Category: গ্যাজেট

Get updated Gadget related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সাইবার জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণা রুখতে হোয়াটসঅ্যাপ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ফিচার নিয়ে আসতে চলেছে, যার নাম ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM-binding)। এই নতুন নিয়মের ফলে ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ আসলে কী (SIM-binding)?

    বর্তমানে যে কোনও ডিভাইসে (SIM-binding) হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইন করার জন্য শুধুমাত্র একটি ওটিপি (OTP)-র প্রয়োজন হয়। কিন্তু ‘সিম-বাইন্ডিং’ প্রযুক্তি চালু হলে, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে থাকা ফিজিক্যাল সিম কার্ড বা ই-সিম (e-SIM)-এর সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ যে ফোনে আপনার সিম কার্ডটি রয়েছে, শুধুমাত্র সেই ফোনেই হোয়াটসঅ্যাপ সক্রিয় রাখা সম্ভব হবে।

    কেন এই নতুন নিয়ম আনা হচ্ছে?

    প্রতারণা রোধ (Whatsapp)

    ওটিপি চুরির মাধ্যমে অন্যের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নেওয়ার যে প্রবণতা বা স্ক্যাম (Scam) ইদানীং বেড়েছে, এই ফিচারের ফলে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। সিম কার্ডটি ডিভাইসে না থাকলে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা যাবে না।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্টে লাগাম

    অনেক ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল নম্বর ব্যবহার করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চালানো হয়। সিম-বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি বাধ্যতামূলক হলে এই ধরণের স্প্যাম অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    নিরাপত্তার অতিরিক্ত স্তর

    এটি মূলত টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মতোই কাজ করবে, যা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

    ব্যবহারকারীদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে?

    ডিভাইস পরিবর্তন

    আপনি যখন নতুন কোনও ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) ব্যবহার করতে চাইবেন, তখন পুরনো ফোন থেকে সিম কার্ডটি বের করে নতুন ফোনে লাগানো বাধ্যতামূলক হবে।

    মাল্টি-ডিভাইস ফিচার

    হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) বর্তমান ‘লিঙ্কড ডিভাইস’ (Linked Devices) ফিচারের ওপর এর প্রভাব কেমন হবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি মহলে আলোচনা চলছে। তবে প্রাথমিক অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করতে এই বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টেলিকম সংস্থাগুলোকে সিম কার্ড সংক্রান্ত জালিয়াতি রুখতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের এই পদক্ষেপ সেই ডিজিটাল সুরক্ষা উদ্যোগেরই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ মার্চ থেকে ভারতে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলির ব্যবহার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) নির্দেশ দিয়েছে যে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল, স্ন্যাপচ্যাট, শেয়ারচ্যাট, জিওচ্যাট, আরাট্টাই এবং জোশ-সহ বিভিন্ন অ্যাপকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। গত ২৮ নভেম্বর টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশ জারি করে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে নিয়ম মানার সময়সীমা দেওয়া হয়, যার শেষ দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি। পাশাপাশি ১২০ দিনের মধ্যে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ মার্চ থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে।

    কীভাবে কাজ করবে ‘সিম-বাইন্ডিং’

    টেলিকম সাইবার সিকিউরিটি (TCS) রুলস, ২০২৪ সংশোধনী অনুযায়ী জারি হওয়া এই নির্দেশে বলা হয়েছে, কোনও মেসেজিং অ্যাপ তখনই কাজ করবে যখন ব্যবহারকারীর যে সিম (SIM binding) দিয়ে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করা হয়েছে, সেই সিমটি মোবাইল ফোনে সক্রিয় ও উপস্থিত থাকবে। যদি সিম কার্ড খুলে ফেলা হয়, বদলানো হয় বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ওই ডিভাইসে কাজ করা বন্ধ করবে। সঠিক সিম পুনরায় প্রবেশ করিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা পর্যন্ত পরিষেবা চালু হবে না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েব বা টেলিগ্রাম ওয়েবের মতো ওয়েব ও ডেস্কটপ সংস্করণগুলিকেও প্রতি ছয় ঘণ্টা অন্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ-আউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় লগ-ইন করতে হলে সক্রিয় সিম-যুক্ত মোবাইল থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে অথেনটিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ কেন আনা হচ্ছে

    সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতারণা কমানো। অনেক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় বা ভুয়ো নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা করা হয়। ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM binding) চালু হলে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সক্রিয় নম্বরের সরাসরি সংযোগ থাকবে। এতে অপরাধ শনাক্ত করা সহজ হবে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই নিয়ম নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি শিল্প এবং ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞরা। যাঁরা নিয়মিত ভ্রমণ করেন, সিম বদলান বা একাধিক ডিভাইসে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাঁদের অসুবিধা হতে পারে। ছোট ব্যবসা এবং অফিস ব্যবহারকারীদেরও বারবার যাচাই করতে হতে পারে, যা দৈনন্দিন কাজে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Bharatiya GPT: এআই সামিটে উন্মোচিত ভারতীয় জিপিটি, প্রাচীন জ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেতুবন্ধন

    Bharatiya GPT: এআই সামিটে উন্মোচিত ভারতীয় জিপিটি, প্রাচীন জ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেতুবন্ধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাটজিপিট-র মতো অ্যাপ নিয়ে আসছে ভারত। তৈরি হচ্ছে দেশীয় জিপিটি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বম্বের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রোগ্রামটি তৈরি করা হচ্ছে, যার নাম ‘ভারত জিপিটি’ (Bharat GPT)। দিল্লিতে ভারত মণ্ডপমে আন্তর্জাতিক এআই সামিটে এর উন্মোচন হল। ভারতের প্রাচীন পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার থেকে নির্মিত একটি দেশীয় বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) এটি। এআই সামিটে স্পুটনিক ইন্ডিয়ার ধৈর্য মহেশ্বরী ও ভারতীয় জিপিটি (BharatiyaGPT)–এর প্রতিষ্ঠাতা আর রামকৃষ্ণনের কথোপকথনে উঠে এল ভারতের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ নিয়ে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।

    এক কোটি পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার থেকে এআই

    বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বৃহৎ ভাষা মডেল মূলত পাশ্চাত্য তথ্যভাণ্ডারের উপর নির্ভরশীল। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় উদ্ভাবকদের প্রশ্ন—কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভারতের সহস্রাব্দ প্রাচীন বিজ্ঞান, চিকিৎসা, গণিত, দর্শন ও জীবনবিজ্ঞানের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে শিখবে না? এই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে একটি ভারতকেন্দ্রিক ভাষা মডেলের এক ইকোসিস্টেম। যা ১ কোটিরও বেশি প্রাচীন পাণ্ডুলিপির উপর ভিত্তি করে নির্মিত। চল্লিশেরও বেশি লিপিতে লেখা এই পাণ্ডুলিপিগুলি বিভিন্ন শাস্ত্র ও বিদ্যার অন্তর্গত। উদ্যোগটি কেবল প্রযুক্তিগত নয়—এটি সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক পুনরুদ্ধারেরও প্রয়াস।

    ভারতীয় জিপিটি-র জন্ম

    কেবল পশ্চিমের ডেটাসেটের অভিযোজন ভারতের বৌদ্ধিক ঐতিহ্যকে ধারণ করতে পারবে না, এই উপলব্ধি থেকে সরাসরি ভারতীয় পাণ্ডুলিপি-সাহিত্যের আশ্রয় নেওয়া হয়। তৈরি হয় ভারতীয় জিপিটি। এর মধ্যে রয়েছে আয়ুর্বেদ নিয়ে ‘লোকস্বস্তি জিপিটি’। যেখানে অষ্টাঙ্গ হৃদয়ম, শুশ্রুত সংহিতার মতো গ্রন্থ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। এই মডেল প্রাচীন চিকিৎসাবিজ্ঞান, শল্যচিকিৎসা, স্বাস্থ্যরক্ষা ও জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রদান করে। ভারতের শাস্ত্রীয় গণিতচর্চাকে নতুন রূপ দিয়েছে ‘গণিত জিপিটি’। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, সংখ্যা তত্ত্বসহ প্রাচীন গণিতজ্ঞদের আবিষ্কার এখন আধুনিক ভাষায় সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। সাহায্য নেওয়া হয়েছে আর্যভট্ট, লীলাবতী, বীজগণিত-এর। অর্থনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে অর্থশাস্ত্রকে। এই গ্রন্থে রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনার যে বিশ্লেষণ রয়েছে, তা আধুনিক প্রেক্ষাপটেও প্রাসঙ্গিক করে তুলছে সংশ্লিষ্ট মডেল। আধ্যাত্মিক ও জীবনদর্শনের জন্য তৈরি হয়েছে ‘ভগবত গীতা জিপিটি’। এখানে ব্যবহারকারী কেবল শ্লোক নয়, তার প্রেক্ষাপট, ব্যাখ্যা ও দার্শনিক তাৎপর্যও জানতে পারবেন।

    ভারতের এআই যাত্রার নতুন পরিচয়

    উদ্যোক্তাদের মতে, ভারতের প্রাচীন গ্রন্থগুলি কেবল ধর্মীয় বা ভক্তিমূলক রচনা নয়; এগুলি ছিল সুসংগঠিত, বিশ্লেষণধর্মী ও বৈজ্ঞানিক দলিল। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই জ্ঞান এখন গবেষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হচ্ছে। এআই সামিটে বার্তা ছিল স্পষ্ট—এটি শুধু ভারতের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও এক নতুন দিগন্ত। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন আয়ুর্বেদ, গণিত, দর্শন ও রাষ্ট্রনীতির জ্ঞানকে বিচ্ছিন্ন অংশে নয়, এক জীবন্ত ডিজিটাল ভাণ্ডার হিসেবে অন্বেষণ করতে পারবে। প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির এই মেলবন্ধনই হয়তো ভারতের এআই যাত্রার নতুন পরিচয় গড়ে তুলবে।

  • Sanchar Sathi App: সব মোবাইলে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে ফোন নির্মাতাদের নির্দেশ কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    Sanchar Sathi App: সব মোবাইলে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে ফোন নির্মাতাদের নির্দেশ কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার নিরাপত্তায় আরও জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে সরকারি অ্যাপ ‘সঞ্চার সাথী’-কে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। নতুন মোবাইল গুলিতে এবার থেকে আগেই ইনস্টল করতে হবে ‘সঞ্চার সাথী’ (Sanchar Sathi App)। সিস্টেমকে এমন ভাবে করা হবে যাতে ব্যবহারকারীরা মোবাইল কেনার পরে ওই অ্যাপ ডিলিট করতে না পারে। নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে মোবাইল সংস্থাগুলিকে (Phone App) বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ থাকার কথা নিশ্চিত (Sanchar Sathi App)

    তবে এই বিষয়ে নির্দেশিকা বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে এখনও তেমন কোনও নির্দেশিকা আসেনি। তবে একাধিক সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমি, ভিভো সহ বিভিন্ন সংস্থাকে এই সাইবার সুরক্ষা নিয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর এই নির্দেশিকায় মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নতুন মোবাইলে এখন আগে থেকেই ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ (Sanchar Sathi App) থাকার কথা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    তবে এই প্রসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে নতুন যে সব মোবাইলগুলি এসেছে সেগুলির সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সঞ্চার সাথী অ্যাপটিকে ইনস্টল (Phone App) করিয়ে দিতে হবে। সাইবার সুরক্ষার জন্য এই অ্যাপ সরকারের নজরদারিকে আরও সক্রিয় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সরকারের তরফে সরাসরি কিছু না বললেও আলাদা আলাদা করে প্রথম পর্যায়ে সকল সংস্থাকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

    ৫০ হাজার মোবাইল উদ্ধার

    ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ (Sanchar Sathi App) এই বছরের শুরুতেই লঞ্চ করা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রকের এই অ্যাপ সাইবার সুরক্ষা মামলায় অত্যন্ত কার্যকারী হবে বলে মনে করেছে কেন্দ্র। শুধু মোবাইল চুরি নয়, এখন থেকে মোবাইল খুঁজে পেতেও সহযোগী হবে এই অ্যাপ। একটি সরকারি হিসেবে জানা গিয়েছে, দেশে সাত লক্ষের বেশি হারানো মোবাইল খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে এই সঞ্চার সাথী অ্যাপ। এর মধ্যে ৫০ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধারে অ্যাপটি বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছে। তবে সূত্রের দাবি, বিক্রির আগে কোনও রকম থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করা নির্মাণকারী সংস্থার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নীতিরই পরিপন্থী। এখন আগামী দিনে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাই এখন দেখার।

    কী কী সুবিধান মিলবে?

    ‘সঞ্চার সাথী’ (Sanchar Sathi App) অ্যাপে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার নামে কতগুলো মোবাইল কানেকশন অ্যাক্টিভ আছে। অ্যাপের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে অভিযোগ করা এবং সেগুলি ব্লক করা খুব সহজ হবে। প্রতারণামূলক ওয়েব লিঙ্কগুলিকে রিপোর্ট করা যায়। ফলে সহজেই সন্দেহজনক জালিয়াতির রিপোর্ট করা যায়। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের নম্বর যাচাই করা যাবে। এখানে নতুন কেনা ফোন সহজেই যাচাই করা যায়। ভারতীয় নম্বর দেখিয়ে আগত ইন্টারনেটের কলগুলিকে সহজেই রিপোর্ট করা যাবে। তবে সরকারি আধিকারিকদের মতে, সাধারণত এখন ওয়েবসাইটে গিয়ে অভিযোগ করতে হয়, ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। তবে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের মাধ্যমে সেই কাজটা অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে বলে বিশ্বাস। এমনকী ব্যবহারকারীদের আইএমইআই নম্বরও মনে রাখার দরকার হবে না। টেলিযোগাযোগ দফতর সূত্রে (Phone App) সাফ কথায় জানা হয়েছে, সমস্ত ভুয়ো হ্যান্ডসেট কেনা থেকে নাগরিকদের রক্ষা এই নয়া অ্যাপ বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে। একই ভাবে বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে খুব সহজেই অভিযোগ করতে এবং সঞ্চার সাথী উদ্যোগকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড

    ‘সঞ্চার সাথী’-র (Sanchar Sathi App) একটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪২.১৪ লাখের বেশি মোবাইল ফোন ব্লক করা হয়েছে। ২৬.১১ লাখেরও বেশি হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। অ্যাপে ১.১৪ কোটিরও বেশি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে এক কোটির বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপল স্টোর থেকেও এই অ্যাপ ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • CNAP system: আর স্প্যামকল নয়, ফোনে ভেসে উঠবে কলারের আধার যুক্ত নাম! কেন্দ্র আনল সিএনএপি

    CNAP system: আর স্প্যামকল নয়, ফোনে ভেসে উঠবে কলারের আধার যুক্ত নাম! কেন্দ্র আনল সিএনএপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  যদি আপনার ফোনে হঠাৎ করে কেউ ফোন করে, আর আপনি অপরিচিত নাম দেখাতে শুরু করেন, এমন নাম যা আপনি কখনও সেভ করেননি, তাহলে চিন্তা করবেন না। এটি কোনও ত্রুটি নয়। এটি ভারত সরকারের নতুন সিএনএপি (CNAP system) সিস্টেম, যা দেশের কিছু অংশে পরীক্ষা করা হচ্ছে। কোনও ভয় পাওয়ার কারণ নেই। অপরিচিত নাম বা নম্বর নিয়ে অহেতুক ভয় পাবেন না। ফোন (Calling Name Presentation) করলে আধার যুক্ত নাম প্রদর্শিত করবে।

    আধার নামটি প্রদর্শিত হবে (CNAP system)

    সিএনএপি (CNAP system)-এর অর্থ হল কলিং নেম প্রেজেন্টেশন এবং এটি ট্রু কলার (Truecaller) এর মতো ব্যবস্থা, তবে সরকার স্বীকৃত এবং সরকারের দ্বারা তৈরি। গ্রাহককে এই নিয়ে কোনও অসুবিধায় পড়তে হবে না। এই সিস্টেমের অর্থ হল ক্রাউডসোর্সড ডেটা। তার মানে হল ব্যবহারকারীর অনুমানের উপর নির্ভর না করেই কল করা ব্যক্তির আসল আধার-লিঙ্কযুক্ত নাম দেখা যাবে মোবাইল স্ক্রিনে। কেউ যখন আপনাকে ফোন করে তখন সিস্টেমটিতে কী হয় তা আসুন জেনে নিই। প্রথমে আপনার ফোনে (Calling Name Presentation) সেই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত আধার নামটি প্রদর্শিত হবে। কিছুক্ষণ পরে, এটি আপনার ফোনের কন্টাক্ট লিস্টে সেভ করা নামটি দেখাবে। এর অর্থ হল প্রথমে যাচাইকৃত সরকারি পরিচয়পত্রটি দেখাবে এবং এরপর ব্যক্তিগত মোবাইলে সেভ করা তথ্যকে দ্বিতীয় স্থানে প্রদর্শন করবে।

    শনাক্তকরণকে আরও নির্ভুল

    এখন প্রশ্ন হল সরকার কেন এমন পদ্ধতির ব্যবহার শুরু করছে? কেন্দ্রীয় সরকার গত মাসে সিএনএপি (CNAP) পোর্টাল অনুমোদন করেছে। এতে টেলিকম অপারেটররা কলার শনাক্তকরণকে আরও নির্ভুল এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এটিকে কার্যকর করেছে। এর লক্ষ্য হল জটিলতা হ্রাস করা, জালিয়াতি প্রতিরোধ করা এবং অপরিচিত নম্বর থেকে কলের (Calling Name Presentation) উত্তর দেওয়ার সময় মানুষকে আরও আত্মবিশ্বাসী করা। উল্লেখ্য আগে, যদি আপনার স্ক্রিনে কোনও অসংরক্ষিত নম্বর দেখা যেত, তাহলে ট্রুকলার (Truecaller)-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার না করলে, সেই নম্বরটিকে জানার কোনও স্পষ্ট উপায় ছিল না। নির্দিষ্ট কলের তথ্যটি প্রায়শই অন্যান্য ব্যবহারকারীদের উপর নির্ভর করতে হতো। তবে সবসময় নির্ভরযোগ্যও ছিল না। সিএনএপি (CNAP system) প্রত্যেক কল করা ব্যক্তির নাম এখন সরাসরি তাদের সিম নিবন্ধনের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছে। ভারতে এখন কলার আইডি কীভাবে কাজ করে তার মধ্যে এটি একটি লক্ষণীয় পরিবর্তন। তবে গোপনীয়তা, নির্ভুলতা এবং লোকেরা তাদের প্রদর্শিত নাম আপডেট বা পরিবর্তন করতে পারবে কিনা সে সম্পর্কে পরিষেবাটি সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনা সাপেক্ষ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আপাতত সিএনএপি (CNAP system) গ্রাহকদের কল ধরার সময় আরও স্বচ্ছ এবং বিশ্বাস যোগ্যতাকে নিশ্চিত করছে। অপরিচিত নম্বর থেকে কল ধরার সময় সেটিকে আরও কার্যকর করা হচ্ছে। টেলিকম অপারেটররা সারা দেশে সিস্টেমটিকে সক্রিয় করার সঙ্গে মোবাইলে ব্যক্তিগত যোগাযোগের নামগুলিকে প্রদর্শিত হওয়ার আগে স্ক্রিনে যাচাইকরেই দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক ট্যুইটার)-এর এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ দ্বারা অনুপ্রাণিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া ‘গ্রোকিপিডিয়া’ বাজারে আনলেন সংস্থার কর্তা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক (Elon Musk)। এই গ্রোকিপিডিয়াকে বহুল-প্রচলিত উইকিপিডিয়ার একটি বিকল্প হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এলন মাস্ক বলেছেন, ‘‘গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সত্য-নির্ভর প্ল্যাটফর্ম হবে। উইকিপিডিয়ার মতো পক্ষপাতদুষ্ট নয়।’’

    ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ (Elon Musk)

    এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে এলন মাস্ক (Elon Musk) বলেন, “অনলাইন বিশ্বকোষটি হতাশাজনক ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। যদিও গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) বিষয়বস্তু উইকিপিডিয়া এবং ব্রিটানিকার মতো বিশ্বকোষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে আমাদের প্রযুক্তি উক্ত বিষয়বস্তুর একটি অংশকেই ধারণ করে। এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ রয়েছে। আগামী দিনে এই পরিসর আরও বাড়বে।

    উইকিপিডিয়া-গ্রোকিপিডিয়ার ফলাফলে পার্থক্য

    সাধারণত, উইকিপিডিয়ায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট এবং বামপন্থী, সেকুলারপন্থী মতাদর্শকে এর বিষয়বস্তুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পদ্ধতি বিশ্বকোষ হওয়ার নীতির বিরুদ্ধে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উইকিপিডিয়া অনুসারে, লিঙ্গ হল একজন পুরুষ (বা ছেলে), মহিলা (বা মেয়ে), বা তৃতীয় লিঙ্গ হওয়ার সামাজিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং আচরণগত দিকগুলির পরিসরে মানুষ। অপর দিকে গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) এটিকে যেমনটি হওয়া উচিত তেমন সংজ্ঞায়িত করে। তাতে বলে এটি জৈবিক লিঙ্গের উপর ভিত্তি করে পুরুষ বা মহিলা হিসাবে বংশবিস্তার এবং সন্তান ধারণের বাস্তব জ্ঞানে সংজ্ঞায়িত। উভয়ের বিশ্লেষণ পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হল, উইকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় মত ও আদর্শ মেনে। অপরে গ্রোকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় তথ্যের উপর ভিত্তি করে।

    গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) কন্টেন্টগুলি একই বৃহৎ ভাষা মডেল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যা এক্স-এ গ্রোক চ্যাটবট দ্বারা নির্ভর করে তৈরি হয়। লাইভ ব্যবহারকারীর ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে, যা ক্রমাগত আপডেটের অপশনও দেবে। তবে বর্তমান ব্যবহারকারীরা উইকিপিডিয়ার মতো গ্রোকিপিডিয়ার কন্টেন্ট সম্পাদনা করতে পারবেন না। ত্রুটিযুক্ত লেখা নির্বাচন করতে পারবে। ব্যবহারকারীরা ত্রুটি বা ভুল বোতামে ক্লিক করতে পারবেন। সঠিক তথ্য এবং উৎসসূত্র সহ নানা তথ্য প্রদান করা যাবে। কন্টেন্টের পরিবর্তন তাৎক্ষণিক হবে না। তবে বর্তমানে গ্রোকিপিডিয়ার কেবলমাত্র পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

  • ChatGPT Atlas: গুগলকে টেক্কা দিতে বাজারে আসছে ওপেনএআই ব্রাউজার ‘অ্যাটলাস’

    ChatGPT Atlas: গুগলকে টেক্কা দিতে বাজারে আসছে ওপেনএআই ব্রাউজার ‘অ্যাটলাস’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুগলের জনপ্রিয় ব্রাউজার ক্রমকে টেক্কা দেওয়ার জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলেজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাপোর্ট যুক্ত ওয়েব ব্রাউজার বাজারে আনতে চলেছে চ্যাটজিপিটি-র নির্মিতা ওপেনএআই (Open AI)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত এই ওয়েব ব্রাউজারের নাম চ্যাটজিপিটি অ্যাটলাস (ChatGPT Atlas)। তবে, প্রাথমিকভাবে এই ব্রাউজার কেবলমাত্র অ্যাপলের ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেমে পাওয়া যাবে।

    একটি পেইড এজেন্ট মোড

    ওপেনএআই (Open AI) জানিয়েছে, গ্রাহকদের জন্য নতুন এআই সাপোর্ট যুক্ত ওয়েব ব্রাউজার অ্যাটলাস একটি পেইড এজেন্ট মোড চালু করবে। আর এতেই গ্রাহকরা যে কোনও জিনিসকে সার্চ করতে পারবেন। ইন্টারনেট ব্রাউজারে গুগলের যে একাধিপত্য রয়েছে তা সকলেই জানেন। এবার এই একচ্ছত্র আধিপত্যের বিরুদ্ধে এইআইযুক্ত নতুন ওয়েব ব্রাউজার লঞ্চ করতে চলেছে ওপেন এআই। গ্রহকরা যেভাবে গুগুলে সার্চ করেন ঠিক একই ভাবে ওপেন এআই-এর মাধ্যমে সার্চ করতে পারবেন। এখানে সব সময় এজেন্ট মোডকে সক্রিয় রাখা হবে। আবার এতে চ্যাটজিপিটি (ChatGPT Atlas) গ্রাহকদের জন্য টাকার বিনিময়ে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে আবার চ্যাটবটও থাকবে। এই চ্যাটবট দ্রুতগতির মাধ্যমে কাজ করবে। ব্রাউজার যাতে ভালো ভাবে কাজ করতে পারে সেই ভাবেই কাজ করবে এই সিস্টেম।

    আগামীদিনে বিরাট পরিবর্তন আনবে

    গুগল নিজের সিস্টেমের মধ্যে এআইকে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করেছে। যেকোনও কিছু সার্চ করার ক্ষেত্রে গুগলের জেমিনি এআই-এর দ্বারা জেনারেটেড জবাবই বেশি বেশি করে দিয়ে থাকে। গ্রাহকরাও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমেই উত্তর বেশি বেশি করে গ্রহণ করে থাকেন। আর তাই সার্চ ইঞ্জিনে গুগলকে টেক্কা দিতেই চ্যাটজিপিটি-র নির্মাতা ওপেন এআই (Open AI) নির্মাণ করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি আগামীদিনে বিরাট পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    যদিও সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে জায়ান্ট গুগল আগেই বাজারে এসে গিয়েছে জেমিনি। এটা এখন সব থেকে বড় শক্তিশালী জেমিনি এআই। এটা গুগলের লেটেস্ট লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল যা পাল্লা দেবে ওপেন এআই-এর চ্যাটবোট চ্যাট জিপিটি ৪-কে (ChatGPT Atlas)। গুগল বার্ড-কে আরও শক্তিশালী করবে এই জেমিনি এআই।

  • iPhone 17 Pro: দীপাবলির আগে চাহিদা মেটাতে বাজারে এলো ভারতে তৈরি আইফোন ১৭ প্রো

    iPhone 17 Pro: দীপাবলির আগে চাহিদা মেটাতে বাজারে এলো ভারতে তৈরি আইফোন ১৭ প্রো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলিকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে ভারতে তৈরি আইফেন ১৭ প্রো (iPhone 17 Pro) এবং প্রো ম্যাক্স (iPhone 17 Pro Max) এই সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন রিটেল স্টোরে পৌঁছতে শুরু করেছে। এতে করে দেশে সরবরাহ ঘাটতি কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও এই বছর দেশে উৎপাদন বেড়েছে, রিটেলারদের অভিযোগ— আইফোন (iPhone 16) সিরিজের তুলনায় এবার মাত্র ৬০ শতাংশ ইউনিটই সরবরাহ করা হয়েছে। তবুও, অ্যাপল-এর বিক্রি গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। বিশেষ করে নতুন ডিজাইনের আইফোন-এর প্রতি চাহিদা প্রবল।

    ভারতে চাহিদা প্রচুর

    গত বছরের তুলনায় এবার ভারতে তৈরি প্রো মডেলগুলোর বাজারে পৌঁছানোর সময় অনেকটাই কমেছে। সূত্র জানিয়েছে, “২০২৪-এ গ্লোবাল লঞ্চ আর ভারতে তৈরি ইউনিটের মধ্যে ৮ সপ্তাহের ব্যবধান ছিল, কিন্তু এবার সেই ব্যবধান অনেকটাই কম।”প্রাথমিকভাবে, আ্যাপল সাধারণত আমদানি করা ইউনিট দিয়েই বাজারে ধাপে ধাপে প্রবেশ করে, ফলে অনেক সময় সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়। তবে এবার অ্যাপল আগেভাগেই উচ্চ চাহিদা অনুমান করে আমদানি করা ইউনিটের সংখ্যাও বাড়িয়েছে। বর্তমানে ফক্সকন এবং টাটা পরিচালিত পেগাট্রন তৈরি করছে আইফোন ১৭ প্রো, এবং উইসট্রন (কর্নাটক ও হোসুরে) তৈরি করছে আইফোন ১৭-এর বেস মডেল। ফক্সকন-এর শ্রীপেরুম্বুদুর প্লান্টে তৈরি হচ্ছে অ্যাপল-এর সবচেয়ে স্লিম মডেল, আইফোন এয়ার (iPhone Air)। যদিও এই উৎপাদনের একটি বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে রফতানি হচ্ছে, তবে ভারতীয় বাজারও কিছুটা উপকৃত হচ্ছে।

    সেপ্টেম্বর ১৯ থেকে চলছে ঘাটতি

    অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলর অ্যাসোসিয়েশন (All India Mobile Retailers Association) এবং দক্ষিণ ভারতের ওআরএ (Organised Retailers of South India) জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর ১৯ থেকে প্রো মডেলগুলোর সংকট চলছে। অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলর অ্যাসোসিয়েশন (AIMRA) একটি চিঠিতে জানিয়েছে, “এই বছর আমাদের সদস্যরা গত বছরের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম ইউনিট পেয়েছেন। এর ওপর অনেক সময় পুরনো আইফোন ১৫ ও ১৬ মডেলগুলোর সাথে নতুনগুলো জোড়া দিয়ে পাঠানো হচ্ছে, যা ডিজকাউন্টসহ অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে।” ওরা বলেছে, “যখন ক্রেতারা খোলা বাজারে এই ফোনগুলোর জন্য অতিরিক্ত মূল্য দিতে রাজি হয়, তখন রিটেলারদের ওপর ব্ল্যাক মার্কেটিং-এর অভিযোগ আসে, যা তাঁদের বিশ্বাসযোগ্যতায় আঘাত করছে।”

    দীপাবলির আগে সরবরাহে উন্নতি

    বেশ কয়েকজন রিটেলার জানিয়েছেন, এ সপ্তাহে ভারতে তৈরি ইউনিট বাজারে পৌঁছাতে শুরু করায় সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। “দশেরা সময়ে প্রো মডেলের ঘাটতির কারণে বিক্রি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গিয়েছিল।” এক আধুনিক রিটেল চেইনের মুখপাত্র জানিয়েছেন। তবে দীপাবলির আগে এই ঘাটতি পূরণের আশা করছেন তাঁরা। আরও এক রিটেলার জানান, “যদি সরবরাহ এমনই অব্যাহত থাকে, তাহলে দীপাবলির পরেও বিক্রি ভালো চলবে।” অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের এই আইফোনে রয়েছে উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম, প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং শক্তিশালী প্রসেসর।

    আইফোন ১৭ প্রো মডেলের দাম

    আইফোন ১৭ সিরিজের বেস মডেলের ২৫৬ জিবি স্টোরেজ মডেলের দাম ৮২,৯০০ টাকা। আইফোন এয়ার- এর ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম ১,১৯,৯০০ টাকা। আইফোন ১৭ প্রো মডেলের ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম ১,৩৪,৯০০ টাকা। আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ফোনের ২৫৬ জিবি স্টোরেজ মডেলের দাম ১,৪৯,৯০০ টাকা। অ্যাপেল স্টোর ৬ মাস পর্যন্ত নো-কস্ট ইএমআই অপশনের সুবিধা দেবে ক্রেতাদের। এছাড়াও থাকছে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুবিধা। আমেরিকান এক্সপ্রেস, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের কার্ডে ফোন কিনলে এই ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট পাবেন ক্রেতারা।

    অ্যাপল-এর রিটেল প্রসার এবং বিক্রি বৃদ্ধি

    অ্যাপল বর্তমানে ভারতে চারটি নিজস্ব রিটেল স্টোর চালু করেছে — মুম্বাইয়ের বিকেসি ও দিল্লির সাকেতের পরে নতুন করে বেঙ্গালুরু ও পুনেতে দুটি স্টোর খুলেছে। শুধু বিকেসি এবং সাকেত স্টোরেই প্রথম বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে, যার ৬০ শতাংশ এসেছে ছোট সাকেত স্টোর থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে এবার প্রো মডেলের অংশীদারিত্ব দ্বিগুণ হয়ে “ডাবল ডিজিটে” পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। চিনে এই অংশীদারিত্ব ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে। ভারতে এবার প্রো মডেলের অংশীদারিত্ব দ্বিগুণ হয়ে “ডাবল ডিজিটে” পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। চীনে এই অংশীদারিত্ব ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে। অ্যাপল-এর গড় বিক্রয়মূল্য (ASP) এ বছর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, বলে মনে করা হচ্ছে।

  • iPhone 17: নতুন আইফোন ১৭ সিরিজ বাজারে আনল অ্যাপল, কত টাকা থেকে শুরু দাম?

    iPhone 17: নতুন আইফোন ১৭ সিরিজ বাজারে আনল অ্যাপল, কত টাকা থেকে শুরু দাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে নতুন আইফোন ১৭ সিরিজ লঞ্চ করল অ্যাপল (iPhone 17)। এ বছর মোট চারটি মডেল নিয়ে হাজির হয়েছে এই সংস্থা। সবচেয়ে বড় কথা হল, দীর্ঘদিনের প্লাস মডেলকে বাদ দিয়ে আনা হয়েছে একেবারে নতুন আইফোন এয়ার (iPhone)। ফলে এ বছরের লাইনআপে রয়েছে আইফোন ১৭, আইফোন ১৭ প্রো, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স এবং নতুন আইফোন এয়ার।

    আইফোন ১৭ এর দাম শুরু হয়েছে ৮২ হাজার ৯০০ টাকা থেকে

    নতুন সিরিজের (iPhone 17) দামও এবার বেশ চোখে পড়ার মতো। আইফোন ১৭ এর দাম শুরু হয়েছে ৮২ হাজার ৯০০ টাকা থেকে। তবে এ বছর আর ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্ট থাকছে না। সরাসরি ২৫৬ জিবি স্টোরেজ দিয়ে শুরু হচ্ছে মডেল। অন্যদিকে ৫১২ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৯০০ টাকা (iPhone)।

    আইফোন ১৭ প্রো মডেলের দাম শুরু হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০ টাকা থেকে

    প্রো সিরিজের (iPhone 17) ক্ষেত্রেও দাম বেড়েছে। আইফোন ১৭ প্রো মডেলের দাম শুরু হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০ টাকা থেকে এবং এক টেরাবাইট ভ্যারিয়েন্টের দাম এক লাখ ৭৪ হাজার ৯০০ টাকা। আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের দাম শুরু হয়েছে এক লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে এবং সর্বোচ্চ ভ্যারিয়েন্টে পৌঁছেছে ২ টেরাবাইটে, যার দাম ধরা হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯০০ টাকা। এভাবে সংস্থার সবচেয়ে দামী আইফোন হয়ে উঠেছে এই নতুন প্রো ম্যাক্স।

    নতুন আইফোন ১৭ সিরিজ ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেবে

    সবচেয়ে নজর কেড়েছে নতুন আইফোন এয়ার। এটি এসেছে প্রিমিয়াম নকশা এবং প্রো-মানের হার্ডওয়্যার নিয়ে। দাম শুরু হয়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে এবং সর্বাধিক এক টেরাবাইট ভ্যারিয়েন্টের দাম এক লাখ ৫৯ হাজার ৯০০ টাকা। সংস্থার ধারণা, এয়ার মডেল প্লাসের বিকল্প হলেও তার মান অনেকটাই প্রো সিরিজের কাছাকাছি। ফলে দামও প্রো স্তরের কাছেই রাখা হয়েছে (iPhone 17)। অ্যাপলের দাবি, নতুন আইফোন ১৭ সিরিজ ব্যবহারকারীদের আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেবে। বিশেষ করে নতুন এয়ার মডেল এ বছরের লাইনআপে বড় সংযোজন হিসেবে বাজারে নজর কাড়তে প্রস্তুত।

LinkedIn
Share