Author: user

  • LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    LAC: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলল ৪ বছর পর! পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় টহলদারি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ গলল ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ! চার বছরেরও বেশি সময় পর পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর টহল দেওয়া (Patrolling Begins) শুরু করেছে ভারতীয় ও চিনা সেনারা। ২০২০ সালে গলওয়ানে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট সীমান্ত উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    শুরু টহলদারি (LAC)

    বৃহস্পতিবার, দীপাবলি উপলক্ষে মিষ্টি বিনিময়ের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেপসাং এবং দেমচক এলাকায় সেনারা টহল দেন। মিলিটারি ডিসএনগেজমেন্টের একদিন পর শুরু হয়েছে এই টহলদারি। ২০২০ সালের মে-জুন মাসে প্যাঙ্গং লেক ও গলওয়ান অঞ্চলে সংঘর্ষের পর এই দুই এলাকায় প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে টহল বন্ধ ছিল। ভারত-চিনের সেই সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ জন ভারতীয় সেনা। দুই দেশের সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে টহল সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সীমান্তে চলা উত্তেজনার অবসান ঘটানো। এই বিচ্ছিন্নতা চুক্তির আওতায় ডেপসাং এবং দামচোক থেকে সৈন্য ও পরিকাঠামো অপসারণ করা হয়। এপ্রিলে ২০২০-র আগের অবস্থানে সৈন্যদের প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

    দীপাবলি

    দীপাবলি উপলক্ষে, গতকাল পাঁচটি জায়গায় যেমন লাদাখের চুশুল মল্ডো এবং দৌলত বেগ ওল্ডি-তে, সৈন্যরা মিষ্টি বিনিময় করেন। সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনাবাহিনী এখন দেখছে, চিন চুক্তি অনুসারে সত্যিই তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করেছে কি না। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে প্রতিটি পক্ষের স্থল-স্তরের কমান্ডাররা টহল দেওয়ার আগে একে অপরকে অবহিত করবেন (LAC)। দেপসাং ও দেমচকে উভয় পক্ষই নজরদারির বিকল্পগুলি বজায় রাখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে জনবিন্যাস! অস্তিত্বের সঙ্কটে হিমাচলি হিন্দুরা, পালটা প্রতিরোধের ডাক

    বৃহস্পতিবারই সেনার তরফে জানানো হয়, দেমচক ও দেপসাংয়ে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলাকা থেকে সম্পূর্ণভাবে সেনা প্রত্যাহার করেছে দুই দেশ। শুরু হয়েছে স্বাভাবিক নজরদারি। তবে এখনও যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো মেটানোর জন্য নিয়মিত আলোচনায় বসবেন দুই দেশের সেনার কমান্ডার পর্যায়ের আধিকারিকরা। সীমান্ত এলাকায় যাতে কোনও (Patrolling Begins) ভুল বোঝাবুঝি না হয়, তাই সেদিকেও নজর রাখবেন তাঁরা (LAC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 181: “ছেলে কাঁদে কতক্ষণ? যতক্ষণ না স্তন পান করতে পায়, তারপরই কান্না বন্ধ হয়ে যায়”

    Ramakrishna 181: “ছেলে কাঁদে কতক্ষণ? যতক্ষণ না স্তন পান করতে পায়, তারপরই কান্না বন্ধ হয়ে যায়”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    অষ্টাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৮ই এপ্রিল

    শ্রীরামকৃষ্ণের ঈশ্বরাবেশ, তাঁহার মুখে ঈশ্বরের বাণী

    শ্রীযুক্ত অধর সেনের দ্বিতীয় দর্শন—গৃহস্থের প্রতি উপদেশ

    “বিষয়ী লোকদের রোখ নাই। হল হল; না হল না হল। জলের দরকার হয়েছে কূপ খুঁড়ছে। খুঁড়তে, খুঁড়তে যেমন পাথর বেরুল, অমনি সেখানটা ছেড়ে দিলে। আর-এক জায়গা খুঁড়তে বালি পেয়ে গেল; কেবল বালি বেরোয়। সেখানটাও ছেড়ে দিলে। যেখানে খুঁড়তে আরম্ভ করেছে, সেইখানেই খুঁড়বে তবে তো জল পাবে।

    “জীব যেমন কর্ম করে, তেমনি ফল পায়। তাই গানে আছে:

    দোষ কারু নয় গো মা।
    আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা।

    “আমি আর আমার অজ্ঞান। বিচার করতে গেলে যাকে আমি আমি করছ, দেখবে তিনি আত্মা বই আর কেউ নয়। বিচার কর — তুমি শরীর না মাংস, না আর কিছু? তখন দেখবে, তুমি কিছুও নও। তোমার কোন উপাধি নাই। তখন আবার ‘আমি কিছু করি নাই, আমার দোষও নাই, গুণও নাই। পাপও নাই, পুণ্যও নাই।’

    “এটা সোনা, এটা পেতল—এর নাম অজ্ঞান। সব সোনা—এর নাম জ্ঞান।”

    ঈশ্বরদর্শনের লক্ষণ—শ্রীরামকৃষ্ণ কি অবতার? 

    “ঈশ্বরদর্শন হলে বিচার বন্ধ হয়ে যায়। ঈশ্বরলাভ করেছে, অথছ বিচার করছে, তাও আছে। কি কেউ ভক্তি নিয়ে তাঁর নামগুণগান করছে।

    “ছেলে কাঁদে কতক্ষণ? যতক্ষণ না স্তন পান করতে পায়। তারপরই কান্না বন্ধ হয়ে যায়। কেবল আনন্দ। আনন্দে মার দুধ খায়। তবে একটি কথা আছে। খেতে খেতে মাঝে মাঝে খেলা করে, আবার হাসে।

    “তিনিই সব হয়েছেন। তবে মানুষে তিনি বেশি প্রকাশ। যেখানে শুদ্ধসত্ত্ব বালকের স্বভাব — হাসে, কাঁদে, নাচে, গায় — সেখানে তিনি সাক্ষাৎ বর্তমান।”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dayanand Saraswati: আজ স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর প্রয়াণ তিথি, ফিরে দেখা তাঁর কর্মকাণ্ড

    Dayanand Saraswati: আজ স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর প্রয়াণ তিথি, ফিরে দেখা তাঁর কর্মকাণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayanand Saraswati) প্রয়াণ তিথি আজ অর্থাৎ ১ নভেম্বর। তিনি মনে করতেন, এদেশের শাশ্বত সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিক গ্রন্থগুলির মাধ্যমেই বর্তমান যুগের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী আজীবন সত্যের আরাধনা করে গিয়েছেন। প্রতিটি মানুষকে সত্যের উপাসনা করার জন্য তিনি সর্বদা প্রেরণা দিতেন। একটি পত্রিকাও চালু করেছিলেন দয়ানন্দ সরস্বতী (Dayanand Saraswati), যার নাম ছিল সত্যার্থ প্রকাশ। সেখানেই তিনি বেদ, মনুস্মৃতি, উপনিষদ, ব্রাহ্মণ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করতেন। সত্যার্থ প্রকাশের মাধ্যমেই, সমাজ গঠন, উন্নত জীবন-যাপন কীভাবে করা যায়, সে কথা বলতেন তিনি। ধর্ম, সংস্কৃতি, প্রকৃত ভগবান, ইত্যাদি নানা বিষয়ে মতামত দিয়ে গিয়েছেন তিনি। তিনি ছিলেন একজন বৈদিক পণ্ডিত, লেখক, দার্শনিক, সমাজ সংস্কারক সর্বোপরি একজন যোগী।

    ‘বেদের (Vedas) যুগে ফিরে চলো’

    আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী (Dayanand Saraswati) জন্মগ্রহণ করেন ১২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৪ সালে। উনবিংশ শতকের এই মহান কর্মযোগী দার্শনিক এবং সনাতন ধর্মের প্রচারক হিসাবে সামাজিক এবং শিক্ষামূলক বিভিন্ন সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর মূল বাণী ছিল, ‘বেদের যুগে ফিরে চলো’। এই আদর্শেই তিনি জীবন অতিবাহিত করেছেন। সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ঊনবিংশ শতকের এই মহান কর্মযোগী মাত্র ৫৯ বছর বয়সে ৩০ অক্টোবর ১৮৮৩ সালে প্রয়াত হন।

    সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক নানা সংস্কার আন্দোলন
     
    সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক নানা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন দয়ানন্দ সরস্বতী। এর মধ্যে ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি স্থাপন করেন আর্য সমাজ। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বেদের প্রচার এবং ব্যক্তি জীবন ও সমাজ জীবনের সর্বাঙ্গীন বিকাশ। বেদের (Vedas) যুগে ফিরে যাওয়া ছাড়াও আর্য সমাজের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই। তিনি শুদ্ধি আন্দোলনও শুরু করেছিলেন। যে সমস্ত হিন্দুরা ধর্মান্তরিত হতেন, শুদ্ধি আন্দোলনের মাধ্যমে পুনরায় তাঁদের হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনা হত।

    চরমপন্থী জাতীয়তাবাদের বিকাশেও স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর চিন্তাধারা যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল

    বৈদিক সাহিত্যের প্রচার এবং বৈদিক শিক্ষার জন্য সারা জীবন প্রয়াস চালিয়ে গিয়েছেন স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী (Dayanand Saraswati)। কারণ তিনি মনে করতেন যে হিন্দু ধর্মের আধ্যাত্মিকতা, শারীরিক, মানসিকভাবে যে কোনও হিন্দুর বিকাশ সম্ভব বেদকে অধ্যয়ন করে, বেদের অন্তর্নিহিত সত্যকে উপলব্ধি করে। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং জ্ঞানের বিকাশের জন্য বৈদিক সাহিত্য অপরিহার্য বলেই তিনি মনে করতেন। বৈদিক সাহিত্যের প্রচারের জন্য তিনি স্কুল এবং কলেজ স্থাপনও করতেন। দয়ানন্দ সরস্বতী ‘সত্যার্থ প্রকাশ’ নামে একটি পত্রিকা বের করতেন। পত্রিকার মাধ্যমে সামাজিক এবং বিভিন্ন ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি আওয়াজ তুলতেন। এটা মনে করা হয় যে ভারতবর্ষের চরমপন্থী জাতীয়তাবাদের বিকাশেও স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর চিন্তাধারা যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল।

    বৈদিক শিক্ষার মাধ্যমেই ভারতের সমাজ এবং সভ্যতার পুনর্জাগরণ সম্ভব

    এছাড়াও স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী রচনা করেছিলেন বেদভাষ্য ভূমিকা এবং বেদভাষ্য। একইসঙ্গে আর্য পত্রিকাও তিনি সম্পাদনা করতেন বলে জানা যায়। যেখানে প্রতিফলিত হত, তাঁর চিন্তাধারা। তিনি মনে করতেন, স্বার্থপর এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন পুরোহিতরাই হিন্দু ধর্মকে বিপথগামী করে তুলছে। হিন্দু সংস্কৃতিকে তিনি ভারতবর্ষের ভিত্তি মানতেন। এছাড়াও জানা যায়, যেকোনও ধরনের জাতিভেদ প্রথারও বিরোধী ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই সমস্ত সামাজিক ব্যধির বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলনও গড়ে তুলেছিলেন তিনি। নারী স্বাধীনতা এবং সমাজের বঞ্চিত শ্রেণীর ক্ষমতায়নের পক্ষেও তিনি বারবার আওয়াজ তুলেছেন। স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী মনে করতেন, বৈদিক শিক্ষার মাধ্যমেই ভারতের সমাজ এবং সভ্যতার পুনর্জাগরণ সম্ভব। এজন্য তিনি অসংখ্য গুরুকুল স্থাপন করেন। পুরুষ-নারীদের আলাদা আলাদা গুরুকূল তিনি স্থাপন করেছিলেন।

    তিনিই প্রথম স্বরাজ কথাটি ব্যবহার করেছিলেন 

    দয়ানন্দ সরস্বতী সারা জীবন সচেষ্ট ছিলেন যে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাব থেকে এ দেশকে কীভাবে মুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে। একই সঙ্গে গণতন্ত্র এবং জাতির গঠন নিয়ে তিনি অনেক জায়গাতেই বক্তৃতা করেছেন বলে জানা যায়। তিনিই ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি স্বরাজ কথাটি সর্ব প্রথম ব্যবহার করেছিলেন। রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্যও তিনি আওয়াজ তুলতেন। পরবর্তীকালে লোকমান্য তিলক যে স্বরাজ-এর কথা বলতেন, সেই ধারনা তিনি স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর (Dayanand Saraswati) কাছ থেকেই পেয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diwali 2024: রামনগরীতে ২৫ লাখেরও বেশি প্রদীপের গণনা কীভাবে? জানালেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তা

    Diwali 2024: রামনগরীতে ২৫ লাখেরও বেশি প্রদীপের গণনা কীভাবে? জানালেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল অযোধ্যায় (Ayodhya) দুটি বিশ্ব রেকর্ড করে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। একসঙ্গে ২৫ লাখ ১২ হাজার ৫৮৫টি প্রদীপ জ্বলে ওঠে রাম নগরীতে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি জনতা গতকাল বুধবার হাজির হয় সরযূ নদীর তীরে। এই দুটো ইভেন্টই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নথিভুক্ত হয়। কিন্তু কীভাবে গণনা করা হল এত বিপুল সংখ্যক প্রদীপ।

    তিনটি পদ্ধতিতে প্রদীপ গণনা (Diwali 2024)

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি মন্দিরে প্রবেশ করেন রামলালা। তারপরে এটিই ছিল অযোধ্যার প্রথম দীপোৎসব। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের একজন আধিকারিক নিশচাল বাড়ুল জানিয়েছেন, তিনটি পদ্ধতিতে প্রদীপ গণনা করা হয়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের দল দীপোৎসবের (Diwali 2024) চারদিন আগেই অযোধ্যায় পৌঁছে যায়। প্রথমে প্রদীপগুলি যখন জ্বলে ওঠেনি, তখন সেই শুকনো প্রদীপগুলিকে গণনা করা হয়, তারপরে যখন তা আলোকিত হয়, সেগুলির একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিজিটাল ভাবে গণনা করা হয় এবং সবশেষে ড্রোনের মাধ্যমে প্রদীপগুলি আরেকবার গণনা করা হয়। এর পরে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গা নিয়েও আপস করবে না ভারত’’, গুজরাতের কচ্ছে বললেন মোদি

    ২৫ লাখ প্রদীপ জ্বালানো হয়েছিল ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই

    প্রসঙ্গত, এই ২৫ লাখ প্রদীপ জ্বালানো (Ayodhya) হয়েছিল ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই। এ নিয়ে নিশচাল বাড়ুল আরও জানিয়েছেন, অযোধ্যার (Diwali 2024) এই দীপোৎসব, অলিম্পিকের থেকেও বেশি চ্যালেঞ্জিং ছিল। তিনি জানিয়েছেন যে এই ২৫ লাখ প্রদীপ জ্বালানো পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য দেখা গিয়েছে। বৃহস্পতিবারই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘গতকাল অযোধ্যার মানুষদের খুব গর্বের দিন ছিল। কারণ তারা নতুন একটি অ্যাচিভমেন্ট তৈরি করতে পেরেছেন। আমি বিশ্বাস করি অযোধ্যার এই দীপোৎসব নতুন ভাবে সৃজনশীলতার, এক আলাদা পরিবেশ নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গা নিয়েও আপস করবে না ভারত’’, গুজরাতের কচ্ছে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘‘সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গা নিয়েও আপস করবে না ভারত’’, গুজরাতের কচ্ছে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দীপাবলি (Diwali) উৎসব সেনা জওয়ানদের সঙ্গেই উদযাপন করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবারেও তার ব্যতিক্রম হল না। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  বিএসএফ-এর লঞ্চে গুজরাতের কচ্ছ উপকূলের স্যর ক্রিক এলাকার লক্কি নালায় পৌঁছন। সেখানে গিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের মিষ্টিমুখ করান। এর পাশাপাশি সেনা, বায়ুসেনা, নৌবাহিনীর আধিকারিকদেরও শুভেচ্ছা জানান তিনি। কচ্ছে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, ‘‘সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গা নিয়েও আপস করবে না ভারত।’’

    জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির উৎসব উদযাপন করতে পারাটা সবচেয়ে আনন্দের 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন বলেন, ‘‘জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির উৎসব উদযাপন করতে পারাটা সবচেয়ে আনন্দের। আমি আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা (Diwali) জানাচ্ছি।’’ প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘আমরা একটি সেনা, একটি বায়ুসেনা এবং একটি নৌবাহিনীকে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু তারা একসঙ্গে কাজ করে। আমাদের কাছে তাদের অস্বস্তিও একটাই।’’

    দেশ রক্ষায় মানুষ সামরিক শক্তির ওপর ভরসা করে

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ভারত সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গা নিয়েও আপস করবে না। দেশ রক্ষায় মানুষ সামরিক শক্তির ওপর ভরসা করে। শত্রুদের কথায় নয়, আমাদের সেনা জওয়ানদের দৃঢ়তায় আস্থা রাখি। ভারতবাসী আপনাদের জন্য সুরক্ষিত বোধ করে। যখন বিশ্ব আপনাদের দিকে তাকায়, তখন তারা ভারতের শক্তি সম্পর্কে বুঝতে পারে। আর যখন শত্রুরা আপনাদের দেখে তখন তারা তাদের ষড়যন্ত্রের শেষটা দেখতে পায়।’’

    বল্লভভাইকে স্মরণ

    প্রসঙ্গত, ৩১ অক্টোবর দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তীও বটে। এদিনটি দেশজুড়ে জাতীয় ঐক্য দিবস পালন করা হয়। বৃহস্পতিবার গুজরাতের কেভাড়িয়ায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের বিশালাকায় মূর্তিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘‘ভারত রত্ন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে স্যালুট জানাই। তিনি দেশের ঐক্য এবং অখণ্ডতাকে রক্ষা করেছেন। এই বিষয়টাই তাঁর জীবনে অগ্রাধিকার পেয়েছে। তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং কাজ দেশের প্রতিটি প্রজন্মকে উৎসাহ জোগাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 01 November 2024: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 November 2024: পেটের কষ্ট বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ২) মায়ের ব্যবহারে কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) অধিক খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) বাড়তি আয় করতে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে ভীষণ সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হয়ে উঠবেন।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিন।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: নদিয়ার মাজদিয়ার ১১২ বছরের ‘ডাকাতে কালী’র কাহিনি আজও যেন গায়ে কাঁটা দেয়!

    Kali Puja 2024: নদিয়ার মাজদিয়ার ১১২ বছরের ‘ডাকাতে কালী’র কাহিনি আজও যেন গায়ে কাঁটা দেয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাকাতি করে এসে ডাকাতরা করত মা কালীর পুজোl তাই নাম ডাকাতে কালীl এই পুজোর বয়স ১১২ বছরের মতো l ভীষণ জাগ্রত এই কালী। পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। নদিয়ার মাজদিয়ার ঘোষপাড়ায় এই ডাকাতে কালীতলায় ধুমধাম করে পুজো (Kali Puja 2024) হচ্ছে এবারেও l প্রাচীন এই পুজোকে ঘিরে রয়েছে দারুণ কাহিনিl

    তরতাজা যুবক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, তাঁরা ডাকাতি করবেন

    স্থানীয় শিক্ষক সুকুমার ঘোষের কাছ থেকে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ১১২ বছর আগে ওই গ্রামের মানুষের দিন কাটছিল অভাব-অনটনের মধ্যে দিয়েl অনেকেই পাচ্ছিলেন না দুবেলা দুমুঠো খাবারl সেই করুণ অবস্থা দেখে ব্যথিত হয়ে পড়লেন গ্রামবাসীরা। ওই গ্রামের কয়েকজন তরতাজা যুবক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, তাঁরা ডাকাতি করবেনl ডাকাতি করেই জোগাড় করবেন গ্রামের মানুষের জন্য খাবারl তখন চলছে কড়া ব্রিটিশ শাসনl আচমকা ওই যুবকেরা খবর পেলেন, ঢাকার দিকে যাচ্ছে ব্রিটিশদের মালবাহী ট্রেনl ওই ট্রেনেই তাঁরা ডাকাতি করার সিদ্ধান্ত নেন। রাত হয়ে গিয়েছে। মাজদিয়ার ইছামতী ব্রিজের ওপর দিয়ে ব্রিটিশদের মালবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল কু-ঝিক ঝিক করেl হাতে লন্ঠনের লাল আলো দেখিয়ে ব্রিজের ওপরই দাঁড় করিয়ে দেওয়া হল ট্রেনটিকেl সময় নষ্ট না করে ট্রেনের বগি থেকে কাপড়ের বান্ডিল বেশ কয়েকটা ফেলে দেওয়া হল নদীর জলেl লুট করা হল খাদ্যসামগ্রীওl এরপর ডাকাতরা লাল আলো নিয়ে সরে যেতেই ট্রেন ছাড়ে। ট্রেন বেরিয়ে গেল ঠিকই, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই খবর পৌঁছে গিয়েছিল ব্রিটিশ বাহিনীর কাছেl শুরু হয়ে গেল খোঁজ-খোঁজl ডাকাতদলের লোকজন আশ্রয় নিয়েছিলেন জঙ্গলেl ব্রিটিশ বাহিনী নদীতে ফেলা কাপড়ের বান্ডিলের হদিশ পায়নি l সেই কাপড় তুলে ও লুট করা খাদ্যসামগ্রী ওই ডাকাতেরা গ্রামের মানুষের মধ্যে বিলি করেন। কিন্তু যারা করেছে এই কাজ, তাদের সন্ধানে ব্রিটিশ পুলিশদের খোঁজখবর চলছিল কড়াভাবেইl

    ‘মা, তুমি বাঁচিয়ে দাও, আমরা তোমার পুজো দেব’ (Kali Puja 2024)

    ডাকাতে কালীপুজো কমিটির সভাপতি সুমন ঘোষের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, ওই ডাকাতদলে ছিলেন দুলাল প্রামাণিক, হেমন্ত বিশ্বাস, ভরত সর্দার, কৃত্তিবাস মিত্র, অবিনাশ ক্যারিয়া, গিরীন্দ্রনাথ ঘোষ নামে কয়েকজন যুবকl ব্রিটিশবাহিনীর কাছে ধরা পড়ার ভয়ে জঙ্গলেই কাটতে লাগল তাঁদের সময়l সেই সময় তাঁরা স্মরণ করেছিলেন মা কালীকেl বলেছিলেন, ‘মা, তুমি বাঁচিয়ে দাওl আমরা তোমার পুজো দেবl ‘অলৌকিকভাবেই সেবার তাঁদের সন্ধান পায়নি বৃটিশের পুলিশl ফিরে যেতে হয় তাদেরl ব্রিটিশবাহিনীর ফিরে যাওয়ার পরদিনই ছিল অমাবস্যা,কালীপুজোl জঙ্গল থেকে বেরিয়ে একটি বেল ও নিমগাছের পাশেই বেদি বানিয়ে ডাকাতরা করেছিলেন মা কালীর পুজোর আয়োজনl

    ডাকাতি করা জিনিসপত্র তাঁরা বিলিয়ে দিতেন

    জোর করে ভূদেব মালাকার নামে একজন প্রতিমাশিল্পীকে ধরে এনে ঠাকুর বানানো হলl গ্রামের চক্রবর্তী পরিবারের লোককে দিয়ে বাধ্য করানো হল পুজো করতেl প্রতিমা বানিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রং করিয়ে পাটে তোলা হলl সেই সময়ের ডাকাত হেমন্ত বিশ্বাসের পরিবারের সদস্য সুনীল বিশ্বাসের কাছ থেকে জানা যায় সেদিনের অনেক কাহিনি-ইl যদিও সেদিন যাঁরা ডাকাত বলে পরিচিত ছিলেন, তাঁদের মাজদিয়ার ঘোষপাড়ার মানুষ সম্মানের চোখেই দেখেন বলে জানালেন প্রাক্তন শিক্ষক সুকুমার ঘোষ। তাঁদের বক্তব্য, ‘ওঁরা ডাকাতি করতেন ঠিকই, তবে কোনও দিন মানুষ খুন করেননিl শুধু তাই নয়, ডাকাতি করা জিনিসপত্র তাঁরা বিলিয়ে দিতেন গ্রামের মানুষের মধ্যেইl তাঁরাই আবার ডাকাতির টাকা-পয়সা দিয়ে করতেন মায়ের পুজোl তাই এখানে মা কালী ডাকাতে কালী বলেই পরিচিতl যদিও সেদিনের সেই ডাকাতদের পরিবারের উত্তরসূরীরা কেউ শিক্ষক, কেউ পুলিশে, কেউ সেনাবহিনীতে কাজ করেনl ডাকাত হেমন্ত বিশ্বাসের পরিবারের সদস্য সুনীল বিশ্বাস একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বছরে অন্য সময় তাঁরা ডাকাতি না করলেও ডাকাতি ছিল মাকে স্মরণ করার একটা পন্থা। তাইতো কালীপুজোর আগে ওঁদের ডাকাতি করা চাই-ইl নইলে যে মায়ের পুজো (Kali Puja 2024) হবে নাl

    কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি, ট্রেজারিতেও ডাকাতি

    একবার ডাকাতি আটকাতে পুলিশ (Nadia) ওঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে আটকে রাখল সন্দেহের বশে l থানার সামনে চাদর-কম্বল মুড়ি দিয়ে ওঁরা ষোল-সতেরো জন শুয়ে থাকলl পরদিনই কালীপুজোl কী হবে? অনেক রাত হয়ে গিয়েছেl গ্রামের কয়েকজন পুলিশের নজর এড়িয়ে ওঁদের চাদর-কম্বলের তলায় আশ্রয় নিলl ওঁরা বেড়িয়ে গেলেন ডাকাতি করতেl ডাকাতি সেরে ডাকাতির মালপত্র এক জায়গায় রেখে ওঁরা নিজেদের জায়গায় ফিরে এসে কম্বলের তলায় শুয়ে পড়েl যারা আগে থেকে ছিল, তারা বেরিয়ে আসেl পুলিশ বুঝতে পারেনিl পরদিন ওঁরা ছাড়া পেয়ে মায়ের পুজো দিলেনl বাকি সামগ্রী গ্রামের মানুষদের বিলিয়ে দেনl আসলে ওঁরা সব সময়ই মাকে স্মরণ করতেনl ডাকাতি করতেন গরিব মানুষদের জন্যl জানা যায়, ওঁরা কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি, ট্রেজারিতেও ডাকাতি করেছেনl

    ‘কথা দে, আর তোরা ডাকাতি করবি না’ (Kali Puja 2024)

    বাংলাদেশের দর্শনাতে একবার ডাকাতি করতে যাওয়ার পর ঘটেছিল একটা অদ্ভুত ঘটনাl ওইখানেই কর আদায়ের দায়িত্বে ছিলেন যে রানি, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, ডাকাতদল হানা দিয়েছেl এখান থেকে ডাকাতরা ডাকাতি করতে গিয়ে অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হন। দেখেন, ঢোকার মুখে যেন স্বয়ং মা দাঁড়িয়েl যিনি বলেন, তোরা কথা দে, আর তোরা ডাকাতি করবি নাl আসলে ওঁদের শিক্ষা দিতে ওই রানি নিজেই নগ্ন হয়ে মা কালীর রূপ নিয়েছিলেনl হ্যাঁ, সেদিনের পর থেকে ওঁরা ডাকাতি বন্ধ করে দেনl ‘পরবর্তীকালে গ্রামের ঘোষপাড়ায় চাঁদা তুলে মায়ের মন্দির গড়ে তোলেনl আজও ডাকাতদের সেই কালী-ই ডাকাতে কালী নামে পুজো হয়ে আসছেl আর যেখানে নিমগাছ তলায় (Nadia) প্রথম কালীপুজো করেছিলেন ডাকাতরা, সেই থানে গ্রামের মহিলারা আজও সকাল-সন্ধ্যায় পূজা দেন ভক্তি ভরে। এই কালী এখানকার মানুষের কাছে অত্যন্ত জাগ্রতl বহু মানুষ এখানে মায়ের পুজো দেনl পুজোর দিন হয় পাঁঠা বলিl

    জল-বাতাসা সহ মাকে মিষ্টিমুখ

    প্রথা মেনে ভাতৃদ্বিতীয়ার দিন কাঁধে করে পুরো মাজদিয়া বাজার ঘুরে ডাকাতে কালীকে বিসর্জন করা হত। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এখন টানা গাড়িতে করে বিসর্জিত হয় ডাকাতে কালী মাথাভাঙা নদীতে। কালী মা বাজারের মধ্যে প্রতিটি দোকানের সামনে পৌঁছানো মাত্রই দোকানদাররা জল-বাতাসা সহ মাকে মিষ্টিমুখ করান। শোভাযাত্রায় হাজার হাজার পুরুষ-মহিলা পা মেলান। বলা যেতেই পারে, ডাকাতে কালী এখন এলাকার মানুষের কাছে একটা আবেগ (Kali Puja 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: ১০৮টি নরমুণ্ড দিয়ে চলত তন্ত্রমতে দেবীর উপাসনা! পুজো হয় মদ, কাঁচা মাংস দিয়ে

    Kali Puja 2024: ১০৮টি নরমুণ্ড দিয়ে চলত তন্ত্রমতে দেবীর উপাসনা! পুজো হয় মদ, কাঁচা মাংস দিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিগঙ্গার পাড়ে কয়েকশো বছরের প্রাচীন মন্দিরবাজারের দক্ষিণ বিষ্ণুপুর শ্মশান। এই শ্মশানেই আগে ভিড় জমাতেন তান্ত্রিক ও সাধকরা। শব সাধনায় বসতেন অনেকেই। এখনও শ্মশানে ঢুকলে গা ছমছমে পরিবেশ। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তান্ত্রিকদের সাধনার জোরে আজও রাতের অন্ধকারে জেগে ওঠে শ্মশান। ১১০ বছর আগে এই শ্মশান লাগোয়া জঙ্গলের মধ্যে টালির ছাউনির নীচে কালীপুজো (Kali Puja 2024) শুরু করেছিলেন তান্ত্রিক মণিলাল চক্রবর্তী। ১০৮টি নরমুণ্ড দিয়ে চলত তন্ত্রমতে দেবীর উপাসনা। সেই থেকেই শ্মশানে পূজিত হয়ে আসছেন মা করুণাময়ী কালী।

    কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে পুজো শুরু (Kali Puja 2024) 

    শ্যামাকালী পুজোর দিন আজও এলাকার হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান এই মন্দিরে। স্থানীয়দের মুখে মুখে প্রচলিত আছে, তন্ত্রের দীক্ষা নিয়ে শ্মশানে সাধনা শুরু করেছিলেন ব্রাহ্মণ মণিলাল চক্রবর্তী। কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে শ্মশান লাগোয়া জঙ্গলের মধ্যে পুজো শুরু করেন তিনি। দেবী নিত্যপুজোর ইচ্ছা প্রকাশ করলে পাকাপাকি ভাবে তৈরি করা হয় মন্দির। গঙ্গার তীরে ঘন জঙ্গল। সেই জঙ্গলে বাস ছিল হিংস্র জীবজন্তুদের। কোনও ভাবে মানুষের প্রবেশ ছিল না। সেই জঙ্গল সাফ করে জঙ্গলের মধ্যেই তৈরি হয় মন্দির। দেবীমূর্তির পিছনে বসানো হয় ১০৮টি নরমুণ্ড। এইসব নরমুণ্ড হল অপঘাতে মৃত্যু যাদের হয়েছিল, তাদের মাথার খুলি, এমনটাই জানা যায়। সামনে পঞ্চমুণ্ডির আসন মায়ের বেদির নীচে দেওয়া হয় নরমুণ্ড। মায়ের মূর্তি মাটি ছাড়া তৈরি হয় বালি-সিমেন্ট দিয়ে কংক্রিটের। এখানে তন্ত্রমতে দেবীকে পুজো দেওয়া হলেও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ বলি। কালীপুজোর দিন প্রথমে শ্মশানে আসা শবদেহকে আত্মার শান্তি কামনা করে পুজো দিয়ে তারপরেই ১০৮টি নরমুণ্ড পুজো দেওয়া হয়। তারপরেই শুরু হয় মা কালীর পুজো (Kali Puja 2024)। পুজোর দিন মদ, কাঁচা মাংস ও শোল মাছ দিয়ে পুজো করা হয়।

    আধুনিকতার ছোঁয়া

    মণিলালের মৃত্যুর পর থেকে তাঁর পুত্র ৮০ ঊর্ধ শ্যামল চক্রবর্তী মন্দিরের দায়িত্ব সামলে আসছেন। তিনিই এখন প্রধান সেবাইত। শ্যামলবাবু বললেন, ‘‘বাবার মৃত্যুর পর কাকা ফণীভূষণ চক্রবর্তীর কাছ থেকে তন্ত্রের শিক্ষা নিতে থাকি। পরে করুণাময়ী মন্দিরে মায়ের নিত্যপুজো (Kali Puja 2024) শুরু করি। পুজোর দিন দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্ত আসেন এই পুজো দেখতে। ভক্তদের মনস্কামনার জন্য মন্দিরের সামনে একাধিক ঢিল বেঁধে রাখা হয়। তবে এক সময় এই মন্দিরে আসতে ভক্তরা ভয় পেত। চারিদিকে গা ছমছমে ভাব। অন্ধকার জঙ্গল এখন অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বসার জায়গা। লাগানো হয়েছে আলো। কিছুটা হলেও আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে মন্দির চত্বর (South 24 parganas)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 31 october 2024: প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 31 october 2024: প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় চাপ বাড়লেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে দূরে থাকুন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra: মহারাষ্ট্রে ১৪৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিজেপি, ঢের পিছিয়ে কংগ্রেস

    Maharashtra: মহারাষ্ট্রে ১৪৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিজেপি, ঢের পিছিয়ে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ১৪৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিজেপি। কংগ্রেস (Congress) প্রার্থী দিতে পেরেছে মাত্র ১০৩টি আসনে। মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। সব মিলিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৮ হাজার প্রার্থী। এর মধ্যে রয়েছে মহায়ুতি এবং বিরোধী মহা বিকাশ আগাড়ি জোটের প্রার্থীরাও।

    করুণ অবস্থা কংগ্রেসের! (Maharashtra)

    মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে ৮০টি আসনে। উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫৩ জন। মহায়ুতি জোটকে দেওয়া হয়েছে পাঁচটি আসন। প্রসঙ্গত, নভেম্বরের ২০ তারিখে একদিনেই নির্বাচন হবে মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি আসনে। সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি কংগ্রেস। মাত্র ১০৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে রাহুল গান্ধীর দল। উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা প্রার্থী দিয়েছে ৮৯টি আসনে। শারদ পাওয়ারের এনসিপি (এসপি) লড়ছে ৮৭টি আসনে। মহা বিকাশ আগাড়ি জোটকে ছাড়া হয়েছে ৬টি আসন।

    জমা পড়ল রেকর্ড মনোনয়নপত্র

    সব মিলিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৭ হাজার ৯৯৫ প্রার্থী। মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ১০ হাজার ৯০৫টি। ২২ অক্টোবর নমিনেশন জমা (Maharashtra) দেওয়া শুরু হয়েছিল। শেষ হল মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর। বুধবার, ৩০ অক্টোবর হয়েছে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা। মনোনয়ন তুলে নেওয়ার শেষ দিন নভেম্বরের ৪ তারিখ, বিকেল ৩টে পর্যন্ত। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল ৫ হাজার ৫৪৩টি। সে বছর লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ৩ হাজার ২৩৯জন প্রার্থী। এবার নাসিক জেলায় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৩৬১ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৫০৬টি। এর মধ্যে মঙ্গলবারই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৫৫ জন।

    আরও পড়ুন: দীপোৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, নেপালের জনকপুরও

    বিখ্যাত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্য শিবসেনার দাদা ভুসে। তিনি লড়ছেন মালেগাঁও আউটার থেকে। ইয়োল থেকে লড়ছেন এনসিপির ছগন ভুজবল, নন্দগাঁও থেকে লড়ছেন শিবসেনার সোহাস কান্দে, নাসিক পূর্ব থেকে লড়ছেন বিজেপির রাহুল ধিকলে, শিবসেনা ইউবিটির বসন্ত গিতে লড়ছেন নাসিক সেন্ট্রাল থেকে (Congress)। তিনি প্রাক্তন বিধায়ক। দেউলালি থেকে লড়ছেন এনসিপির বিদায়ী বিধায়ক সরোজ আহিরে (Maharashtra)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share