Author: user

  • Cyclone Dana: ‘চোখ’ না থাকলেও বাংলা-ওড়িশার উপকূলে ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে দানা

    Cyclone Dana: ‘চোখ’ না থাকলেও বাংলা-ওড়িশার উপকূলে ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে দানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতেই ওড়িশার উপকূলে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে ঘূর্ণিঝড় দানার (Cyclone Dana)। শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত চলতে পারে তাণ্ডব। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের কোনও চোখ থাকবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে ভালোই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৌসুম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, চোখ না থাকলেও ব্যাপক তাণ্ডব চালাবে দানা এবং এর বেশিরভাগই হবে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। উপকূলে ভারী বৃষ্টি এবং প্রবল বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তার কথা শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। ল্যান্ডফলের পরে দানা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে বাঁক নিতে শুরু করবে এবং ধীরে ধীরে তা শক্তি হারাবে বলে জানাচ্ছেন হাওয়া অফিসের কর্তারা।

    তাণ্ডব চালাবে দানা (Cyclone Dana)

    মৌসুম ভবনের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) কেন্দ্রে হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৯৫ থেকে ১০৫ কিলোমিটার রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বর্তমানে সমুদ্রে রয়েছে এবং সেখানেই এই বেগে বইছে হাওয়া। ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে বর্তমানে ঝড়ের গতি রয়েছে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার। রাত যত বাড়বে ঝড়ে তীব্রতার ততই বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। জানা গিয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার।

    দানার (Cyclone Dana) কোনও চোখ থাকবে না 

    দানার (Cyclone Dana) কোনও চোখ থাকবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের আধিকারিকরা। এর কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘূর্ণিঝড় ঘুরতে ঘুরতে যখন স্থলভাগের দিকে এগোতে থাকে, তখন তার কেন্দ্রে একটি আপাত, শান্ত অঞ্চল তৈরি হয়ে যায়। সেখানে হাওয়ার গতিবেগ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম থাকে। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের ঐ কেন্দ্র যখন স্থলভাগে প্রবেশ করে, তখন ওই ঘূর্ণিঝড়ের দাপট সব থেকে বেশি হয়। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই চোখ তৈরি হয় না ঘূর্ণিঝড়ের। দানার ক্ষেত্রেও সেরকম কোনও চোখ থাকছে না। অন্যদিকে দানার তাণ্ডবে, পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

    বাংলা-ওড়িশা ছাড়াও ৫ রাজ্যে জারি সতর্কতা

    এর পাশাপাশি হাওয়া অফিসের কর্তারা আরও জানিয়েছেন, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও পাঁচ রাজ্যে প্রভাব পড়বে ঘূর্ণিঝড় দানার (Cyclone Dana)। সেই রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৌসমভবনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও দানার তাণ্ডব চলবে অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, বিহার এবং তামিলনাড়ুতে। ইতিমধ্যেই বিহারের ১২ জেলায় সতর্কবার্তা জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন। সেই ১২ জেলার মধ্যে রয়েছে ভাগলপুর, বাঁকা, জামুই, মুঙ্গের, শেখপুরা, নালন্দা, জেহানাবাদ, লখিসরাই, নওয়াদা, গয়া, কাটিহার, পুর্ণিয়া এবং কিসানগঞ্জ। জানা গিয়েছে, এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তামিলনাড়ুতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 25 october 2024: সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত, এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 october 2024: সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত, এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) ভিটামিনের অভাবে শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভাল যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে সংবিধান, প্রশাসন ইত্যাদি সংস্কারে ৬টি কমিশন ইউনূসের, নেই কোনও সংখ্যালঘু!

    Bangladesh: বাংলাদেশে সংবিধান, প্রশাসন ইত্যাদি সংস্কারে ৬টি কমিশন ইউনূসের, নেই কোনও সংখ্যালঘু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বাংলাদেশে (Bangladesh) আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। নতুন সরকারের আমলে সেখানে হিন্দুদের ওপর নৃশংসভাবে অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের কথা বলা হচ্ছে। কমিশন গঠনেও কি মৌলবাদীদের দাপাদাপি, প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে। 

    কমিশনে নেই কোনও সংখ্যালঘু! (Bangladesh)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষণা মতো ছ’টি সংস্কার কমিশন গঠন করা হল। পূর্ণাঙ্গভাবে ঘোষিত ছয়টি কমিশনের মোট সদস্য ৫০ জন। এর মধ্যে সাবেক আমলা ১৫, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ২, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ৮, বিচারপতি ও বিচারক ৫, আইনজীবী ৬, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ৬ এবং অন্যান্য পেশার (এনজিও, মানবাধিকারকর্মী, বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি) ৮ জন। এসব পেশাজীবীর মধ্যে নারী পাঁচজন। শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ছয়জনের মধ্যে শুধু একজনের নাম জানানো হয়েছে। এর বাইরে চারটি কমিশনের শুধু প্রধানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০টি কমিশনের প্রধান পদে নারী স্থান পেয়েছেন মাত্র একজন। তা-ও নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনে। সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, সংস্কার কমিশনগুলিতে আমলাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় রাখা হয়েছে। তবে সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষ করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষকদের প্রাধান্য বেশি (পাঁচজন)। কিন্তু তার একটিতেও রইলেন না সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খিস্ট্রান জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা! যা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। পাশাপাশি, ছ’টি সংস্কার কমিশনে মহিলাদের প্রতিনিধিত্বও ‘অনেক কম’ বলে অভিযোগ উঠল।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ‘দানা’, চরম দুর্যোগের আশঙ্কা, এই সময়ে কী করবেন আর কী করবেন না

    চাকমা সার্কেলের প্রধান সরব হয়েছেন

    সংস্কার কমিশনগুলিতে জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের (Bangladesh) প্রতিনিধিত্ব না থাকায় হতাশা প্রকাশ করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন চাকমা সার্কেলের প্রধান রাজা দেবাশিস রায়। ১৩ অক্টোবর তিনি তাঁর ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘(সংস্কার কমিশনে) আদিবাসী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী এবং অন্যান্য প্রান্তিক বা সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা হয় সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত বা দৃশ্যমানভাবে অপর্যাপ্ত। এটা একজন নোবেলজয়ীর নেতৃত্বাধীন সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করেছে।’ রাজা দেবাশিস রায় প্রথম আলোকে বলেন, “সংস্কার কমিশন গঠন প্রক্রিয়ায় যাঁরা ছিলেন, তাঁরা আমাকে ওই কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপর কীভাবে সেই নিয়োগ প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেল, সেটি আমি বলতে পারব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ওড়িশার মতো প্রস্তুতি নিতে পারেনি বাংলা’’, তোপ শুভেন্দুর, নিজেই খুললেন ত্রাণ শিবির

    Suvendu Adhikari: ‘‘ওড়িশার মতো প্রস্তুতি নিতে পারেনি বাংলা’’, তোপ শুভেন্দুর, নিজেই খুললেন ত্রাণ শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে ওড়িশার ভিতরকণিকা ও ধামারার কাছে ল্যান্ডফল করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড় দানার। এনিয়ে ওড়িশার পাশাপাশি বাংলাতেও জারি করা হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, ‘‘ওড়িশা সরকার যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে সেইরকমভাবে প্রস্তুতি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার নিতে পারেনি।’’ প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার বিকেলে নন্দীগ্রাম-১ ব্লকে আসেন সেখানকার বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু। নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে দলীয় জনপ্রতিনিধি এবং নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে (Cyclone Dana) হাজির ছিলেন নন্দীগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্যামল সাহু এবং তমলুক সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক মেঘনাদ পাল।

    নিজের উদ্যোগে আশ্রয় শিবির শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)  

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অধিকারী বলেন, ‘‘রাজ্য সরকারের অর্থ নেই। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেভাবে অর্থ বরাদ্দ করেনি রাজ্য। পর্যাপ্ত খাবার, রেসকিউ সেন্টারগুলির প্রস্তুতি, গবাদি পশুদের সংরক্ষণ এসব অ্যারেঞ্জমেন্ট এর মধ্যে নেই।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আরও দাবি, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম-সহ উপকূল (Cyclone Dana) জুড়ে বেশ কয়েকটি এলাকায় তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে রেসকিউ সেন্টার চালু করেছেন। সেখানে পর্যাপ্ত খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। গাছ কাটার মেশিন, ব্যাটারি চালিত টর্চ, ত্রিপল, ৫০০ জনের রেস্কিউ টিম রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বলেন, ‘‘এনডিআরএফ চাইলে তাদের নির্দেশ মতো কর্মীরা সহযোগিতা করবে।’’ শুভেন্দু এও বলেন, ‘‘এক্ষেত্রে রাজনীতির উর্ধে উঠে সকলকে বলব, দানার মোকাবিলায় এগিয়ে আসুন।’’

    সহযোগিতা করছে না প্রশাসন, তোপ বিজেপি নেতার

    অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সম্পাদক মেঘনাদ পাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘‘প্রশাসনের তরফে গ্রাম পঞ্চায়েতকে বলে দেওয়া হচ্ছে সমস্ত রকম ব্যবস্থা করতে। কিন্তু প্রশাসন আর্থিক সাহায্য করছে না। তাই বিজেপির তরফে দলীয়ভাবে আশ্রয় শিবির খোলা হয়েছে। বিধায়কের আর্থিক সহযোগিতায় ওই শিবিরে এলাকাবাসীকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’’ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনাচূড়া শহিদ মিনার, কালীচরণপুরে একটি স্কুলে এবং ভেকুটিয়ার কমিউনিটি হলে আশ্রয় শিবির খোলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: শাহের দরবারে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর, রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়ে কথা

    Jammu and Kashmir: শাহের দরবারে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর, রাজ্যের তকমা ফেরানো নিয়ে কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছেন ওমর আবদুল্লা। জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা, উপত্যকাকে (Jammu and Kashmir) রাজ্যের তকমা দেওয়ার পক্ষে প্রস্তাব পাশ করে ফেলেছে। এর পরেই গতকাল বুধবার দিল্লি গিয়ে ওমর আবদুল্লা দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। ২০১৯ সালেই জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বদলে দিয়েছিল কেন্দ্র। তারপর থেকে চলতি বছরেই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছে ওমর আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্স। তার পরেই গত সপ্তাহে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) মন্ত্রিসভা রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর দাবিতে একটি রেজোলিউশন পাশ করেছে।

    আধ ঘণ্টার বৈঠক 

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অমিত শাহের (Amit Shah) তরফে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সরকারকে রাজ্যের তকমা ফেরাবার উদ্যোগে সম্পূর্ণরূপে সমর্থনের বার্তা দেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, আধঘণ্টার এই বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে যে, জম্মু ও কাশ্মীরকে ফের রাজ্যের তকমা ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগ নেবে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: আসছে ‘দানা’! ১৪ ঘণ্টা পরিষেবা বন্ধ শিয়ালদা দক্ষিণে, হাওড়ায় বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন

    কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) সন্ত্রাসবাদী হানার আবহে, এমন বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ 

    সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) লেফ্টন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বলেন, ‘‘রাজ্যের তকমা ফিরে পাওয়াটা ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার মতো প্রক্রিয়া। সাংবিধানিক অধিকার পুনরুদ্ধার করা এবং জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের পরিচয় রক্ষা করার জন্য এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।’’ প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরে, গত ১ সপ্তাহের মধ্যে পর পর জঙ্গি হামলার খবর সামনে এসেছে। গান্দেরবালের পর ত্রালেও ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের ওপর গুলি চালনা হয়েছে কাশ্মীরে। তারপরই দিল্লি ছুটে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সঙ্গে ওমর আবদুল্লার বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ওমর আবদুল্লা এনিয়ে বলেছেন, ‘‘প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে বাংলার উপকূলে ১৪ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে সমুদ্রের ঢেউ

    Cyclone Dana: ‘দানা’র দাপটে বাংলার উপকূলে ১৪ ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে সমুদ্রের ঢেউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থলভাগের সঙ্গে দূরত্ব কমছে দানার। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ‘দানা’ ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব, ধামারা থেকে ২১০ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ২৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ দিকে রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকালের মধ্যে তার সম্ভাব্য ‘ল্যান্ডফল’ হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Dana) স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে (Coast Of Bengal) জলোচ্ছ্বাস প্রবল হতে পারে, সতর্ক করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    ঢেউয়ের উচ্চতা হতে পারে সর্বোচ্চ ১৪ ফুটেরও বেশি! (Cyclone Dana)

    সমুদ্রে ১২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে উপকূলের (Cyclone Dana) দিকে এগোচ্ছে ‘দানা’। অভিমুখ মূলত উত্তর-পশ্চিম। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, ওড়িশার ভিতরকণিকা থেকে ধামারার মধ্যে ‘দানা’ আছড়ে পড়তে পারে। বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত উপকূলে ঢেউয়ের উচ্চতা হবে সবচেয়ে বেশি। পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যে ঢেউ উঠতে পারে ৯.৮৪ ফুট থেকে ১৪.৪৩ ফুট পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে উপকূল খালি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নৌকা, ছোট ছোট জলযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে বলেছে হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ‘দানা’, চরম দুর্যোগের আশঙ্কা, এই সময়ে কী করবেন আর কী করবেন না

    ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়

    ইতিমধ্যে ‘দানা’র (Cyclone Dana) মোকাবিলায় তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে দিঘা, মন্দারমণির মতো উপকূলঘেঁষা এলাকায়। পর্যটকদের আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। উপকূল সংলগ্ন এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। যাঁদের কাঁচা বাড়ি রয়েছে, তাঁরা ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের এক কর্তা বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ‘ল্যান্ডফল’ না হলেও ‘দানা’য় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। সেখানে বৃহস্পতিবার রাত থেকে ঝড়ের গতি হতে পারে ১০০ কিলোমিটারের বেশি। সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে পূর্ব মেদিনীপুরে। এ ছাড়া, সুন্দরবন-সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশ ‘দানা’র তাণ্ডবের সাক্ষী থাকবে। ঝড়ের গতি হতে পারে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। কলকাতায় ঝড় বইতে পারে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে হলদিয়া এবং কলকাতা বন্দরেও।

    তাজপুরে ভাঙন!

    ঘূর্ণিঝড় দানার আতঙ্কে কাঁপছে গোটা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উপকূল ভাগ। তাজপুরের জলধা এলাকায় আতঙ্ক বাড়াল ভাঙন। বৃহস্পতিবার ভোরে সমুদ্র ফুঁসে উঠতেই ভাঙন শুরু হয় তাজপুরের জলধা এলাকায়। চোখের পলকে সমুদ্র লাগোয়া জমি তলিয়ে যাচ্ছে। সকালবেলা ভাঙনের এই ছবি দেখেই ঘুম ছুটেছে এলাকার বাসিন্দাদের। ‘দানা’র প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় শুক্রবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। একই সম্ভাবনা রয়েছে ঝাড়গ্রামেও। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    পুলিশের লাঠিচার্জ

    বৃহস্পতিবার সক্কাল সক্কাল দিঘা-তাজপুর-মন্দারমণিতে জড়ো হয়েছেন বহু পর্যটক। প্রশাসন মাইকে বারবার ঘোষণা করলেও সমুদ্রের ধারে সেলফিতে ডুবে প্রত্যেকেই। তাঁদের সরাতে রীতিমতো লাঠিচার্জের খবরও সামনে এসেছে। সমুদ্রস্নানে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও হুঁশ নেই পর্যটকদের। এই ভাঙন কবলিত এলাকায় বাস প্রায় আটশো মানুষের। তাঁরা সকলেই মৎস্যজীবী। আবহাওয়া দফতর ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) পূর্বাভাস দেওয়ার পরেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া এই এলাকার মৎস্যজীবীদের ফিরিয়ে এনেছে প্রশাসন। কিন্তু ঘরে ফিরেও স্বস্তিতে নেই তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arthritis Pain: তিরিশের চৌকাঠে পৌঁছনোর আগেই বহু মহিলা হাঁটু, পিঠ ও কোমরের যন্ত্রণায় কাবু!

    Arthritis Pain: তিরিশের চৌকাঠে পৌঁছনোর আগেই বহু মহিলা হাঁটু, পিঠ ও কোমরের যন্ত্রণায় কাবু!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে হাড়ের রোগ। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে (Young Women) এই সমস‌্যা আরও বেশি। অনেকের হাড়ের শক্তি কমে যাওয়ার জেরে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। তাই মহিলাদের মধ্যে হাড়ের রোগের এই বাড়বাড়ন্ত যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন মহিলাদের বাতের সমস্যা বাড়ছে? (Arthritis Pain)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশ জুড়ে একাধিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ ভারতীয় মহিলা অস্ট্রিয় পোরেসিস সহ একাধিক হাড়ের রোগে আক্রান্ত। এর মূল কারণ ভিটামিন ডি -র অভাব। অধিকাংশ মহিলার দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকছে না। অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা বংশানুক্রমিক হচ্ছে। তবে জীবনযাপনের ধরন বাতের সমস্যা কিংবা যে কোনও হাড়ের রোগকে আরও জটিল করে তুলছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মহিলাদের খাদ্যাভ্যাস অস্বাস্থ্যকর। অনেক সময়েই তাঁরা দীর্ঘ ব্যবধানে খাবার খান।‌ আবার পরিমাণও ঠিকমতো থাকে না।‌ অর্থাৎ, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিনের মধ্যে ঠিকমতো ভারসাম্য থাকে না। ফলে হাড়ের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বাতের সমস্যাও কাবু করে। পাশপাশি ঘরের কাজ অধিকাংশ সময়েই মহিলারা বেশি করেন। এর জেরে সিঁড়ি দিয়ে বারবার ওঠানামা করা, ভারী জিনিস তোলার মতো কাজ লাগাতার করার জেরে হাড়ের শক্তি ক্ষয় হয়। তাছাড়া মা হওয়ার পরে শরীরে মারাত্মক ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে মহিলাদের এই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও ওষুধ পাওয়া যায় না। এর জেরেই দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি বাড়ে। এবার দেখা যাক, কোন পাঁচ অভ্যাস মহিলাদের বাতের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখবে?

    সময় মতো ব্যালেন্স খাবার জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস জরুরি। পাশপাশি কী খাচ্ছেন, কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। পেট ভরানোর জন্য শুধু ভাত কিংবা রুটি খেলেই শরীর সুস্থ থাকবে না। হাড় মজবুত করতে (Arthritis Pain) জরুরি নিয়মিত পরিমিত প্রোটিন ও ভিটামিন জাতীয় খাবার। তাই ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে নিয়মিত সবুজ সব্জি, ডিম, মাছ, মাংস খেতে হবে। এতে হাড়ের শক্তি বাড়বে। নিয়মিত দুধ জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। পনির কিংবা দই নিয়মিত খেলে হাড় প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম সহজেই পাবে‌। এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হলে বাতের সমস্যার মোকাবিলা সহজ‌ হবে।

    স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ জরুরি (Arthritis Pain)

    মহিলাদের আরেকটি বড় শারীরিক সমস্যা হল অতিরিক্ত ওজন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই স্থূলতার সমস্যায় কাবু হন। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এই রোগ আরও বাড়িয়ে তোলে। দেহের ওজন বেড়ে গেলে হাঁটু ও কোমরে মারাত্মক চাপ পড়ে। অনেক সময়েই সেই ওজনের জেরে বাতের‌ সমস্যা বাড়ে। তাই দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। তাতে একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ‌ হয়।

    নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলারা ঘরে-বাইরে পরিশ্রম করেন। কিন্তু শারীরিক কসরত অনেক সময়েই নিয়মিত করেন না। এর ফলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টের কাজ ঠিকমতো হয় না। বাতের ব্যথার মতো একাধিক রোগকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি। এতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে (Arthritis Pain)। বিভিন্ন পেশি সক্রিয় থাকে।‌ আবার জয়েন্টগুলো সচল থাকে।

    পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি

    মহিলাদের ঘুমের জন্য বরাদ্দ সময় যথেষ্ট নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মহিলার দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম হয় না।‌ এর প্রভাব স্নায়ু, পেশি এবং হাড়ের উপরে মারাত্মক ভাবে পড়ে। শরীরের বিশ্রাম জরুরি।‌ তবেই শরীর শক্তি সঞ্চয় করে আবার কাজ করতে পারবে। তাই নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমনো দরকার।‌ তবেই হাড়ের শক্তি বাড়বে।

    ঘরের কাজের সময়ে সাবধানতা জরুরি (Arthritis Pain)

    মহিলারাই অধিকাংশ সময়ে বাড়ির বিভিন্ন কাজ করেন। এই কাজের জন্য তাঁদের বারবার ওঠাবসা করতে হয়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামাও হয় একাধিকবার। এর জেরে অস্থিসন্ধি অর্থাৎ কোমর, হাঁটুর বিভিন্ন জয়েন্টের কাজ বাড়ে। বারবার এই ধরনের কাজ করার ফলে এই অস্থিসন্ধি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ব্যথা বাড়ে। তাই এই ঘরোয়া কাজ করার সময় খেয়াল রাখা জরুরি। প্রয়োজন মাফিক বিশ্রাম জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 24 october 2024: কোনও প্রতিবেশীর জন্য সম্মানহানি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 24 october 2024: কোনও প্রতিবেশীর জন্য সম্মানহানি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ২) প্রেমে আনন্দ লাভ।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মিথুন

    ১) দাম্পত্য কলহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) ব্যবসায় লাভের পরিমাণ বৃদ্ধির ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে সুখের দিন।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ২) কৃষিকাজে সাফল্য পাবেন।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় অর্থাভাব ও শত্রুর দ্বারা ক্ষতির সম্ভাবনা।

    ২) স্ত্রীর কারণে প্রচুর খরচ হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ২) কোনও প্রতিবেশীর জন্য সম্মানহানি।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ২) শিক্ষকদের জন্য ভালো খবর।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    ২) কোনও মহিলার জন্য আনন্দ লাভ।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি বিষয়ে আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BRICS Summit: “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্বৈত মাপকাঠি থাকতে পারে না”, চিনকে খোঁচা মোদির

    BRICS Summit: “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্বৈত মাপকাঠি থাকতে পারে না”, চিনকে খোঁচা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার দিয়ে বসে রয়েছেন ৩৬ জন রাষ্ট্রনেতা। এঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, তেমনি রয়েছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। ব্রিকসের (BRICS Summit) এই হাটেই হাঁড়িটা ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নাম না করে নিশানা করলেন চিনকে। বললেন, “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সদিচ্ছা নির্ধারণের কোনও দ্বৈত মাপকাঠি থাকতে পারে না। দ্বিচারিতা চলতে পারে না।”

    চিনকে খোঁচা! (BRICS Summit)

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই বাক্যবাণের নিশানায় যে চিন-ই, তা জলের মতো স্পষ্ট। কারণ, গত গত কয়েক বছরে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বেশ কয়েকজন পাক জঙ্গির বিরুদ্ধে ভারত প্রস্তাব আনলেও, ভেটো প্রয়োগ করে স্থায়ী সদস্য চিন। তাই পাশ হয়নি সেই প্রস্তাব। সেই ‘শোধ’ তুলতেই প্রধানমন্ত্রী এদিন বেছে নিলেন ব্রিকসের সম্মেলন মঞ্চ। যে মঞ্চে হাজির চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-ও।

    প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা

    ব্রিকসের ষোড়শ শীর্ষ সম্মেলন হচ্ছে রাশিয়ার কাজানে। সেই সম্মেলনে যোগ দিতেই মঙ্গলবার রাশিয়ায় পা রেখেছন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বুধবার বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সোচ্চার হন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের মোকাবিলায় আমাদের সংকল্প নিতে হবে। এক সঙ্গে ঐক্যের সঙ্গে কাজ করতে হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “এমন গুরুতর বিষয়ে দ্বিমুখী মানদণ্ডের কোনও জায়গা নেই।”

    আরও পড়ুন: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন, এবার শিলিগুড়িতে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের যুবসমাজের মধ্যে চরমপন্থা প্রতিরোধের জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে। রাষ্ট্রসংঘে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে একটি পূর্ণাঙ্গ সম্মেলন নিয়ে যে বিষয়টি এখনও অমীমাংসিত, তা সমাধানের জন্য আমাদের এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।” তিনি বলেন (BRICS Summit), “ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে আমাদের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।” মুদ্রাস্ফীতি রোধ এবং খাদ্য, শক্তি, জল এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়েও বিশ্বের সব দেশকে উদ্যোগী হতে হবে বলেও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মতো গ্লোবাল প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার সাধন প্রয়োজন বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি (BRICS Summit)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2024: ঘন জঙ্গলে মা কালীর আরাধনা শুরু করেছিলেন এক কাপালিক! সেই পুজো ৫০০ বছরে

    Kali Puja 2024: ঘন জঙ্গলে মা কালীর আরাধনা শুরু করেছিলেন এক কাপালিক! সেই পুজো ৫০০ বছরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনো ঐতিহ্য ও রীতি-রেওয়াজ মেনে ৫০০ বছর ধরে পুজো হয়ে আসছে হাওড়ার (Howrah) উদয়নারায়ণপুরের কালীকাপুরের কালী বিগ্রহের। ফি বছর গ্রামের বাসিন্দারা পুজোকে (Kali Puja 2024) কেন্দ্র করে আনন্দে মেতে ওঠেন। আর এই পুজো শুরু হওয়ার সুন্দর ইতিহাস রয়েছে।

    কাপালিক শুরু করেছিলেন কালীপুজো (Kali Puja 2024)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কালীপুজোকে (Kali Puja 2024) কেন্দ্র করেই এই গ্রামের নাম কালীকাপুর। সে প্রায় পাঁচ শতাব্দী আগের কথা। বর্তমানের জনবহুল গ্রাম সে সময় ছিল জনশূন্য। ঘন জঙ্গলে ঢাকা নির্জন স্থান। কানা দামোদর নদীর পাড়। জঙ্গলে বন্য পশুর দাপট ছিল। কেউ সাহস পেত না এখানে আসার। জনশ্রুতি থেকে জানা যায়, এই ঘন জঙ্গলেই বাস করতেন এক কাপালিক। তিনি জঙ্গলে একাকী থেকে মা কালীর আরাধনা করতেন। তখন বর্ধমান রাজার রাজত্বকাল। কথিত রয়েছে, রাজার আদেশ মতোই কাপালিকের অবর্তমানে মা কালীকে সেবা করার দ্বায়িত্ব পেয়েছিলেন বর্ধমানের ঘোষ পরিবার। জানা যায়, সে সময় বর্ধমান রাজসভার নবরত্নের একজন ছিলেন তিলকরাম ঘোষ। বর্ধমান থেকে রাজার আদেশ মতোই মা কালীর সেবার উদ্দেশ্যে সপরিবারে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে চলে এসেছিল ঘোষ পরিবার। তৎকালীন ঘোষ পরিবার ভাট উপাধি পেয়েছিল রাজার কাছে। ধীরে ধীরে বসতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। মন্দির থেকে কিছুটা দূরে ভাট পরিবারের বসবাস শুরু করেছিল সেখানেই। সেই স্থান দেবীপুর গ্রাম নামে পরিচিত।

    ‘একাহারি কালী মা’

    বর্তমানে যে স্থানে কালী মন্দির রয়েছে, তখন সেখানে ঘন জঙ্গল, পুজো (Kali Puja 2024) করার জন্য পুরোহিতের সঙ্গে লেঠেল নিয়ে আসা হত বন্য পশুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে। মন্দির সংলগ্ন ঘন জঙ্গল পরিষ্কার করে বর্তমানে ঘনবসতি গড়ে উঠেছে। মন্দিরের পুরনো রীতি অনুযায়ী প্রতিদিন একবার মাতৃ পুজো অনুষ্ঠিত হয় এখানে। জানা যায়, সে সময় ঘন জঙ্গল কোনওরকমে লেঠেল সঙ্গে নিয়ে দিনে একবার মা কালীর পুজো করা সম্ভব হত। একবার পুজো হওয়ার কারণেই “একাহারি ‘কালী মা”ও বলা হয়। কথিত রয়েছে, শুরুতে মূর্তি ছাড়াই ঘট প্রতিষ্ঠা করে মা কালী রূপে পুজো হত। সেই ঘট নাকি আজও মন্দিরে রয়েছে বলেই জানান পুরোহিত এবং স্থানীয় মানুষ।

    পরিবারের সদস্যরা কী বললেন?

    পরিবারের সদস্য অনির্বাণ ভাট বলেন, “এখানে ভাট পরিবারের প্রথম পুরুষ তিলকরাম ঘোষ (ভাট) রাজার আদেশমতো বর্ধমান থেকে এখানে মায়ের সেবা করতে এসেছিলেন। সে সময় থেকে কয়েক শতাব্দী পেরিয়ে গিয়েছে। তবে প্রায় সমস্ত নিয়ম রীতি রয়েছে অক্ষত। জানা যায়, মন্দিরে কষ্ঠি পাথরের মায়ের যে মূর্তি তা প্রায় দু’শো বছর প্রাচীন। গ্রামে অন্য কোনও মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ ছিল। বৈশাখের ফলহারিণী, মকর সংক্রান্তি, নবমী এবং শ্যামাকালী পুজো-সহ মোট চারটি বিশেষ পুজো হয় প্রতি বছর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share