Author: user

  • South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    South 24 Parganas: জোড়া খুনে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার! পুলিশে আস্থা হারিয়ে সিবিআই চাইছে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি নিয়ে বিবাদের জেরে দুই বোনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ঢোলাহাট থানার গুরুদাসপুরে। তিন মাস আগের সেই খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল সহ কয়েকজনের। মৃতের পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে বাদ দিয়ে লোকদেখানো দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। দুজনেই আবার মৃতের আত্মীয়। পুলিশ তদন্তে অসহযোগিতা করছে অভিযোগ তুলে সরব হলেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।

    সিবিআই তদন্তের দাবি! (South 24 Parganas)

    মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঢোলাহাট থানার (South 24 Parganas) গুরুদাসপুরে মৃত দুই বোনের নামে জমি রয়েছে। সেই সম্পত্তি জোর করে দখল করে রেখেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা গৌরহরি মাল। সেই জায়গা তিনি ছাড়তে চাইছেন না। গত মে মাসে খুনের ঘটনার দুদিন আগে তৃণমূল নেতা গৌড়হরি মাল জোরপূর্বক তাঁদের জায়গার একটি গাছ কেটে নেয়। আর তা নিয়ে ওই দুই বোনের সঙ্গে বচসা হয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল নেতা ওই দুই বোনকে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। এই খুনের পিছনে ওই তৃণমূল নেতার বড় হাত রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। পুলিশ ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেনি। মৃতের এক আত্মীয় প্রসেন মণ্ডল বলেন, তৃণমূল নেতার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাই, পুলিশের ওপর আমাদের আস্থা নেই। প্রকৃত অভিযুক্ত (Trinamool Congress) এখন বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই, খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্তের জন্য আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা গৌরহরি মাল বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। যে জমি নিয়ে বিবাদের কথা বলা হচ্ছে, মৃত দুই বোনের বাবা বেঁচে থাকতে আমি এই জায়গা কিনেছি। কাগজে সমস্ত কিছু লেখা আছে, তবে রেজিস্ট্রি করা হয়নি। দীর্ঘ বহু বছর ধরে আমি তা দখলে রেখেছি। তাই, ওই জমি আমার নামে লিখে দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: “দুদিন অনাহারেই কেটেছে বাংলাদেশে’, দেশে ফিরে বললেন গলসির মৌসুমী

    Bangladesh Protest: “দুদিন অনাহারেই কেটেছে বাংলাদেশে’, দেশে ফিরে বললেন গলসির মৌসুমী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh Protest)। দেশ জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ। পুলিশের গুলিতে শতাধিক পড়ুয়ার মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এখন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে পরিস্থিতি কিছুটা থমথমে। পূর্ব বর্ধমানে গলসির (Galsi) মৌসুমী মণ্ডল আরও অনেকের সঙ্গে এই ক’দিন রাত জেগেই কাটিয়েছেন। ইতিমধ্যেই পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরেন তিনি।

    দুদিন অনাহারে রাত কাটিয়েছি (Bangladesh Protest)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌসুমী গলসি ১ ব্লকের (Galsi) রাইপুরের (Bangladesh Protest) বাসিন্দা। তাঁর বাবা জাহির আব্বাস মণ্ডল একজন রাজনৈতিক কর্মী। খুলনা শহরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী মৌসুমী। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে বাংলাদেশে রয়েছেন তিনি। দেশে ফেরার পর তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তিনি পরিবারের সকলকে বলেছেন। তিনি বলেন,”এত বছরে এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। ইন্টারনেট বন্ধ। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। বহু এলাকায় খাবার ছিল না। টানা সাত দিন হস্টেলে বন্দি। তার পরে হস্টেল থেকেও বলে দেওয়া হয় দ্রুত শহর ছাড়তে। কিন্তু, ফিরব বললেই তো আর ফেরা যায় না। কোনওরকমে আরও ১৫০ জন ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়ার সঙ্গে বাসে করে  পেট্রোপোল সীমন্ত দিয়ে দেশে ফিরি। প্রথমদিকে হোটেল থেকে রান্না করা খাবার পাচ্ছিলাম। শেষ দু’দিন কার্ফু জারি হওয়ায় পর আমাদের কাছে সামান্য কিছু শুকনো খাবার, বিস্কুট ছিল। আর আমরা অনেকে ছিলাম। বলা যেতে পারে, দুদিন অনাহারেই রাত কাটিয়েছি। আমাদের হস্টেলের পাশের ভবনেই ভারতীয় হাই কমিশনার থাকেন। ওই বাড়িটা আমাদের সাহস জুগিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের সাহায্যে পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছাই আমরা।”

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    পরিবারের সদস্যরা কী বললেন?

    মৌসুমীর বাবা জাবির আব্বাস বলেন, “আর কয়েক মাস গেলেই মেয়ে চিকিৎসক ডিগ্রি পেত। জানি না কি হবে। তবে মেয়েকে ফিরে পেয়ে শান্তি। মেয়ে ফিরে আসার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    Bankura: রাস্তা খারাপ নিয়ে প্রশ্ন করতেই লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বেহাল রাস্তার হাল ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথশ্রী’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। ঘটা করে এই প্রকল্প চালু করা হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না তা বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়া থানার মাইলি গ্রামের হতশ্রী রাস্তার অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে। অল্প বৃষ্টিতেই গ্রামের ওই রাস্তার অবস্থা বেহাল। রাস্তায় জমে রয়েছে কাদা। রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে বাসিন্দাদের চরম নাকাল হতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তিতিবিরক্ত। রাস্তার হাল এত খারাপ কেন? স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে এমন প্রশ্ন করায় বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    লাঠি-রড দিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মার (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম পিন্টু সিংহ মহাপাত্র। বেহাল রাস্তা নিয়ে গ্রামবাসীরা (Bankura) ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য রাজকুমার সিংহ মহাপাত্র এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। তাই, কেউ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে বলার সাহস দেখাননি। বিজেপি কর্মী সাহস করে বেহাল রাস্তা নিয়ে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে নালিশ জানিয়েছিলেন। আর তাতেই চটে যান ওই পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযোগ, প্রথমে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হলেও পরে ওই পঞ্চায়েত সদস্য ও তাঁর দুই ভাই পিন্টুর ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। লাঠি ও রড দিয়ে পিন্টুকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই বিজেপি কর্মী। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

    আরও পড়ুন: গীতার গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন বিবেকানন্দ, সেই শিকাগোতে হল ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, অন্যায় করলেও তৃণমূলকে (Trinamool Congress) কিছু বলা যাবে না। পঞ্চায়েত সদস্যকে রাস্তা সংস্কার করে দেওয়ার জন্য যে কেউ বলতে পারেন। এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ওই বিজেপি কর্মী নালিশ জানিয়েছিলেন। তারজন্য এই হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূল (Trinamool Congress) অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে বিষয়টিকে পারিবারিক ঝামেলা বলে দাবি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    Nabanna: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের অবস্থা ভাঁড়ে মা ভবানী! তাই আপাতত নিয়োগে লাগাম টানার বার্তা দিল মমতা সরকার (Nabanna)। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য, পূর্ত, পুলিশ- এই সমস্ত সরকারি দফতরগুলিতে নতুন করে প্রয়োজন ছাড়া কোনও নিয়োগ করা হবে না, এর পাশাপাশি কোনও সরকারি ভবনও নতুন করে তৈরি করা হবে না, সম্প্রতি মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকার নেতৃত্বে সরকারি দফতরে গুরুত্বপূর্ণ আমলাদের নিয়ে এমপাওয়ার্ড কমিটির (Nabanna) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, সেখানেই এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই (Nabanna)

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতে বহু শূন্যপদ পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন দশ লাখ চাকরি প্রস্তুত রয়েছে! কিন্তু তা নাকি মামলার কারণেই শুরু করা যাচ্ছে না! মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণা যে কতটা ফাঁকা আওয়াজ, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উচ্চপদস্থ আমলাদের নিয়ে মুখ্য সচিবের এমন বৈঠকেই (Nabanna)। সূত্রের খবর বৈঠকে এও বলা হয়েছে, বিভিন্ন দফতরে যে সংখ্যায় নিয়োগ করা দরকার তার তালিকা তৈরি করতে হবে, তা পেশ করতে হবে। একান্ত প্রয়োজন হলেই সেই তালিকা থেকে ৫০ শতাংশ নিয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু তার বেশি কখনও নয়।

    সরব বিজেপি 

    রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এ নিয়ে সরব হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কোষাগারে যদি এতই টান তখন পূজো কমিটিগুলিকে মোট ৩৬৫ কোটি টাকা অনুদান কীভাবে দেওয়া হচ্ছে? বিজেপি নেতা সজল ঘোষের বক্তব্য, “৬০০ কোটি টাকা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রযান বানিয়ে চাঁদে পাঠিয়ে ভারতের পতাকা পুঁতে এসেছেন। আর উনি গত দু’বছরে ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছেন। এই বছর পৌনে চার কোটি টাকা খরচ করছেন। একবার ভেবে দেখুন এই টাকা দিয়ে কত মানুষের চাকরি হত?”

    কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে

    সূত্রের খবর, কর্মীদের বেতন-সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে (Reins on Recruitment) গিয়েও চাপ বেড়েই চলেছে রাজ্যের ওপরে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মী নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরকে সতর্ক করলেন মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা। সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যসচিব পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘বুঝে কর্মী নিয়োগ করতে হবে (Reins on Recruitment)। শূন্য পদ হলেই লাফিয়ে নিয়োগ করতে হবে এমনটা নয়। যতটুকু প্রয়োজন, যতটুকু না হলে নয় ততটুকু নিয়োগ করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কানাডা আমাদের দেশ। আমাদের এই দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা (Gurpatwant Singh Pannun)।” বুধবার এই ভাষায়ই খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আক্রমণ শানালেন কানাডার সাংসদ চন্দ্র আর্য (Chandra Arya)। কানাডার মাটিতে দীর্ঘদিন ধরেই তিলে তিলে বাড়ছে খালিস্তানি জঙ্গিদের ভিড়। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপন্ত সিং পান্নুন।

    কী বললেন কানাডার সাংসদ?(Chandra Arya)

    খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ায় তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। তবে কিছুই করার নেই জাস্টিন ট্রুডো সরকারের। কারণ খালিস্তানপন্থী কয়েকজন সাংসদের সমর্থনে কোনওক্রমে টিকে রয়েছে ট্রুডো সরকার। এহেন অবস্থায় কানাডার সাংসদের বক্তব্যে খানিকটা হলেও, ধাক্কা খেল ট্রুডো সরকার। আর্য বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা হিন্দুরা আমাদের সুন্দর দেশ কানাডায় এসেছি। সাউথ এশিয়ার সব দেশ থেকে, আফ্রিকার বহু দেশ থেকে, ক্যারিবিয়ান থেকে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমরা এখানে এসেছি। কানাডা আমাদের দেশ।”

    কানাডা ছেড়ে চলে যেতে বলছে পান্নুন!

    সম্প্রতি একটি ভিডিওয় ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র প্রধান গুরুপন্ত সিং পান্নুন আর্য (Chandra Arya) এবং অন্য হিন্দু বংশোদ্ভুত কানাডিয়ানদের কানাডা ছেড়ে ভারতে ফিরে যেতে বলেছে। আর্য এবং তাঁর সমর্থকদের পান্নুন এও বলেছে, আপনারা কানাডা ছেড়ে চলে যান। কারণ তিনি (আর্য) কানাডা বিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত। কানাডার মূল্যবোধ এবং চার্টার অফ রাইটসের বিরুদ্ধাচরণ করছেন তিনি। আর্য ভারতের মাস্টারদের স্বার্থেও কাজ করছেন বলে ভিডিওয় অভিযোগ পান্নুনের। সাংসদদের কাছে আর্যের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান।

    আরও পড়ুন: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    শুধু তাই নয়, আর্যকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধও সে করেছে কানাডিয়ান পার্লামেন্টের কাছে। পান্নুন বলে, কানাডার কাছে আমরা যে বিশ্বাসযোগ্য, দশকের পর দশক ধরে আমরা খালিস্তানপন্থীরা তা প্রমাণ করেছি।

    এই ভিডিওর প্রেক্ষিতেই খালিস্তানপন্থীদের নিশানা করেছেন কানাডিয়ান সাংসদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কানাডাকে তাঁর দেশ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “কানাডার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা নিরন্তর সদর্থক অবদান রেখে চলেছি। আমাদের হিন্দু সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সুদীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা কানাডায় বহুধা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছি।” এর পরেই কানাডার এই সাংসদ বলেন, “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা। স্বাধীনতার যে অধিকার (Gurpatwant Singh Pannun) কানাডিয়ান চার্টার অফ রাইটস দিয়েছে, তার অপব্যবহার করছে (Chandra Arya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা?” বুধবার (Budget 2024) রাজ্যসভায় এই ভাষায়ই তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    তৃণমূলকে জবাব সীতারামনের (Nirmala Sitharaman)

    মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই সংসদে প্রথমবারের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছে তৃতীয় মোদি সরকার। বাজেট পেশ করেছেন সীতারামন। এই বাজেট নিয়েই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাজেটকে ‘বিহার বাজেট’ বলেও কটাক্ষ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বুধবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের ছোড়া তিরকে ফের ঘাসফুল শিবিরের দিকেই ছুড়লেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দিলেন, বাজেটে কোনও রাজ্যকে বঞ্চনা করা হয়নি। বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

    তিনি বলেন, “প্রতিটি বাজেটে দেশের প্রতিটি রাজ্যের নাম বলার সুযোগ থাকে না।” এই প্রসঙ্গেই সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বলেন, “মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার বধাবনে সমুদ্র বন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বাজেটে এর উল্লেখ নেই। তার মানে কি, মহারাষ্ট্রকে উপেক্ষা করা হয়েছে? বক্তৃতায় যদি একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের নাম বলা না হয়, তাহলে কি কেন্দ্রের প্রকল্পগুলো থেকে তারা উপকৃত হয় না?” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা।”

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    কংগ্রেসকে নিশানা করে নির্মলা বলেন, “উনি (মল্লিকার্জুন খাড়গে) বলছেন অনেক রাজ্যের নামই নেই বাজেটে। আমি শুধু নাকি দুই রাজ্যের কথাই বলেছি। কংগ্রেস দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল। অনেক বাজেট ওরা করেছে। তাই ওদের জানা উচিত, প্রত্যেক বাজেটে সব রাজ্যের নাম রাখা সম্ভব হয় না।” এর পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “গতকাল তৃণমূল বাজেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। বলা হচ্ছে, বাংলাকে কিছু দেওয়া হয়নি। আমাকেও তাহলে বলতে হয় যে, গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও (Budget 2024) চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা (Nirmala Sitharaman)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: ভরদুপুরে মালদার ব্যাঙ্কে ডাকাতি, বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ক্যাশিয়ার, পুলিশ-দুষ্কৃতী গুলিবৃষ্টি

    Dacoits: ভরদুপুরে মালদার ব্যাঙ্কে ডাকাতি, বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ক্যাশিয়ার, পুলিশ-দুষ্কৃতী গুলিবৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া, বারাকপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির পর এবার মালদার (Malda) গাজোলে দিনেদুপুরে ব্যাঙ্কে ডাকাতি (Dacoits) ঘটনা ঘটল। চলল গুলি। সঙ্গে বোমাবাজি। গুলিবিদ্ধ হলেন সমবায় ব্যাঙ্কের ক্যাশিয়ার। আর বুধবার দুপুরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। যদিও পরে পুলিশ ডাকাতদের পিছু ধাওয়া করে। রাস্তায় গুলি বিনিময় হয়। পরে, দুজন দুষ্কৃতী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dacoits)

    ইতিমধ্যেই ঘটনার হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা রঙের চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায় গাজোলের কেষ্টপুর সমবায় সমিতির ব্যাঙ্কের সামনে। মুহূর্তেই গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে নামে ৮ থেকে ১০ জন দুষ্কৃতী। প্রত্যেকের মুখেই কাপড় বাঁধা। বন্দুক হাতে ঢুকে পড়ে ব্যাঙ্কের মধ্যে। বোমার শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। চলে লুটপাট। স্থানীয় সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীদের (Dacoits) আটকাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন হিসাবরক্ষক যোগেশ্বর মণ্ডল। তাঁর পেটে গুলি লেগেছে। তাঁকে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে। পরে, তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, প্রায় ছ’লক্ষ টাকা লুট করেছে দুষ্কৃতী দলটি। এই ঘটনার পরেই এলাকায় পুলিশের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। ব্যাঙ্কের এক কর্মী বলছেন, “কেষ্টপুর বাসস্ট্যান্ডে আমাদের সমবায় ব্যাঙ্ক। জনবহুল এলাকা। সেখানে এরকম ঘটনা ঘটল। চরম আতঙ্কিত আমরা। পুলিশের আরও নজরদারি বাড়ানো দরকার।” শুধু ব্যাঙ্কের কর্মী নন, সাধারণ মানুষও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    পুলিশের সঙ্গে ডাকাত দলের গুলি বিনিময়

    পুলিশ সূত্রে খবর, ডাকাতির (Dacoits) পরেই চারচাকা গাড়িতে করে পালিয়েছিল দুষ্কৃতী দলটি। গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ। পিছু ধাওয়া করছে দেখে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালিয়েছিল তারা। এরপর ভাবুক অঞ্চলের মন্দিলপুর এলাকায় গাড়ি রেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। সেই সময়েই গুলি চালায় পুলিশও। একজনের পায়ে গুলি লাগে। আর একজনের কোমরে। গুলি লাগতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তারা। তাদের ওই অবস্থায় ফেলে রেখেই বাকিরা পালিয়ে যায়। ধৃতদের এক জনের বাড়ি মালদার (Malda) চাঁচলে, অন্যজনের গাজোলের কৃষ্ণপুর এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    Dengue: দক্ষিণ দিনাজপুরে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গি! জেলাজুড়ে আক্রান্ত ১৩৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরা বর্ষায় জমছে জল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। অনেকে আবার বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করাচ্ছেন। লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

    ডেঙ্গিতে আক্রান্ত ১৩৬ জন (Dengue)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বুধবার পর্যন্ত প্রায় ১৩৬ জন ডেঙ্গিতে (Dengue) আক্রান্ত হয়েছেন। গত দুদিনে ১৫ জন জেলায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, এখন ডেঙ্গি পরীক্ষার পরিমাণ বেড়েছে। তাই আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। গতবারের তুলনায় এবার জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। ডেঙ্গি মোকাবিলায় এবার আরও সজাগ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর। গতবছর কুমারগঞ্জ ব্লকের নানা প্রান্ত ও বালুরঘাটের বেশ কিছু এলাকা ডেঙ্গির হটস্পট জোন ছিল। এবারও বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ সহ হিলি ব্লকে ডেঙ্গি মাথাচাড়া দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে গঙ্গারামপুর মহকুমায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কম এনিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। মূলত সচেতনতামূলক প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্ষার মধ্যে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়লেও কোনও মৃত্যুর খবর নেই। যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরকে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    স্বাস্থ্য দফতরের কী বক্তব্য?

    জেলার আটটি ব্লকেই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বালুরঘাট, কুমারগঞ্জ ও হিলি ব্লকে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বলে দফতর সূত্রে খবর। ফলে, সচেতনতার পাশাপাশি পরীক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, “গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। তবে, মৃত্যুর কোনও খবর নেই। গতবারের তুলনায় এবার জেলা হাসপাতালের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রামীণ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গির পরীক্ষা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর অনেকটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে।” যদিও বালুরঘাট পুরসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, “বালুরঘাট (South 24 Parganas) শহরে নতুন করে কেউ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়নি। আমরা সব জায়গায় নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One World UPI Wallet: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু ভারতে, কী সুবিধা জানেন?

    One World UPI Wallet: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু ভারতে, কী সুবিধা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চালু হয়ে গেল ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট (One World UPI Wallet)। সম্প্রতি ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন (NPCI) এটা চালু করেছে। ভারতে বেড়াতে এসে যাতে আন্তর্জাতিক পর্যটকরা (International Travellers) সমস্যায় না পড়েন, তাই এই ব্যবস্থা। ভারতীয় সিম কার্ড কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই এই ওয়ালেটের মাধ্যমে ওয়ালেট ব্যবহারকারীরা টাকা-পয়সা লেনদেন করতে পারবেন।

    কী বলছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন? (One World UPI Wallet)

    ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক পর্যটকরা ইউপিআই ওয়ান ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে তাঁদের অর্থনৈতিক প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। এই ওয়ালেটটি অনায়াসে লোডিং ও অব্যবহৃত ব্যালেন্সকে অরিজিনাল পেমেন্ট সোর্সে ট্রান্সফার করতে পারে। এই উদ্যোগটি বিদেশি পর্যটকদের ভারতের রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেমের অভিজ্ঞতা লাভে সমর্থ। এটি বিশ্বব্যাপী আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট প্রথম চালু হয়েছিল ২০২৩ সালে, জি২০ সম্মেলনের সময়। ওই বছর এই সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্বে ছিল ভারত। ভারতে এসে বিদেশি অতিথি-অভ্যাগতরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু করেছিল কেন্দ্র।

    ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট

    এটা একটা প্রি-পেড ওয়ালেট। এতে ভ্রমণকারীরা নিরন্তর টাকা পাঠাতে পারেন। সেজন্য তাঁদের মুদ্রা বিনিময়ের ঝামেলা পোহাতে হবে না। এজন্য কোনও ট্রানজেকশন কিংবা অনবোর্ডিং ফি দিতে হবে না। ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই (One World UPI Wallet) ব্যবহার করতে হলে পর্যটকদের স্ট্যান্ডার্ড কেওয়াইসি প্রোসিডিওয়র-পর্ব পার হতে হবে। এতে পর্যটকের পাসপোর্ট, ভিসা, ইন্টারন্যাশনাল ফোন নম্বর-সহ যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। ভ্রমণকারীরা তাঁদের ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেটে টাকা রাখতে পারবেন তাঁদের ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। বাছাই করা কয়েকটি দেশের মুদ্রা ট্রান্সফার করেও মুদ্রা লোড করা যাবে ওয়ালেটে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই মিলবে এনপিসিআইয়ের পার্টনার আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক এবং ট্রান্সকর্পে।

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    ভারতের মস্তিষ্কপ্রসূত এই ইউপিআইয়ের সুবিধা নিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ভুটান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নেপাল (International Travellers), ওমান, কাতার, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মরিশাস, ব্রিটেন, জাপানের মতো উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশও (One World UPI Wallet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Memory Loss: মনে রাখতে অসুবিধা? জানেন কি, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়তে পারে ঘরোয়া উপাদানেই? 

    Memory Loss: মনে রাখতে অসুবিধা? জানেন কি, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়তে পারে ঘরোয়া উপাদানেই? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে স্মৃতিশক্তি হারানোর সমস্যা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই খুব সাধারণ বিষয়ও মনে রাখতে পারেন না। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, স্মৃতিলোপের এই সমস্যা প্রবীণ নাগরিকদের মধ্যেই আটকে নেই। কম বয়সী, এমনকী স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে (Memory Loss)। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, খুব সাধারণ বিষয়, যেমন, খাতা কিংবা ব‌ই কোথায় রয়েছে, কোন দিন স্কুলে কোন বিষয় নিয়ে পড়ানো হবে, এগুলোও অনেক সময়েই পড়ুয়ারা মনে রাখতে পারছে না। আর এর জেরেই উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞ মহল। তারা জানাচ্ছে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকলে, তা ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। মনে রাখার ক্ষমতা খুব কম বয়স থেকেই কমলে পরবর্তী জীবন যাপন কঠিন হয়ে উঠবে। তাই প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি।

    কেন কম বয়সেই কমছে স্মৃতিশক্তি? (Memory Loss)

    সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে স্মৃতিশক্তি কমার প্রধান কারণ দূষণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণ কিংবা শব্দদূষণ সাময়িক শারীরিক অসুস্থতা তৈরি করে না। এর ফল থাকে সূদূরপ্রসারী। বাতাসে কার্বন মনো অক্সাইড এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ মারাত্মক বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের উপরে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বায়ুদূষণ মারাত্মক ভাবে বাড়ছে। ফুসফুসের পাশাপাশি এর জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মস্তিষ্কও। আর তার জেরেই কমছে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা। এছাড়া শব্দের দাপট শিশুদের মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে কোনও উৎসবে শব্দের দাপট একটা বড় সমস্যা। হঠাৎ খুব জোরে শব্দ হওয়া কিংবা লাগাতার একটানা খুব জোরে ডিজে বা মাইক বাজানোর শব্দ শিশুর মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকারক। এর জেরে যেমন শ্রবণশক্তি কমে, তেমনি মস্তিষ্কের একাধিক কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই স্মৃতিশক্তিও কমে‌ (Memory Loss)।
    দূষণের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মস্তিষ্কের সক্রিয়তার মাত্রা নির্ভর করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে মনে রাখার ক্ষমতা কমে। বিশেষত কম বয়সীদের ক্ষেত্রে এটা বেশি দেখা যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মধ্যে নানান হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তনের জেরে মানসিক চাপ তৈরি হয়। তার থেকেও ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যা বাড়ে। অনেক ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল পেরনোর পরে সেই সমস্যা কমে যায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, অনেকের ক্ষেত্রেই সেই সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকছে। ফলে তাদের জীবন জটিল হয়ে উঠছে। পাশপাশি পারিবারিক অশান্তি থাকলে শিশুমনে গভীর প্রভাব ফেলে। ফলে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতার উপরেও‌ তার প্রভাব দেখা‌ যায়।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন (Domestic Ingredients) মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। একদিকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, আরেকদিকে জীবন যাপনের ধরনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এই দুই ধরে রাখতে পারলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অনেকটাই বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ঘুম খুব জরুরি। শিশুর পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।‌ দিনে কমপক্ষে আট ঘণ্টা ঘুম দরকার। বেশি রাত পর্যন্ত জেগে না থাকার অভ্যাস তৈরি করা দরকার। মস্তিষ্কের বিশ্রাম হলে তবেই স্মৃতিশক্তি বাড়বে। এর পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সুস্থ রাখতে (Memory Loss) নিয়মিত প্রাণায়মের অভ্যাস তৈরি করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে শরীরের স্নায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়ে। ফলে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। 
    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। নিয়মিত মাছ খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। মাছে থাকে ফসফরাস। এই উপাদান স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। যে কোনও বাদাম জাতীয় উপাদান, যেমন কাজু, আখরোট, কাঠবাদাম, এগুলোতে থাকে নানান খনিজ পদার্থ। যা মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত যে কোনও এক ধরনের বাদাম জাতীয় খাবার মেনুতে থাকা দরকার। 
    ডিম এবং চিকেন নিয়মিত খেলে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রোটিন শরীরের জন্য খুবই উপকারী। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে প্রোটিনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চিকেন এবং ডিম থেকে খুব সহজেই শরীরের প্রয়োজনীয় উপকারী প্রোটিন পাওয়া যায়। তাই সপ্তাহে অন্তত দুদিন চিকেন‌ এবং নিয়মিত একটা ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। 
    বিট, গাজর, ক্যাপসিকামের মতো রঙিন সবজি মস্তিষ্কের বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে। তাই পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, নিয়মিত ফল ও সবজি মেনুতে রাখা দরকার (Domestic Ingredients)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share