত্রিশূল  রয়েছে তাঁর হাতে। সেইসঙ্গে দেবীর হাতে রয়েছে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের পতাকা। এই পোস্টার মুক্তি পেতেই ভারত তথা বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে ছবি নির্মাতারা ইচ্ছাকৃত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনেছেন।

    আরও পড়ুন: “বৃথা চেষ্টা, একটা বিগ জিরো…”, মমতার দিল্লি সফরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    স্রোতের বিপরীতে গিয়ে মঙ্গলবার একটি সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে মহুয়া মৈত্র বলেন, মা কালী তাঁর কাছে একজন মাংসভোজী, মদ পান করা দেবী। মহুয়া বলেছিলেন, “আপনি যখন সিকিম যাবেন, আপনি দেখতে পাবেন যে তাঁরা দেবী কালীকে হুইস্কি দেয়। কিন্তু আপনি যদি উত্তরপ্রদেশে যান এবং আপনি যদি তাঁদের বলেন যে আপনি দেবীকে প্রসাদ হিসেবে হুইস্কি নিবেদন করেন, তাহলে তাঁরা আপনাকে অধার্মিক বলবে।” তাঁর প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা হয় রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীরা তোপ দাগেন। বিপদ বুঝে সাংসদের পাশ থেকে সরে দাঁড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। 

    আরও পড়ুন: হাওড়ায় ‘ফেল’ দুই পুলিশকর্তার কলকাতায় ‘প্রোমোশন পোস্টিং’!

    তৃণমূল মহুয়ার বক্তব্য থেকে দূরে সরে যেতেই মহুয়াও ট্যুইটারে আনফলো করেছেন দলকে। যদিও দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata) আনফলো করেননি তিনি। মহুয়ার এই অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রথমত তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন। তারপরে ট্যুইটারে দলকে আনফলো করায় আরও অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির। 

     

     

  • Afghanistan: আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুন, হুঁশিয়ারি আখুন্দজাদার

    Afghanistan: আফগানিস্তানের বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুন, হুঁশিয়ারি আখুন্দজাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুক বিশ্ব। দীর্ঘদিন পর জনসমক্ষে এসে এই হুঁশিয়ারি দিলেন আড়ালে থাকা তালিবান (Taliban) শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (Hibatullah Akhundzada)। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে (Kabul) ধর্মগুরুদের একটি সমাবেশে ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই দেন হুঁশিয়ারি।

    গত ১৫ আগস্ট আফিগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালিবান। তার পর থেকে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দেখা মিললেও আখুন্দজাদা রয়ে গিয়েছিলেন পর্দার আড়ালেই। জনসমক্ষে এলেন এদিন, কাবুলের এই ধর্মগুরুদের সভায় যোগ দিতে। শুধু তাই নয়, ঘণ্টাখানেক ধরে বক্তৃতাও করেন তিনি। সম্মেলন স্থলে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি। তবে তাঁর ভাষণ সম্প্রচারিত হয়েছে সে দেশের রেডিওতে। ওই ভাষণ দিতে গিয়েই আফগানিস্তানের বিষয়ে বহির্বিশ্বের নাক গলানো নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেন আখুন্দজাদা। বলেন, কেন বিশ্ব আমাদের ব্যাপারে মাথা ঘামায়? তারা কেন বলে, তোমরা এটা করো না, কেন করো না? কেন আমাদের কাজে হস্তক্ষেপ করে বিশ্ব?

    আরও পড়ুন : আফগানিস্তানে কূটনৈতিক উপস্থিতি ফের চালু ভারতের, কী প্রতিক্রিয়া তালিবানের?

    আখুন্দজাদা বলেন, তালিবান আফগানিস্তানের জন্য জয়লাভ করেছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা কীভাবে শরিয়ত আইন প্রয়োগ করা যায়, সে ব্যাপারে নয়া শাসকদের পরামর্শ দেবে। আখুন্দজাদা বলেন, ইসলামি ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা সহজে মেনে নেবে না বর্তমান বিশ্ব। হাজার তিনেক ধর্মগুরুর এই সমাবেশে কোনও মহিলা যোগ দেননি। তবে তালিবানের একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন মেয়েদের শিক্ষার মতো কণ্টকাকীর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও এই সমাবেশে আলোচনা হবে।

    প্রসঙ্গত, তালিবান দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের মাস দুয়েক পরে একবার প্রকাশ্যে এসেছিলেন আখুন্দজাদা। সেই সময় কান্দাহারে দারুল উলুম হাকিমা মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছিলেন তিনি। তার পর এই এলেন প্রকাশ্যে। হুঁশিয়ারি দিলেন গোটা বিশ্বকে। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে প্রবল ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছিল আফগানিস্তান। মৃত্যু হয়েছিল হাজারেরও বেশি মানুষের। জখমও হয়েছিলেন বহু মানুষ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তখনও গোপন ডেরা থেকে বের হননি আখুন্দজাদা। এলেন এদিন, কেবল ধর্মগুরুদের সভায়।

    আরও পড়ুন : কাশ্মীরে জি-২০, পাকিস্তানের পরে এবার আপত্তি চিনেরও

  • Yogi Adityanath:  যোগী সরকারের দ্বিতীয় দফায় ১০০ দিনের রিপোর্ট কার্ড পেশ

    Yogi Adityanath: যোগী সরকারের দ্বিতীয় দফায় ১০০ দিনের রিপোর্ট কার্ড পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফায় একশো দিন পূরণ করল উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। তিনি বলেন, এই একশো দিন সমর্পণ করা হয়েছে জনগণের সেবা-সুরক্ষা এবং সুশাসনের প্রতি। মুখ্যমন্ত্রী (CM) বলেন, জনতার কাছে যা কথা দিয়েছি, তা আমরা পূরণ করবই। এই মুহূর্তে উত্তর প্রদেশের অর্থ ব্যবস্থাকে এক ট্রিলিয়নে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

    উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় এসেই রাজ্যকে ‘কুশাসন’ মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যান যোগী। যার সুফল ঘরে তুলছে বিজেপি। উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্যের পর জয় মিলেছে বিধান পরিষদ নির্বাচনেও। সম্প্রতি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আজমেঢ় ও রামপুর উপনির্বাচনেও জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। প্রত্যাশিতভাবেই উৎসাহিত গেরুয়া শিবির। যোগী আদিত্যনাথ জানান, উত্তর প্রদেশকে আরও সংগঠিত করতে দশটি বিভাগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হল কৃষি, শিল্প, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, আরবান ডেভেলপমেন্ট, ট্যুরিজম ও কালচার, শিক্ষা, রাজস্ব এবং আইন। এগুলির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের হাতে। প্রত্যেককে বেঁধে দেওয়া হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে মোট ২৯২৫ কোটি টাকার বেআইনি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে মাফিয়া ও সমাজবিরোধীদের গতিবিধি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে মাফিয়াদের ৮৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তিও। যোগী আদিত্যনাথ বলেন, গত পাঁচ বছরে উত্তর প্রদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আগে উত্তর প্রদেশ পরিচিতই ছিল দাঙ্গা ও অশান্তির জন্য। কিন্তু বিজেপি সরকার আসার পরেই উত্তর প্রদেশে আর একটিও দাঙ্গার খবর নেই।

    আরও পড়ুন : এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ সময়ের আগেই, বাঁচল হাজার কোটি টাকারও বেশি

    কেবল আইনশৃঙ্খলাই নয়, আর্থিকভাবেও ঢের উন্নতি লাভ করেছে যোগীর রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মাত্র পাঁচ বছরে উত্তর প্রদেশের জিডিপি দ্বিগুণ হয়েছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মানুষের মাথাপিছু আয়ও। তিনি জানান, ধর্মীয়স্থানে অনাবশ্যক লাউডস্পিকারের ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। ২০ হাজারেরও বেশি লাউড স্পিকার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও জানান আদিত্যনাথ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গত একশো দিনে প্রায় ১০ হাজার জনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, আমাদের লক্ষ্য উত্তর প্রদেশের সব যুবককে অন্তত দু লক্ষ করে টাকা লোন দেওয়া। এই টাকা নিয়ে তারা যাতে ব্যবসা করতে পারে, সেজন্য সব রকম ব্যবস্থা করবে সরকার। আদিত্যনাথ বলেন, ২০১৭ সালে আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসেই প্রায় ৮৬ লক্ষ কৃষকের লোন মকুব করে। ২০২২ সালে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে ১৫ কোটি গরিব মানুষকে নিখরচায় রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন : অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

  • US parade shooting: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে গুলি, মৃত ৯

    US parade shooting: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে গুলি, মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মেজাজে তখন গোটা দেশ। শিকাগোয় (Chicago) চলছে স্বাধীনতার উদযাপন। তারই মাঝে কাটল তাল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেন রক্তবন্যা থামার নাম নেই। ফের রক্তাক্ত হল ৪ জুলাইয়ের প্যারেড (4th July Parade)। সোমবার শিকাগোর হাইল্যান্ড পার্কে চতুর্থ জুলাইয়ের প্যারেড চলাকালীন এলোপাথাড়ি গুলি (Shooting) চালায় এক বন্দুকবাজ। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন অনেকে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এক বন্দুকধারী একটি দোকানের ছাদ থেকে প্যারেডে অংশগ্রহণকারীদের উপর গুলি চালায়। 

    বন্দুকবাজের হামলায় ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত অন্তত ৫৭ জন। শিকাগোর পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হয় কুচকাওয়াজ। মিনিট দশেক পরেই স্থানীয় একটি দোকানের ওপর থেকে মুহুর্মুহু গুলি চালায় এক আততায়ী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় ২৪ রাউন্ড গুলি চলার শব্দ শোনা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু হামলা নিয়ে নিন্দা আমেরিকার, পালটা ‘বন্দুকবাজ’ খোঁচা ভারতের

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে কুচকাওয়াজ দেখছিলেন বহু মানুষ। পরের ফ্রেমেই, তাঁদের মাটি থেকে লাফিয়ে দৌড়তে দেখা যায়, শোনা যায় বন্দুকের শব্দ, মানুষের চিৎকার।  

    [tw]


    [/tw]

    হাইল্যান্ড পার্কের পুলিশ চিফ লউ জগম্যান জানিয়েছেন, শহরতলির নানা জায়গায় গুলি চালিয়েছে আততায়ী। তার নাম রবার্ট ক্রিমো। পেশায় ইউটিউবার। আততায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

    শিকাগোর ইলিনয়ের সাউথ ওয়েন্টওয়ার্থ অ্যাভিনিউয়ে ২৪ বছর বয়সি এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নতুন চার-দেশীয় গোষ্ঠী ‘আই২ইউ২’-র সদস্য ভারত, আছে কারা?  

    হাইল্যান্ড পার্কের নিরাপত্তার দায়িত্বে লেক কাউন্টি শেরিফ বিভাগ। শেরিফ বিভাগের কার্যালয় থেকে সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকা টহল দিচ্ছে পুলিশ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্বাধীনতা দিবসের সব রকমের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র।   

    মার্কিন প্রতিনিধি ব্র্যাড স্নাইডার রয়টার্সকে বলেছেন যে হাইল্যান্ড পার্কে যখন গোলাগুলি শুরু হয়েছিল তখন তিনি প্যারেডের সামনে ছিলেন। স্নাইডার ট্যুইটারে লেখেন, “অনেকের মৃত্যুর  খবর পাওয়া গিয়েছে এবং আরো অনেকে আহত হয়েছেন। হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা।”  

     

LinkedIn
Share