Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Munger University: স্নাতক পরীক্ষায় পড়ুয়াকে ১০০-র মধ্যে ৫৫৫ নম্বর দিলেন শিক্ষক! চূড়ান্ত গাফিলতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Munger University: স্নাতক পরীক্ষায় পড়ুয়াকে ১০০-র মধ্যে ৫৫৫ নম্বর দিলেন শিক্ষক! চূড়ান্ত গাফিলতি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ২০১৮-২০২১ স্নাতক শিক্ষাবর্ষের বিএ বিভাগের ফলাফল প্রকাশ করেছে মুঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়। স্নাতক পরীক্ষার তিনটি ভাগ মিলিয়ে এক পরীক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে ৮০০ এর মধ্যে ৮৬৮ নম্বর। আর এক পরীক্ষার্থী পার্ট থ্রি এর অনার্স বিষয়ের পেপার ৫ এ মোট ১০০ নম্বরের বদলে পেয়েছেন ৫৫৫ নম্বর। নম্বর দেখে কোথায় রাখবে ভেবেই পাচ্ছে না ছাত্রছাত্রীরা। 

    পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা দফতরের গাফিলতির ছবি ধরা পড়েছে  বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও। ভুলে ভরা রেজাল্টের ট্যাবুলেশন রেজিস্টার কপিটি আপলোডও করা হয়েছে ওই সাইটে। দেখা গিয়েছে, জম্মুর কেকেএম কলেজের ইতিহাস অনার্সের শিক্ষার্থী দিলীপ কুমার শাহকে (রোল নাম্বার ১১৮০৪০০৭৩) পার্ট থ্রি এর পঞ্চম পেপারে  ১০০ এর মধ্যে ৫৫৫ নম্বর দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ তাঁর মোট নম্বর হয়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩০। 

    একাধিক প্রযুক্তিগত ত্রুটি এবং ভুল ছাপার কারণে এই ঘটনা বলে দাবি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শ্যামা রায় জানান, ভুল শুধরে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটির তদন্তও করা হবে। ইতিমধ্যেই ঘটনার জন্য জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রামাশিস পূর্বের কাছে।

  • IIT Kharagpur: স্কুলে যাতায়াতের মাধ্যম কী হওয়া উচিৎ? সমীক্ষা চালাল আইআইটি খড়গপুর 

    IIT Kharagpur: স্কুলে যাতায়াতের মাধ্যম কী হওয়া উচিৎ? সমীক্ষা চালাল আইআইটি খড়গপুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাইভেট গাড়ির বাড়বড়ন্তে নাজেহাল জনজীবন। চিন্তিত সরকারও। যানজট থেকে পরিবেশ দূষণ এসবেতেই বড় ভূমিকা পালন করে বিপুল সংখ্যক প্রাইভেট গাড়িগুলি (Private Car)। এই পরিস্থিতিতে দূষণ ও জানযট রোধে সকলকে নিজ নিজ গাড়ি না বের করে শেয়ার গাড়ি ব্যবহার করার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা। 

    সবচেয়ে ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় “শেয়ার্ড” পরিবহন (Shared Vehicle) মাধ্যম হল স্কুল বাস (School Bus)। কলকাতার বুকে এই স্কুল বাসগুলির সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে গত পাঁচ বছর ধরে একটি সমীক্ষা চালাচ্ছিল আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur)। সম্প্রতি তার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তারা। 

    স্কুল বাসগুলি ঠিক কতটা সুবিধাজনক, পরিবেশের ওপর তার কী প্রভাব, সময় কতটা বাঁচে, নিরাপত্তা, কর্মচারীদের ব্যবহার, সুরক্ষা, অভিভাবকদের কাছে জনপ্রিয়তা এসব কিছু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে সেই রিপোর্টে। 

    সব মিলিয়ে স্কুল বাস ব্যবহারের পক্ষেই সওয়াল করেছে ওই প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কলকাতার  মতো জনবহুল এলাকায় স্কুল বাস অনেকাংশেই উপযোগী বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। 

    অভিভাবকরা কী চাইছেন সেটা বুঝতে সমীক্ষা (Survey) চালানো হয়। কর্মচারী, স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলে বিশেষজ্ঞদের কমিটি। ১২ হাজার অভিভাবকের সঙ্গে সমীক্ষার বিষয়ে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার প্রশ্নের উত্তর দেন।  

    দুটি পর্যায়ে করা হয় সমীক্ষাটি। প্রথম পর্যায়ে জানতে চাওয়া হয় কী কী পরিবর্তন আনতে হবে যানজট বা পরিবেশ সংক্রান্ত অসুবিধে এড়াতে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে জানতে চাওয়া হয় তাদের পছন্দের পরিবহন মাধ্যম কী এবং তাতে কী পরিবর্তন আনতে হবে?  

    সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, স্কুল বাসের ব্যবহারে ৫-৭% প্রাইভেট কারের ব্যবহার কমবে। প্রাইভেট কারের মালিকাধীন অভিভাবকদেরও খরচ ২-৩% কমবে। এবং যানজট থেকেও অনেকাংশেই মুক্তি পাবে এই শহর। এক্ষেত্রে অভিভাবক, স্কুল কর্তৃপক্ষ, বাসের ড্রাইভার, কন্ডাক্টর এবং বাস মালিকরা সবাই নির্দিষ্ট নিয়মাবলী বা এসওপি অনুসরণ করার পরামর্শ  দিয়েছেন। যা সব স্কুলের বাসে ক্ষেত্রেই এক থাকবে।  
     
    সব চালক এবং কন্ডাক্টরদের যাবতীয় তথ্য থাকা উচিৎ পুলিশের কাছে, এমনটাই মনে করছেন অভিভাবকরা। প্রতিটি চালকের অন্তত ৫ বছর গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা উচিৎ। সরকারের তরফ থেকে গাড়ির গতির বেঁধে দিতে হবে। প্রতিটি গাড়ির তথ্য রাখবে পুলিশ। অভিভাবকরাও চাইলে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স খতিয়ে দেখতে পারেন বা তার কপিও রাখতে পারেন।

    এছাড়া, ওই রিপোর্টে আরও সুপারিশ করা হয়েছে– অভিভাবকরা গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চাকার পরিস্থিতিসহ যাবতীয় তথ্য নিজেদের কাছে রাখতে পারেন। সিট বেল্ট না থাকলে সেই বাসে সন্তানকে ছাড়তে আপত্তিও জানাতে পারেন অভিভাবক। মদ্যপান বা গুটখা সেবন করে ড্রাইভার গাড়ি চালাবেন না। পুলিশের সব নির্দেশ মানতে হবে। বাচ্চাদের একা ছাড়া যাবে না। নিয়মাবলীতে এই বিষয়গুলির সুপারিশ করা হয়েছে আইআইটি খড়গপুরের সমীক্ষায়।   

     

     

     

     

     

  • Inteligent Child: বাচ্চাকে বুদ্ধিমান করতে চান? জেনে নিন নানা কৌশল

    Inteligent Child: বাচ্চাকে বুদ্ধিমান করতে চান? জেনে নিন নানা কৌশল

     

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব বাবা-মায়েরাই চান তাঁদের সন্তান হোক শ্রেষ্ঠ। কিন্তু প্রতিযোগিতার ইঁদুর দৌড়ে একটি শিশুকে ছেড়ে দিলে তা তার পক্ষে ভাল হবে না। শিক্ষাবিদরা বহুবার সাবধান করেছেন,শিশুদের জোড় করে প্রতিভাবান করতে চাইলে হিতে বিপরীত হয়। তাদের নানারকম সামাজিক এবং মানসিক সমস্যা তৈরি হয়।
    কিন্তু আপনি যদি আপনার বুদ্ধিমান বাচ্চাকে কোনও চাপে না ফেলে তার বুদ্ধি বিকাশে সহায়তা করতে চান, তাহলে তাতে সে অনেক দূর এগোতে পারবে। 

    ১.শিশুর নানা ধরণের  অভিজ্ঞতা: মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, দিনের পর দিন একইরকম গতানুগতিক জীবন আলস্য,স্থবিরতা ডেকে আনে। তাই শিশুকে নিত্য নতুন বিষয়ে আগ্রহী করে তুলুন।

    ২. শিশুকে উৎসাহিত করা:খেলাধুলো হোক বা সঙ্গীত হোক বা নাটকের ক্লাস, এসব নিয়ে আপনার শিশুর আগ্রহ থাকলে অল্প বয়স থেকে সুযোগ দিতে হবে। তাহলেই প্রতিভা বিকাশের সম্ভাবনা বাড়বে। তবে ‘কিছু হওয়ার জন্য’ তাদের ওপর চাপ তৈরি করা হিতে বিপরীত হবে। সে যা নয়, তা বানানোর চেষ্টা করলে ক্ষতি ছাড়া লাভ হবে না।

    ৩. শিশুর জানার চেষ্টার প্রশংসা করুন: তার ক্ষমতাকে নয়, শিশুর শিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিন। নতুন কোনও ভাষা শেখার জন্য তার চেষ্টা, এমনকি সাইকেল চালানোর জন্য তার চেষ্টাকেও উৎসাহিত করুন। জানার চেষ্টা, শেখার চেষ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শেখার উৎসাহই পরবর্তী জীবনে তাকে সাফল্যের দরজায় নিয়ে যাবে।

    ৪.ভুল করলে ভয় দেখাবেন না: শিশুর ভুলগুলোকে তার শিক্ষার অংশ হিসাবে দেখতে হবে। ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণই আসল শিক্ষা। ভুল করলে বাচ্চাদের ভবিষ্যতে সঙ্কট মোকাবিলার ক্ষমতা বাড়ে। তার গায়ে ব্যার্থতার তকমা সেটে দিলে আপনার বাচ্চা অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে। ভবিষ্যতে কোনো ব্যর্থতার ভয়ে সারাজীবন সে কুঁকড়ে থাততে পারে।

    ৫. শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ: প্রতিভাবান শিশুরা নতুন নতুন জিনিস শিখতে চায়। তাদের নিজের গতিতে শিখতে দিন। চলতি শিক্ষা ব্যবস্থার মাঝে তাদের সেই বিশেষ চাহিদা পূরণে বাবা-মা- শিক্ষকদের সচেতন হতে হবে।

  • UGC NET 2022 Date:  ইজিসি নেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা এনটিএ-র, জেনে নিন তারিখ

    UGC NET 2022 Date: ইজিসি নেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা এনটিএ-র, জেনে নিন তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসি নেট (UGC NET 2022) ডিসেম্বর ২০২১ ও জুন ২০২২-র পরীক্ষার দিন ঘোষণা করা হল। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, ডিসেম্বর ২০২১ ও জুন ২০২২-র পরীক্ষা জুলাই মাসের ৮, ৯, ১১ ও ১২ তারিখ ও অগাস্ট মাসের ১২, ১৩ ও ১৪ তারিখ নেওয়া হবে। করোনাভাইরাস (Coronavirus) পরিস্থিতিতে এবার ২০২১ সালের ডিসেম্বরের সেশন এবং ২০২২ সালের জুনের সেশনের পরীক্ষা একসঙ্গে হচ্ছে। এদিন এই বিষয়টি নিজের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ট্যুইট করে জানিয়েছেন ইউজিসি (UGC) -র চেয়ারম্যান। 

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: আজই প্রকাশিত হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেনের অ্যাডিমিট, কখন জানাল এনটিএ

    পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার দিন দেখে নিতে পারবে  www.nta.ac.in – এ। এছাড়াও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) থেকে বিস্তারিত তারিখ শীঘ্রই আপলোড করা হবে www.nta.ac.in – এ। ইতিমধ্যেই পরীক্ষার্থীদের ফর্মের ভুল সংশোধনের জন্য এনটিএ সময় দিয়েছে। ২০২২-এর ৩১ মে থেকে জুন ১, ২০২২ পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা সময় পাবেন। এনটিএ থেকে বলা হয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন আপডেটের জন্য প্রায় প্রতিদিনই এনটিএ -এর ওয়েবসাইটটি দেখতে । এছাড়াও পরীক্ষার্থীদের কোনো জিজ্ঞাস্য থাকলে বা কোনো কিছু জানতে এনটিএ হেল্প ডেস্ক ০১১৪০৭৫৯০০০ নম্বরে ফোন করার কথাও জানানো হয়েছে।

    সাধারণত বছরে দু’বার ইউজিসি নেট (UGC NET)  পরীক্ষা হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসের জন্য ২০২১ সালের ডিসেম্বরের নেট পরীক্ষা হয়নি ও ২০২২ সালের জুন মাসের পরীক্ষাও পিছিয়ে যায়। তাই নেট পরীক্ষা আবারও বছরের ঠিক সময় মত করার জন্য এবারে দুই সেশনের পরীক্ষা একসঙ্গে হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন:নেট পরীক্ষায় আবেদনের সময়সীমা বাড়াল ইউজিসি

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩০ মে নেট পরীক্ষার আবেদনপত্র দাখিল করার শেষ দিন ছিল। খুব শীঘ্রই পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড বা হলটিকিট দেওয়া হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের এনটিএ-এর ওয়েবসাইটে বিশেষ নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

  • NEET 2022: ফের স্থগিত হতে পারে এবছরের নীট পরীক্ষা, প্রতিনিধি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বৈঠকের পর এমনই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে

    NEET 2022: ফের স্থগিত হতে পারে এবছরের নীট পরীক্ষা, প্রতিনিধি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বৈঠকের পর এমনই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এবছরের নীট (NEET PG 2022) পরীক্ষা স্থগিত (Postpone) করার ক্রমবর্ধমান দাবির মধ্যেই, অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিত্বকারী (FAIMA) পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্যে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health) আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন। এই ডাক্তারি পরীক্ষার্থীরা প্রায় ৮-১০ সপ্তাহ পরীক্ষা স্থগিত করার দাবি করেছেন। আলোচনার শেষে পরীক্ষা ৪-৫ সপ্তাহ স্থগিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন পরীক্ষার্থীরা।  অর্থাৎ জুন মাসে হতে পারে পরীক্ষা।  
       
    মে মাসে ২১ তারিখে এবছরের নীট পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা স্থগিত হলে নতুন ডেট যেকোন মুহুর্তে জানানো হতে পারে। 

    বেশ কিছুদিন ধরেই নীট পরীক্ষা পেছানোর জন্যে আবেদন জানাচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা। দেশব্যাপী আন্দোলনেও নামেন অনেক পরীক্ষার্থী। সামাজিক মাধ্যমে #PostponeNEETPG_Modiji-এর মতো হ্যাশট্যাগও ট্রেন্ডিং হয়।তার পরিপেক্ষিতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাথে এই বৈঠক। বৈঠক যে ফলপ্রসূ হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত প্রতিনিধি ছাত্ররা।  

    গতবছরের নীট কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় বিলম্বিত হওয়ার কারণেই এবছরের নীট পরীক্ষা স্থগিত করার দাবি জানান চিকিৎসক পরীক্ষার্থীরা। 

    FAIMS ছাড়াও, AIMSA সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের কাছে একটি চিঠিতে এবছরের নীট পরীক্ষা ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করে। 

    ২০২১ সালের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর পরীক্ষায় সংরক্ষণের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন থাকার ফলে কাউন্সেলিং পর্ব শুরু হতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়। ক্রমবর্ধমান কোভিড সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে পরীক্ষা দেরিতে হয়। আর এর  কারণেই হাজার হাজার এমবিবিএস স্নাতক এই বছরের মার্চ মাসের নীট-পিজি পরীক্ষার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়েন। তাছাড়া যেসকল এমবিবিএস স্নাতক বর্তমানে তাদের ইন্টার্নশিপ শেষ করছেন তারাও এক বছর নষ্টের বিষয়ে চিন্তিত ছিলেন। কারণ তাদের ইন্টার্নশিপ এখনও শেষ হয়নি। এবং ইন্টার্নশিপ শেষ না হলে তারা এই বছর প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য যোগ্য হবেন না। এই কারণেই পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছিল। আর তাই এবার পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়াতে এই এমবিবিএস ও ইন্টার্নরা পিজি পরীক্ষায় বসতে পারবেন।
     

  • Concentration on Study: পড়াশোনায় শিশুর মনোযোগ বাড়ানোর সহজ উপায়

    Concentration on Study: পড়াশোনায় শিশুর মনোযোগ বাড়ানোর সহজ উপায়

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশু মাত্রই চঞ্চল। তাদের এক জায়গায় বসানোই মুশকিল। কিন্তু পড়াশোনার ক্ষেত্রে মনোযোগ তো বাড়াতেই হবে। ছোটদের পড়ায় মন বসানোর জন্য রইল সহজ কয়েকটি উপায়

    খেলতে দিন: খালি পড়তে বসার কথা না বলে, শিশুকে রোজ অন্তত এক ঘণ্টা ছোটাছুটি করে খেলার সময় দিন। এতে তার ঘাম ঝরবে। ফলে শরীরে এনডরফিন বেশি পরিমাণে নিঃসৃত হবে। এরপর বাচ্চাকে পড়াতে বসালে প্রথম ঘণ্টাখানেক সে মন দিয়ে পড়বে। 

    অ্যকটিভিটি বই, পাজ়ল দিন: এখন প্রচুর ইন্ডোর গেমস, বই পাওয়া যায়, যা বাচ্চার কগনিটিভ স্কিল বাড়ায়— যেমন নানা ধরনের অ্যাকটিভিটি বুক, বিল্ডিং ব্লকস, পাজ়লস ইত্যাদি। স্মার্টফোনের বদলে এই ধরনের খেলা বা বই ওর হাতে তুলে দিলে মনোযোগের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। সন্ধেবেলা পড়ার মাঝে একটু বিরতি নিয়ে কিছুটা পাজ়ল সলভ করলে বা বিল্ডিং ব্লকস নিয়ে খেললে কখনও মনোযোগে ঘাটতি পড়বে না আবার পড়াশোনার একঘেয়েমিও কাটবে।

    মিউজ়িকে মন ঠাণ্ডা হয়: ছোট থেকে শিশুকে মিউজ়িক ইনস্ট্রুমেন্টে তালিম দিতে পারেন। বিদেশে অনেক জায়গায় আড়াই বছর বয়স থেকে পিয়ানো শেখানো হয়। অতটা সম্ভব না হলে তবলা, মাউথ অর্গ্যান, সিন্থেসাইজ়ার— যে কোনও একটি বাজনা শেখাতে পারেন। নোট ধরে সুর তোলার মধ্য দিয়ে কনসেনট্রেশন লেভেল অনেকটাই বাড়ে।

    গল্প শোনান: শোওয়ার আগে কিছুটা সময় বাচ্চাকে গল্প বলুন। অভিনয় করে গল্প বললে ওরা আগ্রহী হবে। গল্পের মাঝে ওকে প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে হবে। এতে খুদে শ্রোতাটির ধৈর্য ধরে শোনার প্রবণতাও তৈরি হবে। মনোযোগ বাড়াতে গল্প শোনানোর ভূমিকা বিরাট। সে গল্প শুনছে কি না, তা বুঝতে আপনিও পরে গল্পের মধ্য থেকে প্রশ্ন করে যাচাই করে নিতে পারেন।

    ছোট নির্দেশ: লেখার সময়ে ওকে ছোট ছোট নির্দেশ দিন। প্রথমে তিনটে দিয়ে শুরু— যেমন ছবি আঁকার ক্ষেত্রে ‘পয়েন্টগুলোকে জুড়ে দাও, রং দিয়ে আউটলাইন টানো, ভিতরটা রং করো।’ আস্তে আস্তে নির্দেশের সংখ্যা বাড়াতে থাকুন আর দেখুন ও কতটা মনে রাখতে পারছে। বাড়িতে নির্দেশ মতো ঠিকঠাক কাজ করার অভ্যেস গড়ে তুললে স্কুলেও শিক্ষকদের নির্দেশ মানার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না।

  • CBSE Board Exams: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পরীক্ষা ব্যবস্থায় ফের বড় বদল আনছে CBSE

    CBSE Board Exams: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পরীক্ষা ব্যবস্থায় ফের বড় বদল আনছে CBSE

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বড় বদল আনতে চলেছে পরীক্ষা (CBSE Exam) ব্যবস্থায়। এর প্রভাব পড়বে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির কয়েক লক্ষ পড়ুয়ার উপর।

    করোনা (Covid) মহামারীর আগে সিবিএসই একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই পড়ুয়াদের মূল্যায়ন করত। তবে বিদায়ী শিক্ষাবর্ষে দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা দুটি ভাগে হয়।

    ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সিবিএসই দুটি ভাগে বোর্ড পরীক্ষা (Board Exam) চালু করেছিল সেই মতো গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল টার্ম ১ পরীক্ষা। টার্ম ২ পরীক্ষা ২৬ এপ্রিল থেকে হওয়ার কথা।

    এর আগে কোভিড মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। তারপরই দুই ভাগে বোর্ড পরীক্ষা করানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এদিকে পরীক্ষা বাতিলের জেরে পড়ুয়াদের মূল্যায়ন হয়েছিল অসাইনমেন্ট, প্র্যাক্টিকাল মার্কসের উপর ভিত্তি করে। 

    তবে এবছর কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কোভিড পূর্ববর্তী একটি পরীক্ষার নিয়ম ফেরাতে চলেছে সিবিএসই। আগামী শিক্ষবর্ষ থেকেই ফের একটি বোর্ড পরীক্ষা হতে পারে।

    এই বিষয়ে বোর্ডের এক কর্তার বক্তব্য, সিবিএসই কখনই ঘোষণা করেনি যে দুই ভাগের পরীক্ষা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। এটা এককালীন ফর্মুলা ছিল। এখন যেহেতু স্কুলগুলি পুরোপুরি খুলে গিয়েছে, তাই আমরা ফের পুরোনো পদ্ধতিতে ফিরতে পারি। 

  • India-US Educational Partnership: শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে আমেরিকায় গেল ভারতীয় প্রতিনিধি দল

    India-US Educational Partnership: শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে আমেরিকায় গেল ভারতীয় প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে উৎসাহী দু’দেশের সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্র এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী দু’দেশের কূটনৈতিক মহল। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে আমেরিকায় গেল ভারতীয় প্রতিনিধি দল। ওই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুরেশ প্রভু। হরিয়ানার ঋষিহুড বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর সুরেশ প্রভু জানান, আমেরিকা ও ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের  মধ্যে সেমেস্টার করে পাঠদান, ফ্যাকাল্টি পরিবর্তন, একসঙ্গে গবেষণা, যৌথ ডিগ্রি প্রদান প্রসঙ্গে কথাবার্তা হবে। খতিয়ে দেখা হবে আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষা পদ্ধতি।
    আমেরিকার বোস্টন, নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জলস, সান-ফ্রান্সিসকো-সহ বিভিন্ন প্রদেশে যাবে ওই প্রতিনিধি দল। সেখানে ভারতীয় পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলা হবে। আলোচনা হবে সেখানকার বাণিজ্যিক সংস্থা, শিক্ষাবিদ , গবেষকদের সঙ্গে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে তাঁদের স্বচ্ছ্ব ধারণাও দেবে ওই দল।

  • Darul Uloom Admission: দারুল উলুমে ভর্তি হতে গেলে লাগবে পুলিশের ছাড়পত্র

    Darul Uloom Admission: দারুল উলুমে ভর্তি হতে গেলে লাগবে পুলিশের ছাড়পত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:এই প্রথম দেশের কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে গেলে পুলিশি ছাড়পত্রের প্রয়োজন পড়বে। দেওবন্দের দারুল উলুম সেমিনারিতে ভর্তির জন্য এবার থকে স্থানীয় পুলিশের থেকে ক্যারেক্টর সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। এখানে ভর্তির প্রক্রিয়াও আগের থেকে কঠোর করা হয়েছে বলে জানালেন এখানকার ভাইস চ্যান্সেলর আব্দুল খালেক মাদ্রাসি। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেককেই নানাভাবে বিতর্কিত কাজের জন্য দায়ী করা হয় বলেই প্রতিষ্ঠানের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের তরফে মৌলানা হুসেন আহমেদ হরিদোয়ারি জানান, যে ইনটালিজেন্সের পক্ষে কোনওরকম অভিযোগ জানানো হলে সেই ছাত্রকে ভর্তি নেওয়া হবে না। 

  • China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কোভিড বিধিনিষেধের কারণে চিনে পাঠরত ভারতীয় ছাত্ররা দেশে দু’বছর ধরে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের একাংশকে চিনে ফেরার জন্য অনুমতি দিতে চলেছে সে দেশের সরকার। ভিসা এবং বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার জন্য ভারতীয় পড়ুয়ারা চিনে ফিরতে পারছিলেন না।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ‘‘চিনে যে সব ভারতীয় ছাত্ররা পড়াশুনার জন্য এসেছিলেন। তাঁরা ফিরতে পারছিলেন না। তাঁদের সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় চিন। তাই অন্যান্য দেশের পডুয়াদের সঙ্গে তাঁরাও যাতে ফিরতে পারেন সে বিষয়টিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় ছাত্রদের প্রত্যাবর্তনের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যাঁরা ফিরে আসবেন ভারতকে তার তালিকা দিতে হবে।’’

    তথ্য অনুযায়ী ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় পডুয়া চিনে পড়তে গিয়েছিলেন। এঁদের অধিকাংশ ডাক্তারি পড়ুয়া। ২০১৯ সালে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে  পড়ায় তাঁদের একাংশ দেশে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ায় চিন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করে। ফলে তাঁরা আর চিনে ফিরতে পারেননি। তার পর থেকে তাঁরা চিনে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ফলে শুধু মাত্র অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছিল। অন্যদিকে কিছুদিন আগেই চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইউজিসি। অনলাইন পাঠক্রমের ডিগ্রি ভারতে মান্যতা পাবে না এমন‌ই ঘোষনা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশন। এক‌ই সময় চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে আসে এই প্রসঙ্গ। এমনকি চিনা পর্যটকদের ভিসাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তারপরই শেষমেষ ভারতের চাপে পড়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করল চিন। ফলে পড়াশোনা মাঝপথে ফেলে চিন থেকে যাঁরা ফিরে এসেছিলেন এবার সেই সব ছাত্রদেরই আবার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে চিন।

LinkedIn
Share