Author: user

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিদর্শন করতে সন্দেশখালিতে আসলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। মঙ্গলবার বিকেলে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সড়বেড়িয়া এলাকায় আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার তৈরি করা ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এই দলের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, কেন্দ্রীয় প্রাক্তন আইন মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ আরও চারজন। এদিন সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রের কাছ থেকে অত্যাচারের বিবরণ শোনেন প্রতিনিধি দল।

    এদিন তাঁরা সড়বেড়িয়ার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট বিট পোলের ৪২, ৪৫ নম্বর বুথের বামন ঘেরি এলাকায় গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন টিম। তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা জানার চেষ্টা করেন। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজপাল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে রেখা পাত্রকে বলেন, “রেখা পাত্র সন্দেশখালির বাঘিনী। রেখা যেভাবে লড়াই করেছে, তা বলার মতো। আমি বলে রাখলাম এই মেয়ে অনেক দূর যাবে। আমি এই নিয়ে বাংলায় মোট পাঁচবার এসেছি। এই সন্দেশখালিতে কেবল অত্যাচারই হয়েছে। আমি উর্দি পরেছি। কিন্তু এখানে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখে দুঃখ পাই।” একই সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও রেখার সাহসিকতার জন্য বাহবা দেন।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    রেখা পাত্রের বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) গদখালিতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আর সেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে থেকে রেখা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শক্তিস্বরূপা। আজ প্রাক্তন পুলিশকর্তা বাঘিনী বললেন আমাকে, তবে আমার মনে হয়, এটা শুধু আমাকে বলা নয়, সন্দেশখালির প্রত্যেক মহিলাকে বলা হয়েছে। মানুষে তো বাড়িতেই ফিরতে পারেননি। কাউন্টিং এজেন্টরা এখনও ঘরছাড়া। গ্রামে ঢুকতে পারেননি। তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হল কীভাবে?”

    তৃণমূলের অত্যাচারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক গ্রাম জনশূন্যে পরিণত হয়েছে। এই টিম কলকাতা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় নিপীড়িত বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছে। বিজেপির টিম রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং এলাকা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডার কাছে। আজই তাঁদের রাতে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: বাবা-মার সঙ্গে আর বাড়ি ফেরা হল না, ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল ৬ বছরের স্নেহার প্রাণ

    Train Accident: বাবা-মার সঙ্গে আর বাড়ি ফেরা হল না, ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল ৬ বছরের স্নেহার প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মামাবাড়িতে কাটানো সেই আনন্দের গল্প আর বন্ধুদের বলা হল না ছোট্ট স্নেহার। সোমবার সকালে বাবা-মায়ের হাত ধরে আনন্দে গদগদ হয়ে বাড়ি ফিরছিল স্নেহা। অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Train Accident) সে চেপেছিল সে। তারপর সব শেষ। মালদার ছ’বছরের স্নেহা মণ্ডলের নিথর দেহ এখন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে শুয়ে রয়েছে।

    স্নেহার বাবা-মা ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে (Train Accident)

    সোমবার রাঙাপানি এলাকায় মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘার যাত্রী ছিল স্নেহা। বাবা- মা’র সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল সে। কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় মামাবাড়ি এসেছিল। সোমবার বাড়ি ফিরছিল। ট্রেন দুর্ঘটনায় স্নেহার বাবা মণিলাল মণ্ডল ও ছবি মণ্ডলও জখম হয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্নেহা সঙ্কটজনক অবস্থায় পিকু ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ছিল। পাশাপাশি সোমবার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর মোট ৩৭ জন ভর্তি হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় ট্রমা কেয়ার ইউনিটে। আর আশঙ্কাজনক ছিল ছ’বছরের ওই স্নেহা। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম ছিল তার। সোমবার থেকে তার শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলছিল শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি দল। তবে, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাকে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক সন্দীপ সেন বলেন, “পায়ে আঘাত থাকার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কালকে থেকেই মেডিক্যাল টিম অস্ত্রোপচার করে বাচ্চাটির রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করে। পিকুতে ভর্তি ছিল। আজ সকালে তাকে হারিয়েছি আমরা।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মেয়েকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন বাবা

    এদিন সকালে মৃত্যুর খবর শোনার পর চোখের জল মুছে চলেছেন বাবা মণিলাল মণ্ডল। সামনে কেউ গেলে বলছেন, আমরা এখন কাকে নিয়ে বাঁচব? কারও কাছে এর উত্তর নেই। তিনি বলেন, শিলিগুড়ির মাটিগাড়া আমার শ্বশুরবাড়ি। ক’টাদিন সেখানে স্নেহা কত আনন্দই না করেছে। সোমবার বাড়ি ফিরছিলাম। আর ওকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারব না।

     হাসপাতালে পরিজনদের ভিড়়

    এদিকে এদিন সকালে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জখম যাত্রীর পরিজনরা একে একে আসতে শুরু করেন। কেউ প্রিয়জনকে জখম অবস্থায় বেডে শুয়ে থাকতে দেখে ডুকরে কেঁদে উঠছেন। কেউ বা মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মর্গের সামনে অপেক্ষা করছেন। তাদের চোখে জল নেই। নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রয়েছেন। সকলেরই প্রশ্ন, কীভাবে এই সর্বনাশ হল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    Post Poll Violence: তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের লোকসভার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলায় জেলায় হিংসার খবর উঠে আসছে। ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) কারণে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া। অনেক গ্রাম জনশূন্য। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ঠাঁই হয়েছে জেলা বিজেপির কার্যালয়ে। আক্রান্ত ও ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে দফায় দফায় দেখা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের মতো বিজেপির নেতৃত্বরা। মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক হিংসা কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম।

    কেন্দ্রীয় টিমের বক্তব্য

    আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেব। কেন্দ্রীয় টিমের পক্ষ তিনি থেকে বলেন, “বাংলায় কমিউনিস্ট পার্টি এই কালচার শুরু করেছিল, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তারই একটি অংশ হিসাবে কাজ করে চলেছে। বাংলা থেকে বিরোধীদের শূন্য করার জন্য এই ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই। অন্যদিকে তিনি আরও বলেন, বেশিদিন এই অত্যাচার আর চলবে না বাংলায়। বিজেপি কী করতে পারে আর না পারে তা সময় বলবে। গ্রামে গঞ্জে মহিলারা থাকতে পারছেন না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাদের পাঠিয়েছে। সব রিপোর্ট দেব। বিজেপি কর্মীদের ন্যায় দিতে যা যা করতে হবে করব।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ প্রশাসনকে গুন্ডাবাহিনীতে পরিণত করেছেন। পুলিশ সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু এই অত্যাচার আর বেশিদিন বাংলার মানুষ সহ্য করবে না।” আবার বিজেপি নেতা রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেছেন, “তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারের গ্রাম জনশূন্য। গ্রামে লোক নেই। বিরোধী কণ্ঠস্বর বলে কিছু নেই। মমতার শাসনে কোন রাজত্ব চলছে?”

    আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শান্তিপুরের দম্পতি, বাড়ি ফিরলেন প্রাণ হাতে করে!

    অত্যাচারে জনশূন্য গ্রাম!

    মঙ্গলবার সকালে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আমতলা এলাকায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। প্রতিনিধি দলের সদস্য বিপ্লব দেব আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থক ও ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কথা শোনেন এবং সমস্ত রকম সাহায্যে আশ্বাস দেন। পাশাপাশি আলতা বেড়িয়া যে গ্রাম এখন তৃণমূলের অত্যাচারে জনশূন্য, সেই গ্রামেও ঘুরে দেখলেন তাঁরা। যেসব বিজেপি কর্মীর বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে একাধিক মিথ্যে মামলা দেওয়া হয়েছে বিজেপি কর্মীদের, এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সামনে। আবার শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বাসন্তীর মসজিদ বাটি এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে। এদিন আক্রান্ত কর্মী সমর্থকদের বাড়ি পরিদর্শন করে টিম। কিন্তু আতঙ্ক দূর হচ্ছে না গ্রামবাসীদের। কেন্দ্রীয় টিম চলে যাওয়ার পরে ভাঙচুর করতে পারে কর্মীদের বাড়িঘর। আবারও হামলা করতে পারে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে গ্রামের বাসিন্দাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistani Spies: ব্রহ্মসের প্রাক্তন বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ হ্যাক করতে পাক চররা ব্যবহার করত ৩টি অ্যাপ!

    Pakistani Spies: ব্রহ্মসের প্রাক্তন বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ হ্যাক করতে পাক চররা ব্যবহার করত ৩টি অ্যাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রহ্মসে’র প্রাক্তন বিজ্ঞানী নিশান্ত আগরওয়ালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে সেশন কোর্ট। অভিযোগ, তিনি ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন পাকিস্তানের (Pakistani Spies) কাছে। নিশান্ত চাকরি করতেন ভারতের নাগপুরে মিসাইল অ্যাসেম্বলিতে। পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাকিস্তানকে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাচার করেছিলেন। ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের ২৩৫ নম্বর ধারায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। কেবল তথ্য পাচারই (Pakistani Spies) নয়, ভারতের অস্ত্রসম্ভার সংক্রান্ত খবরাখবরও তিনি পাচার করেছেন বিদেশি শক্তির কাছে।

    গ্রেফতার নিশান্ত (Pakistani Spies)

    ২০১৮ সালে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল নিশান্তকে। সেই সময় তিনি নাগপুরে ব্রহ্মসের ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রের প্রযুক্তিগত গবেষণা বিভাগে নিযুক্ত ছিলেন। চাকরি করতেন সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দলেই। এই বিজ্ঞানীকে গ্রেফতার করেছিল সামরিক গোয়েন্দা এবং উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী স্কোয়াডের এক যৌথ দল। জানা গিয়েছিল, নেহা শর্মা ও পূজা রঞ্জন নামে দুটি ফেসবুক প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল নিশান্তের। এই ফেক দুই প্রোফাইলের নেপথ্যে ছিল পাক গোয়েন্দারা। প্রোফাইল দুটি চালাত আইএসআই এজেন্টরাই, ইসলামাবাদ থেকে।

    কী বলেছিলেন তদন্তকারী অফিসার?

    উত্তরপ্রদেশ এটিএসের তদন্তকারী আধিকারিক পঙ্কজ আওয়াস্থি অবশ্য আদালতে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান থেকে জনৈক সেজাল একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেই ফাঁদেই পড়েন নিশান্ত। এই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সে চ্যাট করত তার পাকিস্তানি অপারেটিভ এবং ভারতীয় ‘শিকারে’র সঙ্গে। নিশান্ত-সেজালের চ্যাট খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সেজাল একটি গ্রুপের অংশ, যার মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিরক্ষা দফতরের পদস্থ কর্তাদের ফাঁদে ফেলে গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হত।

    আর পড়ুন: পাকিস্তানের চেয়ে বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে ভারতের হাতে, বলছে রিপোর্ট

    আওয়াস্থি আদালতে জানিয়েছেন, সেজালের নির্দেশেই আগরওয়াল তাঁকে পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করতেন। এভাবে তিনি তিনটি অ্যাপস ইনস্টল করেছিলেন তাঁর পার্সোনাল ল্যাপটপে, ২০১৭ সালে। এই অ্যাপগুলি হল ‘কিউহুইস্পার’, ‘চ্যাট টু হায়ার’ এবং ‘এক্স ট্রাস্ট’। এই তিনটি অ্যাপের মাধ্যমেই নিশান্তের ল্যাপটপ থেকে তথ্য চুরি করত পাক হ্যাকাররা। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিএপিএলের সিকিউরিটি নর্মস উপেক্ষা করে ব্রহ্মস মিসাইল সম্পর্কিত তথ্য রাখা ছিল নিশান্তের ল্যাপটপে। নিশান্তকে বলা হয়েছিল লিঙ্কদিনেও সেজালের সঙ্গে চ্যাট করতে (Pakistani Spies)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kanchanjunga Accident: শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা, মৃত্যু বেড়ে ১০

    Kanchanjunga Accident: শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা, মৃত্যু বেড়ে ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের নির্মলজ্যোত। সোমবার সকালে এই নির্মলজ্যোতে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা (Kanchanjunga Accident) ঘটেছিল। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ১০। শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক অবোধ সিঙ্ঘল মঙ্গলবার বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা ১০। কেননা সোমবার যে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল তা উদ্ধার হওয়া একটি মৃতদেহের। সোমবার রাতের মধ্যে মৃতদেহ শনাক্তকরণ পর্ব শেষ হয়। তখন দেখা যায় একটি মৃত দেহের পা নেই। চিকিৎসকরা সেই পা ওই মৃত ব্যক্তির বলে চিহ্নিত করেন। সোমবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ন’জন। মঙ্গলবার ছ’বছরের এক শিশু মারা গিয়েছে। তাতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা মোট ১০ জন। 

    শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা (Kanchanjunga Accident)  

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ কার্যত শেষ। দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Accident) স্মৃতি হিসেবে লাইনের পাশে পড়ে রয়েছে ট্রেনের দোমড়ানো- মোচড়ানো বগিগুলি। বাসিন্দারা সোমবার রাতে ঘুমোতে পারেননি। বীভৎস দৃশ্য, চিৎকার হাহাকার, জখম যাত্রীদের কান্না এখনও কানে বাজছে গ্রামবাসীদের। সোমবার ছিল ঈদ। গ্রামের সকলের নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। কারও নামাজ পড়া হয়ে গিয়েছিল। নামাজ পড়ে ফেরার পথেই খবর পান ট্রেন দুর্ঘটনার। অনেকে যাত্রীদের চিৎকার, হাহাকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাদ আলি, নাজিম আলি,  মহম্মদ শওকতরা বলেন, চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি ট্রেনের ভেতর থেকেই বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার ভেসে আসছে। এখনও কানে বাজছে সেই চিৎকার। সোমবার সারা রাত ঘুমোতে পারিনি। কত শিশু পড়ে কাঁদছে। কেউ বাবা-মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। মন শক্ত করে উদ্ধারকাজে হাত লাগাই। তখনও  প্রশাসনের কেউ আসেনি। আমরা সাহসে ভর দিয়ে একে একে সব যাত্রীদের নামিয়ে আনি। ততক্ষনে অ্যাম্বুল্যান্স, বিভিন্ন গাড়ি পৌঁছতে শুরু করেছে। এক এক করে জখম যাত্রী, মৃতদেহ অ্যাম্বুল্যান্স এবং গাড়িতে তুলে দিই। 

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    অভিশপ্ত স্মৃতি বয়ে বেড়াবে নির্মলজ্যোত

    এদিন গ্রামবাসীরা বলেন, ঈদের উৎসব ভুলে গিয়েছিলাম। কাল রাত পর্যন্ত আমরা এখানেই ছিলাম। সকলকে বাঁচানই ছিল আমাদের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু, অনেককে বাঁচানো যায়নি। বাবা- না পেয়ে শিশুদের কান্না ভুলতে পারছি না। সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আবার ট্রেন চলবে। কিন্তু, আমরা বয়ে বেড়াব অভিশপ্ত ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি। মৃত্যুর মুখে পড়ে থাকা অসহায় মানুষের হাহাকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suicide in India: মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যা বেড়েছে আড়াই গুণ! কেন জানেন? 

    Suicide in India: মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যা বেড়েছে আড়াই গুণ! কেন জানেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে বাড়ছে অবসাদ। ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমশ আরও বিপন্ন হচ্ছে। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্যে অবনতি দেখা যাচ্ছে। মানসিক চাপ বাড়ছে। আর অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এর জেরে বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা (Suicide in India)।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    এক আন্তর্জাতিক পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের পুরুষদের মধ্যে মানসিক রোগ বাড়ছে। মূলত ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে মানসিক অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। যার জেরেই বাড়ছে আত্মহত্যার মতো ঘটনা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা (Suicide in India) কয়েক গুণ বেড়েছে। ২০১৪ সালে ভারতে ৮৯ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে ১ লাখ ৩০ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। ভারতীয় পুরুষদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে আত্মহত্যা। রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আড়াই গুণ বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ওই আন্তর্জাতিক পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য বিপন্ন হচ্ছে। আর তার জেরেই এই ভয়ানক পরিণতির ঘটনা‌ বাড়ছে। এই নিয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা না বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

    কেন ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে? (Suicide in India)

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ পুরুষদের আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। সম্পর্কের জটিলতা। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের দায়িত্ব ও বিশাল প্রত্যাশার সঙ্গে অনেক সময়েই তাল মিলিয়ে চলতে পারছেন না। এর জেরেই মানসিক চাপ ও অবসাদ তৈরি হচ্ছে। এর থেকেই আত্মহত্যার প্রবণতা (Suicide in India) জন্ম নিচ্ছে। পাশপাশি ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত অধিকাংশ মানুষ বুঝতেই পারেন না তার স্বাস্থ্য সমস্যা। এর জেরে রোগ নির্ণয় কিংবা চিকিৎসা কিছুই হয় না। তাই আত্মহত্যার মতো চরম পরিণতির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আরও বেশি কর্মশালা জরুরি। সব‌ বয়সের মানুষদের এ নিয়ে সতর্ক হতে হবে। তবেই পরিবারের কেউ মানসিক অবসাদে ভুগছেন কিনা কিংবা আত্মহত্যা প্রবণ হয়ে উঠেছেন কিনা তা‌ বোঝা সহজ হবে। তাহলে এই ধরনের চরম বিপদ আটকানো‌ সহজ‌ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Accident: দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন, জানেনই না সহকর্মী মনু

    Kanchanjunga Accident: দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন, জানেনই না সহকর্মী মনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে একইসঙ্গে মালগাড়ির ইঞ্জিনের উঠেছিলেন লোকো পাইলট অনিল কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারি লোকো পাইলট মনু কুমার। অভিশপ্ত মালগাড়িটি শিলিগুড়ির রাঙাপানি এলাকায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে। আর তাতেই সব কিছু শেষ হয়ে যায়। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Kanchanjunga Accident) অনিল কুমারের মৃত্যু হয়। আর গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মনু কুমার।

    সহকর্মীর মৃত্যুর খবর কানে পৌঁছয়নি (Kanchanjunga Accident)

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে বড় কিছু ঘটেছে তা বুঝতে পেরেছিলেন মনু কুমার। তবে, তাঁর চোট গুরুতর হওয়ায় দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Accident) বিষয়ে তাঁকে কেউ খুব বেশি কিছু বলছেন না। তাই, তাঁর সহকর্মীর মৃত্যুর খবর কানে পৌঁছয়নি। কিন্তু, আন্দাজ করেছিলেন। বড় কিছু তো ঘটেইছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে তখনও নিজের সহকর্মীর খোঁজ নিচ্ছিলেন মনু। আশঙ্কা করছিলেন কী হয়েছে ঠিক! তবে সেটা বুঝতে পারছিলেন না তিনি। হাসপাতালের বেডে শুয়ে চোখ বন্ধ করে কিছু একটি চিন্তা করছেন। তবে, তিনি খুব বেশি কথা বলছেন না।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন

    জানা গিয়েছে, একসঙ্গেই যাত্রা শুরু করেছেন মালগাড়ির অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট মনু কুমার এবং লোকো পাইলট অনিলবাবু। অনেকখানি পথ গিয়েছিলেন একসঙ্গে। কিন্তু, বাধ সাধল দুর্ঘটনা (Train Accident)। গুরুতর আহত অবস্থায় মনু শুয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের বেডে। আর অনিলবাবু নেই। দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। বেডে শুয়ে মনু কুমার বলেন,”‘ড্রাইভার সাহাব ক্যাসে হ্যায়”। অপর প্রান্ত থেকে উত্তর এল, “এখনও ওঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।” এই উত্তর শুনে বাকিটা বুঝতে অসুবিধা হল না হল তাঁর। চোখ বুঝলেন। আর কোনও প্রশ্ন করলেন না। হয়ত তিনি বুঝেই গিয়েছেন, তাঁর সহকর্মী আর নেই। তাই, আর কিছু বললেন না। মনু শুধু বললেন, “আমি কিচ্ছু জানি না। মোবাইল নম্বর মনে নেই। আমার কিছু মনে পড়ছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Express: কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শান্তিপুরের দম্পতি, বাড়ি ফিরলেন প্রাণ হাতে করে!

    Kanchanjunga Express: কাঞ্চনজঙ্ঘা ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শান্তিপুরের দম্পতি, বাড়ি ফিরলেন প্রাণ হাতে করে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাঙাপানিতে ভয়াবহ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express) দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আহত হয়েছেন শান্তিপুরের দম্পতি। নিজেদের প্রাণ কার্যত হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন তাঁরা। এরপর জানালেন, বীভৎস গতকালের সেই ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা। এই দম্পতি হলেন তপন বিশ্বাস এবং কমলা বিশ্বাস। তাঁদের বাড়ি নদিয়া শান্তিপুরের থানা মোড়ে। ত্রিপুরায় তাঁদের মেয়ের বাড়ি। সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলেন এবং তারপর ফিরতেই পথে রেল দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন।

    কী বললেন আহত স্বামী (Kanchanjunga Express)

    গতকাল রেল দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Express) কবলে পড়ে বাড়ি ফিরলেও আতঙ্কের রেশ এখনও কাটেনি শান্তিপুরের এই দম্পতির। গতকালের সেই ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে এখনও শিউরে উঠছেন তপন বাবু। তিনি বলেছেন, “তখন ঠিক সকাল বেলা, সেই সময় আমি ট্রেনের টয়লেটে ছিলাম। আচমকা হঠাৎ পেছনদিকে সজোরে কিছু একটা ধাক্কা মারে। প্রথমে বুঝতে পারিনি। এরপর প্রচণ্ড ঝাঁকুনি অনুভব হয়। আমার স্ত্রী ছিলেন সেই সময় ট্রেনের এসি কম্পার্টমেন্টের বি-ওয়ান কোচের ৩১ নম্বর সিটে। সাফাই কর্মীরা বাইরে তাকাতেই তাঁদের চক্ষু চড়ক গাছে উঠে যায়। পেছেন থেকে একটি মালগাড়ি জোরে ধাক্কা মেরেছে আমাদের ট্রেনে। একটি বগি আরেকটি বগির উপর উঠে গিয়েছে। চারিদিকে কান্না এবং হাহাকার শব্দ ভেসে আসছিল। রেলের বগিগুলি সব উল্টে গিয়েছে। এরপর উপস্থিত যাত্রীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। এদিকে ওদিকে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায় মুহূর্তেই। বগিও সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে যায়। সকলে নিজের নিজের প্রাণ বাঁচাতে ট্রেন থেকে নামতে শুরু করে দেয়। সেই সময় প্রাণ বাঁচাতে কোনও রকমে আমি এবং আমার স্ত্রীকে নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়ি। আমার পায়ে ও হাতে ব্যাপক আঘাত লেগেছে। অনেক যাত্রী দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু মানুষের মৃত্যুও ঘটেছে। সাক্ষাৎ যমরাজকে যেন দর্শন করেছিলাম। কোনও ক্রমে এই যাত্রায় বেঁচে গেলাম।”

    স্ত্রীর বক্তব্য

    অপরদিকে তাঁর স্ত্রী কমলা দেবী বলেন, “আমি বসেছিলাম ট্রেনের (Kanchanjunga Express) সিটে কিন্তু হঠাৎ ভয়ানক শব্দে রীতিমতো কেঁপে ওঠে কম্পার্টমেন্ট। তারপরেই হঠাৎ করে চোখের নিমেষে কী যে হয়ে গেল কিছুই বুঝতে পারলাম না। তারপর স্বামী চিৎকার করে ডাকতেই কোনও রকমে প্রাণ বাঁচাতে ট্রেন থেকে বেরিয়ে আসি। আমরা দুজনেই কমবেশি আহত হয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    তিস্তা তোর্সায় বাড়ি ফিরেছেন

    এরপর স্ত্রীকে নিয়ে তপন বাবু, রেলের তরফ থেকে দেওয়া অ্যাম্বুল্যান্স করে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছান। তারপর সন্ধ্যের দিকে তিস্তা তোর্সা ট্রেন দেয়া হয়। সেখানে রেল দুর্ঘটনায় (Kanchanjunga Express) আহত ব্যক্তিদেরকে একসঙ্গে কলকাতার উদ্দেশে পাঠানো হয়। তবে রেল কর্তৃপক্ষ আহত ব্যক্তিদেরকে যে ট্রেনে করে ফেরানো হয়েছিল সেখানে কোনও রকম খাবারের ব্যবস্থা করেনি, এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসারও কোনও রকম ব্যবস্থা করেনি বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তপন বাবু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    Train Accident: মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের জন্মদিন পালনের জন্য বাড়িতে আনন্দ উৎসবের তোড়জোড় চলছিল। মেয়ের কথা মেনে তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁচ্ছাতে অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চড়ে বসেছিলেন কলকাতার বালিগঞ্জের শুভজিৎ মালি। আর মেয়ের আবদার রাখতে পারলেন না শুভজিৎ। শিলিগুড়িতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পরে, মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে আসতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।

    মেয়ের জন্মদিনে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে (Train Accident)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভজিতবাবু একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কাজের সূত্রে প্রায়শই ভিন রাজ্যে যেতে হয় তাঁকে। সম্প্রতি গিয়েছিলেন নাগাল্যান্ডে। গিয়েছিলেন চার চাকার গাড়ি চালিয়ে। সেখানে গাড়ি সাপ্লাই দিয়ে ফিরছিলেন কলকাতায়। প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি এই কাজ করে আসছেন। গাড়ি নিয়ে ভিন রাজ্যে যান, সাপ্লাই দিয়ে আবার ফিরে আসেন। কিন্তু, এবার মেয়ের আবদার মেটাতে দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনে চেপেই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। কারণ, বাড়িতে ১১ বছরের মেয়ে রয়েছে তাঁর। সোমবারই ছিল মেয়ের জন্মদিন। ছোট্ট মেয়েটা আবদার করেছিল, বাবা বাড়ি এলে তবেই কেক কাটবে। সেই টানেই তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার জন্য উঠেছিলেন অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে। কিন্তু, আর মেয়ের সঙ্গে দেখা হল না। মেয়ের জন্মদিনও উদযাপন করা হল না। নিউ জলপাইগুড়ি ছেড়ে আসার পর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Train Accident) কাড়ল কলকাতার শুভজিৎ মালির প্রাণ। তাঁর নিথর দেহ শিলিগুড়িতে (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পড়ে রয়েছে। বালিগঞ্জের জামির লেনের বাড়িতে এখন শুধুই কান্নার রোল আর স্বজন হারানোর যন্ত্রণা।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মেয়ের জন্মদিনে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেছিল

    স্বামীর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী। তিনি বলেন, “রবিবার রাতেও ফোন ওর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে। মেয়ের জন্মদিন নিয়ে আমাদের অনেক পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জন্মদিনে বাবা আসছে শুনে মেয়েও খুব খুশি ছিল। বাড়িতে ফিরে ঘুরতে যাওয়ার কথাও বলেছিল। তবে, সোমবার সকালে ও ট্রেনে ওঠার পর ফোন করেনি। আমার সঙ্গে আর কথা হয়নি। এরপরই ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পাই। ফলে, সারাক্ষণ টিভির পর্দায় নজর ছিল। অবশেষে সব শেষ।” এরপর কান্নায় চোখ বুজে এল তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Day of Yoga: শ্বাসকষ্ট থেকে স্থূলতা, মুশকিল আসান করতে পারে নিয়মিত যোগাভ্যাস!

    International Day of Yoga: শ্বাসকষ্ট থেকে স্থূলতা, মুশকিল আসান করতে পারে নিয়মিত যোগাভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবন যাপনে বদলে যাচ্ছে স্বাস্থ্যের সমস্যাও। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো নানান সমস্যা বাড়ছে। আর এই সবই জীবন যাপন সংক্রান্ত রোগ বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ ডেকে আনছে হৃদরোগ, কিডনির সমস্যার মতো নানান জটিল অসুখ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খুব কম বয়স থেকেই এখন ক্রনিক পালমোনারি ডিজিজ, হৃদ সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের অভ্যাসের জেরেই শারীরিক নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাই যোগাভ্যাস জরুরি। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের আগে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস (International Day of Yoga) থাকলে একাধিক জটিল রোগ মোকাবিলা করা যায়। এবার এক নজরে দেখে নিন, কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ করে যোগাভ্যাস?

    হাঁটুর ব্যথা কমাবে যোগাভ্যাস (International Day of Yoga)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হাড় ও পেশির সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত ক্যালসিয়ামের অভাবেই নানান হাড়ের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কম বয়সিরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশেষত মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি। আর এর জেরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে হাঁটুতে। খুব কম বয়স থেকেই হাঁটুর রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, উত্থানপদাসন কিংবা পেলভিস ব্রিজের মতো যোগাভ্যাস নিয়মিত করলে হাঁটুর ব্যথা কমবে। চিৎ হয়ে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে উপরের দিকে তোলার মতো এই যোগাভ্যাস নিয়মিত করলে হাঁটুর সমস্যা কমবে‌। হাঁটুর কার্যকারিতা বাড়বে‌।

    শ্বাসকষ্ট কমাবে যোগাভ্যাস

    বায়ুদূষণের জেরে বাড়ছে ফুসফুসের রোগ। শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সেই দেখা দিচ্ছে নানান ফুসফুসের রোগ। তার উপরে ধূমপানের অভ্যাস ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ছাড়ার পাশপাশি কিছু যোগভ্যাস (International Day of Yoga) নিয়মিত করলে ফুসফুসের অসুখের ঝুঁকি কমবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ভোরে সিদ্ধাসনের মতো অভ্যাস তৈরি করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, মেরুদণ্ড সোজা রেখে পদ্ধাসনে বসে ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া এবং ছাড়ার মতো আসন করলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়বে।

    স্থূলতার মোকাবিলা করবে যোগাভ্যাস (International Day of Yoga)

    হৃদরোগ থেকে কোমরের সমস্যা, একাধিক রোগের কারণ স্থূলতা। এর জেরে শরীরে একাধিক রোগ বাসা বাঁধছে। তরুণ প্রজন্মের একাংশ এই সমস্যায় ভুক্তভোগী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্থূলতাকে সহজেই মোকাবিলা করে যোগাভ্যাস। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাসন করলে ক্যালরি ক্ষয় হয়। তার সঙ্গে নিয়মিত অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটা জরুরি। এতে দেহে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। পেটের চর্বি কমে‌। ফলে স্থূলতার মোকাবিলা সহজ হয়।

    হজমের গোলমাল কমাবে যোগাভ্যাস

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ত্র এবং পাকস্থলীর রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এর জেরে‌ ভোগান্তিও বাড়ছে। অনিয়মিত খাবারের অভ্যাস তরুণ প্রজন্মের একাংশের রয়েছে। আর তার জেরেই এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে। ঠিক সময়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু যোগাভ্যাস (International Day of Yoga) নিয়মিত করলে অন্ত্র, পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়বে। হজমের সমস্যা কমবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত বজ্রাসন কিংবা পবনমুক্তাসনের মতো যোগাভ্যাস করলে হজমের গোলমাল কমে‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share