Author: সুশান্ত দাশ

  • Dolo 650: চিকিৎসকদের হাজার কোটির উপহার ওষুধ সংস্থার ! শীর্ষ আদালতে জানাল মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সংস্থা 

    Dolo 650: চিকিৎসকদের হাজার কোটির উপহার ওষুধ সংস্থার ! শীর্ষ আদালতে জানাল মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সংস্থা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বর হোক কিংবা ব্যথা আমরা সাধারণত প্যারাসিটামলেই ভরসা রাখি। তবে কোভিড মহামারীর সময়ে যে সব ওষুধগুলি সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল তার মধ্যে ডোলো (Dolo 650) ব্র্যান্ডের প্যারাসিটামল ছিল অন্যতম। তবে এই জনপ্রিয়তা এমনি এমনিই হয়ে যায়নি। এর পিছনে রয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার ‘পিআর স্ট্র্যাটেজি’। ওষুধ সংস্থার তরফ থেকে চিকিৎসকদের দেওয়া হয়েছিল হাজার কোটি টাকার উপহার। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমনটাই জানিয়েছে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সংস্থা।       

    ডোলো ৬৫০ লেখার জন্য চিকিৎসদের বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ আগেই উঠেছিল। এবার তারই সমর্থনে তথ্য পেশ করল ফেডারেশন অফ মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। সংস্থার তরফে আইনজীবী সঞ্জয় পারিখ বলেছেন ডোলো কোম্পানি তাদের ৬৫০ মিলিগ্রাম ফর্মুলেশন বাজারে চালুর জন্য ১০০০ কোটি টাকারও বেশি সুবিধা চিকিৎসকদের দিয়েছে। এব্যাপারে ওই আইনজীবী সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেসের প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেছেন।

    আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    বৃহস্পতিবার (১৮ অগস্ট) এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি এএস বোপান্নার বেঞ্চে। বেঞ্চ এই সমস্যাকে অত্যন্ত ‘গুরুতর বিষয়’ বলে উল্লেখ করে এই বিষয়ে ১০ দিনের মধ্যে কেন্দ্রের জবাব চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 

    ফেডারেশন অফ মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া দেশে বিক্রি হওয়া ওষুধের ফর্মুলেশন এবং দাম নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করেছে। সেখানে ছত্রে ছত্রে উঠে এসেছে উদ্বেগের কথা।

    ডাক্তারদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থআগুলি কীভাবে প্রভাবিত করে, তার উদাহরণ দিতে গিয়ে ‘ফেডারেশন অব মেডিকেল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া’ তাদের আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছে ডোলো-৬৫০ (Dolo-650) নামে এক জ্বরের ট্যাবলেটের কথা। আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, ডাক্তাররা যাতে জ্বরের জন্য এই ওষুধটিই লেখেন, তা নিশ্চিত করতে ডোলো-৬৫০’র নির্মাতারা ডাক্তারদের বিনামূল্যে বিভিন্ন উপহার দেওয়ার পিছনে ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে! বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেওয়ার সময় বলেন, “এটা শুনতে একেবারেই ভাল লাগছে না। এমনকি আমার যখন কোভিড হয়েছিল তখন আমাকেও একই ওষুধ খেতে বলা হয়েছিল। এটি অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন! কিসের ইঙ্গিত উপত্যকায়

    ফেডারেশনের পক্ষে এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী সঞ্জয় পারেখ। তিনি বলেন, “ডোলো সংস্থা ওষুধটির প্রচারের জন্য ডাক্তারদের বিনামূল্যের সুযোগ-সুবিধা দিতে ১০০০ কোটির বেশি বিনিয়োগ করেছে।” তিনি আরও জানান, সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস বা সিবিডিটি, ৯টি রাজ্য জুড়ে থাকা বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক মাইক্রো ল্যাবস লিমিটেডের ৩৬টি প্রাঙ্গনে অভিযান চালিয়ে এই অভিযোগ করেছে। নির্মাতার বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজকর্মের অভিযোগ করেছে সিবিডিটি। তাদের দাবি, ডোলো ৩০০ কোটি টাকার কর ফাঁকি দিয়েছে।

    আবেদনকারী পক্ষ আরও দাবি করেছে, এই ধরনের অনৈতিক কাজের ফলে গ্রাহকরা অত্যাধিক ওষুধ ব্যবহার করার শিকার হন। শুধু তাই নয়, এর ফলে রোগীর স্বাস্থ্যও বিপন্ন হতে পারে। এ ধরনের দুর্নীতি উচ্চমূল্যের বা অযৌক্তিক ওষুধকেও বাজারে ঠেলে দেয়। আবেদনপত্রে আরও বলা হয়েছে, নিয়মের শিথিলতার কারণে, কোভিড মহামারি চলাকালীন ফার্মা সংস্থাগুলি এই ধরনের অনৈতিক কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। শীর্ষ আদালতের কাছে ফার্মাসিউটিক্যাল মার্কেটিং অনুশীলনের বিষয়ে একটি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপনের আবেদন করা হয়েছে। যারা পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা প্রদান করবে এবং এর জন্য ‘ফার্মাসিউটিক্যাল মার্কেটিং ইউনিফর্ম কোড’ কার্যকর করা নিশ্চিত করার আবেদন করা হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।  

  • Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে স্কুলের পাঠ্যসূচি সম্পর্কে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। স্কুলের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী। একথা জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তবে কেন এমন দাবি করলেন তিনি, এই নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে।

    জানা গিয়েছে, খুব কম বয়স থেকেই শিশুরা যাতে দেশের সেনা জওয়ান, তাঁদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে তার জন্যই এই পদক্ষেপ। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের “বীর গাথা” (Veer Gatha) প্রজেক্টে বক্তব্য রাখার সময়েই এই বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “দেশের প্রতি সন্তানদের যাতে খুব কম বয়সেই দায়িত্ববোধ এসে যায় সেই দিকে ভেবেই শিক্ষা মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই আলোচনা করছে। শিশুদের পাঠ্যক্রমে ভারতের সেনা জওয়ানদের বীরত্ব ও গত ৭৫ বছরে ভারতের বীর গাথার কাহিনি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন? জানুন কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বীর গাঁথা প্রজেক্টটি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (‘Azadi Ka Amrit Mahotsav’)-এর একটি অংশ হিসাবে চালু করা প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল দেশের সেনা বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা ও তাদের অনুপ্রাণিত করা। গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আয়োজন করা হয়েছিল ‘বীর গাথা প্রতিযোগিতা’-র। যেখানে দেশের মোট ৪,৭৮৮ টি স্কুল থেকে প্রায় ৮.০৪ লক্ষ পড়ুয়া উৎসাহিত ছিল তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প, বিভিন্ন প্রবন্ধ, কবিতা, ছবি আঁকা এবং মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এদের মধ্যে ২৫ জন পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে ও তাদের “সুপার ২৫” হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। যে সকল পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে তাদের “সুপার সেনা”-র তকমা দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যে, দেশের সেনাদের সম্মানে এই প্রতিযোগিতার নাম পরিবর্তন করে ‘সেনা সুপার ২৫’ করা উচিত। এই অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘বীরগাথা’ প্রতিযোগিতার ২৫ জনকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন।

     

  • Supreme Court: যৌন জীবন নিয়ে প্রশ্ন নয়, নির্যাতিতার প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত নিম্ন আদালতের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: যৌন জীবন নিয়ে প্রশ্ন নয়, নির্যাতিতার প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত নিম্ন আদালতের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণ, যৌন হেনস্থার শিকার এমন নির্যাতিতার জন্য এক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ধর্ষণ, যৌন হেনস্থার মত অনেক ঘটনাই প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে আসে। যাদের সঙ্গে এসব ঘটনা ঘটে, তাদের মধ্যে অনেকেই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারে না সমাজের লোকলজ্জার ভয়ে, চাপে পড়ে। আর যারাও সাহস করে অভিযোগ দায়ের করতে যান, তাদের মধ্যে অনেকেই ন্যায়-বিচার পায় না। এছাড়াও বিচারের আশায় পুলিশ স্টেশন, আদালতে গেলে অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়, যার মুখোমুখি হয়ে উত্তর দেওয়ার মানসিক শক্তি অনেক মহিলারই থাকে না। তাই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, এমন ধরণের ঘটনার ক্ষেত্রে আদালতের অনেক বেশি সংবেদনশীল হওয়া উচিত। বিচার প্রক্রিয়া যাতে আরও সহানুভূতিশীল হয়, তেমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

    এক মামলার শুনানিতে শুক্রবার নিম্ন আদালতগুলিকে বেশ কিছু নির্দেশিকা দিল বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালার ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন ডিভিশন বেঞ্চ থেকে বলা হয়েছে, যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী বা নির্যাতিতার ক্ষেত্রে এই বিচার প্রক্রিয়া যাতে কঠিন না হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে আদালতগুলিকে। ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ধর্ষণের ক্ষেত্রে অনেক সময় পুলিশ এই মামলা সমাধান করতে না পারলে সেক্ষেত্রে আদালতের দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়।

    সুপ্রিম কোর্ট অনুযায়ী, নির্যাতিত বা নির্যাতিতার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা উচিত

    • যেসব মামলার ক্ষেত্রে দরকার একমাত্র সেখানেই ক্যামেরার সামনে বিচার করা যাবে।
    • আদালতকে নিশ্চিত করতে হবে, নির্যাতিতা যাতে কোনও ভাবেই অভিযুক্তকে দেখতে না পান।
    • নির্যাতিতার বয়ান নেওয়ার সময় অভিযুক্তকে আদালত কক্ষের বাইরে বের করে দিতে হবে।
    • নির্যাতিতার যৌনজীবন নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না। কোনও অস্বস্তিকর প্রশ্ন করা যাবে না।
    • যদি কোনও নির্যাতিতা ইতিমধ্যেই আঘাত পেয়ে থাকে, এমন ক্ষেত্রে আদালতের উচিত অভিযোগকারীকে আরও চাপ না দেওয়া এবং তদন্তের জন্য পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মধ্যপ্রদেশের একটি মামলার জেরেই এমন নির্দেশিকা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলায় পুলিশ তেমন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি ও নিম্ন আদালতের তরফেও বলা হয়েছিল, ওই মামলায় যথেষ্ট প্রমাণ নেই। অভিযোগকারিকেই প্রমাণ জোগাড় করতে বলা হয়েছিল। এর পরেই মহিলা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। তারপর সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়েছে যে, যৌন হেনস্থার মতো ঘটনায় প্রমাণ জোগাড় ও তদন্তের ক্ষেত্রে এর দায়ভার পুলিশকেই নিতে হবে।

     

  • Virat – Anushka: বৃষ্টির দিনে মুম্বইয়ের রাস্তায় স্কুটি চালিয়ে ঘুরছেন বিরুষ্কা, কিন্তু চললেন কোথায়?

    Virat – Anushka: বৃষ্টির দিনে মুম্বইয়ের রাস্তায় স্কুটি চালিয়ে ঘুরছেন বিরুষ্কা, কিন্তু চললেন কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের রাস্তায় স্কুটি চেপে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারকা দম্পতি। বৃষ্টির দিনে এমনভাবেই উপভোগ করতে দেখা গেল বিরুষ্কা-কে। তবে এভাবে হঠাৎ স্কুটি নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন আর কোথায় যাচ্ছেন সেই নিয়েই তাঁদের অনুরাগীদের মধ্যে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। স্কুটিতে যাওয়ার সময় দুজনেই পরেছিলেন কালো রংয়ের হেলমেট। তবুও তাদের চিনে নিতে অসুবিধা হয়নি কারোরই। কেউ কেউ আবার তাঁদের চিনতে পেরে ভিডিয়ো তুলে নেন এবং সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

    [insta]https://www.instagram.com/reel/ChezQzZK_cg/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    বিরাট পরেছিলেন সবুজ রংয়ের টি-শার্ট ও কালো প্যান্ড। অন্যদিকে বলি অভিনেত্রী অনুষ্কার পরনে ছিল কালো টি-শার্ট ও কালো প্যান্ড। স্কুটিতে বিরাটকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁরা কোথায় যাচ্ছিলেন পরে সেই ঘটনা জানা যায়। জানা যায়, বিরাট এবং অনুষ্কা একটি বিজ্ঞাপন ফটোশুটের জন্য বেরিয়েছিলেন। সেই সময়ে তাঁরা মুম্বইয়ের বর্ষাকালকে উপভোগ করতে স্কুটিতে করে স্টুডিওতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। আবার সঙ্গে নিয়েছিলেন ছাতাও। প্রিয় মানুষের সঙ্গে কেই না ‘কোয়ালিটি টাইম’ স্পেন্ড করতে চায় না, ফলে এভাবেই বিরাট অনুষ্কা একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য মুম্বইয়ের বৃষ্টি উপভোগ করতে স্কুটিতেই বেরিয়ে পড়লেন।

    আরও পড়ুন: ‘দোবারা’ মুক্তির দিনে কালীঘাটে পুজো, ছবির প্রচারে কলকাতায় তাপসী-পাভেল-একতা

    বলিউড ও ক্রিকেট জগতের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হল বিরাট অনুষ্কা। প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা তাঁদের ছবি শেয়ার করেন। কিছুদিন আগেই একই রকমের জামা পরে ইন্সটাগ্রামে ছবি শেয়ার করেছিলেন তাঁরা। আবার তাঁদের গতকাল এই ভাইরাল ভিডিওতে একসঙ্গে দেখা গেল।

    [insta]https://www.instagram.com/p/Cg1JEDzMsAr/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    প্রসঙ্গত, আগামী ২৭ অগাস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে এশিয়া কাপ। আর আগামী ২৮ অগাস্ট পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেদের অভিযান শুরু করতে চলেছেন বিরাটরা। অন্যদিকে অনুষ্কাও তাঁর আসন্ন ছবি ‘চাকদা  এক্সপ্রেস’ (Chakda Xpress) ছবির জন্য ব্যস্ত আছেন। এই ছবি আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে মুক্তি পেতে চলেছে। 

     

  • Manish Sisodia: সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি, সিবিআইয়ের জেরা ৩ অভিযুক্তকে

    Manish Sisodia: সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি, সিবিআইয়ের জেরা ৩ অভিযুক্তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আবগারি নীতি মামলায় আরও বিপাকে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia)। শুক্রবার তাঁর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই (CBI)। তার পর রবিবার জারি করা হল লুকআউট নোটিশ (Look Out Notice)। তদন্ত চলাকালীন সিসোদিয়া যাতে বিদেশে যেতে না পারেন, সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। কেন্দ্রকে নিশানা করে দিল্লির (Delhi) উপমুখ্যমন্ত্রীর তোপ, সিবিআইয়ের রাজনীতিকরণ হয়েছে। লুকআউট নোটিশ জারির ঘটনাটিকে তিনি নাটক বলেও অভিহিত করেন।

    সিবিআইয়ের তরফে যে এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাতে সবার ওপরের নামটি সিসোদিয়ার। তিনি ছাড়াও ওই তালিকায় নাম রয়েছে আরও ১৪ জনের। অভিযোগ, বেশ কিছু ব্যবসায়ীকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্যই নয়া আবগারি নীতি আনা হয়েছিল। এই নীতি তৈরিতে সরকারের অংশ নন, এমন ব্যক্তিদেরও মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল। বেআইনিভাবে অনেককে টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। এফআইআর অনুযায়ী, সিসোদিয়া কমপক্ষে দু বার কোটি টাকারও বেশি অর্থ পেয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সঙ্গীদের হাত থেকে। বেআইনিভাবে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্যই দেওয়া হয়েছিল ওই টাকা।

    আরও পড়ুন : দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি শাসিত সরকারের অঙ্গুলি হেলনেই চলছে সিবিআই। তিনি বলেন, গেরুয়া পার্টি আবগারি কেলেঙ্কারি নিয়ে চিন্তিত নয়, তারা শঙ্কিত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিয়ে। কারণ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনিই চ্যালেঞ্জ জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে। সরকারকে আক্রমণ করে সিসোদিয়ার ট্যুইট বার্তা, মোদিজি এটা কি গিমিক। আমি দিল্লিতে মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করছি। বলুন, আমার কোথায় আসা উচিত। এদিন অন্য একটি ট্যুইট বার্তায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, সোমবার থেকেই সিসোদিয়াকে নিয়ে গুজরাটে নির্বাচনী প্রচারে যাবেন তিনি। 

    এদিকে, ওই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছে সিবিআই। রেকর্ড করা হচ্ছে তাঁদের বয়ানও। তল্লাশিতে উদ্ধার হওয়া নথিপত্র এবং বৈদ্যুতিন পণ্যগুলিও পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। এই পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ হলেই বাকি অভিযুক্তদেরও তলব করা হবে বলেও সিবিআই সূত্রে খবর। এদিকে, শনিবার একটি মানহানি মামলায় মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উপমুখ্যমন্ত্রী সিসোদিয়া এবং পূর্বতন আপ প্রধান যোগেন্দ্র যাদবকে রেহাই দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। মামলাটি করেছিলেন সুরেন্দর শর্মা নামে এক আইনজীবী।

     

  • Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই হতে পারে কাশ্মীর (Kashmir) সমস্যার সমাধান, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়। ভারতের (India) সঙ্গে স্থায়ী শান্তির সম্পর্ক চায় ইসলামাবাদ (Islamabad)। একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অন্তত এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলার সময় শাহবাজ ওই মন্তব্য করেন।  

    কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাক লড়াই সর্বজনবিদিত। ভারতকে অপদস্থ করতে নানা সময়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীরকে ইস্যু করতে পিছপা হয়নি পাকিস্তান। তবে প্রতিবারই মুখ পুড়েছে চিন-ঘনিষ্ঠ এই দেশের। জম্মু-কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা বারংবার জানিয়ে দিয়েছে ভারত। ভূস্বর্গ নিয়ে ভারত-পাক বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরনো হলেও, নতুন করে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠে ২০১৯ সালে। ওই বছর ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন ইমরান খানের সরকার। পাল্টা জবাব দেয় ভারতও। ইমরান খান সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন শেহবাজ। আর তারপরই তিনি জোর দেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে। পাক অর্থনীতি সংকটের মধ্যে থাকায় জোর দিতে চান দু দেশের বাণিজ্যে, অর্থনীতির উন্নয়নে।

    আরও পড়ুন : পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    কূটনৈতিক মহলের মতে, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে ঘোর আর্থিক সংকটে শাহবাজের দেশ। মুদ্রাস্ফীতির জেরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগাম ছাড়া। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। পরিস্থিতি এতটাই করুণ, যে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও ঋণ দিতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তানকে। এমতাবস্থায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক  গড়ে তুলতে না পারলে, ঘোর বিপদ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই একশো আশি ডিগ্রি ভোলবদল ইসলামাবাদের!

    আরও পড়ুন : একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

  • IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান চায় বায়ুসেনা। পুরনো মিগ সিরিজের বিমানগুলিকে বসিয়ে দিয়ে আধুনিক ফাইটার জেট ব্যবহার করতে আগ্রহী ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের আওতায় ১১৪টি নতুন যুদ্ধবিমান কিনতে চায় বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রক ও বায়ুসেনার সঙ্গে সুখোই-৩০ ও আরও আধুনিক এবং উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান নিয়ে কথা বলতে শীঘ্রই ভারতে আসছে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিরক্ষা শিল্প নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া চুক্তির জন্যই দিল্লি আসার কথা ওই দলের।  

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, অতি দ্রুত ১১৪টি যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিমান নিয়ে চুক্তি করতে বোয়িং, লকহিড মার্টিনের মতো মার্কিন সংস্থা, রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফট এবং সাব-এর মতো সংস্থা আগ্রহী। এই সব সংস্থা এর আগেও মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের (এমএমআরসিএ) টেন্ডারে অংশ নিয়েছে। একাধিক সংস্থা ইতিমধ্যেই নানা ‘অফার’ নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং বায়ুসেনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। রাশিয়া সরকারের সঙ্গেও কয়েক প্রস্ত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে সব প্রস্তাব এবং পরিকল্পনাই খতিয়ে দেখছে সরকার।

    আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের ভারতে আসা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফটের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের কথায়, তাঁরা ভারতের সঙ্গে নয়া চুক্তি করতে আশাবাদী। তাঁরা Sukhoi-30 MKI ফ্লিটের আপগ্রেডেড রূপ নিয়ে কথা বলতে চায়। এই  প্রস্তাবিত আপগ্রেডেড রূপে আরও ভাল রাডার, শক্তিশালী অস্ত্র প্যাকেজ, একটি নতুন ককপিট সিস্টেম-সহ আরও অনেক কিছু রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, সুখোই গোত্রের সব যুদ্ধবিমানই রাশিয়ায় তৈরি। তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী শ্রেণিগুলির অন্যতম হল সুখোই-৩০। ভারতীয় বিমানবাহিনী এই সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানই ব্যবহার করে। এই ফাইটার জেটে রয়েছে ক্যানার্ড নামে অতিরিক্ত দুটি ডানা। এই ক্যানার্ড যুদ্ধবিমানের গতি ও ভারসাম্য দারুণভাবে চালকের নিয়ন্ত্রণে রাখে। থ্রাস্ট-ভেক্টর কন্ট্রোল নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে সুখোই-৩০ বিমানে। সেই ব্যবস্থা বিমানের অভিমুখ নিয়ন্ত্রণে খুব দক্ষ। থ্রাস্ট-ভেক্টরিং-এর সুবাদে কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এত দ্রুত এগিয়ে যায় সুখোই-৩০ যে তাকে তাড়া করা অপেক্ষাকৃত পুরনো দিনের যুদ্ধবিমানের পক্ষে খুব কঠিন।

  • Durga Puja 2022: কলকাতা পুরসভার আপত্তিতে বন্ধের মুখে মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজো

    Durga Puja 2022: কলকাতা পুরসভার আপত্তিতে বন্ধের মুখে মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার নির্দেশে বন্ধের মুখে মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজো। পার্কের নীচে ওয়াটার রিজার্ভারের কাজ হচ্ছিল। তা এখনও শেষ হয়নি। তাই দর্শনার্থীদের ভিড়ের চাপে মাটির নীচে জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই পার্কের পুজোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা পুরসভা। 

    পুজোর প্যান্ডেল অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ২০ আগস্ট পুজো কমিটিকে চিঠি দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগের ডিজি। নোটিসে লেখা মোস্ট আর্জেন্ট। সেখানে জানানো হয়েছে, পার্কের কিছুটা নীচে পুরনো যে জলাধার আছে, তার উপর পুজো প্যান্ডেল তৈরি করা মোটেই সমীচিন নয়। ১১ আগস্ট পুরসভার জল সরবরাহ দফতরের এক ইঞ্জিনিয়র ঘটনাস্থলে যান। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সেখানে পুজো প্যান্ডেলে আপত্তির কথা জানিয়ে আসেন। এরপর ১৩ আগস্ট কাউন্সিলর, বরো চেয়ারম্যান সহ পুরসভার আধিকারিকরা পার্কে গিয়ে পুজো প্যান্ডেল পর্যবেক্ষণ করেন। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ডিজি পার্কের ওই স্থানে পুজো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। পুরসভার বক্তব্য, দুর্গাপুজোর সময় দর্শনার্থীদের ভিড়ে ওই জায়গার ক্ষতি হলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেক্ষেত্রে তার দায় নিতে হবে পুজো কমিটিকেই। 

    আরও পড়ুন: https:জন্মাষ্টমীর ভোরে খুঁটি পুজো ও কাঠামো পুজো বেলুড় মঠে, দুর্গা পুজোর শুভারম্ভ

    পুরসভার চিঠির পরই মাথায় হাত উদ্যোক্তাদের। পার্কে পুজোর জন্য খুঁটি পুজো হয়েছে প্রায় দেড় মাস আগে। তার কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয়েছে প্যান্ডেল তৈরির কাজ। খুঁটি পুজোর সময় হাজির ছিলেন বিধায়ক থেকে কাউন্সিলর। এতদিন পর কেন এই পুজো বন্ধের নোটিস পাঠানো হল, তার কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না মহম্মদ আলি পার্কের ইউথ অ্যাসোসিয়েশন। পুজো কমিটির দাবি, পুলিশের তরফেও প্যান্ডেলের কাজ খতিয়ে দেখা হয়েছিল। তখন প্যান্ডেল বন্ধের ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি। কিন্তু এক মাস পর হঠাৎ কেন এই চিঠি, কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা। এখন পুজো সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কোথায় করবেন, তা নিয়েও দ্বিধান্বিত তাঁরা। তাই মধ্য কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যশালী এই মহম্মদ আলি পার্কের পুজো এবছর হবে কিনা তা নিয়েই চরম অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। 

     

     

     

  • Weather Forecast: নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে রূপ নিচ্ছে সাইক্লোনের, আপনার জেলাতেও কি আছড়ে পড়বে ঝড়?

    Weather Forecast: নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে রূপ নিচ্ছে সাইক্লোনের, আপনার জেলাতেও কি আছড়ে পড়বে ঝড়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে নিম্নচাপ, অন্যদিকে আবার ঘূর্ণাবর্ত। দুয়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টিপাতের (Heavy Rainfall) সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Forecast) জানিয়েছে শুক্রবার শহরের আকাশ দিনভর মেঘলা থাকবে। জেলায় বাড়বে বৃষ্টিপাত। ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।  

    পর পর ২ দফায় নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টিতে ভিজেছে জেলা, শহর। ফের আবারও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে। তার সঙ্গে মায়ানমার থেকে আসছে ঘূর্ণাবর্ত। দুয়ের প্রভাবে আগামী ২ দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট বাড়বে। শুক্রবার থেকেই আকাশের মুখ ভার। শনিবার থেকে বর্ষার দাপট আরো বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। 

    আরও পড়ুন: ভারত, চিন, রাশিয়া সামরিক মহড়া! কী ভাবছে আন্তর্জাতিক মহল

    বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা বেড়েছে। তারপরেই রাতের দিকে হালকা বৃষ্টিও হয়েছে। আজ সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। মাঝে মধ্যেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে। নিম্নচাপের প্রভাবে জেলাগুলিতে বৃষ্টি হলেও শহর কলকাতায় বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। শহরের আকাশ মূলত  মেঘলা থাকবে। মাঝে মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গরম থেকে এখনই রেহাই মিলবে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য থাকার জন্য বাড়বে অস্বস্তিও। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। 

    শুক্রবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। শনিবার বৃষ্টিপাত হবে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল থাকবে সমুদ্র। ঝোড়ো হাওয়ার বইবে উপকূলের জেলাগুলিতে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলায়।

    আরও পড়ুন: সীমান্তে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন! কিসের ইঙ্গিত উপত্যকায়

    উত্তরবঙ্গের জেলা গুলিতে তেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। নিম্নচাপের সেভাবে তেমন কোনও প্রভাব পড়বে না। তাপমাত্রাতেও খুব বেশি হেরফের হবে না। দিনের দিকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। শুক্রবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও এবার বর্ষার ঘাটতি রয়েছে। 

    এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে ওড়িশার একাধিক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই ওড়িশার কেওনঝড়, ময়ূরভঞ্জে অতি ভারী থেকে প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে খুরদা, পুরী সহ সাতটি জেলায়। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কটক, জগৎসিংপুর, সম্বলপুরসহ ১৪টি জেলায়। শনিবারও ওড়িশার সাত-আটটি জেলায় অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।  

     

  • Independence Day Wish: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে মহাকাশ থেকে এল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা! দেখুন সেই ভিডিও

    Independence Day Wish: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে মহাকাশ থেকে এল স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা! দেখুন সেই ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে মহাকাশ (Space) থেকেও এল স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) আগাম শুভেচ্ছা! এই শুভেচ্ছা এসেছে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (International Space Station) বা আইএসএসের (ISS) থেকে। শুভেচ্ছা বার্তার সেই ভিডিয়ো নিজেদের ট্যুইটার (Twitter) থেকে পোস্ট করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (Indian Space Research Organization) বা ‘ইসরো’ (ISRO)। এর পাশাপাশি ‘ইসরো’-র (ISRO) তরফেও ট্যুইট (Tweet) করে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে আইএসএস-কে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    ইতালির মহাকাশচারী সামান্থা ক্রিস্টোফোরেত্তি (Italian astronaut Samantha Cristoforetti) ভারতের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে মহাকাশ থেকেই ভারতের জন্য এই শুভেচ্ছাবার্তাটি পাঠিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ইসরো কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার আরও উন্নতি এবং সফলতা কামনা করেছেন তিনি। আবার ২০২৩ সালে ভারতের ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের  ‘গগনযান’ (Gaganyaan) মিশন যেন সফল হয় সেই কথাও জানিয়েছেন সামান্থা। ভিডিওতে তিনি আইএসএ, নাসা এবং অন্যান্য সমস্ত আন্তর্জাতিক পার্টনারদের পক্ষ থেকেও ইসরোকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, তাঁদের লক্ষ্য হল ইসরোর সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক স্থাপন করে একসঙ্গে মহাকাশের বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে যাওয়া। এই ভিডিওটি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তরঞ্জিত সিং সাধুও শেয়ার করেছেন। তিনি এই ভিডিওটি ভারতের মহাকাশ গবেষণার জনক, বিক্রম সারাভাইয়ের জন্মবার্ষিকীতে ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন।

    [tw]


    [/tw]

    এই এক মিনিট তেরো সেকেন্ডের ভিডিওতে সামান্থা পৃথিবীর উপর পর্যবেক্ষণ করার মিশনে ইসরো এবং নাসার একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলছেন। আবার মহাকাশ গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থা যে ইসরোর সঙ্গে পার্টনারশিপ বাড়াচ্ছে, সে কথাও জানা গিয়েছে এই ভিডিও-এর মাধ্যমে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং গত মাসেই জানিয়েছেন, ‘গগনযান’-এর প্রস্তুতি সম্পূর্ণ এবং পরের বছরেই মহাকাশে মানুষ পাঠানো হবে। এই মিশনের আগে দুটো ট্রায়াল করা হবে, যার মধ্যে প্রথম ট্রায়ালে কোনও মানুষ থাকবে না, দ্বিতীয়টায় মহিলা রোবট পাঠানো হবে যার নাম ‘ব্যোমমিত্রা’ (Vyommitra)। এই ট্রায়াল সফল হলেই ফাইনাল মিশনে ভারতীয় মহাকাশচারীরা মহাকাশের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবেন। ২০২৩ সালে ইসরোর এই গগনযান মিশন যদি সফল হয়, তবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর ভারতের নাম যুক্ত হবে।

     

     

LinkedIn
Share