Author: সুশান্ত দাশ

  • Bomb threat :  বোমাতঙ্ক নিয়ে ৪০ মিনিট ভারতের আকাশে ইরানের বিমান

    Bomb threat : বোমাতঙ্ক নিয়ে ৪০ মিনিট ভারতের আকাশে ইরানের বিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় আকাশসীমায় থাকাকালীন ইরান (Iran) থেকে চীনগামী একটি যাত্রাবাহী বিমানে (Passenger Jet) বোমাতঙ্ক। যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে দিল্লির বিমানবন্দরে (Delhi airport) অবতরণের জন্য অনুমতি চায় বিমানটি। আজ সোমবার সকাল ৯ টা বেজে ২০ মিনিটে একটি ফোন আসে দিল্লির বিমানবন্দরে। এরপরই বিমান বন্দরে হাই অ্যালার্ট (High alert) জারি করা হয়।

    আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল ম্যাচ ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড! পদপিষ্ট হয়ে মৃত কমপক্ষে ১৭৪ 

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে ইরানের তেহরান থেকে চীনের গুয়াংজু যাওয়ার পথে বোমাতঙ্কের ফলে সেই বিমানটি অবতরণ করারা জন্য অনুমতি চাইলেও সেটিকে জয়পুর এবং চন্ডীগড় দু’টি বিমানবন্দর বিকল্পের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল কিন্তু পাইলট ভিন্ন পন্থার প্রস্তাব প্রত্যাখান করে নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যায়। ভারতের আকাশে ৪০ মিনিট ছিল বিমানটি।

    [tw]


    [/tw] 

    ইরান কর্তৃপক্ষ বিবৃতি অনুসারে, তেহরান বোমার ভয়কে উপেক্ষা  করতে বলার পর বিমানটি চীনে তার গন্তব্যের (Destination) দিকে যাত্রা অব্যহত রাখে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আইএএফ বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় (MOCA) এবং ব্যুরো অব সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি (BCAS) এর সঙ্গে যৌথভাবে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছিল। বিমানটি ভারতীয় আকাশসীমা (Indian airspace) জুড়ে বিমান বাহিনীর রাডারের গভীর নজরদারির (Surveililance) আওতায় ছিল।

    আরও পড়ুন: ৬টি বুলেটে ঝাঁঝরা, ইরানি তরুণীর শেষকৃত্যে বাধ মানল না পরিজনদের চোখের জল  

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে  পাকিস্তানের লাহোর (Pakistan Lahore) এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল দিল্লি এটিসিকে (ATC) কথিত বোমা হুমকির বিষয়ে তথ্য দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Jignesh Mevani: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    Jignesh Mevani: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট (Gujrat) প্রদেশ কংগ্রেসের (Congress) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তথা বিধায়ক জিগনেশ মেবানিকে (Jignesh Mevani) ছ মাসের কারাদণ্ড দিল আমেদাবাদ আদালত (Ahmedabad Court)। ২০১৬ সালের একটি মামলায় সাজা দেওয়া হল গুজরাটের এই দলিত নেতাকে। কেবল জিগনেশ নন, ওই মামলায় আরও ১৮ জনকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জেরে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি গড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেস।

    গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ভবন তৈরির সময় ভবনের নাম সংবিধান রচয়িতা বিআর আম্বেদকরের নামে করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন জিগনেশ ও তাঁর অনুগামীরা। সেটা ২০১৬ সালের ঘটনা। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাস্তা অবরোধও করেছিলেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি সমাবেশ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সময় জিগনেশ সহ মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই মামলায়ই এদিন রায় দিল আদালত। তবে এদিন সাজা দেওয়া হয়েছে জিগনেশ সহ মোট ১৯ কে। কারণ বিচার চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে এক অভিযুক্তের। তবে জিগনেশদের সাজা এখনই কার্যকর হচ্ছে না। তাঁরা যাতে আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারেন, তাই কারাদণ্ডের সাজা ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রেখেছেন বিচারক।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    এদিকে, সম্প্রতি আমেদাবাদের ভাস্ত্রালে একটি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন গুজরাট প্রদেশ কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিগেনশ। জিগনেশ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন তফশিলি জাতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিতেন্দ্র পিথাদিয়া। আচমকাই জিগনেশের ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। ট্যুইটবার্তায় জিগনেশের দাবি, রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ সিং জাদেজার মদতপুষ্ট গুন্ডা বাহিনীই ওই হামলা চালিয়েছিল।

    দলিত মুখ হিসেবেই রাজনীতিতে দ্রুত উত্থান ঘটেছিল জিগনেশের। ২০১৭ সালে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য কংগ্রেসে যোগ দেন। মাস কয়েক আগে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন হার্দিক প্যাটেল। তার পরেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব বর্তায় জিগনেশের ওপর। সেই জিগনেশেরেই কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হওয়ায় ভোটের আগে যারপরনাই বিব্রত গুজরাট কংগ্রেস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • World Bank Fears Recession: আগামী বছরই আর্থিক মন্দার গ্রাসে গোটা বিশ্ব, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাঙ্কের

    World Bank Fears Recession: আগামী বছরই আর্থিক মন্দার গ্রাসে গোটা বিশ্ব, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কার কালো মেঘ অনেক আগেই ঘনীভূত হয়েছে। সেই সম্ভাবনা আরও বেশি করে উস্কে দিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক (World Bank)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী বছরেই আর্থিক মন্দা গ্রাস করতে পারে গোটা বিশ্বকে।

    কেন এমন আশঙ্কা? বিশ্ব ব্যাঙ্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক দ্রুত গতিতে সুদের হার বাড়াচ্ছে। আর তাতে অর্থের জোগান ক্রমশ কমছে বাজারে। মুদ্রাস্ফীতির দর নিম্নমুখী হচ্ছে ঠিকই, তবে তার বিরূপ প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে অর্থনীতিতে। চড়া সুদের হার থেকে বাঁচতে যে কোনও সংস্থা নতুন করে আর বিনিয়োগের পথে হাঁটতে চাইবে না। অনেক সংস্থা ব্যয় সংকোচের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে। তার জেরে বাণিজ্য ও আর্থিক বিকাশের পথ সঙ্কুচিত হয়ে আসে। তখনই গ্রাস করবে আর্থিক মন্দা (Global Recession)। হাজার হাজার মানুষ চাকরি হারাবেন। কমবে কর্মসংস্থান।

    আরও পড়ুন: মোদির জন্মদিনে পুজো বা কেক কাটা নয় আজ থেকে সেবাপক্ষ শুরু বিজেপির

    বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস (David Malpass) রিপোর্ট পেশ করার সময় বলেন, ‘এভাবে সুদের হার বাড়তে থাকলে আথির্ক মন্দা ঠেকানো যাবে না। এর পরিণতি খুব খারাপ হতে পারে। নতুন নতুন যে সব বাণিজ্যক্ষেত্র খুলেছে, সেগুলি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে উন্নয়শীল দেশগুলি।’

    সুদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে আমেরিকা। পিছিয়ে নেই ইউরোপের দেশগুলি। সেই তুলনায় ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য, ভারতীয় অর্থনীতিকে বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে আরও চাঙ্গা করা। সুদ বৃদ্ধি সেই প্রয়াসে বড় বাধা হতে পারে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দা শুরু হলে ভারতও যে রেহাই পাবে না, বলাই বাহুল্য। তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি রিপোর্টে এটা স্পষ্ট, অন্য দেশগুলির তুলনায় ভারতীয় অর্থনীতি অনেকটাই মজবুত। বিশেষজ্ঞদের মতে, যা মূলত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সুফল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mumbai: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    Mumbai: হোয়াটসঅ্যাপে সেক্স ট্র্যাপ, ভিডিও কলের ফাঁদে ৫.২৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক মুম্বইবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এক অচেনা মহিলার সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ফলে খোয়াতে হল ৫ লক্ষের বেশি টাকা। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে, গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক ৫৪ বছর বয়সী বিপত্নীক ব্যক্তির লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করল এক মহিলা। পরে সেই মহিলার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। নগ্ন ছবি বা গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার মত ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। এবার এমনই এক ঘটনা ঘটল মুম্বইয়ে।

    জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের আন্ধেরির এক ব্যক্তির কাছে ফেসবুকে প্রিয়াঙ্কা জৈন নামের এক মহিলা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান। তারপর সেই মহিলা ওই ব্যক্তিকে মেসেজ করে তাঁর থেকে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও চান। এরপর ২ সেপ্টেম্বর প্রিয়াঙ্কা সেই ব্যক্তিকে হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কল করে বাথরুমে যেতে বলেন ও তাঁর জামাকাপড় খুলতে বলেন। এরপর সেই ভিডিও কল পাঁচ মিনিট পরে কেটে দেন এবং শুধুমাত্র একটি ভয়েস কল করে সেই ব্যক্তিকে বলেন যে সে তাদের পুরো কলটি রেকর্ড করেছে। আর এরপরেই শুরু হয় প্রিয়াঙ্কার হুমকি। ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তখনই ১৬,৪০০ টাকা পাঠানোর কথা বলে। তখন সেই ব্যক্তি সম্মানহানির ভয়ে ৩০০০০ টাকা তাকে পাঠিয়েও দেয়। কিন্তু এটি তো কেবল শুরু ছিল।

    আরও পড়ুন: মেধাবী ছাত্রকে অপহরণ করে খুন, বাগুইআটিকাণ্ডের ছায়া বীরভূমে?

    টাকা পাঠানোর পরেও সেই ব্যক্তি রেহাই পায়নি। এই ঘটনার দুদিন পরেই অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি ফোন আসে, আর সে নিজেকে সিবিআই অফিসার হিসাবে পরিচয় দেয় এবং ওই ব্যক্তিকে সতর্ক করে বলে যে তার নগ্ন ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হয়েছে। এবং এই ভিডিও টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে ফের টাকা আদায় করা হয়। এভাবে সেই ব্যক্তির মোট ৫.২৮ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়।

    এরপর তিনি আর সহ্য করতে না পেরে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি এবং সেই মহিলার বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের অধীনে ৪১৯, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ভিডিও কল এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের পিছনে বড় ষড়যন্ত্র থাকে। তাদের কাজ হল মানুষকে ভিডিও কল করে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা। এর জন্য সবার প্রথমে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। প্রথমে, অজানা নম্বর থেকে ভিডিও কল এলে কোনওমতেই ধরা উচিত নয়। ভুলবশত আপনি যদি এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে অবিলম্বে প্রতারকদের ফাঁদে পা না দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দিন।

  • Bihar Police: বিহারে লকআপে আটক পাঁচ পুলিশ অফিসার! কাজে গাফিলতিতে ‘শাস্তি’?

    Bihar Police: বিহারে লকআপে আটক পাঁচ পুলিশ অফিসার! কাজে গাফিলতিতে ‘শাস্তি’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেল তৈরি করা হয় অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু কারাগারে যদি পুলিশকেই আটকে রাখা হয়, তবে কেমন হয় ব্যাপারটা, কখনও ভেবে দেখেছেন? তবে এমনটাই ঘটল বিহারের নওয়াদা শহরের একটি থানায়। জানা গিয়েছে, বিহার পুলিশের ৫ আধিকারিককে ২ ঘণ্টা জেলবন্দি করলেন জেলার এসপি। আর এই ঘটনার ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে চর্চা।

    সূত্রের খবর, তাঁদের কাজে অখুশি হয়েই নাকি এসপি তাঁদের এমন শাস্তি দিয়েছেন। যদিও এসপি গৌরব মাঙ্গলা এই ঘটনাকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করলেও, ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানেই দেখা গিয়েছে, লকআপের ভিতরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন পুলিশকর্মীরা।

    ঘটনাটি বৃহস্পতিবার রাতের। নাওয়াদা জেলার নাভাদা নগর থানায় ডিউটিতে থাকা ৫ পুলিশ কর্মীর কাজে অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁদেরকেই ২ ঘন্টার জন্য লকআপে রেখে দেন পুলিশ এসপি গৌরব মাঙ্গলা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন,  তিন অ্যাসিস্টেন্ট সাব-ইন্সপেক্টর এবং দুই সাব-ইন্সপেক্টর। তাঁরা হলেন সাব-ইন্সপেক্টর শত্রুঘ্ন পাসওয়ান এবং রামরেখা সিং; এএসআই সন্তোষ পাসওয়ান, সঞ্জয় সিং এবং রামেশ্বর উরাওন। তারপর দেখা গিয়েছে, তাঁদের মধ্যরাতে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: মোবাইল অ্যাপ সংক্রান্ত প্রতারণার মামলায় হানা ইডি-র, কীভাবে অপারেশন চালাত অভিযুক্ত আমির?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, পুলিশ এসপি গৌরব মাঙ্গলা নাভাদা নগর পুলিশ স্টেশন পরিদর্শনের জন্য রাত ৯টা নাগাদ গিয়েছিলেন। সেখানেই কাজে গাফিলতি দেখে ও অসন্তুষ্ট হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও পাঁচ পুলিশ কর্মীকে লকআপে আটকে রাখার নির্দেশ দেন তিনি। যদিও তাঁরা কাজে কী গাফিলতি করেছিল, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

    এই পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন গৌরব মাঙ্গলা। থানার ইনচার্জ বিজয় কুমার সিং-ও তাঁর কথাতেই সম্মতি জানান। যদিও পরের দিনই হোয়াটসঅ্যাপে সিসিটিভি ফুটেজটি ভাইরাল হয়ে যায়, যেখানে তাঁদের লকআপের ভিতরে বন্দি থাকতে দেখা যায়। দু ঘণ্টা বাদে প্রায় মাঝরাতে তাঁদের লকআপ থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    এরপরেই বিহার পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মৃত্যুঞ্জয় কুমার সিং জানান, তিনি ওই ঘটনার পরই এসপি-এর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। ফলে গতকাল তিনি এই ঘটনার তদন্ত দাবি করে নির্দেশিকা জারি করেছেন। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে, এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এই সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করে দিতে পারে গৌরব মাঙ্গলা। তাই অবিলম্বে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা ও এসপির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার দাবি জানান মৃত্যুঞ্জয় কুমার সিং।

  • Rahul Gandhi: যিশুই প্রকৃত ভগবান, শক্তি নন, রাহুলকে কেন বলেছিলাম জানেন? ব্যাখ্যা দিলেন সেই যাজক

    Rahul Gandhi: যিশুই প্রকৃত ভগবান, শক্তি নন, রাহুলকে কেন বলেছিলাম জানেন? ব্যাখ্যা দিলেন সেই যাজক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিয়েল গড বিতর্কের (Real God Row) জেরে বিব্রত ক্যাথলিক যাজক ব্যাখ্যা করলেন তাঁর মন্তব্যের। শনিবার তিনি ব্যাখ্যা করে জানান, কেন তিনি বলেছিলেন যিশুই (Jesus) প্রকৃত ভগবান, শক্তি (Shakti) নন। ক্যাথলিক যাজক জর্জ পুন্নাইয়ার ব্যাখ্যা, আমি ভগবানকে (God) শক্তি হিসেবে মানি না, তাঁকে মানি রক্তমাংসে গড়া মানুষ হিসেবে।

    একটি বৈদ্যুতিন চ্যানেলে টক শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন জর্জ। ওই শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। জর্জ বলেন, সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল, আমি তা ব্যাখ্যা করছি। গতকাল রাহুলের সঙ্গে একটি চ্যাটে অংশ নিয়েছিলাম। শো চলাকালীন রাহুল বলেছিলেন, খ্রিস্টান ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী মাত্র একজন ঈশ্বর রয়েছেন আর তিন ব্যক্তি রয়েছেন ফাদার, সন এবং হোলি স্পিরিট। রাহুল প্রশ্ন করেছিলেন তিনটি ঈশ্বর রয়েছেন, নাকি তিনটি আকার রয়েছে। তখনই আমি তাঁকে ব্যাখ্যা করে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে, মাত্র একজন ভগবান রয়েছেন, ব্যক্তি রয়েছেন তিনজন। আমি তাঁকে বলেছিলাম, মানব শরীর ধারণ করে ভগবান প্রকাশিত হয়েছিলেন। এই মানব শরীর হলেন যিশু। আমি অন্য কোনও ধর্মের প্রসঙ্গ টানিনি। আমি তাঁকে বলেছিলাম, আমাদের মতে, ভগবান কোনও শক্তি নন, তিনি মানুষ। তাঁর আগে করা একটি ঘৃণাভাষণ প্রসঙ্গে জর্জ বলেন, আমি আগেও এজন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছি। বিচার বিভাগের কাছে গিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছি।

    আরও পড়ুন : দলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ফের ইউরোপ সফরে রাহুল, বিতর্ক!

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নিতে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী গিয়েছিলেন রাহুল। সেখানেই তিনি ওই যাজকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ‘বিতর্কিত’ যাজক জর্জের সঙ্গে রাহুলের সাক্ষাৎকারকে কটাক্ষ করেছে  গেরুয়া শিবির। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুন্নাওয়ালা ট্যুইট বার্তায় লেখেন, রাহুল গান্ধী যাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন সেই জর্জ পুন্নাইয়া বলেছিলেন যিশুই একমাত্র ভগবান, শক্তি নয়। এই লোকটা গ্রেফতার হয়েছিল হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাভাষণের কারণে। তিনি এও বলেছিলেন, আমি জুতো পরি কারণ ভারতমাতার অপবিত্রতা আমাদের যেন স্পর্শ না করে। তাঁর কটাক্ষ, ভারত জোড়োর সঙ্গে ভারত তোড়ো আইকনস?

     

     

  • TMC Councillors son hanged: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    TMC Councillors son hanged: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে কলকাতার (Kolkata) গার্ডেনরিচ এলাকা। এবার রহস্যমৃত্যু তৃণমূল কাউন্সিলের (TMC Councilor) ছেলের। শনিবার নিজের অফিস থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় পিন্টু শীলের (Pintu Shil)। তিনি ১৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিত শীলের ছেলে। পিন্টু আত্মহত্যা করেছেন নাকি, তাঁকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    শনিবারই গার্ডেনরিচের পরিবহণ ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয় ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। সেই খবরের রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই নিজের অফিস থেকেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় পিন্টুর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন কাউন্সিলরের ছেলে।

    ১৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিত শীল। তিনি ১৫ নম্বর বরোর চেয়ারম্যানও। এদিন রাতে নিজের অফিসে ছিলেন তাঁর ছেলে পিন্টু। তিনি প্রমোটিং করতেন। রাতে কয়েকজন তাঁর খোঁজে ওই অফিসে যান। দেখেন, গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছেন কাউন্সিলরের ছেলে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রঞ্জিতবাবুকে। খবর দেওয়া হয় মেটিয়াবুরুজ থানায়ও। গভীর রাতে পিন্টুর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : এবার তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৮০ লক্ষ নগদ! কে এই রাজু সাহানি?

    পুলিশ জানিয়েছে, পিন্টুর দেহে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। তা থেকেই অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন পিন্টু। তবে কেন তিনি নিজের অফিসে গিয়ে আত্মহত্যা করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই জানা যাবে ঠিক পিন্টু আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাঁকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রমোটিং সংক্রান্ত বিবাদের জেরে তাঁকে খুন করা হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    দিন কয়েক আগে খিদিরপুরে পথ দুর্ঘটনায় ছেলেকে হারিয়েছিলেন ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাম পিয়ারি রাম। লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর ছেলে কিঙ্কর রামের। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে  যাওয়ার আগে তৃণমূল শিবিরে ফের শোকের খবর। এবার সন্তান হারা হলেন আরও এক দলীয় কাউন্সিলর রঞ্জিত শীল।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • OTT Play Awards: ওটিটি প্লে অ্যাওয়ার্ডসে চাঁদের হাট, কারা জিতলেন কোন পুরস্কার, দেখে নিন তালিকা

    OTT Play Awards: ওটিটি প্লে অ্যাওয়ার্ডসে চাঁদের হাট, কারা জিতলেন কোন পুরস্কার, দেখে নিন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ছিল ওটিটি প্লে অ্যাওয়ার্ডস ২০২২ (OTT Play Awards 2022) -এর অনুষ্ঠান। ভারতের নানা রাজ্যের শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। এই অনুষ্ঠানে সেরা ওয়েব সিরিজ, সেরা অভিনেতা, সেরা ডায়লগ- সহ একাধিক বিভাগে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের শিল্পীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই সর্বপ্রথম প্যান-ইন্ডিয়া ওটিটি পুরস্কার দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল সারা দেশ থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ওটিটি সিনেমা, শো, অভিনেতা এবং সিনেমা নির্মাতাদের পুরস্কার দিয়ে তাঁদের সম্মান জানানো। আর সেখানে পিছিয়ে নেই বাংলাও। বাংলা ভাষা থেকেও অনেকে নমিনেশনে এসেছে ও পুরস্কারও জিতেছে। ওটিটি প্লে অ্যাওয়ার্ডসে পুরস্কৃত হয়েছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় । সেইসঙ্গে ‘আরণ্যক’-এর গোটা টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।  ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাওয়ার্ডসে কে পেল সেরা সিরিজ, সেরা সিনেমার পুরস্কার, কেই বা হলেন সেরা অভিনেতা, অভিনেত্রী, একনজরে দেখে নেওয়া যাক…

    সেরা ওয়েব অরিজিনাল ফিল্ম (জনপ্রিয়) – জয় ভীম, শেরশাহ।

    সেরা ওয়েব অরিজিনাল ফিল্ম(জুরি) – দাসভি।

    সেরা ওয়েব সিরিজ (জনপ্রিয়) – দ্য ফ্যামিলি ম্যান।

    সেরা ওয়েব সিরিজ (জুরি) – তাব্বার।

    ওটিটি প্লে রিডার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড: সেরা সিরিজ – ভিলাঙ্গু।

    সেরা পরিচালক (চলচ্চিত্র)– সুজিত সরকার (সর্দার উধম)।

    সেরা পরিচালক (সিরিজ) – রাম মাধবনি, বিনোদ রাওয়াত, কপিল শর্মা (আর্য 2)

    দশকের চলচ্চিত্র নির্মাতা – পা. রঞ্জিত।

    আরও পড়ুন: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে সেরার শিরোপা সুরিয়া-অজয় দেবগনের, জয়জয়কার অভিযাত্রিকের

    সেরা অভিনেতা পুরুষ (জনপ্রিয়) (চলচ্চিত্র) – কার্তিক আরিয়ান (ধামাকা)।

    সেরা অভিনেত্রী (জনপ্রিয়) (চলচ্চিত্র) -তাপসী পান্নু (হাসিন দিলরুবা)।

    সেরা অভিনেতা পুরুষ (জুরি) (চলচ্চিত্র) – আর্য (সরপত্তা পরমবাই), ফারহান আখতার (তুফান)।

    শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী মহিলা (জুরি) (চলচ্চিত্র)– বিদ্যা বালান (জলসা)

    সেরা অভিনেতা পুরুষ (জনপ্রিয়)(সিরিজ)– তাহির রাজ ভাসিন (ইয়ে কালি কালি আঁখিন)।

    শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী মহিলা (জনপ্রিয়)(সিরিজ) – রাভিনা ট্যান্ডন (আরণ্যক)।

    সেরা অভিনেতা (জুরি)(সিরিজ) – মনোজ বাজপেয়ী (দ্য ফ্যামিলি ম্যান)।

    সেরা সাপোর্টিং অভিনেতা পুরুষ (সিরিজ) – পরমব্রত চ্যাটার্জি (আরণ্যক)।

    সেরা সহ-অভিনেতা মহিলা (সিরিজ) – কঙ্কনা সেন শর্মা (মুম্বাই ডায়েরি 26/11)।

    সেরা গল্প (চলচ্চিত্র) – মহেশ নারায়ণন (মালিক)।

    সেরা সংলাপ (চলচ্চিত্র) – কনিকা ধিল্লন (হাসিন দিলরুবা)।

    সেরা গল্প (সিরিজ) – চারু দত্ত (আরণ্যক)।

    সেরা চিত্রনাট্য (সিরিজ) – পুষ্কর, গায়ত্রী (সুজল)।

    সেরা সংলাপ (সিরিজ) – অনির্বাণ (মান্দার)। ওটিটি-এর সেরা অনস্ক্রিন কাপল- ধ্রুব সেহগাল, মিথিলা পালকার (লিটল থিঙ্কস)।

    ব্রেকথ্রু পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার পুরুষ – গুরু সোমসুন্দরাম (মিনাল মুরালি)।

    ব্রেকথ্রু পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার মহিলা – সারা আলী খান (আতরঙ্গি রে)।

    ওটিটি পারফর্মার অফ দ্য ইয়ার – রাজেন্দ্র প্রসাদ (সেনাপতি)।

    নিউ ওয়েভ সিনেমায় অগ্রণী অবদান – রাজ বি শেট্টি ও রিশব শেট্টি।

  • Asia Cup 2022: রোহিতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পাক প্রাক্তন ক্যাপ্টেন মহম্মদ হাফিজের, যোগ্য জবাব দিলেন নেটিজেনরা

    Asia Cup 2022: রোহিতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পাক প্রাক্তন ক্যাপ্টেন মহম্মদ হাফিজের, যোগ্য জবাব দিলেন নেটিজেনরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপের (Asia Cup 2022) পর পর দুটি ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল (Indian Cricket Team)। সুপার ফোরেও (Super Four) জায়গা করে নিয়েছেন তাঁরা। রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) নেতৃত্বে দারুণ ফর্মে রয়েছে ভারতীয় দল। তাঁরা এখনও একটিও টি-টোয়েন্টি সিরিজ (T-20 Series) হারেননি। আবার আজকেই অর্থাৎ ৪ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ফের মুখোমুখি হবে চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান (INDvsPAK)।

    কিন্তু এই অবস্থায় পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন মহম্মদ হাফিজ (Mohammad Hafeez) তাঁর খেল দেখাতে শুরু করেছেন। তিনি ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করে বসেন। আর তাঁর মন্তব্যের জেরে তাঁকে নেটিজেনদের কাছেও অনেক কটাক্ষের শিকার হয়। শুধুমাত্র তাই নয়, হাফিজ তাঁর এই মন্তব্যের কারণে সবার কাছে হাসির পাত্র হয়ে উঠেছেন।

    মহম্মদ হাফিজ ট্যুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করে বলেন, “ম্যাচ জেতার পর রোহিত শর্মার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখেছেন? জেতার পরও তাঁর প্রতিক্রিয়া দেখেছেন? এশিয়া কাপে হংকং-এর বিরুদ্ধে খেলতে ও টস করতে যাওয়ার সময় রোহিতকে ভীত ও বিভ্রান্ত লাগছিল। আগের রোহিত শর্মাকে আমি আর দেখতে পাচ্ছি না। রোহিত শর্মার পক্ষে বেশিদিন ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।“

    আরও পড়ুন: বদলার ম্যাচ পাকিস্তানের! জিতে ফাইনালে যাওয়াই লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার

    হাফিজ আরও বলেন, ”আমার মনে হয় তাঁর অধিনায়কত্বের কারণে তাঁর ওপর অনেক চাপ বেড়েছে। তাই ওনাকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমি রোহিতকে সবসময় ক্রিকেটটা উপভোগ করতে দেখেছি। কিন্তু এখন অনেকটা চাপে থাকে বলে মনে হয়।“

    হাফিজের এমন মন্তব্যের পরেই নেটিজেনরাও তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। একের পর এক কমেন্ট আসে তাঁর এই মন্তব্যের পর। আর হাফিজকে অনেক নেটিজেনরাই ভালো করে বুঝিয়ে দেন যে, কেন রোহিতকে চিন্তিত দেখাচ্ছিল ও কেন হংকং কে হারানোর পরে তাঁর প্রতিক্রিয়া তেমন ছিল। নেটিজেনদের মধ্যে কেউ লিখেছেন, ‘কেন রোহিতকে হংকং-এর বিরুদ্ধে খুশি লাগছিল না কারণ হংকং- কে হারানো পাকিস্তানের জন্য অসম্ভব হতে পারে কিন্তু ভারতের জন্য নয়।‘

    অন্য একজন বলেন, ‘শেষ ২/৩ ওভারে ভারত যেভাবে খুব বেশি বাউন্ডারি দিয়েছে তাতে তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন। আপনি এটিকে নেতিবাচকভাবে নিয়েছেন।‘

    আরেকজন বলেছেন, ‘আপনি তার গতি এবং অভিপ্রায় সম্পর্কে কথা বলছেন? গত বিশ্বকাপ থেকে তার স্ট্রাইক রেট ১৫০-এর বেশি। বডি ল্যাঙ্গুয়েজ না দেখে স্ট্রাইক রেট দেখুন।‘

    আরও নেটিজেনরা কমেন্ট করে বলেছেন…

  • Muslim Population in West Bengal: সীমান্তে মুসলিম জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, কোন পথে এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ?

    Muslim Population in West Bengal: সীমান্তে মুসলিম জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, কোন পথে এগোচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সীমান্ত (Bangladesh Border) বরাবর অঞ্চলে মুসলিম (muslim) জনসংখ্যা (population) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় এই জনসংখ্যা বিস্ফোরণ  রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। নিউ জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, ইসলামপুর, মালদা টাউন, মুর্শিদাবাদ – শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্রই ফুটে উঠছে এই ছবি। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে এখানে ডেরা বাঁধছে প্রচুর মুসলিম। নানান উপায়ে বর্ডার ক্রস করে তারা চলে আসছে এপারে। তারপর কয়েক বছর থাকার পর এখানকারই বাসিন্দা হয়ে যাচ্ছে। কোণঠাসা হয়ে পড়ছে স্থানীয় হিন্দুরা। অনুপ্রবেশের (infiltration) ফলে বদলে যাচ্ছে এলাকায় এলাকায় জনসংখ্যার বাস্তব চিত্র (demography)।

    শুধু কোণঠাসা হয়ে পড়াই নয়, একসময় প্রাণের ভয়ে এখানকার হিন্দুরা চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন কোনও নিরাপদ স্থানে। বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের দৌরাত্ম্যে বাধ্য হয়েই নিজভূমে তাঁরা পরবাসী হয়ে যাচ্ছেন। উদ্বাস্তু হয়ে আসা মুসলিমরা প্রথমে ভাগচাষী হয়ে কাজ শুরু করছে। অনেকে কাজ নিচ্ছে হিন্দু বাড়িতে। তারপর তিন চার বছর যাওয়ার পর অন্য মূর্তি ধারণ করছে । সংখ্যাধিক্যের সুযোগ নিয়ে মনিবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে কসুর করছে না তারা । অশান্তির জেরে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে অনেক হিন্দু পরিবার।  এমনকি জলের দরে বিক্রি করে দিচ্ছে নিজেদের বাস্তু ভিটে, চাষের জমি। 

    এভাবেই ডেমোগ্রাফি (demography) বা জনসংখ্যার স্ট্যাটিসটিক্স বদলে গেছে ঝাড়খন্ডের ৫ জেলায়। গত তিন দশক ধরে সেখানে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে নজিরবিহীন ভাবে। একই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশেও। সেখানে ১৬টি জেলার ডেমোগ্রাফি বদলে গেছে। জনসংখ্যার নিরিখে বিহারের ৮টি জেলায় মুসলিম আধিক্য বেশি হয়ে গেছে। আর অনুপ্রবেশের ফলে পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এরাজ্যের ১৪টি জেলায় অনুপ্রবেশের ফলে জনসংখ্যার পরিসংখ্যান বদলে গেছে। এবং ধীরে ধীরে এই সব এলাকা নানা দেশদ্রোহী  কার্যকলাপের (jihad) আখড়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠছে।   

    আরও পড়ুন: ভারত সফর শুরুর আগেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা হাসিনার গলায়, কেন জানেন?

    বাংলাদেশ লাগোয়া এরাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার বহু গ্রামে এখন মুসলিমদের বাস ৭০ শতাংশ। হিন্দুরা সেখানে মাত্র তিরিশ শতাংশ। গ্রামে বসবাস করলেও অনেক মুসলিমই বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন। সেখানে তৈরি হয়েছে প্রচুর মাদ্রাসা, নার্সিং ও ফার্মা কলেজ। বাংলাদেশ লাগোয়া এই ঝাঁ চকচকে প্রতিষ্ঠানগুলির দিকে তাকালে তাক লেগে যাবে। কোথা থেকে এত টাকা আসছে, তা নিয়ে নজরদারি নেই প্রশাসনের। জানা যাচ্ছে, সীমান্ত লাগোয়া এইসব স্থানে পুলিশ-প্রশাসনেও মুসলিম আধিক্য বেশি। ফলে স্থানীয়দের সঙ্গে প্রশাসনের একটা গোপন আঁতাঁতের অভিযোগ উঠছে বেশ কিছুদিন ধরেই। এমনকি বেশ কিছু মাদ্রাসায় অবৈধ কাজকর্ম চলে বলেও অভিযোগ উঠেছে।  

    এই সব এলাকা থেকে প্রতি বছর ৫০ জন যুবক সৌদি আরবে ধর্মীয় পাঠ পড়তে যান। বেশিরভাগই ইমাম বা বুখারি হয়ে ফিরে আসেন। এখানে মাদ্রাসায় তাঁরা শিক্ষকতা করেন। প্রচার করেন তাঁদের ভাবনা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে টাকা আসে। টাকা আসে সৌদি আরব থেকে। আবার সরকারের সমস্ত সুযোগ সুবিধাও ভোগ করে এই মাদ্রাসাগুলি। 
    এলাকায় গেলেই বোঝা যাবে, মেয়েদের মধ্যে বিজ্ঞান পড়ার ঝোঁক বাড়লেও, মুসলিম যুবকদের মধ্যে উগ্র মৌলবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে। 

    এই উগ্র মৌলবাদী চিন্তাধারা এখানকার অনেক যুবককেই ঠেলে দিচ্ছে দেশদ্রোহিতার পথে। তারা যোগ দিচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে। বিভিন্ন নাশকতার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে তারা। এই মৌলবাদী ভাবধারার পাশাপাশি এক শ্রেণির মুসলিম আটকে আছেন তাঁদের সাবেকি চিন্তাধারা নিয়ে।  অনেক মুসলিমই এখানে দু-তিনটি বিয়ে করেছেন। তাঁদের বহু সন্তান। এক মুসলিম তো বলেই ফেললেন, তাঁদের সমাজে কম সন্তান হওয়া মানে গুণাহ বা অপরাধ। মুসলিম মহিলাদের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা জানাচ্ছেন, এটাই তাঁদের রীতি। ফলে আধুনিক চিন্তাধারা এখানে পৌঁছচ্ছে না। বরং বেশ কিছু মাদ্রাসায় যেভাবে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, সেভাবেই ধ্যান ধারণা তৈরি হচ্ছে  স্থানীয়দের মধ্যে। এভাবেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা। সাহায্য আসছে আরব সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। নিঃশব্দেই বাড়ছে মুসলিম আধিপত্য। আর ক্রমশ অসহায় হয়ে পড়ছেন সীমান্ত লাগোয়া বসবাসকারী অসংখ্য হিন্দু পরিবার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share