Author: user

  • Siliguri: দিল্লিতে কর্মসূচি করতে তৃণমূলকে কোর্টে যেতে হচ্ছে না, এটাই পার্থক্য।” কটাক্ষ সুকান্তর

    Siliguri: দিল্লিতে কর্মসূচি করতে তৃণমূলকে কোর্টে যেতে হচ্ছে না, এটাই পার্থক্য।” কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের দিল্লি যাত্রা নিয়ে বিজেপিকে অযথা আক্রমণ করা হচ্ছে। কার্যত পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল গণতন্ত্রকে হত্যা করে চলেছে। এরাজ্যে বিরোধীদের কর্মসূচি করতে গেলে কোর্টে যেতে হয়। অপর দিকে তৃণমূলকে দিল্লিতে কর্মসূচি করতে কোর্টে যেতে হয়নি।। রবিবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) দলীয় কর্মসূচিতে এসে একথাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে কী বললেন সুকান্ত (Siliguri)?

    শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এরাজ্যে  লাঠি, গুলির দ্বারা তৃণমূল কংগ্রেসের অত্যাচার সহ্য করছে বিজেপি। আমাদের অনেক নেতাকর্মীও খুন হয়েছেন। প্রত্যেক দিন মহিলাদের শ্লীলতাহানি হচ্ছে। একমাত্র বিজেপি করেন বলে আমাদের কর্মীরা ঘরছাড়া। এরকম অনেক প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হতে হচ্ছে বিজেপিকে। কিন্তু দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে বিরোধীরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সুস্থভাবে সকলে রাজনীতি করতে পারে। তাই তৃণমূলের ভয়ের কিছু নেই। বিজেপি, তৃণমূলের কনভয় শান্তিপূর্ণভাবে যেতে সাহায্য করবে। কিন্তু এরাজ্যে আমাদের কর্মসূচি করতে কোর্টে যেতে হয়। দিল্লিতে কর্মসূচি করতে তৃণমূলকে কোর্টে যেতে হচ্ছে না। এটাই পার্থক্য।”

    ট্রেন-বিমান বাতিল প্রসঙ্গে কী বললেন?

    বিজেপি তৃণমূলের ট্রেন-বিমান বাতিল করেনি। বাতিল নিয়ে তৃণমূল মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে জানান সুকান্ত মজুমদার। শিলিগুড়িতে (Siliguri) তিনি বলেন, “বিমান প্রাইভেট সেক্টর চালায়, কেন্দ্র সরকার চালায় না। কাজেই প্রাইভেট সেক্টর এয়ার এশিয়া কেন বিমান বাতিল করেছে, সেটা বিমান সংস্থাই বলতে পারবে। ট্রেন বাতিল করা হয়েছে বলা হচ্ছে, কিন্তু আদৌ কি ট্রেন বুক করা হয়েছিল? সব কিছুরই একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। ট্রেনের জন্য আবেদন করেছিল, আর আবেদন করলেই ট্রেন বুক করা হয় না। তৃণমূলের এত কান্নাকাটি করার কী আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে দুটো চার্টার্ড প্লেন ভাড়া নেওয়া আছে। প্রতি মাসে তার জন্য সরকারের টাকা যায়। সেই প্লেনে লোক ভরে ভরে নিয়ে যাক।

    হিসেব না দিলে কেন্দ্র টাকা দেবে না

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন পরিকাঠামো উন্নয়নের টাকা পেতে গেলে বিগত বছরের টাকার হিসেব ক্লাবগুলিকে দিতে হবে। এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত শিলিগুড়ি (Siliguri) থেকে বলেন, “ক্লাবগুলিকে মদ মাংস খাইয়ে, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানতেন, এই টাকায় কাজ করবে না ক্লাবগুলি। রাজ্যের ভাঁড়ার শূন্য। তাই এখন বলছেন, হিসেব না দেওয়ার জন্য ক্লাবকে টাকা দেবেন না। এটাই তো নিয়ম হওয়া দরকার। ঠিক একই কারণে বিভিন্ন প্রকল্পে হিসেব না দেওয়ার জন্য রাজ্যকে টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “যাদের পোড়া বিড়ি জুটত না, তারা সব প্লেনে করে দিল্লি যাচ্ছে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Howrah: “যাদের পোড়া বিড়ি জুটত না, তারা সব প্লেনে করে দিল্লি যাচ্ছে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার ঝাড়ু দেওয়াই নয়। রীতিমতো রাস্তায় দাঁড়িয়ে রাস্তার ধুলো ও নোংরা-আবর্জনা পরিষ্কার করে, নিজের হাতে ফেললেন সেসব। সেই সঙ্গে কোদাল দিয়ে আবর্জনা পরিষ্কার করে সেখানে ছড়িয়ে দিলেন ব্লিচিং পাউডার। এভাবেই প্রকৃত অর্থে স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু করলেন বিধানসভার রাজ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাওড়া (Howrah) জেলা বিজেপির উদ্যোগে ডুমুরজলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন বাজারের কাছে স্বচ্ছ ভারত কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এরপর দিল্লি যাত্রা সম্পর্কে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন।

    পুর অঞ্চলের স্বচ্ছতা নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু অধিকারী এদিন হাওড়ায় (Howrah) স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশগ্রহণ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশ জুড়ে স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশ নেওয়ার যে আবেদন জানিয়েছেন, তাতেই শামিল হয়েছে গোটা দেশ। সর্বত্র এই অভিযান পালিত হচ্ছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য যতটা না বেশি পরিমাণে সাফাই করা, তার থেকেও বড় ব্যাপার হল মানুষের মধ্যে স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতার প্রচার-প্রসার করা।”

    অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সমগ্র পুর এলাকায়(Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুর এলাকায় নানা জায়গায় ঘুরে দেখে সর্বত্র নোংরা-আবর্জনা ছড়িয়ে থাকার কথা বলেন শুভেন্দু। চারদিক অত্যন্ত দুর্গন্ধময় এবং অপরিষ্কার। মাস্ক ছাড়া হাঁটা মুশকিল। নিষিদ্ধ প্লাস্টিক পড়ে রয়েছে যত্রতত্র। মলমূত্র, নোংরা-আবর্জনায় ভরে আছে রাস্তার ধার। নিকাশি নালাগুলিও পরিষ্কার করা হয়নি। এতে শারীরিক ভাবে অসুস্থ হতে পারেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে মশা মারার তেল নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে না। ডেঙ্গির মশার আঁতুড়ঘর হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুভেন্দু তাই বলেন, “পুরসভায় নির্বাচন কবে হবে, সেটা তো আমাদের ভাবার কথা নয়। কেউ তো বর্তমানে পুরসভার দায়িত্বে আছেন। তাঁর নেতৃত্বে কর্মীদের কাজ করা দরকার।”

    সাফাই কর্মীরা শুভেন্দুর কাছে অভিযোগ করছিলেন যে তাঁরা নিয়মিত বেতন পান না। সাফাইয়ের জিনিসপত্র দেওয়া হয় না। তাই তাঁরা ধর্মঘটে যাওয়ার কথা ভাবছেন। তিনি সাফাই কর্মীদের আবেদন করেছেন, পুজোর আগে, এই মুহূর্তে ধর্মঘটে না গিয়ে আবেদন-নিবেদনের মাধ্যমে তাঁদের দাবি আদায় করতে।

    দিল্লি যাত্রা নিয়ে কটাক্ষ

    হাওড়ায় (Howrah) শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “গোটা তৃণমূল কংগ্রেস মানেই প্রতিষ্ঠিত চোর। সব বাজারগুলিতে ছোট ছোট ঘুমটি রেখেছে। পুরসভা পাঁচ টাকা পেলে, তৃণমূল দশ টাকা পায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপোর নেতৃত্বে প্রাতিষ্ঠানিক চুরি চলছে সর্বত্র। তৃণমূল কংগ্রেসের দিল্লি অভিযান প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যাদের পোড়া বিড়ি জুটত না, গিটি লাগানো টায়ারের সাইকেল চড়ত, তারা সব প্লেনে করে দিল্লি যাচ্ছে। কাল তো আমরাও দেখতে চাই কত লক্ষ লোক দিল্লি যায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rabies Vaccination: রাজ্য জুড়ে জলাতঙ্কের টিকার সঙ্কটে প্রাণ সংশয় বাড়ছে

    Rabies Vaccination: রাজ্য জুড়ে জলাতঙ্কের টিকার সঙ্কটে প্রাণ সংশয় বাড়ছে

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার মধ্যেই রাজ্য জুড়ে নতুন সঙ্কট তৈরি হয়েছে। একদিকে রাজ্যবাসী ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের দাপটে জেরবার। আর এই সময়ে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে আরেক সঙ্কট (Rabies Vaccination) ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। হয়রানির পাশপাশি প্রাণ সংশয় বাড়ছে রাজ্যের মানুষের। তাই চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষ, উদ্বিগ্ন সব মহল।

    কোন নতুন বিপদ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে? 

    রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা রেবিস ভ্যাকসিনের (Rabies Vaccination) সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ক্যান্সারের থেকেও বেশি ভয়াবহ এই রোগের একমাত্র মোকাবিলার উপায় রেবিস টিকা। কিন্তু এই টিকা এখন সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত নেই। তাই চিকিৎসকরা উদ্বিগ্ন। কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি মানুষ রেবিস টিকা নেওয়ার জন্য যান। কিন্তু সেখানেও এখন টিকা পর্যাপ্ত নেই। সবচেয়ে বেশি সঙ্কট মুর্শিদাবাদ, মালদহ, পুরুলিয়ার মতো জেলার হাসপাতালগুলোতে। অধিকাংশ জেলার হাসপাতালে রেবিস টিকা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিপদে পড়ছেন রোগী ও পরিবার।

    কী ধরনের হয়রানির অভিযোগ উঠছে? 

    কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক রুখতে প্রয়োজন রেবিস টিকা। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে পাঁচ বার এই টিকা নেওয়া জরুরি। নিয়ম মতো জলাতঙ্কের মতো এই মারণ রোগ রুখতে সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে রেবিস টিকা দেওয়া হবে। পাঁচটি ভ্যাকসিন (Rabies Vaccination) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ, অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে রেবিস টিকা পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি হাসপাতাল থেকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে টিকা নেই। কিন্তু কোথায় টিকা পাওয়া যাবে, সে বিষয়েও রোগীকে কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। ফলে, বিপদে পড়ছেন রোগী ও পরিবার। একের পর এক হাসপাতালে টিকার জন্য ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ। এরফলে প্রাণ সংশয় তৈরি হচ্ছে। 
    এছাড়াও লাগামহীন ভাবে রেবিস টিকার দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে টিকা অমিল। আর এই সুযোগে অনেকেই টিকার দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে টিকা পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু প্রত্যেক ডোজের দাম তিন থেকে চার হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। ফলে, বিনামূল্যের পরিষেবা কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীর পরিবার।

    কেন উদ্বেগ বাড়ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জলাতঙ্ক মারণ রোগ। সময় মতো টিকা (Rabies Vaccination) না নিলে মৃত্যু ঠেকানো মুশকিল। কিন্তু অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে এখন টিকা না থাকার অভিযোগ উঠছে। এমনকি হাসপাতালের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমন্বয়ের অভাব চিন্তা বাড়াচ্ছে। কারণ, কোনও একটি এলাকার নির্দিষ্ট একটি হাসপাতালে টিকা না থাকলে রোগী কোথায় যাবেন, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের জানানো উচিত। সেই তথ্য না দিলে সময় নষ্ট হবে। বিশেষত জেলার মানুষের ভোগান্তি বেশি। কারণ, অধিকাংশ জেলায় যাতায়াতের নানা অসুবিধা রয়েছে। অনেকেই সময় মতো টিকা পাচ্ছেন না। বিপদ বাড়ছে। তাই জলাতঙ্ক নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

    কী বলছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর? 

    রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য কেন্দ্রের দিকে দায় ঠেলে দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজনীয় রেবিস টিকার (Rabies Vaccination) জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক সময়ই কেন্দ্র টিকা পাঠাতে দেরি করে। তখন সঙ্কট তৈরি হয়। এক্ষেত্রে রাজ্যের কোনও দায় নেই। সময় মতো টিকা এলেই তা রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে বন্টন করা হয়। 
    যদিও স্বাস্থ্যকর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রে রাজ্য টিকার চাহিদা জানাতে দেরি করে। ফলে, কেন্দ্রের টিকা পাঠাতে সময় লাগে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের ঠিক সময়ে কাজ করতে না পারার জেরেই ভোগান্তি সাধারণ মানুষের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Durga Puja 2023: মহিষাদল রাজবাড়ির পুজোয় ভালো ফসলের আশায় আজও দেবীর পাশে থাকে ধান

    Durga Puja 2023: মহিষাদল রাজবাড়ির পুজোয় ভালো ফসলের আশায় আজও দেবীর পাশে থাকে ধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেকার সেই জৌলুস, আড়ম্বর আজ অনেকটাই কমে গিয়েছে। কিন্তু নিয়ম মেনেই প্রতিপদে ঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজো। প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) দেখতে আজও ভিড় জমান দূরদূরান্তের পাশাপাশি  স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিমা দর্শন করতে আসেন ভিন রাজ্য, ভিন জেলার দর্শনার্থীরাও।

    অশ্বত্থ গাছের তলায় নটি ঘট ওঠে

    রানি জানকীর আমলে আনুমানিক ১৭৭৬ সালে মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজো শুরু হয়। সেই সময় থেকেই রাজবাড়ির ঠাকুরদালানে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। রাজত্ব চলে যাওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) জৌলুস কমেছে। কিন্তু, নিয়ম-আচারে ছেদ পড়েনি। তাই প্রথা অনুযায়ী মহালয়ার পরদিন অর্থাৎ প্রতিপদের দিন ঘট স্থাপন করে মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর সূচনা হয়। এ প্রসঙ্গে এই রাজবাড়ির সদস্য হরপ্রসাদ গর্গ বলেন, ‘মহালয়ার পরের দিন রাজবাড়ির দুর্গামণ্ডপ লাগোয়া অশ্বত্থ গাছের তলায় নটি ঘট ওঠে। ষষ্ঠী থেকে প্রতিদিনই ঘটপুজো হবে। সপ্তমী থেকে মূর্তি পুজো হবে। প্রতিমার একপাশে ঘট, অন্যপাশে ধান রাখা হয়। এই দুর্গাপুজো করার পরই শুষ্ক গ্রামে ধান ফলেছিল। তাই ভালো ফসলের আশায় আজও দেবীর পাশে ধান রাখা হয়।

    সাদা পদ্মে মায়ের পুজো

    পুজোয় ১০৮টি নীলপদ্ম দেওয়ার চলও রয়েছে, যা আসত উত্তরপ্রদেশ থেকে। কিন্তু এখন তা আর হয় না, সাদা পদ্মে মায়ের পুজো হয়। আগে মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় যাত্রাপালা, ভোগ বিতরণ, কামান দেগে সন্ধিপুজো, বিসর্জনের শোভাযাত্রা সবই হত। এই রাজবাড়ির সদস্য হরপ্রসাদবাবু জানিয়েছেন, পুজোর দিনগুলিতে ঠাকুরদালানেই যাত্রা হত। রাজবাড়ির মহিলারা পর্দার আড়াল থেকে যাত্রা দেখতেন। পুজোর দিন অনুযায়ী ভোগ রান্না হত। যেমন, ষষ্ঠীতে ছয় মন, সপ্তমীতে সাত মন, অষ্টমীতে আট মন, নবমীতে নয় মন চালের প্রসাদ তৈরি করে বিতরণ করা হত। এখন তা আর সম্ভব হয় না। অষ্টমীর সন্ধ্যায় কামান দেগে রাজবাড়ি সহ আশপাশের এলাকার পুজোমণ্ডপে সন্ধিপুজো (Durga Puja 2023) শুরু হত। দশমীতে বড় নৌকায় করে শোভাযাত্রা বেরতো এবং রাজবাড়ির সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া হিজলি টাইডাল ক্যানাল হয়ে গেঁওখালিতে রূপনারায়ণ নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হত। এখন সে সবই অতীত। রাজত্ব ঘোচার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রাপালা বন্ধ হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে অবশ্য এখনও ভোগ রান্না করা হয়। কিন্তু তা যৎসামান্য।

    কামানের পরিবর্তে আতশবাজি

    এদিকে সরকার কামান দাগায় নিষেধাজ্ঞা জারি করায় সেটাও ইতিহাসের খাতায় চলে গিয়েছে। এখন কামান দাগার পরিবর্তে আতসবাজির রোশনাইয়ের মধ্যে দিয়ে সন্ধিপুজো করা হয়। বিসর্জনের শোভাযাত্রাও অতীত। রাজবাড়ি লাগোয়া রাজদিঘিতেই প্রতিমা (Durga Puja 2023) বিসর্জন দেওয়া হয়। তবে আড়ম্বর কমলেও ঐতিহ্যের টানে আজও বহু মানুষ মহিষাদল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় সামিল হন। দর্শনার্থীদের যাতে কোনও রকম অসুবিধে না হয়, তার জন্য বর্তমান রাজ পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নজরে রেখেছেন। পুজোয় আগত দর্শনার্থী বা পর্যটকদের পরিষেবা দিতে রাত্রীযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে মূল্য দিয়ে থাকতে হবে। মহিষাদল রাজবাড়ির বর্তমান প্রজন্ম হিসাবে রাজবাড়ি দেখাশোনা করে থাকেন শংকরপ্রসাদ গর্গ ও হরপ্রসাদ গর্গ। রাজবাড়ির পুজো দেখতে এবং রাজবাড়ির অপরূপ পরিবেশের অনুভূতি নিতে আসতেই হবে মহিষাদলে।।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games: চিনা দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে টেবিল টেনিসে পদক জয় দুই বঙ্গ ললনার  

    Asian Games: চিনা দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে টেবিল টেনিসে পদক জয় দুই বঙ্গ ললনার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের মাটিতে দাঁড়িয়ে চিনকেই ধরাশায়ী করল দুই বঙ্গ কন্যা। এশিয়ান গেমস (Asian Games) টেবিল টেনিসে মেয়েদের ডাবলসের সেমিফাইনালে উঠে আপাতত ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই দুই টেবিল টেনিস খেলোয়াড়। নৈহাটির এই দুই কন্যা হারিয়েছেন চিনের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জুটি জেন মেং এবং ওয়াং ইয়াদিকে। এই চেন মেং টোকিও অলিম্পিক্সের জোড়া সোনা জয়ী। ওয়াংয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে মাস কয়েক আগে ডারবানে বিশ্বচ্যাম্পিয়নও হয়েছেন।

    দুজনেই নৈহাটির বাসিন্দা

    পদক জিতে দেশকে গর্বিত করেছেন যে দুই বঙ্গ ললনা, ঘটনাচক্রে তাঁরা দুজনেই নৈহাটির বাসিন্দা। নৈহাটি রেল স্টেশনের এক ও চার নম্বর গেটের কাছে বাড়ি সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় এবং ঐহিকা মুখোপাধ্যায়ের। এদিন চিনা জুটি (Asian Games) চেন মেং এবং ওয়াং ইয়াদিকে ১১-৫, ১১-৫, ৫-১১, ১১-৯ পয়েন্টে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করেছেন এই দুই বাঙালি। এই পদক জয়ের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাস গড়েছেন নৈহাটির এই দুই ক্রীড়াবিদ।

    চিনা ললনাদের পরাস্ত করলেন বঙ্গ ললনারা

    এর আগে কোনও দিন টেবিল টেনিসে মহিলাদের ডাবলসে পদক জেতেনি ভারত। এতদিন কোয়ার্টার ফাইনালে বরাবর দাপট দেখিয়েছেন চিনের খেলোয়াড়রা। সেখানেই চিনা ললনাদের পরাস্ত করে ইতিহাস গড়ে ফেললেন নৈহাটির এই দুই ললনা। এশিয়ান গেমসে শনিবার দুটি সোনা এসেছে। একটি শ্যুটিং এবং অন্যটি টেনিস থেকে। রুপো এসেছে দুটি। ব্রোঞ্জ একটিতে। হাংঝৌ থেকে ফোনে সুতীর্থা বলেন, “পদক জেতার লক্ষ্যেই এখানে এসেছিলাম। বিশ্বসেরাদের হারিয়ে সেটা করতে পারছি বলে স্বপ্নের মতো লাগছে।” ঐহিকার কথায়, “অনেকদিন ধরেই আমরা চিনাদের কাছে লড়ে হারছি। তাতেই অভিজ্ঞতা বেড়েছিল। তা থেকেই এই জয়। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে সেমিফাইনালের গন্ডি টপকানোই এখন একমাত্র লক্ষ্য।” প্রসঙ্গত, এই দুজনেরই টেবিল টেনিসের হাতেখড়ি কোচ মিহির ঘোষের কাছে।

    আরও পড়ুুন: ‘দিল্লি চলো’ হুঙ্কার ছেড়ে নিজের রাজ্যেই ক্লাবের অনুদান বন্ধ করলেন মমতা!

    ভারতীয় টিমের (Asian Games) কোচ বাগুইহাটির সৌরভ চক্রবর্তী। ফোনে তিনি বলেন, “গোংশু ক্যানাল স্পোর্টস পার্কের জিমন্যাসিয়ামে যেখানে টিটি হচ্ছে, সেখানে চিনারা টেবিলে নামলেই, গ্যালারি থেকে চিৎকার ভেসে আসে – জো চিন, যার অর্থ কাম অন চায়না। আজ সুতীর্থারা যখন চিনাদের বিরুদ্ধে নামে, তখন আমরা পাল্টা চেঁচাতে থাকি, জো ইন্ডিয়া বলে। তাতে দর্শকরা একটু দমে যায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলে এখনও সংরক্ষিত গান্ধীজির চিঠি! কী লিখেছিলেন তিনি?

    Asansol: ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলে এখনও সংরক্ষিত গান্ধীজির চিঠি! কী লিখেছিলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ অক্টোবর গান্ধী জন্মজয়ন্তী। গান্ধীজির সঙ্গে বঙ্গের আসানসোল (Asansol) বা রানীগঞ্জের যে সংযোগ ছিল, তার উল্লেখ অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়। ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে খুবই ভালোভাবে অবগত। সেই গান্ধীজির যুগের স্পর্শ রয়েছে আসানসোলের একটি স্কুলেও। তার আগে জানতে হবে আরও একটি বিষয়। জানেন কি আসানসোলে প্রথম তৈরি হয়েছিল সেপটিক ট্যাঙ্কের ফরমুলা, যা চেয়ে পাঠিয়েছিলেন স্বয়ং গান্ধীজি! সেটি পাওয়ার পর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আবার একটি চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি। গান্ধীজির পাঠানো এই চিঠি আজও শোভা পাচ্ছে আসানসোলের ওই স্কুলগাত্রে।

    গান্ধীজি চিঠি পাঠিয়েছিলেন কোন স্কুলে (Asansol)?

    গান্ধীজির পাঠানো চিঠি রাখা হয়েছে আসানসোলের (Asansol) ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলে। এক সময় এই বিদ্যালয়টি ছিল খ্রিস্টান পরিচালিত, যা স্বাধীনতার পূর্বের সময়ের ইতিহাস বহন করেছে। জেলার অন্যতম পুরনো বিদ্যালয়, যেখানে পড়ুয়াদের জন্য প্রথম তৈরি হয়েছিল শৌচালয়ের সেপটিক ট্যাঙ্ক ফরমুলা, যা বর্তমানে বহুলভাবে প্রচলিত। সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষয়টি জানতে পেরে গান্ধীজি সেই ফরমুলা চেয়ে পাঠান। গুজরাটের সবরমতীতে গান্ধীজির আশ্রমের শৌচালয়ের জন্য এই ফরমুলা তিনি চেয়ে পাঠিয়েছিলেন। তখন উষাগ্রাম বয়েজ হাইস্কুলের দায়িত্বে ছিলেন হিলিয়াম বায়ার্স। তাঁকেই প্রথম চিঠি পাঠিয়েছিলেন গান্ধীজি। এরপর যে ইঞ্জিনিয়ার ওই সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরি করেছিলেন, তিনি ফরমুলা পাঠিয়েছিলেন গান্ধীজিকে। পরিবর্তে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে একটি চিঠি গান্ধীজি পাঠিয়েছিলেন স্কুল কর্তৃপক্ষকে। এই চিঠি আজও সংরক্ষিত স্কুলে।

    বর্তমানে এই চিঠি সংরক্ষিত স্কুলে

    সঠিকভাবে সাল না জানা গেলেও, আনুমানিক স্বাধীনতার বেশ কয়েক বছর আগের এই ঘটনা বলে দাবি করা হয়। গান্ধীজির পাঠানো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা এই চিঠিটি ছিল হিলিয়াম বায়ার্স-এর পরিবারের কাছে। ২০১১ সালে হিলিয়াম বায়ার্সের নাতি এই চিঠিটি বিদ্যালয় (Asansol) কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করেন। আর তারপর থেকে গান্ধীজির পাঠানো এই চিঠি সাজিয়ে রাখা আছে বিদ্যালয়ে। গান্ধীজীর পাঠানো এই চিঠি বিদ্যালয়ের সঙ্গে গান্ধীজির যোগের প্রত্যক্ষ প্রমাণ বলেই দাবি করা হয়।

    স্কুলের প্রতিক্রিয়া

    ঊষাগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলের (Asansol) কমিটির সম্পাদিকা সুশীলা মল্লিক বলেন, “হিলিয়াম বায়ার্সের নাতি ২০১১ সালে একটি বই আকারে গান্ধীজির চিঠিটি পাঠান। এরপর স্কুলের প্রেস থেকে ফেস্টের সময় ছাপিয়ে স্কুলের দেওয়ালে সেটি লাগানো হয়। ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত জায়গা হল এই স্কুল।” স্কুলের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক সঞ্জীব নস্কর বলেন, “আমাদের স্কুলেই প্রথম স্যানিটারি বিষয়টি এসেছিল। গান্ধীজি লোক পাঠিয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাঁর আশ্রমে প্রয়োগ করেন। সমাজে স্বচ্ছতা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সেই সময় থেকে গান্ধীজি সচেতন ছিলেন। বাপুর এই চিঠি, স্কুলের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hoogly News: টাকা নেই, খাওয়াবেন কী? জন্মের পরই দুধের শিশুকে অন্যের হাতে

    Hoogly News: টাকা নেই, খাওয়াবেন কী? জন্মের পরই দুধের শিশুকে অন্যের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুত্র সন্তান প্রসবের পরে হাসপাতাল থেকে ছাড় পাওয়া! তারপরই দুধের শিশুকে অন্যের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হলেন এক মা! কারণ শিশুকে লালন পালন করার মতো আর্থিক ক্ষমতা জন্মদাত্রীর নেই। ইটভাটার শ্রমিক ওই মায়ের স্বামীও নিখোঁজ। রীতিমতো কোর্ট পেপারে সই করেই নিজের পুত্র সন্তানকে দত্তক দিতে বাধ্য হলেন ইটভাটার ওই মহিলা শ্রমিক। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলি জেলায় (Hoogly News) চুঁচুড়ায়। জন্মদাত্রী মা তো সন্তানকে ছাড়তে চায়না, কিন্তু রাজ্যে কর্মসংস্থানের বেহাল অবস্থাই প্রতিফলিত হল এই ঘটনায়, এমনটাই মত উঠে আসছে কোনও কোনও মহল থেকে।

    পুলিশ সূত্রে কী জানা গেল? 

    জানা গিয়েছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর চুঁচুড়া জেলা (Hoogly News) হাসপাতালে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন ওই মহিলা শ্রমিক। পাঁচ দিন পরে গত ২৭ সেপ্টেম্বর হাসপাতাল থেকে ছুটি পান ওই মহিলা। তখনও পুত্র সন্তান তাঁর সঙ্গেই ছিল। এরপরেই দুধের শিশুকে দান করে দেন তিনি। সদ্যোজাত শিশুকে দত্তক নেন চুঁচুড়া চ্যাটার্জি বাগান এলাকার বাসিন্দা যাদব এবং বুলু মন্ডল নামের এক দম্পতি। চ্যাটার্জি বাগান (Hoogly News) এলাকার ওই দম্পতি শিশু পুত্রটিকে দত্তক নেওয়ার পরেই স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তারা হাজির হন তাঁর বাড়িতে। তাঁরা বোঝাতে থাকেন যে শিশু দত্তক নেওয়ার বেশ কিছু সরকারি নিয়ম-কানুন রয়েছে। সেইমতো মহকুমা শাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয় যাদবকে। 

    পুত্র দত্তক পেয়ে খুশি দম্পতি

    অন্যদিকে মাত্র আট দিন বয়সের দুগ্ধ পোষ্য শিশুকে কোলে পেয়ে বেশ খুশি বুলু মন্ডল (Hoogly News)। কিছুতেই ওই সদ্যোজাত সন্তানকে হাতছাড়া করতে চান না দম্পতি। যাদবের দাবি, সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই দত্তক নেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে অবশ্য ওই পুত্র সন্তানের জন্মদাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জানা গিয়েছে, কোর্ট পেপারে ইটভাটা শ্রমিক জন্মদাত্রী মা লিখেছেন, ‘‘শিশুকে মানুষ করার মতো আর্থিক সামর্থ্য আমার নেই, তার ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে আমি অপারগ। তাই লিখিতভাবে সন্তানকে হস্তান্তর করছি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: রবিবার পুজোর বাজার কি পণ্ড করবে নিম্নচাপের বৃষ্টি? কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: রবিবার পুজোর বাজার কি পণ্ড করবে নিম্নচাপের বৃষ্টি? কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ভারী বৃষ্টিপাত (Weather Update) হয়েছে রাজ্যের জেলায় জেলায়। রবিবার সকাল থেকেই কলকাতা সমেত শহরতলী এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আকাশ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতে আদ্রতাজনিত অস্বস্তিও নেই। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টা কলকাতা সহ আশেপাশের এলাকা মেঘলা থাকবে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। বিশ্বকর্মা পুজোর দিনেই সাধারণত বাঙালির দুর্গা পুজোর বাজার শুরু হয়। তখনও নিম্নচাপের (Weather Update) প্রভাবে বৃষ্টিপাতের সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। রবিবার ছুটির দিনে বিকালে পরিবার সমেত বাজার করার পরিকল্পনা হয়তো অনেকেই করেছেন কিন্তু সেই পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিতে পারে বৃষ্টি, এমনটাই খবর আবহাওয়া দফতর সূত্রে। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এদিন থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আদ্রতা রবিবার থাকবে সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ। আবহাওয়া দফতরের মতে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওপরে থাকা নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। শনিবার বিকেলে এই নিম্নচাপটির অবস্থান ছিল উত্তর ওড়িশার উপকূলে, পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় এটি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে ঝাড়খন্ডে চলে গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    ১ অক্টোবর ও ২ অক্টোবর রবিবার ও সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। বাকি জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে ৩ অক্টোবর মঙ্গলবার কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার কোনও কোনও জায়গায় অতিভারী (Weather Update) বৃষ্টি হতে পারে। ৪ অক্টোবর বুধবার জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে হাল্কা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া?

    ১ অক্টোবর রবিবার ভারী বৃষ্টির (Weather Update) পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম বর্ধমানে। বাকি জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ২ অক্টোবর সোমবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায়। ৩ অক্টোবর মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কোনও কোনও জায়গায়। ৪ অক্টোবর বুধবার সবকটি জেলাতেই হাল্কা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raj Bhavan Kolkata: রাজ্যের হম্বিতম্বিই সার, তৃণমূল বিধায়ক শপথ নিলেন রাজভবনেই!

    Raj Bhavan Kolkata: রাজ্যের হম্বিতম্বিই সার, তৃণমূল বিধায়ক শপথ নিলেন রাজভবনেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনের (Raj Bhavan Kolkata) বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ জারি করেছে নবান্ন তথা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস! অথচ শনিবার রাজভবনেই শপথ বাক্য পাঠ করতে দেখা গেল ধূপগুড়ির নবনির্বাচিত বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়কে। এতেই ওয়াকিবহাল মহল বলছে রাজ্যের কি তবে হম্বিতম্বিই সার হল? তাদের বিধায়ককে শেষ পর্যন্ত শপথ রাজভবনেই (Raj Bhavan Kolkata) নিতে হল!

    সাধারণভাবে বিধায়কের শপথগ্রহণ বিধানসভাতেই হয়ে থাকে 

    সাধারণভাবে বিধায়কের শপথ গ্রহণ রাজভবনে হয় না বরং তা বিধানসভাতেই হয়ে থাকে, কিন্তু এমন বিরল ঘটনা এবার এ রাজ্যে চোখে পড়ল। পাশাপাশি রাজভবনে (Raj Bhavan Kolkata) বিধায়কের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেখা গেল না বিধানসভার অধ্যক্ষ এবং পরিষদীয় মন্ত্রীদের। এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নির্মলচন্দ্র রায়কে শপথ বাক্য পাঠ করান। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিধায়কের পরিবারও। যদিও এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল ২৩ সেপ্টেম্বর তবুও তা ৩০ সেপ্টেম্বরে সম্পন্ন হল, মাঝখানে শপথ নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন।

    আরও পড়ুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

    কেন রাজভবনে শপথ?

    রাজভবনের (Raj Bhavan Kolkata) তরফে বিধায়ককে চিঠি লিখে শপথ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। রাজ্য সরকার অভিযোগ তোলে যে তাদেরকে নাকি এ বিষয়ে কোনও তথ্যই দেওয়া হয়নি। এরপরে রাজ্য সরকারের একাধিক মন্ত্রী তীব্র আক্রমণ করেন সিভি আনন্দ বোসকে। রাজভবনের যুক্তি, নবনির্বাচিত বিধায়ক রাজবংশী সমাজের এবং তাঁকে রাজভবনে শপথ বাক্য পাঠ করালে জনমানসে ইতিবাচক বার্তা যাবে। রাজভবনের (Raj Bhavan Kolkata) দরজা যে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য উন্মুক্ত, সেই বার্তাও পৌঁছানো সম্ভব। রাজ্যপালের দেওয়া প্রস্তাবে রাজি হয় সরকার। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৮ তারিখ ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। নবনির্বাচিত বিধায়ক শপথ নিলেন ২২ দিন পরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Club Donation: ‘দিল্লি চলো’ হুঙ্কার ছেড়ে নিজের রাজ্যেই ক্লাবের অনুদান বন্ধ করলেন মমতা!

    Club Donation: ‘দিল্লি চলো’ হুঙ্কার ছেড়ে নিজের রাজ্যেই ক্লাবের অনুদান বন্ধ করলেন মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি চলো ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী! কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে টাকা আদায়ের দাবিতে। অথচ, নিজের রাজ্যেই ক্লাবের অনুদান বন্ধ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের ক্লাবগুলি (Club Donation) আর কোনও সরকারি টাকাই পাবে না। এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। অভিযোগ বহু ক্লাবই নাকি খরচের যথাযথ হিসাব দেয়নি। প্রসঙ্গত, শাসকদলের অনুগ্রহে থাকা ক্লাবগুলি সাধারণভাবে সরকারি অনুদান পায়। সাধারণভাবে দেখা যায় রাজ্য জুড়ে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত ক্লাবগুলির সম্পাদক, সভাপতি বা সদস্যরা তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী হন। এবার সেই ক্লাবের সরকারি টাকা নয়ছয় এর অভিযোগ যখন সামনে এল তখন প্রশ্ন উঠছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলের বিরুদ্ধেই কি অভিযোগ আনলেন?

    দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলিকে ৭০ হাজার করে অনুদান 

    এরই মাঝে দুর্গাপুজোয় প্রতিটি ক্লাবকে ৭০ হাজার টাকা করে দেওয়ার রাজ্য সরকারের অনুদান (Club Donation) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা শুক্রবার বলেন, ‘‘আমি অনেক মামলা শুনেছি, যেখানে মানুষ বেতন পাচ্ছেন না, চাকরি পাচ্ছেন না, পেনশন পাচ্ছেন না। আর পুজো কমিটিকে টাকা দেওয়া হচ্ছে!’’ প্রসঙ্গত ক্ষমতা আসার পর পরই ক্লাবগুলিকে দখল করার অভিযোগ ওঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে। বিরোধীরা অভিযোগ করেন লাখ লাখ টাকা খরচ করে রাজ্যের ক্লাবগুলিকে কিনতে চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    মোট কত ক্লাবকে অনুদান (Club Donation) দেওয়া হতো?

    পরিসংখ্যান বলছে ২০১১ সালে ৭৮১টি ক্লাবকে এই অনুদান দেওয়া হয়েছিল। এই খাতে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল রাজ্য সরকার। পরের বছর এই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং ১৫০০ ক্লাবকে এই অনুদান দেওয়া হয়। যার জন্য রাজ্য সরকারের কোষাগার থেকে খরচ হয় আরও ৪০ কোটি টাকা। প্রথমে বছরে এককালীন ২ লাখ টাকা দেওয়া হতো ক্লাবগুলিকে। পরবর্তী তিন বছর এক লাখ টাকা করে মোট পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে অভিযোগ শোনা গিয়েছে বিরোধী দলনেতার কণ্ঠে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের মতে, ক্লাবগুলিকে এই প্রকল্প মারফত টাকা দিয়ে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। অনুদানের জন্য নতুন ক্লাবের নাম নথিভুক্ত (Club Donation) করার দায়িত্ব দেওয়া হয় শাসকদলের বিধায়কদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share