Author: user

  • Howrah: হাওড়ায় সালিশি সভার নামে ব্যবসায়ীকে মারধর, বাড়ি লুট, অভিযুক্ত তৃণমূলের উপপ্রধান

    Howrah: হাওড়ায় সালিশি সভার নামে ব্যবসায়ীকে মারধর, বাড়ি লুট, অভিযুক্ত তৃণমূলের উপপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য কলহ মেটাতে সালিশি সভা (Trinamool kangaroo court meeting)। আর সেই সভা থেকে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, লুটপাট কোনও কিছুই বাদ গেল না। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া (Howrah) জেলার সাঁকরাইলের কান্দুয়াতে। চোপড়ার মত এই সালিশি সভাতেও কাঠগড়ায় রয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসছে পাঁচলার জুজুর সাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ খলিল আহমেদের। তাঁরই নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাণ্ডবের সময় আলমারি ভেঙে নগদ ৪০ হাজার টাকা লুট করা হয়। এর পাশাপাশি সোনার গয়না, দামি মোবাইল সেটও লুট হয়। তবে কাউকে এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, শাসক দলের নেতা হওয়ার জন্যই কি অভিযুক্তদের গায়ে হাত দিতে পারছে না পুলিশ?

    ঘটনার বিবরণ (Howrah)

    জানা গিয়েছে, পাঁচলার এক ব্যবসায়ীর নাম শাহাবুদ্দিন সেপাই। তাঁরই মেয়ের বিয়ে নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য (Trinamool kangaroo court meeting) হয় শাহাবুদ্দিনের। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী রাগ করে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যান। সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য শাহাবুদ্দিনের বাড়িতে একটি সালিশি সভা ডাকা হয়। অভিযোগ ঠিক সেই সময়ে পাঁচলার জুজুরসাহা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Howrah) উপপ্রধান খলিল আহমদের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন যুবকের একটি দল আসে। আলোচনার মাঝে শাহাবুদ্দিনকে ব্যাপক (Howrah) গালিগালাজ ও মারধর করা হয়। এরপরে ফের একবার খলিল ফোন করে তাঁর দলকে ডাকেন। ৫০টি বাইক ও দুটি ম্যাটাডোরে করে দেড়শোর ওপর ছেলে সেই সময় বাড়িতে উপস্থিত হয়। তাঁদের অধিকাংশ জনের হাতে ছিল লাঠি, রড ছুরি ভোজালি। তখন কোনওভাবে শাহাবুদ্দিন পালিয়ে যায়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় না, খলিলের দলবল শাহবুদ্দিনের পিছু নেয়। বেশ কিছুটা দূরে শাহাবুদ্দিনের ভাইপোর বাড়িতে তিনি লুকিয়ে পড়েন। এই সময় শাহবুদ্দিনের ভাইপোর বাড়িতে ভাঙচুর চালায় খলিলের দল।

    আক্রান্ত শাহাবুদ্দিনের বক্তব্য

    শাহাবুদ্দিনের বক্তব্য, “আমার মেয়ের এক জায়গায় পাকা দেখা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমার স্ত্রীয়ের এক আত্মীয়ের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গেই মেয়েকে পাঠিয়ে দেয় আমার স্ত্রী। তারপর ভয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। এরপর আমাকে ওদের তরফেই বলা হয়  সভা হবে। বাড়ির লোক কথা বলবে। তাই একাই গিয়েছিলাম। কিন্তু দেখি খলিলের দল এসেছে। তারপর তো এই কাণ্ড।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Howrah)। তবে খলিল আহমেদের নামে একাধিক অসামাজিক কাজের অভিযোগ রয়েছে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে একাধিক অসামাজিক কাজের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ কেন কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূলের সন্ত্রাস, চাষ করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের দ্বারস্থ গেরুয়া শিবির

    Birbhum: তৃণমূলের সন্ত্রাস, চাষ করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের দ্বারস্থ গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে (Birbhum) চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না বিজেপি কর্মীদের। জেলার বিভিন্ন গ্রামে চাষ করতে পারছেন না তাঁরা। গ্রামে গ্রামে বিজেপি কর্মীদের চাষের ওপর ফতোয়া জারি করেছে শাসক দল। এমনই অভিযোগ করে জেলার (Birbhum) পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হলেন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা।  প্রসঙ্গত, এদিন লম্বোদর দাস, দামোদর পাল নামের জনৈক বিজেপি (BJP) কর্মীরা এই অভিযোগ দায়ের করেন। প্রত্যেকেই গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরেন নিজেদের অভিযোগে।

    সিউড়ি-২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামে সন্ত্রাস (Birbhum)

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘নির্বাচনের পর থেকেই সিউড়ি-২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামে সন্ত্রাস চলাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। বিজেপি (BJP) কর্মীদের বাড়িতে থাকতে দিচ্ছে না। চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না তাঁদের, ট্রাক্টর ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা যাতে নিরাপদে তাঁদের বাড়িতে থাকতে পারে এবং চাষ করতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকে।’’

    বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে পুলিশ

    একই সঙ্গে ধ্রুব সাহার দাবির, ‘‘মল্লারপুরের (Birbhum) পাথাই গ্রামে পুলিশকে মারধরের ঘটনার পর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করার হুমকি দিচ্ছে সিভিক ভলেন্টিয়াররা।’’ এই ঘটনাতেও পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। ধ্রুব সাহা অভিযোগ করেছেন, ‘‘মাস কয়েক আগে এখানে পুলিশকে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশ দোষী ব্যক্তিদের ধরতে না পেরে বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে, বাড়িতে থাকতে পারছেন না গ্রামের মানুষেরা। সিভিক ভলেন্টিয়াররা বাড়িতে গিয়ে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে বাড়ি ভাঙচুর করার, লুটপাট করে নেওয়ার।’’ পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃত দোষী, যাঁরা পুলিশকে মারধর করেছেন, তাঁদেরকে চিহ্নিত করুক পুলিশ। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: পিস্তল চালানোর প্রশিক্ষণ, ক্লাবে এনে নৃশংস অত্যাচার, প্রকাশ্যে জয়ন্তর কুকীর্তির ভিডিও

    Kamarhati: পিস্তল চালানোর প্রশিক্ষণ, ক্লাবে এনে নৃশংস অত্যাচার, প্রকাশ্যে জয়ন্তর কুকীর্তির ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছনে তৃণমূলের ব্যানার। আর সামনে কামারহাটির (Kamarhati) আড়িয়াদহের তালতলা স্পোর্টিং ক্লাব। সেই ক্লাবকে সামনে রেখে চলত কামারহাটির তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিংয়ের দাদাগিরি। তাঁর কথা না মানলেই ক্লাবে নিয়ে এসে চলত নৃশংস অত্যাচার। মহিলাদের ওপর অত্যাচার করতে হাত কাঁপত না জয়ন্তের বাহিনীর। সমাজ মাধ্যমে পর পর এই ধরনের দুটি ভি়ডিও সামনে এসেছে। (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। আড়িয়াদহে মা এবং ছেলেকে নৃশংসভাবে মারধর করার অভিযোগে গ্রেফতার হন তৃণমূল নেতা জয়ন্ত। এরপরই তাঁর একের পর এক কুকীর্তি সামনে আসতে শুরু করেছে।

    ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Kamarhati)

    একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্লাবের (Kamarhati) ভিতরে একজনের হাত এবং পা ধরে রেখেছে জনা চারেক মিলে। চ্যাংদোলা করে ঝুলিয়ে রাখা অবস্থাতেই চলছে মারধর। কয়েক জন মিলে ঘিরে ধরে, নানা দিক থেকে লাঠিপেটা করে চলেছে অনবরত। জয়ন্তর সঙ্গে আরও কয়েকজন রয়েছে। বারাকপুর পুলিশের তরফে অবশ্য এ নিয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে। তারা ভিডিওটির বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভিডিওটি পুরানো। যাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। দু’জন ইতিমধ্যে জেলে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    ভিডিওটি (Kamarhati) যে পুরানো, মানছেন এলাকাবাসীও। তাঁদের বক্তব্য, এলাকায় জয়ন্তর লোকজনের দাপট রয়েছে। নানা ভাবে এলাকায় তারা ত্রাস সৃষ্টি করে। ভাইরাল ভিডিওতে যাদের দেখা গিয়েছে, তাদের কয়েক জনকে শিবম গুপ্ত, রাজদীপ বর্মণ, লালু, গঙ্গা, লাল, দীপু, সুমন নামে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয়েরা। সকলেই জয়ন্তর ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত। কেউ কেউ বলছেন, একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তকে ক্লাবের ভিতরে এ ভাবে মারধর করা হয়েছিল।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতার দাদাগিরির সেই ভিডিও (Kamarhati) সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রাজ্য বিজেপির তরফেও তা পোস্ট করা হয়। বিজেপি ওই ভিডিও পোস্ট করে লেখে, “কামারহাটির তালতলা ক্লাবে মদন-ঘনিষ্ঠ জয়ন্ত সিং কী ভাবে নিরস্ত্র মহিলাকে মারছেন, তা দেখা যাচ্ছে। যে রাজ্যের সরকার নারীদের সুরক্ষা নিয়ে গর্ব করে, সেখানেই এই বর্বরতা মানবতার কলঙ্ক। এর দ্রুত তদন্ত এবং বিচার চাই।” ভিডিও প্রসঙ্গে বিজেপির পাল্টা পোস্ট করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র ঋজু দত্ত এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে লেখেন, “এটি ২০২১ সালের মার্চ মাসের ভিডিও। অভিযুক্তেরা জয়ন্ত সিং এবং তাঁর অনুগামী। ভিডিওতে যাঁদের দেখা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে অন্তত দু’জন এখন জেলে।” বিজেপি দাবি করেছে, ভিডিয়োয় মহিলাকে মারধর করতে দেখা যাচ্ছে। তৃণমূল সে প্রসঙ্গে দাবি করছে, যিনি মার খাচ্ছেন, তিনি পুরুষও হতে পারেন। তা খতিয়ে দেখা দরকার।

    পিস্তল চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হত

    সমাজমাধ্যমে জয়ন্তর আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি অন্ধকার ঘরে দেওয়ালের দিকে মুখ করে দু’জন দাঁড়িয়ে আছে। তাদের এক জনের হাতে পিস্তল। সেই পিস্তল সে অন্য জনের হাতে তুলে দিচ্ছে। কীভাবে পিস্তল চালাতে হয়, তা শেখানো হচ্ছে ওই ব্যক্তিকে। পিছনে দাঁড়ানো কেউ ভিডিওটি রেকর্ড করছিল। দেখা যায়, দ্বিতীয় ব্যক্তি পিস্তল হাতে পাওয়ার পর পিছন ঘুরেছে। ভিডিও রেকর্ডিংয়ে সে আপত্তি করছে বলে মনে হচ্ছে। তবে ভিডিয়োটিতে কোনও শব্দ নেই। ফলে কে কী বলছে, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সূত্রে দাবি, যার হাতে পিস্তল তুলে দেওয়া হয়েছে, সে বাপ্পা। জয়ন্তের সঙ্গী হিসাবে এলাকায় পরিচিত। তবে বাঁ দিকে যে দাঁড়িয়ে আছে এবং পিস্তল হাতে তুলে দিচ্ছে, তার মুখ দেখা যায়নি। তাই সে জয়ন্ত কি না, তা স্পষ্ট নয়।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, “তৃণমূলে (Trinamool Congress) এই ধরনের কোনও ঘটনাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। হবেও না। যাঁরা দোষী, তাঁরা অবশ্যই শাস্তি পাবেন। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক। যাঁরা তা ঘটিয়েছেন, তাঁরা তৃণমূলে (Trinamool Congress) থাকলেও বা না থাকলেও, শাস্তি পাবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bus Service: মহানগরীতে এক ধাক্কায় উধাও হয়ে যাবে ২৫০০ বাস, মাথায় হাত যাত্রীদের

    Bus Service: মহানগরীতে এক ধাক্কায় উধাও হয়ে যাবে ২৫০০ বাস, মাথায় হাত যাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় এক ধাক্কায় প্রায় ২৫০০ বেসরকারি বাস কমে যেতে চলেছে। ফলে মহানগরের গণপরিবহণে (Bus Service) একটা বড় ধাক্কা লাগতে চলেছে। চলতি মাস থেকে পূজোর মধ্যে কলকাতায় প্রায় ২৫০০ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই হাওড়া ও কলকাতার মধ্যে চলাচল করে, এমন একাধিক রুট কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে। বেসরকারি বাস মালিকদের বক্তব্য, তাঁদের হাতে নতুন বাস নামানোর অর্থ নেই। কারণ আগের মতন লাভজনক নয় এই পেশা।

    গণপরিবহণে বড় ধাক্কা (Bus Service)

    ১৫ বছরের বেশি মেয়াদ হয়ে গিয়েছে এমন শহরে প্রায় ২৫০০ বাস আছে কলকাতায়। প্রায় চার হাজারের কাছাকাছি বেসরকারি বাস (Bus Service) চলে বিভিন্ন রুটে। এদের মধ্যে আদালতের নির্দেশে ২৫০০ বাস চলাচল বন্ধ করে দিলে গণপরিবহণে একটা সমস্যা সৃষ্টি হবে। নতুন বাস নামানোর জন্য প্রস্তুত নন বাস মালিকরা। কোভিডের কারণে দু’বছর রাস্তায় নামেনি বহু বাস। এক্ষেত্রে বাস মালিকরা চাইছেন, সরকার কোনও ব্যবস্থা নিক। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বসীমা পেরিয়ে গেলে কলকাতা শহরে এবং কেএমডিএ এলাকায় এই ধরনের বাস আর চালানো যাবে না।

    আদালতের নির্দেশ

    আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১৫ বছরের সীমা পেরিয়ে যাওয়া বাসগুলি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিবহণ দফতর (Transport Dept) সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার বেসরকারি বাস (Bus Service) চলে। কিন্তু আদালতের নির্দেশ কার্যকর হলে মাস ছয়েক পর এই সংখ্যা অর্ধেক নেমে আসবে। ২০০৯ সালের পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে ১৫ বছরের বেশি বয়স হয়েছে কোনও বাস কলকাতায় আর চলতে পারবে না।

    সমাধান সূত্র (Transport Dept)

    ধাপে ধাপে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ২৫০০ হাজার বাস কলকাতার রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে। ফলে শহরের একাধিক রুটে বাসে ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অটো অল্প দূরত্বের যাত্রীদের জন্য উপযোগী হলেও, বেশি দূরত্বের যাত্রার জন্য একমাত্র ট্রেন এবং বাস ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই শহরে। এখনও কলকাতা জুড়ে মেট্রো তৈরি হয়নি। ফলে বাসের উপরেই নির্ভরশীল বেশিরভাগ যাত্রীরা। বর্তমানে একটি নতুন বাসের মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুন: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    নতুন বাসের জন্য এত বিপুল টাকা বিনিয়োগ করতে চাইছেন না বাস মালিকরা। ডিজেল মহার্ঘ্য হয়ে ওঠায় আগের মত লাভ নেই পরিবহণ ব্যবসায় দাবি বাস মালিকদের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমায়ুন হিমালয়ের (Kumaon Himalayas) পিথোরাগড় জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র চৌকোরি (Chaukori)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ওক, পাইন, দেওদার, রডোডেনড্রন, ফার গাছের জঙ্গলে ঢাকা এই চৌকোরি প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের এক অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। চৌকোরি থেকে নন্দাদেবী, পঞ্চচুল্লি প্রভৃতি হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গগুলি দর্শন করা এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা।

    কাছেই প্রচুর দর্শনীয় স্থান (Chaukori)

    মূলত এই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দূরন্ত আকর্ষণের জন্যই বারবার এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি থেকে প্রায় ৩-৪ কিমি দূরের মাস্ক ডিয়ার রিসার্চ সেন্টার, মহাত্মা গান্ধীর সুযোগ্য শিষ্যা সরলা বেনের আশ্রমও। চৌকোরি থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে রয়েছে আরও একটি জনপ্রিয় এবং মনোরম পর্যটন কেন্দ্র বেরিনাগ। ২৪ কিমি দূরে গঙ্গোলী হাট। চৌকোরি থেকে পাতাল ভুবনেশ্বর যাওয়ার পথে অবস্থিত এই গঙ্গোলী হাট হল কুমায়ুনী শিল্প-সংস্কৃতির এক অন্যতম পীঠস্থান। এখানে রয়েছে মহাকালী মন্দির।

    ঘুরে আসুন পাতাল ভুবনেশ্বর

    আবার ইচ্ছে এবং হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি (Chaukori) থেকে প্রায় ৩৮ কিমি দূরে পাতাল ভুবনেশ্বরও। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পাতাল ভুবনেশ্বরের অন্যতম খ্যাতি শৈবতীর্থ হিসেবে। স্বয়ং আদি শঙ্করাচার্যর পদধূলিধন্য এই পাতাল ভুবনেশ্বর। এখানকার প্রাচীন গুহা মন্দিরটি কুমায়ুন অঞ্চলের অন্যতম পবিত্র ও প্রসিদ্ধ শৈবতীর্থ। প্রচলিত বিশ্বাস, এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৩৩ কোটি দেবতার আবাস। এখানে একাধিক গুহায় জল চুঁইয়ে স্ট্যালাকটাইট এবং স্ট্যালাগমাইটে সৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু অবয়ব। অনেকটা অন্ধ্রপ্রদেশের বোরহালু কেভ বা বোরহা কেভের মতোই চমৎকার সব সৃষ্টি। চৌকোরি থেকে সকালে বেরিয়ে পাতাল ভুবনেশ্বর ঘুরে আবার চকৌরিতেই রাত্রিবাস করা যায়। 

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chaukori)

    যাতায়াত-ট্রেনে এলে নামতে হবে কাঠগুদাম। এখান থেকে গাড়িতে যেতে হবে চৌকোরি। দূরত্ব প্রায় ১৯৮ কিমি। আসা যায় লালকূয়া বা হলদোয়ানি থেকেও। সরাসরি গাড়ি নিয়ে আসা যায় ৮৬ কিমি দূরের আলমোড়া বা ১৭৩ কিমি দূরের নৈনিতাল থেকেও।
    থাকা-খাওয়া-চৌকোরিতে (Kumaon Himalayas) আছে কেএমভিএন (KMVN)-এর ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪২) এবং বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল। আর পাতাল ভুবনেশ্বরে থাকতে চাইলে এখানেও আছে কেএমভিএনের ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস (ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪৩) এবং কিছু বেসরকারি হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৯ মাস ধরে বেতন মিলছে না। কর্মবিরতির হুমকি গত মাসেই  দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাতেও টনক নড়েনি প্রশাসন বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সোমবার দুপুর থেকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা সদর হাসপাতালে আচমকা  কর্মবিরতি শুরু করে দিলেন সাফাই কর্মীরা।

    হাসপাতালের পরিষেবা শিকেয় (Balurghat)

    গত কয়েকদিন আগে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতাল (Hospital) সেরার শিরোপা পায়। সুপার স্পেশালিটি এই হাসপাতালে কলকাতার এক এজেন্সির অধীনে কর্মীরা রয়েছেন। ৯ মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এজেন্সির মালিককে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই, নিয়মিত বেতনের দাবিতে এদিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের পুরনো ভবনের অস্থায়ী কর্মীরা। আর এতেই প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের পরিষেবায়। প্রায় ১১৬ জন অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মী এভাবে কর্ম বিরতিতে যোগ দেওয়ায় পুরো হাসপাতাল জুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। পুরো হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর, পিপি ইউনিট, ডায়ালিসিস, সি সি ইউ, এস এন সি ইউ, লিফট সহ সমস্ত পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা থেকে সাফাই কোনও কিছুই কার্যত এদিন থেকে আর হচ্ছে না। এভাবে এতজন কর্মী একসঙ্গে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্ম বিরতিতে যাওয়ার কারণে মাথায় হাত পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও। জেলা হাসপাতাল সুপারের পক্ষ থেকে সিএমওএইচ, জেলাশাসকসহ উচ্চ আধিকারিকদের সকলের কাছে এই  বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

     আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

     বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের নেতা yeবিজয় বাঁশফোড় বলেন, আমরা গত ৯ মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছি না। সামান্য কিছু টাকা দেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংসার চালানো সম্ভব নয়। এদিকে সামনের মাস থেকে আর কোনও টাকায় দিতে পারবেন না বলে এজেন্সির মালিক জানিয়ে দিয়েছেন। তাই, পরিষেবা বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছি।

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা কী বললেন?

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা অজয় কুমার ঘোষ বলেন, গত নয় মাস ধরে নিয়মিত বিল পাচ্ছি না। প্রায় দেড় কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ট্রেজারিতে চারটে বিল জমা করা হলেও, সব থেকে নূন্যতম বিল ছাড়া হচ্ছে। বিষয়টি বারবারই  হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি। বকেয়া টাকা না পেলে কী করে আমি কর্মীদের বেতন দেব? 

    হাসপাতাল সুপারের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে (Hospital) সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন,  বালুরঘাটের ট্রেজারি অফিসার রয়েছেন তিনি উদ্দেশ্য  প্রণোদিতভাবে কর্মীদের বেতন আটকে রেখেছেন। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এমনকী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অর্ডারেও কর্মীদের বিল ছাড়ছেন না। এভাবে কর্মীদের কর্ম বিরতিতে হাসপাতালে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা স্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে কিছুটা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 India vs Zimbabwe: জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ তিন টি২০-র দল ঘোষণা ভারতের, কারা এলেন, কারা গেলেন?

    T20 India vs Zimbabwe: জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ তিন টি২০-র দল ঘোষণা ভারতের, কারা এলেন, কারা গেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পাঁচ ম্যাচের টি২০ সিরিজ খেলছে ভারত ও জিম্বাবোয়ে (T20 India vs Zimbabwe)। ইতিমধ্যেই সিরিজের দুটি ম্যাচ হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে প্রথমটিতে জিম্বাবোয়ে জিতলেও পরেরটিতে জিতেছে ভারত। ফলে, সিরিজের ফল আপাতত ১-১। আগামী বুধবার সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচ। আর তার আগেই শক্তি বাড়াচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। কারণ প্রথমে সিরিজের জন্য একটা দল ঘোষণা করা হলেও পরে টিম ইন্ডিয়া বার্বাডোজে আটকে পড়ায় জিম্বাবোয়ে সিরিজের জন্য ঘোষিত দলে বদল আনা হয়। জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপ খেলা তিন প্লেয়ার এবার তৃতীয় ম্যাচ থেকে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে আগামী তিনটি টি২০ ম্যাচে ভারতীয় দলে বড়সড় পরিবর্তন হতে চলেছে।

    নতুন স্কোয়্যাডে কারা থাকছে? (Team India squad) 

    প্রথম দুটো ম্যাচে ভারতীয় স্কোয়্যাডে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে থেকে তিনজন প্লেয়ারকে বাদ দেওয়া হবে বাকি তিন ম্যাচের জন্য। বদলে নতুন তিনজন সুযোগ পাবেন। আর এই তিনজন হলেন বিশ্বকাপ জয়ী যশস্বী জয়সওয়াল, শিবম দুবে ও সঞ্জু স্যামসন। উল্লেখ্য, ভারতীয় দলের অংশ এই ত্রয়ী, গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ শিরোপা জিতেছিল।

     আর অন্যদিকে, বি সাই সুধারসন, কেকেআর পেসার হর্ষিত রানা এবং পাঞ্জাব কিংসের উইকেটরক্ষক জিতেশ শর্মার সাথে দেশে ফিরবেন। এই ত্রয়ীকে শুধুমাত্র প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ভারতীয় দলে রাখা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? জানাল আবহাওয়া দফতর

    তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য ভারতের সম্ভাব্য একাদশ (T20 India vs Zimbabwe)

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য ভারতের সম্ভাব্য একাদশের তালিকায় রয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল (সি), অভিষেক শর্মা, রুতুরাজ গায়কওয়াড়, সঞ্জু স্যামসন (ডব্লিউ কে), শিবম দুবে, রিয়ান পরাগ, ওয়াশিংটন সুন্দর, রবি বিষ্ণোই, আভেশ খান, মুকেশ কুমার। 

    শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টির জন্য ভারতের স্কোয়াড (Team India squad) 

    আর শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের (T20 India vs Zimbabwe) জন্য ভারতের স্কোয়াডে থাকবেন যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল (সি), অভিষেক শর্মা, রুতুরাজ গায়কওয়াড়, সঞ্জু স্যামসন (ডব্লিউ কে), শিবম দুবে, রিংকু সিং, ওয়াশিংটন সুন্দর, রবি বিষ্ণোই, আভেশ খান, মুকেশ কুমার, খলিল আহমেদ, ধ্রুব জুরেল, তুষার দেশপান্ডে ও রিয়ান পরাগ। 
      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: দলের পুর-চেয়ারম্যানকে ফের অপসারণের দাবি! আন্দোলনে তৃণমূলেরই কাউন্সিলররা

    TMC Conflict: দলের পুর-চেয়ারম্যানকে ফের অপসারণের দাবি! আন্দোলনে তৃণমূলেরই কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যানের অপসারণকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) ফের প্রকাশ্যে। পুর চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আগেই পদত্যাগের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন সিংহভাগ তৃণমূল কাউন্সিলর। এবার রীতিমতো পথসভা করে পুর-চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তাঁরা। তাঁর পদত্যাগের দাবি জানালেন দলের কাউন্সিলররা। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছেন দলের নেতৃত্ব।

    ২১ জুলাইয়ের সমর্থনে মিছিলে নেই পুর-চেয়ারম্যান (TMC Conflict)

    দাঁইহাট পুরসভার মোট ১৪ টি ওয়ার্ড রয়েছে। সবকটিই শাসকদলের দখলে। বিগত একবছর ধরেই পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে কাউন্সিলরদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি ভাইস চেয়ারম্যান অজিত বন্দোপাধ্যায় সহ ১১ জন কাউন্সিলর প্রদীপ রায়ের পদত্যাগের (TMC Conflict) দাবিতে অভিযোগ জানিয়ে আসেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমসহ দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। বিগত প্রায় একবছর ধরেই পুরসভার বোর্ড মিটিংগুলিতেও অংশ নেওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন কাউন্সিলরদের একাংশ। সোমবার বিকেলে  একুশে জুলাইয়ের সভার সমর্থনে দাঁইহাটে মিছিল করা হয়। মূলত, ভাইস-চেয়ারম্যান সহ ১১ জন কাউন্সিলর এই মিছিলে ছিলেন। তবে, এই মিছিলে দেখা যায়নি দাঁইহাট শহর তৃণমূলের সভাপতি রাধানাথ ভট্টাচার্য এবং পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়কে। দাঁইহাটের স্টেশনবাজার তৃণমূল কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হয়। শেষ হয় পুরমার্কেটের সামনে। শেষে পথসভা হয়। এই পথসভায় ভাইস চেয়ারম্যান অজিত বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্যের আগাগোড়াই ছিল দলীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের দাবি, ” আমি চেয়ারম্যান থাকবো, না কি সরে যাব, সেটা দলই ঠিক করবে। একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে প্রচার মিছিলের বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি।”

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পথসভা করে কী দাবি জানালেন তৃণমূল কাউন্সিলররা?

    ভাইস চেয়ারম্যান (Dainhat) অজিত বন্দোপাধ্যায় বলেন,” আমরা ১১ জন কাউন্সিলর উপস্থিত হয়েছি। বর্তমান চেয়ারম্যান সবাইকে নিয়ে চলতে পারছেন না। চেয়ারম্যানের কাছে এঁরা কেউ সম্মান পান না। মহিলা কাউন্সিলররা সম্মান পাচ্ছেন না বলে তাঁরা চেয়ারম্যানের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। দাঁইহাটের পরিষেবা এখন একদম বন্ধ। রাস্তাঘাট, নর্দমা, ডাষ্টবিন পরিষ্কার করা হয় না। দুর্গন্ধ ছড়ায়। জল দিয়ে পোকা বের হচ্ছে, সেদিকে লক্ষ্য রাখেন না চেয়ারম্যান। আমরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করছি।

    তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব কী বললেন?

     একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে প্রচার মিছিল থেকে এভাবে দলেরই চেয়ারম্যানের (Dainhat) পদত্যাগ দাবি ওঠায় অস্বস্তিতে দলের জেলা নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়  বলেন,”দলের মধ্যে ক্ষোভ -বিক্ষোভ থাকলেও দলীয় নেতৃত্বকে জানানো দরকার। এভাবে রাস্তায় এসে ঝগড়া করা দলবিরোধী কাজ। ওরা ভুল করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Brain Eating Amoeba: শিশুদের পুকুরের জলে স্নান করানো নিয়ে কেন সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Brain Eating Amoeba: শিশুদের পুকুরের জলে স্নান করানো নিয়ে কেন সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংক্রমণের ভ্রুকুটি। মস্তিষ্কের সংক্রমণে (Brain Eating Amoeba) ফের শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেরলে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে, বিপদ বাড়বে।

    কেন উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মন্ত্রক?

    কেরলে তিন শিশুর রহস্যজনকভাবে মস্তিষ্কের সংক্রমণ থেকে মৃত্যু হয়েছে। পাঁচ বছর বয়সি একটি মেয়ে এবং ১৩ বছর বয়সি আরেক কিশোরীর মৃত্যুর পরে, সম্প্রতি ১৪ বছর বয়সি আরেক কিশোর মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ (Brain Eating Amoeba) থেকেই এই মৃত্যু হচ্ছে। সংক্রমণের জেরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তার জেরে শরীরের নানান অঙ্গের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি ওই ১৪ বছরের কিশোর এই উপসর্গ নিয়েই কেরলের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল। কিন্তু তারপরে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। আর তার জেরেই ছেলেটি মারা যায়। এর আগে আরও দুই শিশু এক ভাবে মারা যায়। আর তার জন্যই উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Brain Eating Amoeba)

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যে এই নিয়ে সতর্কতা জারি করা জরুরি। শিশুরা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই মন্ত্রকের তরফ থেকে শিশুস্বাস্থ্যের দিকেও বাড়তি নজরদারি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের এই সংক্রমণ এক ধরনের অ্যামিবা থেকে হচ্ছে। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, পুকুরের জল থেকেই এই সংক্রমণ হচ্ছে। পুকুর থেকেই ওই ব্যাকটেরিয়া নাকের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রবেশ করছে। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ছে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমছে। আর হঠাৎ করেই প্রাণহানির মতো বিপদও ঘটছে। 
    চিকিৎসকদের পরামর্শ, শিশুদের বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের, আপাতত পুকুরের জলে (Pond Water) স্নান না করানোই ভালো। কারণ, এদের কতখানি সংক্রামক ক্ষমতা রয়েছে, সে বিষয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু বোঝা যাচ্ছে না। তাই কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

    ডুব সাঁতারে সতর্কতা

    ১০ বছরের উর্ধ্বে শিশুদের পুকুরে (Pond Water) স্নানের ক্ষেত্রে ডুব দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু কিশোর-কিশোরী খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে। তারা স্নানের সময় দীর্ঘক্ষণ পুকুরের ভিতরে ডুবসাঁতার দেয়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়া (Brain Eating Amoeba) সহজেই নাকের মাধ্যমে তখন মস্তিষ্কে পৌঁছতে পারে। আর তার থেকেই বড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই আপাতত এই ধরনের কাজ থেকে আপাতত বন্ধ রাখা উচিত। সুইমিং পুলে নামার ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: গৌড়বঙ্গে ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করানোর দাবি জানিয়ে আন্দোলনে টিএমসিপি

    Malda: গৌড়বঙ্গে ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করানোর দাবি জানিয়ে আন্দোলনে টিএমসিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেল করা পড়ুয়াদের নিয়ে আন্দোলনে নামল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। মালদার (Malda) গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। টিএমসিপির আন্দোলন নিয়ে রীতিমতো হাসাহাসি শুরু হয়েছে। আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

    ৯৭ শতাংশ পড়ুয়া ফেল (Malda)

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে (Malda) প্রথম সেমেস্টারের ফলাফলে ডাহা ফেল ৯৭ শতাংশ পড়ুয়া। মাত্র তিন শতাংশ পড়ুয়া পাশ করেছেন মূল বিষয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফল দেখে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ সকলের। যদিও, মূল বিষয়ে তারা ফেল করলেও বাকি দু’টি প্রধান বিষয়ে যে কোন একটিতে উত্তীর্ণ হওয়ায় তাঁরা দ্বিতীয় সেমেস্টারে চলে গিয়েছে। এক পরীক্ষার্থী বলেন, আমরা পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা তা মেনে নেব না। আমাদের পাশ করিয়ে দেওয়া হোক। কলেজের প্রথম সেমেস্টারের অধিকাংশ পড়ুয়া ফেল করায় তাঁরা শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলাফল মনঃপূত না হওয়ায় পাশ করানো সহ একাধিক দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। ক্যাম্পাস জুড়ে মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ডেপুটেশন। ডেপুটেশন এবং আন্দোলন কর্মসূচির নেতৃত্ব দেয় মালদা জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (TMCP)। তবে, এই আন্দোলনের পর ফেল করা পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তা নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    টিএমসিপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভাপতি প্রসূন রায় বলেন, ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি চালু হওয়ার পর মেজর বিষয়ে ৯৭ শতাংশ ফেল করেছে। একসঙ্গে এত ছাত্রছাত্রী ফেল করতে পারে না। কিছু একটি সমস্যা হয়েছে। ফেল করা পড়ুয়াদের পাশে সবসময় টিএমসিপি আছে। তাই, ওদের নিয়ে রাস্তায় নেমে আমরা আন্দোলনও করেছি। আমাদের দাবি, ওদের পাশ করিয়ে দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share