Author: user

  • Vistara: বিমানে মুফতে ওয়াইফাইয়ের সুযোগ দিচ্ছে ভিস্তারা, কেন জানেন?

    Vistara: বিমানে মুফতে ওয়াইফাইয়ের সুযোগ দিচ্ছে ভিস্তারা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের উপহার দেবে বিমান সংস্থা ভিস্তারা (Vistara)। শনিবার এই উড়ান সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে আন্তর্জাতিক উড়ানে নিখরচায় ২০ মিনিটের জন্য ওয়াইফাই (Free WIFI) পরিষেবার সুযোগ পাবেন যাত্রীরা। অবশ্য ক্লাব ভিস্তারা সদস্য হলে গোটা যাত্রাপথেই পাবেন এই সুবিধা। ভিস্তারার এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কোনও উড়ানে এই প্রথম।

    ভিস্তারার যৌথ উদ্যোগ (Vistara)

    ভিস্তারা টাটা-সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের যৌথ উদ্যোগ। সংস্থার তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০ মিনিটের এই ওয়াইফাই পরিষেবা সমস্ত কেবিনের সব যাত্রীই পাবেন। প্রথম কোনও ভারতীয় বিমান সংস্থার তরফে এমন অফার দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। যাঁরা ভারতীয় ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে ওয়াইফাই প্ল্যান কিনতে চান, তাঁরাও সুযোগ পাবেন। আমরা আত্মবিশ্বাসী যাত্রীরা এই নয়া অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানাবেন, যা তাঁদের ভিস্তারা যাত্রাকে আরও সুন্দর, সহজ, সৃষ্টিশীল করে তুলবে।”

    ভিস্তারা এয়ারলাইন্সের বহর

    এই এয়ারলাইন্সে (Vistara) ৭০টি এয়ারক্র্যাফ্ট রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি এয়ারবাস এ৩২০এনইও, ১০ এয়ারবাস এ৩২১ এনইও এবং ৭টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এয়ারক্র্যাফ্ট রয়েছে। মুফতের সময়টুকু বাদ দিয়ে যারা গোটা উড়ানেই চ্যাট করতে চান, তাঁদের অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। জিএসটি ছাড়া তাঁদের দিতে হবে ৩৭২.৭৪ টাকা। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক মেসেঞ্জারে চ্যাট করার আনলিমিটেড ডেটা পাবেন তাঁরা। অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অডিও এবং ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য জিএসটি ছাড়া দিতে হবে ১৫৭৭.৫৪ পয়সা। যাঁরা বিঘ্নহীনভাবে স্ট্রিমিং করতে আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে চান, তাঁদের দিতে হবে ২৭০৭.০৪ টাকা। এর সঙ্গে দিতে হবে জিএসটি।

    আরও পড়ুন: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    ভিস্তারার চিফ কমার্সিয়াল অফিসার দীপক রাজাওয়াত বলেন, “যাত্রীরা আমাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে বলেই আশাবাদী আমরা। এতে তাঁদের ভিস্তারা জার্নি অনেক বেশি আরামদায়, সৃজনশীল এবং বিঘ্নহীন হবে।” উড়ান সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ৫০ এমবি কমপ্লিমেন্টারি ওয়াইফাই (Free WIFI) দেওয়া হবে বিজনেস ক্লাসে। প্ল্যাটিনাম ভিস্তারা ক্লাবের সদস্যরাও এই সুবিধা পাবেন (Vistara)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Lallas Idol: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    Ram Lallas Idol: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। এবার সেই বিগ্রহের ছবি (Ram Lallas Idol) সম্বলিত একটি স্ট্যাপ প্রকাশ করল লাওস। শনিবার এই স্ট্যাম্প প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের (India Laos Relation) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বিশ্বে প্রথম এই জাতীয় স্ট্যাম্প তৈরি হল।

    রামলালার ছবি সম্বলিত স্ট্যাপ প্রকাশ (Ram Lallas Idol)

    এশিয়ান মেকানিজম মিটিংয়ে যোগ দিতে তিনদিনের লাওস সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে এ সংক্রান্ত ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সে দেশের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রী। বিশেষ স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করেন তাঁরা। এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লিখেছেন, “ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভালো বৈঠক হয়েছে। উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। ১০টি ক্যুইক ইমপ্যাক্ট প্রজেক্টস স্বাক্ষরিত হয়েছে। মেকং গঙ্গা কো-অপারেশন এবং সাকশেসফুল ডিজিটাল কো-অপারেশন শেয়ারিংয়ের অধীনে এই চুক্তি হয়েছে। একটি বিশেষ স্ট্যাম্পও (Ram Lallas Idol) লঞ্চ করা হয়েছে। রামায়ণ ও বৌদ্ধধর্মের যে সাংস্কৃতিক সম্পদ আমাদের রয়েছে, তা শেয়ার সেলিব্রেট করতেই এই স্ট্যাম্প প্রকাশ করা হয়েছে।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    এক্স হ্যান্ডেলে গুচ্ছ পোস্ট করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “লাওসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়েছে। বৈঠকে সাইবার স্ক্যাম সেন্টারগুলো থেকে ভারতীয় নাগরিকদের পাচার করার বিষয়টিও ওঠে। লাও পিডিআর-এর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ট্রাফিকিংয়ের বিষয়টি তুলেছিলাম। লাও পিডিআর সরকার যেভাবে আমদের নাগরিকদের উদ্ধার করছে এবং ত্রাণসামগ্রী বিলি করছে, তাকে সাধুবাদ জানাই। তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    শনিবার জয়শঙ্কর বৈঠক করেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী স্যালুউম্যাক্সে কোম্মাসিথের সঙ্গে। সেখানেই (Ram Lallas Idol) স্বাক্ষরিত হয় মউ। জানা গিয়েছে, এমজিসি-র অধীনে যে চারটি মৌলিক সহযোগিতার বিষয়ে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পর্যটন, সংস্কৃতি, শিক্ষা, পরিবহণ ও যোগাযোগ। স্বাস্থ্য এবং ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন নিয়েও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কৃষি এবং সহযোগী ক্ষেত্র, ছোটো এবং মাঝারি উদ্যোগ, ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (India Laos Relation), বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি, স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং নিয়েও চুক্তি হয়েছে (Ram Lallas Idol)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    Kalyani: কল্যাণী গান্ধি হাসপাতালে নিরাপত্তারক্ষীদের ‘দাদাগিরি’! রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা রক্ষীদের ‘দাদাগিরি’। যার জেরে রক্ত ঝরল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়া জেলার কল্যাণী (Kalyani) গান্ধি মেমোরিয়াল হাসপাতালে। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কল্যানীর ওই হাসপাতালের কর্মী ও নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত সরকারি আধিকারিকের নাম সুশান্তকুমার বালা। তিনি উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সুশান্তবাবুর বাড়ি নদিয়ার তেহট্টে। শুক্রবার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের ভাই উকিল বালাকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সুশান্তবাবু অসুস্থ ভাইকে দেখতে  হাসপাতালে যান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। কিন্তু, তাঁদের হাসপাতালের গেটেই আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। আর হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। এরপর সুশান্তবাবুর এক আত্মীয়কে ধরে হাসপাতালের গ্রুপ-ডি কর্মীরা মারধর করেন। ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তাঁকেও মারধর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ আধিকারিকরা। হাসপাতাল থেকে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করা হয়।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    আক্রান্ত সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    হাসপাতালে (Kalyani) নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে মার খাওয়ার পর আক্রান্ত সুশান্তবাবু বলেন,  ভাই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা শুধু ভাইকে দেখতে চেয়েছিলাম। ওরা এভাবে রক্তপাত করল। আমি জখম হয়েছি। যা বলার পুলিশ-প্রশাসনকে বলব। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হাসপাতালে ঢোকা নিয়ে বচসা হচ্ছিল। আচমকাই মারধর করা শুরু হয়ে যায়। তবে, হাসপাতালের (Hospital) মধ্যে এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

    নিরাপত্তারক্ষীরা কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতালে (Hospital)  নিরাপত্তারক্ষীদের বক্তব্য, রোগী দেখার সময় ওরা আসেনি। ওরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করছিল। আমরা বাধা দিয়েছি। কোনও হামলা করিনি। ওরা মারধর করেছে। কারও গায়ে আমরা হাত দিইনি। হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    Lithium: ১৬০০ টন লিথিয়ামের সন্ধান মিলল কর্নাটকে, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৬০০ টন লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান পাওয়া গিয়েছে কর্নাটকে। অ্যাটমিক মিনারেল ডিরেক্টরেট ফর এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এএমডি)-এর পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট, এই রাজ্যের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় বিরাট মাত্রায় খনিজ লিথিয়ামের উপস্থিতি আবিষ্কার করেছে। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং ভূ-বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় লিথিয়াম সম্পর্কে এই তথ্য জানিয়েছেন। লিথিয়াম এমন ধাতু, বিশ্বব্যাপী যার চাহিদা এই মুহূর্তে সর্বাধিক। সেই প্রেক্ষিতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  

    ঠিক কী বলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Lithium)?

    এএমডি পারমাণবিক শক্তি বিভাগের একটি ইউনিট প্রাথমিক ভাবে সমীক্ষা করেছে। এরপর সংস্থার তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। আর তাতেই ভূ-গর্ভের নিচে থাকা এই প্রাকৃতিক খনিজ লিথিয়াম (Lithium)-এর বিপুল পরিমাণে থাকার কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই কথা জানিয়ে বলেছেন, “কর্নাটকের মান্ডা এবং ইয়াদগিরি জেলায় লিথিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এএমডি সক্রিয়ভাবে ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলা সহ ভারতের অন্যান্য অংশেও লিথিয়ামের সম্ভাব্য উপস্থিতির অনুসন্ধানের কাজ করছিল। রাজস্থান, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান অভ্র সমৃদ্ধ অঞ্চল এবং ওড়িশা, ছত্তিশগড়, কর্নাটকের আগ্নেয়শিলা যুক্ত অঞ্চলে লিথিয়াম খনিজ দ্রব্যের সন্ধান চালানো হচ্ছিল। তাতেই মিলেছে সাফল্য।” এর আগে, এএমডি হিমাচল প্রদেশে একটি প্রাথমিক সমীক্ষা করে হামিরপুর জেলার মাসানবলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচে ইউরেনিয়ামের উপস্থিতিকে শনাক্ত করেছে। তিনি আরও বলেছেন, “ছোট মডুলার পরমাণু চুল্লি নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে কেন্দ্রের পারমাণবিক শক্তি বিভাগ। ভারত এবং রুশ সরকার ক্ষুদ্র মডুলার চুল্লির ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে। একই ভাবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সম্প্রসারণে দুই দেশ পরস্পরের কাছে বদ্ধপরিকর থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত হল নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল, মেধা তালিকার প্রথমে বাংলার পড়ুয়াও

    ১৮১৭ সালে আবিষ্কার হয়েছিল লিথিয়াম

    লিথিয়াম খনিজ উপাদানটি প্রথম ১৮১৭ সালে জোহান অগাস্ট আরফভেডসন আবিষ্কার করেছিলেন। লিথিয়াম (Lithium) শব্দটি গ্রীক ভাষায় লিথোস থেকে এসেছে, যার অর্থ পাথর। সর্বনিম্ন ঘনত্বের ধাতু, লিথিয়াম। জলের সঙ্গে জোরালোভাবে বিক্রিয়া করে এই ধাতু এবং প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিষাক্ত। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে লিথিয়াম ব্যবহার করা হয় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ও ইলেকট্রিক ডিভাইসের রিচার্জেবল ব্যাটারিতে। এ ছাড়া হার্ট পেসমেকার, খেলনা, ঘড়ি ইত্যাদিতে নন-রিচার্জেবল ব্যাটারি হিসেবে লিথিয়াম ব্যবহৃত হয়। লিথিয়ামকে অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে সংকর ধাতু হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gautam Gambhir: শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে দ্রাবিড়ের বার্তা গম্ভীরকে, কী বললেন জানেন?

    Gautam Gambhir: শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে দ্রাবিড়ের বার্তা গম্ভীরকে, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার শুরু হচ্ছে শ্রীলঙ্কা সিরিজ (Sri Lanka Series)। ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়। সেই দায়িত্বই বর্তেছে গম্ভীরের ওপর। শ্রীলঙ্কা সিরিজ শুরুর আগে দ্রাবিড়ের কাছ থেকে বিশেষ বার্তা পেলেন বর্তমান কোচ গম্ভীর।

    ভিডিও বার্তা (Gautam Gambhir)

    বিসিসিআইয়ের তরফে এই বার্তার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দ্রাবিড়কে বর্তমান কোচের উদ্দেশে বলতে শোনা যাচ্ছে, “ক্রিকেট দুনিয়ার সব চেয়ে উত্তেজক দায়িত্ব ভারতের কোচ হওয়া। সেই কাজে তোমায় স্বাগত। তিন সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে আমি দায়িত্ব ছেড়েছি। যেভাবে শেষটা হয়েছে, তা স্বপ্নের মতো। সেটা বার্বাডোজ হোক কিংবা মুম্বইয়ে। সেই মুহূর্তগুলো আমি কোনওদিন ভুলতে পারব না। আমি চাইব, কোচ হিসেবে তুমিও এই স্বাদ পাও। আশা করব, তোমার দলের সব ক্রিকেটার সুস্থ থাকবে। সব সময় তুমি তাদের পাবে। কোচদের কিছুটা ভাগ্যের সাহায্য প্রয়োজন হয়। আশা করি, তুমি সেটা পাবে।”

    অগ্নিপরীক্ষা

    দ্রাবিড়ের রেখে যাওয়া জুতোয় পা গলিয়েছেন গম্ভীর (Gautam Gambhir)। তাই এটা তাঁর অগ্নিপরীক্ষা। পরীক্ষা নয়া টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবেরও। গম্ভীরের উদ্দেশে দ্রাবিড়কে আরও বলতে শোনা যায়, “ব্যাট করার সময় তোমায় সঙ্গী হিসেবে দেখেছি, ফিল্ডার হিসেবে দেখেছি। তুমি সব সময় জয়ের জন্য ঝাঁপাতে। আইপিএলেও তোমার হার না মানার মানসিকতা দেখেছি। তোমার মধ্যে জেতার খিদে রয়েছে। তরুণ ক্রিকেটারদের মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে নিয়ে আসার ক্ষমতাও রয়েছে। প্রত্যাশার চাপ থাকবে। সমালোচিতও হবে। কিন্তু তুমি কখনওই একা থাকবে না। ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, প্রাক্তন অধিনায়ক, ম্যানেজমেন্ট তোমার পাশে থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে ভারতের সমর্থকরা।”

    আরও পড়ুন: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    এদিকে, আজ, সিরিজ শুরুর আগে অনুশীলন সেশনে অংশ নেয় টিম ইন্ডিয়া। এই সময় হার্দিক পান্ডিয়াকে দেখা গেল স্পিন বোলিং করতে। তাঁকে পেসারের ভূমিকায়ই দেখতে অভ্যস্ত ক্রিকেটপ্রেমীরা (Sri Lanka Series)। বস্তুত, বোলিং অ্যাকশনটাকেই বদলে ফেলেছেন গম্ভীর (Gautam Gambhir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET-UG 2024: প্রকাশিত হল নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল, মেধা তালিকার প্রথমে বাংলার পড়ুয়াও

    NEET-UG 2024: প্রকাশিত হল নিট-ইউজির সংশোধিত ফলাফল, মেধা তালিকার প্রথমে বাংলার পড়ুয়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ স্নাতক স্তরে সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি-র (NEET-UG 2024) সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে মেধা তালিকাও প্রকাশিত হয়েছে। এই মেধা তালিকায় (Merit list) প্রথম স্থান অধিকার করেছে একসঙ্গে ১৭ জন। উল্লেখ্য তাঁদের মধ্যে একজন বাংলার পড়ুয়াও রয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর হল ৭২০।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রথম স্থানে অর্ঘ্যদীপ (NEET-UG 2024)

    শুক্রবার এনটিএ প্রকাশিত ফলাফলে জানা গিয়েছে, প্রথম স্থান অধিকারীদের মধ্যে রয়েছেন রাজস্থানের ৪ জন, মহারাষ্ট্রের ৩ জন, দিল্লি-উত্তর প্রদেশের ২ জন করে, তামিলনাড়ু, কেরল, পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, বিহারের ১ জন করে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রথম স্থানে রয়েছেন অর্ঘ্যদীপ দত্ত। ওয়েব সাইট থেকে এই সংশোধিত ফল দেখা যাবে। উল্লেখ্য আগে যে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে দেখা গিয়েছিল প্রথম স্থানে ছিলেন ৬১ জন। এরপর থেকেই ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছিল। পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠে এবং মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে।

    পুরোপুরি বাতিলের পক্ষে ছিল না সুপ্রিম কোর্ট

    গত ৫ মে সারা দেশব্যাপী নিট-ইউজি (NEET-UG 2024) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২৪ লক্ষের বেশি পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে দেশ ব্যাপী শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এই অবস্থায় ২০২৪ সালে নিট-ইউজি বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। গত মঙ্গলবার এই মামলার রায় দেন প্রধান বিচারপতি ডিওইয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “২০২৪ সালের নিট-ইউজি পুরোপুরি বাতিলের পক্ষে নয় সুপ্রিম কোর্ট।” এরপর এনটিএ সংশোধিত ফলাফল (Merit list) প্রকাশে উদ্যোগী হয়।

    আরও পড়ুনঃ অমরনাথ যাত্রায় হামলার ছক, এবার খালিস্তানিদের ময়দানে নামাচ্ছে পাকিস্তান

    কীভাবে দেখবেন এই নিটের ফালাফল?

    নিচের চারটি ধাপে ক্লিক করলেই রেজাল্ট (NEET-UG 2024)  দেখা যাবে।

    ১) প্রথমে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট exams.nta.ac.in/NEET-তে যেতে হবে।

    ২) এরপর হোমপেজের উপরের দিকেই ‘LATEST NEWS’ আছে। তার মধ্যে আছে ‘Click Here for Revised Score Card’। তাতে ক্লিক করতে হবে।

    ৩) এরপর নতুন একটি পেজ খুলে যাবে। সেই পেজের উপরের দিকেই আছে ‘NEET 2024 Revised Score Card Link’। সেটার নীচেই আছে ‘Click here for NEET 2024 Revised Score Card’। তাতে ক্লিক করতে হবে।

    ৪) তারপর সেখানে নিজের অ্যাপ্লিকেশন নম্বর, জন্মতারিখ, ইমেল আইডি বা মোবাইল নম্বর এবং সিকিউরিটি পিন দিয়ে সাবমিট করতে হবে। তাহলে স্ক্রিনে সংশোধিত রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষার একী হাল! শিক্ষক নয়, স্কুলে ক্লাস নিচ্ছে পড়ুয়ারা

    Malda: তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষার একী হাল! শিক্ষক নয়, স্কুলে ক্লাস নিচ্ছে পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকে প্রশাসনের নজর নেই। একজন শিক্ষকেই চলছে স্কুল। বাধ্য হয়ে স্কুলের ছাত্ররাই ক্লাস নিচ্ছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের গাংনদিয়া বাংরুয়া মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র। তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষার এই হাল দেখে সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করছেন। 

    কবে চালু হয়েছিল এই স্কুল? (Malda)

    ২০০১ সাল নাগাদ মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গাংনদিয়া (Malda) বাংরুয়া মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের পথ চলা শুরু। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয় স্কুলটিতে। ২০০৩ সালে সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর দু’জন শিক্ষকের বেতন চালু হয়েছিল। তারপর ধাপে ধাপে ছ’জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয়েছিল। এরমধ্যে এক শিক্ষক মারা গিয়েছেন। বাকি চার জন শিক্ষক পর পর অবসর নিয়েছেন। ২০২২ সাল থেকে আর কোনও শিক্ষক নিয়োগ হয়নি এই প্রতিষ্ঠানে। ২০২২ সাল থেকে সেখানে মাত্র একজন শিক্ষক রয়েছেন। তিনিই প্রধান শিক্ষক, তিনিই ক্লাস নেন, তিনিই স্কুল পরিচালনা করেন, তিনিই মিড ডে মিলে তদারকি করেন। কারণ, স্কুলে (School) কোনও কর্মীও নেই! পড়ুয়া সংখ্যা ৮১। এই অবস্থায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা নিচু শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এ ভাবে চলতে থাকলে অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে শিক্ষাকেন্দ্রটি।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    প্রধান শিক্ষক কী সাফাই দিলেন?

    স্কুলের (School) প্রধান শিক্ষক রাহানুল হক বলেন, আমি ক্লাস নেব, না কি মিড ডে মিলের তদারকি করব, সেটাই বুঝে উঠতে পারি না। আমাকে পড়ানোর পাশাপাশি সমস্ত কাজ করতে হয়। স্কুলে খাতায়কলমে ৮১ জন পড়ুয়া থাকলেও নিয়মিত আসে ৩০-৩৫ জন। শিক্ষক চেয়ে ব্লক, জেলা এবং রাজ্য শিক্ষা দফতরে আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও সাড়া পাইনি। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে নিচু শ্রেণির পড়ুয়াদের পড়ানোর ব্যবস্থা করেছি।

    অভিভাবকরা কী বললেন?

    অভিভাবকরা বলেন, এই স্কুলে পরিকাঠামো থাকলে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী হত। কিন্তু, প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। স্কুলে ঠিকমতো ক্লাস হয় না। বহুবার শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। এভাবে চলতে থাকলে স্কুলটি উঠে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “কাজ করতে দিচ্ছেন না জেলাশাসক”, বিধানসভায় অবস্থানে বসার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

    Siliguri: “কাজ করতে দিচ্ছেন না জেলাশাসক”, বিধানসভায় অবস্থানে বসার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধায়ক হিসেবে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করতে চান। কিন্তু, পারছেন না। বিধায়ক তহবিলের টাকা খরচ করতে বাধা দিচ্ছে প্রশাসন। তৃণমূল সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিধানসভার অভ্যন্তরে অবস্থানে বসার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায়ক তথা বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষ।

    ঠিক কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? (Siliguri)

    শনিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) জার্নালিস্ট ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে করে  বিজেপি বিধায়ক বলেন, নিজের বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬০টি প্রকল্প দিয়েছি। তারমধ্যে মাত্র আটটি প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হলেও সেই কাজ নানা টালবাহানা আটকে রেখেছেন জেলাশাসক। বাকি প্রকল্পগুলি ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি কোনও টাকা ছাড়ছেন না। এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করতে দিচ্ছেন না জেলাশাসক। এতে সাধারণ মানুষের কাছে বিধায়ক হিসেবে আমার সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। জেলাশাসক তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের খুশি রাখতে চাইছেন। তাই শিলিগুড়িতে আসেন শুধু শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের কর্মসুচিতে যোগ দিতে। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, আমি বিধায়ক হয়েও তার সঙ্গে দেখা করতে পারি না। মনে রাখতে হবে, আজ না হোক কাল সরকার পরিবর্তন হবে। আমরা ক্ষমতায় আসব। তখন কাউকে ছাড়ব না।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

     জমি কাণ্ড নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নাটক করছেন

     বিধায়ক (BJP) শঙ্কর ঘোষ বলেন, সরকারি জমি উদ্ধারের নামে গজলডোবা রিসর্ট ভাঙ্গা থেকে শুরু করে ফুলবাড়ির জমি কাণ্ডে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার, পুরোটাই নাটক করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চা বাগানের (Siliguri) লিজ নেওয়া জমি দখল করে দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের চেয়ারম্যান মেয়ের নামে ফ্ল্যাট বানিয়েছেন। জেলাশাসক থেকে শুরু করে বিধানসভা সর্বত্র অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও সেই অবৈধ নির্মাণ ভাঙ্গার ব্যাপারে জেলাশাসক কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না।  আগামী সোমবার  বিধানসভার অধিবেশন শুরু হবে। সেখানে আমি স্পিকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এরকম আরও অনেক দুর্নীতি নিয়ে চিঠি দেব। রাজ্য সরকার কোনও ব্যবস্থা না নিলে আমি বিধানসভার অভ্যন্তরে অবস্থানে বসব।

    জলপাইগুড়ির জেলাশাসকের বিরুদ্ধে সরব

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক আরও বলেন, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা সহ জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের গজলডোবা অন্যান্য জায়গায় জমি দুর্নীতি নিয়ে আমি জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তাঁর দফতরের সামনে আমাকে ৫০ মিনিট বসিয়ে রাখার পর আমার সঙ্গে দেখা না করে বেরিয়ে যান। বলেন, পূর্ব নির্ধারিত অন্য কর্মসূচি রয়েছে, সেখানে তাঁকে যেতে হবে। তা জেনেও  আমাকে তিনি ৫০ মিনিট  বসিয়ে রেখেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী যেমন  নাটক করবেন সেভাবেই চলবেন আমলারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 88: “কারু ভিতর ক্ষীরের পোর, কারু ভিতর নারিকেলের ছাঁই, কারু ভিতর কলায়ের পোর”

    Ramakrishna 88: “কারু ভিতর ক্ষীরের পোর, কারু ভিতর নারিকেলের ছাঁই, কারু ভিতর কলায়ের পোর”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ  কথোপকথন

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    সংনিয়ম্যেন্দ্রিনিদ্রয়গ্রামং সর্বত্র সমবুদ্ধয়ঃ।

    তে প্রাপনুবন্তি মামেব সর্বভূতিহিতে রতাঃ।।

    গীতা- ১২/৪/

    শ্রীযুক্ত কেশব সেনের সহিত নৌকাবিহার—সর্বভূতহিতে রতাঃ

    ভাট পড়িয়াছে। আগ্নেয়পোত কলিকাতাভিমুখে দ্রুতিগতিতে চলিতেছে। তাই পোল পার হইয়া কোম্পানির বাগানের দিকে আরও খানিকটা বেড়াইয়া আসিতে কাপ্তেনকে হুকুম (Kathamrita) হইয়াছে। কতদূর জাহাজ গিয়াছিল, অনেকেরই জ্ঞান নাই—তাঁহার মগ্ন হইয়া শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) কথা শুনিতেছেন। কোন দিক দিয়া সময় যাইতেছে, হুঁশ নাই।

    এইবার মুড়ি নারকেল খাওয়া হইতেছে। সকলেই কিছু কিছু কোঁচড়ে লইলেন ও খাইতেছেন। আনন্দের হাট। কেশব মুড়ি আয়োজন করে এনেছেন। এই অবসরে ঠাকুর দেখিলেন বিজয় ও কেশব দুইজনেই সঙ্কুচিতভাবে বসিয়া আছেন। তখন ঠাকুর যেন দুইজন অবোধ ছেলেকে ভাব করিয়া দিবেন। সর্বভূতহিতে রতাঃ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (কেশবের প্রতি)—ওগো! এই বিজয় এসেছেন। তোমাদের ঝগড়া-বিবাদ—যেন শিব ও রামের যুদ্ধ। (হাস্য) রামের গুরু শিব। যুদ্ধও হল, দুজনে ভাবও হল। কিন্তু শিবের ভূতপ্রেতগুলো আর রামের বানরগুলো ওদের ঝগড়া কিচকিচ আর মেটে না! (উচ্চ হাস্য)

    আপনার লোক তা এরূপ থাকে। লব কুশ জে রামের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। আবার জানো মায়ে-ঝিয়ে আলাদা মঙ্গলবার করে। মার মঙ্গল, আর মেয়ের মঙ্গল যেন দুটো আলাদা। কিন্তু এর মঙ্গলে ওর মঙ্গল হয়, ওর মঙ্গলে এর মঙ্গল হয়। তেমনি তোমাদের এর একটি সমাজ আছে। আবার ওর একটি দরকার। (সকলের হাস্য) তবে এ-সব চাই। যদি বল ভগবান নিজে লীলা (Kathamrita) করেছেন, সেখানে জটিলে-কুটিলে কি দরকার? জটিলে-কুটিলে না থাকলে লীলা পোষ্টাই হয় না! (সকলের হাস্য) জটিলে-কুটিলে না থাকলে রগড় হয় না। (উচ্চহাস্য)

    রামানুজ বিশিষ্টাদ্বৈতবাদী। তাঁর গুরু ছিলেন অদ্বৈত্যবাদী। শেষে দুজনে অমিল। গুরুশিষ্য (Ramakrishna) পরস্পর মত খণ্ডন করতে লাগল। এরূপ হয়েই থাকে। যাই হোক, তবু আপনার লোক।

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    পিতাহসি লোকস্য চরাচরস্য ত্বমস্য পূজ্যশ্চ গুরুর্গরীয়ান্‌।

    ন ত্বৎসমোহস্ত্যভ্যধিকঃ কুতোহন্যো, লোকত্রয়েহপ্যপ্রতিমপ্রভাব।।

    গীতা—১১/৪৩/

    কেশবকে শিক্ষা—গুরুগিরি ও ব্রাহ্মসমাজে—গুরু এক সচ্চিদানন্দ

    সকলে আনন্দ করিতেছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) কেশবকে বলিতেছেন, তুমি প্রকৃতি দেখে শিষ্য কর না, তাই এইরূপ ভেঙে ভেঙে যায়।

    মানুষগুলি দেখতে সব একরকম, কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতি। কারু ভিতর সত্ত্বগুণ বেশি, কারু রজোগুণ বেশি, কারু তমোগুণ। পুলিগুলি দেখতে সব একরকম। কিন্তু কারু ভিতর ক্ষীরের পোর, কারু ভিতর নারিকেলের ছাঁই, কারু ভিতর কলায়ের পোর। (সকলের হাস্য) ভিন্ন প্রকৃতি।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: “ভেঙে দিলেও আবারও বসব”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে হুঁশিয়ারি দিলেন হকাররা

    Barasat: “ভেঙে দিলেও আবারও বসব”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে হুঁশিয়ারি দিলেন হকাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হকার উচ্ছেদ শুরু হল উত্তর ২৪ পরগনার (Barasat) বারাসতে। শনিবার কোর্ট চত্বরে বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হল রাস্তার পাশে ফুটপাতে তৈরি হওয়া  প্রায় ৮০টি দোকান। কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা। উচ্ছেদ হওয়া হকাররা (Hawker) প্রকাশ্যে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

    ভেঙে দিলেও আবারও বসব (Barasat)

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য জুড়েই শুরু হয়েছে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ। যারা মূলত বেআইনিভাবে রাস্তার ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য প্রথমে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। পরে, তা থেমে যায়। হকারদের আশা ছিল, আর ভাঙা হবে না। এদিন সকালেই বারাসতের (Barasat) কোর্ট চত্বরে বুলডোজার নিয়ে এসে দোকান ভাঙা শুরু হয়। পুরসভার কর্মী, কাউন্সিলরদের পাশাপাশি বারাসত থানার পুলিশ কর্মীরা ছিলেন। স্বপন হালদার নামে এক হকার বলেন, আগেই দোকান ভেঙে দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু, ভাঙেনি। আমরা ভেবেছিলাম, দোকানে আর হাত পড়বে না। আমি নিজে তৃণমূল করি। এখানে অনেকেই আমার সঙ্গে ২১ জুলাইয়ের মিটিংয়ে গিয়েছিল। মিটিং শেষ হয়ে গেল। আর আমাদের কথা ভাবল না। দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল। এখানেই ফের দোকান করব। রূপা মজুমদার নামে আর এক হকার বলেন, ২৫ বছর ধরে দোকান করছি। কিছুদিন আগেই পুরসভার কর্মীরা এসে তথ্য নিয়ে গেল। আমরা ভেবেছিলাম, আর ভাঙা হবে না। কিন্তু, এদিন সব শেষ করে দিল। আমরা মেনে নেব না। আমি এখানে আবার বসব।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

     পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে বারাসত (Barasat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায় বলেন, ” জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাতদিন আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো এদিন দোকান ভাঙা হয়েছে। এতে আমাদের কিছু করার নেই। ওপর থেকে আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিচ্ছে, আমরা তা শুধু পালন করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share