Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • UGC NET Controversy: পরীক্ষা বিতর্কে গর্জে উঠলেন শিক্ষামন্ত্রী! ‘কেউ রেহাই পাবে না’, আশ্বাস ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    UGC NET Controversy: পরীক্ষা বিতর্কে গর্জে উঠলেন শিক্ষামন্ত্রী! ‘কেউ রেহাই পাবে না’, আশ্বাস ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নিটে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই দুর্নীতির অভিযোগ এবং ইউজিসি নেট (UGC NET Controversy) বাতিল করার প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানেই জাতীয় টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ-তে যে গলদ রয়েছে, তা মেনে নিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। জানালেন, ‘ভুল’ সংশোধন এবং উন্নত পরিষেবার জন্য উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হবে। 

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য (Dharmendra Pradhan) 

    এ প্রসঙ্গে ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘নিটে দুর্নীতি (UGC NET Controversy) প্রমাণিত হলে দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। নেটের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। কাউকে কোনও অবস্থাতেই রেয়াত করা হবে না। আমি তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। পরীক্ষা পদ্ধতির উপর বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার।’’ এরপর নেট পরীক্ষার এক দিন পর তা বাতিল করে দেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘পরীক্ষার পরের দিন বিকেল ৩টে নাগাদ আমরা জানতে পারি, ডার্ক নেটে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছিল পরীক্ষার আগেই। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয় এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে তা মিলে যায়। এর পরেই আমরা পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেলিগ্রামের মতো অ্যাপগুলির উপর নজরদারি চালানো কঠিন। প্রশ্নফাঁসে সেই ধরনের অ্যাপই ব্যবহৃত হয়েছে। তবে স্বচ্ছতার সঙ্গে আমরা আপস করব না। একথা বলতে পারি, জোরালো প্রমাণ পেলে কোনও অপরাধীই নিষ্কৃতি পাবে না। পড়ুয়াদেরই ভবিষ্যতে আমাদের অগ্রাধিকার।’’ 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (UGC NET Controversy) 

    গত বুধবার নেট পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ সম্প্রতি নিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে বিহার থেকে। সেখানে এক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। জেরায় যিনি স্বীকার করেছেন, পরীক্ষার আগের দিন তিনি প্রশ্ন পেয়ে গিয়েছিলেন। তা মুখস্থ করে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় সিবিআই এর তদন্ত করবে বলে আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। তবে এরপর বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় এফআইআর করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: কালিম্পঙে রাস্তায় ধস, ফুঁসছে তিস্তা

    ইউজিসি-নেট পরীক্ষা বাতিল

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ইউজিসি-নেট (UGC-NET) পরীক্ষা নেয়। প্রায় ৯ লক্ষের উপর পরীক্ষার্থী তাতে অংশ নেয়। কিন্তু নিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষার মাত্র একদিন পরই বুধবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান স্টুডেন্ট মোবিলিটি রিপোর্ট অনুসারে প্রায় ১০.৩ লক্ষ ভারতীয় পড়ুয়া বিদেশে (Studying Abroad) পড়াশোনা করছে। সাম্প্রতিককালে, বিদেশে শিক্ষার সুযোগ খোঁজার ক্ষেত্রে ভারতীয় পড়ুয়াদের পছন্দই কানাডা। কয়েক বছর আগেও ভারতীয়রা বেশিরভাগ আমেরিকায় পড়তে যেতে চাইতেন। কিন্তু সম্প্রতি তার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসি (NFAP) এর তথ্য থেকেই এই চিত্র পরিষ্কার। তবে গত বছরের শেষ থেকে ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারা (Indian Students) আবার অন্য কথা ভাবছে।

    কানাডায় পড়ার আগ্রহ

    এনএফএপি পরিসংখ্যান অনুসারে, গত দুই দশকে (Studying Abroad) কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় পড়ুয়া (Indian Students) ভর্তির হার ৫৮% বেড়েছে, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৪৫%। আমেরিকায় ভিসার সুবিধা, থাকার ভালো বন্দোবস্ত, আধুনিক ব্যবস্থাপনা সব থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় পড়ুয়ারা ক্রমেই কানাডায় পড়তে যেতে চাইছেন। শীর্ষস্থানীয় কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বর্তমানে হাজার হাজার ভারতীয় ছাত্র নথিভুক্ত রয়েছে (কানাডার প্রায় ১৪% শিক্ষার্থী ভারতীয়)। শিক্ষার্থীরা এখানে ডেটা সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল এবং এমবিএ প্রোগ্রাম সহ বেশ কিছু বিষয় অধ্যয়ন করতে আসে। 

    ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন প্রায় তলানিতে। এর প্রভাবে গত বছরের শেষ ভাগ থেকেই কানাডায় পড়তে আসা ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের (Indian Students) সংখ্যা বিপুল ভাবে কমতে শুরু করেছে। খোদ কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বর্তমান সম্পর্কের জেরে এ দেশে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।’’ ২০২২ সাল পর্যন্ত কানাডায় পড়তে আসা বিদেশি পড়ুয়াদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই ছিল সর্বাধিক। এ দেশে অন্তত ৪২ শতাংশ বিদেশি পড়ুয়াই আসতেন ভারত থেকে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের শেষ দিকে প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গিয়েছে সেই সংখ্যা। 

    আরও পড়ুন: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    কানাডার উদ্বেগ

    কানাডায় এই মুহূর্তে ভারতীয় প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আছেন। তিন লাখ ১৯ হাজারের মধ্যে শতকরা প্রায়  ৮৯ শতাংশ উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কানাডায় গিয়েছেন। ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ২০২১-২০২২ সালে সে দেশের শিক্ষা ভান্ডারকে ৪৯০ কোটি ডলার দিয়েছে। এই টাকা ওয়াইপড আউট হয়ে গেলে কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা বড় সংকট দেখা দিতে পারে। তাই, অনেকের অনুমান ভারত-কানাডার সম্পর্ক যাইহোক, শিক্ষা ব্যবস্থায় তার আঁচ পড়বে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে দু’দেশের কূটনৈতিক টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারাও (Indian Students) এখন অন্যত্র পড়তে যাওয়ার কথা ভাবছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, ইউএসএ-র বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Studying Abroad) বেছে নিচ্ছেন ভারতীয় ছাত্ররা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Study Abroad: বিদেশে উচ্চশিক্ষা কে না চায়! বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে পড়ার সুযোগ

    Study Abroad: বিদেশে উচ্চশিক্ষা কে না চায়! বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে পড়ার সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের মধ্যে বিদেশে পড়াশোনা (Study Abroad) করার ধারণা নতুন নয়। প্রতি বছর বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করায় বহু ছাত্রছাত্রী। এই তালিকা দ্রুত বাড়ছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২২ সালে ১৩,২৪,৯৫৪ জন ভারতীয় তাঁদের উচ্চ শিক্ষার জন্য সারা বিশ্বে ৭৯টি দেশে গিয়েছিলেন। অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের (Indian Students) কূটনৈতিক সম্পর্ক মোটের ওপর ভালো হওয়ায় ভারতীয় ছাত্রদের বিদেশে পড়াশোনা করতে অসুবিধা হয় না।

    অভিবাসন নীতি

    বিদেশী শিক্ষার প্রবণতা প্রতিবছর পরিবর্তিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের অভিবাসন নীতিও ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বে ভারতের সুনাম থাকায় এখান থেকে যাওয়া ছাত্রদের (Indian Students) খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয় না। ভারতীয় দূতাবাসগুলিও এক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ায়।

    প্রযুক্তির ব্যবহার

    কোভিড পরবর্তী সময়ে প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণ বিদেশী (Study Abroad) বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সংখ্যাকে ক্রমাগত প্রভাবিত করছে। সবাই এজ-কাটিং প্রযুক্তির সাথে পারদর্শী হতে চায়। তাছাড়া, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) বিদেশে লোভনীয় শিক্ষা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সহজ কথায়, শিক্ষার্থীরা এই প্রযুক্তিগুলির সাথে পরিচিত হতে চাইছে।

    কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি

    বিগত ৪ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য নানা দেশে কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি দেশ কোভিড-১৯ এর কারণে হওয়া ক্ষতির ভারসাম্য বজায় রাখতে বিদেশী ছাত্রদের ভর্তিকে উৎসাহিত করছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশের জিডিপি বাড়ছে। বিদেশী ভূখন্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এখন বিশ্বব্যাপী প্রতিভা এবং সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। সুতরাং, এই ছাত্রদের উত্সাহিত করার জন্য, সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিভিন্ন স্কলারশিপ দিচ্ছে। অনেক দেশ ভারতীয় শিক্ষার্থীদের তাদের দেশে ভর্তির জন্য অনুপ্রাণিত করছে। এ প্রসঙ্গে অনেকে ভারত সরকারের সহযোগিতাও চাইছে।

    আরও পড়ুন: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    বিদেশী ছাত্রদের জন্য ব্রিজ প্রোগ্রাম

    ছাত্ররা (Indian Students) আয়োজক দেশে অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্রিজ কর্মসূচি নিয়ে আসছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষা-সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। এখন শুধু উচ্চবিত্ত নয়, মধ্যবিত্ত তো বটেই, সাধারণ গরিব ঘরের, এমনকি কৃষক পরিবারের সন্তানেরাও উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকা, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড যাচ্ছেন। ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করে, স্কলারশিপ নিয়ে, ব্যাগপত্র গুছিয়ে বিমানে উঠে বসছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Study Abroad) ডরমিটরিতে থাকছেন, ক্লাস করছেন, লেখাপড়ার ফাঁকে যতটুকু কাজের সুযোগ আছে, তা গ্রহণ করছেন। কেউ টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট বা টিএ হিসেবে আগেই মনোনীত হচ্ছেন। সবকিছুই একটা শৃঙ্খলার মধ্যে  চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC New Curriculum: পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ফ্রেমওয়ার্ক ঘোষণা ইউজিসির, জানুন বিশদে

    UGC New Curriculum: পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ফ্রেমওয়ার্ক ঘোষণা ইউজিসির, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-র পথ অনুসরণ করে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ফ্রেমওয়ার্ক ঘোষণা করল ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন (ইউজিসি) (UGC New Curriculum)। দেশের সমস্ত উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রোগ্রাম চালু করতেই এই উদ্যোগ।

    প্রোগ্রাম স্ট্রাকচার (UGC New Curriculum)

    পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম হবে দু’বছরের। দ্বিতীয় বর্ষে করতে হবে রিসার্চ। যাঁরা তিন বছরের গ্র্যাজুয়েশন করবেন তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা। আর চার বছরের গ্র্যজুয়েশন যাঁরা করবেন, তাঁদের জন্য পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন কোর্স এক বছরের। পাঁচ বছরের ইন্টিগ্রেটেড ব্যাচেলার্স কিংবা মাস্টার্স প্রোগ্রামও করা যাবে।

    ফোকাস এরিয়া

    মেশিন লার্নিং (UGC New Curriculum), ‘এআই + এক্সে’র মতো মাল্টি ডিসিপ্লিনারি ফিল্ড এবং হেল্থ কেয়ার, এগ্রিকালচার এবং ল-এর মতো ক্ষেত্রগুলিতে মানতে হবে কোর ডিসিপ্লিন। ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা  কিংবা সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রেও ন্যাশনাল হায়ার এডুকেশন কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক মেনে চলতে হবে।

    কারিকুলাম ফ্লেক্সিবিলিটি

    পড়ুয়ারা তাঁদের পছন্দের বিষয় হিসেবে মেজর, মাইনর এবং অল্টারনেটিভ বিষয় বেছে নিতে পারবেন। পঠনপাঠন করতে পারবেন অনলাইন, অফলাইন এবং হাইব্রিড মোডে।

    কারিকুলার কম্পোনেন্টস

    দু’বছরের প্রোগ্রামে কেবল কোর্সওয়ার্ক এবং রিসার্চ করা যাবে। চাইলে তৃতীয় এবং চতুর্থ সেমেস্টারে দুটোর কম্বিনেশনও করতে পারবেন। যাঁরা এক বছরের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করবেন, তাঁরা কোর্সওয়ার্ক, রিসার্চ এবং দুটোর মিশ্রণও করতে পারবেন।

    এক্সিট পয়েন্ট

    যাঁরা দুবছরের পিজি প্রোগ্রামে ভর্তি হবেন, ফার্স্ট ইয়ারের পর তাঁরা পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের ডিপ্লোমা নিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন। অ্যাকাডেমিক জার্নির ইন্টারমিডিয়েট স্টেজে রিকগনিশন এবং ভ্যালু নিশ্চিত করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, রইল তালিকা

    স্পেশালাইজড প্রোগ্রাম

    বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও প্র্যাকটিক্যাল প্রবলেম সলভিং এবিলিটি বাড়াতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্পেশালাইজেশনের সুবিধাও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যবস্থায় কেউ পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করলে একদিকে যেমন তাঁর দক্ষতা বাড়বে, তেমনি অন্যদিকে তাঁর জ্ঞান বৃদ্ধিও হবে। বিশ্ববাজারে যে জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিশ্চিন্তে রোজগার করতে পারবেন  পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পাশ আউটরা (UGC New Curriculum)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • US Student Visa: রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় পড়ুয়াকে এবছর স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়ার পথে আমেরিকা!

    US Student Visa: রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় পড়ুয়াকে এবছর স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়ার পথে আমেরিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরে মার্কিন কনস্যুলেন্ট রেকর্ড ১ লাখ ৪০ হাজার স্টুডেন্ট ভিসা (US Student Visa) ইস্যু করেছিল ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য। চলতি বছরে এই সংখ্যা আরও ছাপিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই ইউএস মিশন ভারতে অষ্টম বার্ষিকী স্টুডেন্ট ভিসা দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানটি নয়াদিল্লি, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, কলকাতা এবং মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হাজির ছিলেন বিভিন্ন মার্কিন কনস্যুলার এবং স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীরা। সকাল থেকেই রাজধানী দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে ব্যাপক লাইন দেখা যায়। আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় পড়তে যান।

    ভারপ্রাপ্ত কনস্যুলার জেনারেল সৈয়দ মুজতবা আন্দ্রাবি কী জানালেন

    নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত কনস্যুলার জেনারেল সৈয়দ মুজতবা আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, ভারতবর্ষ হল সেই সমস্ত দেশগুলির মধ্যে অন্যতম যেখান থেকে সব থেকে বেশি পড়ুয়া আমেরিকায় পড়তে যায়। গত বছরে এনিয়ে আমরা রেকর্ড (US Student Visa) স্পর্শ করতে পেরেছি, যখন ভারতের এক লাখ চল্লিশ হাজার পড়ুয়া আমেরিকাতে পড়তে যাওয়ার জন্য স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েছেন। এই বছরে এই সংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের স্টুডেন্ট ভিসা ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালের মোট স্টুডেন্ট ভিসাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। সৈয়দ মুজতবা আন্দ্রাবি আরও জানিয়েছেন, আমেরিকাতে সাধারণত জুন মাসে পড়ুয়াদের গ্রীষ্মকালীন সেশন শুরু হয়। তবে চলতি বছরে তা মে মাস থেকেই শুরু করা হবে। এটি অগাস্টের শেষ পর্যন্ত চলবে। জানা গিয়েছে, এমন সিদ্ধান্তের কারণ শুধুমাত্র বেশি সুযোগ দেওয়ার জন্যই। যাতে আরও অধিক সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর সুযোগটা নিতে পারে।

    প্রত্যেক পড়ুয়া ভারতের জন্য একজন রাষ্ট্রদূত 

    ভারতীয় ছাত্রদের প্রশংসা করে আন্দ্রাবি আরও জানিয়েছেন, প্রত্যেক পড়ুয়া ভারতের জন্য একজন রাষ্ট্রদূত। একসঙ্গে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সম্পর্ককে এভাবেই এগিয়ে নিয়ে চলেছে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া (US Student Visa) রয়েছেন, মোট আন্তর্জাতিক ছাত্রদের নিরিখে এই সংখ্যা এক চতুর্থাংশেরও বেশি। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে চার হাজারেরও বেশি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারতীয় পড়ুয়ারা পাঠ নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JEE 2024 Toppers: জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সাফল্যের চাবিকাঠি কী? জানাল এছরের দুই কৃতি ছাত্র

    JEE 2024 Toppers: জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সাফল্যের চাবিকাঠি কী? জানাল এছরের দুই কৃতি ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কঠোর অধ্যয়ন এবং শিক্ষকদের পরামর্শ অনুসরণ’-এই নীতি মেনে চললে সাফল্য নিশ্চিত, জানালেন এবছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার কৃতি ছাত্র বেদ লাহোতি। গত ৯ জুন জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (JEE) অ্যাডভান্সড ২০২৪-এর ফলাফল ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (IIT) মাদ্রাজ। আর সেই পরীক্ষাতেই শীর্ষস্থান অধিকার (JEE 2024 Toppers) করেছেন আইআইটি দিল্লির বেদ লাহোতি। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৩৫৫। আর তারপরেই দ্বিতীয় স্থানাধিকারী আদিত্য। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৩৪৬।  
    এবছর ২৬ মে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৭,৯৬৪ জন মহিলা প্রার্থী সহ মোট ৪৮,২৪৮ জন পরীক্ষার্থী সফলভাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। অর্থাৎ ৪৮,২৪৮ জন পরীক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে সফলতার শিখরে (JEE 2024 Toppers) পৌঁছেছেন বেদ ও আদিত্য। জানা গিয়েছে, ১৮০,২০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে যাঁরা পেপার ১ এবং পেপার ২ উভয়ের জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে বেদ প্রথম স্থানাধিকারী।    

    সফলতা নিয়ে বেদের মন্তব্য (JEE 2024 Toppers) 

    পরীক্ষায় সফলতার পর তাঁর কৃতিত্ব নিয়ে বেদ লাহোতি জানিয়েছিলেন, প্রথম প্রচেষ্টাতেই শীর্ষস্থান অর্জন করার খবরে বিস্মিত হয়েছিলেন তিনি।  তিনি বলেন, “আমি ভাল ফলাফল, ভাল নম্বরের আশা করছিলাম, কিন্তু অল ইন্ডিয়ায় ১ নম্বর র‍্যাঙ্ক আশা করিনি।” 

    আরও পড়ুন: পুজোয় বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান রয়েছে? এখনও টিকিট কাটা না হলে জেনে নিন রেলের এই নতুন উদ্যোগ

    পরীক্ষা প্রস্তুতির কৌশল ভাগ করে নিল শীর্ষ স্থানাধিকারীরা 

    এ প্রসঙ্গে (JEE Preparation Strategies) বেদ বলেন, ” আমার জেইই প্রস্তুতির জন্য, আমি ২ বছর আগে কোটায় এসেছিলাম। এখানে আমি আমার শিক্ষকদের নির্দেশনায় এবং মা বাবার বিপুল সমর্থনে প্রস্তুতি শুরু করি। শিক্ষকরা আমাকে যা কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন আমি সেটাই করেছিলাম। তাই আজ আমি এখানে পৌঁছেছি।” অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানাধিকারী আদিত্য জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রতি তাঁর ভালোলাগা ছিল। পদার্থবিদ্যায় তাঁর অনুরাগ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং মডেল প্রস্তুতির প্রতি আকর্ষণ তাঁকে যথেষ্ট প্রেরণা জুগিয়েছে। আদিত্য জানান, তাঁর দিদির থেকে সে প্রভাবিত হয়েছিল। কারণ, তাঁর দিদি বর্তমানে আইআইটি দিল্লিতে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় বিটেক করছেন। তাই তাঁর থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে আদিত্যরও স্বপ্ন ছিল আইআইটি থেকে ডিগ্রি নেওয়ার।  তাই সকল পরীক্ষার্থীরা শুধু মন দিয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে একাগ্র চিত্তে পড়াশোনা করে যাও। সফলতা ঠিকই আসবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBSE: ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বর নিয়ে দু’নম্বরি করেছে স্কুলগুলি! বড় দাবি সিবিএসই-র

    CBSE: ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বর নিয়ে দু’নম্বরি করেছে স্কুলগুলি! বড় দাবি সিবিএসই-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার নম্বর নিয়েই দু’নম্বরি করার অভিযোগ উঠল সিবিএসই-র (CBSE) পরীক্ষায়। দিল্লির এই বোর্ডের কর্মকর্তাদের ধারণা দশম-দ্বাদশে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বরে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং এই কারচুপির পিছনে রয়েছে স্কুলগুলি। সিবিএসই-র কর্তাদের মতে স্কুলগুলি পরীক্ষার্থীদের খাতায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই কাজে লাগিয়ে দেখা গিয়েছে প্র্যাকটিক্যাল এবং থিওরির পেপারের নম্বরের মধ্যে ব্যাপক অমিল রয়েছ।

    ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়র অভিযোগ

    সিবিএসই (CBSE) সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত পড়ুয়ারা স্কুলের হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে ভালো নম্বর পেয়েছে তাঁরাই আবার বোর্ডের থিওরি পরীক্ষায় খারাপ ফল করেছে। ভালো ছাত্র-ছাত্রী বা যুক্তি-তর্কের জায়গায় এই তারতম্য হওয়ার কথা নয়। এখানেই প্রশ্ন উঠছে স্কুলের হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের স্বচ্ছতা নিয়ে। এক্ষেত্রে স্কুলে হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট এর স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু গাইডলাইন পাঠানো হচ্ছে স্কুলগুলিকে। যাতে আগামীতে এই ধরণের গরমিল না করা হয়। সিবিএসই মনে করছে সারা দেশের ৫০০-র বেশি স্কুল ৫০ শতাংশর বেশি ছাত্রছাত্রীকে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে বেশি নম্বর পাইয়ে দিয়েছে স্কুল। বোর্ডের পড়ুয়াদের মোট নম্বরের একটা বড় অংশ স্কুলের হাতে থাকে। সেখানে প্রাকটিক্যাল ও প্রজেক্টের মাধ্যমে স্কুল নিজেদের ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যায়ন করে থাকে। সেই মূল্যায়নের নম্বর বোর্ডের কাছে পরবর্তীকালে জমা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত নম্বর দেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের।

    আরও পড়ুন: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    এক্ষেত্রে কলকাতার নামকরা সিবিএসই স্কুল ভারতী বিদ্যাভবনের প্রিন্সিপাল অরুণ দাশগুপ্ত বলেন, “যদি সত্যিই গরমিল হয়ে থাকে তাহলে পড়ুয়ারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরবর্তী ক্লাসে ভর্তির ক্ষেত্রে অসুবিধার পাশাপাশি পরবর্তী ক্লাসে তাঁদের পড়া বুঝতে অসুবিধা হতে পারে। কেউ যদি মনে করে স্কুলগুলি এই গরমিল করেছে তাহলে সেই স্কুলগুলোর নাম প্রকাশে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    কী ব্যবস্থা নিল সিবিএসই (CBSE)

    এক্ষেত্রে সিবিএসই স্কুলগুলির নাম প্রকাশ্যে না আনলেও অ্যাডভাইজরি জারি করেছে। যাতে আগামী দিনে এই ধরনের গরমিল ঠেকানো যায়। এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে মানোন্নয়নের জন্য বোর্ডের তরফে একটা ক্লাসে সর্বোচ্চ কতজন ছাত্র ভর্তি নেওয়া যাবে তাও জানানো হয়েছে। ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষকের অনুপাত কী হবে সেসব বিষয়ে গাইডলাইন দিয়েছে (CBSE) বোর্ড। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মার্কস বাড়িয়ে দেওয়ার রোগ শুধুমাত্র সিবিএসইতে রয়েছে এমনটা নয়। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ শিক্ষা সংসদেও এই অভিযোগ উঠেছে এর আগেও। ২০২১ সালে করোনা কালে মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। সেবার স্কুলকে এই নম্বর দিতে বলা হয়েছিল। তখন দেখা যায় ২৫০ জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিকে ফুল মার্কস পেয়েছিল। পরে বোর্ডে সন্দেহ হওয়ায় মার্কস ট্যাবুলেশন শিট চেয়ে পাঠানো হয়। পরে সেই সংখ্যা ২৫০ থেকে ৭৯তে নেমে আসে। এমনকী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত কলেজের প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার যে নম্বর কলেজের হাতে থাকে, সেখানেও দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়। অনেক সময় এক্ষেত্রে নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের অভিযোগও ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    UGC: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির (Biannual Admission In Universities) সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা, জানিয়েছে ইউজিসি (UGC)। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে জুলাই-আগস্ট এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এই দুইবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশিকা দিয়েছে। তবে এই নির্দেশিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

    নয়া সিদ্ধান্তে কারা উপকৃত হবেন?

    এক একটি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও ফল প্রকাশের সময় আলাদা। ফলে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যারা যাবেন তাঁরা এর ফলে উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশের দেরি হলে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া সুযোগ হাতছাড়া হবে না। অনেক ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের পছন্দসই বিশ্ববিদ্যালয় ফল প্রকাশের বিলম্বের জেরে ভর্তির ক্ষেত্রে এক বছর অপেক্ষা করতে হত। এবারে সেসব দিন অতীত।ইউজিসির (UGC) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত কারণে জুলাই-আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে পারেননি, তাঁরাও ছয়মাসের ব্যবধানে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি (Biannual Admission In Universities) শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ পাবেন। ফলে বছরে দুবার ভর্তির প্রক্রিয়া হলে কোনও পড়ুয়ারই গোটা বছর নষ্ট হবে না। বছরে দুবারে ক্যাম্পাসে নিয়োগের পরীক্ষাও চালানো হবে। সেই মত  ক্লাসরুম, গবেষণাগার পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষকের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে।

    নয়া সিদ্ধান্ত কবে থেকে কার্যকর হবে? (Biannual Admission In Universities)

    প্রসঙ্গত পৃথিবীর বহু দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বছরের দুবার ভর্তির প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। ভারতে এরকম চালু হলে আখেরে দেশের পড়ুয়াদের সুবিধে হবে (UGC)। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সংযোগ বৃদ্ধি হবে। দুই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরস্পরের মধ্যে পড়ুয়া বিনিময় করতে পারবে সহজে। গোটা বছর নষ্ট হবে না। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন তাঁরা। তবে এখনও সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু পরিকাঠামোতে বদল আনতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কারণ দ্বিবার্ষিক ভর্তি প্রক্রিয়া (Biannual Admission In Universities)  চালু করলেই হবে না, সেই মতো পরিকাঠামো রাখতে হবে। প্রশাসনিক বিষয়টিও দেখতে হবে।

    আরও পড়ুন: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির যা সম্পদ রয়েছে তার ব্যবহারের পাশাপাশি পরিকাঠামোতে বৃদ্ধি আনার পরিকল্পনারও প্রয়োজন রয়েছে। যারা ভিন্ন সময়ে ভর্তি হবেন তাদের পড়াশোনার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে। শিক্ষাকর্মী, শিক্ষক, ক্লাসরুম এবং রুটিন প্রস্তুত করতে হবে। কিছু রাজ্যে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক গোটা প্রক্রিয়ায় বাধা হতে পারে। আরও জানা গিয়েছে, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এই বছরে দুবার (Biannual Admission In Universities) করে আগাম ভর্তি করাতে বাধ্য নয়। এ ব্যবস্থা চালু হলে নিয়মে প্রয়োজনীয় বদল করা হবে (UGC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 18th Lok Sabha: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সদস্যই স্নাতক

    18th Lok Sabha: নেই কোনও নিরক্ষর সাংসদ! ১৮তম লোকসভায় ৮০ শতাংশ সদস্যই স্নাতক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গঠিত হল দেশের নতুন সরকার। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় উন্নয়ন জোট এনডিএ-এর ২৯৩ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। বিভিন্ন এক্সিট পোল যা পূর্বাভাস দিয়েছিল তার চেয়ে ভাল পারফরম্যান্স করেছে। বিরোধী জোটের ২৩২ জন সাংসদ ১৮তম লোকসভার (18th Lok Sabha) অংশ হতে চলেছেন। তবে লোকসভায় নির্বাচিত এই নতুন সাংসদদের শিক্ষাগত মান (MPs Educational Qualification) কত? জানা গিয়েছে নবনির্বাচিত ১৮তম লোকসভায় কোনও নিরক্ষর সাংসদ তো নেই-ই, উপরন্তু প্রায় ৮০ শতাংশ সাংসদের শিক্ষাগত মান স্নাতক এবং কেউ কেউ স্নাতকোত্তর।  

    নতুন লোকসভায় শিক্ষাগত যোগ্যের তালিকা 

    নব-নির্বাচিত ৫৪৩ জন সাংসদের মধ্যে সিংহভাগই উচ্চ-শিক্ষিত। নির্বাচিত সাংসদদের শিক্ষাগত বিভিন্ন ডিগ্রি রয়েছে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৯ শতাংশ প্রার্থীর  শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর মধ্যে। বাকি সকলেই উচ্চশিক্ষিত। ১৮তম লোকসভার (18th Lok Sabha) ৫ শতাংশ সাংসদের ডক্টরেট ডিগ্রি রয়েছে, যার মধ্যে তিনজন মহিলা সাংসদ রয়েছে। 

    শিক্ষাগত যোগ্যতার দল-ভিত্তিক বিশ্লেষণ 

    লোকসভায় নবনির্বাচিত (18th Lok Sabha) সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ২৪০ জন সাংসদের মধ্যে ৬৪ জন স্নাতক এবং ৪৯ জন স্নাতকোত্তর। কংগ্রেসের  ৯৯ জন সাংসদের মধ্যে ২৪ জন স্নাতক ও ২৭ জন স্নাতকোত্তর। এছাড়াও ২১ জন সাংসদের স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে। অন্যদিকে ১০৫ জন সাংসদ সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা (MPs Educational Qualification) পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। তবে এটাও উল্লেখ করা দরকার যে, পুরনো দলের কোনো সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি পাশের নিচে নেই। এই গোষ্ঠীতে বিভিন্ন দলের সদস্যও রয়েছে যেমন সমাজবাদী পার্টির (SP) ৬জন সাংসদ সহ আরও অনেকে।  

    আরও পড়ুন: জমকালো অনুষ্ঠানে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, মন্ত্রিসভায় কারা?

    এছাড়াও উচ্চ শিক্ষার জন্য, ১৪৭ জন সাংসদ স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং আরও ১৪৭ জনের স্নাতকোত্তর যোগ্যতা রয়েছে। উপরন্তু, স্নাতক এবং ডিপ্লোমা যোগ্যতা সহ ৯৮ জন সাংসদ রয়েছেন। ফলে এই গোটা বিষয়টি সংসদের মধ্যে শিক্ষাগত (MPs Educational Qualification) বৈচিত্র্যকে আরও জোরদার করেছে। নতুন লোকসভায় কলেজে পড়া সাংসদের সংখ্যাও বেড়েছে। সর্বোপরি লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বর্তমানে লোকসভায় ধীরে ধীরে নিরক্ষর সাংসদের তালিকা কমছে। স্নাতক নন এমন সাংসদের তালিকা ১৭ তম লোকসভার ২৭ শতাংশ থেকে ১৮তম লোকসভায় (18th Lok Sabha) ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। এই লোকসভার ৭৮ শতাংশ সাংসদ কমপক্ষে স্নাতক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।  নবনির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এই অনুপাত একই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Exam 2024: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    NEET Exam 2024: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যালে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা নিট-এ (NEET Exam 2024) দেশের সেরাদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের তিনজন। এরমধ্যে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের রূপায়ণ মণ্ডল এবং শিলিগুড়ির সক্ষম আগরওয়াল। এছাড়া কলকাতার একজন রয়েছেন। তিনজনই ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৭২০ নম্বর পেয়েছেন। দেশের মধ্যে সেরা হওয়ায় পরিবারে খুশির হাওয়া।

    ভালো সার্জেন হতে চান রূপায়ন (NEET Exam 2024)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রূপায়ণের বাড়ি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। তিনি মাধ্যমিকে ৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। উচ্চমাধ্যমিকে ৯৫ শতাংশ নম্বর পান। তিনি লালবাগ নবাব বাহাদুর ইনস্টিটিউশনের ছাত্র। যদিও মাধ্যমিকে ডন বস্কো স্কুল থেকে পড়াশুনা করেছেন। বাবা জ্যোতিকান্ত মণ্ডল পেশায় স্কুল শিক্ষক। তিনি ছোট থেকেই ছেলেকে পড়াতেন। পড়াশুনার পাশাপাশি গল্পের বই পড়তে তিনি ভালোবাসেন। মা রুবি বিশ্বাসও পেশায় শিক্ষিকা। তিনি বলেন, পড়াশোনা চালানোর পাশাপাশিই ‘নিট’-এর (NEET Exam 2024) প্রস্তুতির জন্য একটি কোচিংয়েও যোগ দেয়। সেখানে নিয়মিত মক টেস্ট সে দিত। পড়াশুনার পাশাপাশি এই প্রস্তুতি চালানো বেশ কঠিন ছিল। ছেলের এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। ও একজন ভালো সার্জেন হতে চায়।

    সফলতা নিয়ে কী বার্তা দিলেন সক্ষম?

    শিলিগুড়ির সক্ষম আগরওয়ালের পড়াশোনায় প্রিয় বিষয় পদার্থবিদ্যা হলেও পেশায় এক জন সফল চিকিৎসক হতে চান সক্ষম। ‘নিট’-এ বহরমপুরের রূপায়নের মতো ৭২০ পেয়ে দেশের সেরা হয়েছেন তিনি। শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার একটি উপনগরীর বাসিন্দা। সক্ষমের বাবা চেতন আগরওয়াল পেশায় চিকিৎসক। অ্যানাস্থেসিস্ট হিসাবে তিনি একটি নার্সিংহোমে কাজ করছেন। সক্ষমের মা মায়া কুমারী গৃহবধূ। বিহারের মধুরপুরায় জন্ম সক্ষমের। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় শিলিগুড়িতে চলে আসা। এখানে দাগাপুরে সিবিএসসি বোর্ডের একটি স্কুলে পড়াশোনা। একাদশ শ্রেণিতে নির্মাণ বিদ্যাজ্যোতি স্কুলে ভর্তি হন সক্ষম। স্কুলে পড়াশোনা চালানোর পাশাপাশিই ‘নিট’-এর (NEET Exam 2024) প্রস্তুতির জন্য একটি কোচিংয়েও যোগ দেন তিনি। স্কুলের সঙ্গে দুই বছর কোচিংয়ের পড়ার তাল মেলানো কঠিন ছিল। সক্ষমের কথায়, “নতুন চ্যাপ্টার পড়ার সঙ্গে কিন্তু পুরনো পড়াগুলো নিয়মিত ঝালিয়ে নিতে হবে। না হলে ভুলে গেলে পরিশ্রম মাটি হবে। তাই নিয়মানুবর্তিতা খুবই জরুরি।” খুব কঠিন হলে বাড়িতে ছয়-সাত ঘণ্টা পড়ার জন্য রাখতেন সক্ষম।

    দিল্লির এইমস-এ সক্ষম পড়তে চান

    প্রস্তুতির সময় গল্পের বইপড়া বা সিনেমা দেখে সময় নষ্ট করতে রাজি নন সক্ষম। তাই সমাজমাধ্যম থেকেও নিজেকে সংযত করে রাখতেন। পড়ার ফাঁকে কখনও ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন বা টেবল টেনিস খেলতে ভালবাসেন তিনি। সক্ষমের সাফল্যে খুশি বাবা চেতন আগরওয়াল। তিনি বলেন, “চিকিৎসক হিসাবে একদিন মানুষের উপকার করবে সেটাই আশা করি।” দিল্লির এমস-এ সক্ষম পড়তে চান। এখন সেই প্রস্তুতি চলছে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share