Author: user

  • Rahul Dravid: ফের কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে দ্রাবিড়কে, ফিরলেন রাজস্থান রয়্যালসে

    Rahul Dravid: ফের কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে দ্রাবিড়কে, ফিরলেন রাজস্থান রয়্যালসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থান রয়্যালসে (Rajasthan Royals) ফিরে এলেন রাহুল দ্রাবিড় (Rahul Dravid)। তবে এবার মেন্টর নয়, কোচ হিসেবে। দ্রাবিড়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তির খবরও শুক্রবার দুপুরে জানিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। গোলাপি-নীল জার্সি নিয়ে রাজস্থানের সিইও জেক লাস ম্যাক্রামের সঙ্গে দ্রাবিড়ের ছবিও পোস্ট করা হয়েছে।

    একদা ছিলেন রাজস্থানের অধিনায়ক (Rahul Dravid)

    প্রসঙ্গত, ক্রিকেটার হিসেবে এক সময় রাজস্থানের হয়ে খেলেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। ছিলেন ক্যাপ্টেনও (Rahul Dravid)। তবে এবার রাজস্থানের কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। উল্লেখ্য, ২০১২ এবং ২০১৩ সালের আইপিএলে রাজস্থানের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে রাজস্থানের মেন্টর হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, নিলামের আগে কোন কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা হবে, সেই নিয়েও রাজস্থানের কর্তারা একপ্রস্থ আলোচনা করেছেন দ্রাবিড়ের সঙ্গে।

    কী বললেন দ্রাবিড়

    জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে গিয়ে এই চুক্তি সই হয়েছে। প্রসঙ্গত বেঙ্গালুরু হল রাহুল দ্রাবিড়ের বাড়ি। চুক্তি সই হওয়ার পরে দ্রাবিড় বলেন, “বিশ্বকাপের পর আরও একটা চ্যালেঞ্জ (Rajasthan Royals) নেওয়ার জন্য এটাই আদর্শ সময় বলে আমার মনে হয়েছে। আর সেই কাজের জন্য নিখুঁত দল রাজস্থানই।”

    ২০২১ সাল থেকে জাতীয় দলের কোচ ছিলেন রাহুল দ্রাবিড় (Rahul Dravid) 

    ২০২১ সাল থেকে জাতীয় দলের কোচ ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। তাঁর কোচিংয়ে চলতি বছরে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে, এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে ভারতের মাটিতে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালও খেলেছে। শুধু তাই নয়, তার আগে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন দ্রাবিড়। কোচ হিসেবে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। রাজস্থানকে (Rajasthan Royals) তিনি কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, সেটাই এখন দেখার। তবে রাজস্থানের সাফল্য একেবারেই নেই। ২০০৮ সালের প্রথম আইপিএল তারা জেতে। তারপর ১৪ বছর পরে ২০২২ সালে ফাইনালে উঠলেও তারা হেরে যায় গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে প্লে-অফেই উঠতে পারেনি রাজস্থান। এখন দেখার দ্রাবিড়ের জাদুবলে কিছু হয় কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ১৪ অগাস্টের পর ৮ সেপ্টেম্বর, সেই রিমঝিমরা আবার ডাক দিলেন ‘মেয়েদের রাত দখল’-এর

    RG Kar: ১৪ অগাস্টের পর ৮ সেপ্টেম্বর, সেই রিমঝিমরা আবার ডাক দিলেন ‘মেয়েদের রাত দখল’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের প্রতিবাদে ফের একবার মেয়েদের রাত দখলের (Reclaim The Night) ডাক দেওয়া হল। ১৪ অগাস্ট রাতে মেয়েরা পথে নেমেছিলেন। সে সময় অসংখ্য সাধারণ মানুষও সেই মিছিলে পা মেলান। বেজে ওঠে শঙ্খধ্বনিও। এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন রিমঝিম সিংহরা। তাঁদেরই উদ্যোগে ফের একবার ৮ সেপ্টেম্বর মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচির ঘোষণা করা হল।

    অস্বস্তি বাড়বে তৃণমূলের (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল গোটা বাংলা, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রতিবাদের আঁচ দেখা গিয়েছে বিদেশেও (RG Kar)। বিচার চাই দাবি তুলে পথে নেমেছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। নৃশংস ঘটনার ঠিক পাঁচ দিন পরেই স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচি হয়। এরপরে ফের তা হতে চলেছে ৮ সেপ্টেম্বর। কোনও কোনও মহলের মতে, ৮ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিও ব্যাপক সফল হবে। জনজাগরণ দেখা যাবে ওই রাতে (Reclaim The Night)। এর পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে তৃণমূলের অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী জানালেন রিমঝিমরা (RG Kar)

    শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে রিমঝিম সিংহরা জানিয়েছেন, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর রাতে সকলে পথে নামবেন আবার। কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘শাসকের ঘুম ভাঙাতে নতুন গানের ভোর’। এই কর্মসূচির কথা বলতে গিয়ে রিমঝিমেরা সত্যজিৎ রায়ের ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ছবির কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁরা জানান, গুপী গাইন যেমন রাজার ঘুম ভাঙিয়েছিলেন, সে ভাবেই শাসকের ঘুম ভাঙাতে চান তাঁরা। সাংস্কৃতিক আঙ্গিকে রাত দখল হবে বলেও জানান রিমঝিমেরা। গানের দল, নাচের দল, সাংস্কৃতিক জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকে এই কর্মসূচিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

    শিলিগুড়িতে ভোর দখল

    অন্যদিকে, ৯ সেপ্টেম্বর ভোর (RG Kar) দখলের ডাক দিয়েছেন অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত টেবিল টেনিস তারকা মান্তু ঘোষ ও বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। জানা গিয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর সোমবার ভোর চারটে দশ থেকে সকাল ছ’টা পর্যন্ত শিলিগুড়িতে এই ভোর দখলের কর্মসূচি চলবে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় বিচার চেয়ে উত্তাল হয়েছে। এমন সময়  ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলেছে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-বিধায়কদের একের পর মন্তব্য। সম্প্রতি উত্তরপাড়ার অভিনেতা ও তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক বলেছিলেন, যাঁরা সরকারি পুরস্কার নিয়েছিলেন, তাঁরা ফেরত দেবেন? এরপরেই সরকারি পুরস্কার ফেরাচ্ছেন একের পর এক শিল্পী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: বিজেপি’র ‘চাক্কা জ্যাম’ কর্মসূচিতে উঠল স্লোগান, ‘দফা এক, দাবি এক-মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’

    RG Kar Protest: বিজেপি’র ‘চাক্কা জ্যাম’ কর্মসূচিতে উঠল স্লোগান, ‘দফা এক, দাবি এক-মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Protest) প্রতিবাদে রাজ্য জুড়েই আন্দোলন চলছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে এই ইস্যুতে বিজেপি লাগাতার ধর্না চালিয়ে যাচ্ছে। এই আবহের মধ্যে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে বিজেপি’র পক্ষ থেকে চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। ফলে, কলকাতাসহ জেলায় জেলায় দলের কর্মীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।

    কলকাতায় বিক্ষোভ (RG Kar Protest)

    শুক্রবার ধর্মতলায় বিজেপির ডাকে চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি পালন করা হয়। রাজ্য বিজেপির ডাকে ১ ঘণ্টার প্রতীকী রাস্তা রোকো কর্মসূচি পালিত হয়। শুক্রবার ধর্মতলার মোড়ে পথ অবরোধ (RG Kar Protest) করেন বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলার কর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন উত্তর কলকাতা জেলা বিজেপি সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। তিনি বলেন, এন্টালি, খান্না মোড়সহ কলকাতা জুড়েই এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হানা ইডির, তালা খুলে ঢুকলেন অফিসাররা

    জেলায় জেলায় চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি

    নদিয়ার কৃষ্ণনগরেও চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিন কৃষ্ণনগর রোড স্টেশন এলাকায় রাজ্য সড়কে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেছেন। প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রাস্তা অবরোধ করে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। পথ অবরোধ থেকে স্লোগান তোলা হয়, ‘দফা এক, দাবি এক-মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। অন্যদিকে, বিজেপি’র চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি পালিত হয় আসানসোলের নুনি মোড়ে। কর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। আসানসোলের কোর্ট ঘড়ি মোড়ে রাস্তা বন্ধ করে টায়ার জ্বলিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় তাঁদের। রানিগঞ্জের সাহেবগঞ্জে রাস্তায় অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা।

    আর জি করকাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবিতে পূর্ব বর্ধমামের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের জাহান নগর পঞ্চায়েতের বিদ্যানগর মোড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে পথ অবরোধ করা হয়। এদিন কালনা-কাটোয়া এসটিকেকে রোডে এক গাড়ি চালকের সঙ্গে অবরোধকারীদের তুমুল বচসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলার প্রাক্তন জেলা সভাপতি রাজীব ভৌমিক, জেলা সদস্য বিধান ঘোষ, জেলা সম্পাদক প্রাণকৃষ্ণ দেবনাথ। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে শুরু করে রাজ্য সড়কের বিভিন্ন জায়গায় চাক্কা জ্যাম কর্মসূচি পালন করা হয়। বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক গির্জার মোড়ে চাক্কা জ্যাম কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা বিজেপির নেতা ও কর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন বহরমপুর বিজেপি (BJP) বিধায়ক সুব্রত মৈত্র, বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি শাখারভ সরকার সহ জেলা বিজেপির নেতা ও কর্মীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের চৌরাস্তার মোড়ে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করলেন বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার দুপুরে তাঁরা অবরোধ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 126: “ঈশ্বর বড় চুম্বক পাথর, তাঁর কাছে কামিনী ছোট চুম্বক পাথর! কামিনী কি করবে?”

    Ramakrishna 126: “ঈশ্বর বড় চুম্বক পাথর, তাঁর কাছে কামিনী ছোট চুম্বক পাথর! কামিনী কি করবে?”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    আপূর্যমাণমচলপ্রতিষ্ঠং, সমুদ্রমাপঃ প্রবিশন্তি যদ্বৎ ৷
    তদ্বৎ কামা যং প্রবিশন্তি সর্বে, স শান্তিমাপ্নোতি ন কামকামী ॥
       (গীতা—২।৭০)

    ন্যাড়াদের এত তেজ যে, ধ্যান করতে করতে সমাধি হল। কখন জোয়ার মাথার উপর দিয়ে চলে গেছে হুঁশ (Kathamrita) নাই। আবার ভাঁটা পড়েছে তবু ধ্যান ভাঙে না। তেরশোর মধ্যে একশো বুঝেছিল—বীরভদ্র কি বলবেন। গুরুর বাক্য লঙ্ঘন করতে নাই, তাই তারা সরে পড়ল, আর বীরভদ্রের সঙ্গে দেখা করলে না। বাকী বারশো দেখা করলে। বীরভদ্র বললেন, এই তেরশো নেড়ী তোমাদের সেবা করবে। তোমরা এদের বিয়ে কর। ওরা বললে, যে আজ্ঞা, কিন্তু আমাদের মধ্যে একশোজন কোথায় চলে গেছে। ওই বারশোর এখন প্রত্যেকের সেবাদাসীর সঙ্গে থাকতে লাগল। তখন আর সে তেজ নাই, সে তপস্যার বল নাই। মেয়েমানুষ সঙ্গে থাকাতে আর সে বল রইল (Kathamrita) না; কেননা সে সঙ্গে স্বাধীনতা লোপ হয়ে যায়। (বিজয়ের প্রতি) তোমরা নিজে নিজে তো দেখছ, পরের কর্ম স্বীকার করে কি হয়ে রয়েছ। আর দেখ, অত পাশ করা, কত ইংরাজী পড়া পণ্ডিত, মনিবের চাকরি স্বীকার করে তাদের বুট জুতার গোঁজা দুবেলা খায়। এর কারণ কেবল ‘কামিনী’। বিয়ে করে নদের হাট বসিয়ে আর হাট তোলবার জো নাই। তাই এত অপমানবোধ, অত দাসত্বের যন্ত্রণা।”

    ঈশ্বরলাভের (Ramakrishna) পর কামিনীকে মাতৃভাবে পূজা

    যদি একবার এইরূপ তীব্র বৈরাগ্য হয়ে ঈশ্বরলাভ হয়, তাহলে আর মেয়েমানুষে আসক্তি থাকে না। ঘরে থাকলেও, মেয়েমানুষে আসক্তি থাকে না, তাদের ভয় থাকে না। যদি একটা চুম্বক পাথর খুব বড় হয়, আর-একটা সামান্য হয়, তাহলে লোহাটাকে কোন্‌টা টেনে লবে? বড়টাই টেনে লবে। ঈশ্বর বড় চুম্বক পাথর, তাঁর কাছে কামিনী ছোট চুম্বক পাথর! কামিনী কি করবে?

    একজন ভক্ত—মহাশয়! মেয়েমানুষকে কি ঘৃণা করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যিনি ঈশ্বরলাভ করেছেন, তিনি কামিনীকে আর অন্য চক্ষে দেখেন না যে ভয় হবে। তিনি ঠিক দেখেন যে, মেয়েরা মা ব্রহ্মময়ীর অংশ, আর মা বলে তাই সকলকে পূজা করেন। (বিজয়ের প্রতি)—তুমি মাঝে মাঝে আসবে (Kathamrita), তোমাকে দেখতে বড় ইচ্ছা করে।

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 125: “কামিনী-কাঞ্চনে জীবকে বদ্ধ করে, জীবের স্বাধীনতা যায়, তার জন্য পরের দাসত্ব”

    Ramakrishna 125: “কামিনী-কাঞ্চনে জীবকে বদ্ধ করে, জীবের স্বাধীনতা যায়, তার জন্য পরের দাসত্ব”

     শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের উপদেশ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    আপূর্যমাণমচলপ্রতিষ্ঠং, সমুদ্রমাপঃ প্রবিশন্তি যদ্বৎ ৷
    তদ্বৎ কামা যং প্রবিশন্তি সর্বে, স শান্তিমাপ্নোতি ন কামকামী ॥
       (গীতা—২।৭০)

    কামিনী-কাঞ্চন জন্য দাসত্ব (Ramakrishna)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিজয়ের প্রতি)—আগে অত আসতে; এখন আস না কেন?

    বিজয়—এখানে আসবার খুব ইচ্ছা, কিন্তু আমি স্বাধীন নই। ব্রাহ্মসমাজের কাজ স্বীকার করেছি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কামিনী-কাঞ্চনে জীবকে বদ্ধ করে। জীবের স্বাধীনতা যায়। কামিনী থেকেই কাঞ্চনের দরকার। তার জন্য পরের দাসত্ব। স্বাধীনতা চলে যায়। তোমার মনের মতো কাজ করতে পার না।

    জয়পুরে গোবিন্দজীর পূজারীরা প্রথম প্রথম বিবাহ করে নাই। তখন খুব তেজস্বী ছিল। রাজা একবার ডেকে পাঠিয়েছিলেন, তা তারা যায় নাই। বলেছিল, রাজাকে আসতে বল। তারপর রাজা ও পাঁচজনে তাদের বিয়ে দিয়ে দিলেন। তখন রাজার সঙ্গে দেখা করবার জন্য, আর কাহারও ডাকতে হল না। নিজে নিজেই গিয়ে উপস্থিত। মহারাজ, আশীর্বাদ করতে এসেছি, এই নির্মাল্য এনেছি, ধারণ করুন। কাজে কাজেই আসতে হয়; আজ ঘর তুলতে হবে, আজ ছেলের অন্নপ্রাসন, আজ হাতেখড়ি—এই সব।

    বারশো ন্যাড়া আর তেরশো নেড়ী তার সাক্ষী উদম সাড়ী—এ গল্প তো জান (Kathamrita)। নিত্যানন্দ গোস্বামীর ছেলে বীরভদ্রের তেরশো ন্যাড়া শিষ্য ছিল। তারা যখন সিদ্ধ হয়ে গেল, তখন বীরভদ্রের ভয় হল। তিনি ভাবতে লাগলেন (Kathamrita), এরা সিদ্ধ হল, লোককে যা বলবে তাই ফলবে; যেদিক দিয়ে যাবে সেইদিকেই ভয়; কেননা, লোক না জেনে যদি অপরাধ করে, তাদের অনিষ্ট হবে। এই ভেবে বীরভদ্র তাদের বললেন, তোমরা গঙ্গায় গিয়ে সন্ধ্যা-আহ্নিক করে এস।

    আরও পড়ুনঃ “খুব রোখ না হলে, চাষার যেমন মাঠে জল আসে না, সেইরূপ মানুষের ঈশ্বরলাভ হয় না”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: বন্দুকের পর পর গুলির শব্দে দেবীর বোধনের বার্তা পৌঁছে যেত বহু দূরে!

    Durga Puja 2024: বন্দুকের পর পর গুলির শব্দে দেবীর বোধনের বার্তা পৌঁছে যেত বহু দূরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীমঙ্গল থেকে পালাগান এবং যাত্রাপালার মতো বিনোদনের আসর। সঙ্গে আশপাশের গ্রাম ভেঙে মানুষের ভিড়। সব মিলিয়ে গণ উৎসবে পরিণত হত দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট থানার পতিরাম এলাকার জমিদার বাড়ির পুজো (Durga Puja 2024)। ৩০১ বছরেরও বেশি আগে ঘোষ এস্টেটের জমিদার প্রয়াত রামসুন্দর ঘোষ দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন। শূন্যে দোনলা বন্দুকের পর পর গুলির শব্দে দেবীর বোধনের বার্তা পৌঁছে যেত দূরের অঞ্চলে। গরুর গাড়িতে চড়ে, কেউ ছেলে-বউ নিয়ে পায়ে হেঁটে এসে জমিদারের তৈরি অতিথিশালায় ঠাঁই নিতেন। দেবী দুর্গাকে উৎসর্গ করে মণ্ডপে হত মোষ বলি এবং পর পর পাঁঠাবলি। আনন্দের জোয়ারে খুশি প্রজাগণের চওড়া হত মুখের হাসি। পুজোর কটা দিন জমিদার বাড়িতেই পাত পেড়ে দু’বেলা প্রসাদ খাওয়া তো ছিলই। সঙ্গে বড় বড় হ্যাজাকের আলোয় ভরা সামিয়ানায় বসে রাতভর পালাগানের আসরে মজে থাকতেন মানুষ। আর তাঁদের ভিড়ে উৎসবের দিনগুলিতে সকলে মেতে উঠতেন।

    বোধনে নারায়ণ পুজোর রীতি (Durga Puja 2024)

    আজ জমিদারও নেই। নেই সেই জমিদারির জৌলুস। পুরনো সেই মন্দির সংস্কার করে সাত পুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এ বারেও দু্র্গাপুজোর আয়োজন করছেন বৃদ্ধ বংশধর সাগর ঘোষ। পুরনো দিনের সেই যাত্রাপালা উৎসব আর হয় না। তবে কলকাতা ও জলপাইগুড়ি থেকে আত্মীয় স্বজনরা সময় পেলে পুজোয় আসেন। আত্রেয়ী নদীপথে বাণিজ্যের সুবাদে পূর্ববঙ্গ থেকে পতিরামে এসে জমিদারি পত্তনের সঙ্গেই পারিবারিক দুর্গাপুজো শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। এখনও রীতি মেনে জন্মাষ্টমীর দিন কাঠামো পুজোর মধ্যে দিয়ে সূচনা হয় জমিদার বাড়ির প্রতিমা গড়ার কাজ। পঞ্চমীতে দেবীর বোধনে নারায়ণ পুজোর রীতি এখনও ধরে রেখেছেন সাগরবাবু। ঐতিহ্যের নিদর্শন প্রতীকী নৌকাও (Symbolic Boat) মণ্ডপে পুজো হয়।

    অষ্টমীতে চণ্ডীপুজো হলেও বলি প্রথা বন্ধ

    বৃদ্ধের কথায়, ‘‘এক সময় এই পুজো ঘিরে এলাকা-জুড়ে চলত উৎসব। এখন এলাকার ক্লাব কমিটির সাড়ম্বর পুজোয় (Durga Puja 2024) অনেক জৌলুস।’’ লোকবলের অভাব। পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার কারণে জৌলুস হারালেও তিথি-নক্ষত্র মেনে নিষ্ঠাচারে দেবীর পুজোর আয়োজন করে জমিদারের বংশধর সাগরবাবু এখনও সাতপুরুষের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন। এবিষয়ে জমিদার বাড়ির উত্তরসূরী সাগরকুমার ঘোষ বলেন, “আমাদের এই পুজো ৭ পুরুষের পুরনো। প্রতিমা বিসর্জনের দিন থেকে পরের বছর পুজোর প্রস্তুতি চলে। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনে এই বাড়িতে থাকি। আমরা দুজনে প্রস্তুতির কাজকর্ম করি। আমাদের পুজোতে আগে বলি ছিল। আমরা এখন বলি প্রথাটা উঠিয়ে দিয়েছি। আমাদের পুজোর বিশেষত্ব হল নৌকাকে ডিঙি করে সেই নৌকাতে পুজো হয়। দশমীর দিন সেই ডিঙিকে (Symbolic Boat) বিভিন্নভাবে সাজিয়ে মণ্ডপে পুজো করে পুজোর পর বাড়িতে যে বয়স্ক মানুষ থাকে, সে মাথায় করে বসত বাড়িতে আনে। এটাই আমাদের পুজোর বিশেষত্ব। পুজোর পাঁচদিন এলাকার সমস্ত মানুষ এখানে এসে আনন্দ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Physiotherapy: স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার থেকে হাড়ের সমস্যা, মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি?

    Physiotherapy: স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার থেকে হাড়ের সমস্যা, মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচারের পরবর্তী জটিলতা কাটাতে, কিংবা কোনও দুর্ঘটনার পরে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে বাড়তি সাহায্য করে ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy)। এমনকী একাধিক হাড়ের রোগের মুশকিল আসান হল ফিজিওথেরাপি। ওয়ার্ল্ড ফিজিওথেরাপি ডে উপলক্ষে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরি। কারণ, একাধিক জটিল অস্ত্রোপচারের পরে ফিজিওথেরাপি আবশ্যিক। এই থেরাপি ঠিকমতো না হলে রোগীর পক্ষে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব হয় না। আবার এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যেগুলি ফিজিওথেরাপির মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

    কোন কোন রোগের মুশকিল আসান ফিজিওথেরাপি? (Physiotherapy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, হাড় এবং পেশির সমস্যায় আক্রান্তদের মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব হয়। বিশেষত মস্তিষ্কের পিছনে এবং ঘাড়ে অনেক সময়েই একনাগাড়ে তীব্র যন্ত্রণা হয়। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে অনেক সময়েই এর থেকে রেহাই পাওয়া যায়। হাড়ের সমস্যায় আক্রান্তেরা, বিশেষত যাঁরা আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত, তাঁদের জন্য ফিজিওথেরাপি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, আর্থরাইটিসের মতো রোগে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়। কিন্তু যন্ত্রণাকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক জীবন যাপন জরুরি। আর সেই জন্য ফিজিওথেরাপি বিশেষ সাহায্য করে। 
    স্নায়ুর জটিল রোগ (Nerve Surgery), বিশেষত পারকিনসনের মতো রোগে ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy) খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন অংশের স্নায়ুকে সক্রিয় রাখতে এই থেরাপি বিশেষ সাহায্য করে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, বয়স বাড়লে অনেকেই অন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। আবার অন্ত্র এবং মূত্রাশয়ের একাধিক পেশি ও শিরা সংযুক্ত থাকে। তাই মূত্রাশয় ও নানান রোগে আক্রান্ত হন। তাই প্রবীণ মানুষদের এই ধরনের রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফিজিওথেরাপি বিশেষ উপকারী। ফুসফুস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও ফিজিওথেরাপি বিশেষ উপকারী। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ফিজিওথেরাপি। আবার হৃদরোগে আক্রান্তদের হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও ফিজিওথেরাপি সাহায্য করে।

    কীভাবে সাহায্য করে ফিজিওথেরাপি? (Physiotherapy)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে, বিশেষত পেশিতে আঘাতের কারণে অনেক সময়েই কার্যক্ষমতা কমে যায়। আবার আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলেও রোগীর হাড়ের ক্ষমতা কমে। পেশি শক্তি কমে। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। পেশি ধীরে ধীরে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই যে কোনও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী জটিলতা কাটাতে কিংবা আর্থরাইটিসের মতো রোগের মোকাবিলায় ফিজিওথেরাপি বিশেষ কার্যকর। হৃদরোগ কিংবা স্নায়ুর সমস্যা শরীরকে ক্লান্ত করে তোলে। এর জেরে রোগী হাঁটাচলা করতে চান না।‌ যে কোনও কাজে অনীহা তৈথি হয়। ফিজিওথেরাপি পেশি এবং স্নায়ু সক্রিয় করে এই ক্লান্তি ভাব সহজেই দূর করে। তাই রোগীর সক্রিয় হয়ে ওঠার ইচ্ছাও তৈরি হয়। এর ফলে যে কোনও রোগ মোকাবিলা করে আবার স্বাভাবিক জীবন যাপন করার পথ সহজ হয়। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে রক্তসঞ্চালন ভালোভাবে হয়। এর জেরেই হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে। হৃদরোগীদের জন্য বাড়তি উপকার হয়। 
    ফিজিওথেরাপি স্নায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, স্নায়ুর কাজ একাধিকবার করার জেরে স্নায়ুর গতিশীলতা বাড়ে। তাই ফিজিওথেরাপি পারকিনসন আক্রান্তদের জন্য বিশেষ কার্যকর।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shibnibas: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত শিবনিবাসের শিব লিঙ্গ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম, এর ইতিহাস জানেন?

    Shibnibas: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত শিবনিবাসের শিব লিঙ্গ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম, এর ইতিহাস জানেন?

    হরিহর ঘোষাল

    এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় কষ্টি পাথরের শিব লিঙ্গ দেখেছেন? নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস (Shibnibas) গ্রামে রয়েছে এই শিবের মন্দির। সেখানে মোট তিনটি মন্দির রয়েছে। রাজরাজেশ্বর, রাগনীশ্বর এবং রাম-সীতার মন্দির। নবাবি আমলে গড়ে ওঠা এই শিব মন্দিরে এখনও বছরের বিশেষ বিশেষ সময়ে পুজো দিতে লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হয়। কলকাতা থেকে এই মন্দিরে সহজে যাওয়া যায়। শিয়ালদা থেকে গেদে লোকালে মাজদিয়া পৌঁছাতে হবে। সেখান থেকে টুকটুকি করে শিবনিবাস যাওয়া যায়। আর শিয়ালদা থেকে কৃষ্ণনগর লোকাল ধরে কৃষ্ণনগরে (Nadia) পৌঁছে, সেখানে থেকে টুকটুকিতে বাসস্ট্যান্ড আসতে হবে। তারপর বাসস্ট্যান্ড থেকে মাজদিয়ার বাসে করে শিবনিবাস মোড়ে নেমে কিছুটা গেলেই এই মন্দিরের দর্শন মিলবে।

    শিবনিবাসের নামকরণের ইতিহাস (Shibnibas)

    শিবনিবাস (Shibnibas) গ্রামের নামকরণ এবং মন্দির তৈরি নিয়ে নানা মত রয়েছে। কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বাবা কার্তিকেয় চন্দ্র রায় লিখেছেন, “বর্গির আক্রমণ থেকে অত্মরক্ষার জন্যে কৃষ্ণচন্দ্র এ জায়গাটা কৃষ্ণনগর অপেক্ষা নিরাপদ মনে করে এখানে রাজপ্রাসাদ ও শিবমন্দির নির্মাণ করেন। এই জায়গার নতুন নাম রাখেন ‘শিবনিবাস”। অন্যমতে, নসরত খাঁ নামে এক কুখ্যাত ডাকাত এই এলাকায় বাস করতেন। কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে দমন করার জন্যে এখানে শিবির স্থাপন করেছিলেন। একদিন সকালে নদীতে স্নান করার সময় একটি রুই মাছ কৃষ্ণচন্দ্রের সামনে এলে তাঁর এক জ্ঞাতি আনুলিয়ানিবাসী কৃপারাম রায় বলেন, এই জায়গাটি মহারাজার বাসযোগ্য। কারণ, রাজভোগ্য দ্রব্য আপনা থেকেই হাজির হয়েছে। মহারাজা বর্গির আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার জন্যে এই স্থান নিরাপদ মনে করলেন এবং দেওয়ান রঘুনন্দন মিত্রের পরামর্শক্রমে এখানে রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করে নাম রাখলেন ‘শিবনিবাস’। কেউ কেউ বলেন, এ জায়গা আগে অরণ্যময় ও জলবেষ্টিত ছিল। নসরত খাঁ নামে এক ফকির এখানে বাস করতেন। লোকে এই জায়গাকে ‘নসরত খাঁর বেড়’ বলত। কৃষ্ণচন্দ্র ফকির সাহেবের অনুমতি নিয়ে এখানে রাজধানী স্থাপন করেন। নদিয়া রাজ্যের মধ্যে বর্গির উপদ্রব হয়েছিল ১৭৪২ সালের মে-জুন মাসে। নিশ্চয়ই এর আগে তিনি এখানে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। তিনি আত্মীয়-স্বজন ও ধনরত্ন নিয়ে উক্ত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে চলে আসেন। তখনও কিন্তু এই মন্দিরগুলি তৈরি সম্পূর্ণ হয়নি। দেওয়ান রঘুনন্দন মিত্রের পরামর্শক্রমে তিনি এখানে রাজধানী ও মন্দির তৈরি করেছিলেন। ১৭৫৪ সালে মন্দির তৈরি করে থাকতে পারেন। দেওয়ান রঘুনন্দন মিত্রের পরামর্শক্রমে, চূর্ণী নদীর দ্বারা ‘কঙ্কনের আকারে পরিবেষ্টিত’ (মতান্তরে ওই ভাবে পরিখা খনন ক’রে) এই স্থানে তিনি রাজপ্রাসাদ ও শিবমন্দির তৈরি করেন। শিবের আলয় হিসেবে এই নতুন বসতির নাম হয় শিবনিবাস। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রাজধানী মাজদিয়াকে সুরক্ষা বলয়ে নিয়ে আসার জন্য খাল কেটে ইচ্ছামতী ও চূর্ণী নদীকে একত্রে জুড়ে দিয়ে একটি জনপদ গঠন করেছিলেন। যেই খালটি আজও কঙ্কণা নদী নামে পরিচিত।

    সিঁড়ি দিয়ে উঠে শিবের মাথায় জল ঢালতে হয়

    মন্দিরের (Shibnibas) চূড়া সমেত মন্দিরের উচ্চতা ১২০ ফুট। আটকোনা মন্দির, প্রতিটি কোনায় মিনার ধরনের সরু থাম আছে। মন্দিরের ভিতর কালো শিবলিঙ্গ, উচ্চতা ১১ ফুট ৯ ইঞ্চি, বেড় ৩৬ ফুট। সিঁড়ি দিয়ে উঠে শিবের মাথায় জল ঢালতে হয় এখানে। পূর্ব ভারতে এতো বড় শিবলিঙ্গ আর নেই। মন্দিরের ছাদ ঢালু ও গম্বুজ। মন্দিরে পোড়ামাটির কাজ ও গথিক স্থাপ্যশৈলীর কাজ দেখার মতো। ১৮২৪ খ্রীষ্টাব্দের ১৮ জুন, কলকাতার বিশপ রেভারেন্ড হেবার জলপথে ঢাকা যাবার সময় শিবনিবাসের মন্দির ও রাজপ্রাসাদাদি দেখে মুগ্ধ হন। ১৮২৮ খ্রীষ্ঠাব্দে লণ্ডন থেকে প্রকাশিত তাঁর স্মৃতিকথায় তিনি শিবনিবাসের হিন্দু মন্দিরগুলিকে সুরম্য ও অতি উত্তম স্থাপত্যের নিদর্শন বলে বর্ণনা করেছেন। এগুলির নির্মাণে ‘গথিক’ খিলানের ব্যবহার তাঁকে বিস্মিত করে। শিবনিবাসে সারা বছরই ভক্ত সমাগম ঘটলেও শ্রাবণ মাসে শিব-ভক্তদের এখানে ভিড় হয় বেশি। শ্রাবনের প্রতি সোমবার নবদ্বীপের গঙ্গা থেকে জল নিয়ে ভক্তরা পায়ে হেঁটে শিবনিবাসে এসে শিবের মাথায় জল ঢালেন। সারারাত ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোর থেকে জল ঢালেন ভক্তরা। জল ঢালা চলে সারাদিন ধরে। সারা শ্রাবণ মাস ধরে মেলা চলে।  

    শিবনিবাসকে কেন ‘বাংলার কাশী’ বলা হয়?

    জনশ্রুতি আছে, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কাশীর শিবের স্বপ্নাদেশ পান যে, তিনি কাশী ছেড়ে কৃষ্ণচন্দ্রের হাতে পূজা পেতে চান। সেই আদেশ পালনার্থেই কৃষ্ণচন্দ্র শিবমন্দির (Shibnibas) স্থাপন করেন। যদিও ১০৮টি শিব মন্দির তৈরির কথা বলা হলেও সেটা সঠিক নয়। কারণ, তার কোনও কিছুই অবশিষ্ট নেই। তবে, শ্রী শশিভূষণ বিদ্যালঙ্কার সঙ্কলিত “জীবনীকোষ” (ভারতীয় ঐতিহাসিক) পুস্তকের দ্বিতীয় খন্ডে উল্লেখ আছে, শিবনিবাস প্রতিষ্ঠার পর কাশী ও কাঞ্চী থেকে আগত ব্রাহ্মণগণের উপস্থিতিতে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র অগ্নিহোত্র বাজপেয় যজ্ঞ সম্পন্ন করেন। মহারাজ “অগ্নিহোত্রী বাজপেয়ী” উপাধি পান। তাই শিবনিবাস কাশী তুল্য। ভারতচন্দ্র রায়ের ‘অন্নদামঙ্গলে’ আছে:”……কৃষ্ণচন্দ্র মতিমান। কাশীতে করিবে জ্ঞানবাপীর সমান। বিগ্রহ ব্রহ্মণ্যদেব মূর্তি প্রকাশিয়া। নিবাস করিবে শিবনিবাস করিয়া।” অতএব, শিবনিবাস মাহাত্ম্যে কাশীতুল্য। প্রচলিত ছড়ায় আছে: “শিবানিবাসী তুল্য কাশীধন্যনদী কঙ্কনা। ওপরে বাজে দেবঘড়ি নীচে বাজে ঠণ্ঠনা।”

    মন্দির চত্বরে মেলা

    বিড়লা জনকল্যাণ ট্রাস্ট ষাট হাজার টাকা ব্যয়ে ১৯৬৫-৬৬ সালে এই মন্দির তিনটির সংস্কার করেছিলেন। কিন্তু, মন্দিরগুলির অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। মন্দিরগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও নিত্যপুজোর জন্যে বাৎসরিক যাট হাজার টাকা দেবোত্তর ছিল। কিন্তু, সে সম্পত্তি বেহাত হয়ে গিয়েছে। বারো মাসে তেরো পার্বন নিয়েই বাঙালির জীবন। চূর্ণি নদী তীরে কৃষ্ণচন্দ্র রাজরাজেশ্বর ও রামসীতার মন্দির প্রাঙ্গণে একটি মেলার প্রচলন করেছিলেন। এ মেলা খুবই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী। শিবচতুর্দশী উপলক্ষ্যে মেলা হত বলে এই মেলা শিবচতুর্দশীর মেলা বলে পরিচিত। জনশ্রুতি, মহাদেব নাকি একবার কৃষ্ণচন্দ্রকে স্বপ্নাদেশ দেন, তিনি কাশী ছেড়ে শিবনিবাসে (Shibnibas) এসেছেন। কৃষ্ণচন্দ্র যেন তাঁকে এখানে প্রতিষ্ঠিত করেন। স্বপ্নাদেশ পেয়ে কৃষ্ণচন্দ্র কোনও এক মাঘ মাসের ভীম একাদশীতে এখানে শিব প্রতিষ্ঠা করেন। সেই থেকে এই মেলা আজও চলে আসছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 06 September 2024: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 06 September 2024: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    বৃষ

    ১) ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীর জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) ধৈর্য্য রেখে কাজ করুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে। 

    ৩) কোনও বিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়বেন না আজ।

    তুলা

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ৩) সমাজে আপনার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে আজ।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) নিজের বাণীতে সংযম রাখুন।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) ব্যবসায় লোকসানের সম্ভাবনা।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল থাকবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে খুশিতে কাটান দিনটি।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeep Ghosh: ঘুরপথে পড়ুয়াদের ফান্ডের টাকা যেত সন্দীপের পকেটে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই-এর

    Sandeep Ghosh: ঘুরপথে পড়ুয়াদের ফান্ডের টাকা যেত সন্দীপের পকেটে, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোজাসুজি নয়, একপ্রকার ঘুরপথে টাকা রোজগারের পথ বের করেছিলেন সন্দীপ (Sandeep Ghosh)। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষের আরও এক কীর্তি ফাঁস হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে। জানা গেল, ডাক্তারি পড়ুয়াদের ফান্ডের টাকা ঘুরপথে যেত এই তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ডাক্তারের পকেটে। আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে নেমে সিবিআই অফিসারদের হাতে এল এমনই চাঞ্চাল্যকর তথ্য। উল্লেখ্য, চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পর থেকে একাধিকবার জেরা করা হয়েছে তাঁকে। তিনি ঘটনার দিন সঠিক দায়িত্ব পালন না করে কার্যত হত্যাকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দিতে চেয়েছিলেন, সামজিক মাধ্যমে এমন অভিযোগে সরব হয়েছেন সাধারণ মানুষ।

    সন্দীপের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা যেত (Sandeep Ghosh)

    সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষ (Sandeep Ghosh) বিভিন্ন কন্ট্রাক্টরদের টাকা দিয়েছেন অ্যাকাডেমিক ফান্ড থেকে। আরজি কর হাসপাতালের জন্য যে টাকা আসত, তা ডাক্তারি পড়ুয়াদের জন্য কলেজে ব্যয় করার কথা। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাজে ব্যবহার করে ভোগ করতেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। একই ভাবে আরও জানা গিয়েছে, যাদের কাছে এই টাকা যেত, তারাও তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বা সন্দীপ ঘনিষ্ঠ। প্রথমে টাকা কন্ট্রাক্টরদের কাছে গেলেও পরে তাঁরা সেই টাকা সন্দীপের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিতেন। এই প্রসঙ্গে সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনকে অন্ধকারে রেখেই চলত এই লেনদেন। এই টাকা এখন কোন কোন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এখানেও যে বড় রকমের দুর্নীতি হয়েছে, তা নিয়ে যে সন্দেহ নেই, তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে এই তদন্তে।

    আরও পড়ুনঃ ‘কেড়ে নেওয়া হোক বিনীতের পুলিশ মেডেল’, রাষ্ট্রপতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    আরও অভিযোগ

    সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন আরজি কর মেডিক্যালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। সন্দীপ ঘোষ (Sandeep Ghosh) বেআইনিভাবে বিপজ্জনক বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য বিক্রি করতেন। জিম এবং নিজের চেম্বারের সৌন্দর্যায়নের জন্য কোভিড ফান্ডের অপব্যবহার করছেন। টাকার বিনিময়ে চিকিৎসক-অফিসারদের বদলি করতেন। অযোগ্যদের কাজের বরাত দিতেন। আরও ১৫ রকমের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছিলেন আখতার আলি। সরকারি অর্থের অপচয়, টেন্ডার না ডেকে সরকারি জায়গা খাবারের দোকান, ক্যাফে, ক্যান্টিন, সুলভ শৌচালয়ের জন্য বরাদ্দ করা, ভেন্ডার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বজনপোষণ ইত্যাদি নানা কুকর্ম তিনি করতেন। সিভিল এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজকর্ম সরকারি সংস্থাকে না দিয়ে তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কাজ করাতেন। ইচ্ছাকৃতভাবে অর্ডার ভেঙে এক লক্ষ টাকার নীচে যাতে থাকে এবং ই-টেন্ডারকে এড়ানো যায়, সেই কাজ করতেন। রাজ্য সরকার এবং কলকাতা পুরসভাকে এড়িয়ে, বেআইনিভাবে ২ চাকার গাড়ি পার্কিং-এর বেনামি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share