Author: user

  • Junior Doctor: ‘‘আমাদের দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর’’, প্রতিক্রিয়া অনশনকারী ডাক্তারদের

    Junior Doctor: ‘‘আমাদের দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর’’, প্রতিক্রিয়া অনশনকারী ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায়ও গলছে না বরফ? ‘মুখ্যমন্ত্রীর ফোন-বার্তা অনভিপ্রেত মনে হয়েছে’, প্রতিক্রিয়া জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctor)। বললেন, ‘উনি কোথাও না কোথাও ধৈর্য হারাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই, মনে হচ্ছে’। ফলে, অনশন চালিয়ে যাবেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর (Junior Doctor)

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) বিচার সহ ১০ দফা দাবিতে ১৫ দিন ধরে ধর্মতলায় অনশন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। এখানে ৭ জন এবং উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে একজন অনশন করছেন। শুক্রবার সিনিয়রদের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্য সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, সোমবারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে আলোচনায় বসতে হবে এবং সব দাবি মেনে নিতে হবে। দাবি না মানলে মঙ্গলবার সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এরপরই শনিবার অনশন মঞ্চে যান স্বরাষ্ট্রসচিব এবং মুখ্যসচিব। সেখানেই ফোনে অনশন তুলে নেওয়ার বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নে বৈঠকের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা কাজে ফিরতে চাই, আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া হোক। আমাদের দাবি পূরণ না হলে অনশন চলবে। জটিলতার দ্রুত সমাধান আমরা চাই। আমাদের দাবি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই মুখ্যমন্ত্রীর। আমরা এখনও ন্যায়বিচার পাইনি। মনে হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী কোথাও কোথাও ধৈর্য হারাচ্ছেন। সোমবার আমরা নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব”।

    আরও পড়ুন: রানিমার সঙ্গে কৃষ্ণনগরের নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, দিলেন আইনি সাহায্যের প্রতিশ্রুতি

    অনশনকে খাটো করে দেখা হচ্ছে

    অনশনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor) এও বলেন, “আমরা মনোক্ষুণ্ণ হলেও মুখ্যমন্ত্রীকে অভিভাবক হিসেবেই দেখি। আমাদের ১০ দফা দাবির কথা উনি স্পষ্টভাবে জানেন না। এতদিন পর কেন শুনতে হল, মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দাবির কথা জানেন না? তাহলে কি আমাদের দাবির কথা মুখ্যমন্ত্রীর কানে পৌঁছয়নি? আমদের বলা হচ্ছে, কাজে ফিরছি না কেন? রাজ্য জুড়ে সব জায়গায় পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনশনকে খাটো করে দেখা হচ্ছে।”

    মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী ফোনে অনশনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctor) বলেন, “৩-৪ মাস সময় দিন, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে নির্বাচন করব। মেডিক্যাল পরীক্ষা যাতে সঠিক ভাবে হয়, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। যতটুকু করা সম্ভব, কথা দিচ্ছি নিশ্চয় করব। সরকারি হাসপাতাল পরিষেবা না দিলে মানুষ কোথায় যাবে? দিদি হিসেবে বলছি, আপনাদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া হবে। আপনারা অনশন তুলে দয়া করে কাজে যোগ দিন”।

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীরা (Junior Doctor) বলেন, “এতদিনের আমাদের অনুরোধ, আমাদের কাতর আর্তি, এত মানুষের ভুখা পেটের কষ্ট, কোনওটাই কি তাঁর কানে পৌঁছচ্ছে না? আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি যখন বলা হয়, তোমরা কাজে ফিরছ না বলে, স্বাস্থ্য পরিষেবায় সমস্যা হচ্ছে। আমরা এখানে (ধর্মতলায়) জুনিয়র ডাক্তার অনশন করছে ৭ জন। উত্তরবঙ্গে আছে ১ জন। আমরা ঘোষিতভাবে কর্মবিরতি কিন্তু তুলে নিয়েছি। সবকটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান, সব জায়গায় চিকিৎসা হচ্ছে। জরুরি পরিষেবা চলছে, অপারেশন হচ্ছে।  আমাদের কোথাও গিয়ে মনে হচ্ছে, এভাবে যে বারবার বলা হচ্ছে, কাজে ফিরতে ওরা হয় জানে না সরকারি হাসপাতালগুলি চলছে, অথবা আমাদের অনশনের কোনও মূল্যই নেই”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তির আগুন, দফায় দফায় গুলির লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তি ছড়াল মণিপুরে (Manipur Violence)। মাসখানেকের বিরতির পর শনিবার ভোর থেকে দফায় দফায় গুলির লড়াই হয় (Militants Attack) জিরিবাম জেলায়। মেইতেই ও কুকি সশস্ত্র বাহিনীর লড়াইয়ের জেরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে রাজ্যে। হামলা হয়েছে বরোবেকেরা থানায়ও।

    কুকি জঙ্গিদের হামলা (Manipur Violence)

    জানা গিয়েছে, জিরিবামের জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বরোবেকেরায় হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। এলাকাটি পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা। কুকি জঙ্গিদের রুখতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে মেইতেই সশস্ত্র বাহিনী আরাম্বাই টেঙ্গলের যোদ্ধারা। দুপক্ষে দফায় দফায় গুলি বিনিময় হয়। এই সময় কুকিদের একাংশ হামলা চালায় বরোবেকেরা থানায়। মাসখানেক আগেও একবার জিরিবাম জেলায় গুলির লড়াই হয়েছিল কুকি এবং মেইতেইদের। দুপক্ষের সেই লড়াইয়ে হত হয়েছিলেন পাঁচজন। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের অশান্তির আগুন ছড়াল চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    গোড়ার কথা

    মণিপুরে অশান্তির (Manipur Violence) সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৩ মে। সেদিন জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরের মিছিল ছিল। মেইতেইদের তফশিলি জাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ রাজ্য সরকারকে দিয়েছিল মণিপুর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরোধিতায় পথে নেমেছিল জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সংঘাতের শুরু সেখানেই। মণিপুরের আদি বাসিন্দা মেইতেইরা হিন্দু। অন্যদিকে, তাদের বিরুদ্ধে যারা লড়ছে, সেই কুকি, জো-সহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠী। এদের সিংহভাগই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দুপক্ষের এই লড়াইয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২০০ জনের। আহত হয়েছেন প্রচুর মানুষ। আতঙ্কে ঘর ছেড়েছেন হাজার ষাটেক মানুষ।

    আরও পড়ুন: কোটার মধ্যে কোটা ব্যবস্থা, দেশে প্রথম চালু হতে চলেছে হরিয়ানায়

    মণিপুর পুলিশের ডিজি রাজীব সিং বলেন, “ আজও জিরিবাম জেলা সহ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত গোলাগুলি চলছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে  এসেছে। অশান্তির আগুন (Militants Attack) যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে, তাই মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী (Manipur Violence)।” মণিপুরে শান্তি ফেরাতে চেষ্টার কসুর করছে না কেন্দ্র। শান্তি ফেরাতে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বিধায়কদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই বৈঠক হওয়ার কথা চলতি সপ্তাহে। এরই মধ্যে নতুন করে অশান্তির আগুন লাগল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Protest: দাবি আদায়ে ন্যায় বিচার যাত্রা, শামিল নির্যাতিতার বাবা-মা

    RG Kar Protest: দাবি আদায়ে ন্যায় বিচার যাত্রা, শামিল নির্যাতিতার বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) ধর্মতলায় অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গণস্বাক্ষর সংগ্রহ সহ একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে। এই আবহে এবার নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে ন্যায় বিচার যাত্রার সূচনা করলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। আর প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলালেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ।

    সিবিআইয়ের ওপর আস্থা রয়েছে (RG Kar Protest) 

    শুক্রবারই জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন সোদপুর থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ন্যায় বিচার যাত্রা ‘রিলে পদ্ধতি’তে এগোবে। এভাবেই ধর্মতলার অনশন মঞ্চে (RG Kar Protest) এসে পৌঁছবে এই যাত্রা। শনিবার পানিহাটির এইচবি টাউন মোড়ে এই যাত্রার সূচনা করেন নির্যাতিতার বাবা-মা। মিছিলে জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি প্রচুর সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। কর্মসূচির সূচনা করে নির্যাতিতার বাবা-মা  বলেন,”বিচারের আশায় আমাদের আরও ধৈর্য ধরতে হবে। সিবিআই ও শীর্ষ আদালত সকলেই বলছে ধৈর্য ধরতে হবে এবং সিবিআইয়ের ওপরেও আমাদের আস্থা রাখতে হচ্ছে। কারণ, সিবিআই কাজ করছে। এই ঘটনায় অন্য যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সিবিআই।”

    আরও পড়ুন: রানিমার সঙ্গে কৃষ্ণনগরের নির্যাতিতার বাড়িতে শুভেন্দু, দিলেন আইনি সাহায্যের প্রতিশ্রুতি

    আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান হোক

    নির্যাতিতার বিচার চেয়ে আমরণ অনশনে (RG Kar Protest) শামিল হয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। এই বিষয়টি নিয়ে যে তাঁরা উদ্বিগ্ন বুঝিয়ে দিলেন তাও। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “অনশন শেষ অস্ত্র। অনশন মানে মৃত্যু। আমরা কখনওই চাইনি এটা। আমরা জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা যেন হাসপাতালে ভর্তি হয়।” নির্যাতিতার মা বলেন “মুখ্যমন্ত্রী যেন আলোচনা করে এই অচলাবস্থা কাটিয়ে নেওয়ার একটা ব্যবস্থা করেন। আমার খুব খারাপ লাগছে। আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান হলে একটু নিশ্চিন্ত হব।” একইসঙ্গে তাঁরা এও বলেন, “আমাদের মেয়ের বিচার এখনও অধরা। আমার মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল সেটা এখনও আমরা জানি না। তাই আন্দোলন তো করতেই হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 168: “নিজে পাপ করাও ভাল না—পাপের অভিনয় করাও ভাল না”

    Ramakrishna 168: “নিজে পাপ করাও ভাল না—পাপের অভিনয় করাও ভাল না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৭ই এপ্রিল

    নরেন্দ্র, রাখাল প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে বলরাম-মন্দিরে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে কীর্তনানন্দে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বলরামের বাড়িতে ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন (Kathamrita)—বৈঠকখানার উত্তর-পূর্বের ঘরে। বেলা একটা হইবে। নরেন্দ্র, ভবনাথ, রাখাল, বলরাম, মাস্টার ঘরে তাঁহার সঙ্গে বসিয়া আছেন।

    আজ অমাবস্যা। শনিবার, ৭ই এপ্রিল, ১৮৮৩, ২৫শে চৈত্র। ঠাকুর সকালে বলরামের বাড়ি আসিয়া মধ্যাহ্নে সেবা করিয়াছেন। নরেন্দ্র, ভবনাথ, রাখাল ও আরও দু-একটি ভক্তকে নিমন্ত্রণ করিতে বলিয়াছিলেন। তাঁহারাও এখানে আহার করিয়াছেন। ঠাকুর বলরামকে বলিতেন—এদের খাইও, তাহলে অনেক সাধুদের খাওয়ানো হবে।

    কয়েকদিন হইল ঠাকুর শ্রীযুক্ত কেশবের বাটীতে নববৃন্দাবন নাটক দেখিতে গিয়াছিলেন। সঙ্গে নরেন্দ্র ও রাখাল ছিলেন। নরেন্দ্র অভিনয়ে যোগ দিয়াছিলেন। কেশব পওহারী বাবা সাজিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নরেন্দ্রাদি ভক্তের প্রতি)—কেশব (সেন) সাধু সেজে শান্তিজল ছড়াতে লাগল। আমার কিন্তু ভাল লাগল না। অভিনয় করে শান্তি জল!

    আর-একজন (কু-বাবু) পাপ পুরুষ সেজেছিল। ওরকম সাজাও ভাল না। নিজে পাপ করাও ভাল না—পাপের অভিনয় (Kathamrita) করাও ভাল না।

    নরেন্দ্রের শরীর তত সুস্থ নয়, কিন্তু তাঁহার গান শুনিতে ঠাকুরের (Ramakrishna) ভারী ইচ্ছা। তিনি বলিতেছেন, “নরেন্দ্র, এরা বলছে একটু গা না।”

    নরেন্দ্র তানপুরা লইয়া গাইতেছেন:

    আমার প্রাণপিঞ্জরের পাখি, গাও না রে।
    ব্রহ্মকল্পতরুপরে বসে রে পাখি, বিভুগুণ গাও দেখি,
    (গাও, গাও) ধর্ম অর্থ কাম মোক্ষ,
    সুপক্ক ফল খাও না রে।
    বল বল আত্মারাম, পড় প্রাণারাম,
    হৃদয়-মাঝে প্রাণ-বিহঙ্গ ডাক অবিরাম,
    ডাক তৃষিত চাতকের মতো,
    পাখি অলস থেক না রে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পঞ্চবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম ভাল…শেষে কচে বারো পড়ে মাগো, পঞ্জা-ছক্কায় বন্দী হলাম”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 19 october 2024: বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 19 october 2024: বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে ফেরাব”, সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে ফেরাব”, সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে আবার ফিরিয়ে আনা হবে টাটা গোষ্ঠীকে। শুক্রবার বিকেলে সিঙ্গুরের একটি সভা থেকে এমনই হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেন, সিঙ্গুরে না হল শিল্প, না হল কৃষি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গলা তুলে বলেন, “ভাতা কোনও সমাধান নয়, কর্মসংস্থান আর সরকারের রাজস্ব বাড়াতে গেলে প্রয়োজন শিল্পের।” সিঙ্গুরের ওই জমির একাংশ এখনও চাষযোগ্য হয়নি। তা ব্যবহারযোগ্য করার দাবিতে চাষিদের একাংশ ফের রাজ্য সরকারের কাছে দরবার শুরু করেছে। সেই নিরিখে সিঙ্গুরে বিরোধী দলনেতার প্রয়াত রতন টাটাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

    মমতাকে মেরে তুলে দিলে এই অবস্থা হত না ! (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ সিঙ্গুরের (Singur) সাহানাপাড়া থেকে এক সময়ের প্রকল্প এলাকার মেশিনারি গেট পর্যন্ত দলীয় মিছিল করল বিজেপি। মিছিল শেষে সভায় বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “জাতীয় সড়ক বন্ধ করে নেচেছে, গেয়েছে। বুদ্ধবাবু যদি মমতাকে মেরে তুলে দিতেন, তাহলে সিঙ্গুরের এই অবস্থা হত না। জ্যোতিবাবু থাকলে হত না এমন। একটা কারখানাকে ভেঙে তুলে দিল, অন্তরটা জ্বলে যেত।” এদিন সিঙ্গুরে টাটার কারখানা না হওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমার দম আছে, তাই অকথিত তথ্য দিচ্ছি। সিঙ্গুরে টাটার কারখানার বিরোধিতা করার কথা মুখ ফুটে বলতে পারিনি। তৃণমূল দলের মধ্যেই ছিলাম ঠিকই, কিন্তু এই ধ্বংসযজ্ঞে সামিল হইনি। ২৬ দিনের স্যান্ডুইচ-চকলেট খাওয়া অনশনে একমাত্র বিধায়ক আমি, যে যাইনি।” শুভেন্দু আরও বলেন,” বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে ফেরাব। টাটা ছাড়া শিল্প হয় না। আমি দেখেছি, এপিজে আব্দুল কালাম আর রতন টাটাকে ভালো ছাড়া কেউ খারাপ বলেনি। সিএসআর অ্যাক্টিভিটির জনক হলেন রতন টাটা। সেই টাটাকেই মমতা বলেছিলেন বর্জন করুন। আমরা ওঁর কাছে ক্ষমা চাইছি বাঙালি হিসেবে। আর শপথ করছি, আমরা ক্ষমতায় এলে আপনার প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে আসব।”

    আরও পড়ুন: চারদিনে দেশের ২০ বিমানে বোমাতঙ্ক, মিলল লন্ডন-জার্মানি যোগ! কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    সিঙ্গুরের জমির সর্বনাশ করেছেন মমতা

    তিনি (Suvendu Adhikari) এদিন দাবি করেন, “সিঙ্গুর থেকে শুধু শিল্পকে সরাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিঙ্গুরের জমিরও সর্বনাশ করেছেন তিনি। প্রোমোটিং আর তোলাবাজিতে ভরে গিয়েছে সিঙ্গুর। একটা কারখানাকে কেন্দ্র করে দশ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শিল্প হতে পারত।” তাঁর কথায়, “সিপিএমের জন্য মমতা এখানে ঢুকতে পেরেছিল। ১৩ হাজার জমির মালিক ছিলেন। বেশির ভাগ চাষি চেক নিয়েছিলেন। কিন্তু বর্গাদারকে টাকা দিতে চায়নি সিপিএম। বর্গাদারদের ক্ষতিপূরণ না দেওয়া সিপিএমের বড় ভুল। বর্গাদারের লাঠি মারল আর মমতা ঢুকল সিঙ্গুরে।” শুভেন্দু আরও বলেন, “মুসলিমরা সিপিএমের মিছিলে যাচ্ছে, আর ভোট দিচ্ছে তৃণমূলকে। সিপিএমের ভোটাররা চায় রাজ্যের পরিবর্তন। আমি নন্দীগ্রামের ভোটারদের টেনে নিয়েছি। আমাদের আনুন, টাটা গোষ্ঠীকে ফিরিয়ে আনব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! উলুবেড়িয়ায় সভা করবেন শুভেন্দু, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! উলুবেড়িয়ায় সভা করবেন শুভেন্দু, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির অভিযোগ ছিল, শাসকদল তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে পুলিশ-প্রশাসন বিজেপির সভা করতে বাধা দিচ্ছে। তাই সভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবশেষে উলুবেড়িয়ায় (Uluberia) তাঁকে সভা করার অনুমতি দিল হাইকোর্ট। জানা গিয়েছে, সভা হবে ২১ অক্টোবর তরুণ সঙ্ঘ ক্লাবের মাঠে। ফলে ফের একবার আদালতে মুখ পুড়ল মমতার পুলিশ-প্রশাসনের। উল্লেখ্য, দশমীতে হাওড়ার শ্যামপুরে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। দুষ্কৃতীদের আক্রমণে মূর্তি ভাঙা নিয়ে শুভেন্দু কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। এবার হবে এই জেলায় বিজেপির রাজনৈতিক সভা।

    দুপুর ২টো থেকে ৬টার মধ্যে সভা (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক আগামী সোমবার, হাওড়ায় শুভেন্দুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছেন। তবে এই সভা করার জন্য একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “আগামী ২১ অক্টোবর দুপুর ২টো থেকে ৬টার মধ্যে সভা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে জনসভার জন্য যেন পার্কিং ও রাস্তায় কোনও প্রভাব না পড়ে। জনসভায় দু’হাজার লোকের বেশি জমায়েত হওয়া চলবে না।”
    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে নারী নিরাপত্তা তলানিতে, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    আগে রাজাপুর থানা অনুমতি দিয়েছিল!

    কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি চলাকালীন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী বলেন, “উলুবেড়িয়ার নেতাজি ক্লাব প্রথমে জনসভা করার অনুমতি দিয়েছিল। পরে চাপের মুখে তা প্রত্যাহার করে। এরপর তরুণ সঙ্ঘের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাঠটি ক্লাবের নয়। পিডবলুডি-র মাঠ। অথচ এর আগে রাজাপুর থানার অধীনে ওই মাঠে সভার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট।” পাল্টা সরকার পক্ষের আইনজীবী স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যে কোনও ব্যক্তির সভা করার অনুমতি রয়েছে। ক্লাবের কোনও অধিকার নেই অনুমতি দেওয়ার। ন্যাশনাল হাইওয়ে ১৬ রয়েছে ক্লাবের (Uluberia) পাশেই। মামলাকারীর নিরাপত্তা এবং ট্রাফিককের অসুবিধা হবে।”

    বিজেপির অবশ্য বক্তব্য, তৃণমূলের আমলে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই রাজ্যে। শাসকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করলে কোনও রকম সভার অনুমতি দেওয়া হয় না বিজেপিকে। আরজি কর-কাণ্ডে শ্যামবাজার, হাজরা মোড়ে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হয়েছিল। একই ভাবে সন্দেশখালি-সহ একাধিক জায়গায় সভা করতে গেলে কোর্টের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হয়েছিল। ফলে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে মমতার প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs New Zealand: শেষ বলে আউট কোহলি, বেঙ্গালুরুতে ম্যাচ বাঁচানোর বিরাট বোঝা ভারতের সামনে

    India vs New Zealand: শেষ বলে আউট কোহলি, বেঙ্গালুরুতে ম্যাচ বাঁচানোর বিরাট বোঝা ভারতের সামনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষে বেঙ্গালুরুর মেঘলা আকাশের মতোই ভারতীয় শিবিরে আশা-আশঙ্কার দোলাচল। ম্যাচের এখনও দুই দিন বাকি। প্রথম ইনিংসে এখনও ভারত পিছিয়ে ১২৫ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা মন্দের ভালো হলেও ইতিমধ্যেই ৩ উইকেট পড়ে গিয়েছে। ফিরে গিয়েছেন রোহিত-যশস্বী-কোহলি। ক্রিজে রয়েছেন সরফরাজ। ম্যাচ বাঁচাতে গেলে চতুর্থ দিন টানা ব্যাট করতে হবে ভারতকে। যা এক কথায় বেশ কঠিন।

    নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড

    প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর বোলিংয়েও হতাশ করেন যশপ্রীত বুমরাহরা। ভারতের বোলিং অ্যাটাককে নির্বিষ করে দিয়ে চারশোর উপর রান তুলে ফেলে নিউজিল্যান্ড। উল্লেখ্য, মেন ইন ব্লুর বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে এর আগে কোনওদিন প্রথম ইনিংসে ৩০০ রানের লিড নিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান করেন রাচিন রবীন্দ্র। তিনি ১৫৭ বলে ১৩৪ রান করে আউট হন। ২০১২ সালে ভারতের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড ২০৭ রানে লিড নিয়েছিল। ইডেনে সেই ম্যাচের পর থেকে ভারতের বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে কোনও দল ২০০ রানের উপরে লিড নিতে পারেনি। ১২ বছর পর নিউজিল্যান্ড সেই কাজটাই করে দেখাল। ভারতের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ৩৫৬ রানে লিড নেয়। 

    লড়ছে ভারত

    ম্যাচের প্রথম দিন বৃষ্টির জন্য পুরো ভেস্তে যায়। দ্বিতীয় দিনের তিনটি সেশনেই দাপট দেখায় নিউজিল্যান্ড। এমনকী তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেও ভারত ছিল ব্যাকফুটে। ৪০২ স্কোর তুলে প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ রানের লিড নেয় কিউয়িরা। কার্যত কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের স্কোর ৩ উইকেটে ২৩১। এদিন শুরুটা ভালো করেছিলেন রোহিত ও যশস্বী। কিন্তু বাজে শট খেলে আউট হন যশস্বী। রোহিত অর্ধশতরান পূরণ করলেও বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। তারপর ভারতীয় ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন বিরাট কোহলি এবং সরফরাজ খান। দুই ব্যাটারই অর্ধশতরান পূরণ করেন। প্রথম সরফরাজ খান এবং পরে বিরাট কোহলি হাফ সেঞ্চুরি করলেন। শতরানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতীয় দলকে আপাতত লড়াইয়ে ফেরান এই জুটি। দিনেৱ শেষ বলটা খেলে নিতে পারলে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ছাড়তে পারতেন কোহলি, কিন্তু সেটা হল না। উইল ও’রোর্ক-র বলে আউট হলেন বিরাট। ডিআরএস নিয়েও বাঁচতে পারলেন না। দিনের শেষে সরফরাজ ৭০ রানে অপরাজিত আছেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং কুলদীপ যাদব। জোড়া উইকেট পেয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। একটি করে উইকেট রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং বুমরাহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অন্য তরুণীর সঙ্গে সিনেমা হলে নির্যাতিতার প্রেমিক, কৃষ্ণনগরকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Nadia: অন্য তরুণীর সঙ্গে সিনেমা হলে নির্যাতিতার প্রেমিক, কৃষ্ণনগরকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে তরুণীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। সিসিটিভি ক্যামেরা সূত্রে পাওয়া তথ্য, অভিযুক্তের দাবি, পরিবারের দাবি-সব মিলিয়ে নানারকম তথ্য আসছে, যার প্রত্যেকটিই চাঞ্চল্যকর। প্রেমিকের সঙ্গে অন্য তরুণীর সম্পর্কের জেরেই কি মৃত্যু হয়েছে কৃষ্ণনগরের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর? শুক্রবার দেহ উদ্ধারের ৩ দিন পর উঠে আসছে এমনই তথ্য। চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা নির্যাতিতার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এদিন কথা বলেন।

    অন্য তরুণীর সঙ্গে সিনেমা হলে নির্যাতিতার প্রেমিক! (Nadia)

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ধৃত যুবক রাহুলের সঙ্গে নিহত তরুণীর (Nadia) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সম্পর্কে অবনতি হয়। অন্য এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান রাহুল। তার জেরেই কি মৃত্যু হয়েছে তরুণীর? উঠছে প্রশ্ন। কৃষ্ণনগরে তরুণীর দগ্ধ, বিবস্ত্র দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বৃহস্পতিবারই সিট গঠন করেছে রাজ্য পুলিশ। শুক্রবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক রাহুল বসুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল নিহত তরুণীর। রাহুলকে নিজের স্বামী বলে তিনি পরিচয় দিতেন বন্ধুমহলে। এমনকী তরুণীর ফোনেও রাহুলের নম্বর হাজব্যান্ড লিখে সেভ করা রয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সম্প্রতি তরুণীর সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। তলানিতে পৌঁছেছিল সেই সম্পর্ক। এর পর তরুণীরই এক বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান রাহুল। মঙ্গলবার ২ জন রানাঘাটে একটি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন। বিকেল পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন। পরে কৃষ্ণনগর ফেরেন। রাহুলই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিলেন কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে নারী নিরাপত্তা তলানিতে, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    মৃত্যুর আগের দিন ঠিক কী হয়েছিল?

    পুলিশের দাবি, মৃত্যুর আগের দিন কৃষ্ণনগর (Nadia) শহরের একাধিক রাস্তায় একা ঘুরে বেড়িয়েছিলেন তরুণী। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে কলেজ মাঠের কাছে রাত সাড়ে নটার পর থেকে তরুণীর গতিবিধি পাওয়া গিয়েছে। ধৃত রাহুলের উপস্থিতিও পাওয়া গিয়েছে কলেজ মাঠে। অথচ পুলিশের কাছে রাহুল দাবি করেছেন, তাঁদের সেদিন দেখা হয়নি। রাহুলের দাবি, ‘আমি খুন করিনি। ফোনে কথা হয়েছিল আমি কোথায়, আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখিস না, এইটুকু।’ কিন্তু দেখা গিয়েছে, রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ তরুণী ও রাহুল উভয়েরই মোবাইল টাওয়ার লোকেশন একই অঞ্চলেই ছিল।

    ময়না তদন্তে কী মিলল?

    বৃহস্পতিবার তরুণীর (Nadia) দেহের ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, ধর্ষণের কোনও স্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি। তবে মৃত্যুর আগেই তরুণীর গায়ে আগুন ধরানো হয়েছিল। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভবত সেই আগুনেই তরুণীর দেহের পোশাক পুড়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ১টি বোতল ও ২টি দেশলাই বাক্স। তার মধ্যে ১টি খোলা অবস্থায় ছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ মনে করছে, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তরুণী। কিন্তু সমস্ত সম্ভাবনা খোলা রেখে তদন্ত চালিয়ে যেতে চায় তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: উৎসবের মরশুমে বাড়তে পারে ডেঙ্গি! কেন বাড়ছে উদ্বেগ? কীভাবে সতর্ক থাকবেন? 

    Dengue: উৎসবের মরশুমে বাড়তে পারে ডেঙ্গি! কেন বাড়ছে উদ্বেগ? কীভাবে সতর্ক থাকবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুর্গাপুজো শেষ। শেষ লক্ষ্মীপুজো। সামনেই কালীপুজো ও দীপাবলি। উৎসব চলছে। কিন্তু এই মরশুমে নতুন উদ্বেগ রাজ্য জুড়ে! একদিকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বন্যার জেরে জীবন বিপর্যস্ত। দেখা দিচ্ছে নানান স্বাস্থ্য সমস্যা। ডায়ারিয়া থেকে জ্বর, রোগের কবলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আরেকদিকে নতুন রোগের ভ্রুকুটি দেখছেন চিকিৎসক মহল। তাঁদের আশঙ্কা, উৎসবের মরশুমে নতুন ভাবে বিপদ (Dengue) জাঁকিয়ে বসতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা জরুরি।

    কোন বিপদ নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ফের বাড়তে পারে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। তাঁদের আশঙ্কা, উৎসবের মরশুমে এই রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। বিশেষত, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাগুলিতে এই মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সেপ্টেম্বর মাস থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছে। অক্টোবরে সেই সংক্রমণ কয়েকগুণ বাড়তে পারে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।

    কেন উৎসবের মরশুমে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়তে পারে? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ছিল। কিন্তু গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে রাজ্য জুড়ে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। যার জেরে মশাবাহিত রোগের দাপট কিছুটা কমে। তাঁরা জানাচ্ছেন, লাগাতার বৃষ্টি পড়লে মশা কম জন্মায়। তার জেরেই ডেঙ্গির মতো রোগের প্রকোপ কিছুটা কমে। তবে, অক্টোবরে (Festive season ডেঙ্গির দাপট বৃদ্ধির প্রধান কারণ জমা জল হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, আপাতত বৃষ্টি একনাগাড়ে হচ্ছে না। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে। নিকাশি ব্যবস্থা অধিকাংশ জায়গায় খুব খারাপ। আর এই জমা জল মশাবাহিত রোগের মূল কারণ। তাই উৎসবের মরশুমে মশার দাপট বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে‌ বাড়তে পারে ডেঙ্গি। বছরের এই মরশুমে ডেঙ্গি সংক্রমণ বেশি হয়।

    বাড়তি বিপদ কেন? (Festive season)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উৎসবের মরশুমে একাধিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ঠিকমতো কাজ হয় না। অধিকাংশ পুরকর্মী ছুটিতে থাকেন। এর ফলে জ্বর হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ‌ মতো সময়ের মধ্যে ডেঙ্গি (Dengue) পরীক্ষা হয় না। এর জেরে রোগ নির্ণয়ে অনেক সময়েই দেরি হয়ে যায়। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কাও বাড়তে থাকে। আবার পরিস্থিতি জটিল হলে হাসপাতালে ভর্তি এবং চিকিৎসা চালানো নিয়ে নানান‌ সঙ্কট তৈরি হয়। প্রত্যেক বছর রক্তের আকালের একাধিক অভিযোগ ওঠে। ব্লাড ব্যাঙ্কেও উৎসবের মরশুমে প্লেটলেটের জোগান পাওয়া যায় না। সব মিলিয়ে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরিজনদের হয়রানিও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা একাংশের।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Dengue)

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, পরিবেশ-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এলাকায় জল জমলে, অপরিচ্ছন্ন‌ বাগান‌ কিংবা পার্ক থাকলে সংশ্লিষ্ট পুর কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। মশার বংশবিস্তার রুখতে পারলেই বিপদ কিছুটা আটকানো যাবে। তবে জ্বর, কাশি, মাথাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। প্রথম থেকেই রোগীকে মশারি টাঙিয়ে, তার ভিতরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। পাশাপাশি জ্বর হলেই বেশি পরিমাণে জল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ শরীরের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমলে‌ ডেঙ্গির বড় বিপদ আটকানো‌ সহজ হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share