Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • WBJEE Result 2024: প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্টের ফল, মেধাতালিকায় জায়গা পেলেন কারা?

    WBJEE Result 2024: প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্টের ফল, মেধাতালিকায় জায়গা পেলেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স (WBJEE Result 2024) পরীক্ষার ফল। ৬ জুন, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটেয় একটি সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করা হল। এদিন ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্‌জামিনেশন বোর্ড (ডব্লিউবিজেইইবি)-এর সভাপতি মলয়েন্দু সাহা ঘোষণা করলেন প্রথম দশ জন পরীক্ষার্থীর নাম। 

    কীভাবে পাবেন রেজাল্ট

    আজ বিকেল ৪টার পর থেকেই পরীক্ষার্থীরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই ফলাফল দেখতে পাবেন। এদিন বিকেল থেকেই পরীক্ষার্থীরা www.wbjeeb.nic.in এবং www.wbjeeb.in ওয়েবসাইট থেকে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের র‍্যাঙ্ককার্ড বা স্কোরকার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এই স্কোরকার্ডে পরীক্ষার্থীদের ছবি, হল টিকিট নম্বর, অ্যাপ্লিকেশন নম্বর, প্রাপ্ত নম্বর ইত্যাদি সব তথ্য উল্লেখ থাকবে। এই নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকাও তৈরি হয়েছে। 

    প্রথম দশে কারা

    জয়েন্টের মেধাতালিকায় প্রথম দশজনের মধ্যে রয়েছে সিবিএসই বোর্ডের ৪ জন পরীক্ষার্থী। আবার পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদের অধীনে পাশ করেছেন ৪ জন পরীক্ষার্থী এবং বাকি দুজন আইএসসি বোর্ডের ছাত্র-ছাত্রী। রাজ্য জয়েন্টে প্রথম হয়েছেন বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কিংশুক পাত্র। দ্বিতীয় হয়েছেন কল্যাণীর শুভ্রদীপ পাল। তৃতীয় হয়েছেন কৃষ্ণগরের বিবস্বন বিশ্বাস। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস, জয়েন্টে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন।

    আরও পড়ুন: সুনীলের শেষ ম্যাচে ইতিহাসের দোড়গোড়ায় ভারত! কখন ও কোথায় দেখবেন কুয়েতের সঙ্গে লড়াই

    কত জন পরীক্ষার্থী

    এ বারের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ১,১২,৯৬৩ জন, ২০২৩-এ পাশ করেছিলেন ৯৬,৯১৩ জন। চলতি বছরের পরীক্ষায় পাশের হার বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৯৯.৫৩ শতাংশ, ২০২৩-এর পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৯.৩৭ শতাংশ। ২০২৪ সালে পরীক্ষা দিয়েছেন ১,১৩,৪৯২ জন (৮০ শতাংশ)। পুরুষ ৭৯,০২৫ জন। মহিলা ৩৪,৪৬৭ জন। এবার পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আন্দামান, দমন ও দিউ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের পড়ুয়ারাও পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CBSE 12th Result 2024: এগিয়ে মেয়েরা, প্রকাশিত সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষার ফলাফল

    CBSE 12th Result 2024: এগিয়ে মেয়েরা, প্রকাশিত সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষার ফলাফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল চলতি বছরের সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE 12th Result 2024) দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফল। পাশের হারে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা। এ বছর পাশের হার ৮৭.৯৮ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮৭.৩৩ শতাংশ । ছেলেদের পাশের হার ৮৫.১২ শতাংশ এবং মেয়েদের পাশের হার ৯১.৫২ শতাংশ। ট্রান্সজেন্ডারদের পাশের হার ৫০ শতাংশ।

    অঞ্চলভিত্তিক পাশের হার

    এ বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষা (CBSE 12th Result 2024)। যা শেষ হয় ২ এপ্রিল। সিবিএসইয়ের দ্বাদশ শ্রেণির জন্য ২০২৪ সালে মোট ১৬,৩৩,৭৩০ জন নাম নথিভুক্ত করেছিলেন।  এ বছর মোট ১৬২১২২৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১৪২৬৪২০ জন। পাশের হারের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছে তিরুবনন্তপুরম। তারপর আছে যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়া (৯৯.০৪ শতাংশ), তামিলনাড়ুর চেন্নাই (৯৮.৪৭ শতাংশ) এবং কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু (৯৬.৯৫ শতাংশ)।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করি’’, চতুর্থ দফায় ভোট দানের আর্জি প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কী ভাবে দেখবেন ফল:

    পরীক্ষার্থীদের প্রথমে সিবিএসই-র ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in বা results.cbse.nic.in-এ যেতে হবে। এর পর ‘হোমপেজ’ থেকে রেজাল্ট লেখা লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। সেখানে নিজেদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি লিখে ক্লিক করলে রেজ়াল্ট দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এর পর সেটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিয়ে রাখতে হবে তাঁদের। এ ছাড়াও ফল দেখা যাবে ডিজিলকার অ্যাপের মাধ্যমেও। বেশ কয়েক দিন ধরেই সিবিএসই-র ফলাফল কবে বেরোবে তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। এই আবহে সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে একটি ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি। বিষয়টি চোখে পড়ার পর এই নিয়ে সাবধান করেছিল সিবিএসই। অবশেষে প্রকাশিত হল দ্বাদশের ফল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • NCERT: ভারতের সুমেরু-কুমেরু-হিমালয় অভিযানের অগ্রগতি এবার স্থান পাবে এনসিইআরটির বইয়ে

    NCERT: ভারতের সুমেরু-কুমেরু-হিমালয় অভিযানের অগ্রগতি এবার স্থান পাবে এনসিইআরটির বইয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্কটিক, আন্টার্টিকা এবং হিমালয় নিয়ে  ভারতের গবেষণার অগ্রগতি স্থান পেতে চলেছে স্কুল পাঠ্য বইগুলিতে। এমনটাই জানা গিয়েছে এনসিইআরটি-র (NCERT) তরফ থেকে। সূত্রের খবর কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্র এ বিষয়ে এনসিইআরটিকে সুপারিশ করেছে।

    কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব এম রবিচন্দ্রন কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব এম রবিচন্দ্রন এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘এনসিআরটি (NCERT) স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে এই ক্ষেত্রগুলির গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য একটি কমিটিও ইতিমধ্যে গঠন করা হয়েছে। ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিবের আরও সংযোজন, ‘‘আমরা এনসিইআরটিকে একটি চিঠি লিখেছি। সম্প্রতি আন্টার্টিকা অভিযান, হিমালয় ও জলবায়ু পরিবর্তন সহ আরও বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা ইতিমধ্যে কাজও শুরু করেছে।’’

    ২০২৬ সালের মধ্যেই এই বিষয়গুলি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে

    জানা গিয়েছে এনসিইআরটির (NCERT) পাঠ্য পুস্তকে ইতিমধ্যে আন্টার্টিকা অভিযানের বেশ কিছু বিষয় রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেনীতে তা পড়ানো হয়। তবে সেগুলির সর্বশেষ সংস্করণ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। তাই আন্টার্টিকা এবং হিমালয় অঞ্চলে ভারতের গবেষণার সর্বশেষ আপডেট খুব শীঘ্রই এনসিইআরটির স্কুল পাঠ্য বইগুলিতে দেখা যাবে। প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর পরবর্তীকালে এনসিইআরটির (NCERT) পাঠ্য পুস্তক থেকে জলবায়ু পরিবর্তন, বর্ষা, গ্রিনহাউস প্রভাবের মত অনেক বিষয়েই বাদ দেওয়া হয়েছে। এনসিইআরটির সূত্রে জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যেই এই বিষয়গুলি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। জানা গিয়েছে, চলতি মে মাসের কুড়ি থেকে ত্রিশ তারিখ কোচিতে আন্টার্টিকা অভিযান নিয়ে একটি আলোচনা হবে।

    ১৯৮৩ সালে স্থাপিত হয় দক্ষিণ গঙ্গোত্রী

    প্রসঙ্গত, দক্ষিণ মেরুতে ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্রের নাম ছিল দক্ষিণ গঙ্গোত্রী, ১৯৮৩ সালে যা স্থাপিত হয়। পরে এটি বরফে ডুবে যায় এবং পরিত্যক্ত হয়ে ওঠে। এই মুহূর্তে ভারতের দুটি সক্রিয় গবেষণাগার রয়েছে। একটি মৈত্রী, অপরটি হল ভারতী। জানা গিয়েছে, বিগত কয়েক বছর ধরে বহু ভারতীয় ছাত্র দক্ষিণ মেরু গবেষণায় নিজেদেরকে যুক্ত করেছেন। কিন্তু স্কুলস্তরের সব ছাত্রদের ছাত্ররা দক্ষিণ মেরুতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তার একটাই কারণ, তা হল প্রচুর খরচ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ancient Universities of India: নালন্দা থেকে তক্ষশীলা! প্রাচীন ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

    Ancient Universities of India: নালন্দা থেকে তক্ষশীলা! প্রাচীন ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারত ছিল শিক্ষার পীঠস্থান (Ancient Universities of India)। অতীত ভারতের বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছিল যা নিয়ে আজও আমরা গর্ব অনুভব করি। পঠনপাঠন শিক্ষাদানের কৌশল- এ সমস্ত কিছুতে প্রাচীন ভারত অনেকটাই এগিয়েছিল। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় এবং নালন্দা ভারতের এই দুই প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় আজও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সারিতে স্থান পেয়েছে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও ভারতে আসতেন পড়ুয়ারা। দর্শন, গণিত, চিকিৎসাবিদ্যা, কলা বিদ্যা, প্রভৃতি বিষয়ে পাঠদান চলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। আজকে আমরা ভারতবর্ষের এমনই কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আলোচনা করব।

    নালন্দা ও তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়

    – জানা যায়, ভারতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India) ৪২৭ থেকে ১১৯৭ সাল পর্যন্ত ভারতের উচ্চ শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম শতাব্দীতে স্থাপিত হয়েছিল। অবস্থান ছিল বর্তমান দক্ষিণ নেপাল সীমান্তের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারতে।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৌদ্ধ বিষয়গুলিতে পাঠদান করা হতো। এর পাশাপাশি চিকিৎসাশাস্ত্র, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, রাজনীতি, যুদ্ধবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়ে সেখানে পাঠদান চলত বলে জানা যায়।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ৮ টি বড় বড় প্রাঙ্গণ ছিল। দশটি মন্দির ছিল। ধ্যান ঘর ছিল, আলাদা আলাদা বিষয়ে পাঠদানের জন্য শ্রেণীকক্ষ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই ছিল হ্রদ। সময় কাটানোর জন্য পার্কও ছিল। একটি নয় তলা লাইব্রেরী ছিল, যেখানে সন্ন্যাসীরা হাতে লিখে বিভিন্ন বইকে অনুবাদ করতেন।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসও ছিল। সেখানে ১০,০০০ এরও বেশি ছাত্রদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। জানা যায়, অধ্যাপকদের থাকার জন্য সেখানে আবাসন গড়ে উঠেছিল এবং এগুলিতে দুই হাজারেরও বেশি অধ্যাপক থাকতেন।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরিয়া, জাপান, চিন, তিব্বত, ইন্দোনেশিয়া, তৎকালীন পারস্য বা বর্তমান দিনের ইরান, তুরস্ক সহ অন্যান্য দেশ থেকে পন্ডিত ও ছাত্ররা আসতেন বলে জানা যায়।

    – বর্তমান দিনে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India) হদিশ মেলে রাজগীর থেকে ঠিক আধাঘন্টা বাসযাত্রার করলেই। এখানে পাওয়া যায় বৌদ্ধ ধর্মের সারিপুত্রের স্তূপ। এগুলোতেই সন্ন্যাসীরা থাকতেন এবং পড়াশোনা করতেন বলে জানা যায়।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। চিন থেকে এসেছিলেন হিউয়েন সাং। অন্যান্য বিদেশী পর্যটকরাও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করতেন।

    – ৭০০ বছর ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয় ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করেছিল। কিন্তু দ্বাদশ শতকে ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খিলজি, এই বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ করে। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীকেও তিনি জ্বালিয়ে দেন। তখনই ধ্বংস হয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়।

    – উনিশ শতকের শেষের দিক থেকে খননকার্য শুরু হয় এবং সেখান থেকেই বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণটি বর্তমানে সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে একটি ছোট জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

     তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষের অন্যতম একটি প্রাচীন শিক্ষা কেন্দ্র। জানা যায় খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে ওঠে।

    – পঞ্চম শতাব্দীর কাছাকাছি সময়ে সে সময় জাতকের গল্পে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে জড়িয়ে রয়েছে চাণক্যের নাম, যিনি বিখ্যাত অর্থশাস্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বহু শতাব্দী ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল ভারত সহ বিশ্বে।

    – জানা যায়, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদ কলা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়, আইন শাস্ত্র, চিকিৎসা, সামরিক বিজ্ঞান- এ সমস্ত কিছুতেই শিক্ষা প্রদান করা হত।

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়া যায় তিনটি আলাদা আলাদা শহরে।

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেখানে অবস্থিত ছিল তার আশেপাশে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার ও স্তুপ।

    – জানা যায়, রাজা তক্ষ বা তক্ষকের নামানুসারেই শহরের নাম হয় তক্ষশীলা এবং সেখান থেকেই তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়।

    – হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীদের কাছে তক্ষশীলার ব্যাপক ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষত, বৌদ্ধ ধর্মের মহাজান সম্প্রদায়ের বিকাশে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল বলে মনে করা হয়।

    – চাণক্য, সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং চরকের মতো খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বরা তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    ভারতের অন্যান্য প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়

    ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India)

    – দেশের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, বিহারে অবস্থিত ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়। পাল রাজবংশের রাজা প্রথম গোপালের সময় এটি নির্মিত হয়েছিল বলে জানা যায়।

    – ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ মহাবিহার হিসেবে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার কেন্দ্র ছিল এবং তা মঠ হিসেবেও কাজ করতো
    – কিন্তু পরবর্তীকালে মুসলিম আক্রমণে ওদন্তপুরীদের সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয় এই আক্রমণ করেন

    বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়

    – জানা যায়, বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান বিহারের ভাগলপুর জেলায় অবস্থিত। পাল বংশের রাজা ধর্মপাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন করেছিলেন।

    – জানা যায়, বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের জন্য শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার হয়েছিল।

    – বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় চলত বৌদ্ধ ধর্মের বজ্রযান মত অনুসারে।

    – বৌদ্ধ ধর্মের বিভিন্ন বিষয় অধ্যয়নের পাশাপাশি এখানে যুক্তিবিদ্যা, বেদ, জ্যোতির্বিদ্যা, নগর পরিকল্পনা, আইন, ব্যাকরণ দর্শন সমেত অন্যান্য বিষয়ে পাঠদান চলতো।
     
    জগদ্দল বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India)

    – বাংলায় অবস্থিত ছিল জগদ্দল বিশ্ববিদ্যালয়। জানা যায়, বৌদ্ধ ধর্মের বজ্রযান সম্প্রদায়ের মত অনুসারে এই বিশ্ববিদ্যালয় পাঠদান চলত।

    – নালন্দা ও বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় মুসলিম আক্রমণে ধ্বংস হওয়ার পরে অসংখ্য পণ্ডিত জগদ্দল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসেন বলে জানা যায়।

    – রাজবংশের রাজা রামপাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

    ভালভী  বিশ্ববিদ্যালয়

    – গুজরাটের সৌরাষ্ট্রে অবস্থিত হল ভালভী বিশ্ববিদ্যালয়। বৌদ্ধ ধর্মের হীনযান মত অনুসারে এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হত।

    – প্রশাসন, শিল্প, আইন, দর্শন প্রভৃতি বিষয়ক পাঠদান করানো হত এখানে।

    – চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

    কাঞ্চীপুরম বিশ্ববিদ্যালয়

    – প্রথম শতাব্দীতে নির্মিত কাঞ্চীপুরম বিশ্ববিদ্যালয় হিন্দু ধর্ম, জৈন ধর্ম এবং বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    – জানা যায়, পল্লব রাজবংশের আমলে এই বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।

    মানখেতা বিশ্ববিদ্যালয়

    – মানখেতা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান কর্ণাটকে মালখেত নামে পরিচিত।

    – রাষ্ট্রকূট রাজবংশের আমলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি দুনিয়া ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা যায়।

    পুষ্পগিরি বিহার ও ললিতগিরি

    – ওড়িশার পুষ্পগিরি বিহার এবং ললিতাগিরি খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে কলিঙ্গ রাজাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে জানা যায়। উদয়গিরি পাহাড়ের কাছে বৌদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি গড়ে উঠেছিল।

    শারদা পীঠ

    – শারদা পীঠ বর্তমানে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত। এটি সংস্কৃত শিক্ষাবিদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।

    – দেবী শারদাকে উৎসর্গ করে তৈরি করা হয়েছিল এই পীঠ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস এখানে স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব বাস করেন।

    নাগার্জুনকোন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়

    – অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নাগার্জুনকোন্ডা একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ কেন্দ্র ছিল।

    – শ্রীলঙ্কা, চিন সহ বিভিন্ন দেশের পণ্ডিতরা এখানে এসেছিলেন বলে জানা যায়।

    – নাগার্জুনকোণ্ডা নামটি দক্ষিণ ভারতের একজন বিশিষ্ট মহাযন বৌদ্ধ শিক্ষক নাগার্জুনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বুধবার, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট

    HS Result 2024: উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বুধবার, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল, ৮ মে, বুধবার, প্রকাশিত হবে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল (HS Result 2024)। এদিন দুপুর ১টায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফল ঘোষণা করবেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। পরীক্ষা শেষের ৬৯ দিনের মাথায় এবার ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা সংসদ। দুপুর ৩টে থেকে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে তাঁদের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। ওয়েবসাইটে ফল দেখার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড।

    কীভাবে দেখবেন ফল

    ১) পরীক্ষার্থীদের প্রথমে https://wbresults.nic.in/ ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    ২) এর পর ‘হোমপেজ’-এ দেওয়া ‘রেজাল্ট’-এর লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।

    ৩) এর পর নিজেদের রোল নম্বর-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই স্ক্রিনে রেজাল্ট দেখা যাবে।

    ওয়েবসাইটের হোম পেজে ঢুকলেই স্কিনে একটি লেখা দেখতে পাবে পড়ুয়ারা। লেখাটি হল, “West Bengal Higher Secondary Examination Results 2024″। এতে ক্লিক করলেই খুলে যাবে একটি ফর্ম। তাতে লিখতে হবে রোল নম্বর ও জন্ম তারিখ। এর পর সাবমিট অপশনে ক্লিক করলে স্ক্রিনে চলে আসবে মার্কশিট। যা ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীরা। রেজাল্ট (HS Result 2024) জানার পাশাপাশি ওয়েবসাইট থেকে মার্কশিট ডাউনলোড করতে পারবে পড়ুয়ারা। নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়াও ‘WBCHSE Results’ অ্যাপের মাধ্যমেও নিজেদের ফলাফল দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। 

    আরও পড়ুন: “নিজেকে নাচতে দেখে আনন্দ পেয়েছি”, ভোট আবহে ভিডিও শেয়ার করে মমতাকে বার্তা মোদির

    কবে থেকে মার্কশিট বিলি

    লোকসভা ভোটের কারণে এবার ফল ঘোষণার দিনেই মার্কশিট (HS Result 2024) বিলি করবে না সংসদ। ১০ মে সকাল ১০টা থেকে তা হাতে পাবেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা ও টিচার ইনচার্জরা। রাজ্যজুড়ে মোট ৫৫ টি ক্যাম্প অফিস থেকে বিলি করা হবে মার্কশিট ও শংসাপত্র। ওই দিনই স্কুল থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে পড়ুয়ারা। চলতি বছরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় উচ্চ মাধ্যমিক। শেষ হয় ২৯ ফেব্রুয়ারি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CISCE: এগিয়ে ছাত্রীরা, ফলপ্রকাশ আইসিএসই ও আইএসসির, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    CISCE: এগিয়ে ছাত্রীরা, ফলপ্রকাশ আইসিএসই ও আইএসসির, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল আইসিএসই (দশম শ্রেণি) ও আইএসসি(দ্বাদশ শ্রেণি)-র ফল। সকাল ১১টায় ফল প্রকাশ করা হয়। কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল দেখতে পারবেন। নয়া দিল্লির পুষ্প বিহারে বোর্ডের অফিস থেকেই সাংবাদিক বৈঠক করে ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর দশমের ফলাফল পরীক্ষা শেষের ৩৭ দিনের মাথায় এবং দ্বাদশের ফলাফল পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪৮ দিনের মাথায় প্রকাশ করা হল।

    ছাত্রীদের পাশের হার বেশি

    রাজ্যে আইসিএসই-এর পাশের হার ৯৯.৪৭ শতাংশ। আইএসসি-র পাশের হার ৯৮.১৯ শতাংশ। আইএসসিই-তে ছাত্রীরা উল্লেখযোগ্য ফল করেছে ছাত্রদের তুলনায়। ছাত্রীদের পাশের হার আইএসসিই-তে ৯৯.৪১ শতাংশ, ছাত্রদের পাশের হার ৯৯.০৭ শতাংশ। আইএসসি তেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাশের হার বেশি। আইএসসি-তে রাজ্যে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৮.৪৬ শতাংশ, ছাত্রদের পাশের হার ৯৬.৮৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৮.৯৪ শতাংশ। এ বছর রাজ্য থেকে আইসিএসই (ISCE) পরীক্ষা দিয়েছে ৪২,৩৭২ জন, আইএসসি (ISC) পরীক্ষা দিয়েছেন ২৭,৬২১ জন। চলতি বছরে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ মার্চ অবধি আইসিএসই পরীক্ষা হয়েছিল। দ্বাদশ শ্রেণির (ISC) পরীক্ষা হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট 

    আইসিএসই, আইএসসি-র ছাত্র-ছাত্রীরা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেদের রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পাবে।  এছাড়া ৯২৪৮০৮২৮৮৩ (9248082883) নম্বরে ৭ ডিজিটের ইউনিক আইডি পাঠালেও রেজাল্ট দেখা যাবে। যে ওয়েবসাইটগুলিতে ফল জানা যাবে সেগুলি হল-

    cisce.org

    results.cisce.org

    results.digilocker.gov.in

    কত নম্বর পেলে পাশ

    আইসিএসই পরীক্ষায় পাশ করতে ন্যূনতম ৩৩ নম্বর পেতে হবে। আইএসসি পরীক্ষায় পাশের জন্য ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেতে হবে। উল্লেখ্য, এবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আইসিএসই ও আইএসসি-র কম্পার্টমেন্ট পরীক্ষা। কোনও পরীক্ষার্থী যদি কোনও বিষয়ে কম নম্বর পেতেন, তবে এই পরীক্ষা দিতেন। এবার থেকে একই বছরের মধ্যে নিজের নম্বর বা গ্রেড বাড়ানোর জন্য পরীক্ষার্থীরা ইমপ্রুভমেন্ট এগজামিনেশন দিতে পারবেন। তবে সর্বাধিক দুটি বিষয়েই পরীক্ষা দেওয়া যাবে। আগামী জুলাই মাসে এই পরীক্ষা হবে। ফলপ্রকাশের পর ১০ মে পর্যন্ত করা যাবে পুনর্মূল্যায়নের আবেদন।

     

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result 2024: ফের মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, প্রথম দশে স্থান পেল ৬ পড়ুয়া

    Madhyamik Result 2024: ফের মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, প্রথম দশে স্থান পেল ৬ পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও মাধ্যমিক পরীক্ষায় (Madhyamik Result 2024) মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন। রাজ্যে প্রথম দশটি স্থানের মধ্যে রয়েছে ৫৭ জন পড়ুয়া। ঠিক এই প্রথম দশের মধ্যেই মিশনের ৬ জন পড়ুয়া জায়গা করে সাফল্যের নজির গড়েছে। নরেন্দ্রপুরে তাই খুশির আবহ। রাজ্যের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় প্রকাশিত হয়েছে। এরপরই এই সংবাদ জানা গিয়েছে।

    কে কে রয়েছে প্রথম দশে (Madhyamik Result 2024)?

    জানা গিয়েছে, মাধ্যমিকের (Madhyamik Result 2024) মেধা তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে নৈর্ঋতরঞ্জন পাল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ষষ্ঠ স্থান লাভ করেছে অলিভ গাইন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৬৮৭ নম্বর পেয়ে সপ্তম হয়েছে আলেখ্য মাইতি। একই সঙ্গে নবম স্থানের অধিকারী হয়েছে যুগ্মভাবে ঋত্বিক দত্ত এবং ঋতব্রত নাথ। উভয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫। একই ভাবে মেধাতালিকার দশম স্থান দখল করেছে শুভ্রকান্তি জানা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    মিশনের পড়ুয়ারা জানিয়েছে, পরীক্ষায় (Madhyamik Result 2024) আশানুরূপই ফল লাভ করেছে তারা। কিন্তু মেধাতালিকার প্রথম দশে জায়গা হবে, অনেকেই ভাবতে পারেনি। তবে পড়ুয়ারা যেহেতু মিশনে থেকে পড়াশুনা করত, তাই তাদের সাফল্যের সবটাই মিশনের মহারাজদের, শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের দিয়েছে কৃতীরা। বেশিরভাগ পড়ুয়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার আবার কেউ কেউ সরকারি আমলা হতে চায়। তাদের দাবি, কতক্ষণ পড়তে হয় তা বড় কথা নয়, যে কোনও বিষয়কে মনোযোগ দিয়ে পড়লে সাফল্য আসবেই। প্রত্যেক বছরই মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে রামকৃষ্ণ মিশনের একটা বিশেষ জায়গা থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।

    আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিকের ফল, পাস ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন

    প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য

    স্কুলের এই সাফল্যের পিছনে কি কোনও যাদুমন্ত্র রয়েছে? উত্তরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বামী ইষ্টেশানন্দ বলেন, “আবাসিক বিদ্যালয়ের নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা রয়েছে এই সাফল্যের পিছনে। তবে সামাজিক মাধ্যম এবং মোবাইল ব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর ফলেও পরীক্ষার ফলাফল (Madhyamik Result 2024) অনেক ভালো হয়েছে।”

    উল্লেখ্য, এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯,১০,৫৯৮। এর মধ্যে ছাত্র ছিল ৪,০৩,৯০০ এবং ছাত্রী ছিল ৫,০৮,৬৯৮ জন। মোট পাশ করেছে ৭,৬৫,২৫২ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result 2024: প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিকের ফল, পাস ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন

    Madhyamik Result 2024: প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিকের ফল, পাস ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল মাধ্যমিক ২০২৪-এর ফলাফল (Madhyamik Result 2024)। ৮০ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ হচ্ছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামাণুজ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০২৪-এর মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করছেন তিনি। এবার মাধ্যমিকে পাশ করেছে ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার ২৫২ জন। চলতি বছরে মাধ্যমিকে পাশের হার ৮৬.৩১ শতাংশ। মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হারে ছেলেদের টেক্কা দিল মেয়েরা। মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে কোচবিহারের চন্দ্রচূড় সেন (৬৯৩)। ৯৯ শতাংশ নম্বর পেয়েছে চন্দ্রচূড়। মাধ্যমিকে দ্বিতীয় পুরুলিয়া থেকে সাম্যপ্রিয় গুরু (৬৯২)। পাশের হারে এগিয়ে কালিম্পং। তারপরে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। তৃতীয় কলকাতা ও চতুর্থ পশ্চিম মেদিনীপুর।

    প্রথম দশে কারা

    চলতি বছরেও মাধ্যমিকে জেলার জয় জয়কর। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর, এবার মাধ্যমিকে (Madhyamik Result 2024) প্রথম দশে রয়েছে ৫৭ জনের নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৮ জন, দক্ষিণ দিনাজপুরের ৭ জন, পূর্ব বর্ধমানের ৭ জন, পূর্ব মেদিনীপুরের ৭ জন, বাঁকুড়ার ৪ জন, বীরভূমের ৩ জন, উত্তর ২৪ পরগনার ২ জন, হাওড়ার ১ জন, মালদহের ৪ জন, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৪ জন, কোচবিহারের ২ জন, হুগলি থেকে ২ জন, নদিয়ার ২ জন, হাওড়ার ১ জন, ঝাড়গ্রামের ১ জন, কলকাতার ১ জন, পুরুলিয়ার ১ জন, উত্তর দিনাজপুরের ১ জন।

    মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে কোচবিহারের রামঘোলা হাই স্কুলের ছাত্র চন্দ্রচূড় সেন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। দ্বিতীয় হয়েছে পুরুলিয়া জেলা স্কুলের ছাত্র সাম্যপ্রিয় গুরু। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। তৃতীয় স্থান পেয়েছে তিনজন। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট হাই স্কুলের ছাত্র উদয়ন প্রসাদ।  বীরভূমের নিউ ইন্টিগ্রেটেড গভ স্কুলের ছাত্রী পুস্পিতা বাসুরি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণের ছাত্র নৈরিত পাল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছে হুগলির তপোজ্যোতি মন্ডল (৬৯০)। পঞ্চম পূর্ব বর্ধমানের অর্ঘ্যদীপ বসাক (৬৮৯)। ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৪১১ জন, ‘AA’ পেয়েছে ৯ হাজার ৯৬১ জন, ‘A+’ পেয়েছে ২৪ হাজার ৬৪৩ জন, ‘A’ পেয়েছে ৮৩ হাজার ৮০৭ জন।

    আরও পড়ুন: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    কীভাবে দেখবেন

    চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Result 2024) দিয়েছে ৯,২৩,০১৩ জন পড়ুয়া। এদের মধ্যে ছাত্র পরীক্ষার্থীর সংখ্যা- ৪,০৫,৯৯৪। ছাত্রী পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা- ৫,১৭,০১৯ জন। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা-২৬৭৫টি। ৫১ হাজার ৮৩৮ জন পরীক্ষক ছিলেন। পরীক্ষার্থীরা (www.wbbse.wb.gov.in) এবং (wbresults.nic.in) ওয়েবসাইটে গিয়ে লগ ইন করে নিজেদের ফল দেখতে পাবেন। 

    — WBBSE মাধ্যমিক ক্লাস 10 রেজাল্ট লিঙ্ক-এ ক্লিক করুন
    — রোল নম্বর, জন্ম তারিখ লাগবে লগ-ইন করতে
    — WBBSE রেজাল্ট ২০২৪ লগ-ইন উইন্ডো খুলবে
    — মাধ্যমিকের রোল নম্বর, জন্ম তারিখ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে
    — এরপর সাবমিট করলেই স্ক্রিনে রেজাল্ট দেখা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC Chairman: ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে উৎসাহী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, জানালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

    UGC Chairman: ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে উৎসাহী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, জানালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়া ভারতের সঙ্গে কথা এখানে তাদের ক্যাম্পাস খোলার জন্য। এ কথা জানিয়েছেন ইউজিসির চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার (UGC Chairman)। সোমবারই জগদীশ কুমার এ বিষয়ে বলেন যে এ নিয়ে বিভিন্ন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আবেদনও জমা করেছে। কিন্তু যেহেতু আবেদন প্রক্রিয়া চলছে তাই কোনও নাম এখনও তিনি মুখে আনেননি। কিন্তু তিনি জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে ক্যাম্পাস খোলার ক্ষেত্রে বিপুল আগ্রহ দেখা গিয়েছে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসেই ইউজিসি নোটিশ জারি করে জানায় যে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চাইলে ভারতে তাদের ক্যাম্পাস খুলতে পারে।

    ভারতে আসার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে 

    এক সাক্ষাৎকারে এম জগদীশ কুমার (UGC Chairman) জানিয়েছেন, বিশ্বের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ভারতে আসার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে দেখা যাচ্ছে। আমরা প্রতিনিধির দল পাঠিয়েছিলাম উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং আরও অন্যান্য জায়গায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে ভারতে ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়ে। অস্ট্রেলিয়ার ডিয়াকিন বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রথম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় যারা ভারতে তাদের শাখা স্থাপন করছে। গুজরাট ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স টেকনোলজি সিটিতে প্রথম তাদের ক্যাম্পাস খুলছে এই বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    চালু হয়েছে অনলাইন পোর্টাল 

    ইউজিসি চেয়ারম্যান (UGC Chairman) আরও জানিয়েছেন, অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে। যে পোর্টালের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারতে ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি দেখাশোনা করবে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বের প্রথম ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে থেকেই আবেদন নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। পরবর্তীকালে সেই তালিকাকে অনুমোদন দেবে ইউজিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কলেজের চার বছর পূর্ণ হলেই শিক্ষার্থীরা পিএইচডি করতে পারবেন এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারবেন। এমনই তথ্য দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অর্থাৎ ইউজিসি চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা ছাড়াই পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদেরকে তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর বা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। এখনও পর্যন্ত, ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্টের (NET) একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন ছিল।

    নতুন নিয়ম কত নম্বর লাগবে

    নেট দিয়ে পিএইচডি করার জন্য আর তিন বছর ধরে কলেজ করে মাস্টার্স ডিগ্রি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান জগদীশ কুমার জানিয়েছেন যে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা এখন সরাসরি নেট পরীক্ষায় উপস্থিত হতে পারবেন এবং পিএইচডি করতে পারবেন। এতদিন সাধারণ নিয়মে তিন বছরের ডিগ্রিধারী পরীক্ষার্থীদের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (NET) দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর পাস করতে হত। কিন্তু এখন চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ ছাড়া পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদের অবশ্যই তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে কিংবা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। আর যে প্রার্থীরা তিন বছর স্নাতক করেছেন বা ৭৫ শতাংশের কম নম্বর পেয়েছেন, তাঁরা আগের মতোই ৫৫ শতাংশ স্কোর সহ মাস্টার্স করে নেট এবং পিএইচডি করতে পারবেন। 

    আরও পড়ুন: জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    কুমার জানিয়েছেন, ‘চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা এখন সরাসরি পিএইচডি করতে এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারেন। এই ধরনের প্রার্থীরা যে বিষয়ে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাঁর বাইরেও অন্যান্য বিষয়ে তাঁদেরকে এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে’। ইউজিসি-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসসি, এসটি, ওবিসি (নন-ক্রিমি লেয়ার), ভিন্নভাবে সক্ষম, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগের প্রার্থীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নম্বর বা এর সমতুল্য গ্রেডের শিথিলকরণ অনুমোদিত হতে পারে। নেট পরীক্ষা বছরে দু’বার নেওয়া হয়। প্রতি বছর জুন এবং ডিসেম্বর। এর স্কোরগুলি বর্তমানে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) প্রদান করতে এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share