Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • UPSC: চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ইউপিএসসির, শীর্ষস্থানে আদিত্য শ্রীবাস্তব

    UPSC: চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ইউপিএসসির, শীর্ষস্থানে আদিত্য শ্রীবাস্তব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফল প্রকাশ হল ইউপিএসসি (UPSC) সিভিল সার্ভিস (Civil Services) পরীক্ষা ২০২৩ সালের। শীর্ষস্থান অর্জন করলেন আদিত্য শ্রীবাস্তব। দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন অনিমেষ প্রধান। তৃতীয় হয়েছেন অনন্যা রেড্ডি। চূড়ান্ত পার্সোনালিটি টেস্ট ও সাক্ষাৎকার রাউন্ড শুরু হয়েছিল ২ জানুয়ারি থেকে। মঙ্গলবার ঘোষিত হয়েছ রেজাল্ট। চূড়ান্ত ফল ঘোষণার তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের মার্ক্স ইউপিএসসির ওয়েবসাইটে দেখা যাবে।

    শীর্ষ পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন দুই মহিলাও (UPSC)

    আদিত্য ইতিমধ্যেই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক করেছেন আইআইটি কানপুর (IIT Kanpur) থেকে। মঙ্গলবার ইউপিএসসি (UPSC) সিভিল (civil services) সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৩-এর যে ফল প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সবার ওপরে রয়েছেন আদিত্য। দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন অনিমেষ। তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি রাউরকেল্লা থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিটেক করেছেন। সমাজবিজ্ঞান তাঁর অপশনাল বিষয় ছিল। তৃতীয় স্থান অধিকারী অনন্যা রেড্ডি, কলা বিভাগে স্নাতক। তিনি দিল্লি ইউনিভার্সিটির মিরান্ডা হাউসের ছাত্রী। তাঁর ঐচ্ছিক বিষয় ছিল নৃবিজ্ঞান। শীর্ষ স্থানাধিকারী পাঁচজনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। 

    আরও পড়ুনঃ এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    পরীক্ষায় সফল ২০১৬ জন 

    ২০২৩ এর ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় সফল হয়েছেন ২০১৬ জন। শীর্ষ ২০জনের তালিকায় অন্যদের মধ্যে রয়েছেন পিকে সিদ্ধার্থ রামকুমার (৪র্থ র‌্যাঙ্ক), রুহানি (৫ম র‌্যাঙ্ক), সৃষ্টি দাবাস (৬ষ্ঠ র‌্যাঙ্ক), আনমোল রাঠোর (সপ্তম র‌্যাঙ্ক), আশিস কুমার (অষ্টম র‌্যাঙ্ক), নওশীন (নবম র‌্যাঙ্ক), ঐশ্বর্য, প্রজাপতি (১০ তম র‌্যাঙ্ক), কুশ মোটওয়ানি (১১ তম র‌্যাঙ্ক), অনিকেত শান্ডিল্য (১২ তম র‌্যাঙ্ক), মেধা আনন্দ (১৩ তম র‌্যাঙ্ক), শৌর্য অরোরা (১৪ তম র‌্যাঙ্ক), কুনাল রাস্তোগি (১৫ তম র‌্যাঙ্ক), অয়ন জৈন (১৬ তম র‌্যাঙ্ক), স্বাতী শর্মা (১৭ তম র‌্যাঙ্ক), ওয়ার্দা খান (১৮তম র‌্যাঙ্ক), শিবম কুমার (১৯তম র‌্যাঙ্ক), এবং আকাশ ভার্মা (২০তম র‌্যাঙ্ক)। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৩ প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছিল ২৮ মে। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৩ মেইন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৫, ১৬, ১৭, ২৩ এবং ২৪ সেপ্টেম্বর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBSE: একাদশ-দ্বাদশের পরীক্ষায় বড় বদল সিবিএসই বোর্ডে, বেশিরভাগই থাকবে এমসিকিউ প্রশ্ন

    CBSE: একাদশ-দ্বাদশের পরীক্ষায় বড় বদল সিবিএসই বোর্ডে, বেশিরভাগই থাকবে এমসিকিউ প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিএসই (CBSE) বোর্ডের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় বড়সড় বদল আনতে চলেছে বোর্ড। জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই বদল চালু হবে। নতুন পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রশ্নের বড় উত্তর লেখার বদলে এমসিকিউ প্রশ্ন বেশি রাখার কথা ভেবেছে বোর্ড। জানা গিয়েছে, এমসিকিউ প্রশ্নের ধরন ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বাড়ানো হবে। অন্যদিকে, কমানো হবে বড় উত্তরের প্রশ্নগুলির সংখ্যাও। এই ধরনের প্রশ্নের সংখ্যা ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করা হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বিভিন্ন বিষয়গুলির ওপর পরীক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতেই বোর্ডের এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে শিক্ষা মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: শুধু কচ্ছতিভু দ্বীপ নয়, দেশের অখন্ডতাকেও ভেঙেছে কংগ্রেস, অভিযোগ ভিএইচপির

    কী বললেন সিবিএসই-এর ডিরেক্টর

    সিবিএসই (CBSE) বোর্ডের তরফ থেকে ডিরেক্টর জোসেফ ইম্যানুয়েল জানিয়েছেন, জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসরণ করেই এই বদল আনা হচ্ছে। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে বোর্ড তাই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বোর্ডের ডিরেক্টর। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়ানোও হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন হচ্ছে। তবে নবম-দশম শ্রেণির ফরম্যাটে কোনওরকম বদল হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে সিবিএসই (CBSE) বোর্ড।

    রাজ্যেও একাদশ দ্বাদশে সেমেস্টার চালু 

    এ প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে, কেন্দ্রীয় বোর্ডের পাশাপাশি একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে সেমেস্টার চালু করছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও। দুটি ক্লাস মিলিয়ে মোট চারটি সেমেস্টার (CBSE) নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, এরমধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন হবে শেষ দুটি সেমেস্টারে পরীক্ষার্থীদের পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে। প্রসঙ্গত, এনিয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে দুই ধরনের মতামতই উঠে এসেছে শিক্ষা মহল থেকে।

    আরও পড়ুন: “রামমন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র প্রত্যাখ্যান মানা যায় না” , কংগ্রেস ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন গৌরব

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Madhyamik 2025: দিন বদল! আরও এগিয়ে এল আগামী বছরের মাধ্যমিক, কবে থেকে শুরু?

    Madhyamik 2025: দিন বদল! আরও এগিয়ে এল আগামী বছরের মাধ্যমিক, কবে থেকে শুরু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্ষদ থেকে আগে জানানো হয়েছিল, ২০২৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে, তা চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি (Madhyamik 2025) পর্যন্ত। কিন্তু রবিবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা এগিয়ে আনা হয়েছে। কবে থেকে পরীক্ষা শুরু হবে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানিয়েও দেওয়া হল।

    কবে থেকে পরীক্ষা শুরু?

    পর্ষদ জানিয়েছে, আগামী বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2025) শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে। চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে মাধ্যমিকের পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনও প্রকাশ করেনি পর্ষদ। সাধারণভাবে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশের দিনই পরের বছরের পরীক্ষার রুটিন ঘোষণা করা হয়। কবে থেকে মাধ্যমিক শুরু হবে, কবে কী পরীক্ষা হবে, কতদিন পরীক্ষা চলবে, তা ঘোষণা করে পর্ষদ।  কিন্তু এবার আগেভাগেই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করল পর্ষদ। এনিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক মহলের একাংশ। তবে পূর্ণাঙ্গ রুটিন মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের দিনই পর্ষদ ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন পরীক্ষার দিন এগিয়ে আনা হল?

    আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik 2025) শুরুর দিনটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। কারণ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন। এ ছাড়া ওই দিনে পড়েছে শবে বরাতও। এই দু’দিনে স্কুলে ছুটি থাকে। পর্ষদের সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই কী করে ওই দিন পরীক্ষা নেওয়া যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শিক্ষকদের একাংশ।

    কী বলছেন শিক্ষকরা?

    শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারীর ভাষায়, ‘‘শবে বরাত এবং পঞ্চানন বর্মার জন্মবার্ষিকীতে প্রতি বছর ছুটি থাকা সত্ত্বেও আগামী বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে বলে ঘোষণা করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (Madhyamik 2025)। শেষ পর্যন্ত ১৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে বলে ঘোষণা করল পর্ষদ। এটা কাঙ্ক্ষিত ছিল। শিক্ষা দফতরের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী যে ঘোষণা করেছিলেন, তা একেবারেই কাঙ্খিত নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik 2024: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট রেজিস্ট্রেশনের বর্ধিত সময় ১০ জানুয়ারি, প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া উদ্যোগ

    Madhyamik 2024: মাধ্যমিকের অ্যাডমিট রেজিস্ট্রেশনের বর্ধিত সময় ১০ জানুয়ারি, প্রশ্নফাঁস রুখতে নয়া উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2024) শুরু হচ্ছে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। এ বছর পরীক্ষা দেবেন প্রায় ১২ লক্ষ পরীক্ষার্থী। আর ২৫ দিন বাকি থাকতেই পর্ষদের তরফে এনিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল। এবং সেখানে জানানো হয়েছে অ্যাডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার শেষ দিন ছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ এই সময়সীমার মধ্যে যারা অ্যাডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পারেনি, তাদের জন্য বর্ধিত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে আগামী ১০ জানুয়ারি।

    কী বলছেন পর্ষদ সভাপতি

    এদিন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘উদাসীনতা ও গাফিলতির কারণে সময়সীমার মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেনি স্কুলগুলি। পড়ুয়াদের কথা ভেবে আমরা আরও একটি সুযোগ দিলাম। ওই সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ণ না হলে আর পরীক্ষায় বসতে পারবে না সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীরা।’’

    শিশু কোলে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না

    এর পাশাপাশি এদিন আরও জানানো হয়েছে, শিশু কোলে কোনওভাবেই মাধ্যমিক (Madhyamik 2024) পরীক্ষা দেওয়া যাবে না এবং পরীক্ষা চলাকালীন তিন ঘন্টা ধরে শিশুকে মাতৃ স্তন পানও করানো যাবে না।  মানবিকতার কারণে শিশু কোলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হতো। কিন্তু বিগত বছরে বেশ কিছু কেন্দ্রে দেখা গিয়েছে শিশুর কাপড়ের মধ্যেই নকল থাকছে।

    প্রশ্ন ফাঁস রুখতে নয়া উদ্যোগ

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিগত বছরগুলিতে দেখা গিয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2024) শুরু হতেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। এবং তা সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, প্রতিটি প্রশ্নপত্রেই আলাদা কোড থাকবে এবং সেটা দেখেই কোন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে তা জানা যাবে।

    ২৪ জানুয়ারি থেকে অ্যাডমিট বিলি করবে স্কুলগুলি

    অন্যদিকে, ২২ জানুয়ারি থেকে পর্ষদের ক্যাম্প অফিস থেকে সকাল ১১ টা থেকে অ্যাডমিট কার্ড তুলতে পারবে স্কুলগুলি। এবং ২৪ জানুয়ারি থেকে স্কুল গুলি থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা অ্যাডমিট কার্ড (Madhyamik 2024) সংগ্রহ করতে পারবে। কোথাও কোনও অ্যাডমিট কার্ডে ভুল থাকলে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে তা সংশোধন করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US Visas: ভারতীয় পড়ুয়াদের রেকর্ড ভিসা! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ বাইডেন প্রশাসনের

    US Visas: ভারতীয় পড়ুয়াদের রেকর্ড ভিসা! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ বাইডেন প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২-২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আড়াই লাখেরও বেশি ভারতীয় পড়ুয়াকে ভিসা (US Visas) প্রদান করেছে, যা রেকর্ড। সংখ্যাটা হল ২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৯২৩। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পরিষেবার উচ্চতম এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছর ভারতে আমেরিকান দূতাবাস সপ্তাহে ছয় থেকে সাত দিন কাজ করে নতুন ভিসা মঞ্জুর করেছে। সমস্ত ভারতীয় পড়ুয়া ক্লাস শুরুর আগে ইন্টারভিউ পর্যায়ে যাতে সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই বাইডেন প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতার মাধ্যমে আড়াই লাখেরও বেশি ভিসা প্রদান করেছে। পরবর্তী সময়ে আরও বাড়তে পারে ভারতীয় ভিসার সংখ্যা। উল্লেখ্য, আগের বছর এই সংখ্যাটা ছিল প্রায় দু’লাখ (১ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৮২)। সেই হিসাবে দু’বছরের ব্যবধানে বৃদ্ধির হার ৩৫ শতাংশ।

    এই প্রথম এত ভিসা একসঙ্গে (US Visas)

    বর্তমানে ভারত থেকে আমেরিকাতে পড়তে যাওয়া পড়ুয়াদের সংখ্যা আগের থেকে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর ভারতীয়দের এই উদ্দেশ্যকে সফল করতে আমেরিকান সরকার বেশ অনেকটাই তৎপর হয়েছে। আমেরিকান দূতাবাসের আধিকারিকরা জানান, “ইতিহাসে এই প্রথমবার এত ভিসা একসাথে মঞ্জুর করতে পারায় আমরা অনেক খুশি হয়েছি। পরবর্তীতে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই আমরা মনে করছি। এমনকি চলতি বছরেও বহু ভারতীয় পড়ুয়া ভিসার (US Visas) জন্য আবেদন করেছেন। শুধু পড়ুয়া নন রয়েছেন, বেশ কয়েক হাজার কর্মী। বর্তমানে যেসব ভারতীয় পড়ুয়ারা আমেরিকায় পড়াশোনার জন্য যেতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে আমেরিকান সরকারের পক্ষ থেকে। শুধু ভারতীয় নয়, বহু দেশ থেকেই পড়ুয়াদের আগমন হয় আমেরিকাতে পড়াশোনার জন্য। কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয়দের সংখ্যা সব থেকে বেশি, যা নয়া রেকর্ড গড়েছে। গ্র্যাজুয়েট বিভাগে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা চিনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।

    মার্কিন বিদেশ দফতর কী জানিয়েছে?

    মার্কিন বিদেশ দফতরের জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে ২০১৭ সালের পর থেকে এত পড়ুয়াকে ভিসা (US Visas) দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ফের ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য তাদেরকে ভিসা দেওয়ার দরজা উন্মুক্ত করে দেয়। শুধু ভারতই নয়, বিশ্বের অনেক দেশের পড়ুয়াকে প্রচুর ভিসা প্রদান করেছে আমেরিকা, যার পরিমাণ প্রায় এক কোটি ছাড়িয়েছে। গত বছর পড়ুয়া, কর্মী, পর্যটক সব মিলিয়ে প্রায় ১২ লক্ষের কাছাকাছি ভারতীয়কে ভিসা প্রদান করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCERT: রামায়ণ-মহাভারত হতে চলেছে পাঠ্যসূচির অংশ? প্রস্তাব এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান কমিটির

    NCERT: রামায়ণ-মহাভারত হতে চলেছে পাঠ্যসূচির অংশ? প্রস্তাব এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে রামায়ণ ও মহাভারত। ইতিহাসের বিষয়বস্তু হিসেবেই এই দুই ভারতীয় মহাকাব্যকে পড়ানো হবে। এনসিইআরটি-এর (NCERT) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের যে কমিটি রয়েছে, সেই কমিটির প্রস্তাবেই ইতিহাসের পাঠ্য বইয়ে নানা বদল আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওই কমিটি আরও প্রস্তাব দিয়েছে বৈদিক সাহিত্য এবং আয়ুর্বেদের বিভিন্ন বিষয়কেও পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। তবে এখনও পর্যন্ত এনসিইআরটি-এর (NCERT) চূড়ান্ত সিলমোহর পায়নি এই প্রস্তাব।

    কী বলছেন এনসিআরটি-এর শীর্ষ আধিকারিক?

    এনসিইআরটি-এর (NCERT) প্যানেলের শীর্ষ আধিকারিক প্রফেসর সি আই ইসাকের মতে, ‘‘ইতিহাসকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার জন্য প্যানেল প্রস্তাব দিয়েছে। যার মধ্যে থাকবে প্রাচীন ইতিহাস, মধ্যযুগীয় ইতিহাস, ব্রিটিশ যুগ এবং আধুনিক ভারত।’’ প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত তিনটি বিভাগই পড়ানো হতো ইতিহাসে এবং তা হল প্রাচীন ইতিহাস, মধ্যযুগের ইতিহাস এবং আধুনিক ভারত। জানা গিয়েছে, প্রাচীন ইতিহাসের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ভারতের দুই বিখ্যাত মহাকাব্য রামায়ণ এবং মহাভারত। এনসিআরটির-এর ওই শীর্ষ আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, তাঁদের প্রস্তাব হল রামচন্দ্রের বিষয়ে ছাত্রদের ধারণা তৈরি করা। রামচন্দ্র কে ছিলেন এবং তাঁর রাজত্ব কেমন ছিল, তিনি কখনও প্রজাদের মধ্যে ভেদাভেদ করেননি এই সমস্ত বিষয়ই ছাত্রদের জানাতে চায় এনসিইআরটি।

    শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে লেখা থাকবে সংবিধানের প্রস্তাবনা 

    এছাড়া ওই কমিটির তরফ থেকে আরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে, সংবিধানের প্রস্তাবনাকে শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে লেখার জন্য। বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাতেই ওই প্রস্তাবনা লেখার সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় বীর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ব্যাখার প্রয়োজন বইয়ে রয়েছে বলে মনে করছে এনসিআরটি-এর (NCERT) কমিটি। এ বিষয়ে এনসিইআরটি-এর আধিকারিক সি আই ইসাক বলেন, ‘‘আমাদের ছাত্রদের অবশ্যই জানা উচিত জাতীয় বীরদের সম্পর্কে এবং তাদের লড়াই সম্পর্কে। এর ফলে ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।’’ প্রসঙ্গত এর আগেই এনসিইআরটির তরফ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হয় যে পাঠ্য বইতে এবার থেকে ইন্ডিয়ার বদলে ভারত পড়ানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India and Bharat: ‘ইন্ডিয়া’ নয়, দেশের নাম ‘ভারত’, পাঠ্যপুস্তকে নাম বদলের সুপারিশ এনসিইআরটির

    India and Bharat: ‘ইন্ডিয়া’ নয়, দেশের নাম ‘ভারত’, পাঠ্যপুস্তকে নাম বদলের সুপারিশ এনসিইআরটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নাম সর্বত্র ইন্ডিয়ার বদলে ভারত করা হব, এমন জল্পনা চলছিলই। এই আবহে স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে এবার থেকে দেশের নাম ইন্ডিয়া নয় শুধুই ভারত পড়ানো হবে, এমনই সিদ্ধান্ত নিল এনসিইআরটি (NCERT)। সূত্রের খবর, এনসিইআরটি অনুমোদিত সকল পাঠ্যপুস্তকে এবার থেকে শুধু দেশের নাম ভারত (India and Bharat) পড়ানো হবে, এই নির্দেশিকা খুব তাড়াতাড়ি জারি হতে চলেছে। এতেই জল্পনা বাড়ছে, এরপর কি তবে দেশের নাম ইন্ডিয়ার বদলে শুধুই ভারত হতে চলেছে?  এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য আগামীদিনেই পাওয়া যাবে।

    ইন্ডিয়া নাকি ভারত?

    প্রসঙ্গত, ইংরেজিতে দেশের নাম কী হবেে, ভারত নাকি ইন্ডিয়া (India and Bharat), তা নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরে এই জোর চর্চা চলছে। গত মাসেই জি২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ভারতে। সে সময়েই আমন্ত্রিত অতিথিদের কার্ডে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা ছিল ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। অন্যদিকে জি২০ মঞ্চে ‘ইন্ডিয়া’র বদলে সর্বত্র স্থান পায় ‘ভারত’ নাম। প্রধানমন্ত্রীর নামের নিচেও লেখা থাকতে দেখা যায় ‘ভারত’ নাম। এরপর থেকেই জল্পনা আরও জোরালো হয়, তবে কি দেশের নাম এবার থেকে ‘ইন্ডিয়া’র বদলে শুধুই ‘ভারত’ (India and Bharat) হবে?

    কী বলছে ওয়াকিবহাল মহল?  

    ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে দেশের নাম ‘ইন্ডিয়া’ (India and Bharat) আসলে ঔপনিবেশিকতার প্রতীক। প্রসঙ্গত মোদি সরকার যে পঞ্চ প্রতিজ্ঞার ঘোষণা করেছে সেখানে অন্যতম একটি বিষয় হিসেবে রয়েছে যে, পরাধীনতার সমস্ত কিছু মুছে ফেলা হবে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, ঔপনিবেশিকতার প্রতীক ‘ইন্ডিয়া’ শব্দ তাই মুছে ফেলতে চায় মোদি সরকার। আগামী দিনে যদি দেশের নাম ‘ইন্ডিয়া’র বদলে শুধুই ‘ভারত’ হয়, তাতে অবশ্য কিছু ভুল দেখছে না ওয়াকিবহাল মহল। কারণ তাঁদের মতে এই নামটি যথার্থ এবং প্রাচীন ভারতের যে কোনও শাস্ত্র অথবা ঐতিহাসিক গ্রন্থগুলোতে এই নামই পাওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: ঠেলা গাড়িতে ফল বিক্রির সঙ্গে সন্তানদের পড়াশোনা! মায়ের সংগ্রামে আপ্লুত নেটদুনিয়া

    Viral Video: ঠেলা গাড়িতে ফল বিক্রির সঙ্গে সন্তানদের পড়াশোনা! মায়ের সংগ্রামে আপ্লুত নেটদুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় ফল বিক্রি করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মা। সেই সঙ্গে মায়ের ভালোবাসার কথায় চোখ ভেজালেন নেটপাড়ার নাগরিকরা। রাস্তায় ফল বিক্রি করতে করতেই মায়ের কাছে পড়াশোনা করছে সন্তানরা, এই ভিডিওকে ঘিরে সামাজিক গণমাধ্যম ব্যাপক সরগরম। ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হতেই আবেগে ভাসছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ জানিয়েছেন স্যালুট।

    ঘটনা কী ঘটছে (Viral Video)?

    ঠেলা গাড়িতে বিক্রি করতে হয় ফল। তার পাশেই প্লাস্টিক পেতে পড়াশুনা করতে দেখা যাচ্ছে দুই সন্তানকে। হাতে ধরে স্লেটে লেখাপড়া শেখাচ্ছেন মা। এক দিকে সন্তানদের পড়াশোনা, অপর দিকে ফল বিক্রি, দুই কাজেই জীবনের কঠিন লড়াই করছেন মা-সন্তানরা। এই দৃশ্য (Viral Video) নেটপাড়ার নাগরিকদের মন ছুঁয়ে গেছে। জীবনের কঠিন বাস্তবতায় মানুষের মনকে অত্যন্ত ভাবুক করে তুলেছে।

    সংগ্রামী মা

    আমরা সবাই জানি, পণ্ডিত বিদ্যাসাগর মশাই রাস্তার পাশে ল্যাম্প পোস্টের আলোতে কত কষ্ট করে পড়াশুনা করছেন। নানা গল্প, উপন্যাস, সিনেমার মধ্যেও দেখা গেছে মায়েদের জীবন সংগ্রাম কতটা কঠিন হয়। মা তাঁর নিজের সর্বস্ব সন্তানের জন্য উজার করে দেন। সন্তানকে বড় করতে মা সকল দুঃখ-কষ্টকে সাদরে গ্রহণ করেন। সন্তানের জন্য দু’ বেলা অন্নের সংস্থান করা এবং পড়াশুনা করিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতে জীবনকে সহজ-সুন্দর করতে সব রকম চেষ্টা করেন মা। আজকের দিনে পড়াশুনা না জানলে, আগামীদিনের জীবন কতটা কঠিন হতে পারে, সেই কথা ভেবেই মা ঠেলার মধ্যে ফল বিক্রি করতে করতে সন্তানদের পড়াশুনার পাঠ দিচ্ছেন। এই দৃশ্য মানুষের মনকে সিক্ত করেছে। চোখে জল এনে দিয়েছে অনেকের। এমন ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হতেই মানবিক মন সত্যই আপ্লুত হয়ে পড়ে।

    কোথায় বিনিময় করা হয়েছে?

    জানা গেছে @dc_sanjay_jas নামে একটি ট্যুইটার পেজ থেকে ভিডিওটি (Viral Video) বিনিময় করা হয়েছে। ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, আমার কাছে কোনও শব্দ নেই! কীভাবে মায়ের জীবন সংগ্রামকে উপস্থাপন করবো! এই নিয়ে কোনও ভাষা হয় না। এখনও পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখের বেশি মানুষ দেখেছেন। নেট নাগরিকদের মধ্যে থেকে এসেছে নানা মতামত। কেউ কেউ দেখেই প্রণাম, স্যালুট এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। সন্তানের ভালোবাসায় মা কতটা আত্মত্যাগী হতে পারেন, সেই দৃষ্টান্ত যেন চোখে পড়ল এই ভিডিওতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Book of Records: ৫ মিনিটে ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা ১৫৮ টি! খুদের কীর্তিতে গর্বিত পরিবার

    India Book of Records: ৫ মিনিটে ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা ১৫৮ টি! খুদের কীর্তিতে গর্বিত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির এক প্রাইমারি শিক্ষকের ছেলে সৌম্যজিৎ রবিদাস। বয়স ৫ বছর ১০ মাস। কিন্তু এই বয়সেই বাজিমাত করেছে সে। ছোট্ট শিশুটি নাম তুলেছে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ (India Book of Records)। সৌম্যজিতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সে যখন কথা বলা শুরু করল, সেই সময় থেকেই ওর স্মরণশক্তির প্রখরতা খুব বেশি। ওকে কোনও কিছু একবার বলে দেওয়ার একমাস পর জিজ্ঞেস করলেও সেটা বলে দিতে পারত। গত জুলাই মাসের ২৬ তারিখে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ আবেদনপত্র জমা দেন তাঁর বাবা। তারপর ভিডিও মারফত ইংরেজি থেকে বাংলায় পাঁচ মিনিটে ১৫৮ টি তর্জমা করে জমা দেওয়া হয়। এরপর গত ২৮ শে অগাস্ট ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস থেকে জানানো হয়, সৌম্যজিৎ রবিদাসের  নাম বুক অফ রেকর্ডস-এ স্থান পেয়েছে। ২৮ শে অগাস্ট ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড-এর শংসাপত্র সহ মেডেল আসে সৌম্যজিতের বাড়িতে।

    ছোট থেকেই শখ বই পড়ার (India Book of Records)

    সৌম্যজিৎ রবিদাসের মা’র ইচ্ছা, তাঁর ছেলে ডাক্তার হোক। বাবা পেশায় প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক। তিনি বলেন, প্রত্যেক মা-বাবাই সন্তানদের দেখভাল করেন এবং তাদের কীসে ভাল হবে, সে বিষয়ে সব কিছু ত্যাগ করে সন্তানের পিছনে পড়ে থাকেন। এটাই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ও যখন কথা বলতে শিখলো, তখন ওকে যা বলা হত ও সেটা অনেকদিন পর্যন্ত মনে রাখতে পারতো। ছোট থেকেই ওর শখ বই নিয়ে নাড়াচাড়া করা। ফোনের প্রতি সৌম্যজিতের প্রচণ্ড অনীহা। ছোট থেকেই পাশাপাশি দুটো জিনিস ফোন এবং বই রেখে দিলেও বইটা নিয়েই পড়াশোনা করতে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়তো। জানার আগ্রহ প্রবল। কোনও নতুন ইংরেজি শব্দ শুনলেই মায়ের কাছে ছুটে চলে যেত তার বাংলা তর্জমা কী হবে, জানার জন্য। কোনও কারণে মায়ের বলতে অসুবিধা হলেও, ও কিন্তু ছাড়ার পাত্র নয়। অভিধান দেখেও ওর মাকে বলতে হতো, ইংরেজি থেকে ওই বাক্যের তরজমা (India Book of Records)।

    ডাক্তার হিসাবে দেখতে চায় পরিবার (India Book of Records)

    খুশি সৌম্যজিতের পরিবারের লোকজন সহ সাগরদিঘির মানুষজন। বাড়ির সকলের ইচ্ছে, যদি সৌম্যজিৎ পড়াশোনা ঠিকমত চালিয়ে নিয়ে যেতে পারে, তাহলে তাঁরা তাকে ডাক্তার হিসেবে দেখতে চাই। সেই কারণে আজ সৌম্যজিতের বাবা-মা সমস্ত মানুষের আশীর্বাদ চাইলেন যাতে তাঁর ছেলে শিক্ষার আলোয় প্রভাবিত হয়ে মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করতে পারে। এই আশায় সৌম্যজিতের (India Book of Records) পরিবার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IIEST Shibpur: শিবপুর আইআইইএসটি-তে নেই র‍্যাগিং বা ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা, কীভাবে সম্ভব হল?

    IIEST Shibpur: শিবপুর আইআইইএসটি-তে নেই র‍্যাগিং বা ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা, কীভাবে সম্ভব হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ছাত্রমৃত্যুতে উত্তাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ এরকমই ছাত্রমৃত্যুর পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাওড়ার শিবপুর আইআইইএসটি-তে ছাত্র সংঘর্ষ ও র‍্যাগিংয়ের ঘটনা। অভিযোগ, ২০০৬ সালের আগে বারবার র‍্যাগিং ও ছাত্র সংঘর্ষের অভিযোগ আসত হাওড়ার শিবপুরের বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি থেকে। ২০০৬ সালে তৎকালীন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি বা বেসু-র ১১ নম্বর হস্টেলের দোতলার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় সৌমিক বসু নামে তৃতীয় বর্ষের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রের। সেই সময় বেসুতে এসএফআই  এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসলিডেশন নামে দুই ছাত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ প্রায়শই লেগে থাকত। মাঝে মধ্যে অভিযোগ আসত র‍্যাগিংয়েরও।

    কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল সৌমিক বসুর?

    সৌমিক বসু এসএফআই-এর সমর্থক ছিলেন। ২০০৬ সালের ৭ই অগাস্ট রাতে ১১ নম্বর হস্টেলে দুই ছাত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ৮ ই অগাস্ট যখন ততকালীন রেজিস্ট্রার ইন্দ্রনাথ সিনহা (বর্তমানে মাইনিং ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক) হস্টেলে ঢুকছিলেন, সেই সময় ওই ছেলেটি মনে করেন যে ইন্দ্রনাথবাবু পুরো ব্যাপারটা জেনে গেছেন। তখন তিনি ছুটে পালাতে যান। তখন ছিল বর্ষাকাল। বারান্দা ভিজে ছিল। পা পিছলে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যান ওই যুবক। মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরোতে থাকে। প্রথমে কলেজের ছাত্র ও শিক্ষকরা দ্রুত তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে গ্রিন করিডোর করে সিএমআরআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও বাঁচানো যায়নি। ১২ তারিখ অর্থাৎ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়।

    কীভাবে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল র‍্যাগিং?

    সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নির্দেশে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়। সিআইডির তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। পরে পরশমণি চট্টোপাধ্যায় কমিশন গঠন করা হয়। পরশমণি চট্টোপাধ্যায় বেসু-র প্রাক্তন উপাচার্য ছিলেন। তিনি এই ক্যাম্পাসে গন্ডগোল এবং র‍্যাগিং রুখতে বেশ কিছু পরামর্শ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তার ফলে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ আস্তে আস্তে কমে যায় এবং র‍্যাগিংয়ের ঘটনাও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ২০১৪ সালে বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি বেসু রূপান্তরিত হয় শিবপুর আইআইইএসটি-তে। কেন্দ্রের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে চলে আসে বেসু। শিবপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বর্তমানে ইউজিসি সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে।

    এরপর ‍র‍্যাগিং বা ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা রুখতে আইআইইএসটির অধ্যাপকরা উদ্যোগী হন। ‍র‍্যাগিং এবং ছাত্র সংগঠনের ঘটনা বন্ধে যেমন অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটিকে সক্রিয় করা হয়, এর পাশাপাশি ছাত্রদের অভাব-অভিযোগ নিয়ে নিয়মিত বৈঠক হয়। ক্যাম্পাস চত্বরে সিসিটিভি, অ্যান্টি রাগিং হেল্পলাইন চালু করা, বাইরের রাজনীতি থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজনীতি বন্ধ করা, আইআইইএসটি-র গেটে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, কোনও রকম আইডি কার্ড ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেওয়া, এই সমস্ত নানা পদক্ষেপের ফলে র‍্যাগিং ও ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

    কী বলছেন ছাত্ররা?

    আইআইইএসটির এক ছাত্র বলেন, যাদবপুরে যেমন বহিরাগত রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ অনেক বেশি দেখা যায়, সে দিক থেকে শিবপুর আইআইইএসটি সম্পূর্ণ ভাবে বাইরের রাজনীতি থেকে মুক্ত। কেন্দ্র সরকারের অধীনে সরাসরি চলে যাওয়ার পর সেখানে ছাত্র নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। ছাত্রছাত্রীরা নিজেরাই তাঁদের লিডার নির্বাচন করেন। এছাড়া হস্টেল ক্যাম্পাসে পাশ আউট ছাত্রদের থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই। হস্টেল, লাইব্রেরি সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিভাগ থেকে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দিলে তবেই ছাত্রদের হাতে মার্কশিট দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই আইআইইএসটি-তে বহিরাগত বা পাশ আউট ছাত্রছাত্রীরা থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই।

    কী বলছেন জয়েন্ট রেজিস্ট্রার? 

    বর্তমান জয়েন্ট রেজিস্ট্রার (অ্যাকাডেমিক) নির্মাল্যকুমার ভট্টাচার্য বলেন, ২০০৬ সালে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পর ছাত্র-ছাত্রীদের উপলব্ধি হয় যে অযথা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছেন তাঁরা। তারপর থেকে নিজেরাই আস্তে আস্তে এই ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেন। অন্যদিকে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে এখানে র‍্যাগিং বলে কিছু নেই। উল্টে তাঁরা সিনিয়রদের কাছ থেকে সহযোগিতা পান অনেক বেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share