Author: user

  • Ramakrishna 135: “ফোঁড়া কাঁচা অবস্থায় অস্ত্র করলে হিতে বিপরীত হয়, পেকে মুখ হলে তবে…।”

    Ramakrishna 135: “ফোঁড়া কাঁচা অবস্থায় অস্ত্র করলে হিতে বিপরীত হয়, পেকে মুখ হলে তবে…।”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮২, ১৪ই ডিসেম্বর

    দক্ষিণেশ্বরে মারোয়াড়ী ভক্তগণসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    বৈকাল হইয়াছে। মাস্টার ও দু-একটি ভক্ত বসিয়া আছেন। কতকগুলি মারোয়াড়ী ভক্ত আসিয়া প্রণাম করিলেন। তাঁহারা কলিকাতায় ব্যাবসা করেন। তাঁহারা ঠাকুরকে বলিতেছেন, আপনি আমাদের কিছু উপদেশ করুন। ঠাকুর (Ramakrishna) হাসিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মারোয়াড়ী ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি আর আমার এ-দুটি অজ্ঞান। হে ঈশ্বর, তুমি কর্তা আর তোমার এই সব এর নাম জ্ঞান। আর আমার কেমন করে বলবে (Kathamrita)? বাগানের সরকার বলে, আমার বাগান, কিন্তু যদি কোন দোষ করে তখন মনিব তাড়িয়া দেয়, তখন এমন সাহস হয় না যে, নিজের আমের সিন্দুকটা বাগান থেকে বের করে আনে। কাম, ক্রোধ আদি যাবার নয়; ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। কামনা, লোভ করতে হয় তো ঈশ্বরকে পাবার কামনা, লোভ কর। বিচার করে তাদের তাড়িয়ে দাও। হাতি পরের কলাগাছ খেতে গেলে মাহুত অঙ্কুশ মারে।

    তোমরা তো ব্যবসা কর, ক্রমে ক্রমে উন্নতি করতে হয় জানো। কেউ আগে রেড়ির কল করে, আবার বেশি টাকা হলে কাপড়ের দোকান করে। তেমনি ঈশ্বরের (Ramakrishna) পথে এগিয়ে যেতে হয়। হল, মাঝে মাঝে দিন কতক নির্জনে থেকে বেশি করে তাঁকে ডাকলে।

    তবে কি জানো? সময় নাহলে কিছু হয় না। কারু কারু ভোগকর্ম অনেক বাকি থাকে। তাই জন্য দেরিতে হয়। ফোঁড়া কাঁচা অবস্থায় অস্ত্র করলে হিতে বিপরীত হয়। পেকে মুখ হলে তবে ডাক্তার অস্ত্র করে। ছেলে বলেছিল (Kathamrita), মা, এখন আমি ঘুমুই আমার বাহ্যে পেলে তখন তুমি তুল। মা বললে, বাবা, বাহ্যেতেই তোমায় তুলবে, আমায় তুলতে হবে না। (সকলের হাস্য)

    আরও পড়ুনঃ “ঘরে যদি আলো না জ্বলে, সেটি দারিদ্রের চিহ্ন…হৃদয় মধ্যে জ্ঞানের আলো জ্বালতে হয়”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panchmukhi Hanuman: আসবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি! বাড়ির এই দিকে রাখুন পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি

    Panchmukhi Hanuman: আসবে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি! বাড়ির এই দিকে রাখুন পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পবনপুত্র ও রামভক্ত বজরঙ্গবলির আরাধনা করার বিশেষ দিন হল মঙ্গলবার। প্রতিদিনকার জীবন সংগ্রামে আমরা সবাই যোদ্ধা। মাঝে মাঝে জীবনে এমন সঙ্কট আসে, যেখান থেকে বের হওয়া খুব কঠিন বলে মনে হয় আমাদের। এই পরিস্থিতিতে সঙ্কট দূর করতে সাহায্য করেন রামভক্ত হনুমানজি। তাই মঙ্গলবারে হনুমানজির (Hanuman) আরাধনার পরামর্শ দিয়ে থাকেন অনেকে। হনুমানজিকে জাগ্রত দেবতা মনে করা হয়। বজরঙ্গবলিকে খুব অল্পতেই প্রসন্নও করা যায়। বজরঙ্গবলির সাধনা জীবনের সঙ্কট দূর করে, আসে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি। ভক্তদের বিশ্বাস, বজরঙ্গবলির সাধনা করলে বল, বুদ্ধি ও বিদ্যা লাভ করা যায়। যে বাড়িতে বজরঙ্গবলির ছবি থাকে এবং নিয়মিত তাঁর পুজো করা হয়, সেখানে শনিদোষ, পিতৃদোষ ও ভূত-পিশাচের ভয় ও দোষ থাকে না। বাড়িতে সর্বদাই শান্তি বিরাজ করে। বজরঙ্গবলির অনেক ধরনের ছবিই আমরা দেখি। বাড়িতে কোথায় এবং ক,ভাবে কোন ধরনের বজরঙ্গবলির (Hanuman) ছবি লাগানো উচিত, তারও কিছু নিয়ম রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি বা মূর্তি। শাস্ত্রবিদরা বলছেন, বাড়িতে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি রাখলে সবদিক থেকে সুফল মেলে। 

    নেতিবাচক শক্তিকে পরাভূত করে

    বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি যে বাড়িতে থাকে, সেখানে উন্নতির পথে সমস্ত বাধা দূর হয় এবং ধন-সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়, বাস্তুদোষ কেটে যায়। এর ফলে পরিবার শত্রু বাধা, অসুস্থতা ও বিবাদ থেকে মুক্তি পায়। জ্যোতিষীরা তাই পরামর্শ দিচ্ছেন, বাড়িতে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি লাগানো উচিত। মনে করা হয়, হনুমানজি এই পৃথিবীতেই থাকেন। তাই তাঁকে ডাকলে সহজেই আবির্ভূত হন তিনি। ভক্তদের সমস্ত কষ্ট দূর করেন তিনি। এই কারণেই তাঁকে সঙ্কটমোচনও বলা হয়। হনুমানের আরাধনা করলে সব কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায় জীবনে। পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি বা মূর্তি সব দিক থেকে আসা নেতিবাচক শক্তিকে পরাভূত করে ভক্তের সঙ্কটমোচন করেন বলেই বিশ্বাস। ভক্তদের বিশ্বাস, ঘরে হনুমানজির পঞ্চমুখী ছবি রাখলে পরিবারের সকলের সমস্যা দূর হয়। বজরঙ্গবলিকে স্মরণ করলেই সকল প্রকার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। শাস্ত্র বিশারদদের মতে, গৃহস্থের কল্যাণের জন্য ঘরে রাখা দরকার হনুমানের পঞ্চমুখী ছবি। 

    হনুমানজির পঞ্চমুখী (Panchmukhi Hanuman) ছবির গুরুত্ব

    বাড়িতে হনুমানজির পঞ্চমুখী ছবি রাখলে ঘরের সমস্ত সমস্যা দূর হয় এবং নেতিবাচক শক্তি চলে যায়। এর পাশাপাশি বাড়ির চতুর্দিকে তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তির বলয়। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, পঞ্চমুখী হনুমানের পাঁচটি মুখের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। পঞ্চমুখী হনুমানজির প্রতিকৃতিতে সকল মুখ ভিন্ন ভিন্ন দিকে রয়েছে। পূর্ব দিকে ভগবান হনুমানের বানরের মুখ রয়েছে যা শত্রুদের উপর বিজয় প্রদান করে। পশ্চিম দিকে ঈশ্বরের গরুড় মুখ, যা জীবনের বাধা এবং ঝামেলা দূর করে। উত্তর দিকে রয়েছে ভগবান হনুমানের বরাহা মুখ, যা খ্যাতি এবং শক্তির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। হনুমানজির সিংহ মুখ দক্ষিণ দিকে, যা জীবন থেকে ভয় একেবারে চিরতরে দূর করে। আকাশের দিকে ভগবানের একটি ঘোড়া মুখ রয়েছে যা ব্যক্তির ইচ্ছা পূরণ করে বলেই বিশ্বাস ভক্তদের।

    পঞ্চমুখী হনুমানের (Panchmukhi Hanuman) ছবি বসানোর সঠিক দিক

    বাস্তুবিদরা বলছেন, পঞ্চমুখী হনুমানজির (Panchmukhi Hanuman) ছবি বাড়িতে বসানোর সময় সঠিক দিকটি মাথায় রাখা খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে, শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি রাখা সবচেয়ে শুভ। এই স্থানে ছবি রাখলে যে কোনও  ধরনের অশুভ শক্তি ঘরে প্রবেশ করতে পারে না। নেতিবাচক শক্তি ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ বাস্তু অনুসারে, বেশিরভাগ নেতিবাচক শক্তি দক্ষিণ দিক থেকে আসে। এই দিকে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি রাখলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। এর পাশাপাশি বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে পঞ্চমুখী হনুমানজির ছবি রাখলে সব ধরনের বাস্তু দোষ দূর হয় বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।

    ভগবান হনুমান কেন পঞ্চমুখী অবতার নিলেন? জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী, যখন ভগবান রাম ও রাবণের মধ্যে যুদ্ধ চলছিল, তখন রাবণ নিজের পরাজয় সামনে দেখে, ভাই অহিরাবণের কাছে সাহায্য চান। রাবণের ভ্রাতা অহিরাবণ ছিলেন মা ভবানীর একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ও তন্ত্রবিদ্যায় অত্যন্ত পারদর্শী। অহিরাবণ মায়া করে রামের বাহিনীকে ঘুম পাড়িয়ে দেন এবং রাম-লক্ষ্মণকে অপহরণ করে পাতালে নিয়ে চলে যান। অহিরাবণ ছিলেন দেবী ভবানীর পরম ভক্ত, তাই তিনি মা ভবানীর নামে পাঁচটি দিকে পাঁচটি প্রদীপ জ্বালিয়েছিলেন। অহিরাবণকে বধ করা খুব সহজ ছিল না। তাঁকে তখনই বধ করা সম্ভব হত, যদি কেউ এই পাঁচ প্রদীপ এক সঙ্গে নিভিয়ে দিতে পারতেন। রাম-লক্ষ্মণকে উদ্ধারের জন্য তাই অহিরাবণকে পরাজিত করতে হনুমানজি পঞ্চমুখীরূপ (Panchmukhi Hanuman) ধারণ করেছিলেন বলে জানা যায়। হনুমানজি পাঁচটি মুখের সাহায্যে  একসঙ্গে পাঁচ দিকের প্রদীপ নিভিয়ে দেন এবং অহিরাবণকে হত্যা করে রাম-লক্ষ্মণকে উদ্ধার করেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই! ঐতিহ্যকে আঁকড়ে পটচিত্র এঁকে চলেছেন কৃষ্ণনগরের রেবা পাল

    Durga Puja 2024: বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই! ঐতিহ্যকে আঁকড়ে পটচিত্র এঁকে চলেছেন কৃষ্ণনগরের রেবা পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, নারী মানে অসীম ধৈর্যের এক অন্যতম নাম। মহিষাসুরকে বধ করার জন্য যেমন মা দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল, এখনও যুগ যুগ ধরে দেবী দুর্গা রয়েছেন বিরাজমান। হ্যাঁ, এমনই এক নারীশক্তির (Durga Puja 2024) কথা না বললেই নয়। বয়স প্রায় ৭৫ বছরের অনেক বেশি হলেও মনের শক্তি এবং অদম্য ইচ্ছেতে সূক্ষ্ম-নিপুণ কাজের সঙ্গে এখনও পটচিত্র এঁকে চলেছেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণির বক্সিপাড়ার বাসিন্দা রেবা পাল। করেন ভাঙা ঘরে বসবাস। বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই,, স্বামীর কাছ থেকে পটচিত্রের কাজ শেখা, এরপর স্বামী পরলোক গমন করলে সম্পন্ন সংসারের দায়ভার তার কাঁধে এসে পড়ে। আর অন্য কোনও কাজ জানা ছিল না তাঁর। তাই স্বামীর শিল্পকেই ধরে রেখেছেন তিনি।

    হাল ছাড়তে নারাজ (Durga Puja 2024)

    এরপর সংসারের অনেকটাই হাল ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। প্রত্যেক বছর দুর্গাপুজো আসতেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের বরাত আসত। আর দিনরাত এক করে পটচিত্রর কাজ করতে হত তাঁকে। যত দিন গিয়েছে, ততই তাঁর হাতের কাজের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এখন বার্ধক্যজনিত কারণে কমেছে দৃষ্টিশক্তি। কিন্তু হাল ছাড়তে নাড়াজ তিনি। তাঁর নিপুণ কাজের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়েছেন শংসাপত্র। এখনও কলকাতা সহ জেলার (Krishnanagar) বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুজো উদ্যোক্তারা ছুটে আসেন তাঁর কাছে, পটচিত্রর জন্য। এক কথা বলা যেতেই পারে, এই বয়সেও এখনও তাঁর লড়াইটা থেমে থাকেনি।

    মন ভার রেবা দেবীর (Krishnanagar)

    শিল্পী রেবা পালের কথায়, তিনি যতদিন বাঁচবেন, এই শিল্পকে বজায় রাখবেন। কিন্তু এবছর ঠিকঠাক কাজের বরাত না পাওয়ায় অনেকটাই মন ভার রেবাদেবীর। কারণ বলে মনে করছেন, আরজি করেন ঘটনা। বলাই বাহুল্য,, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ঘূর্ণির মোড় মাটির প্রতিমা এবং পুতুল তৈরিতে এক খ্যাতনামা জায়গা। মৃৎশিল্পীদের অতুলনীয় প্রতিভা ফুটে ওঠে সূক্ষ্ম কাজে, কম যান না রেবাদেবীও। দিনরাত এক করে পটচিত্র এঁকে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে দেশে-বিদেশে। রেবাদেবী আক্ষেপের সুরে বলেন, বয়স তো অনেক হল, কমেছে দৃষ্টিশক্তি কমছে মনবল। আর পেশির শক্তিও দিন দিন কমতে থাকছে। জানি না ভবিষ্যতে কী হবে (Durga Puja 2024)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো একজন দয়ালু, সরকারিভাবে যদি কিছু আর্থিক সহযোগিতা পেতেন তাহলে হয়তো যেমন বাঁচিয়ে রাখতে পারতেন তাঁর এই শিল্পকে, তেমনি হতে পারতেন আরও হয়তো স্বাবলম্বী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ

  • Durga Puja 2024: অষ্টমীতে ইলিশ, দশমীতে পান্তা ভোগ খেয়ে মা কৈলাশের উদ্দেশে রওনা দেন

    Durga Puja 2024: অষ্টমীতে ইলিশ, দশমীতে পান্তা ভোগ খেয়ে মা কৈলাশের উদ্দেশে রওনা দেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহ্য এবং নিষ্ঠার অন্যতম নিদর্শন নদিয়ার শান্তিপুরের বনেদি বাড়িগুলির মধ্যে অন্যতম জজ পণ্ডিত বাড়ি (Durga Puja 2024)। আনুমানিক ৬০০ বছরেরও বেশি আগে থেকে এখানে পূজিত হন দেবী দুর্গা। আগে গয়ায় ছিল এই পরিবারের পিতম্বর চ্যাটার্জির জমিদারি। তারপর সেখান থেকে নদিয়ার শান্তিপুর। এখানে আসার পর আবারও পুজোর প্রচলন হয়। যদিও তাঁদের এই জমিদারি পরবর্তীতে আর বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। জমিদারি না থাকলে কী হবে, আজও রীতিনীতি মেনে এবং নিষ্ঠার সঙ্গেই পূজিত হন দেবী দুর্গা।

    নবমীতে কচু শাক, কলার বড়া (Durga Puja 2024)

    দেবী এখানে পূজিত হন তন্ত্র মতে। তবে এই পুজোর বিশেষত্ব হল, দেবী একাই পূজিত হন। আগে পুজোয় ১০৮টি মহিষ বলি দেওয়া হত। তবে বর্তমানে মহিষ বলি আর দেওয়া হয় না, পরিবর্তে আখ, চালকুমড়ো, কলা ইত্যদি ফল বলি দেওয়া হয় দেবীর চরণে। ভোগেও রয়েছে বিশেষ নিয়ম। সপ্তমী থেকে শুরু হয় দেবীর ভোগ। অষ্টমীতে দেবীকে দেওয়া হয় ইলিশ মাছের ভোগ, নবমীতে কচু শাক, কলার বড়া। তবে নবমীর ভোগ, দশমীতে পান্তা হিসেবে দিয়ে মায়ের আরাধনা করা হয়। এই পান্তা ভোগ খেয়েই মা কৈলাশের উদ্দেশে রওনা দেন।

    বেলজিয়াম ফানুসের আলোয় পুজো

    বাড়ির সদস্যা সঞ্চারী শাস্ত্রী জানান, আগে পুজোয় বেলজিয়াম ফানুসের আলোয় দেবী মূর্তি পূজিত হত (Durga Puja 2024)। পরবর্তীকালে সেই ফানুস চুরি হওয়ার পর বর্তমানে ইলেকট্রিক আলো ব্যবহার করা হয় পুজোয়। যদিও বাড়ির মাতৃমূর্তি যে বেদিতে পূজিত হয়, সেটি পঞ্চমুন্ডির আসন। কালের নিয়মে সেই বেদি ক্ষতিগ্রস্ত হলে, সেটি ঠিক করার জন্য একজনকে বরাত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি মাটি খুঁড়তে গিয়েই মৃত্যু হয়। দেবী এই বাড়িতে খুবই জাগ্রত, এমনটাই জানা যায়। সঞ্চারী দেবী জানান, বাড়ির সকলে এই পুজোর কদিন একত্রিত হয়। শান্তিপুরের জজ পণ্ডিত বাড়িতে মহা আনন্দে, রীতি মেনে নিষ্ঠা সহ পূজিত হন মা (Nadia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mpox: মাঙ্কি পক্স রুখতে কোন নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? কেন করোনার মতোই তৎপরতা?

    Mpox: মাঙ্কি পক্স রুখতে কোন নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? কেন করোনার মতোই তৎপরতা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে দাপট। আর তাই উদ্বেগও বাড়ছে। কয়েক বছর আগের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা এখনও তাজা। ফের কেউ সেই একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চাইছেন না। তাই আগাম আটঘাট বেঁধে রাখতে চাইছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশ জুড়ে তারা বাড়াচ্ছে সতর্কতা। গত বছরে মাঙ্কি পক্স (Mpox) বেশ কিছু দেশে প্রকোপ বাড়িয়েছিল। চলতি বছরেও এই ভাইরাস ফের সক্রিয় হয়েছে। তাই সজাগ স্বাস্থ্য প্রশাসন।

    কোন দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? (Mpox)

    করোনা-কালে অন্য দেশ থেকে আসা মানুষদের থেকেই ভারতে এই মহামারি ছড়িয়েছিল। তাই মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিতে চাইছে কেন্দ্র। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের সবকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিশেষত বেঙ্গালুরু এবং মুম্বই বিমানবন্দরে এই ব্যাপারে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। কারণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে এই সব বিমানবন্দরে বেশি যাতায়াত হয়। তবে বাদ নেই কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই সহ অন্যান্য বিমানবন্দরও। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে কেউ ভারতে আসলেই তার নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সেই ব্যক্তির অবাধ যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে। যদি মাঙ্কি পক্সের নমুনা কোনও ব্যক্তির দেহে পাওয়া যায়, তাহলে ২১ দিনের কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হবে। একদম করোনার পথেই মাঙ্কি পক্সের দাপট রুখতে চাইছে কেন্দ্র।

    কেন উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক?

    গ্রীষ্মপ্রধান দেশে মাঙ্কি পক্সের দাপট বেশি। রেইন ফরেস্ট এলাকা থেকেই এই রোগের (Mpox) প্রকোপ শুরু হয়েছিল। কিন্তু তার পরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বিভিন্ন দেশে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে চলতি বছরে মাঙ্কি পক্সের দাপট বেড়েছে। মূলত আফ্রিকার দেশগুলোতে এই বছরে এই ভাইরাসের দাপট বেড়েছে। আফ্রিকার দেশ থেকে বহু মানুষ ভারতে আসেন। পর্যটক হিসেবে যাতায়াতের পাশপাশি বিভিন্ন বাণিজ্যিক কারণেও বিভিন্ন দেশের মানুষ ভারতে আসেন। ফলে যোগাযোগ যথেষ্ট নিবিড়। তাই বাড়তি সতর্ক না থাকলে ভারতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসনের একাংশ।

    মাঙ্কি পক্স কতখানি ভয়াবহ? (Mpox)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মাঙ্কি পক্স নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। চিকেন পক্সের মতোই এই রোগে জ্বর হয়। গোটা শরীরে লাল চাকা দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়। কিন্তু এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে রক্তনালীর ভিতরে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালনে নানান জটিলতা তৈরি হয়। মাঙ্কি পক্স থেকে মৃত্যুও হতে পারে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মূলত পশুর দেহ থেকেই এই রোগ মানুষের শরীরে আসে। কিন্তু এই রোগের সংক্রমণ ক্ষমতা মারাত্মক। আক্রান্তের নাক, চোখ, মুখের লালা রস থেকে এই রোগ ছড়াতে পারে।‌ এমনকী আক্রান্তের ব্যবহার করা পোশাক থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে বলে জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাই সংক্রমণ রুখতে মরিয়া চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে এই রোগ সম্পর্কে জন সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, যে কোনও সংক্রামক রোগ রুখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার জন সচেতনতা। জ্বর, কাশি কিংবা শরীরের বিভিন্ন জায়গা হঠাৎ লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। যাতে এই রোগের (Monkey Pox) দাপট বাড়ার আগেই মোকাবিলা সম্ভব হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    Arvind Kejriwal: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে কী ইস্তফা দিচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)? মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং জানিয়েছেন, পদত্যাগ করবেন তিনি। আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় জেলমুক্তির পরেই দিল্লির জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, “দুদিন বাদেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ব। জনতার রায়ে জিতে আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসব না।”

    কী বললেন কেজরিওয়াল? (Arvind Kejriwal)

    তিনি বলেন, “আমি প্রতিটি মানুষের বাড়িতে যাব। রাস্তায় যাব। কিন্তু মানুষের রায় না পাওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসব না।” রবিবার দিল্লির জনসভায় তিনি বলেন, “ওরা (বিজেপি) ভেবেছিল, আমাকে জেলে পাঠিয়ে আমাদের দল ভেঙে দেবে। কিন্তু সেটা ওরা পারেনি। আমি সংবিধান বাঁচাতে চেয়েছিলাম, সেই জন্যই জেল থেকে ইস্তফা দিইনি। সুপ্রিম কোর্টই প্রমাণ করে দিয়েছে জেল থেকেই সরকার চালানো যায়।”

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    কেজরিওয়াল পদত্যাগ করছেন খবর ছড়িয়ে পড়তেই উঠছে প্রশ্ন, কে হবেন দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই পদে উঠে আসছে অতীশির নাম। যদিও এ ব্যাপারে অতীশি কিছু বলেননি। তিনি শুধু বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) কে হবেন, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে অরবিন্দ কেজরিওয়াল পদত্যাগ করলেও, সাধারণ মানুষের সরকার এক সপ্তাহ বা এক মাস স্থায়ী হবে। তবে এই সরকার দিল্লির জনগণের জন্য কাজ করতে থাকবে।” তিনি বলেন, “পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা বিধানসভা দলের বৈঠকেই ঠিক হবে। দিল্লিবাসী শুধু আপ সরকারকেই চায়।

    আরও পড়ুন: অন্য কাশ্মীর! ৩৭ বছর পর দোরে দোরে ঘুরে প্রচার করছেন প্রার্থীরা

    মার্চ মাসে গ্রেফতার হন কেজরিওয়াল। আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। জেলে থেকেই সরকার চালিয়েছেন তিনি। কেজরিওয়াল যখন জেলে, তখনই তার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। পদ্ম শিবিরের প্রবল চাপেও ইস্তফা দেননি তিনি। জেল থেকেই অতীশি এবং কয়েকজন মন্ত্রীকে দিয়ে সরকার চালিয়েছিলেন তিনি। সেই তিনিই ঘোষণা করলেন ইস্তফার কথা।

    কেজরিওয়ালের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “যখন আপনি জেলে ছিলেন তখন পদত্যাগ করলেন না। আর এখন বলছেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করবেন। রহস্যটা কী (Arvind Kejriwal)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indias Workforce: ভারতে কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যায় যুক্ত হবে ১৭৯ মিলিয়ন মানুষ

    Indias Workforce: ভারতে কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যায় যুক্ত হবে ১৭৯ মিলিয়ন মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সালে হবে স্বাধীনতার শতবর্ষপূর্তি। তার ঠিক দুবছর আগে ভারতে কর্মক্ষম বয়সের (Working Age Population) জনসংখ্যায় অন্তত ১৭৯ মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হবেন (Indias Workforce)। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই এ খবর মিলেছে।

    কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যা (Indias Workforce)

    বর্তমানে ভারতের কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যা ৯৬১ মিলিয়ন। গত পাঁচ বছরের মধ্যে বেকারত্বের হার রয়েছে সর্বনিম্ন। বিনিয়োগ সংস্থা জেফারিজের মতে, ভারতের কর্মক্ষম বয়সের জনসংখ্যা (এঁদের বয়স ২৫ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে) মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ হিসেবে বাড়ছে, যা সঞ্চয় ও বিনিয়োগের জন্যও ইতিবাচক হতে পারে। এই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, ভারতে নারী শ্রমশক্তির অংশগ্রহণের হারও বেড়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমশক্তি সম্প্রসারণের অন্যতম চালিকা শক্তি হবে এই নারী শ্রমশক্তি।

    কী বলছে জেফারিস?

    জেফারিসের সাম্প্রতিক নোট থেকে জানা গিয়েছে (Indias Workforce), ২০৩০ সালের মধ্যে শ্রমশক্তির জোগান কমে হতে পারে ৬ মিলিয়ন। এই ফাঁক পূরণ হতে পারে কৃষি কর্মসংস্থান থেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে। অগাস্টেই একটি তথ্য প্রকাশ করেছে পরিসংখ্যান মন্ত্রক। সেই তথ্য থেকেই জানা গিয়েছে, ভারতের শহরাঞ্চলে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এলএফপিআর ২০২৩ সালের এপ্রিল-জুন মাসে ছিল ৪৮.৮ শতাংশ। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন মাসে সেটাই বেড়ে হয়েছে ৫০.১ শতাংশ। এই তথ্য দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে।

    প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, শহরাঞ্চলে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলাদের জন্য এলপিএফআরও গত বছরের এপ্রিল-জুন মাসে ছিল ২৩.২ শতাংশ। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন মাসে সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৫.২ শতাংশ। আর একটি কর্মসংস্থান সূচক হল শ্রমিক জনসংখ্যার অনুপাত। ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তির মধ্যে শহরাঞ্চলে গত বছর এপ্রিল-জুন মাসে এই হার ছিল ৪৫.৫ শতাংশ। চলতি (Working Age Population) বছর এটাও বেড়েছে। হয়েছে ৪৬.৮ শতাংশ (Indias Workforce)।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ-অভিজিতের পর কি বিনীত গোয়েল? সিবিআই এবার এগচ্ছে মাথার দিকে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: বাংলাদেশের ছায়া পশ্চিমবঙ্গে! পুজোর আগেই দুর্গার মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা!

    Durga Puja: বাংলাদেশের ছায়া পশ্চিমবঙ্গে! পুজোর আগেই দুর্গার মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোর (Durga Puja) আগেই দেবী দুর্গা এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর (Broke idol) করেছে দুষ্কৃতীরা। মা দুর্গার মূর্তির সঙ্গে লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তিও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিও শেয়ার করে অমিত মালব্য বলেন, “মা দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তিগুলিকে অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয় দিয়ে পুজোর আগেই ভাঙচুর করা হয়েছে। বাংলায় হিন্দুরা সঙ্কটে রয়েছেন।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ঘটনা কোথায় ঘটেছে (Durga Puja)?

    বাংলায় সবথেকে বড় উৎসব হল দুর্গা পুজো (Durga Puja)। কিন্তু হিন্দুদের এই উৎসবের আগেই হুগলি জেলার ঝরিয়া গ্রামে নির্মীয়মাণ দুর্গা মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করা হয়েছে। মুসলমান রাষ্ট্র বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানে এই ধরনের ঘটনা প্রায় প্রায় ঘটে থাকে। এবার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের দেবদেবীর উপর আঘাত নেমে এল। শনিবার, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “হুগলির গোঘাট থানা এলাকায় মা দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার কথা জানার পরেও গোঘাট পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তবে পুলিশকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের সামনে মিথ্যা আশ্বাস দিলেও অপরাধীদের ধরা এবং শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে কোনও সদর্থক ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। এই মামলাটিও অন্যান্য অগণিত মামলার মতো ধামাচাপা দেওয়া হবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা সব সময় তোষণের রাজনীতি করেন। যদি আমাদের দেবদেবীরাও নিরাপদ না থাকেন, তবে বাংলার নারীরা কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন।”

    আরও পড়ুনঃ দেহ উদ্ধারের সকালে সন্দীপ-অভিজিৎ ফোনে কথা, মোক্ষম অস্ত্র সিবিআইয়ের হাতে

    ধুপগুড়িতে আগেও হামলা হয়েছিল

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতিমা ভাঙচুরের (Broke idol) ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এই বছরের মে মাসের শুরুতেই জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা তিনটি হিন্দু মন্দিরে ঢুকে ব্যাপক ভাবে মূর্তি ভাঙচুর করেছিল। ঘটনার পর স্থানীয় হিন্দুরা বিরাট প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করেছিল। একই ভাবে গত বছর আবার বহরমপুরে সরস্বতী মূর্তি ভাঙা হয়। ২০২২ সালে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে রাধাকৃষ্ণ, কালী মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাউকেই আটক করতে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, দুর্গা (Durga Puja) পুজোর ভাসান, শিব ভক্তদের শোভা যাত্রা-সহ নানা সময়ে দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সব ক্ষেত্রেই প্রশাসন নির্বিকার বলে অভিযোগ বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: দেহ উদ্ধারের সকালে সন্দীপ-অভিজিৎ ফোনে কথা, মোক্ষম অস্ত্র সিবিআইয়ের হাতে

    RG Kar Case: দেহ উদ্ধারের সকালে সন্দীপ-অভিজিৎ ফোনে কথা, মোক্ষম অস্ত্র সিবিআইয়ের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হত্যাকাণ্ডে বৃহৎ ষড়যন্ত্র হয়েছে। ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। রবিবার তাঁকে শিয়ালদা কোর্টে তোলা হয়। আদালতে প্রশ্ন-উত্তরের সময় সিবিআই দাবি করে, দেহ উদ্ধারের দিনেই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং ওসির মধ্যে কথাবার্তা হয়েছিল। এই বার্তালাপের রেকর্ড তাদের হাতে এসেছে। এটাই হতে পারে সিবিআইয়ের মোক্ষম অস্ত্র, এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

    প্রয়োজনীয় তথ্য অনেক দেরিতে সংগ্রহ হয় (RG Kar Case)

    আদালত রবিবার সন্দীপ এবং অভিজিৎকে (Sandeep-Avijit) তিনদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তবে অভিজিৎকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেনি সিবিআই। তাঁকে তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং তদন্ত প্রক্রিয়াকে দেরি করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিবিআই-এর পক্ষ থেকে আইনজীবী বলেন, “প্রথমে আত্মহত্যা (RG Kar Case) বলা হয়েছিল। কিন্তু বডি দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, যৌন নির্যাতন হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য অনেক দেরিতে সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই গ্রেফতারিকে সিবিআই-পুলিশে টানাটানি বলে অনেকে মনে করছেন, কিন্তু এমনটা নয়। আমরা সত্যটা সন্ধান করতে চাইছি। সত্য সামনে আসুক। এই ঘটনাকে প্রথমে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হচ্ছিল। কিন্তু দেখে বোঝা যাচ্ছিল, এটা শারীরিক হেনস্থা হয়েছে। সন্দীপ ছিলেন হাসপাতালের কর্ণধার, ফলে প্রক্রিয়ার কাজ ঠিক ভাবে হয়নি। ওসি ঘটনার খবর পেয়েছিলেন সকাল ১০ টায়, গিয়েছেন ১১ টায়। ফলে সময়ের ব্যবধান রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ সন্দীপ-অভিজিতের পর কি বিনীত গোয়েল? সিবিআই এবার এগচ্ছে মাথার দিকে

    ওসি একজন সন্দেহপ্রবণ ব্যক্তি!

    সিবিআই-এর আইনজীবী বলেন, “ওসি (Sandeep-Avijit) একজন সন্দেহপ্রবণ ব্যক্তি। আমাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, সত্যটা ঠিক কী হয়েছিল তা জানা। পুলিশ হিসেবে নিজের কাজ করেননি তিনি। পদ্ধতি ভালো করে জানতেন, কিন্তু কাজ করেননি। ধর্ষণ এবং খুনের (RG Kar Case) মামলায় যতটা সতর্ক থাকা দরকার ছিল, তিনি তা পালন করেননি। প্রমাণ লোপাট হয়েছে। অটোপসি, ফিঙ্গার প্রিন্ট, ফুট প্রিন্ট উধাও বা নষ্ট করা হয়েছে।” অপর দিকে ওসির আইনজীবী মামলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “গ্রেফতারের মেমো পরিবারকে দেওয়া হয়নি। মামলা তো জামিন যোগ্য। অভিজিতের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ঝাড়খণ্ডে মোদি, নতুন ৬টি বন্দে ভারত রুটের উদ্বোধন, ২০ হাজার উপভোক্তাকে পাকা বাড়ি

    PM Modi: ঝাড়খণ্ডে মোদি, নতুন ৬টি বন্দে ভারত রুটের উদ্বোধন, ২০ হাজার উপভোক্তাকে পাকা বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) বিধানসভা নির্বাচন। ভোটপ্রচারে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রয়েছেন সে রাজ্যে। রবিবারই ঝাড়খণ্ডের টাটানগর থেকে বন্দে ভারতের ৬ রুটের উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর হেলিকপ্টারে করে টাটানগর উড়ে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল হয় এবং ওই ছয়টি ট্রেনকে ভার্চুয়াল ভাবেই উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ট্রেনের রুটগুলি হল, টাটানগর-পাটনা, ব্রহ্মপুর-টাটানগর, রাউরকেলা-হাওড়া, দেওঘর-বারাণসী, ভাগলপুর-হাওড়া, গয়া-হাওড়া। নতুন এই বন্দে ভারত রুটগুলি দেশের মোট ২৮০টি জেলাকে সংযোগ করবে বলে জানা গিয়েছে। তীর্থযাত্রী, পর্যটক ও অন্যান্য যাত্রীরা এর ফলে প্রভূত উপকৃত হবেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ঝাড়খণ্ডে বাতিল মোদির (PM Modi) রোড শো 

    প্রসঙ্গত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ঝাড়খণ্ডে রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জামশেদপুরের রোড-শো বাতিল করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের বিজেপি শাখা সমাজ মাধ্যমের পোস্টে এ কথা জানিয়েছে। এদিন ছয়টি বন্দে ভারত রুটের উদ্বোধন করার পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদি ঝাড়খণ্ডের ২০ হাজার উপভোক্তাকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে গৃহপ্রদানও করেন। নিজের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ছয়টি নতুন বন্দে ভারতের উদ্বোধন করা হল, যার খরচ মোট ৬০০ কোটি টাকা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যথেষ্ট উন্নতি হবে। একইসঙ্গে কয়েক হাজার ঝাড়খণ্ডবাসীকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে ঘর প্রদান করা হল। আমি ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মানুষকে অভিনন্দন জানাই এই প্রকল্পগুলি রূপায়ণের জন্য।’’

    উন্নয়ন দেশের নির্দিষ্ট কিছু শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘একটা সময় ছিল যখন উন্নয়ন দেশের নির্দিষ্ট কিছু শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিন্তু ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’- নীতিতে দেশ বদলে গিয়েছে। এখন দরিদ্র, আদিবাসী এবং দলিতরা উন্নয়নের অগ্রাধিকার পান। পূর্ব ভারতের রেল পরিষেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমগ্র অঞ্চলের উন্নয়ন হবে। ঝাড়খণ্ডের রেল উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা। যদি আমরা ১০ বছর আগে তুলনা করি তবে তা ১৬ গুণ বেশি বর্তমানে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share