Author: user

  • TMC: ইডি-সিবিআই প্রসঙ্গ উঠতেই সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়ালেন মন্ত্রী মলয় ঘটক

    TMC: ইডি-সিবিআই প্রসঙ্গ উঠতেই সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়ালেন মন্ত্রী মলয় ঘটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-সিবিআইয়ের তলবে হাজিরা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়ালেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। কয়লাপাচার কাণ্ডে এই নিয়ে ১৩ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী। এদিন, নানুরে শহীদ স্মরণ (TMC) সভায় যোগ দেন তিনি। সভা শেষে সটান গাড়িতে চেপে পরেন। যাতে সাংবাদিকদের এড়ানো যায়! এবার কি হাজিরা দেবেন? প্রশ্ন করতেই মন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনাকে কেন বলব?’’ এই বলেই গাড়ির কাঁচ তুলে দেন তিনি। অর্থাৎ, কয়লা পাচার কাণ্ডে হাজিরা দেবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যান রাজ্যের আইনমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, কয়লাপাচার কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে একাধিক পুলিশ কর্তারও। তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমেত তাঁর স্ত্রী ও শ্যালিকাও রয়েছেন ইডি রেডারে।

    ১২ জুলাই ফের তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি

    শেষবারের মতো গত ১২ জুলাই তাঁকে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। চলতি সপ্তাহেই তাঁর দিল্লিতে গিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, মন্ত্রীমশাই চিঠি দিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত কিছু কর্মসূচি থাকার কারণে তিনি দিল্লি যেতে পারছেন না। পঞ্চায়েত ভোটের (TMC) আগে ২০ ও ২৬ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। সেইসময় রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। ভোটপর্ব মিটলে তিনি হাজিরা দেবেন। কিন্তু তখনও হাজিরা দেননি মন্ত্রী (TMC)

    কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    এদিকে, বার বার ডাকা সত্ত্বেও মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) যেভাবে হাজিরা এড়াচ্ছেন, তা আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করছে ইডি। এ নিয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর। নিয়ম অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা যাকে হাজিরার জন্য ডাকবে তাকে যেতে হবে। না গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইডি-র। এক্ষেত্রে, তদন্তকারী সংস্থা আদালতের কাছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি তারা মনে করেন যে তিনি শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদ এড়ানোর জন্যই এই কাজ করছেন তবে তাকে গ্রেফতারির জন্য আদালতের কাছে ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদনও করতে পারেন। কারণ ইডির গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Migrant Labour: ফের মর্মান্তিক ঘটনা! বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল তেলঙ্গানায় 

    Migrant Labour: ফের মর্মান্তিক ঘটনা! বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল তেলঙ্গানায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মর্মান্তিক ঘটনা। ফের প্রকাশ্যে এল রাজ্যের কর্ম সংস্থানের কঙ্কালসার চেহারা। স্রেফ পেটের টানে ভিন রাজ্যে কত আসহায় যুবক (Migrant Labour) যে ছুটছেন, বিপদে পড়ছেন, তা একটি ঘটনা থেকে আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল। তেলঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদ শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূর। সেখানকার রাঙ্গারেড্ডি জেলার শাদনগরের বারগুলা এলাকায় একটি প্রাইভেট পলিমার সামগ্রী তৈরির কারখানায় কাজ করতেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার বেতুলিয়াচক লালপুর গ্রামের মনোজিৎ দাস। ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারখানায় কর্মরত অবস্থায় দেহ ঝলসে যায় মনোজিতের। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এইভাবে কতদিন আর রাজ্যের শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়কে শুধুমাত্র সংসার প্রতিপালনে পড়ে থাকতে হবে বিদেশের মাটিতে, যেখানে পদে পদে বিপদের হাতছানি?

    কীভাবে অগ্নিকাণ্ড?

    জানা গেছে, ১৬ ই জুলাই রাতে কাজের সময় হঠাৎই আগুন লেগে যায় কারখানায়। মুহূর্তের মধ্যেই তাতে অগ্নিদগ্ধ হন ৯ জন শ্রমিক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই রাতে মৃত্যু হয় মনোজিৎ দাসের। মনোজিৎ সহ চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এখনওপর্যন্ত। যাঁদের বাড়ি মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গে। আশঙ্কাজনক পাঁচজন এখনও চিকিৎসাধীন। ২৬ জুলাই রাতে দেহ (Migrant Labour) এসে পৌঁছয় ভগবানপুরে, নিজের বাড়িতে। রাতেই সম্পন্ন হয়েছে শেষকৃত্য। ২৯ বছরের তরতাজা যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার।

    কী বললেন বাবা ও প্রতিবেশীরা?

    মনোজিতের (Migrant Labour) প্রতিবেশী দাদা পবিত্র কুমার দাস বলেন, মনোজিৎ ওই কোম্পানিতে পাঁচ বছর কাজ করেছিল। আমিও ওই কোম্পানিতে ৯ বছর কাজ করেছি। এর আগে কোনওদিন এমন ঘটনা ঘটেনি। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। কোম্পানি চিকিৎসা করিয়েছে, পরিবারের পুরো দায়িত্ব কোম্পানি নিয়েছে। ছেলেকে বিয়ে করানোর কথা আলোচনা চলছিল। বাড়ি তুলেছেন নতুন। মনোজিতের বাবা বাদল চন্দ্র দাস দোষ দিচ্ছেন নিজের কপালকে। ভারী গলায় তিনি বললেন, ছেলে কি আর ফিরবে! 

    তরতাজা যুবকের কাজের জন্য ভিন রাজ্যে গিয়ে মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার, ২৮/০৭/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার, ২৮/০৭/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানের স্বাস্থ্যোন্নতি হবে।

    ২) দূরের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে এবং তাঁদের কাছ থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন।
         
    বৃষ

    ১) হঠাৎই কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামনে আসতে পারে, যার জন্য নিজের ব্যস্ত সময়সূচি থেকে সময় বের করবেন।

    ২) পরিবারের সদস্য বন্ধু ও আত্মীয়দের আর্থিক সাহায্য লাভ করতে পারেন।

    মিথুন

    ১) বাবার স্বাস্থ্যের কারণে চিন্তিত হবেন। অংশীদারীত্বের কাজের জন্য সময় ভালো।

    ২) আর্থিক সমস্যার সমাধান হবে।

    কর্কট

    ১) ভাইদের মধ্যে মনোমালিন্য চলতে থাকলে তার সমাধান হবে।

    ২) ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও চুক্তি চূড়ান্ত করলে ভবিষ্যতে লাভান্বিত হবেন।            

    সিংহ 

    ১) আলস্যের কারণে কাজ বাতিল করতে পারেন।

    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে যাত্রার পরিকল্পনা করে থাকলে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে সমস্ত জিনিস ভালো ভাবে যাচাই করে নিন, না-হলে সমস্যায় পড়তে পারেন।       

    কন্যা

    ১) পরিবারের বরিষ্ঠ সদস্যদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মা-বাবার পথ প্রদর্শন লাভ করবেন।

    তুলা 

    ১) আপনার নতুন শত্রু ও বিরোধীরা প্রকাশ্যে আসতে পারেন, সতর্ক থাকুন।

    ২) পরিবারের কোনও সদস্যের জন্য সারপ্রাইজ পার্টির আয়োজন করতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১)  বাবা ও বরিষ্ঠদের সহযোগিতা কামনা করবেন।

    ২)  বিবাহযোগ্য জাতকরা বিয়ের প্রস্তাব পেতে পারেন      

    ধনু

    ১) মনের মধ্যে আশা সঞ্চারিত হবে।

    ২) চাকরিতে আধিকারিকদের কোনও কথার কারণে মতভেদ উৎপন্ন হতে পারে।

    মকর

    ১) পারিবারিক কাজে অর্থ ব্যয় করবেন।

    ২) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার নিতে পারেন।      

    কুম্ভ

    ১) ছাত্রছাত্রীরা কঠিন পরিশ্রমের পর সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    ২) শ্বশুরবাড়ির তরফে মান-সম্মান পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে কোনও আধিকারিকের কারণে অবসাদে ভুগতে পারেন।
     
    ২) সকাল থেকে জরুরি কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকবেন ।        

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Murshidabad: বিজেপি কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ, অভিযুক্ত সিপিআইএম

    Murshidabad: বিজেপি কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ, অভিযুক্ত সিপিআইএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনদুপুরে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল সিপিআইএমের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে মু্র্শিদাবাদের ইসলামপুর (Murshidabad) থানার বনমালী ঘাট এলাকায়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কেন ঘটল ঘটনা?

    সূত্র মারফত জানা গেছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে থেকেই ওই বিজেপি (Murshidabad) কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ওই এলাকায় বিজেপি প্রার্থী মাত্র ১৫ ভোটে হেরে যায়। তারপর থেকেই সিপিআইএমের লোকজন লাগাতার শাসানি, হুমকি দিত বলে জানান আহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিআইএম নেতৃবৃন্দ। বিজেপি কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনায় এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পৌঁছেছে। এই ঘটনায় পাঁচজন বিজেপি কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে তড়িঘড়ি গোধনপাড়া (Murshidabad) গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। ওই হামলার ঘটনায় রবীন্দ্র মণ্ডল নামের একজন বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের সারা শরীরে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পরে গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে আহত বিজেপি কর্মীদের বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি কর্মী রাজদীপ মণ্ডল বলেন, গতকাল বিকেলে মাঠে নিজের মধ্যে আমরা মজা করছিলাম। সেখান থেকেই দুষ্কৃতীরা আমাদের লক্ষ্য করে। এরপর আজ দুপুর ১২ টায় হঠাৎ আক্রমণ হয় আমাদের উপর। সিপিআইএম দলের প্রতাপ, বাপি, সঞ্জিত সকলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমার বাবা, ভাই এবং আমাকে কোপায়। খুনের উদ্দেশ্য নিয়েই তারা বাড়িতে আসে। আমার জ্যাঠার পেটে গভীর আঘাত লাগে। আমি আগে থানায় (Murshidabad) জানিয়েছিলাম। কিন্তু জানিয়ে লাভ হয় না। পুলিশ কোনও সক্রিয়তা দেখায়নি।

    সিপিআইএমের বক্তব্য

    সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক (Murshidabad) জামির মোল্লা বলেন, আক্রান্ত পরিবার বিজেপির হলেও বিষয়টা পারিবারিক। এই ঘটনায় সিপিআইএমের সঙ্গে কোনও যোগ নেই। বিষয়টিকে ইচ্ছে করে রাজনৈতিক রং দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে টায়ার জ্বলিয়ে বিক্ষোভ, এস পি অফিস ঘেরাও করল এবিভিপি

    Cooch Behar: ধর্ষণ-খুনের প্রতিবাদে টায়ার জ্বলিয়ে বিক্ষোভ, এস পি অফিস ঘেরাও করল এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালজানিতে (Cooch Behar) চোদ্দ বছরের নাবালিকাকে পাঁচজন দুষ্কৃতী ধর্ষণ করে এবং তার পরবর্তীতে এক সপ্তাহের উপরে জ্ঞানহীন থাকার পর গতকাল সেই নবম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু হয়। এরপর প্রতিবাদে কোচবিহার জেলার সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশের অফিস ঘেরাও করল এবিভিপি। অপর দিকে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে কালজানির সেই মৃত নাবালিকার বাড়িতে পরিবারের সাথে কথা বলতে এল বিশেষ প্রতিনিধি দল। শিশু সুরক্ষা কমিটির বক্তব্য, আমরা পরিবারের সাথে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আমরাও চাইব দোষীদের যাতে দ্রুত শাস্তি দেওয়া হয়।

    এবিভিপির বক্তব্য (Cooch Behar)

    এবিভিপি সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গের সম্পাদক সুব্রত অধিকারী বলেন, গত সাত দিনে ৫টা এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে মহিলাদের নগ্ন করে নির্যাতন করা হয়েছে। কোচবিহারের (Cooch Behar) কালজিনি এবং তুফানগঞ্জে দুটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের কাছে নারী সুরক্ষা বিপন্ন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই। দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে রাজ্যে। তিনি আরও বলেন, এই জেলাশাসক নিজে তৃণমূল জেলা সভাপতির চামচা।

    অপর দিকে কোচবিহারের রামকৃষ্ণ বয়েজ স্কুলের পক্ষ থেকে ছাত্ররা কোচবিহারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে টায়া, কাঠ জ্বলিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হয়েছেন। ছাত্রদের বক্তব্য এই জায়গায় কোনও রাজনীতির রং লাগিয়ে লাভ হবে না। যে পাঁচ জন দোষী ধরা পড়েছে, তাদের প্রত্যেককে ফাঁসি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। শাস্তি এমন দিতে হবে যেন পরবর্তীতে এই ধরনের অপরাধ করতে দুষ্কৃতীদের ভিতর কেঁপে ওঠে।

    রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধিদের বক্তব্য

    কালজানিতে (Cooch Behar) নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি দলের সদস্যা নিয়োতি মাহাতো বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি, এই নির্মম ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তাদের অবিলম্বে শাস্তি চাই। প্রশাসন, পুলিশ, শাসক দলের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা এই ধরনের বিঙেগুলির উপর নজর রাখব। উল্লেখ্য কমিশনের সদস্যারা নির্যাতিতা পরিবারের বাড়িতে গেলে পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। ঘটনা ঘটার এতদিন পরে কেন এসেছেন! ঠিক এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: ভুয়ো শিক্ষকের তালিকায় তৃণমূলের বিদায়ী জেলা পরিষদ সভাধিপতির নাম, শোরগোল

    Scam: ভুয়ো শিক্ষকের তালিকায় তৃণমূলের বিদায়ী জেলা পরিষদ সভাধিপতির নাম, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Scam) মামলায় ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকায় উত্তর দিনাজপুরের বিদায়ী জেলা পরিষদ সভাধিপতির নাম। আর ঘটনায় গোটা জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিরোধীরাও এই ইস্যুতে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    সাদা ওএমআর শিট জমা দিয়ে শিক্ষকতার চাকরি করার অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের তৃণমূলের বিদায়ী সভাধিপতির বিরুদ্ধে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায় ওই তালিকায় ৩০০ নম্বরে নাম রয়েছে বিদায়ী জেলা পরিষদের সভাধিপতি কবিতা বর্মনের। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়েছিলেন বিদায়ী জেলা পরিষদের সভাধিপতি কবিতা বর্মন। এরপর ২০১৮ সালে সেপ্টেম্বর থেকে বালিজোল হাইস্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা পদে যোগদান করেন তিনি। বুধবার ৯০৭ জনের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে ৩০০ নম্বরে কবিতা বর্মনের নাম রয়েছে। নিয়োগে দুর্নীতি (Scam) হয়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করছে। এনিয়ে তীব্র অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

    কী বললেন তৃণমূলের বিদায়ী জেলা পরিষদের সভাধিপতি?

    এ বিষয়ে তৃণমূলের বিদায়ী জেলা পরিষদের সভাধিপতি কবিতা বর্মন বলেন, ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়ে ২০১৮ সালে চাকরি পেয়েছি। নিয়মনীতি মেনেই চাকরি হয়েছে। কোনও দুর্নীতি (Scam) করা হয়নি। কী কারণে এই তালিকায় আমার নাম এল, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেই জানিয়েছেন তিনি। কবিতা বর্মনের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা প্রফুল্ল বর্মন জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আমি মর্মাহত। ছোট থেকেই ভালো ছাত্রী ছিলেন আমার স্ত্রী। নিয়ম নীতি মেনেই তাঁর চাকরি হয়েছে। রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন তিনি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে দলের পক্ষ থেকে কবিতা বর্মনের কাছে কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেছেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে বৈধ কাগজপত্র পেয়েই চাকরিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনার পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র আছে কিনা তা দলের পক্ষ থেকে দেখা হচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় বিজেপির রায়গঞ্জ উত্তর শহর মণ্ডলের সভাপতি অভিজিৎ যোশি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসএসসি যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে ৩০০ নম্বরে কবিতা বর্মনের নাম রয়েছে। বিজেপি বরাবর বলে এসেছে যে তৃণমূল নেতাদের বাড়ির বাইরের রেট চার্ট ঝোলানো হোক, যে কোনও চাকরিতে কত টাকা লাগে। যেখানে সাধারণ মানুষ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাচ্ছে না অথচ তৃণমূল নেতা নেত্রীর আত্মীয়রা চাকরি পাচ্ছে। নিয়োগে দুর্নীতি (Scam) হয়েছে। সমস্তটাই অনৈতিক। আমরা ধিক্কার জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে জয়ী বিজেপি প্রার্থীদের গ্রেফতার করা যাবে না, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    Nandigram: নন্দীগ্রামে জয়ী বিজেপি প্রার্থীদের গ্রেফতার করা যাবে না, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দুর গড়ে রক্ষাকবচ মিলল ১৫ জন জয়ী বিজেপি প্রার্থীর। এদিন নন্দীগ্রামের (Nandigram) জয়ী ১৫ জন বিজেপি প্রার্থীকে রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী সোমবার পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ কোনওভাবেই গ্রেফতার করতে পারবে না তাদের। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর একক বেঞ্চ। জানা গিয়েছে  এখনও পর্যন্ত এই  বিজেপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাদের কর্মীদের মিথ্যা মামলা দিচ্ছে শাসক দল, যাতে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন না করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, এর আগে নন্দীগ্রামের মেঘনাদ পাল-সহ ৭ জন জয়ী বিজেপি প্রার্থীকে রক্ষাকবচ দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত৷ এদিন তালিকায় ফের জুড়ল ১৫ জন। সব মিলিয়ে ২২ বিজেপি প্রার্থী রক্ষাকবচ পেলেন হাইকোর্ট থেকে৷

    হাইকোর্টে কী বলল বিজেপি?

    বৃহস্পতিবারের শুনানিতে বিজেপির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে বলা হয়, নন্দীগ্রামে (Nandigram) একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতে জিতেছে তারা। সামনেই বোর্ড গঠন। যাতে বোর্ড গঠন না করা যায় সেই কারণেই মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এদিন এনিয়ে ভর্ৎসনার মুখেও পড়েন রাজ্যের আইনজীবী। বিচারপতিজয় সেনগুপ্ত প্রশ্ন করেন, যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে, সবাই কি জয়ী প্রার্থী? রাজ্যের আইনজীবী বলেন, ‘সেটা জানি না…’ এরপরেই বিরক্ত হন বিচারপতি। পাল্টা আবার প্রশ্ন করেন, “তাঁরা যে বিজেপি করেন, সেটা জানেন? আর জয়ী প্রার্থী কিনা সেটা জানেন না? অ্যাক্টিং কেন করছেন?”  এরপরেই আগামী সোমবার পর্যন্ত বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভাল ফল বিজেপির

    ২০০৭ সাল থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে নন্দীগ্রামের (Nandigram)। ওই বছরের ১৪ মার্চ বামপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে গুলি চালনার অভিয়োগ ওঠে সাধারণ কৃষকদের ওপর। মারা যান ১৪ জন প্রান্তিক চাষী। প্রবল গণআন্দোলন শুরু হয় এরপর। যার জেরে ২০১১ সালে পতন হয় বামফ্রণ্ট সরকারের। সেদিনে সেই গণআন্দোলনের নেতা ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের বিধানসভায় নন্দীগ্রাম আসন থেকেক জেতেন শুভেন্দু। এরপর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিজেপিতে যোগদান করেন শিশির অধিকারীর পুত্র। ২০২১ সালের বিধানসভার ভোটে নন্দীগ্রাম কার দখলে থাকবে এনিয়ে লড়াই তুঙ্গে ওঠে। কোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় নন্দীগ্রাম (Nandigram) আসনে প্রার্থী হন। বিজেপির প্রার্থী হন শুভেন্দু। ফল বেরতে দেখা যায় পরাস্ত হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এরপরে সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত ভোটেও নন্দীগ্রামের সিংহভাগ পঞ্চায়েতে জয় লাভ করে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: ফের ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি দিল্লি সমেত উত্তর ভারতে! বৃষ্টিতে স্কুল বন্ধ মহারাষ্ট্রে

    Heavy Rain: ফের ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি দিল্লি সমেত উত্তর ভারতে! বৃষ্টিতে স্কুল বন্ধ মহারাষ্ট্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে বন্যায় নাজেহাল ছিল দিল্লিবাসী। ফের বৃষ্টি হলে যমুনার জলস্তর আরও বাড়তে পারে। বুধবারও ভারী বৃষ্টি হয় দিল্লিতে। এর ফলে রাজধানীর বহু এলাকায় ফের জল জমতে শুরু করে। সমস্যা দেখা দেয় দিল্লির ট্রাফিকে। সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীতে। বৃহস্পতিবারের জন্যও আগাম হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। তবে শুধু বৃহস্পতিবার নয়, দিল্লিতে বৃষ্টি চলতেই থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    দিল্লিতে ফের ফুঁসছে যমুনা, গ্রেটার নয়ডা প্লাবিত হিন্দনের জলোচ্ছ্বাসে

    টানা বৃষ্টির (Heavy Rain) জেরে ফের একবার বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার জলস্তর। রাজধানীর নিচু এলাকাগুলি এর ফলে ডুবতে শুরু করেছে। যার জন্য সেখানে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সরানো হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার মানুষকে। যমুনার পাশাপাশি ফুঁসছে যোগী রাজ্যের হিন্দন নদীও। এর ফলে উত্তরপ্রদেশের নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডাতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সূত্রের খবর, যমুনা এবং হিন্দন নদীর জলোচ্ছ্বাসের ফলে ১৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে ইতিমধ্যে। জানা গিয়েছে, ৩১ হাজার দুর্গতকে ইতিমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে প্রশাসন। যমুনার জলোচ্ছ্বাসে ইতিমধ্যে নাংলি ওয়াজিদপুর, শাহপুর গোবর্ধনপুর খাদার, চকবসন্তপুর, বসন্তপুর, ইয়াকুতপুর-সহ বহু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে বন্ধ স্কুল-কলেজ

    উত্তর ভারতের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। রিপোর্ট বলছে, মুম্বই, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধুদুর্গের বহু এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (Heavy Rain) হবে। জানা গিয়েছে দেশের বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন এলাকা বর্তমানে জলের তলায় রয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে স্কুল, কলেজগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে একনাথ শিন্ডে সরকার। মহরাষ্ট্রে রাতভর বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে নাগপুরেও।

    বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল

    উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের জনজীবন বন্যায় একেবারে বিপর্যস্ত। বর্ষা নামার পর থেকেই হিমালয়ের কোলে এই দুই রাজ্যে বন্যা পরিস্থিত তৈরি হয়। অতিবৃষ্টি (Heavy Rain) এবং ভূমিধসের জেরে দুই রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থাও কার্যত ভেঙে পড়েছে। উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবারও বৃষ্টির কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ধসের জেরে উত্তরাখণ্ডের ২৪১টি সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর মিলেছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ঋষিকেষ-যমুনেত্রী সড়ক। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামানো হয়েছে ২০০ জেসিবি। পাশাপাশি হিমাচলের  ৯টি জেলায় বৃষ্টির কারণে কমলা সতর্কতা (Heavy Rain) জারি করেছে মৌসম ভবন। এগুলি হল, শিমলা, সোলান, মান্ডি, সিরমুর, বিলাসপুর, কাংড়া, চম্বা, হামিরপুর এবং উনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অভিষেকের হুঁশিয়ারির পরই আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: অভিষেকের হুঁশিয়ারির পরই আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৫ আগস্ট বিজেপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি ঘেরাওয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তৃণমূলের এই শীর্ষ নেতার হুঁশিয়ারির পরই জেলায় জেলায় বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালানো শুরু হয়েছে। দুদিন আগেই নদিয়ার গয়েশপুরে এক বিজেপির পঞ্চায়েত নির্বাচনে এজেন্টের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন চড়াও হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার বারাবনি বিধানসভার সালানপুরে কল্যা পঞ্চায়েতের ১১৪ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম কপিলদেব মৃধা।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    সালানপুরের কল্যা এলাকায় কপিলদেব বিজেপির সক্রিয় কর্মী। এলাকায় তিনি দলের হয়ে নেতৃত্ব দিতেন। এবার ১১৪ নম্বর বুথে বিজেপির প্রার্থী থাকলেও বুথে কোনও বিরোধীদের কোনও এজেন্ট বসতে দেওয়া হয়নি। বিজেপির (BJP) অভিযোগ, ভোট লুট করে তৃণমূল এই বুথে জয়লাভ করেছে। ভোটে জয়লাভের পর থেকে এলাকায় তৃণমূল সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে তৃণমূলের লোকজন দল বেঁধে বিজেপি কর্মী কপিলদেবের বাড়়িতে চড়াও হয়। তাঁকে সকলের সামনে বাড়ি থেকে বের করে পেটায়। বাড়়িতে হামলা চালানো হয়।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী?

    আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী কপিলদেব বলেন, ভোটে জয়ী হওয়ার পর থেকে বিরোধীদের এলাকায় থাকতে দেবে না। আমি এলাকায় সক্রিয় বিজেপি পার্টি করি, এটাই আমার অপরাধ। তাই, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে বিজেপি করার জন্য শিক্ষা দিতেই হামলা চালায়। আমার বাড়ি ভাঙচুর করে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতা অভিজিৎ রায় বলেন, অভিষেকের হুঁশিয়ারির পর থেকেই তৃণমূলের লোকজন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আমাদের উপর হামলা চালানোর জন্য ওরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। দলীয় কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর বিষয়টি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার আশ্বাস দিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    সালানপুর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মহম্মদ আরমান বলেন, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নয়। আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। নিজেদের পারিবারিক গন্ডগোলের দায় আমাদের উপর চাপানো হচ্ছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করুক, তাহলেই প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলে ওন্দা (Bankura) তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে ধর্নাতে বসলেন বহুল চর্চিত তৃণমূল সমর্থক প্রতিবাদী মহিলা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক প্রতারিত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের দলীয় পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মূল অভিযোগ হল ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে’র বিরুদ্ধে।

    মূল দাবি কী (Bankura)?

    প্রতিবাদী তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই! আশিষ দে তৃণমূলের কলঙ্ক। ওন্দা (Bankura) ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বিটের সহযোগিতায় প্রতারিত প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আশিষ দে’র কাছ থেকে অর্ধেক টাকা ফেরত পেলেও বাকিরা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি। তাই আজ তাঁরা ওন্দা তৃণমূল ব্লক পার্টি অফিসের সামনে টাকা ফেরত পেতে ধর্নাতে বসেছেন।

    পুলিশের কাছে আগেও অভিযোগ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত রামসাগরের (Bankura) বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামীর অভিযোগ ছিল, বর্তমানে ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে করোনা কালে ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করেন’। এ বিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে গত ১২ জুলাই রামসাগরে বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী এবং তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করছিলেন। আর সেই সময় আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দোলন পরামানিক সহ অন্যান্যরা তাঁদের উপর হামলা চালান। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দলীয় কর্মী দোলন পরামানিককে ওন্দা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক আশীষ দে ও দোলন পরামানিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য গত ১২ এপ্রিল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দায় এলে আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি তাঁর নজরেও এনেছিলেন এই প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share